Deen Islam - দ্বীন ইসলাম

Deen Islam - দ্বীন ইসলাম

Share

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, প্রচার করো আ?

03/02/2026

লাইলাতু নিসফি মিন শা‘বান”-এর ফজিলত সম্পর্কিত একাধিক হাদিস

১. আল্লাহর সাধারণ ক্ষমা

হাদিস:
إِنَّ اللَّهَ يَطَّلِعُ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ إِلَى خَلْقِهِ فَيَغْفِرُ لِجَمِيعِ خَلْقِهِ إِلَّا لِمُشْرِكٍ أَوْ مُشَاحِنٍ

অর্থ:
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা শা‘বানের মধ্যরাতে তাঁর সমস্ত সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

সূত্র:
ইবনে মাজাহ: ১৩৯০
আত-তাবরানি (আল-মু‘জামুল কাবির)

২. বানু কালব গোত্রের ভেড়ার লোমের চেয়েও বেশি মানুষ ক্ষমাপ্রাপ্ত

হাদিস:
يَغْفِرُ اللَّهُ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ لِأَكْثَرَ مِنْ عَدَدِ شَعْرِ غَنَمِ بَنِي كَلْبٍ

অর্থ:
আল্লাহ তাআলা শা‘বানের মধ্যরাতে বানু কালব গোত্রের ভেড়ার লোমের সংখ্যার চেয়েও বেশি মানুষকে ক্ষমা করেন।

সূত্র:
তিরমিজি: ৭৩৯
মুসনাদে আহমাদ

৩. আল্লাহর বিশেষ দৃষ্টি ও ক্ষমার ঘোষণা

হাদিস (হযরত আয়িশা রা. হতে বর্ণিত):
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন—
“এই রাতে আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং সূর্যাস্ত থেকে ফজর পর্যন্ত ঘোষণা করেন—
‘কে আছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব।’”

সূত্র:
মুসনাদে আহমাদ
আল-বায়হাকি, শু‘আবুল ঈমান

01/02/2026

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। শুরু করতে পারি ইনশাআল্লাহ।

27/11/2025
27/05/2025

যিলহজ্জ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের ১০ টি আমল

১. এই দশদিনে নখ ও চুল না কাটা।
- সহীহ মুসলিম: ১৯৭৭.০৩
২. এই মাসের প্রথম নয়দিন সিয়াম পালন করা, বিশেষ করে আরাফার দিন, তবে হাজীদের জন্য নয়।
- সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৩০, সহীহ বুখারী: ১৯৮৮
৩. ফরজের পাশাপাশি বেশি বেশি নফল ইবাদত করা।
- মাসাবীহুস সুন্নাহ: ১৬২১
৪. আন্তরিকভাবে তওবা করা।
- সূরা আত তাহরীম: ০৮
৫. বেশি পরিমাণে আল্লাহর যিকর করা।
- সূরা আল-হজ্জ: ২৮
৬. সামর্থ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা।
- সূরা আলে ইমরান: ৯৭
৭. সামর্থ্যবান হলে কুরবানি করা।
- সূরা আল কাওসার: ০২
৮. বেশি পরিমাণে তাকবীর পাঠ করা।
- সহীহ বুখারী: ঈদ, অধ্যায় নং ১১
৯. সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।
- সূরা শামস: ১০
১০. সামর্থ্য থাকলে বেশি বেশি সদাকা করা।
- সূরা আলে ইমরান: ৯২

02/04/2025

📌 পর্ন- এক নীরব মহামারি, নির্দোষ আনন্দ, নীল অন্ধকার জগত ও ভয়ংকর মহামারী । তাই পর্ন এবং পর্ন আসক্ত ব্যক্তির সম্পর্কে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো ;

১/ পর্ন একটা মুভি মাত্র । এখানে অভিনয়-ই হচ্ছে মূল । ১০ মিনিটের একটা ভিডিও ১০ দিন শ্যুট করা হয় । তারপর সেগুলো ইডিট করে লং টাইমে ক্যাপচার করা হয় । সবকিছুই ফেইক । এক্সপ্রেশনটাও ফেইক ।

২/ পর্নের নারীর শরীর সম্পূর্ণ আর্টিফিশিয়াল (কৃত্রিম ভাবে তৈরী) । পুরো শরীর সার্জারি করে ফুলানো হয় বিশেষ অঙ্গগুলি । অপরদিকে বাস্তব জীবনে একজন নারী পড়াশুনা করে, চাকরি করে, সংসার করে, ছেলে-মেয়ের দেখা শুনা করে, কত হাজার দায়িত্ব পালন করে ।

একজন সাধারণ নারীর পক্ষে সার্জারি করে তার শরীরের অঙ্গগুলি পরিবর্তন করা সম্ভব?কখনই নাহ । তাছাড়া এটাতে হিউজ রিস্ক থাকে ।

ক্যান্সারের প্রবল সম্ভাবনা থাকে । তাই যখন একজন পর্ন আসক্ত দেখে তার বউয়ের শরীর পর্নের নারীর শরীরের মতো নাহ, তখন আর বউকে ভালো লাগে নাহ ।

পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে, পতিতালয়ে যেতেও দ্বিধাবোধ করে নাহ । অথচ সে জানেই না পর্নের নারীর শরীর সার্জারি করা ফেইক একটা বডি । ❌

৩/ যখন একজন পর্ন আসক্ত ব্যক্তি তার বউয়ের শরীর পর্নের নারীর আর্টিফিশিয়াল & সার্জিকাল শরীরের সাথে তুলনা করে, তখন ঐ নারীর মন ভেঙ্গে যায় ।

৪/ পর্ন ইন্ডাস্ট্রির মেয়েদের কি পরিমাণ অত্যাচার করা হয় জানেন? ওদের পিটিয়ে বাধ্য করা হয় । ভিডিও শুরুর আগে ওদের ড্রাগ ইনজেক্ট করা হয় । ওদের যোনীপথ ও পায়ুপথে কোকেইন ঢালা হয় যাতে কোন ব্যথা না পায় ।

ওদের জরায়ু কিডনি পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে । ক্যান্সারে মারা যায় শেষ পর্যন্ত । তাদের স্বীকার করতে বাধ্য করা হয় যে, তারা নিজের ইচ্ছায় পর্নে কাজ করছে । নাহলে তো পর্ন ইন্ডাস্ট্রির ধান্ধা বন্ধ হয়ে যাবে ।

৫/ অলমোস্ট সকল রেইপিস্ট স্বীকার করেছে তারা পর্ন দেখে রেইপ করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছে ।

৬/ সিগারেট থেকে নেশার শুরু যেমন কোকেইনে গিয়ে শেষ হয়, তেমনি দীর্ঘদিন পর্ন দেখলে নরমাল পর্নে আর কাজ হয় না । আগের মতো ডোপামিন-অক্সিটোসিন ক্ষরণ হয় নাহ । তখন আরো কড়া ডোজ দরকার হয় । এক্সট্রিম ইনোভেটিভ পর্ণ দরকার হয় । ঐ কড়া ডোজের জন্য রেইপ পর্ন, শিশু পর্ন দেখতে শুরু করে ।

৭/ পর্ন আসক্ত ব্যক্তির সেল্ফ কনফিডেন্স থাকেনা । মেয়েদের সাথে ঠিকমতো কথাও বলতে পারে না । মেয়েদের চোখের দিকে তাকানোর বদলে অন্যান্য এবং আকর্ষিত অঙ্গগুলোর দিকে তাকায় । এমনকি নিজের মা বোনের দিকেও তাকাতে পারে না । লজ্জায় মাথা হেট হয়ে থাকে ।

৮/ একজন ড্রাগ এডিক্ট এর মস্তিষ্ক এবং একজন পর্ন এডিক্ট এর মস্তিষ্কের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই ।

৯/ একজন পর্ন আসক্ত পর্ন দেখার জন্য ক্লাস,আড্ডা,স্টাডি ট্যুর, ফ্যামিলি ট্রিপ সেক্রিফাইস করতে পারে ।

১০/ পর্নে আমাদের পরিচিত পরিবেশ-রুম-পেশা-ড্রেসআপ ব্যবহার করা হয় । যাতে আমরা যেকোন জায়গায় পর্নের দৃশ্য নিয়ে চিন্তা করতে থাকি ।

১১/ স্ট্রেসের ঠুনকো বাহানা দিয়ে একটু শান্তির জন্য পর্নের দুনিয়ায় হারিয়ে যায় । কোন কারণে মন খারাপ হলে দ্রুত মন ভালো হওয়ার জন্য পর্ন দেখে । এতে পর্ন আসক্ত ব্যক্তি তার স্বাভাবিকভাবে খুশি হওয়ার যে ক্ষমতা সেটা হারিয়ে ফেলে ।

১২/ পর্ন আসক্তদের স্মৃতিশক্তি লোপ তো পায়ই, বুদ্ধিমত্তাও কমে যায় । মেজাজ খিটখিটে থাকে সবসময় । সুন্দর কিছু চিন্তাও করতে পারে নাহ । ব্রেইন আর ভালো কাজে ইউজ করতে পারে নাহ । অকালে বুড়ো হয়ে যায় । [আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি]

১৩/ অনেকেই মনে করছেন বিয়ে করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে । ভুল চিন্তা । একটু ইন্টারনেটে পর্ন এডিক্টদের সাক্ষাৎকার দেখুন । বিয়ের পরেও পর্ন এডিক্টদের উত্তেজিত হওয়ার জন্য পর্ন দেখতে হয় । কারণ তারা ঐ কৃত্তিমভাবে ফুলানো বডিটা দেখেই উত্তেজিত হয় । রক্ত মাংসে গড়া বউয়ের শরীরে আর কাজ হয় নাহ তখন ।

১৪/ পর্ন-মাস্টারবেশন সম্পর্কটা চা-বিস্কুটের মতো । একটা ছাড়া আরেকটা জমে নাহ । মাস্টারবেশনে উত্তেজিত হওয়ার জন্য পর্ন দেখে । আর পর্ন দেখার পর মাস্টারবেশন করে ।

১৫/ যখন পর্ন দেখে মাস্টারবেশন করে তখন চেষ্টা করে কতো দ্রুত অরগাজম করে চরম সুখ পাওয়া যায় । কেও দেখে ফেলার আগে কত দ্রুত অরগাজম করা যায় । এভাবে দ্রুত অরগাজম ব্রেইনে সেট হয়ে যায় । একসময় গিয়ে দেখে সে ১ সেকেন্ডও পারফর্ম করতে পারছে না । এটাই অকালস্থলন (Premature Ej*******on) । এছাড়া আপনি আপনার পুরুষত্ব পর্যন্ত হারিয়ে ফেলতে পারেন ।

১৬/ আপনি যত বেশি পর্ন দেখছেন ততবেশি মেয়ে কিডন্যাপ হচ্ছে । হবেই তো । আপনার চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন মেয়ে লাগবে নাহ? এক মেয়ের ভিডিও দেখে তো আপনি আর উত্তেজিত হচ্ছেন না ।

১৭/ রক্ত মাংসের পার্টনার থেকেও কৃত্তিম এবং সার্জিকাল আর্টিফিশিয়াল বডিই বেশি ভালো লাগে । পড়াশোনা, ক্যারিয়ার, চাকরি জীবন, সংসার জীবন, ব্যক্তিগত জীবন সব গোল্লায় যাবে ।
১৮/ বউকে পর্ন দেখিয়ে বাধ্য করে পর্নের নারীর মতো সেক্স করতে । পর্ন আসক্ত চিন্তা করে এভাবেই হয়তো তার বউ সুখ পাবে । হয়ে উঠে হিংস্র জানোয়ার ।

১৯/ যে ছেলেটা রাতে ছাত্র-শিক্ষিকা পর্ন দেখে পরেরদিন স্কুলে যায়, সে তার স্কুলের ম্যাডামের দিকে স্বাভাবিক চোখে তাকাতে পারবে?

২০/ আমাদের জেনারেশনের উপর পর্ন একটা এক্সপেরিমেন্ট মাত্র । সরকার নয়, আমরাই পর্ন ব্যান করবো ইন শা আল্লাহ । কিভাবে? উত্তর খুবই সহজ : আপনি সেচ্ছায় পর্ণ দেখা বন্ধ করুন । কারন যদি কেওই পর্ন না দেখে তাহলে ওদের ধান্ধা বন্ধ হয়ে যাবে । হারিয়ে যেও না ভাই, ভালবাসা নাও । পর্ন-মাস্টারবেশন থেকে বাঁচার উপায় অবশ্যই আছে । এসমস্ত অন্ধকার জগত থেকে মহান আল্লাহ আমাদের সকল যুবক-যুবতীদের হেফাজত করুন, আমীন ।

18/03/2025

বদরের যুদ্ধ: ইসলামের প্রথম বিজয়

বদরের যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। এটি হিজরতের দ্বিতীয় বর্ষ, ১৭ রমজান (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ) মদিনা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে সংঘটিত হয়।

এই যুদ্ধে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন, যাদের অনেকেরই অস্ত্র ছিল না। অন্যদিকে, মক্কার কুরাইশরা ছিল সুসজ্জিত এবং বিশাল এক বাহিনী নিয়ে হাজির, যাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০০০ জন।

যুদ্ধের কারণ ও প্রেক্ষাপট
মক্কার কুরাইশরা দীর্ঘদিন ধরে মুসলমানদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে আসছিল। তারা নবী করিম (সাঃ) ও তাঁর সাহাবিদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করেছিল এবং মুসলমানদের সম্পদ লুট করেছিল। মদিনায় হিজরতের পরও তারা ইসলামকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখে।

এদিকে, রাসূল (সাঃ) জানতে পারেন যে কুরাইশদের একটি বিশাল বাণিজ্য কাফেলা, যা আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে সিরিয়া থেকে মক্কায় ফিরছিল, প্রচুর সম্পদ নিয়ে আসছে। মুসলমানরা মনে করছিল যে এই সম্পদ মূলত তাদের লুট হওয়া সম্পদেরই একটি অংশ। তাই কাফেলাটিকে আটকে দেওয়ার পরিকল্পনা হয়।

কিন্তু আবু সুফিয়ান সতর্ক হয়ে কাফেলাকে অন্য পথে নিয়ে যায় এবং কুরাইশদের জানায় যে মুসলমানরা হামলার পরিকল্পনা করছে। এতে কুরাইশরা প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে এক বিশাল বাহিনী নিয়ে বদরের দিকে অগ্রসর হয়।

যুদ্ধের প্রস্তুতি
মুসলমানদের বাহিনী:
মোট যোদ্ধা: ৩১৩ জন
অস্ত্র: সীমিত পরিমাণে
বাহন: ৭০টি উট ও ২টি ঘোড়া
প্রধান সেনাপতি: রাসূল (সাঃ) নিজেই নেতৃত্ব দেন

কুরাইশদের বাহিনী:
মোট যোদ্ধা: ১০০০ জন
বাহন: ১০০টি ঘোড়া ও ৭০০টি উট
অস্ত্র ও সাজসজ্জা: পর্যাপ্ত
নেতৃত্ব: আবু জাহল, উতবা ইবনে রাবিয়া, শাইবা ইবনে রাবিয়া প্রমুখ

বদরের ময়দানে যুদ্ধের সূচনা

যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে কুরাইশদের পক্ষে তিনজন বিশিষ্ট যোদ্ধা— উতবা, শাইবা ও ওয়ালিদ ইবনে উতবা মুসলমানদের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতার আহ্বান জানায়।

রাসূল (সাঃ) সাহসী তিনজন সাহাবিকে পাঠান:

হযরত হামযা (রাঃ)
হযরত আলী (রাঃ)
হযরত উবাইদা (রাঃ)
এই দ্বন্দ্বযুদ্ধে মুসলমানরা শত্রুদের পরাজিত করে। তবে হযরত উবাইদা (রাঃ) গুরুতর আহত হন এবং পরে শাহাদাত বরণ করেন।

এরপর পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়।

রাসূল (সাঃ)-এর আবেগপূর্ণ দোয়া
যুদ্ধ শুরুর আগে রাসূল (সাঃ) গভীর উদ্বেগ ও কাতরতা নিয়ে আল্লাহর দরবারে হাত তুললেন এবং আবেগঘন দোয়া করলেন:

اللَّهُمَّ أَنْجِزْ لِي مَا وَعَدْتَنِي، اللَّهُمَّ آتِ مَا وَعَدْتَنِي، اللَّهُمَّ إِنْ تُهْلَكْ هَذِهِ العِصَابَةُ مِنْ أَهْلِ الإِسْلاَمِ، لَا تُعْبَدْ فِي الأَرْضِ

(হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছো, তা পূরণ করো। হে আল্লাহ! তুমি যদি আজ এই মুষ্টিমেয় দলটিকে ধ্বংস করে দাও, তবে পৃথিবীতে তোমার ইবাদত করার কেউ থাকবে না!)

রাসূল (সাঃ) এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে দোয়া করছিলেন যে তাঁর চাদর কাঁধ থেকে পড়ে যাচ্ছিল। তখন হযরত আবু বকর (রাঃ) এসে চাদর তুলে দিয়ে রাসূল (সাঃ)-কে সান্ত্বনা দেন এবং বলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নিরাশ করবেন না।"

আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়
আল্লাহ তাআলা বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের সাহায্য করতে ফেরেশতাদের পাঠিয়েছিলেন। কুরআনে বলা হয়েছে:

"আমি এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা তোমাদের সাহায্য করেছিলাম, যারা একের পর এক আগমন করছিল।" (সুরা আনফাল: ৯-১০)

যুদ্ধে মুসলমানরা দুঃসাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে এবং আল্লাহর বিশেষ সহায়তায় কুরাইশদের পরাজিত করে।

যুদ্ধের ফলাফল ও প্রভাব

৭০ জন কুরাইশ নেতা নিহত হয়, যাদের মধ্যে ছিল আবু জাহল, উতবা, শাইবা, ওয়ালিদসহ ইসলামের বড় শত্রুরা।

৭০ জন বন্দী হয়, যাদের অনেককে পরে মুক্তিপণের বিনিময়ে অথবা শিক্ষাদানের শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুসলমানদের মাত্র ১৪ জন সাহাবি শহীদ হন।
কুরাইশদের ভীতি ও দুর্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং মদিনায় ইসলামের অবস্থান শক্তিশালী হয়।

বদরের যুদ্ধের শিক্ষা ও গুরুত্ব
আল্লাহর সাহায্য ও ঈমানের শক্তির মাধ্যমে ছোট শক্তিও বিশাল বাহিনীকে পরাজিত করতে পারে।

এটি ইসলামের প্রথম বিজয়, যা পরবর্তী সময়ে ইসলামের বিস্তারকে ত্বরান্বিত করে।

মক্কার কুরাইশরা এই পরাজয়ের ফলে ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে, যা উহুদের যুদ্ধের পথ তৈরি করে।
বদরের যুদ্ধ ছিল ইসলামের ইতিহাসে এক বিস্ময়কর ঘটনা, যেখানে ঈমান, সাহস ও আল্লাহর সাহায্যের সম্মিলনে একটি ছোট দল এক বিশাল বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

26/10/2024

হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছিলাম তুমি আমার সেবা কর নি

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: يَا ابْنَ آدَمَ مَرِضْتُ فَلَمْ تَعُدْنِي، قَالَ: يَا رَبِّ كَيْفَ أَعُودُكَ؟ وَأَنْتَ رَبُّ الْعَالَمِينَ، قَالَ: أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ عَبْدِي فُلَانًا مَرِضَ فَلَمْ تَعُدْهُ، أَمَا عَلِمْتَ أَنَّكَ لَوْ عُدْتَهُ لَوَجَدْتَنِي عِنْدَهُ؟ يَا ابْنَ آدَمَ اسْتَطْعَمْتُكَ فَلَمْ تُطْعِمْنِي، قَالَ: يَا رَبِّ وَكَيْفَ أُطْعِمُكَ؟ وَأَنْتَ رَبُّ الْعَالَمِينَ، قَالَ: أَمَا عَلِمْتَ أَنَّهُ اسْتَطْعَمَكَ عَبْدِي فُلَانٌ، فَلَمْ تُطْعِمْهُ؟ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّكَ لَوْ أَطْعَمْتَهُ لَوَجَدْتَ ذَلِكَ عِنْدِي، يَا ابْنَ آدَمَ اسْتَسْقَيْتُكَ، فَلَمْ تَسْقِنِي، قَالَ: يَا رَبِّ كَيْفَ أَسْقِيكَ؟ وَأَنْتَ رَبُّ الْعَالَمِينَ، قَالَ: اسْتَسْقَاكَ عَبْدِي فُلَانٌ فَلَمْ تَسْقِهِ، أَمَا إِنَّكَ لَوْ سَقَيْتَهُ وَجَدْتَ ذَلِكَ عِنْدِي»

“কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, হে মানব সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছিলাম, তুমি আমার সেবা করো নি।
মানব সন্তান বলবে, হে আমার প্রভূ! কীভাবে আমি আপনার সেবা করব, আপনিতো সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক?

আল্লাহ বলবেন: তুমি কি জানতে না যে আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো? তুমি তো তাকে সেবা করো নি। তুমি কি জানতে না, যদি তার সেবা করতে তাহলে তার কাছে আমাকে পেতে?

হে মানব সন্তান! আমি খাবার চেয়েছিলাম, তুমি আমাকে খাদ্য দাও নি।
মানব সন্তান বলবে, হে আমার প্রভূ! কীভাবে আমি আপনাকে খাদ্য দেব, আপনিতো সৃষ্টিকুলের রব? আল্লাহ বলবেন: তুমি কি জানতে না যে আমার অমুক বান্দা খাবার চেয়েছিলো? তুমি তো খাবার দাওনি। তুমি কি জানতে না, যদি তাকে খাবার দিতে তাহলে তা আমার কাছে পেতে?

হে মানব সন্তান! আমি পানি পান করতে চেয়েছিলাম, তুমি আমাকে পানি পান করাওনি। মানব সন্তান বলবে, হে আমার প্রভূ! কীভাবে আমি আপনাকে পানী পান করাবো, আপনিতো সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক? আল্লাহ বলবেন: তুমি কি জানতে না যে আমার অমুক বান্দা পিপাসিত ছিল? তুমি তো তাকে পানী পান করাও নি। তুমি কি জানতে না, যদি তাকে পানী পান করাতে তাহলে তা আমার কাছে পেতে?”[1]

এ হাদীস থেকে আমরা জানতে পারলাম, কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, ক্ষুধা-পিপাসায় কষ্ট পেলে সেবা ও সাহায্য পাওয়া তার একটি অধিকার। সামর্থ থাকা সত্বেও এ অধিকার আদায় না করলে কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে জওয়াব দিতে হবে।

[1] সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬৯।

25/10/2024

18:102 - 18:106

যারা কুফুরী নীতি গ্রহণ করেছে তারা কি মনে করে যে, তারা আমার পরিবর্তে আমার বান্দাহদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে? আমি কাফিরদের মেহমানদারির জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত করে রেখেছি।

বল, ‘আমি তোমাদেরকে কি সংবাদ দেব নিজেদের ‘আমালের ক্ষেত্রে কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত?’

তারা হল সে সব লোক দুনিয়ার জীবনে যাদের চেষ্টা সাধনা ব্যর্থ হয়ে গেছে আর তারা নিজেরা মনে করছে যে, তারা সঠিক কাজই করছে।

তারা হল সে সব লোক যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শন ও তাঁর সাথে সাক্ষাৎকে অমান্য করে। যার ফলে তাদের যাবতীয় ‘আমাল নিস্ফল হয়ে গেছে। কিয়ামাতের দিন আমি তাদের (কাজের) জন্য কোন ওজন কায়িম করব না (অর্থাৎ তাদের এ সব ‘আমাল ওজনযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হবে না)।

এটাই তাদের প্রতিফল-জাহান্নাম, কারণ তারা কুফুরী করেছে আর আমার নিদর্শন ও রসূলদেরকে হাসি-তামাশার বিষয় বানিয়েছে

18/10/2024

মতামত জানতে চাই! তিন ছাত্র সংগঠনের মধ্যে কোন সংগঠনের কাউন্সিলে কোনদিন ঝামেলা হয়নি❤️

Ten Unknown Facts About

1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motorcycle production in the 1920s and eventually to automobiles in the 1930s.

2. Iconic Logo: The BMW logo, often referred to as the "roundel," consists of a black ring intersecting with four quadrants of blue and white. It represents the company's origins in aviation, with the blue and white symbolizing a spinning propeller against a clear blue sky.

3. Innovation in Technology: BMW is renowned for its innovations in automotive technology. It introduced the world's first electric car, the BMW i3, in 2013, and has been a leader in developing advanced driving assistance systems (ADAS) and hybrid powertrains.

4. Performance and Motorsport Heritage: BMW has a strong heritage in motorsport, particularly in touring car and Formula 1 racing. The brand's M division produces high-performance variants of their regular models, known for their precision engineering and exhilarating driving dynamics.

5. Global Presence: BMW is a global automotive Company

6. Luxury and Design: BMW is synonymous with luxury and distinctive design, crafting vehicles that blend elegance with cutting-edge technology and comfort.

7. Sustainable Practices: BMW has committed to sustainability, incorporating eco-friendly materials and manufacturing processes into its vehicles, as well as advancing electric vehicle technology with models like the BMW i4 and iX.

8. Global Manufacturing: BMW operates numerous production facilities worldwide, including in Germany, the United States, China, and other countries, ensuring a global reach and localized production.

9. Brand Portfolio: In addition to its renowned BMW brand, the company also owns MINI and Rolls-Royce, catering to a diverse range of automotive tastes and luxury segments.

10. Cultural Impact: BMW's vehicles often become cultural

12/10/2024

ঋণগ্রস্থের জানাজা না পড়ানো : নবী (সা.) ঋণগ্রস্থ ব্যক্তির ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা হওয়ার আগ পর্যন্ত জানাজার নামাজ পড়াতে চাননি।

===========================================

অপরিশোধিত ঋণ ক্ষমা হয় না : ঋণদাতা ক্ষমা না করলে অপরিশোধিত ঋণ কখনো ক্ষমা হয় না। দুনিয়াতে পরিশোধ না করলে পরকালে আমল দিয়ে পরিশোধ করতে হবে। আমল না থাকলে ঋণদাতার পাপ নিজের কাঁধে নিয়ে হলেও ঋণ পরিশোধ করতে হবে। আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গকারী শহীদের সব পাপ ক্ষমা করা হলেও অপরিশোধিত ঋণ ক্ষমা করা হয় না।

আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ঋণ ছাড়া শহীদের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৯৯১)
ঋণ জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয় : ঋণগ্রহণ অনেক সময় জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। ঋণ নিয়ে ভিটে-মাটি হারানোর ঘটনাও রয়েছে। এ জন্য হাদিসে ঋণের মাধ্যমে জীবনকে সংকটাপন্ন করতে নিষেধ করা হয়েছে।

উকবা বিন আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমরা তোমাদের নিরাপদ জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়ো না। সাহাবিরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, সেটা কিভাবে? তিনি বলেন, ঋণ। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৭৩২০)
ঋণ মানুষকে মিথ্যুক ও প্রতারক বানায় : ঋণ নিয়ে যথাসময়ে পরিশোধ করতে না পারলে অনেক সময় ইচ্ছা না থাকলেও মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করল, ঋণগ্রস্ত হওয়া থেকে এত বেশি কেন আশ্রয় চান? নবী (সা.) বলেন, ‘মানুষ যখন ঋণী হয়, তখন কথা বললে মিথ্যা বলে এবং অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে।’ (বুখারি, হাদিস : ৭৯৮; মুসলিম, হাদিস : ১৩৫৩)

ঋণগ্রস্থের জানাজা না পড়ানো : নবী (সা.) ঋণগ্রস্থ ব্যক্তির ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা হওয়ার আগ পর্যন্ত জানাজার নামাজ পড়াতে চাননি।

সালামা ইবন আকওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.)-এর কাছে একটি জানাজা আনা হলো, যেন তিনি জানাজার নামাজ পড়ান। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মৃত ব্যক্তির কি কোনো ঋণ আছে?’ তারা বলল, কোনো ঋণ নেই। তিনি নামাজ পড়ালেন। এরপর অন্য একটি জানাজা আনা হলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মৃত ব্যক্তির কি কোনো ঋণ আছে?’ তারা বলল, হ্যাঁ, আছে। তিনি বলেন, ‘তোমরা তোমাদের সঙ্গীর জানাজার নামাজ আদায় করো।’ আবু কাতাদা (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, তার ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমি গ্রহণ করলাম। এরপর তিনি তার জানাজার নামাজ পড়ালেন। (বুখারি, হাদিস : ২১৭৩)

ঋণ থেকে বাঁচতে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া : ঋণ গ্রহণ করার মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া এবং ঋণ থেকে বাঁচতে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া জরুরি। এই মর্মে রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি ওয়াল ‘আজঝি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুবুনি ওয়াল বুখলি ওয়া দালাইদ-দাইনি ওয়া গলাবাতির রিজাল’। অর্থাৎ হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুঃখ, দুশ্চিন্তা, অক্ষমতা, অলসতা, ভীরুতা, কার্পণ্য, ঋণের বোঝা এবং মানুষের প্রাবল্য থেকে আশ্রয় চাই। (বুখারি, হাদিস : ৬০০৮)

ঋণমুক্ত থাকা জান্নাতে প্রবেশে সহায়ক : ঋণ পরিশোধ না করে মারা গেলে এবং মৃত্যুর পরও তা পরিশোধ করার ব্যবস্থা না হলে নিঃসন্দেহে তা পরকালীন জীবনের সফলতার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে ঋণমুক্ত থাকা জান্নাতে প্রবেশে সহায়ক হয়। সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার রুহ এবং শরীর তিন জিনিস থেকে মুক্ত অবস্থায় পৃথক হয় অর্থাৎ মৃতবরণ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিন জিনিস হলো, অহংকার, সম্পদ আত্মসাৎ এবং ঋণ।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৫৭৩)

ঋণ পরিশোধের সদিচ্ছা, প্রচেষ্টা ও মহান আল্লাহর কাছে দোয়া অব্যাহত থাকলে আল্লাহর সাহায্যে ঋণমুক্ত হওয়া যাবে, ইনশাআল্লাহ।

Want your school to be the top-listed School/college in Puran Bogra?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Puran Bogra
5800