ছারছীনা আহলে হাদিস পরিবার

ছারছীনা আহলে হাদিস পরিবার আল্লাহ উত্তম বিচারক

19/06/2026

বিশ্বকাপে সৌদি আরব ও উরুগুয়ের মধ্যকার ম্যাচের আগে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক অস্বাভাবিক দৃশ্য। অন্যান্য দেশের মতো মাটিতে না রেখে সৌদি আরবের জাতীয় পতাকা মাঠের অনেক উপরে তুলে ধরা হয়েছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দেশের মধ্যে সৌদি আরবের পতাকাই একমাত্র জাতীয় পতাকা যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার কারণে মাটিতে স্পর্শ করতে পারে না। আনুষ্ঠানিক ভারসাম্য বজায় রাখতে উরুগুয়ের পতাকাও একইভাবে উঁচুতে তুলে ধরা হয়েছিল।

যেহেতু সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় ইসলামের কালিমা বা শাহাদা রয়েছে, তাই এর ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। দেশটির আইন অনুযায়ী, পতাকাটি নামানো যাবে না বা এমনভাবে ব্যবহার করা যাবে না যাতে এটি মাটি, পানি বা অন্য কোনো পৃষ্ঠ স্পর্শ করে। এছাড়াও, বিবর্ণ, ক্ষতিগ্রস্ত বা অবহেলিত পতাকা প্রদর্শন করাও নিষিদ্ধ। যদি এটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবশ্যই এটিকে যথাযথভাবে ধ্বংস করতে হবে যাতে পতাকার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে।

এদিকে, গ্রুপ 'এইচ'-এর ম্যাচে সৌদি আরব ও উরুগুয়ে ১-১ গোলে ড্র করেছে। প্রথমার্ধের শেষদিকে সৌদি আরবের হয়ে গোল করেন আবদুল্লাহ আল-আমরি। তবে, ম্যাচের শেষদিকে ম্যাক্সি আরাউহো গোল করে সমতা ফেরালে সৌদি আরব জয় থেকে বঞ্চিত হয়।

19/06/2026

হালালা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা 'সানজিদা আক্তার'কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই বেডা 'সানজিদা আক্তার' এর আরেক নাম মুফতি জিয়া বিন কাশেম, ইনি নিজেকে ইসলামী স্কলার দাবী করে, এবং লুত বাহিনীও তাকে এভাবেই সমর্থন করে। ইনিই তালাকপ্রাপ্ত আলেমা হাফেজাদের সাথে হালাল উপায়ে দু একরাত সেক্স করবার জন্যে হালাল সৎ ধার্মিক ইমানদার পরহেজগার বুজুর্গ আলেম হাফেজের মতো কউমে লুত পুরুষ প্রস্টটিউটের ব্যবস্থা করে দিতেন।

হালালা গ্রুপ থেকে ৮০ টি সিভি প্রকাশ পেয়েছে বলে আপনারা জেনেছেন।
গোয়েন্দারা আরও ১ হাজার সদস্যের সিভির সন্ধান পেয়েছে, যারা দুই একরাত হাফেজা আলেমাদের সাথে সেক্স করতে সিভি পাঠিয়েছিল, এবং এগুলো সব ইমেইল করে কওমে লুত বাহিনীর সদস্যরা পাঠিয়েছে।

03/06/2026

মনে ব্যথার আঘাত হানলো!!
শি'য়াদের সু-পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড🤭🤭🙀 # ইরানে বিকৃত কাবাঘর নির্মাণ,,, # কাবাঘর থেকে হাজারে আসওয়াত চুরি,,, ৷ # সিরিয়ায় ৭০ হাজার মুসলিমকে গনহত্যা,,, # আবু বক্কর,উমর র.দের মতো প্রখ্যাত সাহাবাদের কাফের টেক্ লাগানো,,, # কাফের আবু লুলুর মাজার শরিফ,,, । #বিস্তারিত; 💯💯 @ #কুর্য়েতের বিখ্যাত কারী সম্মানিত #শাইখ #মিশিরী রাশিদ আফাসি হাঃ, ইরানি রাফিজি শিয়াদের ও তাদের অন্ধ সমর্থকদের ধ্বংস কামনা করে একটি নাসিদ ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
এতে অনেকের মনে ব্যথা অনুভব হয়েছে। প্রকৃত ইসলাম ও বাস্তবতার জ্ঞানের অভাবের কারণে তাদের এই অবস্থা।
যারা প্রকৃত মুসলিম অর্থাৎ কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান অর্জন করে দিন চর্চা করে।
তারা সবাই ইহুদি ও খ্রিস্টানদের মতোই শিয়া রাফিজীরা ইসলাম ও মুসলিমদের শত্রু এই সত্য জানে।
আল্লাহ মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে বলেন,
3:102
يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যথাযথ ভয়। আর তোমরা মুসলমান হওয়া ছাড়া মারা যেও না।
প্রকৃত মুসলিম হতে হলে, ইসলামের যে পাঁচটি ভিত্তি যথা:- কালেমা, নামাজ, যাকাত ,সিয়াম ও হজ্জ (সামর্থ্য হলে) বাস্তবায়ন করতে হবে।
ঈমানের যে আরকান গুলো আছে সেগুলো বিশ্বাস করতে হবে যেভাবে কোরআন সুন্নাহ বর্ণিত হয়েছে।
শিয়া রাফিজিদের সম্পর্কে কিছু বিষয়:-
প্রথম বিষয় শিয়াদের ,তারা কালিমা বর্ধিত করেছে যেমন তারা সাক্ষ্য দেয় আলী অলিউল্লাহ। যারা কালিমা বৃদ্ধি করে নিজেদের তরফ থেকে তাদেরকে কি বলবেন।
এছাড়া নামাজ তাদের মত করে পরিবর্তন করেছে। আহকামের ক্ষেত্রে হাদিসের কিতাব গুলো গ্রহণ করেন না তাদের নিজেদের তৈরি করা কিতাব ছাড়া।
আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে ভিন্ন মত পোষণ করে।
আহলে বাইত সাহাবীদেরকে নিয়ে অতিরঞ্জিত ঈমান পোষণ করে।
এদের কেউ কেউ আলী রাঃ কে আল্লাহর গুনে গুণান্বিত করেছে।
তাদের কবরগুলো পাকা করে ইবাদতের স্থান করেছে যা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং শিরকি কাজ।
আবু বকর ,ওমর রাঃ সহ যারা আহলে বায়াত নয় সাহাবায়ে কেরামদের কে ঘৃণা ও লানত করেন।
অথচ আল্লাহ তাদের মর্যাদা দিয়েছেন এবং তাদের উম্মতের মধ্যে সব থেকে বেশি খেদমত ও অবদান রয়েছে ইসলামের জন্য।
মুসলিমদের প্রতি তাদের এই ঘৃণার কারণে যুগে যুগে মুসলিমদের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্রে দীপ্ত রয়েছে ।
ইতিহাসের কিতাব অধ্যায়ন করলে বিষয়গুলো জানা যায় ।
যার মধ্যে:- প্রথম যার হাত ধরে শিয়াদের উৎপত্তি আবদুল্লাহ ইবনে সাবা । তার ষড়যন্ত্রে মুসলিমদের খলিফা হযরত ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হন।
মুসলিমদের মধ্যে ফিতনা ছড়িয়ে পড়ে।
যার কারণে অসংখ্য মুসলিম শহীদ হন এই ফাসাদে পড়ে।
ইতিহাসের পাতায় আরো পাবেন তারা হজের মৌসুমের মক্কায় প্রবেশ করে ৩০ হাজার হাজীকে হত্যা করেছে এবং হাজরে আসওয়াদ চুরি করেছে।
এই শিয়া রাফিজীরা হালাকো খানকে ডেকে এনে বাগদাদ ধ্বংস করেছে । প্রায় ১০ লাখ মুসলমানদেরকে তাদের দ্বারা হত্যা করিয়েছে ।আব্বাসী খেলাফত শেষ করে দিয়েছে।
বর্তমান সৌদি সরকারের সময়ে হজের মৌসুমে হাজীদের উপর ইরানি শিয়ারা বোমা হামলা করেছে।
বর্তমান ইরানে ১৯৭৯ সালে খমিনির নেতৃত্বে ইরানে শিয়া বিপ্লব হয় এবং খমিনিরা ক্ষমতায় আসে যারা ইমামিয়া শিয়া।
তাদের ঈমান হলো ১২ জন নিষ্পাপ ইমাম হবে এবং সর্বশেষ ইমামন দ্বারা তারা পৃথিবীতে শিয়া ধর্ম বাস্তবায়ন করবে।
এরা ক্ষমতায় আসার পরেই মধ্যপ্রাচ্যের সুন্নি মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ।
ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে এবং ইরানিরা ইরাকে শিয়াদের ক্ষমতায় রাখার জন্য লাখ লাখ সুন্নি মুসলিমদের হত্যা করে।
এই ইরানিরা সিরিয়ায় সেকুলার শাসক শিয়া বাশার আল আসাদের ক্ষমতা রাখার, জন্য লাখ লাখ সুন্নী মুসলমানদের হত্যা করে। এমন কোন জুলুম নাই যা সেখানে করে নাই। অথচ তারা ইসলামী শাসনের কথা বলে।

লেবাননে সরকারের বিরুদ্ধে শিয়া হিজবুল্লাহ একটি বাহিনী তৈরি করেছে। যাদের দ্বারা সেদেশটি অশান্তি ও ধ্বংস এর দিকে নিয়ে গেছে।

ইয়ামানে শিয়া হুতিদেরকে দিয়ে একটি বাহিনী তৈরি করে । তাদেরকে অস্ত্র দিয়ে দেশের একটি অংশ দখল করিয়েছে ও দেশে গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে রেখেছে। যার কারনে লাখ লাখ ইয়ামানি হত্যা হয়েছে।
এই বাস্তব বিষয়গুলোর দিকে তাকালে তাদের শত্রুতা উপলব্ধি করা যায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে। তারা চায় মুসলিমরা ধ্বংস হোক।
আর যারা মুসলিমদের ধ্বংসের পিছনে লেগে থাকে ।
তাদের ধ্বংস কামনা করা আল্লাহর কাছে মুসলিমদের কর্তব্য।
আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ ইহুদী ,নাসারা ও ইরানি শিয়াদের ধ্বংস করুন । তাদের থেকে মুসলিমদের হেফাজত করুন । মুসলিমদের সত্য উপলব্ধি করার তৌফিক দান করুন।

Address

Barishal
Pirojpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছারছীনা আহলে হাদিস পরিবার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category