ফুলতলা-রি-ইউনিয়ন হাইস্কুল

ফুলতলা-রি-ইউনিয়ন হাইস্কুল 100+ years old

মাহারিন মিস আর বেচে নেই। আপনি শিক্ষক জাতির অহং'কার! প্রমাণ করলেন শিক্ষকরা শুধু পাঠদানই করেন না, শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচা...
21/07/2025

মাহারিন মিস আর বেচে নেই। আপনি শিক্ষক জাতির অহং'কার!
প্রমাণ করলেন শিক্ষকরা শুধু পাঠদানই করেন না, শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনকে উৎ'সর্গও করতে পারেন!

আল্লাহ সবাইকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।
21/07/2025

আল্লাহ সবাইকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।

Cheers to the New Year 2025..!Here's to new beginnings and endless possibilities.Wishing everyone a fabulous 2025 filled...
31/12/2024

Cheers to the New Year 2025..!
Here's to new beginnings and endless possibilities.
Wishing everyone a fabulous 2025 filled with love and laughter.❤️

ছবিটি একটি হিমশৈলীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, যা সমুদ্রের পানির নিচে দেখা যাচ্ছে। হিমশৈলী হলো বিশাল আকারের মিষ্টি বরফের একটি বির...
30/12/2024

ছবিটি একটি হিমশৈলীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, যা সমুদ্রের পানির নিচে দেখা যাচ্ছে। হিমশৈলী হলো বিশাল আকারের মিষ্টি বরফের একটি বিরাট টুকরা, যা বৃহত্তর বরফের স্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সাগরের পানিতে ভাসতে থাকে। এক আশ্চর্য ব্যাপার হল, এর মাত্র এক-অষ্টমাংশ অংশ পানির উপরে দেখা যায়, আর বাকি অংশ পানির নিচে লুকিয়ে থাকে। এই ধরনের হিমশৈলী সাধারণত অ্যান্টার্কটিকা, আর্কটিক মহাসাগর এবং গ্রিনল্যান্ডের আশেপাশের মুক্ত সাগরে দেখা যায়। গ্রীষ্ম বা বসন্তকালে বরফগুলো ভেঙে পড়ে এবং পানিতে ভাসতে শুরু করে। এই হিমশৈলীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় -১৫ থেকে -২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, যা খুবই শীতল। সত্যিই, এই প্রাকৃতিক সৃষ্টি আমাদের পৃথিবীর একটি অসাধারণ রহস্য।

ষাটের দশকে বিশ্বজুড়ে হইচই ফেলে দেয়া ছবি এটি। না, এটা কোনো ফেক/এডিট করা ছবি না, বরং শতভাগ সত্য ছবি। English Electric Ligh...
30/12/2024

ষাটের দশকে বিশ্বজুড়ে হইচই ফেলে দেয়া ছবি এটি। না, এটা কোনো ফেক/এডিট করা ছবি না, বরং শতভাগ সত্য ছবি। English Electric Lightning F1 এয়ারক্রাফট থেকে ইজেক্ট করে বেরিয়ে আসছেন পাইলট জর্জ এয়ার্ড। ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৬২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। এয়ার্ড একটি গ্রীন হাউজের ছাদ ভেঙে ভেতরে পড়েন, গায়ে বিভিন্ন জায়গায় কে টে যায়, ভেঙে যায় দুই পা-ই। অবশ্য পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে তিনি আবার এই ক্যারিয়ারে ফেরত আসেন। কাকতালীয়ভাবে ছবিটি তুলেছিলেন জিম মীড। তিনি পরবর্তীতে এই ছবি ডেইলি মিররের কাছে ১,০০০ পাউন্ডে বিক্রি করেছিলেন, আজকের দিনে যা প্রায় ২০,০০০ পাউন্ড বা ২৯ লক্ষ টাকার সমান।

ট্রিস্তান দা কুনা নামের এই ভয়াবহ বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে মাত্র ২৬৪ জন অধিবাসী বসবাস করে। দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দ...
22/12/2024

ট্রিস্তান দা কুনা নামের এই ভয়াবহ বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে মাত্র ২৬৪ জন অধিবাসী বসবাস করে।
দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপটি একটি দ্বীপপুঞ্জের অংশ। দ্বীপটি নিকটতম মানব বসতি আরেকটি দ্বীপ সেন্ট হেলেনা দ্বীপ থেকে প্রায় ২,৪০০ কিলোমিটার (১,৫০০ মাইল) দূরে অবস্থিত। এটি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে প্রায় ২,৮০০ কিলোমিটার (১,৭৫০ মাইল) এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ৩,২০০ কিলোমিটার (২,০০০ মাইল) দূরে অবস্থিত। এতো নির্জন এবং বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও, এটি প্রায় ২৬০-২৭০ লোকের আবাসস্থল, যারা বেশিরভাগই "সাত সাগরের এডিনবার্গ" নামে একটি ছোট বসতিতে বাস করে।
দ্বীপটি একটি ব্রিটিশ অধ্যুষিত অঞ্চল এবং এর জনসংখ্যা ১৯ শতকে সেখানে বসতি স্থাপনকারী কয়েকটি পরিবার থেকে এসেছে। ত্রিস্তান দা কুনার জীবন কিছু সীমিত বাণিজ্য, পর্যটন এবং মাছ ধরাকে কেন্দ্রিক। দ্বীপবাসীরা তাদের স্বয়ংসম্পূর্ণতার জন্য পরিচিত, তবে তারা তাদের আমদানির কাজটি মাঝে মাঝে দক্ষিন আফ্রিকার বন্দর থেকে আসা বানিজ্যিক পণ্যবোঝাই জাহাজ প্রায় ছয় মাস পর পর আসে, সেগুলিতে করে করে থাকে! তারা অতি সীমিত ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগের রক্ষা করে চলে।
ত্রিস্তান দা কুনা তার আগ্নেয়গিরির উৎসের জন্য বিখ্যাত, যেখানে একটি বড়, কেন্দ্রীয় পর্বত শিখর রয়েছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার (৬,৭০০ ফুট) উপরে উঠে এসেছে। দ্বীপের সৌন্দর্য সত্ত্বেও, দূরত্ব, কঠোর আবহাওয়া এবং সীমিত অবকাঠামোর কারণে সেখানে জীবনযাত্রা খুবই চ্যালেঞ্জিং। দ্বীপটির কোনো বিমানবন্দর নেই, তাই এখানে পৌঁছানোর একমাত্র উপায় সমুদ্রপথ, যা নিকটতম বন্দর থেকে প্রায় ২,৮০০ কিলোমিটার দুরে, যেকারনে বেশ লম্বা সময় লাগে এখানে পৌঁছাতে! সেজন্য নিয়মিত চলাচলকারী কোন জাহাজ নাই! একমাত্র চলাচলকারী জাহাজ বছরে দুই বার যাতায়াত করে মাত্র‍!

মোটরসাইকেলে  ওভারটেকিং করার সঠিক উপায় সমূহ ও কিছু টিপস : ১. ওভারটেকিং করার সময় সতর্ক হওয়া: ওভারটেক করার সময় অবশ্যই আপনা...
04/12/2024

মোটরসাইকেলে ওভারটেকিং করার সঠিক উপায় সমূহ ও কিছু টিপস :


১. ওভারটেকিং করার সময় সতর্ক হওয়া:
ওভারটেক করার সময় অবশ্যই আপনার সামনের দিকে লক্ষ্য রাখবেন। বিশেষ করে, বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িরগুলোর দিকে নজর রাখবেন। এক্ষেত্রে আপনার স্পিড নিয়ন্ত্রণে আছে কি না খেয়াল রাখবেন। আপনার সামনের গাড়িটির খুব কাছে এসে হঠৎ জোরে টার্ন নিয়ে ওভারটেক করতে গেলে দুর্ঘটনা ঘটবে। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া, আপনার আশেপাশে থাকা রিকশা, গাড়ি বা বাসের সাথে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে সাবধানে ওভারটেক করতে হবে।

২. ওভারটেকিং করতে হর্ণ, ইন্ডিকেটর এবং পাস লাইট ব্যবহার করুন:
মোটরসাইকেল চালানোর সময় যদি দেখেন আপনার সামনে থাকা রিকশা বা গাড়িটিকে ওভারটেক করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে, তবে হর্ণ দিয়ে তাকে সিগনাল দিন। হর্ন দেবার পাশাপাশি পাস লাইটও ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে সামনের গাড়ি চালক সতর্ক হয়ে যাবে। এছাড়াও, ইন্ডিকেটর লাইট ব্যবহার করা উত্তম। খেয়াল রাখবেন, আপনার সামনে সেই চালক যদি তার চালানোর গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়, ঠিক তখনই সুযোগ বুঝে সাবধানে ওভারটেকিং করতে পারেন।

৩. ওভারটেকিং করার সময় যথাযথ দূরত্ব বজায় রাখা:
হুটহাট ওভারটেকিং করলে যেকোনো সময় বিপজ্জনক পরিস্থিতি আসতে পারে। তাই সতর্ক থাকতে ওভারটেক করার সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যক। বিশেষ করে আপনার আশেপাশে থাকা বাস, ট্রাক অথবা গাড়ির সাথে যথাযথ দূরত্ব রেখে নিরাপদে ওভারটেক করুন।

৪. মোটরসাইকেল ওভারটেকিং এর সময় রিয়ার ভিউ গ্লাসে নজর দিন:
আপনি ওভারটেক করতে যাচ্ছেন এমন সময় অন্য কোন মোটরসাইকেলও পিছন থেকে আপনাকে ওভারটেক করার চেষ্টা করতে পারে। তাই অবশ্যই, রিয়ার ভিউ গ্লাসে বিশেষ নজর রাখবেন যখনই ওভারটেক করতে যাবেন। খেয়াল রাখবেন, যে গাড়িকে ওভারটেক করছেন তার ড্রাইভার যেন আপনার উপস্থিতি টের পায়। দুর্ঘটনা এড়াতে এটি বেশ জরুরি।

৫. সুযোগ বুঝে ঠিক সময়ে ওভারটেকিং করুন
সুযোগ বুঝে এবং মোটরসাইকেলের গতি ঠিক রেখে ওভারটেকিং করা ভালো। তবে খেয়াল রাখবেন, ওভারটেক করতে বেশি সময় নেওয়া যাবে না। বেশি সময় নিলে আবার দেখা যাবে অন্য কোন গাড়ি এসে জায়গাটি ব্লক করে দিয়েছে। এর ফলে ধাক্কা লেগে যেকোন মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সুযোগ বুঝে এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে দ্রুত ওভারটেক করা নিরাপদ।

৬. যানবাহন বেশি থাকলে ওভারটেক যেভাবে করবেন
অনেক যানবাহন চলাচল করছে এমন অবস্থায় ওভারটেকিং বেশি না করাই উত্তম। এত যানবাহন থাকার ফলে ওভারটেক করার যথেষ্ট পরিমান জায়গা ও সময় থাকে না। ফলে দুর্ঘটনা হতে পারে। যেখানে যানবাহন বেশি চলাচল হচ্ছে এমন জায়গায় নিজের মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।

৭. বেশি ওজন বহনে ওভারটেকিং এ প্রভাব পরে:
সাথে কোন সহযাত্রী থাকলে বা অতিরিক্ত ওজন বহন করলে এর প্রভাব মোটরসাইকেলর পারফরম্যান্সের উপর এসে পরে। এক্ষেত্রে, মোটরসাইকেলর স্পিড কমে যায়। এমতাবস্থায়, ওভারটেকিং করতে বা ব্রেক করতে খানিকটা বেশি সময় লাগে। সুতরাং, অতিরিক্ত ওজন বহন করলে সেই হিসেবে সাবধানে মোটরসাইকেল ওভারটেক করবেন।

৮. বড় বাস ওভারটেকিং করতে সাবধান:
সাধারণত বাস বেশ দ্রুত গতিতে রাস্তায় চলাচল করে। তাই ছোট যানবাহনগুলো এদের ওভারটেক করার তেমন একটা সুযোগ পায় না। তবে বেশ কিছু বাইকাররা, রিকশা বা গাড়ি চালকেরা আছেন যারা স্পিড বাড়িয়ে বড় বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন। এতে অনেক ক্ষেত্রে তারা দুর্ঘটনার শিকারও হয়েছেন। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা আবশ্যক। বড় যানবাহনগুলোর সাথে ওভারটেকিং বিপজ্জনক হতে পারে। এতে মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে।

৯. গলিপথে ওভারটেকিং আপনার জন্য বিপজ্জনক:
গলিপথে জায়গা কম থাকার মোটরসাইকেল ওভারটেকিং আপনার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। গলিপথগুলো সাধারণত উঁচু নিচু হয়ে থাকে, তাই এমন সময় মোটরসাইকেলর গতি বাড়িয়ে ওভারটেক করার চেষ্টা করলে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। উঁচু নিচু পথ থাকার কারণে আপনার মোটরসাইকেলরও ক্ষতি হতে পারে।

১০. উল্টো দিক থেকে আসা গাড়ির দিকে খেয়াল রাখতে হবে:

১১. মাদক সেবন বা মদ্যপান করা অবস্থায় মোটরসাইকেল চালানো আইনগত অপরাধ:

১২. মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকাকালীন মোটরসাইকেল চালানো বা ওভারটেকিং করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন।

উপসংহার:
আমাদের দেশে এমন চালকেরাও আছে যারা মোটরসাইকেল ওভারটেকিং কে এক প্রকার প্রতিযোগিতা মনে করে। বিশেষ করে সেসব যুবকেরা, যারা নতুন নতুন মোটরসাইকেল চালানো শিখেছে। আবার এমনও চালকেরা আছে যাদের ধৈর্য্য অনেক কম। এরাই বেশিরভাগ সময় অতিরিক্ত স্পিড বাড়িয়ে মোটরসাইকেল ওভারটেকিং করে।
সাবধানে মোটরসাইকেল চালানো একটি বড় দায়িত্ব, কোন প্রতিযোগিতা নয়। একটি রাইডারকে অবশ্যই দায়িত্বশীল ও ধৈর্য্যশীল হতে হবে ওভারটেক করার সময়।
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, ভালো মোটরসাইকেল রাইডিং এর অভিজ্ঞতা অর্জন করা। নিরাপদে মোটরসাইকেল চালাতে হলে আপনার প্রয়োজন বেশি করে প্র্যাক্টিস করা। মোটরসাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতা আপনার যত বেশি হবে, আপনার ওভারটেকিং স্টাইল ততই ভাল হতে থাকবে। এরকম অভিজ্ঞতা অর্জন করা শুধু সময়ের ব্যাপার।

কোথাও একবার পড়েছিলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীকে কোনো এক আসরে মদ খেতে দেখে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—আপনি যে মদ খাচ্ছেন, এটা দে...
30/10/2024

কোথাও একবার পড়েছিলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীকে কোনো এক আসরে মদ খেতে দেখে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—আপনি যে মদ খাচ্ছেন, এটা দেখে তরুণ সমাজ কী শিখবে?

উত্তরে সৈয়দ মুজতবা আলী মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে বলেছিলেন, 'তোমার তরুণ সমাজকে বলে দিও—মদ খাওয়ার আগে আমি পৃথিবীর ২৩ টি ভাষা রপ্ত করেছি।'

উনাকে নিয়ে আরেক মজার ঘটনা আছে!

সৈয়দ মুজতবা আলী তখন বেশ বিখ্যাত লেখক। প্রতিদিনই তাঁর দর্শন লাভ করতে ভক্তরা বাসায় এসে হাজির হয়। একদিন এক ভক্ত মুজতবা আলীর কাছে জানতে চাইলেন, তিনি কোন বই কী অবস্থায় লিখেছেন। মুজতবা আলী যতই এড়িয়ে যেতে চান, ততই তিনি নাছোড়বান্দা। শেষে মুজতবা আলী সরাসরি উত্তর না দিয়ে বললেন, 'দেখো, সুইস মনস্তত্ত্ববিদ কার্ল গুসতাফ জাং একদা তাঁর ডায়েরিতে লিখে রেখেছিলেন, কিছু লোক আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমি কীভাবে লিখি। এ ব্যাপারে আমাকে একটা কথা বলতেই হয়, কেউ চাইলে তাকে আমরা আমাদের সন্তানগুলো দেখাতে পারি, কিন্তু সন্তানগুলো উৎপাদনের পদ্ধতি দেখাতে পারি না।'

এমনই হাস্যরসে পরিপূর্ণ ছিল এই মানুষটি।

তাঁর লেখা 'দেশে বিদেশে' পড়েছি পাঁচ পাঁচবার! কাবুল-কান্দাহারে হারিয়েছি প্রতিবার। ভ্রমণ কাহিনী কতটা আনন্দদায়ক হতে পারে তা এ বই না পড়লে বুঝতে পারতাম না।

27/10/2024

২২৮ টি দেশ নিয়ে পৃথিবী। পৃথিবী থেকে সুর্য ১৩ লক্ষ গুন বড়। ব্যাটেল জুইস একটা তারা আছে, যা সূর্যের চেয়ে ৩৩ কোটি গুণ বড়। আল্লাহু আকবর..!

প্রক্সিমা সেন্ট্রাই,আলফা সেন্ট্রাই,ব্যাটেল জুইস এরকম ৫০০ বিলিয়ন তারকা নিয়ে গঠিত গ্যালাক্সি। আল্লাহ তায়ালা কোটি কোটি গ্যালাক্সি সৃষ্টি করেছেন।
পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রতগামী যান Apollo 11.যেটা সেকেন্ডে চলে ১১ কিঃমিঃ বেগে, মিনিটে চলে ৬৬০ কিঃ মিঃ বেগে, ঘন্টায় চলে ৩৯ হাজার কিঃমিঃ বেগে,যদি কেউ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের তারকা প্রক্সিমা সেন্ট্রাই Apollo 11 তে চড়ে যেতে চায়, সময় লাগবে ১ লক্ষ ১৫ হাজার বছর। যাহা কোন ক্রমেই সম্ভব নহে।

গ্যালাক্সি, সুপার নোভা,ব্লাক হোল এগুলো ১ম আকাশ নয়, ১ম আকাশের মহাশুন্য। তারপর ১ম আকাশ। তারপর ২য় আকাশের মহাশুন্য,তারপর ২য় আকাশ। তারপর ৩য় আকাশের মহাশুন্য, তারপর ৩য় আকাশ। তারপর ৪র্থ আকাশের মহাশুন্য, তারপর ৪র্থ আকাশ। তারপর ৫ম আকাশের মহাশুন্য, তারপর ৫ম আকাশ।
৬ষ্ঠ আসমানে একটা গাছ আছে, গাছটির নাম সিদরাতুল মুনতাহা...!

বিশ্ব নবী( সাঃ) বলেছেন,তোমার আংটি যদি সাহারা মরুভূমিতে ফেলে দেওয়া হয়,বিশাল মরুভূমির তুলনায় আংটিটা যত ছোট, আল্লাহর ২য় আসমানের তুলনায় ১ম আসমান ততো ছোট। আল্লাহু আকবর.!

৭ম আসমানে আছে বিশাল সমুদ্র জগৎ ও আল্লাহর আরশ। আরশের ভিতর আছে আল্লাহর কুরশি, আল্লাহর সিংহাসন।

আল্লাহর সিংহাসন কত বড়?
আল্লাহর সিংহাসনের উপর যদি সাত আসমান, সাত জমিন রাখা হয়, বিশাল মরুভূমিতে আংটি ফেলে দিলে যেমন হারিয়ে যাবে, সাত আসমান, সাত জমিনও তদ্রূপ হারিয়ে যাবে..! আল্লাহু আকবর।

::কালেক্টেড::

🔹 কীভাবে আপনার মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ, স্মার্ট  করবেন!!◾রুবিক কিউব সমাধান করার চেষ্টা করুন এটি আপনার মস্তিষ্ক এর নিউরন ক...
26/10/2024

🔹 কীভাবে আপনার মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ, স্মার্ট করবেন!!

◾রুবিক কিউব সমাধান করার চেষ্টা করুন এটি আপনার মস্তিষ্ক এর নিউরন কে সজাগ করবে এবং আপনার মস্তিষ্ককের চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করবে।

◾নতুন নতুন কিছু পরার অভ্যাস করুন।

◾ টেড টক( TeDTalk) শুনতে ও দেখতে পারেন। এটা চিন্তা করার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

◾পরিমাণ মতো কফি পান করুন কিন্তু বেশি পরিমাণ গ্রহণ করবেন না।

◾ প্রোগ্রামিং আপনার মস্তিষ্ক এর একটি গ্রে স্তরকে বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে আপনার মস্তিষ্ক থাকবে তীক্ষ্ণ ও আপনার মন থাকবে সচল। জাবা, পাইথন দিয়ে প্রাথমিকভাবে শুরু করতে পারেন।

◾দাবা এর মতো অন্যান্য মস্তিষ্ক বিষয়ক খেলা খেলবেন।

◾ আপনার সকালের নাস্তার মাঝে সবুজ শাকসবজি, শুকনা ফলমূল, ডিম এগুলো গ্রহণ করুন। রাতে দুধ গ্রহণ করুন। আপনার নিয়মিত খাবারের মাঝে ওমেগা ৩, মাছ, নারিকেল, ও জলপায় রাখুন।

◾প্রতিদিন ৮ গ্লাস এর মতো পানি পান করুন। কিন্তু অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। অনেকেই বেশি পরিমাণ পানি পান করাকে ভালো মনে করে কিন্তু একটি ভুল ধারণা । প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান।

ভোরের শিশিরে  ঢাকা একটি ড্রাগনফ্লাই।
25/10/2024

ভোরের শিশিরে ঢাকা একটি ড্রাগনফ্লাই।

Address

Phultala
9210

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফুলতলা-রি-ইউনিয়ন হাইস্কুল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category