الَّذِیۡنَ یُؤۡمِنُوۡنَ بِالۡغَیۡبِ وَ یُقِیۡمُوۡنَ الصَّلٰوۃَ وَ مِمَّا رَزَقۡنٰہُمۡ یُنۡفِقُوۡنَ ۙ﴿۳﴾
আল্লাযীনা ইউ’মিনূনা বিলগাইবি ওয়াইউকীমূনাসসালা-তা ওয়া মিম্মা-রাঝাকনা-হুমইউনফিকূ ন।
যারা অদৃশ্য বিষয়গুলিতে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সালাত প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যে উপজীবিকা প্রদান করেছি তা হতে দান করে থাকে ।
Message Of Holy Quran
This is an Islamic page created for reciting the Qur'an
16/08/2022
আল্লাহ আপনি আমাদেরকে কবুল করুন 🤲🤲
সূরা আত-ত্বুর | Everyone will listen to the end
Sura Al-Fil | Bangla translation | Recited By Saifuddin Ahmed
https://youtube.com/c/MessageofHolyQuran
Sura Ar-Rahman | Bangla translation | Recited By Saifuddin Ahmed |
➡https://youtube.com/c/MessageofHolyQuran
সূরা আল জ্বিন | বাংলা অনুবাদ সহ | Recited By Saifuddin Ahmed
➡https://youtube.com/c/MessageofHolyQuran
ফাতিহা' শব্দের অর্থ শুরু, আরম্ভ, উদ্বোধন, উদঘাটন প্রভৃতি। কুরআনুল কারিমের ১১৪টি সূরার মধ্যে প্রথম সূরাটি হলো সূরাতুল ফাতিহা। আর এ জন্য সূরা ফাতিহাকে 'ফাতিহাতুল কুরআন' বা কুরআনের শুরু বলে অবহিত করা হয়
➡️ মুসলমান বা মুসলিম (আরবি:مسلم-অর্থ: আত্মসমর্পণ, অনুগত)[২৯] হলো সেই লোক যে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে ৷[৩০] তবে বর্তমানে মুসলিম বলতে একেশ্বরবাদী ইব্রাহিমীয় ধর্ম ইসলামের অনুসারিদের বা ইসলাম পালনকারীদের বুঝানো হয় বা যারা ইসলামের অনুসরণ করে তাদের মুসলমান বা মুসলিম বলা হয়। মুসলমানেরা তাদের পবিত্র গ্রন্থ কুরআনকে আল্লাহর বাণী বলে মনে করে যা ইসলামের নবী ও রাসূল মুহাম্মদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে। সকল মুসলমানরা ঐতিহ্যবাহী বিবরণীতে বর্ণিত মুহাম্মদের শিক্ষা (সুন্নাহ) ও হাদিস অনুসরণ করে। মুসলিম আরবি শব্দ যার বাংলা অর্থ আত্মসমর্পণকারী এবং এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে মুসলিম ও মুসলমান দুটি শব্দই সমান ভাবে ব্যবহার হয়।
➡️ লাইলাতুল কদরের আমল ও ফজিলত
হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ একটি রাত ‘লাইলাতুল কদর। কেউ কেউ এ রাতকে শবে কদর হিসেবে জানে। এ রাতের যে কোনো আমলই হাজার মাসের আমল থেকে শ্রেষ্ঠ। এ জন্য রাতটি মর্যাদার বা সৌভাগ্যের। তাইতো মহান আল্লাহ এ রাতটিকে ‘লাইলাতুল কদর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কদর নামে একটি সুরা নাজিল করেছেন। এ রাতের বৈশিষ্ট্য ও ফজিলত বর্ণনা করেছেন। কী সেই ফজিলত ও মর্যাদা
আল্লাহ তাআলা লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও মর্যাদা ঘোষণা করে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ (কদর) রাতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদরের (মর্যাদার) রাত কী? মহিমান্বিত কদরের রাত হলো হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম) তাদের প্রভুর অনুমতি ও নির্দেশ সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন। সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে ফজর পর্যন্ত।’ (সুরা কদর)
এ রাতে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে। এ কারণে আল্লাহ তাআলা এ রাতের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন। উম্মতে মুহাম্মাদিকে হাজার মাসের ইবাদত-বন্দেগি ও আমলের সাওয়াব দান করা হবে। কুরআনুল কারিমের অন্য স্থানে এ রাতটিকে বরকতময় রাত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
حم وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ - إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ - فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ - أَمْرًا مِّنْ عِندِنَا إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ - رَحْمَةً مِّن رَّبِّكَ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
হা-মীম। শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। আমি একে (কুরআন) এক বরকতময় রাতে নাজিল করেছি। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা দুখান : আয়াত ১-৬)
কুরআন নাজিলের কারণে মর্যাদার এ রাতের কথা উল্লেখ করার পর যে মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে সে মাসের কথাও আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে উল্লেখ করেছেন এভাবে-
‘রমজান মাস! যে মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)
আয়াতুল কুরসির ফজিলতঃ-
১। বিশিষ্ট সাহাবায়ে রাসুল হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূল (সাঃ)বলেছেন যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের শেষে আয়াতুল কুরসী পড়বে তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না।
২। আয়াতুল কুরসী পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে ৭০ হাজার ফেরেস্তা চতুর্দিক থেকে তাকে রক্ষা করে। আর এটি পড়ে বাড়িতে ঢুকলে বাড়িতে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারে না।
৩। আর একটি বর্ণনায় আছে যে ব্যক্তি রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করে ঘুমায়, তারফলে আল্লাহ তা’আলা তার মাথার কাছে এমন একজন পাহাড়াদার ফেরেশতা নিযুক্ত করেন যে সারারাত তাকে পাহারা দেয় এবং জীন ও শয়তানের অনিষ্ট হতে তাকে হেফাজত করেন।
৪। রাবি নিজের বর্ণনায় বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসী আমল করে তার মাল সম্পদে ফুঁক দেয় তাহলে আল্লাহতায়ালা তার ওই সম্পদ সমস্ত প্রকার ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন।
৫। আয়াতুল কুরসী পড়ে ঘুমালে সারারাত একজন ফেরেশতা তাকে পাহারা দেয় এবং আল্লাহ্ তার ঘর প্রতিবেশীর ঘর এবং আশেপাশের সব ঘরের শান্তি বজায় রাখেন।
৬। মর্যাদাসম্পন্ন মহান আয়াত সম্পর্কে হজরত আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ (রা:)রাসূল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন হে আল্লাহর প্রিয় রাসূল (সাঃ) আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে, রাসূল (সাঃ)বলেছেন আয়তুল কুরসী।
৭। এই আয়াতটি ওযুর পর পাঠ করলে আল্লাহর নিকট সত্তরগুন মর্যাদা বৃদ্ধি লাভ করে।
৮। আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে আল্লাহ তাদের জন্য আটটি জান্নাতের সবগুলো দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সুযোগ দেবেন।
আল্লাহ পাক আমাদের তাঁর দেখানো পথে চলার ও তাঁর নির্দেশিত কাজ করার তৌফীক এনায়েত করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Patuakhali