"কল্পনায় যা খুব কাছে আসে ,বাস্তবতায় তা অনেক দূরে থাকে।। সফলতা পেতে হলে প্রয়োজন পরিকল্পনা, সাধনা ও পরিশ্রম।।"
প্রতিভা
"জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হও"
★সমাস চেনার সহজ উপায়★
স্কুলে যখন ‘সমাস' পড়ানো হত, তখন স্যারেরা একটু
দুষ্টুমী করেই বলতেন ‘সমাস‘ শিখতে নাকি ছয় মাস
লাগে।
যদিও কথাটি দুষ্টামীর ছলে বলা কিন্তু কথাটি
একটু বেশিই সত্যিই। ৬ মাস তো দূরে থাক ৬
বছরেও শিখা হলো না কোনটা কোন সমাস।
দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা,
দ্বিগু শব্দের “দ্বি ” মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে
“দ্বি ” আছে না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি
ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলে
যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে
সেটাকেই “দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন
পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছা
শতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎ
প্রথমেই আছে “শত ” মানে একশ, যা একটি
সংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে
ত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস।
কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবার
যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যত
উদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে
নিন।
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি আসে
পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে “যে /
যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন:
চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে
‘যে চালাক সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি
আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয়
সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেই
প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপী
কর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন,
মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের
পদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করে
বললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায়
সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ
সিংহাসন - কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন এখানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘ বাক্যটি থেকে মাঝখানের
“চিহ্নিত ” শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ
“চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয় “সিংহাসন “।
যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটি
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেন
জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটি
হবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র –
কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায়
অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন
“তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানে
সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটি
তুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।
একইভাবে “কাজলকালো “এটিও উপমান
কর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালো
রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএব
এটি উপমান কর্মধারয়। এটি অন্যভাবে ও মনে
রাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন
তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আর
শুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালো
শব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective।
অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবে
না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ –
কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি।
সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি
কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহ
হতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউ
কারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা
যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা
যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কি
কখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো
মুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত
হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার
মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি
উপমিত কর্মধারয় সমাস।
এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানে
Noun+ Noun. যেমন - পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও
সিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun।
একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun
। অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+
Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস সমাসের এই পর্বের
সাথে আমার “বাংলা ব্যাকরণ – ধ্বনি ও বর্ণঃ
সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী ” নাম ও শিরোনামে
লেখাটি দেখে রাখবেন। ঐ পর্বটি
চ্যালেঞ্জিং পর্ব ছিল।অর্থাৎ ঐ নোটের
বাইরে একটি প্রশ্ন ও হবেনা।
বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুব
সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়।
যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস?
বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় “বিষাদ রুপ
সিন্ধু “। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব
এটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -
মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ও
রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।
বাংলা ব্যাকরণ এর নিয়মানুসারে ব্যাকরণ বুঝতে
গেলে বিসিএস বা অন্য কোন চাকরির জন্য আর
প্রস্তুতি নেয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। কারণ
বইতে যে ভাষায় ব্যাখ্যা করা আছে তা বুঝা আর
এভারেস্ট জয় করা সমান কথা। তাই চেষ্টা
করলাম সহজ ভাষায় উপস্থাপন করতে।
(Collected)
"ভালো লাগলে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাবেন।"
#কলেজ ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, কলেজ পছন্দ না হলে করণীয়
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফলাফল ২০১৭
২০১৭ সালের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আজ থেকে শুরু হচ্ছে।ইতোমধ্যে গ্রুপে অনেকেই নানা রকম শত শত প্রশ্ন করছেন। তাদের জন্য এই পোষ্টটি ছোট একটি ভুলে মিস করতে পারেন আপনার পছন্দের কলেজে ভর্তি। সঠিক দিক নির্দেশনা না পাওয়ায় অনেকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বড় ভুল করেন।
নিচে গ্রুপের এর পক্ষ থেকে আপনাদের প্রশ্নগুলো ও তাদের উত্তর তুলে ধরা হল:
১. আমাকে যে কলেজ দেওয়া হয়েছে উক্ত কলেজ পছন্দ না এখন কি করবো?
আপনার কলেজ পছন্দ না হলেও প্রথমে উক্ত কলেজেই ভর্তি হতে হবে। এরপর আপনি মাইগ্রেশনের জন্য আবেদন করলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে নতুন পছন্দ করা কলেজে ভর্তি হতে পারবেন।
২. আমাকে যে কলেজে দেওয়া হয়েছে সেটা পছন্দ না, তাই মাইগ্রেশন করতে চাচ্ছি, মাইগ্রেশন করতে হলে কি আমাকে ১৮৫ টাকা পাঠাতে হবে নাকি মাইগ্রেশনের জন্য আবেদন করতে হবে?
আপনি মাইগ্রেশন করতে চাইলেও প্রথমে আপনাকে শিক্ষাবোর্ড থেকে দেওয়া কলেজে ভর্তি হতে হবে, অর্থাৎ 185 টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সেটা সম্পন্ন করে প্রথমে শিক্ষাবোর্ডের দেওয়া কলেজে ভর্তি হতে হবে। এরপর মাইগ্রেশনের আবেদন করতে হবে। মাইগ্রেশনের নিয়ম ইশিখনে শিঘ্রই পোস্ট করা হবে।
৩. মাইগ্রেশন কিভাবে করবো?
মাইগ্রেশন এখন করতে পারবেন না, আগামী ৯ তারিখ থেকে মাইগ্রেশন শুরু হবে, তখন আমরা গ্রুপে ও ওয়েবসাইটে মাইগ্রেশনের নিয়মসহ বিস্তারিত পোস্ট করবো। কিন্তু মাইগ্রেশনেরে আগে সবাইকে অবশ্যই শিক্ষাবোর্ডের দেওয়া কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
৪. মাইগ্রেশন করার পর যদি নতুন কলেজে না আসে, তাহলে কি আগের কলেজে ভর্তি হতে পারবো?
আপনি তো আগের কলেজে অলরেডি ভর্তি থাকবেন। মাইগ্রেশনে আবেদনকৃত কলেজে যদি চান্স না হয়, তাহলে আপনার আগের কলেজ বহাল থাকবে। কিন্তু যদি নতুন কলেজে চান্স হয়, তাহলে আগের কলেজে ভর্তি বাতিল হবে এবং উক্ত কলেজে পুনরায় আসার সুযোগ থাকবে না।
৫. মাইগ্রেশনের আগে কি আমাকে শিক্ষাবোর্ডের দেওয়া কলেজে ভর্তি হতে হবে?
জি, অবশ্যই আপনাকে আগে উক্ত কলেজে ভর্তি হতে হবে। এরপর আগামী ৯ তারিখ থেকে মাইগ্রেশন শুরু হবে তখন মাইগ্রেশন করে পছন্দের কলেজে যেতে পারবেন।
৬. মাইগ্রেশনে আমি কি আগের কলেজগুলো দিতে পারবো নাকি নতুন কলেজ? মাইগ্রেশনে কয়টা কলেজ দেওয়া যাবে।
আগের কলেজগুলোতে যেহেতু আসে নি, তাই মাইগ্রেশনে নতুন কলেজ দেওয়ায় ভাল হবে। তবে ২/১ টা আগের কলেজ দিতে পার, কারণ শিক্ষার্থীরা যারা ঐই কলেজ থেকে মাইগ্রেট করবে, তাদের আসন খালি থাকবে। এখন পর্যন্ত জানা যায় যে মাইগ্রেশনে ১০টি কলেজ সিলেকশন দেওয়া যাবে। তবে যদি কম বেশি হয়, সেটা ৯ তারিখে জানানো হবে।
৭. কলেজে ভর্তি নিশ্চয় কিভাবে করবো?
শিক্ষাবোর্ডের দেওয়া কলেজে আবেদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি দিলেই উক্ত কলেজে এডমিশন নিশ্চিত হবে।
৮. আমাকে কি কলেজে গিয়ে ভর্তি ফরম তুলতে হবে?
জিনা, তবে অনলাইন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কলেজে নির্ধারিত ভর্তি ফি কলেজে জমা দিয়ে এবং প্রয়োজনীয কাগজপত্র ও সিকুরিটি কোডসহ কলেজে ভর্তি হতে হবে।
৯. আমার তো প্রথম মেরিট লিস্টে আসে নি, আমি কি দ্বিতীয় মেরিট লিস্টের জন্য অপেক্ষা করবো?
জি আপনাকে দ্বিতীয় মেরিট লিস্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
১০. আমার প্রথম মেরিট লিস্টে / ১ম পর্যায়ে কলেজ আসে নি আমি কি আবার টাকা দিয়ে ভর্তির আবেদন করতে পারবো?
জিনা, আপনি তো একবার আবেদন করেছেন, তাই নতুনভাবে আবেদন করার সুযোগ নেই, আপনাকে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
১১. রেজিস্ট্রেশনে ১৮৫ দেওয়ার পর কি আবার ভর্তির সময় টাকা দিতে হবে?
জি, সরকার প্রতিটি কলেজের জন্য নির্ধারিত ভর্তি ফি কলেজে জমা দিয়ে এবং প্রয়োজনীয কাগজপত্র ও সিকুরিটি কোডসহ কলেজে ভর্তি হতে হবে।
তোমাদের আর কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে জিজ্ঞাসা করতে পারো। আমি সময় করে যতটা সম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।
১২. আচ্ছা ভাইয়া যাদের কোন কলেজ আসেনাই।২য় পর্যায় কি প্রথমবার আবেদন করা কলেজ থেকে আসার সম্ভাবনা আছে?নাকি সব পরিবর্তন করতে হবে।আর প্রথমবার না আসা কলেজগুলোতে দ্বিতীয়বার কিভাবে আসে?ওরা কি দ্বিতীয়বারের জন্য কোন আসন সংখ্যা খালি রাখে?
অনেকেই এখন মাইগ্রেশন করবে, সুতরাং আপনি যে ১০টি কলেজে আবেদন করেছেন সেখানে সিট হতে পারে, তখন যোগ্যতা অনুযায়ী উক্ত কলেজগুলোতে আপনাকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিতে পারে। তবে এই রিস্কে না থাকা ভাল, আগের সিলেকশনের চেয়ে কিছুটা কম মানের আরো কয়েকটি কলেজ সংযোগ/বিয়োজন করুন।
১৩. কোনো কলেজে আসেনি। ধরেন ২য় মেরিট লিস্টে ও আসেনি। যদি ওয়েটিং লিস্ট থেকেও না আসে তাহলে কি ১ বছর লস দিতে হবে? নাকি আবার অন্য কলেজে আবেদন করতে পারবে?
তৃতীয় মেরিট লিস্টে সবার আসার কথা, কারণ আপনি পরীক্ষায় পাশ করেছেন, তাই ইন্টারমেডিয়েট এ ভর্তি আপনার অধিকার, সবাই ভর্তি হতে পারবে :)
Mathematics of the day : 01
==========================
১ ইঞ্চ = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
১ ফুট = ০.৩০৫ মিটার
১গজ = ০.৯১৪ মিটার
১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২
কিলোমিটার
১ সেন্টিমিটার = ০.৩৯ ইঞ্চ
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চ = ৩.২৮ ফুট = ১.০৯৪
গজ
১ কিলোমিটার = ০.৬২ মাইল
১ ইঞ্চ (ইঞ্চ) = ১/৩৬ গজ = ১/১২ ফুট
১ ফুট (ফুট) = ১/৩ গজ
১ রড (রড) = ৫ ১/২ গজ
১ ফারলং (ফার) = ২২০ গজ = ১/৮ মাইল
১ মাইল (মাইল) = ১,৭৬০ গজ = ৫,২৮০ ফুট
১ নটিক্যাল মাইল = ৬,০৭৬.১ ফুট
১ মিলিমিটার (মিমি) = ১/১,০০০
মিটার
১ সেন্টিমিটার (সেমি) = ১/১০০
মিটার
১ ডেসিমিটার (ডেসি) = ১/১০ মিটার
১ ডেকামিটার (ডেকা) = ১০ মিটার
১ কিলোমিটার (কিমি) = ১০০০ মিটার
★ ক্ষেত্রফল এর এককঃ
১ বর্গ সেন্টিমিটার = ১/১০,০০০ বর্গ
মিটার
১ বর্গ ডেসিমিটার = ১/১০০ বর্গ মিটার
১ হেক্টর = ১০,০০০ বর্গ মিটার
১ বর্গ কিলোমিটার = ১,০০০,০০০ বর্গ
মিটার
১ বর্গ ইঞ্চ = ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
১ বর্গ ফুট = ০.০৯৩ বর্গ মিটার
১ বর্গ গজ = ০.৮৪ বর্গ মিটার
১ একর = ০.৪০৫ হেক্টর
১ বর্গ মাইল = ২.৫৯ বর্গ কিলোমিটার
১ বর্গ সেন্টিমিটার = ০.১৫৫ বর্গ ইঞ্চ
১ বর্গ মিটার = ১.২ বর্গ গজ = ১০.৮ বর্গ ফুট
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ বর্গ কিলোমিটার = ০.৩৮৬ বর্গ মাইল
১ বর্গ ইঞ্চ = ১/১,২৯৬ বর্গ গজ = ১/১৪৪ বর্গ ফুট
১ বর্গ ফুট = ১/৯ বর্গ গজ = ১৪৪ বর্গ ইঞ্চ
১ বর্গ রড = ৩০ ১/৪ বর্গ গজ
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গ গজ = ১৬০ বর্গ রডs
১ বর্গ মাইল = ৩,০৯৭,৬০০ বর্গ গজ = ৬৪০ একর
★ আয়তনের এককঃ
১ ঘন ইঞ্চ = ১/৪৬,৬৫৬ ঘন গজ = ১/১,৭২৮ ঘন ফুট
১ ঘন ফুট = ১/২৭ ঘন গজ = ১,৭২৮ ঘন ইঞ্চ
১ ঘন গজ = ২৭ ঘন ফুট
১ চা-চামচ = ১/৩ টেবিল-চামচ
১ টেবিল-চামচ = ১/২ আউন্স = ৩ চা-
চামচs
১ ইউ এস আউন্স = ১/১২৮ ইউ এস গ্যালন =
১/১৬ ইউ এস পহসট
১ ইমপেরিয়াল আউন্স = ১/১৬০
ইমপেরিয়াল গ্যালন
১ গিল = ১/৩২ গ্যালন = ৪ আউন্স
১ ইউ এস গ্যালন = ২৩১ ঘন ইঞ্চ
১ ইমপেরিয়াল গ্যালন = ২৭৭.৪ ঘন ইঞ্চ
১ ইউ এস বুশেল = ২,১৫০.৪ ঘন ইঞ্চ
১ ইমপেরিয়াল বুশেল = ২,২১৯.৪ ঘন ইঞ্চ
১ ঘন সেন্টিমিটার (সিসি) =
১/১,০০০,০০০ ঘন মিটার
১ ঘন ডেসিমিটার = ১/১,০০০ ঘন মিটার =
১,০০০ ঘন ডেসিমিটারs
১ মিলিলিটার (এমএল) = ১/১,০০০০
লিটার = ১ ঘন সেন্টিমিটার
১ সেন্টিমিটার (সিএল) = ১/১০০
লিটার = ১০ মিলিলিটার
১ ডেসিলিটার (ডিএল) = ১/১০ লিটার
১ লিটার = ১ ঘন ডেসিমিটার
১ ডেকালিটার = ১০ লিটার
১ হেক্টোলিটার = ১০০ লিটার= ১/১০ ঘন
মিটার
১ কিলোলিটার = ১,০০০ লিটার
১ ঘন ইঞ্চ = ১৬.৪ ঘন সেন্টিমিটার
১ ঘন ফুট = ০.০২৮৩ ঘন মিটার
১ ঘন গজ = ০.৭৬৫ ঘন মিটার
১ আউন্স = ২৯.৬ মিলিলিটার
১ ইউ এস পহসট = ০.৪৭৩ লিটার
১ ইউ এস গ্যালন = ০.৮৪ ইমপেরিয়াল
গ্যালন =৩.৮ লিটার
১ ইমপেরিয়াল গ্যালন = ১.২ ইউ এস
গ্যালনs =৪.৫ লিটার
১ ইউ এস বুশেল = ০.৯৭ ইমপেরিয়াল বুশেল
= ৩৫.২৪ লিটার
১ ইমপেরিয়াল বুশেল = ১.০৩ ইউ এস বুশেল
= ৩৬.৩৭ লিটার
১ ঘন সেন্টিমিটার = ০.০৬ ঘন ইঞ্চ
১ ঘন সেন্টিমিটার = ০.০৬ ঘন ইঞ্চ
১ ঘন মিটার = ১.৩ ঘন গজ
★ ভর বা ওজনঃ
১ গ্রেইন = ১/৭,০০০ পাউন্ড = ১/৪৩৭.৫
আউন্স
১ ড্রাম (dr) = ১/২৫৬ পাউন্ড= ১/১৬ আউন্স
১ আউন্স (oz) = ১/১৬ পাউন্ড
১ ছোট টন = ২,০০০ পাউন্ড
১ বড় টন = ২,২৪০ পাউন্ড
১ মিলিগ্রাম (mg) = ১/১,০০০,০০০
কিলোগ্রাম = ১/১,০০০ গ্রাম
১ সেন্টিগ্রাম (cg) = ১/১০০,০০০
কিলোগ্রাম = ১/১০০ গ্রাম
১ ডেসিগ্রাম (dg) = ১/১০,০০০
কিলোগ্রাম = ১/১০ গ্রাম
১ গ্রাম (g) = ১/১,০০০ কিলোগ্রাম
১ ডেকাগ্রাম (dkg) = ১/১০০ কিলোগ্রাম
= ১০ গ্রাম
১ হেক্টোগ্রাম (hg) = ১/১০ কিলোগ্রাম
= ১০০ গ্রাম
১ মেট্রিক টন (t) = ১,০০০ কিলোগ্রাম
১ গ্রেইন = ৬৪ মিলিগ্রামs
১ ছোট টন = ০.৯ মেট্রিক টন
১ মিলিগ্রাম = ০.০১৫ গ্রেইন
১ গ্রাম = ০.০৩৫ আউন্স (avoirdupois)
১ কিলোগ্রাম= ২.২০৫ পাউন্ড (avoirdupois)
১ মেট্রিক টন = ১.১ ছোট টন
১ পাউন্ড = ০.৪৫৩৫৯২৩৭ কেজি
১ কেজি = ২.২০৪৬২২৬২১৮৪৯ পাউন্ড =
৩৫.২৭৩৯৬১৯৪৯৫৮ আউন্স
★ তাপমাত্রাঃ
সেলসিয়াস = (১০০/১৮০) X ( ফারেনহাইট
– ৩২)
ফারেনহাইট = (১.৮ X সেলসিয়াস) + ৩২
কেলভিন = সেলসিয়াস + ২৭৩.১৫
সেলসিয়াস = কেলভিন – ২৭৩.১৫
কেলভিন = [(১০০/১৮০) X ( ফারেনহাইট –
৩২)] + ২৭৩.১৫
ফারেনহাইট = [১.৮ X ( কেলভিন –
২৭৩.১৫)] + ৩২
#প্রতিভা -আসুন_চোখ_বুলিয়ে_নেই
___
১। প্রকৃতির রানী- খাগড়াছড়ি
২। পাহাড়ি কন্যা- বান্দরবান
৩। নদীমাতৃক দেশ- বাংলাদেশ
৪। ভাটির দেশ- বাংলাদেশ
৫। সোনালী আঁশের দেশ- বাংলাদেশ
৬। মসজিদের শহর- ঢাকা
৭। রিক্সার নগরী- ঢাকা
৮। ৩৬০ আউলিয়ার দেশ- সিলেট
৯। বারো আউলিয়ার দেশ- চট্রগ্রাম
১০। বাণিজ্যক রাজধানী- চট্টগ্রাম
১১। বাংলাদেশের প্রবেশ দ্বার-
চট্টগাম বন্দর
১২। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার-
বগুড়া
১৩। পশ্চিমাবাহিনীর নদী- ডাকাতিয়া
বিল
১৪। বাংলার শস্যভাণ্ডার- বরিশাল
১৫। বাংলার ভেনিস- বরিশাল
১৬। হিমালয়ের কন্যা- পঞ্চগড়
১৭। সাগর কন্যা- কুয়াকাটা,
পটুয়াখালী
১৮। সাগর দ্বীপ- ভোলা
১৯। কুমিল্লার দুঃখ- গোমতী
২০। পর্যটন রাজধানী- কক্সবাজার
২১। প্রাচ্যের ডান্ডি- নারায়ণগঞ্জ
২২। বাংলাদেশের কুয়েত বলা হয়-
খুলানা (চিংড়ি চাষের জন্য)
২৩। চট্টগ্রামের দুঃখ- চাকতাই খাল
-
★ জিনিয়াসরা বলুন★
একটি গাছের দুইটি ডালে দুইঝাক
চড়ুই পাখি বসে আছে । একটি ছোট
ঝাক ও অন্যটি বড় ঝাক । ঝাক
দুইটিতে চড়ুইএর সংখ্যা এমন যে,
বড় ঝাক থেকে ২টা ছোট ঝাকে
এলে ঝাক দুইটিতে সমান সমান
চড়ুই থাকে । আবার ছোট ঝাক
থেকে ২টা বড় ঝাকে গেলে বড়
ঝাকের চড়ুইএর সংখ্যা ছোটটার
৩গুন হয় ।
তাহলে গাছটিতে মোট কয়টি চড়ুই
পাখি আছে ?
#প্রতিভা -আসুন ক্যারিয়ার গড়ি
অনেক সময়েই দেখা যায় পরিকল্পনা
করা থাকলেও সে অনুযায়ী কাজ
করা হয়ে উঠে না। সময় বের করা
এবং
পারিপার্শ্বিক অন্যান্য অনেক
কিছুর
কারণেই সেটি হয় না। এতে করে
পিছিয়ে যায় জীবন। একের পর এক
জমতে থাকে কাজ, কিন্তু কাজগুলো
করে শেষ করা হয় না। কিন্তু একটু
স্মার্টলি পরিকল্পনা করতে জানলে
অল্প পরিশ্রমেই ভালো ফলাফল
পাওয়া সম্ভব। তাই নিজেকে আরও
কর্মঠ করে তোলার ক্ষেত্রে একটু
স্মার্ট চিন্তা করা উচিত। সবদিক
বিবেচনা করা, সময় নির্ধারণ করা,
সঠিকভাবে পরিচালনা করা এবং
নিয়মকানুন মেনে চলার মতো সকল
দিক সঠিকভাবে সম্পাদন করে
ভালো
ফলাফল পাওয়াই লক্ষ্য হওয়া
উচিত
সকলের। এতে করে সফলতা ও
উন্নতি
অনেক দ্রুত পাওয়া সম্ভব। শুধুমাত্র
নিজের একটু বুদ্ধি কাজে লাগানো
এবং তা অভ্যাসে পরিণত করার
মাধ্যমেই নিজেকে আরও একটু
কর্মঠ ও
কর্মক্ষম করে তোলা সম্ভব।
১) কোথায় কতোটুকু চেষ্টা করলে
কাজটি সঠিকভাবে করা সম্ভব তা
বোঝার চেষ্টা করুন
প্রায় বেশীরভাগ মানুষের মতে
মাত্র ২০% চেষ্টাতেই ৮০% ফলাফল
লাভ করা সম্ভব। তাহলে কোন ২০%
চেষ্টা আমাদের কাছে সবচাইতে
বেশি মূল্যবান? যখন আমরা সেই
মাত্র
২০% চেষ্টার অংশটুকু বুঝে ফেলতে
পারবো তখনই আমরা বুঝতে পারবো
আমাদের বল আসলে কোথায়
প্রয়োগ
করা উচিত। আর এতে করা আমরা
বেশ
সহজেই নিজের লক্ষ্যের অনেক
কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারি
বেশ কম সময়ে কিন্তু সঠিক কাজে।
২) স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্য সীমিত
করুন
যখন ভবিষ্যতের কথা এবং একটি
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করে
আগাবেন তখন বড় একটি লক্ষ্য
নেয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু
স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে কাজ
করলে লক্ষ্যটি সীমিত রাখুন। আপনি
বড় একটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করলে তা
স্বল্প সময়ে হয়তো করে উঠা
সম্ভব হবে
না, এতে করে আপনার পরিকল্পনাই
ভেস্তে যাবে। মনে রাখবেন একদিন
সব করা সম্ভব নয়। ছোটো ছোটো
লক্ষ্য
পূরণ করেই দীর্ঘমেয়াদী
পরিকল্পনাকে সফল করা সম্ভব।
৩) নিজের অ্যাক্টিভিটি সাইকেল
মেনে কাজ করুন
আপনার দেহ একটি সাইকেলে চলে।
পুরোদিন বসে কাজ করলেই কাজটি
ঠিকভাবে হবে এমন কোনো কথা
নেই। গবেষণায় দেখা যায় আমাদের
মস্তিষ্ক একটি দিকে একটানা ৯০
মিনিটের মতো ফোকাস করতে
পারে, এরপর আমাদের ১৫ মিনিটের
বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। আপনি
যদি
টানা ২-৩ ঘণ্টা বসে কাজটি শেষ
করতে চান তাহলে কিন্তু ফলাফল
কিছুই আসবে না বরং সময়ই নষ্ট
হবে।
তাই নিজের অ্যাক্টিভিটি
সাইকেল মেনে কাজ করুন।
৪) প্রতিদিনই ছোটো ছোটো
লক্ষ্য
পূরণ করার চেষ্টা করুন
সকালের শুরুতে ছোটো ছোটো
গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো বেছে বের
করে
নিন। এরপর প্রতিদিনই এই
গুরুত্বপূর্ণ
ছোটো কাজগুলো শেষ করে ফেলার
চেষ্টা করুন। ছোটো ছোটো
কাজগুলো সফলভাবে করে ফেলার
অভ্যাস আপনাকে অনেক বেশি
আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে এবং
সময়ানুবর্তীতা শেখাবে।
৫) কীভাবে সময় ব্যয় করছেন তা
জেনে রাখুন
নিজেকে স্মার্ট উপায়ে কর্মঠ করে
তোলার অন্যতম প্রধান উপায়
হচ্ছে
সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা।
ফরাসি নোবেল বিজয়ী দার্শনিক
হেনরি লুই বার্গসঁ বলেন, ‘কাজের
পরিকল্পনা করার মূল অর্থ হচ্ছে
সঠিকভাবে সময়ের ব্যবস্থাপনা
করে
ফেলা’। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
হচ্ছে,
‘আমি কি আমার সময় সঠিকভাবে
এবং নিজের ১০০% দিয়ে ব্যয়
করছি?’।
এমন অনেক কাজ আছে যা দৈনন্দিন
জীবনের অনেকটা সময় নষ্ট করে
দেয়।
এই কাজগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই
বাস্তব কিছু ফলাফল দিতে সক্ষম
হয়
না। এই ধরণের সমস্যায় পড়লে
প্রথমেই
নিজের সময়ের ব্যবস্থাপনা নতুন
ভাবে করে ফেলা উচিত।
৬) ভালো কিছু অভ্যাস রপ্ত করুন
নিজের জন্য ভালো কিছু অভ্যাস
রপ্ত
করে ফেলাও আপনার কর্মজীবনে
বেশ ভালো প্রভাব ফেলবে। যেমন,
আপনি প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম
থেকে
উঠার অভ্যাস করলে আপনার
পরিকল্পনা করার ক্ষমতা বাড়বে যা
প্রকাশ পাবে আপনার দৈনন্দিন
কর্মকাণ্ডে এবং আপনার কাজ
করার
ক্ষমতার মাধ্যমে।
৭) ভালো কাজের অর্থ অতিরিক্ত
পরিশ্রম বা অতিরিক্ত কিছু করা নয়
একবারে বেশি কাজ করার অর্থ যে
আপনি ভালো কিছু কাজ করে
ফেলছেন তা কিন্তু নয়। এরচাইতে
ছোটো ছোটো কাজ এবং নিজের
সাইকেল মেনে কাজ করা অনেক
বেশি ভালো ফলাফল প্রদান করে।
নির্দিষ্ট লক্ষ্য সম্বলিত এবং
উপযুক্ত
মানুষের ছোটো একটি টিম অনেক
বেশি সফল হতে পারেন। কারণ
ছোটো টিমে অনেক বেশি সময়
পাওয়া যায় এবং টীমের মানুষকে
অনেক সময় দেয়া যায়।
৮) পুরনো জিনিস সংশোধন করে
নতুন
কিছু তৈরিতে নিজেকে উদ্যোগী
করে তুলুন
নতুন কিছু করতে নিজেকে উদ্যোগী
করে তুলুন, প্রয়োজনে তা সংশোধন
করার ক্ষমতা রাখুন। আবার কিছু
জিনিস পুনরায় ব্যবহার করতে পারার
অর্থ হচ্ছে নতুন করে পুরো
সাইকেলটি
তৈরি করতে হচ্ছে না। পুরনো
সাইকেলটিতে নতুন কিছু সংযোজন
বা সংশোধন করে নতুন কিছু তৈরি
করা যাচ্ছে। এতে সময় এবং শ্রম
দুটোরই সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে।
অপচয় হচ্ছে
না কোনো কিছুই। বরং নিজেকে
স্মার্ট উপায়ে অনেক বেশি
প্রোডাক্টিভ করতে পারছেন।
৯) নিজের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে
লাগান
প্রোফেসর কেলি তার নিজের বই
‘ম্যাক্সিমাম উইলপাওয়ার’এ ৩
ধরণের
ইচ্ছাশক্তির কথা উল্লেখ করেন,
‘আমি
করবো, আমি করবো না এবং আমি
চাই’। এই তিনটি ইচ্ছাশক্তি যদি
বুঝতে পারেন তাহলেই নিজেকে
অনেক বেশি কর্মক্ষম করে তুলতে
পারবেন। যদি ‘আমি করবো না’
ইচ্ছাশক্তিটি আপনার মধ্যে প্রবল
হয়
তাহলে আপনি খুব সহজেই
লক্ষ্যভ্রষ্ট
হতে পারেন। যদি ‘আমি করবো’
ইচ্ছাশক্তিটি আপনার মধ্যে প্রবল
হয়
তাহলে এই ইচ্ছাশক্তি লক্ষ্যের
উপর
নির্দিষ্ট করে ধরে রাখতে পারলে
আপনি সফল হবেন। আর যদি
আপনার
মধ্যে ‘আমি চাই’ ইচ্ছাশক্তিটি
প্রবলভাবে থাকে তাহলে আপনি
নিজেই জানেন আপনি কি চান এবং
নিজেকে সেভাবেই উদ্যোগী করে
সফলতা নিজের করে নিতে পারবেন।
Protiva Coaching Centre-PCC
#প্রতিভা __ইসলাম শিক্ষা
- ভাই, ফযরের সালাতে আপনাকে
দেখলাম না যে? ইশার সালাতের সময়
তো বললেন আজ নাকি আপনি
সারারাত নামাজ পড়বেন?
- কি যে বলেন ভাই! আমরা কি
আপনাদের মত যে প্রতিদিন ইশার
সময় আসলাম আর সারারাত বাসায়
ঘুমিয়ে থেকে শুধু ফযর পড়লাম??
পুরা পাচশ রাকাত পড়ছি সারারাত
দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে!! হুম!!!
- তাহলে, ফযরের সালাতের সময়
কোথায় ছিলেন?
- এটাও বুঝেন না? পাচশ রাকাত
নামাজ পড়া কি চাট্টিখানি কথা!
শরীরের একটা ক্লান্তি আছেনা?
কোথায় যাবো! ঘুমিয়েছিলাম বাসায়..
- ওহ্ তাই বলেন... আচ্ছা, পাচশ
রাকাআত পড়েছেন
আলহামদুলিল্লাহ্ কিন্তু এটা যেন
কিসের নামায পড়েছেন?
- আরে ভাই শবে বরাতের নফল
নামাজ পড়ছি!! ভুলে গেলেন!
- আর ফযরের নামাজ যে বাদ দিলেন
সেটা কিসের নামাজ?
- ইয়ে মানে...ভাই এখন যাই! শরীরটা
টায়ার্ডতো, গতকাল আবার হালুয়া-
রুটি-গোশত খেয়ে পেটটাও ঠিক
লাগছে না..
- ওহ্ হো...যান..ঠিকাছে..ঠিকাছে..
_____________________________
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেন,
"যে ব্যক্তি জামা'আতের সাথে ইশার
নামাজ আদায় করল, সে যেন অর্ধেক
রাত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ইবাদত করল।
আর যে ফজরের নামাজ
জামা'আতসহ আদায় করল, সে যেন
সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করল"
হাদিস- মুসলিম
#প্রতিভা -আসুন ক্যারিয়ার গড়ি
জীবনে সফলতা আসুক তা সকলেই
চান। কিন্তু সফলতা কষ্ট
ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। কিছুটা
তো কষ্ট করতেই হবে।
সেই সাথে বুদ্ধি করে চলতে হবে।
সফল মানুষের জীবনী
পড়লে অনেক কিছুই বুঝতে পারা
যায়। তারা কিন্তু অনেক
আগে থেকেই নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার
চেষ্টা করেন।
অনেকেই অনেক কম বয়স থেকে শুরু
করেন নিজেদের
পথচলা। তাই একটি ভালো ক্যারিয়ার
গড়তে চাইলে কাজ
শুরু করতে হবে আগে থেকেই। তা না
হলে হয়তো দেরি হয়ে
যাবে। তাই জীবনটা এলোমেলো হয়ে
যাওয়ার আগেই
গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে।
১)পড়ালেখা শেষ হওয়া পর্যন্ত
অপেক্ষা করবেন না
অনেকে মনে করেন অনার্স-মাস্টার্স
শেষ করে এরপর
কাজে যোগ দেবেন। কিন্তু ইদানীং
এই পদ্ধতিটি
একেবারেই কার্যকর কিছু নয়। কারণ
এখন সব
কোম্পানিতেই অভিজ্ঞতা সম্পন্ন
মানুষ চেয়ে থাকেন।
আপনি যদি পড়ালেখা একেবারে শেষ
করে চাকরিতে
যোগ দিতে চান আপনাকে এন্ট্রি
লেভেল থেকেই শুরু
করতে হবে। তাই যদি পড়ালেখার
পাশাপাশি কোনো
পার্ট টাইম চাকরি অথবা ঘরে বসে
কিছু করতে পারেন
তবে পড়ালেখা শেষে আপনার
রিজুমিতে অভিজ্ঞতার
লেবেল লাগাতে পারবেন।
২)পড়ালেখার পাশাপাশি নিজের
দক্ষতা বাড়াতে কাজ
করুন
যদি চাকরি করতে না চান পড়ালেখার
পাশাপাশি তবে
এমন কিছু করুন যা আপনার কোনো
একটি সাইডের দক্ষতা
বাড়ায়। যেমন ধরুন আপনি নিজের
ব্যবসা খুলতে ইচ্ছুক হলে
সেই সংক্রান্ত বিষয়ে জ্ঞান
অর্জনের চেষ্টা করুন। এবং
কিছু হলেও পুঁজির ব্যাপারে ভাবতে
থাকুন।
৩)আপনার যেদিকে দক্ষতা
অর্জনের ইচ্ছা সেব্যাপারে
কিছু কোর্স করে নিন
আপনার যেদিকে নিজের ক্যারিয়ার
গড়ার ইচ্ছা সে
সম্পর্কিত কোর্স করুন পড়ালেখার
পাশাপাশি। অল্প
বয়সেই এই কাজটি সম্ভব। কারণ
পরবর্তীতে হয়তো আপনার
সময় হয়ে উঠবে না অথবা পরে সেই
মানসিকতাও থাকবে
না নানা চাপে। তাই এই কাজটির প্রতি
গুরুত্ব দিন বয়স
বিশের পর থেকেই।
৪)আলসেমি না করে সময় কাজে
লাগান
ছাত্র জীবনে প্রায় সকলেই
আলসেমি করে থাকেন। এটি
নতুন কিছু নয়। কিন্তু এই
আলসেমিটাকে কিছুটা কমিয়ে
নিয়ে কাজের দিকে মনোযোগী হয়ে
উঠলে উন্নতি
নিজেরই হবে। আলস্য করে যে
সময়টুকু পার করেন সেসময়ে
আপনি ক্যারিয়ার গঠন ভিত্তিক
কোনো কাজ কিংবা
জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।
৫)বন্ধুরা মিলে একসাথে গঠনমূলক
কাজ করুন
অনেকেই আছেন পড়ালেখার
পাশাপাশি বন্ধুরা মিলে
ছোট কিছু কাজ করতে থাকেন। একা
না পারলে এই ধরণের
জিনিসটিও করতে পারেন। বন্ধুরা
মিলে অল্প অল্প করে
পুঁজি দিয়ে তা কাজে লাগিয়ে দেখতে
পারেন। কিংবা
নিজেরা যে কাজে দক্ষ সে বিষয়টি
কাজে লাগিয়ে
বিভিন্ন কোম্পানির ছোট ছোট
কাজ করে দেয়ার
প্রোজেক্ট হাতে নিতে পারেন।
বর্তমানে এমন অনেক
কোম্পানি রয়েছে যারা এই সুবিধা
দিয়ে থাকে। দরকার
শুধু ইচ্ছা এবং বুদ্ধি খাটানো।
৬)একেবারে রোবট হয়ে যাবেন না
জীবনকেও উপভোগ
করুন
অনেকে মনে করতে পারেন এতোসব
বলে ছাত্রজীবনের
মজাই নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। আসলে
কিন্তু তা নয়।
আপনাকে অনেক কাজ করে কঠিন
একটি রুটিন তৈরি করে
প্রতিদিন চলতে বলা হচ্ছে না।
আপনি আপনার মতো
জীবন উপভোগ করুন ঠিকই কিন্তু
সেইসাথে বাড়তি কিছু
সময় বের করে নিয়ে এইসকল
ব্যাপার ভাবুন। কারণ জীবন
আপনার।
#প্রতিভা -___
ঘূর্ণিঝড় 'রোয়ানু' কোন দেশি
শব্দ? এর অর্থ কী?
উত্তরঃ-
মালদ্বীপ, এর অর্থ: নারিকেলের
ছোঁবরা দিয়ে
পাকানো দড়ি।
/
/
#প্রতিভা -সমাস মনে রাখার
কৌশলঃ
-
সমাস প্রধানত ৬ প্রকার:
১) দ্বন্দ্ব সমাস
২) দ্বিগু সমাস
৩) কর্মধারয় সমাস
৪) বহুব্রীহি সমাস
৫) অব্যয়ীভাব সমাস
৬) তৎপুরুষ সমাস
-
# কৌশলটি নিম্নরূপ:------ -
-
ও-এবং-আর মিলে যদি হয় "দ্বন্দ্ব",
সমাহারে "দ্বিগু" হলে নয় সেটা মন্দ
যে-যিনি-যেটি-যে টা- তিনি
"কর্মধারায়",
যে-যার শেষে থাকলে তারে বহুব্রীহি
কয় |
অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে
"অব্যয়ী" মেলে,
বিভক্তি লোপ পেলে তাকে
"তৎপুরুষ" বলে |
ইন্টার্ভিউ বোর্ডে চাকরি জিতে
নেয়ার কিছু সহজ কিন্তু জরুরী ধাপ!
বর্তমান সময়ে চাকরি হলো সোনার
হরিণ। একটি চাকরি পেতে এখন
নানান ঝক্কি ঝামেলা সামলাতে হয়।
অনেকেরই চাকরির ইন্টারভিউয়ের
ভীতি আছে। যোগ্যতা আছে কিন্তু
ভয় পেয়ে, দ্বিধা গ্রস্ত হয়ে চাকরি
না পাওয়ার সমস্যায় অনেকেই
ভুগছেন। কিভাবে ইন্টারভিউ দিয়ে
সফলতার সাথে চাকরি পাওয়া যায়
সেই সম্পর্কেও অনেকেরই ধারণা
নেই। ফলে খুব সহজেই পাওয়া
যেতো এমন চাকরির সুযোগও
হারাতে হয় অনেকেরই।
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগেই জেনে
নিন
চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার
আগেই প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে ধারণা
নিয়ে যান। প্রতিষ্ঠানটির কি ধরণের
কাজ করে, তাদের উদ্দেশ্য কি এবং
কোন পদের জন্য তাঁরা আপনাকে
ডেকেছে, সেই পদের কাজ কি
এগুলো আগে থেকেই জেনে যাওয়া
ভালো। তাহলে ইন্টারভিউতে গিয়ে
ঘাবড়ে না গিয়ে আত্মবিশ্বাসের
সাথে উত্তর দিতে পারবেন।
প্রশ্ন অনুমান
ইদানিং চাকরির ইন্টারভিউতে
সাধারণ জ্ঞান জাতীয় প্রশ্ন
সাধাণরত জিজ্ঞেস করা হয় না। তার
বদলে ব্যক্তিগত যোগ্যতা,
পারিবারিক কথা বার্তা ও কিছু বুদ্ধি
ভিত্তিক প্রশ্ন করা হয়। বেশ সহজ
কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে কৌশলে
আপনার উপস্থিত বুদ্ধি কেমন তা
দেখে নেয়া হয়। তাই চাকরির
ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগেই
কিছু প্রশ্ন অনুমান করে নিন আগে
থেকেই। সম্ভব হবে সেগুলোর
উত্তর মনে মনে প্রস্তুত করে
আয়নার সামনে দাড়িয়ে
ইন্টারভিউয়ের অনুশীলন করে নিতে
পারেন।
হাসিখুশি থাকুন
চাকরির ইন্টারভিউতে গিয়ে সব সময়
হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। কারণ
হাসি খুশি থাকলে আপনাকে
আত্মবিশ্বাসী দেখাবে। যারা
ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তাদের চোখের
দিকে তাকিয়ে হাসি বিনিময় করুন।
কথা বলার সময়েও চোখ নামিয়ে
কথা বা বলে সরাসরি তাকিয়ে কথা
বলুন। ইন্টারভিউ দিতে শালীন ও
পরিষ্কার পোশাক পরে যাবেন
অবশ্যই।
শুরুতেই বলবেন না যে চাকরিটা
আপনার দরকার চাকরির
ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে প্রথমেই যেন
না বোঝা যায় যে চাকরিটা আপনার
খুবই দরকার। কারণ খুব চাকরিটা খুব
বেশি দরকার এটা বোঝাতে গিয়ে
আপনি অনেক মিথ্যা অঙ্গীকার করে
বসতে পারেন যেগুলো আপনার
পক্ষে করা সম্ভব নয়। আবার বেশি
আগ্রহ দেখালে আপনার উপরেও
অনেক অন্যায় দ্বায়িত্ব ভার পড়তে
পারে। তাই খুব বেশি আগ্রহ কিংবা
খুব বেশি অনীহা কোনোটাই দেখানো
উচিত না।
আপনার যোগ্যতা জানিয়ে দিন
আপনি চাকরির পদটির জন্য কেনো
যোগ্য সেটা নিজেই জানিয়ে দিন।
জীবন বৃত্তান্তে জানার চাইতে
আপনি আত্মবিশ্বাস নিয়ে জানালে
সেটা বেশি কাজে দিবে। তাই আপনি
এত আগে কোথায় চাকরি করেছেন,
আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি,
আপনি কেন চাকরিটির জন্য নিজেকে
যোগ্য মনে করছেন সেটা নিজেই
সুন্দর করে উপস্থাপন করুন।
কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন
চাকরির ইন্টারভিউ মানে কি শুধু
আপনিই প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন?
নাহ, চাকরির ইন্টারভিউতে আপনিও
কিছু প্রশ্ন করে নিন। জেনে নিন
আপনার দ্বায়িত্ব কি হবে, আপনি
কার অধীনে কাজ করবেন, কার কাছে
রিপোর্ট জমা দিতে হবে ইত্যাদি।
এছাড়াও জেনে নিন আপনার সম্মানী
কত হবে এবং চাকরিটি হলে কতদিন
পর আপনাকে স্থায়ী করে নেয়া হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Jagdal
Panchagarh
5000