তেজদাসকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Pirojpur
  • তেজদাসকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন

তেজদাসকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন One of the best School in pirojpur district. This is an temporary fb page of Tejdaskathi Secondary School, Pirojpur.

This school is situated besides the Pirojpur-Shriramkathi Road in the village of Tejdaskathi, about 5 kms away from the town. About around 700 students are taking their secondary education from here. It is one of the best school in this district.

এসএসসি রেজাল্ট ২০২৪
12/05/2024

এসএসসি রেজাল্ট ২০২৪

28/07/2023

এসএসসি রেজাল্ট ২০২৩।

যে দিন যায়,,সেদিনই ভাল যায়।।আসতে আসতে জীবন জটিল হচ্ছে...(লেট আপ)
23/07/2023

যে দিন যায়,,সেদিনই ভাল যায়।।
আসতে আসতে জীবন জটিল হচ্ছে...
(লেট আপ)

SSC Result 2021
30/12/2021

SSC Result 2021

25/11/2020

আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা ৬০ বছর বয়সে মারা গেছেন।

19/01/2020

বিসিএস প্রিলি + লিখিত + ভাইভা ................... মুক্তিযুদ্ধ
→ অপারেশনসার্চ লাইট হলো - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড।
→ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন - ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে।
→ বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় - ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে।
→ শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন- ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর।
→ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল - ইংরেজিতে।
→ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় - ইপিআর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে।
→ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচার করেন - ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় এম, এ, হান্নান।
→ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন - ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে।
→ বাঙ্গালী পাকিস্তানের শাসনের অধীনে ছিল- ২৪ বছর।
→ মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত - বৈদ্যনাথ তলা এবং আম্রকানন
→ বৈদ্যনাথ তলার বর্তমান নাম - মুজিবনগর।
→ মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
→ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
→ মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহন করে - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল।
→ মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
→ উপরাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
→ প্রধান মন্ত্রী - তাজ উদ্দীন আহমেদ।
→ অর্থমন্ত্রী - এম. মনসুর আলী।
→ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
→ পররাষ্ট্রমন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
→ মুজিব নগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান - অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
→ মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন - কর্ণেল ( অব.) এম.এ. জি ওসমানী।
→ মুজিব নগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল - মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টি করা।
→ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রনালয় ছিল - ১২ টি।
→ মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন - বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
→ বাংলাদেশে কয়টি সামরিক জোনে ভাগ করা হয় - ৪ টি ( ১৯৭১ সাল ১০ এপ্রিল)।
→ ৪ সামরিক জোনে ছিলেন - ৪ জন সেক্টর কমান্ডার।
→ ১১ এপ্রিল পুনঃরায় ভাগ করা হয় - ১১ টি সেক্টরে।
→ মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স ছিল - ৩ টি।
→ কাদেরীয়া বাহিনী ছিল - টাঙ্গাইলের।
→ ইপিআর - ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল।
→ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা যায় - গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ।
→ ভারতে শরার্থী ছিল - ১ কোটি।
→ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয় - ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর।
→ ১১ দফা আন্দোলন হয়েছিল - ১৯৬৮ সালে।
→ ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চলছিল - বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন।

19/01/2020

সাম্প্রতিক দর্পণ
হাইভোল্টেজ সাম্প্রতিক তথ্য

১॥ভারতের রাজ্য সংখ্যা ২৮ টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৯ টি
২॥ বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশ - যুক্তরাষ্ট্র ! বাংলাদেশ ৪১তম ! এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ১৩ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ!
৩॥বুকার সাহিত্য পুরস্কার -২০১৯
- বার্নাডিন এভারিস্তো(উপন্যাস - গার্ল, উইমেন, অাদার)
মার্গারেট অ্যাটউড (উপন্যাস - দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল)
৪॥ সম্প্রতি যে দেশটি পুলিশি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে
- তিউনিসিয়া
৫॥ খেলাধুলায় চ্যাম্পিয়ন:
বঙ্গবন্ধু বিপিএল -২০১৯-২০ : রাজশাহী রয়্যালস
কোপা আমেরিকা ২০১৯ চ্যাম্পিয়ন - ব্রাজিল;
উয়েফা নেশনস লিগ ২০১৯ চ্যাম্পিয়ন - পর্তুগাল,
মেয়েদের বিশ্বকাপ ফুটবল২০১৯ চ্যাম্পিয়ন - যুক্তরাষ্ট্র
৬॥নতুন মুখ
রাশিয়ার বর্তমান (নতুন) প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
মিখাইল মিসুস্তিন।
শ্রীলংকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট
- গোতাবায়া রাজাপক্ষে
৭॥ নারী-পুরুষ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষ দেশ
= বাংলাদেশ
৮॥ OPEC এর বর্তমান সদস্য -১৩ ( সম্প্রতি পদত্যাগ - ইকুয়েডর )
৯॥ ২০২০সালকে জাতিসংঘ কী হিসেবে ঘোষিত করে ?
- International Year of Plant Health
১০॥২য় নারী এবং বাংলাদেশের ১৪ তম কূটনৈতিক হিসাবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন কে ?
=রাবাব ফাতেমা
বর্তমানে চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ চতুর্থ। ১ম, ২য় ও ৩য় তে যথাক্রমে চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া।
♦ জাহাজভাঙ্গা শিল্পে শীর্ষে, অভিবাসনে ৬ষ্ঠ এবং মৎস সম্পদ উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম বাংলাদেশ।
♦ এখন এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ১৩ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুর ও হংকংকে ছাড়িয়ে এ অবস্থানে উঠল বাংলাদেশ।
♦ বাংলা একাডেমীরর বর্তমান মহাপরিচালক - কবি হাবীবুল্লাহ্ সিরাজী
♦ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪ তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে অনন্য অবদানের জন্য "ভেকসিন হিরো" সম্মাননা পান।
প্রথমবারের মতো ষষ্ট প্রজন্মের (6 - G) মুঠোফোন নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ শুরু করেছে - চীন
♦ সদ্য জন্ম নেওয়া রাষ্ট্র বুগেনভিল এর রাজধানী - বুকা
♦ সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর নির্বাচনী প্রচারণায় যে সংবাদমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করা হয় - ব্লুমবার্গ নিউজ
♦"ব্লসম এভরিহোয়ার" কর্মসূচি যে বিক্ষোভের সাথে জড়িত - হংকং বিক্ষোভ
♦ সম্প্রতি ভারতের যে রাজ্য স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে লন্ডনে প্রবাসী সরকার গঠন করেছে - মনিপুর রাজ্য
♦ "আরামকো" হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম আইপিও ( সৌদিআরবের রাষ্ট্রীয় তেল কম্পানি)
♦ করতারপুর করিডোর হচ্ছে - ভারত ও পাকিস্তানের সংযোগকারী করিডোর
♦২০১৯ সালের বিবিসির বর্ষ সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন - বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)
♦ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বের হয়ে যাবে - ৪ নভেম্বর, ২০২০
♦ ২০১৯ সালের অক্সফোর্ড বর্ষসেরা শব্দ - "Climate Emergency"
♦যুক্তরাষ্ট্রের টাইম মেগাজিনে ঘোষিত ২০১৯ সালের 'পারসম অব দ্যা ইয়ার' হয়েছেন - সুইডেনের কিশোরী, পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী অনূদিত হয়েছে ১৩ টি ভাষায়, সর্বশেষ ইতালি ভাষায় করেছেন - আন্না কোক্কিয়ারেল্লা
♦CBERS-4A নামক স্যাটেলাইট যৌথ উদ্যোগে উৎক্ষেপন করেন - চীন ও ব্রাজিল
♦কূটনৈতিক মিশনে সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষ দেশ- চীন
♦ জাতিসংঘ ঘোষিত ২০২০ সাল কোন বর্ষ - International Year of Plant Health
♦ ৬৯ তম মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৯ - টনি অ্যান সিং এবং ৬৮ তম মিস ইউনিভার্স -২০১৯ জোজিবিনি তুনজি
♦১ ফেব্রুআরি, ২০২০ এ ICC (International criminal court) এর ১২৩ তম
সদস্য হবে- কিরিবাতি
♦ ১ জানুয়ারি, ২০২০ এ ইকুয়েডর এর পদত্যাগের মধ্যদিয়ে OPEC এর বর্তমান সদস্য -১৩
♦COP -26 হবে - গ্লাসগো, স্কটল্যান্ডে; COP-25 হয়েছে স্পেন, মাদ্রিদে।
♦ ২০১৯ সালের বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা সূচকে শীর্ষদেশ - আইসল্যান্ড, সর্বনিম্ন - ইয়েমেন, বাংলাদেশ ৫০ তম।
♦ ২০১৯ সালের বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সূচকে শীর্ষদেশ - সিঙ্গাপুর, সর্বনিম্ন - ভেনিজুয়েলা, বাংলাদেশ - ৮৩ তম
♦ ২০১৯ সালের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনে শীর্ষদেশ - নরওয়ে, সর্বনিম্ন - নাইজার, বাংলাদেশ -১৩৫ তম
♦ ২০১৯ সালের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনে গড় আয়ুতে শীর্ষদেশ - হংকং, মাথাপিছু আয়ে শীর্ষদেশ- কাতার
♦ ২০১৯ এর Ballon D'or বিজয়ী - লিওনেল মেসি
♦ বাংলাদেশ এর প্রথম মহিলা ফিফা রেফারি - জয়া চাকমা
সম্প্রতি "বাংলা" কে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে লন্ডন (যুক্তরাজ্য)
♦সম্প্রতি ভারতের যে রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের LPG রপ্তানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে - ত্রিপুরা
♦ সম্প্রতি চালু হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের এন্টিটেরোরিজম ইউনিট অ্যাপের নাম - "Inform ATU"
♦বাংলাদেশের প্রথম অমনিবাস চলচিত্রের নাম - "ইতি, তোমারই ঢাকা"
♦ দেশে প্রথমবারের মতো স্নাতকে শিক্ষার্থী ভার্তিতে "ডোপ টেস্ট" চালু করেছে - শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
♦ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্র কেনা বেচা বিষয়ক চুক্তি - আসকা ( Acquisition and Cross Serving Agreement)
♦ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্র বিষয়ক গোপন তথ্যনিনিময় ও সুরক্ষা সংক্রান্ত যুক্তি - জিসোমিয়া
♦ দেশে প্রবাসী আয় আহরণে শীর্ষ ব্যাংক - ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
♦ দেশে সম্প্রতি প্রথম বারের মতো "ব্যাংক জাদুঘর" তৈরী করেছে - Mitual Trust Bank, MTB- museum নামে
♦ নতুন ভ্যাট আইন অনুযায়ী e - BIN ( রেজিস্ট্রেশন) নাম্বার হবে - ১৩ ডিজিটের
♦ দেশের ভাওয়াইয়া ইনস্টিটিউট অবস্থিত - চিলমারী, কুড়িগ্রাম
♦ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান - নাসিমা বেগম
বর্তমানে স্বীকৃতি পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা বীরাঙ্গনার সংখ্যা - ৩৩৯ জন
দেশের প্রথম মিল্ক ব্যাংক অবস্থিত হয় ১ ডিসেম্বর ২০২০ এ - ঢাকা জেলার মাতুয়াইলে
সম্প্রতি ৩০ তম NATO সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - যুক্তরাজ্যের ওয়াটফোর্ডে
♦ সম্প্রতি ৪০ তম GCC সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - রিয়াদ/জেদ্দা, সৌদিআরব
♦ ৮-১১ জুন, ২০২০ এ WTO এর মন্ত্রী পর্যায়ের ১২ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে - কাজাখিস্তানের নুরসুলতানে
♦১৫ তম G-20 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২১-২২ নভেম্বর, ২০২০ এ - সৌদিআরব এর রিয়াদে
♦২২ তম আন্তর্জাতিক AIDS সম্মেলন হবে - ৬-১০ জুলাই, ২০২০ এ - যুক্তরাজ্যে
♦ আর্চার ইতি খাতুনকে মনে রাখতে হবে কারণ সদ্য সমাপ্ত হওয়া SA Games এর ৩৫ বছরের ইতিহাসে এক ডিসিপ্লিনের(আর্চারি) সব কটি (৩টি) তেই স্বর্ণপদক লাভ করেন তিনি।
♦৪৭ তম কোপা আমেরিকান যৌথভাবে ১২ জুন - ১২ জুলাই, ২০২০ আয়োজন করতে যাচ্ছে - ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা
♦জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১৫ তম স্থায়ী নারী প্রতিনিধি - রাবাব ফাতিমা
♦ বাঙ্গালির অহংকার, অনুপ্রেরণার বাতিঘর, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক এর প্রতিষ্ঠাতা আমাদের ছেড়ে যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ - ২০ ডিসেম্বর, ২০২০।
- উল্লেখ্য দারিদ্র্য বিমোচনে অসাধারণ অবদানের জন্য যুক্তরাজ্য থেকে সম্মানজনক "স্যার" উপাধি পান ২০১০ এ।
♦ ১২ ডিসেম্বর - ৩য় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস - প্রতিপাদ্য -" সত্য মিথ্যা যাচাই আগে ইনটারনেটে শেয়ার পরে।"
♦ ১৮ ডিসেম্বর - আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস -প্রতিপাদ্য - "দক্ষ হয়ে বিদেশ গেলে অর্থ - সম্মান দুই-ই মিলে"
♦ সম্প্রতি শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য UNICEF এর বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেন - বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
♦ ২০১৯ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা লাভ করে - ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল
♦CAB (Citizen Amendment Bill) ভারতের পার্লামেন্টে লোকসভায় পাস হয় - ০৯.১২.১৯
♦সম্প্রতি WADA ( World Anti Doping Agency) রাশিয়াকে ৪ (চার) বছরের জন্য সব ধরণের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
♦ অতি সম্প্রতি (১০.১২.২০১৯) NAFTA - North American Free Trade Agreement কে ঢেলে সাজাতে USMCA ( United State, Mexico, Canae) চুক্তি স্বাক্ষর করে ৩ দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
♦ RISAT - 2BR1 হচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো ভারতের সর্বাধুনিক গোয়েন্দা উপগ্রহ।
♦ ১৮.১২.২০১৯ তে, পদ্মা সেতুর ২১ ও ২২ নম্বর পিলারে ১৯ তম স্প্যান বসানো হয়।
♦ The European Bill (Withdrawal Agreement) House of Commons এ পাস হয় ৩৫৮-২৩৪ ভোটে।
♦বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে সর্বশেষ ৫ম ও ৬ষ্ঠ ড্রিমলাইনার - 'সোনার তরী' ও 'অচিন পাখি'
♦দেশি কাপড় তৈরীতে শীর্ষ জেলা - নরসিংদী
♦জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক চা দিবস - ৪ ডিসেম্বর
♦ আন্তর্জাতিক গণিত দিবস - ১৪ মার্চ
♦২০১৯ সালের বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষ দেশ - আফগানিস্তান,
বাংলাদেশ - ৩১ তম

NPR - National Population Register
NRC - National Register of Citizens
CAA - Citizenship Amendment Act.
CAB- Citizen Amendment Bill
॥॥॥॥॥॥॥॥॥
সৌজন্য : জুলফিকার আলী

19/01/2020

বিসিএস প্রিলি + লিখিত + ভাইভা
সংক্ষেপে ১ম বিশ্বযুদ্ধের কারণ ও এর প্রভাবঃ (১৮৭২-১৯৩৯ ঘটনাবলি) mcq (1914-1939) ১। অটোম্যান সাম্রাজ্য দুর্বল হওয়াঃ অটোম্যান সাম্রাজ্য (তুরস্কের ইউরোপ অংশ) "Sick Man’s of Eurpoe" হিসাবে পরিচিত ছিল মূলত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামরিক পরাজয়, নাগরিক কলহ এবং জাতীয় সংখ্যালঘুদের অভ্যুত্থানের জন্য ।অটোম্যান সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ায় এর অধীন রাষ্ট্র গুলো স্বাধীনতার দাবি তোলে আর এই সুযোগটা কাজে লাগায় প্রতিবেশী পরাক্রমশালী রাষ্ট্র গুলো। বার্লিন চুক্তি (১৮৭৮) অনুযায়ী অস্ট্রো-হাঙ্গেরি অটোম্যান সম্রাজ্যের বসনিয়া-হার্জেগোভিনা অংশ পরিচালনার দায়িত্ত দেওয়া হয়।
২। নজিরবিহীন চুক্তি ও অবিশ্বাসঃ Alliances in initial stage: অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, জারমানি,ইতালি----Triple Alliance (1882) vs ফ্রান্স,ব্রিটেন,রাশিয়া—Triple Entente(1907)।ইতালি শুরুতে অস্ট্রো-হাংগেরির সাথে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে অ্যাড্রিয়াটিক উপকূল অস্ট্রো-হাঙ্গেরি অধিকার করলে ইতালির স্বার্থে আঘাত হানে। ইতালি যোগ দেয় মিত্রপক্ষে ।
৩। জাতীয়তাবাদ এর উথানঃ বিংশ শতাব্দীর শুরুতে অস্ট্রো-হাংগেরির কাছে প্রতীয়মান হয় যে , রাশিয়া এবং সার্বিয়া আরও শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে । এই ভয় থেকে অস্ট্রো-হাঙ্গেরি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা অধিকার করে বসে।এতে সার্বিয়া তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে, কারণ বিপুল সংখ্যক স্লাভ জাতিভুক্ত মানুষ বসনিয়া ও হার্জগোভিনাতে বসবাস করতো ।এর মাধ্যমে সার্বিয়ায় এন্টি অস্ট্রো হাঙ্গেরিয়ান সেন্টিমেন্ট এর উত্থান ঘটে।গড়ে উঠে ‘ইয়ং বসনিয়া’ নামক উগ্রপন্থী জনগোষ্ঠীর । এরই একজন একনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন ঘাতক গাভরিলো প্রিন্সেপ যিনি ১ম বিশ্বযুদ্ধের সংঘটক।তিনি একজন সারবিয়ানো বটে।
৪। ১৯১৪ সালে অস্ট্রিয়ান যুবরাজ আর্কডিউক ফ্রানজ ফার্ডিনান্ড এবং তার স্ত্রী বসনিয়া সফরে যান ।কিন্ত ঘটনাটিকে কালো অধ্যায়ে পরিণত করে গাবরিলো প্রিন্সিপ নামের উপরোক্ত আততায়ী । যেহেতু সারবিয়ার সাথে ঝামেলা আগে থেকেই আর সার্বিয়ান সরকার অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি নিয়োগের দাবী মানতে অস্বীকার জানায়। বেঁধে যায় ১ম বিশ্বযুদ্ধ । মনে রাখুনঃ অস্ট্রিয়ার সম্রাট বেড়াতে যান বসনিয়ায় আর ঘাতক সারবিয়ান।
৫। রাশিয়া সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। রাশিয়ার সাথে অস্ট্রো-হাঙ্গেরির ছিল ঐতিহাসিক বিরোধ।
---এর মধ্যে বিশ্বযুদ্ধ নিকটবর্তী ঘটনা ১৯০৯ এর দিকে হাঙ্গেরি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করে বসলে রাশিয়া এতে ক্ষুদ্ধ হয়। কেননা বসফরাস ও দার্দানালিস প্রণালীর জন্য রাশিয়া ঐ এলাকার উপর নির্ভরশীল ছিল।
---এছাড়াও জার্মানীকে রাশিয়া অন্যতম হুমকি হিসবেই দেখতো। এই ধারণা আরও বেগবান হয় যখন জার্মান, অস্ট্রো-হাংগেরি, ইতালি Triple Alliance হিসেবে আবির্ভূত হয়।
-- রাশিয়ার সম্রাট জার ২য় নিকোলাস ধর্মীয় ( খ্রিষ্টান অর্থোডক্স ) ও ( স্লাভিক ) জাতীগত নৈকট্যের জন্য এবং রাশিয়ার প্রভাব দেখাতে সার্বিয়ান দের পাশে দাঁড়ায়।
--- যদিও রাশিয়ার সেনাবাহিনী ১৯১৪ এর মাঝে সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীতে পরিণত হয় ।কিন্তু যুদ্ধ শুরু হলে জার্মান সেনাবাহিনী দ্বারা আক্রান্ত হয়। রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে ১৯১৬ এর মধ্যে ২ মিলিয়ন রাশিয়ান সেনা মারা যায়। অধিক সেনাবাহিনীতে যোগদানের ফলে কৃষি খাত হয় বিপর্যস্ত। ফলশ্রুতিতে ১৯১৬ সালে খাবারের দাম ৪ গুণ বেড়ে যায়।
-- সুইজারল্যান্ডে নির্বাসিত লেনিন দেশের এ করুণ অবস্থা থেকে ক্ষুদ্ধ হন। তিনি লিখে ফেলেন তার ঐতিহাসিক বই ‘Imperialism: The Highest Stage of Capitalism. ‘ তিনি রাশিয়ার এই যুদ্ধকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির যুদ্ধ বলে অভিহিত করেন। এই বই এবং সৈন্যদের প্রতি যুদ্ধ ত্যাগের আহবান এক সময় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটায়।
--১৯১৭ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ দন্দ(internal conflict) এর সুযোগে সশস্ত্র বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ভ্লদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে কম্যুনিস্ট বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে নিয়েছিলো রাশিয়ায় । এই সাড়া জাগানো বিপ্লবের স্থায়িত্তকাল ছিল ১০ দিন।
৬। জার্মানি অন্যদিকে ১৮৯৮ সালের মধ্যে এমন অবস্থায় পৌছায় যেখানে জার্মানি চায় তার সাম্রাজ্য বিস্তার করতে।জার্মানির উগ্র নীতি একপর্যায়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এবং অস্ট্রো-হাঙ্গেরিকে সমর্থন দেয়। একপর্যায়ে জার্মান নৌ বাহিনি ব্রিটেনের নৌ বাহিনী থেকেও সমৃদ্ধশালী হয়। জার্মান নৌ বাহিনী একপর্যায়ে কমার্শিয়াল ব্লকেড তৈরি করে এতে আক্রান্ত হয় আমেরিকান জাহাজ লুসিতানিয়া।
৭। আমেরিকা ইউরোপের ঝামেলায় মাথা ঘামানোর পক্ষ ছিল না। যখন লুসিতানিয়া জাহাজ আক্রান্ত হয় তখন আমেরিকা ৬ এপ্রিল ১৯১৭ সালে ১ম বিশ্ব যুদ্ধে অংশ নেয়।
৮। ব্রিটেন অন্যদিকে যখন নিরপেক্ষ অঞ্চল বেলজিয়াম জার্মানি দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন চুক্তি অনুযায়ী জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ইতালি শুরুতে অস্ট্রো-হাংগেরি, জার্মানের সাথে থাকলেও যুদ্ধের আগে নিরপেক্ষ নীতি এবং ১৯১৫ সালে নিরপেক্ষ নীতি ত্যাগ করে মিত্র শক্তিতে চলে যায়।
৯। ফ্রান্স এর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ক্লিমেন শো।মূলত জার্মানির সাথে ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সাথে বিরোধ সাম্রাজ্য বিস্তার নিয়ে। জার্মানি যখন ফ্রান্সের আফ্রিকান উপনিবেশে প্রভাব খাটাতে চায় বেঁধে যায় দন্দ।
১০। একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধঃ ব্যাপ্তিঃ ১৯১৪-১৮ ,শুরুঃ ২৮ জুলাই,১৯১৪ জার্মানি আত্নসমরপনঃ ১১ নভেম্বর ১৯১৮(২য় ভারসাই চুক্তি) , মিত্রশক্তি(জয়ী)ঃফ্রান্স, বৃটেন, রাশিয়া, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, রুমানিয়া, জাপান , অক্ষশক্তিঃজার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, তুরস্ক ও বুলগেরিয়া
প্রভাবঃ
১। অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্য, তুরস্ক সাম্রাজ্য, রুশসাম্রাজ্য ও জার্মান সাম্রাজ্ পতন । ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটাভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, চেকোশ্লোভাকিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, রুমানিয়া প্রভৃতি নতুন নতুন রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়
২। উড্রো উইলসনের ১৪ দফাঃ জার্মানির পতন দেখে বিশ্ব শান্তির জন্য ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রসের নিকট তার শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেন যা fourteen points নামে পরিচিত। তিনি ইউরোপে স্থায়ী শান্তি চেয়েছেন। এই নীতির উপর মিত্র শক্তির সাথে জার্মানির শান্তি চুক্তি স্থাপিত হবে। ১ম ৫ দফায় গোপন চুক্তি বাতিল, উপনিবেশ নিয়ে বিরোধ,বাণিজ্য বিরোধ, নিরপেক্ষ জাহাজ চলাচল ইত্যাদি নিয়ে বলা হয়।ইউরোপের সকল জাতির স্বাধীনতা স্বীকার করে নিয়ে ইউরোপের পুনগঠনের কথা বলা হয়। ১৪ নম্বর দফার বিশ্ব শান্তির জন্য আন্ত্রজাতিক সংস্থার কথা বলা হয়।
৩। ১ম বিশ্বযুদ্ধের পরে ফ্রান্স ও ব্রিটেন তাদের শক্তিশালী অবস্থান হারায়। এই জায়গা দখল করে যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত রাশিয়া।
৪। ইতালি এবং জার্মানিতে গণতন্ত্র পতনঃ বেনিতো মুসোলিনি ১৯২২ সালে ইতালির সম্রাট তার করা আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হন। মুসোলিনি ইতালির ১ম বিশ্ব যুদ্ধে মিত্রশক্তিতে অংশ নেওয়াতে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি ফ্যাসিবাদের জনক। পরবর্তীতে জার্মানিকে ২য় বিশ্বযুদ্ধে সমর্থন করে। তাই ইতালি ১ম বিশ্ব যুদ্ধে মিত্র শক্তি এবং ২য় বিশ্ব যুদ্ধে অক্ষ শক্তিতে থাকে।
অন্যদিকে জার্মানিকে অর্থনৈতিক জরিমানা ,অবরোধ এবং অস্ত্রশুন্যের শর্ত আরোপ করা হয় ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর। তাই জার্মানির প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব জেগে উঠে।১৯৩০ এর দশকে বিশ্বজুড়ে মহামন্দা হলে জার্মানি ও ইতালি ফ্রান্স ও ব্রিটেন থেকে ভাল অবস্থানে চলে যায় কেননা স্বৈরতন্ত্র দ্বারা প্রতিকূল পরিবেশ তারা ভাল ভাবে সামলে নিতে পেরেছিল। ১৯৩৩ সালে হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
৫। জাতিপুঞ্জ যেটি ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।জাতুপুঞ্জ বিশ্বশান্তি রক্ষায় কোন ভূমিকা রাখতে পারছিল না। কেননা এর উদ্যোক্তা আমেরিকা এর সদস্য ছিল না। জাপান ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া এবং ১৯৩৭ সালে চীনের মূল ভূখণ্ড দখল করে।ইতালিও আবিসিয়া ও অ্যালবেনিয়া দখল করে।জাতিপুঞ্জ কোন পদক্ষেপ নিতে পারে নি। জাতিপুঞ্জে সব সদস্য একমত না হলে আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। জাপান,ইতালি এবং জার্মানি জাতিপুঞ্জ ত্যাগ করে ।
অন্যদিকে ব্রিটেন ও ফ্রান্স নিজেদের কাজে জাতিপুঞ্জকে ব্যবহার করতো। ফ্রান্স এর কাছে জাতিপুঞ্জ ছিল জার্মানি থেকে রক্ষার একটা উপায় আবার ব্রিটেন ভাবতো জাতিপুঞ্জের মাধ্যমে কিভাবে তাদের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখা যায়। আর জার্মানি জাতিপুঞ্জকে ভাবতো তাদের উত্থানের পথে বাধা হিসেবে। তাই ২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ।
+++++
সংগৃহীত পোস্ট

03/12/2019

Address

Pirojpur
Pirojpur
8500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তেজদাসকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category