Madrasatul Madinah Panchagarh

Madrasatul Madinah Panchagarh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Madrasatul Madinah Panchagarh, Education, Panchagarh.

আল-কুরআন—আল্লাহর হেফাজতকৃত বাণীআল-কুরআন শুধু একটি গ্রন্থ নয়; এটি আল্লাহ তাআলার সংরক্ষিত কিতাব। কিয়ামত পর্যন্ত কোনো মানুষ...
02/09/2026

আল-কুরআন—আল্লাহর হেফাজতকৃত বাণী

আল-কুরআন শুধু একটি গ্রন্থ নয়; এটি আল্লাহ তাআলার সংরক্ষিত কিতাব। কিয়ামত পর্যন্ত কোনো মানুষ বা কোনো শক্তি এর মধ্যে বিকৃতি ঘটাতে পারবে না।

এ বিষয়ের একটি শিক্ষণীয় ঘটনা বর্ণিত হয়েছে—

খলিফা হওয়ার পূর্বে মামূন বিচারকার্যে বসতেন। একদিন এক সুদর্শন চেহারার ইয়াহুদি ব্যক্তি তাঁর বিচার-বৈঠকে উপস্থিত হলো। তার দেহে ছিল সুগন্ধি এবং পরনে ছিল পরিপাটি পোশাক। সে যখন কথা বলল, অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাঞ্জল ভাষায় কথা বলল।

বৈঠক শেষ হওয়ার পর মামূন তাকে ডেকে বললেন,

— তুমি কি ইয়াহুদি?

সে বলল,

— হ্যাঁ।

মামূন বললেন,

— ইসলাম গ্রহণ করো। তাহলে আমি তোমার জন্য কল্যাণকর কিছু করব এবং তোমার উপকার করব।

সে বলল,

— আমি আমার দীন এবং আমার পূর্বপুরুষদের দীন থেকে সরে যেতে চাই না।

তখন মামূন তাকে তার অবস্থায় ছেড়ে দিলেন।

এক বছর পর সেই ব্যক্তি আবার এল। তবে এবার সে মুসলিম। সে ফিকহ বিষয়ে আলোচনা করল এবং অত্যন্ত সুন্দরভাবে কথা বলল।

বৈঠক শেষ হওয়ার পর মামূন তাকে ডেকে বললেন,

— তুমি কি সেই ব্যক্তি নও, যে গত বছর আমাদের কাছে এসেছিল?

সে বলল,

— জি, আমিই সেই ব্যক্তি।

মামূন বললেন,

— কী কারণে তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে? অথচ গত বছর যখন আমি তোমাকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছিলাম, তখন তুমি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলে।

সে বলল,

— আমি সুন্দরভাবে লিখতে পারি। তাই আমি তাওরাতের তিনটি কপি লিখলাম। এরপর তাতে কিছু বাড়িয়ে দিলাম এবং কিছু অংশ কমিয়ে দিলাম। তারপর সেগুলো ইহুদিদের উপাসনালয়ে নিয়ে গেলাম। সেগুলো বিক্রি হলো এবং মানুষ তা কিনে নিল।

এরপর আমি ইনজিলের তিনটি কপি লিখলাম। সেখানেও কিছু বাড়ালাম এবং কিছু কমালাম। তারপর সেগুলো গির্জায় নিয়ে গেলাম। সেগুলোও লোকেরা আমার কাছ থেকে কিনে নিল।

এরপর আমি কুরআনের প্রতি মনোযোগ দিলাম। কুরআনের তিনটি কপি লিখলাম এবং তাতেও কিছু বাড়ালাম ও কিছু কমালাম। তারপর সেগুলো বই বিক্রেতাদের কাছে নিয়ে গেলাম।

কিন্তু তারা যখন সেগুলো ভালোভাবে যাচাই করল, তখন তাতে থাকা অতিরিক্ত ও ঘাটতি শনাক্ত করে সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে ছুড়ে ফেলে দিল।

তখন আমি বুঝতে পারলাম—এই কিতাবটি সংরক্ষিত।

আর এ ঘটনাই আমাকে ইসলামের সত্যতা উপলব্ধি করতে সাহায্য করল এবং আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম।

মানুষ তাওরাত ও ইনজিলের বিভিন্ন নুসখায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে; কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাঁর শেষ কিতাব আল-কুরআনকে নিজ হেফাজতে রেখেছেন।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—

إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ

“নিশ্চয়ই আমরাই এই উপদেশবাণী (কুরআন) নাজিল করেছি এবং অবশ্যই আমরাই এর সংরক্ষণকারী।”

—সূরা আল-হিজর: ৯

ইবনুল জাওযী, আল-মুনতাযাম ফি তারীখিল মুলূকি ওয়াল উমাম, ৩/২২০।
ইমাম বাইহাকী, দালাইলুন নুবুওয়াহ, পৃষ্ঠা ১৬০।

মাদানী নেসাবের সরফের এই কিতাবটি নিয়ে কিছু কথা---মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষে সরফ শাস্ত্রের জন্য যে কিতাবটি পড়ানো হয়, সেটি ...
30/08/2026

মাদানী নেসাবের সরফের এই কিতাবটি নিয়ে কিছু কথা---

মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষে সরফ শাস্ত্রের জন্য যে কিতাবটি পড়ানো হয়, সেটি নিঃসন্দেহে একটি উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ কিতাব। তবে আমার দীর্ঘ ৭/৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় একটি বিষয় বারবার আমার সামনে এসেছে—শুধু এই কিতাবের ইবারত পড়ানো এবং কিতাবের নির্ধারিত মাওয়াদ শেষ করার মধ্যেই যদি সরফ শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ রাখা হয়, তাহলে সরফের যে প্রাথমিক চাহিদা একজন প্রথম বর্ষের ছাত্রের মধ্যে তৈরি হওয়া প্রয়োজন, তা অনেক সময় পূর্ণ হয় না।

আমার কাছে এই কিতাবটি সরফ শিক্ষার একটি ভালো নমুনা কিতাব হিসেবে মনে হয়। কিন্তু এর সঙ্গে যদি প্রয়োজনীয় সিগাহ, গর্দান, তাহকীক, বাহাস এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া না হয়, তাহলে শুধু কিতাব শেষ করার মাধ্যমে ছাত্র সরফে পরিপক্ব হয়ে উঠবে—এমনটা আমার অভিজ্ঞতায় দেখা যায়নি।

দুঃখজনকভাবে আজ পর্যন্ত মাদানী নেসাবের যেসব ছাত্র পেয়েছি এবং বিভিন্ন সময়ে যেসব মুআল্লিমের পাঠদান দেখার সুযোগ হয়েছে, তাদের মধ্যে অধিকাংশের ক্ষেত্রেই সরফের জায়গায় কিছুটা দুর্বলতা লক্ষ্য করেছি। এমনকি অনেক ফারেগীনও সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত সিগাহর ক্ষেত্রে কখনো কখনো ভুল করে থাকেন। আর একটু গভীরের সিগাহ, তাহকীক কিংবা বাহাসের দিকে গেলে অনেকেই আটকে যান।

আমি কথাটি কোনো নেসাব বা কোনো উস্তাযকে ছোট করার উদ্দেশ্যে বলছি না। বরং একজন শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় যে বাস্তবতাটি দেখেছি, সেটিই তুলে ধরছি। আমার নিজের ভুল-ত্রুটিও এর বাইরে নয়। তবে ছাত্রদের দুর্বলতার জায়গাগুলো দীর্ঘদিন কাছ থেকে দেখার পর মনে হয়েছে, এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের একটু নতুন করে চিন্তা করা দরকার।

আরেকটি বিষয় আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়—মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকে এই কিতাব পড়ানো শুরু করার পরিবর্তে বছরের শুরু থেকেই সরফের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া অধিক উপযোগী হতে পারে।

কারণ প্রথম বর্ষের শুরুতেই যদি ছাত্রের সরফের ভিতটা শক্ত করে দেওয়া যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে আরবি ইবারত, কিতাব এবং বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ গ্রহণ তার জন্য অনেক সহজ হয়ে যায়। কিন্তু শুরুতেই যদি সরফের জায়গাটি দুর্বল থেকে যায়, তাহলে পরবর্তী কিতাবগুলোতে গিয়ে সেই দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এক্ষেত্রে আমার কাছে ক্বাদীম নেসাব বা রশীদিয়্যার তরযে সরফ পড়ানোর পদ্ধতিটি বেশি উপযোগী মনে হয়।(যদিও ক্বাদীম নেসাবের প্রথম ২/৩ টা ক্লাসের অনেক কিতাবই বিয়োজন করে বাস্তবমুখি ও ফলপ্রসূ কিতাব সংযোজন করা খুবই জরুরি।)
তো ক্বাদীম নেসাবের তরযে শুধু একটি কিতাবের ইবারত পড়িয়ে শেষ করে দেওয়া উদ্দেশ্য থাকে না; বরং ছাত্রকে সিগাহ, গর্দান, তাহকীক, বিভিন্ন বাহাস এবং ব্যবহারিক প্রয়োগের মাধ্যমে সরফের ভিত তৈরি করানো হয়। পঠনপদ্ধতিটাই মাশাআল্লাহ,অনেক ফলপ্রসূ ও বাস্তবিক।

তাই আমার খেয়াল হলো—মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষে সরফের পাঠদান ক্বাদীম নেসাবের তরযে হলে ছাত্রদের জন্য বেশি উপকারী হতে পারে। ক্বাদীম নেসাবে যারা সরফ পড়েছেন এবং এই পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ, তারা যদি এই কিতাবটি পড়ান, তাহলে কিতাবের মাওয়াদের পাশাপাশি সরফের প্রয়োজনীয় দিকগুলোও ছাত্রদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।

আর যদি মাদানী নেসাবের কোনো উস্তাযই এই কিতাব পড়াতে চান, তাহলে তাঁর জন্য ক্বাদীম তরযে সরফ পড়ানোর বিষয়ে প্রশিক্ষণ বা অন্তত যথেষ্ট অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা অর্জন করা জরুরি বলে আমি মনে করি। কারণ কিতাবের ইবারত জানা এবং সরফ পড়ানোর পদ্ধতি জানা—দুটি বিষয় সবসময় এক নয়।

শুধু কিতাবের টেক্সট পড়িয়ে কিতাব শেষ করে দেওয়া আর একজন ছাত্রকে সরফে প্রাথমিকভাবে যোগ্য করে তোলা—দুটির মধ্যে পার্থক্য আছে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রথম বর্ষের একজন ছাত্রের কাছে সরফের প্রাথমিক চাহিদা বলতে শুধু কয়েকটি সিগাহ মুখস্থ থাকা বোঝাবে না; বরং সে যেন সিগাহ চিনতে পারে, গর্দান করতে পারে, তাহকীক করতে পারে, প্রয়োজনীয় বাহাস বুঝতে পারে এবং আরবি ইবারতে তার ব্যবহার ধরতে পারে—এই যোগ্যতাটুকু তৈরি হওয়া দরকার।

আলহামদুলিল্লাহ, পঞ্চগড় মাদরাসাতুল মাদীনায় আমরা সরফ শাস্ত্রের জন্য এই কিতাবটিকে নমুনা হিসেবে রাখলেও পাঠদান করছি ক্বাদীম তরযে। ক্বাদীম তরযে অভিজ্ঞ উস্তাযের মাধ্যমে বছরের শুরু থেকেই এই কিতাব পড়ানো শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু কিতাব শেষ করা নয়; বরং ছাত্রদের সরফের ভিতটা মজবুত করা, যেন তারা পরবর্তী সময়ে একটু গভীরের সিগাহ, বাহাস ও আরবি ইবারতের সামনে গিয়ে থেমে না যায়।

এটি আমাদের কোনো চূড়ান্ত দাবি নয়; বরং দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া একটি উপলব্ধি। হয়তো অন্য কোনো উস্তাযের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে। তবে আমার দেখা বাস্তবতায় মনে হয়েছে, মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষে সরফ শিক্ষার পদ্ধতিটিকে নিয়ে আমাদের একটু গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা করা দরকার।

কিতাব শেষ করাই যদি সরফ শিক্ষার লক্ষ্য হয়, তাহলে কিতাব শেষ হবে; কিন্তু ছাত্রের সরফের প্রয়োজন হয়তো পূর্ণ হবে না। আর যদি ছাত্রের সরফের ভিত মজবুত করাই লক্ষ্য হয়, তাহলে কিতাবকে কেন্দ্র করে কিতাবের বাইরের প্রয়োজনীয় সরফও তাকে শেখাতে হবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল উস্তাযে কেরামকে ইলমের হক আদায় করার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের ছাত্রদের জন্য ইলমকে সহজ, উপকারী ও ফলপ্রসূ করে দিন। آمين।

একজন অভিভাবকের সঙ্গে আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলাপ---একজন ছাত্র একটি মাদ্রাসায় মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষে পড়ছিল। তার বাবা ...
24/08/2026

একজন অভিভাবকের সঙ্গে আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলাপ---

একজন ছাত্র একটি মাদ্রাসায় মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষে পড়ছিল। তার বাবা তাকে সেখান থেকে আমাদের মাদরাসাতুল মাদীনাহ পঞ্চগড়ে নিয়ে এসেছেন—কোনো পূর্ব যোগাযোগ বা পরামর্শ ছাড়াই, একেবারেই ট্রান্সফার নিয়ে চলে এসেছেন।

আমি গার্ডিয়ানকে বললাম—
— ঐ মাদ্রাসাও তো ভালো মাদ্রাসা। আপনি ওখান থেকে কেন নিয়ে আসলেন?

তিনি বললেন—
— ওখানে প্রথম বর্ষে জেনারেল ক্লাস হয় না, তাই নিয়ে এসেছি।

আমি বললাম—
— আমি তো শুনেছি, সেখান থেকেও দাখিল পরীক্ষা দেওয়ানো হয়। আমাদের মাদ্রাসার মতো ঐ মাদ্রাসাও এবার পরীক্ষা দেওয়াবে। এটা তো মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের চিন্তা। আপনি উনাদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়ে আসতে পারতেন।

উনি বললেন—
— যাই হোক হুজুর, যা হওয়ার হয়ে গেছে।

আমরা ছেলেটির পরীক্ষা নিয়ে দেখলাম, তার কিতাবাদী যতটুকু এগিয়েছে, আমাদের বাচ্চারা তার চেয়েও প্রতিটি কিতাবে প্রায় ৭০ পৃষ্ঠা করে বেশি এগিয়ে গেছে।

আমি বললাম—
— ও তো আমাদের বাচ্চাদের সঙ্গে আগাতে পারবে না। তাহলে এখন?

উনি বললেন—
— হুজুর, আপনি একটু পার্সোনাল সময় দিয়ে এগিয়ে নেন। যতটুকু আগায়। আর বাকি সময় জেনারেল পড়াগুলো সে পারবে। জেনারেল ক্লাস ঠিকমতো ধরে নেবে। ওকে আমি এই বছর ডিসেম্বরে ক্লাস এইটের পরীক্ষা দেওয়াবো তো।

আমি অবাক হয়ে বললাম—
— ওর তো এমনিতেই এত পিছনে পড়ে আছে। তাকে উঠিয়ে নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। আবার আপনি চিন্তা করছেন, ডিসেম্বরে তাকে ক্লাস এইটের পরীক্ষা দেওয়াবেন! সেখানে তো কম হলেও ২০–২৫ দিন সময় নষ্ট হয়ে যাবে। তাহলে তাকে তো আপনি জেনেশুনেই আরও পিছিয়ে দিচ্ছেন?

উনি বললেন—
— হুজুর, সে আসলে এবার ক্লাস এইটে পড়ে। পরীক্ষাটা দেওয়াতে হবে।

আমি বললাম—
— প্রথম বর্ষে তো এগুলোর কোনো পরীক্ষাই রাখা উচিত নয়। আমরা দাখিল পরীক্ষা রেখেছি পঞ্চম বর্ষে। যদিও এবার কিছু বাচ্চা দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ থেকেই পরীক্ষা দেবে। কিন্তু সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাধারণত যাদের কিতাবখানায় জেনারেল ক্লাস এবং এসএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা আছে, তাদের এসএসসি পরীক্ষার বিষয়টি কিতাবখানার পঞ্চম বর্ষে রাখা উচিত।

এর আগে এই পরীক্ষা রাখা মানে তাদের ভালো আলেম হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। খুব কম বাচ্চাই এই পদ্ধতিতে ভালো আলেম হতে পারবে। কারণ এর দ্বারা কিতাবখানার ফাউন্ডেশন ক্লাস এলোমেলো হয়ে যাবে। ভালোভাবে কিতাবাদী থেকে উপকৃত হতে পারবে না, ফলে ভালো আলেমও হতে পারবে না।

আমি উনাকে বললাম—
— আপনি এখন তার ক্লাস এইটের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে নতুন করে ক্লাস সিক্সের রেজিস্ট্রেশন করুন। তার বয়সও তো উপযুক্ত। তার বয়স মাত্র ১৪ বছর। আমরা কিতাবখানার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের বয়স রেখেছি ১২–১৪ বছর পর্যন্ত। আপনি এটা করতে পারেন।
এতে সে আমাদের বাচ্চাদের সঙ্গেই পঞ্চম বর্ষে গিয়ে আলিয়া মাদ্রাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে, ইনশাআল্লাহ। এবং পঞ্চম বর্ষের কিতাবখানার মৌলিক কয়েকটি কিতাবের ক্লাসের পাশাপাশি সারা বছর এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিতে পারবে।

এতে সে ভালো আলেমও হতে পারবে এবং জেনারেলটাও ধারাবাহিকভাবে ক্লাস পড়ে ভালো নম্বর নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারবে।

আমি আরও বললাম—
— আপনি যদি এখন তাকে এইটে রাখেন, অথচ তার এই অবস্থা, আবার মাঝখানে তাকে এইটের পরীক্ষায় নিয়ে যান, তাহলে এই বছরটা তার মাটি। এরপর তাকে আবার সামনের বছর প্রথম বর্ষেই পড়তে হবে। আবার ক্লাস এইটও পড়ে পরীক্ষা দিতে পারল না—নামকাওয়াস্তে পরীক্ষা দেওয়া হবে।

কারণ আমাদের এখানে প্রথম বর্ষের সিলেবাসে জেনারেল ক্লাস সিক্সের ক্লাস হয়। আর এটাই উপযুক্ত। এর বাইরে যাওয়াটা অযৌক্তিক ও ক্ষতিকর।

আরও একটি বিষয় চিন্তা করুন—
সে এবার এইটে পরীক্ষা দিলে তৃতীয় বর্ষে গিয়ে তাকে এসএসসি পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। অথচ তৃতীয় বর্ষও আলেম কোর্সের মৌলিক ক্লাসগুলোর একটি। সেটাও সে ভালোভাবে পড়তে পারবে না, আবার এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিতে পারবে না।
না এদিকে হবে, না ওদিকে হবে।

উনি বললেন—
— হুজুর, ওদিকে পরীক্ষা গ্যাপ দেব।

আমি বললাম—
— এতে তো আপনারই ক্ষতি। তার সার্টিফিকেটটা রেগুলার সার্টিফিকেট হবে না, রি-রেগুলার সার্টিফিকেট পাবে। যার মান তো আর রেগুলার সার্টিফিকেটের মতো নয়।

এর চেয়ে এখন এইটের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়ে সিক্সের রেজিস্ট্রেশন করুন। আমাদের বাচ্চাদের সঙ্গেই পঞ্চম বর্ষে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি একসঙ্গে নিতে পারবে সারা বছর।

এতে পরীক্ষাও ভালো হবে, আবার ভালো আলেমও হতে পারবে। নিচের জামাতগুলোও মজবুতির সঙ্গে শেষ করতে পারবে।

উনি শেষ পর্যন্ত বুঝতেই চাইলেন না। বললেন—
— হুজুর, এভাবে এগিয়ে যাক। দেখা যাক কী হয়।

আমি বললাম—
— কাউকে খুশি করতে গিয়ে, আবার বাচ্চার শিক্ষাজীবনকে প্ল্যানিংয়ের মধ্যে না এনে, এলোমেলো ও অগোছালোভাবে কোনোমতে চালিয়ে নিলে তো আপনার বাচ্চার শিক্ষাজীবন ধ্বংস করা হবে এবং ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখবে সে।

হয়তো আমি আপনাকে বুঝাতে পারিনি। আপনি আমাদের স্যারের সঙ্গে আলাপ করুন। উনার ফোন নম্বর নিন। আমি আমার জায়গা থেকে আপনাকে সঠিকটা বুঝানোর চেষ্টা করেছি। আপনি আরও চিন্তা করুন। প্রয়োজনে আমি আরও আপনাকে সময় দেবো, ইনশাআল্লাহ।

গার্ডিয়ানদের মনে রাখা উচিত --
শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নিয়ে পরিকল্পনা না করলে, অভিজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ না করলে আপনার বাচ্চার ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে পারে।

তাই অবশ্যই ভালো হাফেজ ও ভালো আলেম বানানোর পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষাকে কীভাবে সমন্বয় করে দুই পাশেই ভালো একটি সার্টিফিকেট ও ভ্যালুর ওপর সাক্ষর করা যায়—সেদিকে সবসময় চিন্তা করা উচিত।

আপনার সন্তানের শিক্ষাজীবন আপনার হাতে আমানত। তাই আজকের একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আগামী পাঁচ-দশ বছর সামনে রেখে চিন্তা করুন।

শুধু আজ সে কোন ক্লাসে পড়ছে—এটা দেখবেন না; বরং পাঁচ বছর পর সে কোথায় থাকবে, কী শিখবে এবং কীভাবে একজন যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে—সেটাও দেখুন।

10/08/2026

পৃথিবীর কাছে মূল্যায়ন পেতে হলে শুধু ভালো মানুষ হওয়াই যথেষ্ট নয়; দক্ষ, অভিজ্ঞ, আন্তরিক ও উদ্যমী হওয়াও জরুরি।

আপনি যদি নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা না করে শুধু মানুষের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির প্রত্যাশা করেন—তবে তা নিছক বোকামি।

তাই মানুষের স্বীকৃতির পেছনে ছুটবেন না; বরং নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলুন, যেন আপনার যোগ্যতা ও কর্মই আপনার পরিচয় হয়ে ওঠে।

মনে রাখবেন— যোগ্যতার ঘাটতি রেখে মূল্যায়নের প্রত্যাশা করা যায়, কিন্তু মূল্যায়ন পাওয়ার অধিকার অর্জন করা যায় না।

নিজেকে প্রতিদিন একটু একটু করে দক্ষ, অভিজ্ঞ, আন্তরিক ও উদ্যমী করে তুলুন।
সময় হলে পৃথিবী আপনাকে মূল্যায়ন করবেই।

05/08/2026

যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকে... তখন একজনের মূল্য আকাশ ছুঁয়ে যায়!

রাত তখন অনেক গভীর। চারদিকে নিস্তব্ধতা। মানুষ ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেছে। এমন সময় হযরত শাহ সুলতান আহমদ নানুপুরী রহ. তাঁর খাদেমকে মৃদু স্বরে বললেন,

"আমি কলা খাবো। যাও, বাজার থেকে কিছু কলা নিয়ে এসো।"

খাদেম মনে মনে ভাবলেন, এত রাতে আবার দোকান কোথায় খোলা থাকবে? তবুও মুরব্বির আদেশের সামনে নিজের ধারণাকে স্থান দিলেন না। বিনা প্রশ্নে রওনা হয়ে গেলেন।

বাজারে গিয়ে তিনি অবাক হয়ে দেখলেন, সত্যিই একটি মাত্র দোকান খোলা! আর দোকানের সামনেই ঝুলছে টাটকা কলা।

কলা কিনে হযরতের সামনে পেশ করলেন।

হযরত জিজ্ঞেস করলেন,

"দাম কত নিলে?"

খাদেম বললেন,

"হুজুর, অন্য সময়ের তুলনায় আজ একটু বেশি দাম দিতে হয়েছে। কারণ পুরো বাজারে একটি মাত্র দোকানই খোলা ছিল।"

হযরত মুচকি হেসে বললেন,

"দেখো, একটি মাত্র দোকান খোলা থাকায় কলার মূল্য বেড়ে গেল। ঠিক তেমনি, রাতের শেষ প্রহরে যখন দুনিয়ার অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ডুবে থাকে, তখন যদি একজন বান্দা তার রবের সামনে দাঁড়ায়, আল্লাহ তাআলা তাকে বিশেষ দৃষ্টিতে দেখেন।"

"সেই নির্জন রাতে তার দুই রাকাত তাহাজ্জুদ, তার কাঁপা কণ্ঠের একটি দোয়া, তার চোখের এক ফোঁটা অশ্রু, তার তাসবীহের কয়েকটি শব্দ... আল্লাহর কাছে এমন মূল্য পায়, যা দিনের বহু ইবাদতের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে।"

কত গভীর শিক্ষা লুকিয়ে আছে এই ছোট্ট ঘটনায়!

আজ আমরা কত রাত অকারণে মোবাইলের পর্দার দিকে তাকিয়ে কাটিয়ে দিই। কত রাত গল্প, বিনোদন আর অলসতায় হারিয়ে যায়। অথচ সেই রাতের শেষ অংশেই আমাদের রব বারবার আহ্বান করেন,

"কে আছে, যে আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে দান করব। কে আছে, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।"

হায়! আমরা যদি বুঝতাম, সবার ঘুমের সময় আল্লাহর দরবারে দাঁড়ানোর কী অপরিসীম মূল্য!

হয়তো আমাদের ইবাদত খুব বেশি নয়। হয়তো আমাদের আমল ভাঙাচোরা, অগোছালো, অপূর্ণ। কিন্তু যদি তা হয় গভীর রাতের নির্জনতায়, একান্তে শুধু আল্লাহর জন্য, তবে সেই সামান্য আমলও তাঁর দরবারে অমূল্য হয়ে যায়।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাহাজ্জুদের সৌভাগ্য দান করুন। এমন রাত দান করুন, যখন চোখের অশ্রুতে গুনাহ ধুয়ে যাবে, আর তাঁর রহমতের ছায়ায় আমাদের হৃদয় প্রশান্তি খুঁজে পাবে।

আমীন।

আগ্রহীগণ যোগাযোগ করতে পারেন ইংশাআল্লাহ---
02/08/2026

আগ্রহীগণ যোগাযোগ করতে পারেন ইংশাআল্লাহ---

📢 জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

মাদিনাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পঞ্চগড়-এ ২ জন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইংরেজি ও আরবি ভাষার শিক্ষক এবং ১ জন একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ দেওয়া হবে।

🔹 পদসমূহ:

✅ ইংরেজি ভাষার শিক্ষক
✅ আরবি ভাষার শিক্ষক (পুরুষ)
✅ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর (পুরুষ)

🎓 যোগ্যতা (পদের ভিত্তিতে)

🔹 ইংরেজি শিক্ষক (ভাষা ও সাহিত্য)

# স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যুনতম স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।
# ইংরেজি ভাষায় স্পষ্ট ও সাবলীলভাবে কথা বলা ও লেখার দক্ষতা।
# সনামধন্য প্রতিষ্ঠানে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের ২-৩ বছরের অভিজ্ঞতা।
# স্মার্ট, মার্জিত ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে।
# হাতের লেখা সুন্দর হতে হবে।
# একাডেমিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

🔹 আরবি শিক্ষক (ভাষা ও সাহিত্য) পুরুষ

# ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়/মাদ্রাসা থেকে ন্যুনতম তাকমিল/ফাযিল/অনার্স পাস হতে হবে।
# আরবি ভাষা সাবলীলভাবে কথা বলায় ও লেখায় এবং সাহিত্যে দক্ষ হতে হবে।
# সনামধন্য প্রতিষ্ঠানে আরবী ভাষা ও সাহিত্য ২–৩ বছরের পাঠদানের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
# স্মার্ট, মার্জিত ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে।
# হাতের লেখা সুন্দর হতে হবে।
# একাডেমিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

🔹 একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর (পুরুষ)

# ন্যুনতম স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি সম্পন্ন হতে হবে।
# শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ন্যূনতম ১–২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
# ৩–৪ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
# আরবি ও ইংরেজি উভয় ভাষায় দক্ষ ও একাডেমিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

💰 বেতন: ১৫,০০০ – ৩০,০০০ টাকা (যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে)

📅 আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১ আগস্ট ২০২৬/যোগ্য ও উপযুক্ত শিক্ষক না পাওয়া সাপেক্ষে সময় বাড়ানো হতে পারে।

📧 সিভি পাঠানোর ই-মেইল:
[email protected]
অথবা সরাসরি বা ডাকযোগে নিম্নোক্ত ঠিকানায় সিভি পাঠানো যাবে।
মাদীনাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ।
ব্যারিস্টার বাজার, সদর পঞ্চগড়।

📞 যোগাযোগ: 01577-543606

আলহামদুলিল্লাহ,পঞ্চগড় মাদরাসাতুল মাদীনাহ আদ্যোপান্ত মাদানি নেসাব পড়ুয়া একজন দক্ষ উস্তাযকে পেয়েছেন ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।...
23/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ,পঞ্চগড় মাদরাসাতুল মাদীনাহ আদ্যোপান্ত মাদানি নেসাব পড়ুয়া একজন দক্ষ উস্তাযকে পেয়েছেন ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।

মুহতারাম উস্তাযকে আমরা প্রায় ১ ঘন্টারও বেশি সময় যাবত,তাঁর ছাত্র যামানা,প্রতিষ্ঠান যাচাই,লেখাপড়ার মান যাচাই, বেশকিছু কিতাবের ইন্টারভিউ,আরবী ভাষায় কথোপকথনসহ আরও মৌলিক বিষয়ের যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করেছি ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।

সর্বশেষে আমরা অফিসিয়াল নিয়ম কানুন মেইনটেইন করেই সামনে এগুচ্ছি,প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ-বিয়োগ পদ্ধতি আমরা শতভাগ কার্যকর করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

পঞ্চগড় বাসীর দুআ ও ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সার্বিকভাবে কল্যাণকামী হয়ে আমাদের পাশে থাকলে আমরা আমাদের বৃহত্তর গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো ইংশাআল্লাহ।
ফা-জাজাকুমুল্লাহু আহসানাল জাজা-

পঞ্চগড় মাদরাসাতুল মাদীনাহ এর মাদানি নেসাবের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হাতের লিখা মাশাআল্লাহ,প্রথম সাময়িক পরীক্ষার লিখা ও খাত...
18/07/2026

পঞ্চগড় মাদরাসাতুল মাদীনাহ এর মাদানি নেসাবের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হাতের লিখা মাশাআল্লাহ,প্রথম সাময়িক পরীক্ষার লিখা ও খাতার মুড এই পর্যন্ত আসাটা একান্তই আমাদের উস্তাযগণের পরিশ্রমের ফলাফল আলহামদুলিল্লাহ।

দ্বিতীয় সাময়িক ও তৃতীয় সাময়িকে গিয়ে এই লিখা ও খাতা গুছানো আরও চমৎকার হয়ে উঠবে আশা করছি ইংশাআল্লাহ।

Md Nurujjaman

16/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ আজ থেকে আপনাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান মাদরাসাতুল মাদীনাহ পঞ্চগড়'এর জেনারেল সমন্বিত কিতাব বিভাগের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।

Address

Panchagarh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Madrasatul Madinah Panchagarh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category