অনুগল্পঃ বিপরীতে
তোমাকে পাওয়ার আশায় ওই এক বিকেল বৃষ্টিকে আসতে বলেছিলাম। বজ্রপাতের সেই চমকানো ধ্বনির ভাষায় বৃষ্টি আমাকে জানিয়ে দিলো,তোমাকে পেতে আমায় ঝড়ো হাওয়া হতে হবে। তারপর সেই ঝড়ো হাওয়ায় তোমাকে খুজতে খুজতে যখন আমি ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে দিগন্তে পৌছালাম,তখন এক অচেনা সুর আমাকে কানে কানে বলে গেল,
"বিভোর হয়ে খুজছো যাকে আকাশ ভাঙ্গার ডাকে,
তার মনে তো সেই রুক্ষ দুপুরের তপ্ত রৌদ্র থাকে"।
লিখনঃ অপ্র
The Sassy Gang
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Sassy Gang, Education, Patuakhali.
ফেসবুকে এক শ্রেণীর পুরুষদের মধ্যে অদ্ভুত একটা প্রবণতা লক্ষ্য করলাম। সেটা হল, আনুশকা হত্যার একমাত্র আসামী দিহানকে গ্লোরিফাই করা এবং আনুশকাকে দোষী সাব্যস্ত করার একটা প্লাটফর্ম তৈরি করার চেষ্টা করা। তাদের যুক্তি হল,
- দিহান রক্তাক্ত আনুশকাকে না লুকিয়ে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে
- দিহান আনুশকার মাকে ফোন করে খবর দিয়েছে।
- এই রুমডেটে আনুশকা সমান দোষী এবং মারা যাওয়া স্রেফ একটা দুর্ঘটনা মাত্র।
মাত্র ১৯ বছর বয়সী দিহানের টাইমলাইন ঘুরে আসুন। দেখবেন, ওর দামী মোটরবাইক, গাড়ি, বিবাহপূর্ব শারীরিক সম্পর্ক, কোকেন, শো অফ এসব নিয়েই সব পোস্ট। ওর বাবা সামান্য একজন ভূমি রেজিস্ট্রার এবং সরকার দলীয় নেতা। কিন্তু উনি কলাবাগানের সেই ফ্ল্যাটসহ অঢেল সম্পদের মালিক৷ নিশ্চিত থাকতে পারেন, উনি এই মামলাকে প্রভাবিত করবেন এবং ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা করবেন। মেডিকেল রিপোর্টগুলোও সঠিকভাবে দিবে কিনা নিশ্চিত নই। দিহানের অনেকগুলো পোস্টই গাড়ির সাথে বিভিন্ন পোজে। ওর বড়ভাই নিজ বউকে বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বিষ খাইয়ে মারার দায়ে অভিযুক্ত। পরে কোর্টের বাইরে টাকা দিয়ে কেইস ধামাচাপা দিয়েছে। দিহানকে নির্দোষ প্রমাণ করার এই চেষ্টাটাই পুরুষতান্ত্রিকতা। আর এই ঘটনাকে যারা বৈধতা দিচ্ছেন, তাদের মধ্যেই কেউ কেউ হয়ত পটেনশিয়াল ধর্ষক।
ওর পারিবারিক আবহ শুনে বুঝতেই পারছেন, দিহানের পারিবারিক শিক্ষা কোন লেভেলের। এমন নয় যে খুবই ভদ্র, মার্জিত আর শিক্ষিত এক তরুণ, যৌবনের তাড়নায় একটা ভুল করে ফেলেছে। এটা সে করেছে খুবই ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে৷ হ্যাঁ, আনুশকাকে খুন করার প্ল্যান তার ছিল না কিন্তু দিহানের তৈরি করা পরিস্থিতির প্রভাবে আর অস্বাভাবিকতায় মারা গেছে মেয়েটা।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হল, দুজনের বয়স। মিডিয়া এবং পুলিশ ১৭ বছরের আনুশকাকে ১৯ বলার চেষ্টা করেছে যাতে ধর্ষণটা মিউচুয়াল সম্পর্কে পরিণত হয়ে শাস্তিটা কমে যায়, আবার ২০-২১ বছরের দিহানকে ১৯ এর নিচে দেখাবার চেষ্টা করছে যাতে কিশোর হিসেবেও শাস্তিটা কমে আসে। দুজনকেই যথাযথভাবে মেডিকেল টেস্ট করে বয়স নির্ধারণ করা হোক। এই চেষ্টার মধ্যেও মামলাকে প্রভাবিত করার আলামত স্পষ্ট। বাকি ৩ জন বন্ধুর ছবি আর পরিচয়ও উন্মুক্ত করা হয়নি। মামলার আসামী হওয়া সত্ত্বেও দ্রুত ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এদের একজন খুবই প্রভাবশালী কারো ছেলে, যার পরিচয় মিডিয়া লুকাচ্ছে বলে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন। রক্তক্ষরণ এর ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এই কেইসটা গ্যাং রেপ হবার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। আনুশকার মা দাবী করেছেন, ৪ টা ছেলেই উনাকে জানিয়েছিল বাসা হতে এসেছে। এমনও হতে পারে, প্রভাবশালী ছেলের পরিবারের চাপে দিহান সব দায় একাই কাঁধে তুলে নিয়েছে।
আমাদের দাদী-নানীদের বিয়ে হত ১২-১৩ বছরে৷ কোনদিন এদের কেউ মারা গিয়েছে কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এমনটা শুনেছেন? ১৭ বছরের আনুশকার সাথেও সম্মতিক্রমে সম্পর্ক হলে মারা যাবার প্রশ্নই উঠত না। একটা ১৯ বছরের ছেলের মাথায় এরকম বিকৃত যৌনাচারের আইডিয়া এলো কই থেকে? ইসলাম ধর্মেও এধরণের কার্যকলাপ সম্পূর্ণ হারাম। রক্তক্ষরণ হতে একটা বিষয় পরিষ্কার যে, আনুশকা এসবে অভ্যস্ত ছিল না এবং তার আপত্তি বা প্রতিবাদ দিহান শুনেনি। কিংবা নেশাজাতীয় কিছুর প্রভাবে আনুশকা পুরো সেন্সে ছিল না। দিহানের ইতিহাস ঘাঁটলে আমি নিশ্চিত আরো বহু নারীর সাথে তার সম্পর্কের ঘটনা উঠে আসবে।
দিহান ভাবেনি, রক্তক্ষরণে আনুশকার মৃত্যু হতে পারে। তাই নিজেকে বাঁচাবার জন্যই আহত আনুশকাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে এবং মাকে কল দিয়েছে। আর সে ধর্ষক হলেও ঠান্ডা মাথার খুনী তো না। তবে দিহান যদি নিশ্চিত হত আনুশকা মারা গেছে, তবে হাসপাতালে না এনে লাশ লুকানোর ব্যবস্থা করত, কোন সন্দেহ নেই৷
যারা দিহানকে ফেরেশতা সাজাবার চেষ্টা করছেন এবং আনুশকা আর ওর পরিবারকে দায়ী করছেন, এরা দুঃখজনকভাবে দিহানের কার্যকলাপকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছেন। এভাবে খালি বাসায় একটা অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে ফুসলিয়ে নিয়ে বিকৃত লালসা চরিতার্থ করার চেষ্টা ভয়াবহ অপরাধ। এদের মা, বোন বা স্ত্রীর সাথে এমনটা হলে এরা কিন্তু আনুশকার দোষ আর খুঁজত না। পুরো দোষই চাপাত ধর্ষকের উপর।
আনুশকার পরিবারের দোষ অবশ্যই ছিল। কিশোরী মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তাদের শিক্ষা আর কৃতকর্মের মধ্যে কিছু ভুলও ছিল। কিন্তু এজন্য কি তারা মেয়ের রক্তাক্ত লাশ ডিজার্ভ করে?
দিহানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এতে অন্যান্য দিহানরাও সতর্ক হয়ে যাবে। আর আনুশকাদের বাবা মায়েরা কি এই ঘটনা হতে কিছু শিখবেন বা নিজেদের বদলাবেন?
আনুশকার বাবার জন্যেও খারাপ লাগছে। আনুশকা ওর বাবাকে দুপুর ১২-১৯ মিনিটে শেষ কল দিয়েছিল, সম্ভবত দিহানের ফ্ল্যাট হতেই, যা ওর বাবা অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে ধরতে পারেননি৷ এই ব্যস্ততা কি মেয়ের জীবনের চাইতেও জরুরী ছিল? হয়ত সেই ফোনে আনুশকা ওর বাবাকে জীবন বাঁচানোর জন্য আকুতি জানাত... কিংবা দিহানদের হাত হতে রক্ষা করতে অনুরোধ করত.... এরপর হয়ত ওর কাছ হতে ফোন কেড়ে নেয়া হয়...। খুব ইমার্জেন্সি কিছু না হলে কি একটা মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ড এর বাসা হতে বাবাকে কল দেয়?
ঘন্টাখানেক পরেই মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পান উনি। মেয়ের এই শেষ কলটা রিসিভ না করার আফসোস উনার কি সারাজীবনে যাবে? এই আক্ষেপ কি উনাকে আমৃত্যু তাড়িয়ে বেড়াবে না!!
©Atique Ua Khan
03/12/2020
"শুন কি হইসে!
আমার ক্লাসিক মোড চলে গেসে!"🥺🥺
হাত তুলেন যাদের ক্লাসিক মোড চলে গেসে, ক্লাসিক মোডকে মিস করতেসেন, ফিরে পেতে চান! (যদিও পাবেন কিনা আর শিওর না) 🥴
যেখানে আব্বা ডেকেও মাফ পাওয়া যায় না সেখানে এই কালো ছবি রেপিস্টদের বোধোদয় ঘটাবে?
বুঝতে পারছি এটা প্রতীকী প্রতিবাদ।
Sorry to say, this protest is too sophisticated for the ra**st to understand it’s meaning.
ইউরোপ আমেরিকানদের জন্য ঠিক আছে কিন্তু আমাদের দেশী রেপিস্ট দের মাথায় কয়েক ইঞ্চি উপর দিয়ে চলে যাবে এই জিনিস।
ওরা এইসব ক্লাসি জিনিস বুঝবে না।রেপিস্টরা তখনই বুঝবে যখন প্রতিবাদটা ওদের ভাষাতেই করা হবে।
কালো ছবির মানে নিজেকে নাই করে দিয়ে পুরুষকে বোঝার সুযোগ দেয়া যে নারীবিহীন পৃথিবী কেমন হবে।
নাই করে বোঝাতে হবে কেন?
বরং জোর গলায় আওয়াজ তুলে বোঝাতে হবে, আমি আছি, আমি আছি।
এই পৃথিবী যতটুকু তোমার ঠিক ততটুকুই আমার।রেপিস্ট বিহীন নিরাপদ দেশ আমার অধিকার।
অন্ধকারে যেয়ে নয় আলোতে বেরিয়ে এসে বলি
রেপিস্ট এর মৃত্যুদণ্ড চাই.........!
মানুষ হিসেবে আমি আমার সামাজিক নিরাপত্তা চাই.....
ময়দান ছেঁড়ে দিয়ে নয় যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে বোঝাই আমি আছি।
দস্যু ফুলনদেবী নিজের ২৩ জন রেপিস্ট কে নিজ হাতে গুলি করে মেরেছিলো।
This is called প্রতিবাদ.......🙂
Credit : রাখি নাহিদ
05/10/2020
"আব্বাগো, তোর আল্লাহর দোহাই লাগে, ছাড়ি দে" শুধুমাত্র একজন নারীর আর্তনাদ নয়, বিবস্ত্র শুধুমাত্র একজন নারী হন নি।আজ গোটা বঙ্গমাতা বিবস্ত্র। ধিক্কার জানাই সেসব নরপশুদের যাদের কাছে শিশু থেকে বৃদ্ধা কেউ নিরাপদ নয়। মেয়েদের নিরাপত্তা তুমি কবে নিশ্চিত করতে পারবে প্রিয় বাংলাদেশ?
💔
মনে হচ্ছে এই দিন দুনিয়ার আমি একলাই বেকার, আর আমার লিস্টের সবাই হইলো বিজনেসম্যান.. সবাই অনলাইন বিজনেস করতেসে আর আমি শুধু অর্ডার করি... 🤦♀🤦♀🤦♀
#লাড্ডু
সুইসাইড বা আত্মহত্যা!
মানুষকে আসলে দূর থেকে যাচাই করা অনেক সহজ। কিন্তু কাছ থেকে তাকে বুঝে তার পাশে দাড়ানোর মতো মানুষ,তাকে সাপোর্ট দেয়ার মতো মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। কখনো কি ভেবে দেখেছি আমরা যে একটা মানুষ কতটা নিরুপায় হলে নিজের জীবন শেষ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়???
আপনারা কি জানেন পরিবারও কিন্তু কিছু অংশে আত্নহত্যার জন্য দায়ী??৷ আমাদের তথাকথিত সমাজ ব্যবস্থাই এমন যে নিজের সিদ্ধান্ত গুলো পরিবারের ছোট অন্য সদস্যের উপর চাপিয়ে দেয়াটাকে মনে করি দায়িত্ব। কখনো কি ভেবে দেখেছি যে যেই মানুষটার উপর চাপিয়ে দিচ্ছি,যাকে জোর করছি অধিকার নামক অজুহাত দিয়ে,তারও তো কিছু বলার থাকতে পারে,কিছু চাওয়ার থাকতে পারে।
আর যদি ছোটরা সেই বিষয়ে কিছু বলতে যায়,অথবা প্রতিবাদ করতে যায়,তাহলেই সে হয়ে যাবে বেয়াদব, অসভ্য, আরও কত কি!
আমি আবারও বলছি,বড় হলেই যে সব সময় আপনিই সঠিক,এমন নাও হতে পারে,অন্যদের কথার গুরুত্ব দিতে শিখুন।সবারই নিজের মতো বাচার বেচে থাকার অধিকার আছে।
আর কতো! আমাদের ও একটু বাচতে দিন। অনেক তো হলো জোর করে নিজের সিদ্ধান্ত গুলো চাপিয়ে দেয়া।
আমরা চাই না আর কোনো জীবন আপনাদের খামখেয়ালীর কারণে সময়ের আড়ালে হারিয়ে যাক। 🙃🙃
#অপ্র
মানুষ ক্যামনে রাস্তার মধ্যে দাড়াইয়াও টিকটিক করে রে ভাই??
আমার ত সেল্ফি তুলতে গেলেও লজ্জা লাগে... 🙄🙄🙄🙄🙄
#বাল্মিকী
লেখা এবং এডিটঃ আতিফা জান্নাত অর্পা 🌸
কন্ঠ এবং ছবিঃ ফারজানা শারমিন সূচি 🌸
যোহর এর নামাজ পড়ে আসার পর টুপি মাথায় ছেলেদের যে কি অদ্ভুত রকমের সুন্দর লাগে তা তারা নিজেরাও জানেনা... 😍😍😍
#পারুলতা
30/07/2020
খুব কষ্ট 🙂🙂🙂🙂🙂🙂🙂🙂🙂🙂
30/07/2020
ক্রাশ কে মেনশন করে পালিয়ে যান 😅😅🙆
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Patuakhali