10/01/2026
কেবল একটা কবিতা লেখা জন্য জন্মাবধি শব্দ চাষ করে যাচ্ছে।একটা অনুভূতির বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য
নীল মেঘের মতো ভেসে বেড়াচ্ছে। একটা প্রেমের জন্য লিখে চলছে কোটি কোটি লাইন। কেবল একটা বিচ্ছেদের নিরঙ্কুশ ব্যথা ভুলতে মানুষের সমুদ্র মন্থন করে চলছে হাজার বছর।করতোয়ার জল হয়ে মিশে যেতে চেয়েছে শিলাদেবীর বুকের ভেতর।যুমুনার তীরে বসে যমুনার মতো কেঁদেছে বহুকাল।
পেয়ারা ভেতর কীট হয়ে থেকেছে।
ঘুরেছে তারায় তারায় আর নক্ষত্রে নক্ষত্রে।
থেকেছে ঘোড়াঘাট আর তালতলীতে ঠিক পাটের পাতার মতো।
গয়নাকুড়ি পুকুরের ঘাস হয়ে মিশেছে আর দ্বিপের বাগানের কাঞ্চন ফুলের মতো লিখছে পাপড়ি কাব্য।
তবুও চম্বুনের মতো লিখতে পারেনি কবিতা।
দেহ মর্দনের মতো হয় নি কবিতার ছন্দ।
আহ উহু এর মতো হয়নি কোন কবিতা।
আহ উহু শব্দ পেলে কান পেতে শোনে জন্ম মন্থনের কবিতা।
একটা উহু আহ শব্দকে হারাতে পারিনি কোন কবিতা।
ফলে তার আর কবি হওয়া হয়নি।
এ রকম একজন কবির ফাঁসি হচ্ছে আজ। চারিদিক থেকে লোক হল্লা হল্লা করে জড় হচ্ছে ফাঁসি তলায়। বাজারের ভেতর একটা মস্ত পাকুড় গাছ আছে, সেখানে কবির ফাঁসি প্রকাশে জনতা দেখবে কবির মৃত্যু।
কবিকে দাঁডিয়ে দেয়া হচ্ছে ফাঁসির মঞ্চে। জনতা দেখছে উৎসুক হয়ে।
কবির অপরাধ কবি নিষিদ্ধ কবিতা লিখছে। কবি রিজিমের বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে। কবি ক্লিনটন সাহেবের কেউকে নিবেদন করে কবিতা লিখছে।
কবি আজ ছবি হয়ে ভাসে।