Nirob pharmacy

Nirob pharmacy

Share

Nirob Pharmacy is a community-focused pharmacy dedicated to providing and top-quality service to its customers.

Located in the of the city, are committed to helping you your effectively.

03/01/2026

#🇧🇩শহীদ ওসমান হাদী: রক্তে লেখা এক অমর নাম
বাংলাদেশের মাটিতে কিছু নাম আছে, যেগুলো উচ্চারণ করলেই বুকের ভেতর কেমন এক নিঃশব্দ ভার নেমে আসে। শহীদ ওসমান হাদী তেমনই এক নাম—যিনি নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন, দেশ ও আদর্শের জন্য আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না।
তিনি ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ, কিন্তু তাঁর আত্মত্যাগ তাঁকে অসাধারণ করে তুলেছে। হয়তো তাঁর হাতে ছিল না কোনো অস্ত্র, মুখে ছিল না বড় কোনো ভাষণ—তবু তাঁর বুকভরা সাহস, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস আর অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার দৃঢ়তা তাঁকে শহীদের মর্যাদায় আসীন করেছে।
যেদিন ওসমান হাদি শহীদের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলাদেশের মাটি, সেদিন কেবল একজন মানুষ হারাইনি—হারিয়েছি একজন সাহসী সন্তান, একজন আদর্শবান ভাই, একজন আলোকবর্তিকা। তাঁর রক্ত যেন আমাদের বিবেককে প্রশ্ন করে যায়—
“আমরা কি তাঁর ত্যাগের মূল্য দিতে পেরেছি?”
শহীদ ওসমান হাদির আত্মত্যাগ আমাদের শেখায়—দেশপ্রেম শুধু স্লোগান নয়, এটি প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করার নাম। তিনি প্রমাণ করে গেছেন, সত্যের পথে হাঁটলে মৃত্যু আসতে পারে, কিন্তু পরাজয় আসে না।
আজও যখন দেশের আকাশ ভারী হয়, অন্যায় আর অবিচারের শব্দ শোনা যায়, তখন শহীদ ওসমান হাদির নাম আমাদের সাহস জোগায়। তাঁর স্মৃতি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—এই দেশ রক্ত দিয়ে কেনা, আর সেই রক্তের ঋণ কখনো শোধ হয় না।
আমরা প্রার্থনা করি,
মহান আল্লাহ যেন শহীদ ওসমান হাদীকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন,
তাঁর পরিবারকে দান করেন অসীম ধৈর্য ও সান্ত্বনা,
আর আমাদের সবাইকে দেন তাঁর আদর্শে চলার তৌফিক।
শহীদ ওসমান হাদী—আপনি নেই, তবু আপনি আছেন।
আপনি হারিয়ে যাননি, আপনি ইতিহাস হয়ে গেছেন।
🇧🇩
শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায়, অশ্রুসিক্ত সালামে—
এক অমর শহীদের প্রতি জাতির নতজানু কৃতজ্ঞতা।

03/01/2026

Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Photos from Nirob pharmacy's post 23/12/2025

গতকাল এই বিতর্কটি কোটি কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। 👀
জাবেদ আখতার নামক নাস্তিকের সাথে মুফতি শামাইল নদভী হাফিঃ ডিবেট।

জাভেদ আখতার :
যদি ঈশ্বর থাকেন, তবে পৃথিবীতে এত দুঃখ-কষ্ট কেন…?

মুফতি শামাইল নাদভী :
যদি বিপদ–আপদই ঈশ্বরের অনুপস্থিতির প্রমাণ হয়,
তবে ন্যায়বিচারের দাবি করাও অর্থহীন।
বিপদ আসলে এ কথার প্রমাণ যে
মানুষের ভেতরে সঠিক ও ভুলের বোধ রয়েছে—
আর এটাই ঈশ্বরের সবচেয়ে বড় নিদর্শন।

জাভেদ আখতার :
যদি অধিকাংশ মানুষ কোনো বিষয়কে সত্য মেনে নেয়,
তাহলে কি সেটাই সত্য হয়ে যায়…?

মুফতি শামাইল নাদভী :
যদি সত্য নির্ধারিত হতো সংখ্যাগরিষ্ঠতার দ্বারা,
তবে ইতিহাসে কখনো ভুল হতো না।
তখন দাসত্ব, বর্ণবাদ ও জুলুমকেও সঠিক বলতে হতো,
কারণ এক সময় এসবের পক্ষেই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সমর্থন।

জাভেদ আখতার :
যদি ঈশ্বরের কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ না থাকে,
তবে আমরা কেন তাঁকে বিশ্বাস করব…?

মুফতি শামাইল নাদভী :
যা কিছু বিদ্যমান,
সবকিছুকে ল্যাবরেটরিতে দেখানো জরুরি নয়।
বুদ্ধি, ভালোবাসা, বিবেক, ন্যায়বোধ—
এসবেরও তো কোনো টেস্ট-টিউব প্রমাণ নেই,
তবুও কেউ এগুলো অস্বীকার করে না।

জাভেদ আখতার :
ধর্ম মানুষের তৈরি,
তাই এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি…!

মুফতি শামাইল নাদভী :
প্রশ্ন তোলা অবশ্যই জরুরি,
কিন্তু… আগে একটি বিষয় ঠিক করা যাক—
আইন কি মানুষ তৈরি করে, না মহাবিশ্ব?
যদি মানুষই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক হতো,
তবে মৃত্যু, প্রকৃতি ও ভাগ্যের ওপর
তার কোনো কর্তৃত্ব কেন নেই…?

জাভেদ আখতার :
আমি সেটাই মানি,
যা আমার বুদ্ধি মেনে নেয়।

মুফতি শামাইল নাদভী :
বুদ্ধি অত্যন্ত মূল্যবান,
কিন্তু বুদ্ধিই বলে—
সে সবকিছু বুঝতে সক্ষম নয়।
যদি বুদ্ধি সবকিছু বুঝে ফেলত,
তবে সেটাই হতো জ্ঞানের অহংকার।

জাভেদ আখতার :
ধর্ম মানুষকে বিভক্ত করে।

মুফতি শামাইল নাদভী :
ধর্ম মানুষকে বিভক্ত করে না।
মানুষ নিজের স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন সৃষ্টি করে।
একটি ছুরি খাবারও কাটে, মানুষও কাটে—
তাই দোষ ছুরির নয়,
বরং ব্যবহারকারীর।

এই সব প্রশ্নের উত্তরে
মুফতি শামাইল নাদভীর বক্তব্যে ছিল না আবেগী স্লোগান,
বরং ছিল বুদ্ধি, প্রকৃতি ও যুক্তির তিনটি স্পষ্ট প্রতিফলন।
না ছিল উচ্চস্বরে কথা,
না ছিল বিদ্রূপ—
ছিল কেবল শান্ত প্রশ্ন,
যা বিরোধীদেরও ভাবতে বাধ্য করে দিল।

এটা কোনো বিতর্ক ছিল না,
এটা ছিল যুক্তির ময়নাতদন্ত।
যেখানে কোনো হট্টগোল ছিল না…
কিন্তু শব্দগুলো ছিল ভারী।
যেখানে কোনো করতালি ছিল না…
বরং নীরবতাই সাক্ষ্য দিচ্ছিল।

মুফতি সাহেব প্রমাণ করে দিলেন—
ঈমান কোনো কুসংস্কার নয়,
বরং একটি দৃঢ় বিশ্বাস,
যা যুক্তির প্রতিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।

এটাকে শুধু “জবাব” বলা কমই হবে।

এটি ছিল চিন্তার মেরুদণ্ড কাঁপিয়ে দেওয়া এক ব্যাখ্যা।

এ ধরনের ব্যাখ্যার উদ্দেশ্য
তর্ক জেতা নয়,
বরং… সত্যকে সামনে তুলে ধরা।

শোরগোল চিল্লাচিল্লি আর ব্যাখ্যা দেওয়ার মধ্যে
এটাই আসল পার্থক্য।
আর আজ…
ব্যাখ্যার অভিনব পদ্ধতি
কোনো হইচই ছাড়াই সবকিছু বলে দিল।

সংগৃহীত।

25/05/2025

With Nirob Ahmed – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

19/05/2025

থমাস ফুলার ছিলেন একজন আফ্রিকান ব্যক্তি যাকে ১৭২৪ সালে ১৪ বছর বয়সে দাসত্বের হাতে বিক্রি করা হয়েছিল। তিনি তার মনের কঠিন গণিত সমস্যা সমাধানের অসাধারণ ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠেন, যার ফলে তাকে "ভার্জিনিয়া ক্যালকুলেটর" ডাকনাম দেওয়া হয়।

একদিন, কেউ তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে দেড় বছরে কত সেকেন্ড থাকে। মাত্র দুই মিনিট চিন্তা করার পর, তিনি দ্রুত উত্তর দিয়েছিলেন, "৪৭,৩০৪,০০০।" তারপর, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে একজন মানুষ ৭০ বছর, ১৭ দিন এবং ১২ ঘন্টা বয়সে কত সেকেন্ড বেঁচে থাকে। ফুলার মাত্র দেড় মিনিটের মধ্যে উত্তর দিয়েছিলেন, "২,২১০,৫০০,৮০০।"

আরেকজন ব্যক্তি, যিনি কাগজে সমস্যাটি নিয়ে কাজ করছিলেন, তিনি বলেছিলেন যে ফুলারের উত্তর ভুল ছিল এবং এটি আসলে অনেক ছোট ছিল। ফুলার দ্রুত উত্তর দিয়েছিলেন, "উপরে, মাসা, আপনি লিপ বছর ভুলে গেছেন।" লিপ বছরে যোগ করার পরে, সংখ্যাগুলি হুবহু মিলে যায়।

17/05/2025
17/05/2025

হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়

Photos from Nirob pharmacy's post 17/05/2025

আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার?

এই ইনজেকশনটায় পরবর্তীতে কি কি ক্ষতি হয় জানেন??

বর্তমানে সিজারের শতভাগ কাজ কি মহিলা ডাক্তাররাই করেন? নাকি কিছু কাজে পুরুষ ডাক্তারের সাহায্য নিতে হয়?

পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, মানুষের কেন লাগে?

মানুষের সিজার লাগার কারণহলো, শুশুর ফোন দিয়ে বলবে আমার মেয়ের কিছু হলে জামাই তোমাকে ছাড়বো না, শাশুড়ি বলে আমার মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করুন টাকা যা লাগে আমি দিবো।

আর শালা শালি তো আছেই। তার পর ডাক্তারের কথা বললে তো আইডি আজই নষ্ট হবে।

হাসপাতালে গর্ভবতীকে নেবার পরে, ডাক্তার দেখা মাত্র চেক-আপ করে... এই ৩ টি ডায়লগের যেকোনো একটি দিয়ে থাকেন।

১. বাচ্চা পানিশূন্যতায় আছে।

২. বাচ্চা পেটের ভিতরে পায়খানা করে দিয়েছে।

৩. বাচ্চার পজিশন উল্টা।

এই কথাগুলোর যেকোনো একটা শোনার পর গর্ভবতীর এবং তার পরিবারের লোকে অবস্থা কি হতে পারে অনুমান করা কষ্টসাধ্য নয়।

বাংলাদেশের সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালের গত ৫ বছরের ডেলিভারি রিপোর্ট দেখলে, দেখা যাবে প্রায় ৯০% সন্তান সিজারে ডেলিভারি করানো হয়েছে।

,,100 মহিলা ডাক্তার এর মধ্যে একজন মহিলা ডাক্তার সিজার ডেলিভারি হয়েছে এমন খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর ,, আর সাধারণ মানুষ হসপিটালে যাওয়া মাত্রই সিজার সিজার সিজার,, সিজারে এতো টাকা বিল আসে কেন, যাচাই করার কোন উপায় কি আছে আমাদের দেশে। সিজারের সময় যে এক কার্টুন ঔষধ ও,টি,তে নেওয়া হয়, তা কি সব লাগে? বাকি ঔষধ কোথায়?

সিজার ডেলিভারির জন্য, আমাদের দেশের মায়েরা অর্ধপঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। এটাকে বন্ধ করুন।মা’কে বাঁচান, বাচ্চা কে বাঁচান।

তবে আমি মনে করি, কিছু কিছু ডাক্তার নিজের স্বার্থের জন্য হয়ত সিজার করতে বলেন। কিন্তু সব ডাক্তার নয়।

এখন সিজারের সংখ্যা কেন বেড়ে গেছে তার কারণটা আমার কাছে মনে হয় ব্যাপারটার উৎপত্তি আমাদের জন্ম থেকে। আপনি আপনার দাদা দাদী / নানা নানীর দিকে তাকান । উনারা দেখবেন , বুড়ো বয়সেও কত শক্তিশালী। আমাদের দাদা নানারা দেখবেন , ৭০ বছর বয়সেও অনেক দূর হেটে হেটে নামাজ পরতে যাচ্ছে , চা খেতে যাচ্ছে। আমার দাদা ৮০+ বয়স হওয়ার পরেও চশমা ছাড়া পেপার পরত । এবার আমাদের বাবা মায়ের দিকে তাকান। কিছু পরিবর্তন পাচ্ছেন ? উনাদের কোমর ব্যাথা , হাটু ব্যাথা , হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া ধরনের অসুখ দেখতে পাচ্ছেন ?

বর্তমান বাংলাদেশে বেশী সংখ্যক "মা” দের পেট কেটে সিজার করে বাচ্চা বের করা হচ্ছে, এতে অনেক "মা" মারা যাচ্ছে। অথচ আমাদের দাদী-নানিরা ১০/১২ টা করে বাচ্চা জন্ম দিয়েছে, আল্লাহর রহমতে তেমন সমস্যা হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ.....

"হয়তো কেউ বলবেন "অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে বর্তমানে "সিজার" করতে হয়, আমি বলব আপনার ধারণা ভুল। তাই যদি হয় তাহলে তো আমাদের দাদি-নানিদের বিয়ে হয়েছে মাত্র ১১/১২ বছর বয়সে, কই তাদের তো কিছু হয়নি…!!

(দুঃখিত আমি তর্ক করতে চাচ্ছি না)

~ একটা সিজার মানে একটা মায়ের জীবন শেষ,,!!

- সিজার মানে একটা মায়ের মৃত্যুর আজ পর্যন্ত প্রতিবন্ধী হয়ে বেঁচে থাকা,!

পার্থক্য টা খেয়াল করেন,, যাদের নরমালে বেবি ডেলিভারি হয় তাদের নাড়ী ছেঁড়া ধন হয়,,,, আর যাদের সিজার হয় তাদের হয়তো নারী ছেড়া হয়না,, কিন্তুু নাড়ী কাটা ধন হয়,,!!

অনেকের ভাবনা সিজার কি,,? যাস্ট পেট কাঁটা হয়,, জ্বি না শুধু পেট নয় সাথে সাতটা পর্দা কেটে বেবিটা কে দুনিয়াতে আনতে হয়,,!

হয়তোবা সিজার করানোর সময় এ্যানেসথেসিয়ার এর জন্য বুঝা যায়না পেট কাটাটা,,! খেয়াল করে দেখবেন আধাঘণ্টার মধ্যে তিনটা স্যালাইন শেষ হয়,,!

কিন্তুু মোটা সিরিন্জ দিয়ে মেরুদণ্ডে দেয়া ইনজেকশন টা প্রতিটা সিজারিয়ান মা কে সারাজীবন কষ্ট দেয়,!

মা গুলোর কখনো কখনো শরীরের বিভিন্ন জায়গা অবস হয়ে থাকে,, বসা থেকে উঠতে পারেনা,, সংসারের যাবতীয় কাজ করতে ওনাদের অনেক কষ্ট হয়,,! তবুও করতে হয়,,! কারন, ওনারা নারী জাতী,,!!

বিশ্বাস করেন,, যখন অবসের মেয়াদ টা চলে যায়,, তখন প্রতিটা মা গলা ছুলা মূরগীর মতো ছটফট করতে থাকে,, ২৪ ঘন্টা এক টানা সিজারিয়ান মায়ের শরীরে স্যালাইন চলে,,! শরীরের ও কাটা জায়গার ব্যাথার জন্য ক্যানোনিকাল স্যালাইন চলে টানা ২৪/৩২ ঘন্টা,,!! টানা ২ দিন শরীরে খিচুনি ও মাথা বাড়ি হয়ে বিছানায় পরে থাকতে হয় প্রতিটা মায়ের,,!!

যদি কোনো প্রতিষ্ঠান সিজারের প্রয়োজন নেই,, তাও ব্যবসার জন্য কোনো মা কে সিজার করায়,, তাহলে আল্লাহর কাছে তাদের কঠিন জবাবদিকরতে হবে,,!!

যত সম্বভ সিজার কে না বলুন,,!!

তথ্য টা একটু পড়ুন,

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সিজারের হার কমেছে। মায়ের মৃত্যুর হারও কমেছে, নরমালে জন্ম নিচ্ছে সুস্থ সবল শিশু।

করোনায় লকডাউনে দেশে ১ লাখ ৭৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে সিজার করে। বাকি ৯৬ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে নরমালে।

প্রিয় "মা" বাবা আমার হৃদয় নিংড়ানো সম্মান দিয়ে আপনাদের কিছু কথা বলতে চাই খারাপ লাগতে পারে, ক্ষমা করবেন। "প্রত্যেক বালা-মুসিবত আল্লাহর পরিক্ষা স্বরুপ এটা সবাইকে মানতে হবে। তবে সিজারের জন্যে ও বাচ্চা বড় হয়ে D J মার্কা হওয়ার পিছনে বেশির ভাগ আপনারাই দায়ী!

গবেষণায় দেখা গেছে, সিজারের বাচ্চাদের ভবিষ্যতে রোগ-বালাই বেশি হয়।

আগের গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করতো।

আর বর্তমান আপনার ভরসা ডাক্তারের উপর। দুই তিন মাস যেতে না যেতেই স্বামীকে বলেন, আমারে চেক-আপ করান, বাচ্চা মনে হয় উল্টা হয়ে আছে। ক্লিনিকে গেলে "কিছু কসাই ডাক্তার" আপনাকে ভয় দেখায়। ফলে আপনি মানুষিক ও শারীরিক ভাবে দুর্বল হয়ে পরেন।

আগের গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় পবিত্র কোরান পড়তো, নামাজ পড়তো, ঘরে বসে আল্লাহর জিকির-আজগার করতো।

আর আপনি বর্তমানে ঘরে বসে ২৪ঘন্টা ডিস লাইনের জিকির করেন। (কিছু মা)

আগের গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় সব ধরনের সাংসারিক কাজ করতো, এমনকি গর্ভাবস্থায় ঢেঁকিতেও ধান বানতো। (আবার এটা ভাইবেন না এগুলো আমি করতে বলতেছি)

আর আপনি বর্তমানে ফুলের বিছানা থেকে উঠতে চান না।

আগের গর্ভবতী "মা" দের চেহারা, পেট, পিঠ সহজে কোনো পরপুরুষ দেখতে পাইনি।

আর বর্তমান আপনার পেট পিঠ গঠনে সবার নজর লাগে, বেপর্দাই চলাফেরা করেন।

আপনার নিয়ত ঠিক নাই, আপনার সমস্যা তো হবেই,

আল্লাহ সবাই কে সঠিক বুজ জ্ঞান দান করুক আমিন!

সংগৃহীত।

*********

15/05/2025

🩸১২ বছর বয়সে যদি আপনার পিরিয়ড শুরু হয়, তাহলে মনোপজ পর্যন্ত আপনার জীবনে প্রায় ৪৫৬- ৪৬৮ বার পিরিয়ড আসবে, এতোবার কোনো প্রেমিকও প্রেমিকার কাছে আসে না। যাই হোক, প্রতি মাসে পিরিয়ড প্রায় ৪-৭ দিন স্থায়ী হয়। গড়ে ৫ দিন করে হলেও সারাজীবনে পিরিয়ড নিয়ে কাটাতে হয় ২,২৮০ দিন! ৫৪,৭২০ ঘন্টা! এই সময়ের মধ্যে আপনি ২,৭৩৬ বার হ্যারী পটার সিরিজ দেখে ফেলতে পারেন।

পার সাইকেল যদি আপনি ১৫-২০ টার মতো স্যানিটারি ন্যাপকিন ইউজ করেন, পিস প্রতি প্যাডের দাম যদি গড়ে ৭-৮ টাকা হয়, তাহলে প্রতি মাসে প্যাডের পেছনে ব্যয় হয় প্রায় ১৫০ টাকা। সারাজীবনে ব্যয় হয় ৬৮,০০০-৭০,০০০ টাকা, যা দিয়ে ৫৫-৬০ বছরের জন্য নেটফ্লিক্সের সাবস্ক্রিপশন কেনা যায়। কতোগুলো আইসক্রিম আর কতোগুলো বার্গার কেনা যায়, তার হিসাব করলে মাথা ঘুরবে।

পিরিয়ডকালীন সময়ে ন্যাপকিন বাদেও পেইন কিলার, হটব্যাগ, প্যান্টি, পছন্দের খাবার, চকোলেট অর্থাৎ কমফোর্ট প্রোডাক্টের পেছনে সারাজীবনে মোট ব্যয় হয় প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা! যা দিয়ে ২টা আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স কেনা যায়।

সুতরাং পিরিয়ড লজ্জার নয় বরং একটা খুব এক্সপেনসিভ জিনিস।🩸

Want your school to be the top-listed School/college in Puran Bogra?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Nirob Pharmacy Khan Market Bogura
Puran Bogra