জীবনে শেষ অধ্যায়

জীবনে শেষ অধ্যায় পাশে থেকো চির দিন

15/11/2025
15/09/2025

মানুষ ভাবে আমি হয়তো ভালো আছি, সুখে আছি, হাসিখুশি আছি- কিন্তু এই মুখের আড়ালে কতটা কান্না লুকানো আছে সেটা কেউ জানে না। একমাত্র আল্লাহই জানেন আমি কেমন আছি, কীভাবে বেঁচে আছি। দিনের পর দিন বুকের ভেতর কষ্ট জমে থাকে, কিন্তু কাউকে কিছু বলার সাহস পাই না। মানুষ শুধু আমার বাহিরটা দেখে, ভেতরের ভাঙা মানুষটা কেউ দেখে না। হাসি দিয়ে সবাইকে ফাঁকি দিই,
কিন্তু রাতে যখন একা হই, তখন নিজের সাথে লড়াই করি। এই জীবনের কষ্ট, দুঃখ, একাকিত্ব- সব আল্লাহর কাছে জমা রাখি। কারণ আমি জানি, মানুষের চোখে আমার যন্ত্রণা ধরা না পড়লেও, আমার রব সব দেখেন, সব জানেন এই ভাঙা মন নিয়ে প্রতিদিন বেঁচে থাকার যে শক্তি পাই, সেটাও তাঁর ইচ্ছায়। সত্যিই, আমি কেমন আছি, কীভাবে বেঁচে আছি- সেই উত্তরটা শুধু আল্লাহই জানেন...!

10/09/2025

যারা আমার গুরুত্ব দেওয়াকে দুর্বলতা ভেবে নেয়, তাদের জানা নেই—
বিদায় দেওয়ার বেলায় আমি কতটা দক্ষ ।
আমি ভালোবাসি, সম্মান করি,হৃদয়ের দরজা খোলা রাখি"
-প্রচুর সুযোগ দিই বদলানোর, ফেরার" কিন্তু যখন প্রতিদান আসে শূন্যতায়— আমি আর বাঁধন জড়াই না ৷
সেই মানুষটিকে আমি মুক্ত করে দেই, আমার ভালোবাসার মায়ার শেকল থেকে । কারণ আমি জানি—
যে হৃদয় আমার মূল্য বোঝে না, সে আমার পথে থাকার যোগ্যও নয় ৷

10/09/2025

সুতো ছিড়া ঘুড়ির মতোই হতাশ আমি, কোথায় শেষ গন্তব্য নিজেও জানিনা!
মানুষ যখন দিশাহারা হয়, তখন নিজেকে মনে হয় সুতো ছিড়া ঘুড়ির মতো—যার নেই কোনো নিয়ন্ত্রণ, নেই কোনো স্থিরতা। ঠিক তেমনই হতাশ মানুষ নিজের গন্তব্যও খুঁজে পায় না। একসময় ঘুড়ি যেমন আকাশে ভেসে ভেসে অদৃশ্য হয়ে যায়, তেমনি দিশাহীন জীবনও হারিয়ে যায়
অন্ধকারে।

09/09/2025

আজকাল জীবন থেকে কেউ হারিয়ে গেলে আফসোস করি না, আজকাল নিজেকেই বলে সান্ত্বনা দেই যে, যার সাথে আমার যতটুকু পথযাত্রা লেখা আছে সে ততটুকু রাস্তাই আমার সাথে হাঁটবে,
মাঝপথে আলাদা রাস্তায় ঢুকে পড়লে আমি আর আশ্চর্য হই না ।
কারণ চির বাস্তব হলো মানুষ তার পছন্দের জায়গায় ছুটে যাবেই।
কে চলে গেলো; কেনো চলে গেলো, এসব কারণ আর খোঁজা হয়না।
আমার সাথে তার এতটুকুই পথচলা ছিলো আমি এটাই বিশ্বাস করি, মেনে নেই।
সবাই তার গন্তব্যস্থল খুঁজে পাক। আমিই কারো শেষ গন্তব্য হবো এটা জরুরী না!

07/09/2025

যদি হঠাৎ নিশ্বাস থেমে যায়
মাঝে মাঝে রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। ঘরের ভেতর নিঃস্তব্ধতা, ছোট্ট একটা এ সি চলছে মাথার উপরে। চারপাশে শুধু অচেনা মুখ-সবাই ঘুমাচ্ছে। তবুও বুকের ভেতর একটা চাপা কান্না, একটা অজানা ভয়...
"মাঝে মাঝে অনেক ভয় হয়, এই প্রবাসের মাটিতেই যদি নিঃশ্বাসটা বন্ধ হয়ে যায়?" এই কথাটা মাথায় ঘুরপাক খায়। এই দেশে তারা কেউ না- না কারো ছেলে, না ভাই, না বন্ধু ।

কাজের মানুষ, বেতনভোগী, আর কিছু না। জ্বর হলে কেউ গায়ে হাত রাখে না ।এক গ্লাস পানি হাতে তুলে দিবে না দেয়ার মতো কেউ নেই,। সেটা নিজের হাতে তুলে খেতে হবে..
দেশে -মা এখনো ভাবে- ছেলে বুঝি সুখেই আছে।
কিন্তু তারা জানে না- এখানে কেউ পাশে বসে জিজ্ঞেস করে না, "খেয়েছিস তো?" সারা দিন কাজ করে আসার পর মাজাটা প্রচুর ব্যাথা করে নিজেই নিজের হাত দিয়ে মুভ নিতে হয় হাতে ঠিক ঠাক মতো না পেলেও। একদিন কাজ করতে করতে হঠাৎ বুকে ব্যথা উঠেছিল মাথাটা হঠাত করে ঘুরতে ছিল তখন চোখের সামনে সব অন্ধকার দেখতে ছিলাম মনে মনে ভাবলাম যাই বাথরুমে গিয়ে মাথায় একটু পানি দিয়ে আসি । যেই কথা সেই কাজ চলে গেলাম বাথরুমে পানি দিয়ে আসার সময় হঠাৎ করে চোখে সামনে দেখি সব অন্ধকার হয়ে আসছে আর ছোট ছোট পোকা উড়ছে আর কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাথা ঘুরে বাথরুমে কোনায় পরে যাই । কিছুখন পরে গেয়ান ফিরে আসে। তার পর সেখান থেকে রুমে ফিরে এসে শুয়ে পরি। কোনো বন্ধু ছিল না সবাই ঘুমাচ্ছিল। পরে কিছু না খেয়েই শুয়ে পড়েছি রুমে এসে। তখন একটাই কথা মনে হচ্ছিল- "এখানে যদি মরে যাই, কে জানবে? " অনেকেই বলে, "প্রবাস মানে স্বপ্নের জীবন..." কিন্তু বাস্তবতা হলো- প্রবাস মানে, এমন একটা জীবন, যেখানে মানুষ দিন রাত- এক করে ফেলে,..??
আজও সে কাজে যায়, হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক মাথা টুপি, ৷ কিন্তু তার ভেতরে লুকানো সেই ভয়টা- আজও রয়ে গেছে আগের মতো: "যদি হঠাৎ নিঃশ্বাস থেমে যায়,
এই অচেনা দেশে কেউ বুঝবে তো, আমি একা ছিলাম...!

07/09/2025

একটু মানসিক শান্তির খোঁজে কত ছোটাছুটি করেছি। যখন ভেবেছি এখানে শান্তি আছে আর কিছুর দিকে তাকাইনি। কিন্তু একটা সময় পর বুঝি ভাবনা ভুল।
ঠোকর খেতে খেতে এমন প্রান্তে এসে পৌঁছে গেছি যেখানে মানসিক অশান্তির কারখানা! অতঃপর একটু যত্ন স্নেহ মানসিক শান্তির লোভে পথভ্রষ্ট দিশেহারা হয়েছি। মানসিক শান্তিটা আসলে কোথাও গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়না। মানসিক শান্তি নিজের কাছেই থাকে কিন্তু আমরা অবগত থাকিনা। আমরা বুঝতে পারিনা।
যখন কারো থেকে কোনো প্রত্যাশা থাকেনা। যখন কেউ অন্যায় করলে প্র'তি`শোধ নেওয়ার ইচ্ছা জাগে না। যখন এমন মনোভাব তৈরী হয় যেনো আমার কোনো কিছুতেই কিছু যায় আসেনা! তখন মানসিক শান্তির আত্মসমর্পণ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকেনা।

26/08/2025

মানুষ ভাবে আমি হয়তো ভালো আছি, সুখে আছি, হাসিখুশি আছি— কিন্তু এই মুখের আড়ালে কতটা কান্না
লুকানো আছে সেটা কেউ জানে না।একমাত্র আল্লাহই জানেন আমি কেমন আছি, কীভাবে বেঁচে আছি।দিনের পর দিন বুকের ভেতর কষ্ট জমে থাকে, কিন্তু কাউকে কিছু বলার সাহস পাই না।মানুষ শুধু আমার বাহিরটা দেখে, ভেতরের ভাঙা মানুষটা কেউ দেখে না।হাসি দিয়ে সবাইকে ফাঁকি দিই, কিন্তু রাতে যখন একা হই, তখন নিজের সাথে লড়াই
করি।এই জীবনের কষ্ট, দুঃখ, একাকিত্ব— সব আল্লাহর কাছে জমা রাখি।কারণ আমি জানি, মানুষের চোখে আমার যন্ত্রণা ধরা না পড়লেও, আমার রব সব দেখেন, সব জানেন এই ভাঙা মন নিয়ে প্রতিদিন বেঁচে থাকার যে শক্তি পাই, সেটাও তাঁর ইচ্ছায়।সত্যিই, আমি কেমন আছি, কীভাবে বেঁচে আছি— সেই উত্তরটা শুধু আল্লাহই জানেন...

20/08/2025

দুঃখ বলতে বুঝি বাবার শূন্য পকেট,মায়ের অসুখ আর তোমার চলে যাওয়া!

20/08/2025

যত বেশি কষ্ট, তত বেশি স্ট্রং। যত বোকামি, তত শিক্ষা! যত বিশ্বাস, তত চেনা!🖤

16/08/2025

মাঝে মাঝে এমন কিছু মুহূর্ত আসে,
যখন বুকের ভেতরটা
হাহাকার করে ওঠে। কান্না চেপে রাখতে রাখতে চোখের কোণটা ভিজে যায়, অথচ মুখে হাসি ধরে রাখতেই হয়- কারণ সবাই ভাবে তুমি ঠিক আছো। বলা যায় না কিছুই, বোঝানো যায় না কষ্টটা
কারণ কেউ শুনতে চায় না, কেউ বোঝার চেষ্টাও করে না। সবাই শুধু দেখে তুমি কতটা শক্ত, অথচ কেউ জানে না সেই শক্ত হয়ে থাকার পেছনে কতটা ভাঙা পড়ে থাকতে হয় প্রতিদিন।
কিছু অনুভূতি আছে-যা শব্দে বলা যায় না, শুধু অনুভব করা যায় নিঃশব্দে।

13/08/2025

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জনের জন্য পরিশ্রম, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাস অপরিহার্য। তবে সেই মানুষটির সংগ্রাম সবচেয়ে কঠিন, যে শূন্য থেকে শুরু করে একদিন সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়। শূন্য থেকে ওঠে আসা একজন পুরুষ জানে, সাফল্যের রাস্তাটা এতটা সহজ নয়। কারণ তার পেছনে থাকে না কোনো পরিবারিক জোর, আর্থিক শক্তি, কিংবা সামাজিক অবস্থানের সুবিধা—থাকে কেবল নিজের শ্রম, স্বপ্ন, আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি।
শূন্য মানে শুধুই অর্থনৈতিক দারিদ্র্য নয়— মানসিক, সামাজিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাও এই শূন্যতার অংশ। একজন মানুষ যখন জীবনের শুরুতেই সবকিছু হারায় বা কিছুই না পায়, তখন তার জন্য প্রতিটি পদক্ষেপ হয়ে ওঠে যুদ্ধের মতো। লেখাপড়া, পেশা গঠন, সমাজে টিকে থাকা —সব জায়গায় তাকে লড়তে হয় দ্বিগুণ৷
এই লড়াই তাকে মানুষ করে তোলে। পরিশ্রমের মূল্য সে জানে, ব্যর্থতার স্বাদ সে চেনে। তাই সাফল্য তার কাছে হয়না শুধুই অর্জন—তা হয়ে ওঠে জীবন যুদ্ধের এক রক্তাক্ত বিজয়।
বিশ্বের বহু সফল মানুষের জীবনগাথা এটাই প্রমাণ করে যে, শূন্য থেকেই অনেকেই শিখরে পৌঁছেছেন। যেমন আব্রাহাম লিংকন, এ.পি.জে. আব্দুল কালাম, কিংবা বাংলাদেশের নিজস্ব প্রেক্ষাপটে অনেক উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। তারা কেউ রূপকথার জাদুতে নয়, কঠোর পরিশ্রম ও আত্মনির্ভরতায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত
করেছেন।
এইসব পুরুষেরা আমাদের শিখিয়ে দেন—পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, যদি মন ঠিক থাকে, লক্ষ্যে অটল থাকা যায়, তবে শূন্য থেকেও শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।
শূন্য থেকে উঠে আসা একজন পুরুষের গল্প কেবল একজন মানুষের নয়; এটি হাজারো মানুষের অনুপ্রেরণা। সমাজের উচিত এই ধরনের মানুষের সংগ্রামকে সম্মান জানানো, তাদের সহায়তা করা, এবং তাদের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া। কারণ তারাই দেখিয়ে দেন—"যেখানে ইচ্ছা, সেখানে পথ।

Address

ওয়ার্ড নং/১, , গ্রামঃ শতকর, , ডাকঘরঃ বেতমোর, , ২নং রায়হানপুর ইউনিয়ন, থানাঃ পাথরঘাটা, , জেলাঃ বরগুনা।
Patharghata
8721

Opening Hours

Monday 09:00 - 14:00
Tuesday 09:00 - 14:00
Wednesday 09:00 - 14:00
Thursday 09:00 - 14:00
Saturday 09:00 - 14:00
Sunday 09:00 - 14:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জীবনে শেষ অধ্যায় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category