25/09/2025
সকালে সিটি করপোরেশনের অভিযানে দখলমুক্ত, বিকেলে আবার দখল কুমিল্লা নগরের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে গতকাল বুধবার সকালে অভিযানে নামে সিটি করপোরেশন। প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযা....
একটি ডিজিটাল মহিলা মাদ্রাসা
25/09/2025
সকালে সিটি করপোরেশনের অভিযানে দখলমুক্ত, বিকেলে আবার দখল কুমিল্লা নগরের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে গতকাল বুধবার সকালে অভিযানে নামে সিটি করপোরেশন। প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযা....
05/07/2024
#ফেসবুকে নন মাহরামের সাথে চ্যাটিং করার হুকুমঃ
❒ জেনে রাখুন,পুরুষ মহিলার সঙ্গে বা মহিলা পুরুষের সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া এবং ফিতনার আশংকা মুক্ত হওয়া ব্যতীত কথা বলা যায়েজ নেই।তাছাড়া অপরিচিত নারী পুরুষের কথা বলার সময় কখনোই কোমল স্বরে কথা বলা যাবে না।দেখুন,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ
یٰنِسَآءَ النَّبِیِّ لَسۡتُنَّ کَاَحَدٍ مِّنَ النِّسَآءِ اِنِ اتَّقَیۡتُنَّ فَلَا تَخۡضَعۡنَ بِالۡقَوۡلِ فَیَطۡمَعَ الَّذِیۡ فِیۡ قَلۡبِہٖ مَرَضٌ وَّ قُلۡنَ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا
হে নবী-পত্নিগণ, তোমরা অন্য কোন নারীর মত নও। যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে (পরপুরুষের সাথে) কোমল কণ্ঠে কথা বলো না, তাহলে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে।
[ সূরা আহযাব আয়াত নং ৩২ ]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের প্রতি যদি এই বিধান হয় ,তবে সাধারন নারীদের প্রতি এ বিধান কতটা গুরত্বপূর্ণ।উম্মতের নারীদের মধ্যে সবচেয়ে তাকওয়াবান ছিলেন উম্মুল মু’মিনিনরা।আর উম্মতের পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান ছিলেন সাহাবীরা (রাদি আল্লাহু তা’আলা আনহুম )।আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন,আপনি কি তাদের মত তাকওয়াবান?পুরো উম্মতের তাকওয়া একত্রিত করলে একজন সাহাবীর সমান তাকওয়া হবে না।তাই এ বিধানকে আঁকড়ে ধরুন,ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকুন।
❒ মেসেজগুলো সাধারনত দু ধরনের হয়ে থাকে।
১। শিক্ষামূলক সেবা সম্বলিত মেসেজ আদান-প্রদান।
যেমনঃ নারী-পুরুষদের পরষ্পর কোনো গবেষণা বা বইপত্র বিনিময়,অথবা কোন সমস্যার সমাধান। ( অর্থাৎ এমন জরুরত বিষয়ে মেসেজ করা যার সমাধান কেবল তার কাছেই আছে )
এসব মেসেজের বিধান ব্যক্তির নিজের উপর নির্ভর করে।নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ।সুতরাং যে নিজের ভেতর দুর্বলতা অনুভব করে এবং শয়তানের ফাঁদে পড়ে যাওয়ার আশংকা করে,তার জন্য এসব মেসেজ থেকেও বিরত থাকা এবং নিজেকে হিফাজত করা ওয়াজিব।অন্যদিকে যে ব্যক্তির নিজের উপর আস্থা এবং দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে তার জন্য কিছু শর্তসাপেক্ষে এ ধরণের মেসেজ আদান-প্রদান বৈধ।
প্রথম শর্তঃ কোন প্রকার ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা যাবে না।যেমনঃ বয়স,বৈবাহিক অবস্থা,বাসস্থান,পড়াশোনা ইত্যাদি।
দ্বিতীয় শর্তঃ নির্ধারিত বিষয়বস্তু বহির্ভূত কোনো কথা বলা যাবে না।দুজনের মধ্যে কেউ যদি এমন কোনো কথা বলে,অপরজনের জন্য ঐ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানাতে হবে।
তৃতীয় শর্তঃ মেসেজগুলো সম্পর্কে অভিভাবকগণ অবগত থাকতে হবে।যেমনঃ স্ত্রীর মেসেজের ক্ষেত্রে স্বামী অবগত থাকা,মেয়ের মেসেজ সম্পর্কে বাবা/ভাই অবগত থাকা।
২।পরিচিতি মেসেজ।
ফেইসবুকের এ নীল দুনিয়ায় একদল বিভ্রান্ত যুবক যুবতীদের ফাঁদে ফেলার জন্য কখনো পরিচিতি মেসেজ লিখে থাকে।নারী-পুরুষের মধ্যে এ ধরনের মেসেজ আদান-প্রদান কখনো বৈধ নয়।ইসলামে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করা হারাম।তেমনি প্রত্যেক ওই কাজ যা মানুষের হারাম পথে নিয়ে যায়,তাও হারাম।যদিও তা মুবাহ বা বৈধ কোন কাজ হয়।এ দিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন,
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّبِعُوۡا خُطُوٰتِ الشَّیۡطٰنِ ؕ
হে মুমিনগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না। [ সূরা নূর,আয়াত নং ২১ ]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
“ সাবধান! কোন পুরুষ যেন অপরিচিত নারীর সাথে গোপনে মিলিত না হয়।কারণ এক্ষেত্রে শয়তান তাদের তৃতীয়জনরূপে হাজির হয়।”
[ মুসনাদে আহমাদ,হাদীস নং ১৫৬৯৬ ]
আতা ইবনে আবি রাবাহ রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ আমি কোনো কুশ্রী দাসীর ক্ষেত্রেও নিজের কুপ্রবৃত্তিকে নিরাপদ মনে করি না। ” [ সিয়ারু আলা নুবালা,৫/৮৮ ]
অনেক যুবক-যুবতী বলে থাকেঃ নিজের ব্যপারে আমার আস্থা আছে!তাদের জানা উচিত,ফিতনার স্থলে গিয়ে ঈমান পরিক্ষা করা মুসলমানের জন্য যায়েজ নেই।কারণ এতে ভ্রষ্টতা ও বিচ্যুতির আশংকা থাকেই।
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে দাজ্জালের আবির্ভাবের কথা শোনে সে যেন তার থেকে দূরে সরে যায়।কারণ দাজ্জাল যার কাছে আসবে ,সে তাকে দেখে মুমিন মনে করবে।ফলে সে তার সন্দেহজনক বিষয়গুলোর অনুসরণ করতে থাকবে।”
[ মুসতাদরাকে হাকেম, ৪/৫৭৬ ]
~ শাইখ আলী মুহাম্মদ শ্বাওকী হাফিজাহুল্লাহ।
27/01/2024
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
মহিলা ও মেয়েদের সহীহ ও সহজ ভাজে প্রাকটিক্যাল নামাজ পড়ার সুরত
সুন্নাহের আলোকে মহিলাদের নামাজ 🔰 মহিলাদের নামাজ পদ্ধতি STEP BY STEP NAMAJ GUIDE নামাজ কিভাবে আদায় করবেন STEP BY STEP WOMEN NAMAJ GUIDE WITH PROOFS.হাদীস শরীফের আলোকে মহিলাদের নামাজ শিক্ষা========================================বিতির নাম...
"নামায কেনো পড়তেই হবে?"
"ওযুর জন্য পানি নেই, তায়াম্মুম করেন, তায়াম্মুমের ব্যবস্থা নেই, তায়াম্মুম ছাড়াই নামায পড়ুন।
কিবলামুখী হয়ে নামায পড়তে হয়, কিবলামুখী বুঝতে পারছেন না, যেকোনো দিক হয়েই নামায পড়ুন।
দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারছেন না? বসে পড়েন। বসে না পড়তে পারলে শুয়ে পড়েন।
পরিষ্কার কাপড় পড়ে নামায পড়তে হয়। পরিষ্কার কাপড় না থাকলে প্রসাব, পায়খানা লাগা কাপড় পড়েই নামায পড়েন, কোনো কাপড় না থাকলে উলংগ হয়ে নামায পড়েন।
ট্রেনের প্রচন্ড ভিরে ঝুলে আছেন, আযান দিচ্ছে সেই অবস্থাতেই নামায পড়ুন ।
নামায কি জিনিস, কি করে বুঝাই, এক আশ্চর্য ইবাদত যে ইবাদত কোনো অসুবিধা মানেনা।
আপনি অসুস্থ টাকা দিলেন সেই টাকায় হজ্জ করলো অন্যজন। আপনার সাওয়াব হবে।
আপনি অসুস্থ, ফকির কে খাওয়ালেন আপনি রোযার সাওয়াব পাবেন....
হজ্জের বিকল্প আছে, রোযার বিকল্প আছে। নামায এমন এক ইবাদত যার কোনো বিকল্প নেই।
নামায কি জিনিস কি করে বুঝাই?????"
আমার ভাই বোনেরা," নামায পড়ুন"
আপনার জীবনে যাই আসুক, "নামায পড়ুন।"
আপনার জীবনে যতোই খারাপ কাজ করেন না কেন, পরিমাণে যতই বেশি হোক না কেন, "নামায পড়ুন"।
কোন ছাড় নেই।
বোন বলছেন, "আপনি হিজাব পরেন না",
আমি আপনাকে বলছি "নামায পড়ুন"
বোন বলছেন, আমার কাপড় নামাযের উপযোগী নয়।আমি আপনাকে বলছি,"নামায পড়ুন"
ভাই বলছেন, "আমি মদ পান করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ বিক্রি করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ সেবন করি"
"নামায পড়ুন"
"আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি। "
"নামায পড়ুন"।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো নামায পড়ুন
"ভাই আমি কিভাবে পাপ কাজ করার পাশাপাশি নামায পড়বো? এটি নামাযের প্রতি অসম্মান জনক ও আমার ভন্ডতা প্রকাশ পায়"
আমি বলছিনা এজন্যই আমরা নামায পড়ি কারণ আমরা ভালো না, আমি পাপী, আমরা ভুল করছি।
আপনি তবুও নামায পড়ুন।
আল্লাহ বলেছেন, "নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।"
"নামায পড়ুন"
কিছু মানুষ বলে আমাকে ভালোপথে আসতে দাও। ইন শা আল্লাহ আমি নামায পড়া শুরু করে দিবো।
বন্ধুরা নামায ব্যতীত আপনি ভালো পথে আসতে পারবেন না। এজন্যই আমরা নামায পড়ি যাতে ভালোপথে আসতে পারি।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেন, আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, নামাজ পড়ুন।
* সংগৃহিত
----------------------------
*** নামাজ : কোনো বিকল্প নেই..!!
# #পাত্রী দেখার নিয়মাবলী :
১. প্রথমে পাত্রীপক্ষ পাত্রকে দেখবে, পাত্র ও তার পরিবার সম্পর্কে জানবে। এরপর যদি তারা সামনে এগুতে ইচ্ছুক হয়, তবেই তারা তাদের মেয়েকে দেখাবে। আমাদের সমাজে এই প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে ছেলেকে একের পর এক মেয়ে দেখানোর যে প্রচলন আছে, সেটা ক্ষতিকর ও শরিয়তের মেজাজবিরুদ্ধ।
২. পাত্রী দেখার বেলায় প্রথমে ছেলের মাহরাম কোনো নারী যেমন মা, বোন, খালা বা ফুফু গিয়ে পাত্রীকে দেখবেন। যা যা জানার, জানবেন। এরপর তার পছন্দ হলে তবেই পাত্র তাকে দেখবে। উল্লেখ্য, উক্ত মাহরাম নারী পাত্রীকে দেখার সময় বাহ্যিক ও প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর বাইরে অতিরিক্ত ও অশোভন কিছু দেখতে চাইবেন না। এটা অনুচিত এবং খুবই দৃষ্টিকটু।
৩. পাত্রী দেখতে গিয়ে ছেলে ব্যতীত অন্যকোনো পুরুষ তাকে দেখা হারাম। আমাদের সমাজে ছেলের বাবা, ভাই, দুলাভাই, মামা—এরাও পাত্রীকে দেখে। এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ।
৪. অনেকে অতিরিক্ত লজ্জা বা বুজুর্গির কারণে বিয়ের আগে পাত্রীকে দেখে না। এটা ভালো নয়। অনেক সময় বিয়ের পরে এর জন্য পস্তাতে হয়।
৫. পাত্রী দেখতে গেলে ছেলে-মেয়েকে একাকী কথা বলতে বা দেখা করতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজন হলে পাত্রীর মাহরাম কোনো পুরুষের উপস্থিতিতে এমনটা করা যাবে। এমনকি বিয়ে ঠিক হওয়ার পরেও ফোনে বা সরাসরি ছেলে-মেয়ের মাঝে মিষ্টি আলাপন নিষিদ্ধ। জরুরি কথা থাকলে সেটা বলা যাবে।
৬. কেবল পাত্রই পাত্রীকে দেখবে, তা নয়; বরং পাত্রীও পাত্রকে অন্তত একনজর দেখে নেবে। পাত্রের ব্যাপারে কিছু জানার থাকলে জেনে নেবে। এখানে অতিরিক্ত লজ্জা ক্ষতিকর।
~আবুল হাসানাত কাসিম হাফি
আস সালামু আলাইকুম
১ নাম্বার থেকে ৯ নাম্বার পর্যন্ত পড়ুন, আল্লাহর নেয়ামতের তথ্য পাবেন।
১. সুবহানাল্লাহ
জান্নাতে একটি ফল গাছ রোপন করে নিলেন।
২. আলহামদুলিল্লাহ
মিযানের পাল্লাটা একটু ভারি করে নিলেন।
৩. আল্লাহু আকবার
আল্লাহর নামে আর একটি তাকবির পেশ করলাম।
৪. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
যার নেক সাত আসমান ও সাত জমিন হইতেও উত্তম।
৫. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
জান্নাতের একটি রত্ন কুড়িয়ে পেলাম।
৬. আলিফ লাম মিম
পেয়ে গেলাম ৩০ নেকি।
৭. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহান্নাহিল আজিম
এবার জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপন করে নিলেন।
৮. আস্তাগফিরুল্লাহ
আর একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম।
৯. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি
আসমান আর জমিনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটি সমান সওয়াব অর্জন করে নিলেন
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন... আমিন।
01/02/2023
❝ আমি নারী আমায় জানতে এসো না, ফেতনায় পড়ে যাবে। আমি একজনের জন্য নির্ধারিত এবং তার জন্যই রহমত, বাকি সবার জন্য গজব..!❞
নিঃসন্দেহে নারীদের ছলনা খুবই মারাত্মক। [ সূরা : ইউসুফ -১২ঃ২৮]
©