এইচএসসি + এডমিশনের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের সহায়ক বইসমূহ:
👌রসায়ন ১ম ও ২য় পত্র:
১/হাজারী নাগ স্যার
২/সঞ্জিত কুমার গুহ স্যার
👌জীববিজ্ঞান ২য় পত্র
১/গাজী আজমল স্যার
২/আব্দুল আলিম স্যার
👌জীববিজ্ঞান ১ম পত্র
১/আবুল হাসান স্যার
২/ আজিবুর স্যার
👌পদার্থ ১ম ও ২য় পত্র
১/আমির হোসেন স্যার
ইসহাক স্যার
২/শাজাহান তপন স্যার
👌আইসিটি
১/ মাহবুবুর রহমান স্যার
২/মুজিবুর রহমান স্যার
👌উচ্চতর গণিত ১ম পত্র
১/ অসীম কুমার সাহা স্যার
২/এস ইউ আহমদ স্যার
👌উচ্চতর গণিত ২য় পত্র
১/কেতাব উদ্দিন স্যার
২/অসীম কুমার সাহা স্যার
৩/ এস ইউ আহমদ স্যার
এরকম সহায়তামূলক তথ্য দিয়ে আপনাদের পাশে আছে
গ্রুপে পরিচিত মেম্বারদের এ্যাড দিয়ে পাশে থাকুন।কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন।ধন্যবাদ।😍😍
HSC & Admission Corner
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HSC & Admission Corner, Tutor/Teacher, hospital, Patuakhali.
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ..
🔥🔥
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ০১ এপ্রিল
বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ২২ এপ্রিল
সংক্ষিপ্ত নয়, পুরো সিলেবাসে এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সংক্রমণ বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই বিশ্ববিদ্যালয় এর ভর্তি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
-শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি ২০২১: সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী
করোনার কারণে এবছর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার ভর্তিযুদ্ধ তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নাকি সম্পূর্ণ সিলেবাসে বসবে— সেটি নিয়ে এতদিন আলোচনা-সমালোচনার পর এবার সমাধানের পথ খুলতে যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, তারা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পড়ায় তাদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এতে যদি পুরো সিলেবাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয় তাহলে তো যুক্তিযুক্ত হলো না। ন্যাযতার প্রশ্নতো সেখানে উঠেই যাবে। সে কারণে আমি ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন) সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করি একটি ইতিবাচক সমাধান হবে।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম ভবন) বেসরকারি স্কুলে ভর্তির লটারির উদ্বোধনকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চলতি বছরের এইচএসসি শেষ করা শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নাকি আগের নিয়মে হবে— এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, আগামীকাল ইউজিসির সঙ্গে অন্য একটি বিষয়ে সভা আছে সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। কারণ এবার শিক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, তাই তারা সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়েছে। তার বেশি যদি তারা পড়তে পারতো তাহলে এইচএসসি পরীক্ষার সিলেবাস আরও বড় করা যেতো। অথ্যাৎ তারা সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়তে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, তাদের যদি পুরো সিলেবাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হয় তাহলে তো যুক্তিযুক্ত হলো না। ন্যাযতার প্রশ্নতো সেখানে উঠেই যাবে। সে কারণে আমি ইউজিসি সঙ্গে বিষয়টি উত্থাপন করবো। যারা গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আছে না আর নেই— সেটি সবার জন্য প্রযোজ্য হবে। আশা করি, একটি ইতিবাচক সমাধান হবে।
©The Daily Campus
02/12/2021
অদম্য মেধাবী মুখ
ঠিকানাহীন মেয়েটার ঠিকানা হলো বুয়েটে
জীবন পরিবর্তন ১৮ ঘন্টা বা ১৮দিন কিংবা ১৮ মাসে হয় না। ১৮ বছর লাগে।
তাই শর্টকাট ভুলে শোভার আত্মজীবনীটা পড়ে দেখুন।
আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন। একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!
দিদিমার নিজের চলাই দায়
উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।
কিন্তু কোথায় যাবে মা?
অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।
আবার বিয়ের পিঁড়িতে
তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কুমিল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম!
বাবা ছিলেন উদাসীন
তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!
টিউশনি শুরু করলাম
তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন।
মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।
জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল। আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।
চোখের জল ফুরাত না
জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।
ভেবেছিলাম আর হবে না
ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সৎবাবার ঘরে ফিরে গেলাম।
দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি। এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয়। কোচিং সেন্টারের স্যাররা আবার বোঝালেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। তখন একটা বেসরকারি ট্রাস্ট থেকে অদম্য মেধাবী হিসেবে বৃত্তি পেলাম।
অবশেষে ঘর ছাড়লাম
এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।
এবার ভর্তিযুদ্ধে
এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে।
মা তখনো কাঁদছিলেন
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন। তবে এ কান্না আনন্দের!
আমার জীবন একটা কষ্টের সাগর
প্রতিমা রানী দাশ শোভার মা
বাচ্চাটারে নিয়ে অনেক কষ্ট করছি। কোনো মতে ডাইল-ভাত খাইয়া বাচ্চাটারে দাঁড় করাইচি। ম্যালা জায়গায় কাজ করচি। বাবারে তোমারে কী কমু, মালিকেরা তো বেশি ভালা না। মাইয়া মানুষ কোন জায়গায় নিরাপদ? পরে বিয়া কইরা যার কাছে আইছি হেও কষ্ট দিছে। তাও ভাবছি, যতই কষ্ট হউক শোভারে পড়ামু। বাচ্চাটা টিফিন খাইব। দিমু যে দুইডা টাকা, হেই সামর্থ্য আছিল না। আমার জীবনটা একটা কষ্টের সাগর। আমি তো কষ্ট পাইছি। শোভাও প্রচুর কষ্ট পাইছে। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাইনসের ঋণ শোধ করতে পারুম না।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
26/11/2021
মেফতাহুল আলম সিয়াম
সরকারি আজিজুল হক কলেজের কৃতি শিক্ষার্থী
BUET (১ম )
DU A unit( ১ম )
IUT( ১ম )
KUET CUET RUET (৩য় )
Dhaka Medical College (৫৯ তম )
21/11/2021
নৈর্ব্যক্তিকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক ইউনিটের ভর্তি ফলাফলঃ--
প্রথম স্থান অধিকার করে:
মেফতাহুল আলম সিয়াম
সরকারি আজিজুল হক কলেজ বগুড়া
পরিক্ষার স্কোর: ৯৭.৭৫
মোট স্কোর: ১১৭.৭৫
পরিক্ষা অঞ্চল: রাজশাহী
২য় স্থান অধিকার করে:
আসিফ করিম
চট্টগ্রাম কলেজ
পরিক্ষার স্কোর: ৯২.৭৫
মোট স্কোর: ১১২.৭৫
পরিক্ষা অঞ্চল: চট্টগ্রাম
৩য় স্থান অধিকার করে:
নিত্যানন্দ বিশ্বাস
খুলনা পাবলিক কলেজ
পরিক্ষার স্কোর: ৯১.৯৫
মোট স্কোর:১১১.৯৫
পরিক্ষা অঞ্চল: খুলনা৷
মোট পরিক্ষা দেয়:৯৪৫০৫ জন
মোট পাস করে: ১০১৬৫
পাসের হার: ১০.৭৬%
মোট সিট:১৮১৫
বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্যকেন্দ্র
21/10/2021
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী ২০২০-২১
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Hospital
Patuakhali
8600