11/05/2026
এখনো মানসম্মত হাফেজ সাহেব না পাওয়ায় আবারও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি দিতে হলো----
মাদরাসাতুল মাদীনাহ, পঞ্চগড়-এর হিফজ শাখার জন্য জরুরি ভিত্তিতে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ হাফেজ সাহেব নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রেক্ষাপট:
দাখিল পরীক্ষায় অটোপাশের সুযোগ না থাকায় এবং পড়াশোনার অধিক চাপ থাকায়, আমাদের হিফজখানার একজন সম্মানিত উস্তাদ দাখিল পরীক্ষার প্রস্তুতি ও অধ্যয়নের জন্য বিদায় নিচ্ছেন। ফলশ্রুতিতে, উক্ত শূন্য পদটি পূরণের লক্ষ্যে যোগ্য প্রার্থীর নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে।
প্রার্থীর যোগ্যতা ও গুণাবলি:
হিফজ: স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে হিফজ সম্পন্ন এবং মজবুত ইয়াদ থাকতে হবে।
তাজবিদ: আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদে দক্ষতা থাকতে হবে।
-বিবাহিত হতে হবে।
-মোবাইলের আসক্তি না থাকতে হবে।
প্রশিক্ষণ: হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বা সমমানের স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ থাকতে হবে।
শিক্ষাদান পদ্ধতি: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতি স্নেহশীল এবং আধুনিক ও মনস্তাত্ত্বিক পাঠদান পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ হতে হবে। (শারীরিক ও মানসিক শাস্তি প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)।
আচরণ: নম্র, মার্জিত, সুন্নতি লেবাসধারী ও আমলদার হতে হবে।
সুযোগ-সুবিধা:
সম্মানজনক মাসিক বেতন---১০০০০---১৫০০০/= পর্যন্ত থাকবে ইংশাআল্লাহ।
থাকা ও খাওয়ার সুব্যবস্থা।
যোগাযোগের নিয়মাবলি:
আগ্রহী প্রার্থীদের অতি দ্রুত সরাসরি সাক্ষাৎ অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে তিলাওয়াত, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার প্রমাণাদি পাঠানোর অনুরোধ রইল। যেহেতু পদটি শূন্য হচ্ছে, তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মাদরাসাতুল মাদীনাহ, পঞ্চগড়
ক্যাম্পাস-১: ফায়ার সার্ভিসের বিপরীতে, মাহির পাম্প সংলগ্ন, তেঁতুলিয়া রোড, সদর পঞ্চগড়।
ক্যাম্পাস-২: ডায়াবেটিক হাসপাতালের পশ্চিম সংলগ্ন, তেঁতুলিয়া বাস স্ট্যান্ড, তেঁতুলিয়া রোড, পঞ্চগড়।
পরিচালক:
01765-647958 (কন্টাক্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ)
01707-789090
01881-876741
01/05/2026
জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
মাদরাসাতুল মাদীনাহ, পঞ্চগড়-এর হিফজ শাখার জন্য জরুরি ভিত্তিতে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ হাফেজ সাহেব নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রেক্ষাপট:
দাখিল পরীক্ষায় অটোপাশের সুযোগ না থাকায় এবং পড়াশোনার অধিক চাপ থাকায়, আমাদের হিফজখানার একজন সম্মানিত উস্তাদ দাখিল পরীক্ষার প্রস্তুতি ও অধ্যয়নের জন্য বিদায় নিচ্ছেন। ফলশ্রুতিতে, উক্ত শূন্য পদটি পূরণের লক্ষ্যে যোগ্য প্রার্থীর নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে।
প্রার্থীর যোগ্যতা ও গুণাবলি:
হিফজ: স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে হিফজ সম্পন্ন এবং মজবুত ইয়াদ থাকতে হবে।
তাজবিদ: আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদে দক্ষতা থাকতে হবে।
বিবাহিত হতে হবে।
মোবাইক ব্যবহারের আসক্তি না থাকতে হবে।
প্রশিক্ষণ: হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বা সমমানের স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ থাকতে হবে।
শিক্ষাদান পদ্ধতি: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতি স্নেহশীল এবং আধুনিক ও মনস্তাত্ত্বিক পাঠদান পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ হতে হবে। (শারীরিক ও মানসিক শাস্তি প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)।
আচরণ: নম্র, মার্জিত, সুন্নতি লেবাসধারী ও আমলদার হতে হবে।
সুযোগ-সুবিধা:
সম্মানজনক মাসিক বেতন---১০০০০---১৫০০০/= পর্যন্ত থাকবে ইংশাআল্লাহ।
থাকা ও খাওয়ার সুব্যবস্থা।
যোগাযোগের নিয়মাবলি:
আগ্রহী প্রার্থীদের অতি দ্রুত সরাসরি সাক্ষাৎ অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে তিলাওয়াত, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার প্রমাণাদি পাঠানোর অনুরোধ রইল। যেহেতু পদটি শূন্য হচ্ছে, তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মাদরাসাতুল মাদীনাহ, পঞ্চগড়
ক্যাম্পাস-১: ফায়ার সার্ভিসের বিপরীতে, মাহির পাম্প সংলগ্ন, তেঁতুলিয়া রোড, সদর পঞ্চগড়।
ক্যাম্পাস-২: ডায়াবেটিক হাসপাতালের পশ্চিম সংলগ্ন, তেঁতুলিয়া বাস স্ট্যান্ড, তেঁতুলিয়া রোড, পঞ্চগড়।
পরিচালক:
01765-647958 (কন্টাক্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ)
01707-789090
01881-876741
27/03/2026
মাদরাসাতুল মাদীনাহ পঞ্চগড়-২০২৬ ইং শিক্ষাবর্ষের বা'দ রামাদান সেশনে ভর্তি কার্যক্রম আজ আসরের পর থেকেই শুরু হবে ইংশাআল্লাহ।
25/03/2026
কিতাবখানার প্রাথমিক ৩ বছর কি আরবী ভাষা শেখা মূল হবে নাকি উর্দু-ফার্সি? আরবী ভাষা শিখতে মাধ্যম কি মাতৃভাষা হবে নাকি উর্দু-ফার্সি ভাষা?
কোনো ভাই যদি দ্বিমত পোষণ করেন-যৌক্তিক ও বাস্তবতার নিরিখে দ্বিমত পোষণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো --
প্রথম বর্ষ (মিজান), দ্বিতীয় বর্ষ (নাহবেমীর) এবং তৃতীয় বর্ষ (হেদায়েতুননাহু)—এই তিন বছর হলো আরবী ভাষা শেখার প্রধান সময়। এর মধ্যেই আরবী ভাষার মজবুত ফাউন্ডেশন বা ভিত্তি তৈরি করে নিতে হয়।
কেননা কুরআন ও সুন্নাহ অবতীর্ণ হয়েছে আরবী ভাষায়। কুরআন ও সুন্নাহের ব্যাখ্যাগ্রন্থ, ফিক্বহ ফাতওয়া, তাফসির, উলুমুল হাদিসসহ ধর্মীয় উলুম ও ফুনুনের গ্রন্থাদি সবিই আরবী ভাষায়। তাই এই দীর্ঘ ইলমী সফর পাড়ি দিতে মূল মাধ্যম হলো আরবী ভাষা। সুতরাং আরবী ভাষা দক্ষতা ও গভীরতা অর্জন করতে হবে কিতাব বিভাগের প্রাথমিক এই ৩ বছরেই।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, তাইসিরসহ এই চার বছরের সিলেবাসকে উর্দু ও ফার্সি দিয়ে এমনভাবে সাজানো হয়েছে এবং পড়ানোর পদ্ধতি এমন রাখা হয়েছে, যার ফলে একজন ছাত্র উর্দু-ফার্সিতে দক্ষ হলেও আরবী ভাষায় একেবারেই কাঁচা থেকে যায়। এমনকি আরবীর নূন্যতম বেসিকটাও তার হাসিল হয় না।
কেন এই ভিত্তি নড়বড়ে হচ্ছে?
ভালো মানের কিতাব বুঝনেওয়ালা আলেম হওয়ার জন্য এটিই ছিল মূল বুনিয়াদ। কিতাবখানার এই তিন চার বছর শেষ করার পর যদি একজন ছাত্র আরবী ভাষায় 'শূন্য' থেকে যায়, তবে তার পুরো ইলমি ইমারতটিই নড়বড়ে হয়ে যায়। এই প্রাথমিক ৩ /৪ বছর যদি ছাত্রদের আরবী ভাষার মূল দুই অধ্যায় নাহু-সরফ শিখতে গিয়ে উর্দু-ফার্সি ভাষার গোলকধাঁধায় ঘুরতে ঘুরতে সময় নষ্ট, মেধার অপচয়, পরবর্তীতে আরবি কিতাবাদী না বুঝতে পারায় লেখাপড়ার আগ্রহ নষ্ট হয় এবং ভিত ও ফাউন্ডেশন নড়বড়ে হওয়ায় ইমারাতের চূড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম না হয়, তবে তাদের জন্য এটি জীবন ধ্বংসাত্মক ছাড়া আর কী হতে পারে?
ফলাফলস্বরূপ, সে হয় মাঝপথে ঝরে যায়, অথবা দাওরায়ে হাদিস শেষ করে কিতাব না বুঝেই। কেবল উর্দু ফার্সি নোট ও শরাহ পড়ে যারা ডিগ্রিধারী আলেম হয়ে বের হয়ে আসে, তাদের যোগ্যতা সামান্যই অর্জিত হয়।
আমার প্রশ্ন ও যৌক্তিকতা:
আমি বলছি না যে উর্দু শিখবেন না, কিন্তু প্রশ্ন হলো—আরবী শিখতে অন্য ভাষার সাহায্য কেন লাগবে? উর্দু বা ফার্সিকে কেন মাধ্যম বানাতে হবে? সরাসরি মাতৃভাষা বাংলাকে কেন মাধ্যম বানানো যায় না?
লক্ষ্য করুন, ফার্সিওয়ালারা যখন আরবী ব্যাকরণ পড়ে, তারা কি অন্য কোনো ভাষার সাহায্য নেয়? কক্ষনো না! তারা তাদের মাতৃভাষাকেই মাধ্যম বানায়। উর্দুওয়ালারাও প্রাথমিক আরবী বুঝতে অন্য কোনো ভাষার তোয়াক্কা করে না। এক সময় আমাদের অঞ্চলের কিতাবগুলো উর্দু-ফার্সিতেই ছিল, তাই তখন সেই ভাষায় পড়া ছিল সময়ের বাধ্যবাধকতা। কিন্তু এখন যখন প্রাথমিক আরবী ও ব্যাকরণের সব উন্নত কিতাব বাংলাতেই আছে, তখন ভিনদেশী ভাষার গোলকধাঁধায় ঘোরানো কি যুক্তিসঙ্গত?
একটি বাস্তব উপমা:
"মহাসড়কের মাঝখানে বিশাল গর্ত তৈরি হলে তা দ্রুত বন্ধ করা জরুরি। এখন সেই গর্ত ভরাট করার জন্য যদি আমরা পাকিস্তান বা ইরান-ইরাক থেকে কোদাল-ডালি আনিয়ে সময়ক্ষেপণ করি, তবে সেই সড়কে যাতায়াতকারী মানুষগুলো দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ধ্বংস হবে। বরং হাতের কাছে থাকা 'দেশি কোদাল-ডালি' দিয়েই সেই গর্ত ইমার্জেন্সি বন্ধ করা বুদ্ধিমানের কাজ। এটাই যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত।"
উর্দু-ফার্সি শিখাতে শিখাতে আমরা ছাত্রদের বয়স বাড়িয়ে দিচ্ছি। একটা পর্যায়ে উর্দু-ফার্সির আধিক্যের কারণে আরবী কিতাবাদি না বুঝতে পেরে অনেক ছাত্র দাওরা পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারে না। আর যারা পৌঁছায়, তাদের অধিকাংশ কিতাব বুঝে না। বহাতেগোনা কয়েকজন বুঝলেও তারা শুধু 'দরসি' কিতাব উর্দু বা বাংলা নোট দেখে বুঝেই ক্ষান্ত হয়ে যায়; বাইরের 'ফন্নি' (গবেষণামূলক) কিতাব পড়ার সাহস পায় না।(-ইল্লা-মাশাআল্লাহ)। এর মূল দায় হলো—উর্দু-ফার্সিকে ইলম শেখার মূল মাধ্যম বানিয়ে দেওয়া। এটি শেষ পর্যন্ত ছাত্রদের অপূরণীয় ক্ষতিই ডেকে আনছে।
সমাধানের পথ:
ইমার্জেন্সি ভিত্তিতে মাতৃভাষায় ছাত্রদের প্রাথমিক এই ৩/৪ বছরকে আরবী ভাষাভ্যাস ও মূল ফাউন্ডেশনের বছর বানাতে হবে। তবেই তারা শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে হিম্মত হারাবে না এবং গভীর ইলমধারী 'ফন্নি আলেম' হতে পারবে। এতে তাদের বয়সও কম লাগবে, সময় বাঁচবে এবং কোনো মানসিক ক্লান্তি ছাড়াই তারা এগিয়ে যেতে পারবে।
বর্তমান যুগে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ফার্সি ও ফালসাফাহ নিয়ে পড়ে থাকা মানে হলো বাজারে অচল মুদ্রা নিয়ে ঘোরাফেরা করার নামান্তর। এটি আমার কথা নয়,বরং মুফতীয়ে আজম হযরত মাওলানা মুফতী শফী (রহ.) আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগেই বলে গেছেন। যার উদ্ধৃতি হযরত মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব (দা.বা.) মাসিক আল-কাউসারে অনুবাদ করে দিয়েছেন।
হযরত মুফতী শফী (রহ.)-এর ঐতিহাসিক নস ও সতর্কবার্তা:
"آج کے دور میں فارسی زبان اور قدیم فلسفہ کی حیثیت ان کھوٹے سکوں کی سی ہے جو اب بازار میں نہیں چلتے۔ جس طرح بازار میں کھوٹا سکہ لے کر جانے والا رسوا ہوتا ہے, اسی طرح جو طالب علم صرف انہی علوم پر اکتفا کرتا ہے وہ عصری تقاضوں سے کٹ جاتا ہے۔"
"বর্তমান যুগে ফার্সি ভাষা এবং প্রাচীন দর্শনের (ফালসাফাহ) অবস্থা সেই অচল মুদ্রার (Counterfeit coin) মতো, যা এখন আর বাজারে চলে না। বাজারে অচল মুদ্রা নিয়ে গেলে মানুষ যেমন অপদস্থ হয়, তেমনি যে ছাত্র কেবল এই ইলমগুলোর ওপর নির্ভর করে বসে থাকে, সে সমসাময়িক চাহিদা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।"
(সূত্র: মাজালিসে মুফতীয়ে আজম)
শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.)-এর দিকনির্দেশনা:
হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আল-ফাউজুল কাবীর'-এর ভূমিকায় অপ্রাসঙ্গিক জটিলতার ব্যাপারে বলেছেন:
"زمانه را بر فہم کتاب اللہ حریص یافتم، و طالبان علم را از تطويلات مفسرین و تکلفات نحویین و صرفیین متنفر دیدم।"
"আমি বর্তমান যুগের মানুষকে আল্লাহর কিতাব বোঝার জন্য উন্মুখ পেয়েছি, কিন্তু মুফাসসিরদের অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ আলোচনা এবং নাহু-সরফবিদদের অনর্থক জটিলতায় ইলম অন্বেষণকারীদের (তালিবে ইলমদের) বিতশ্রদ্ধ হতে দেখেছি।" (তিনি মূল মাকসাদ অর্থাৎ আরবী ভাষা ও কুরআন বোঝার পথে কৃত্রিম বাধা দূর করার তাগিদ দিয়েছেন)।
মুফতী তাকী উসমানী (দা.বা.)-এর বাস্তবসম্মত পরামর্শ:
তিনি তাঁর 'দর্সে নিজামী: এক জাইজা' কিতাবে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে লিখেছেন:
"اب وقت آ گیا ہے کہ ابتدائی عربی کتابیں مقامی زبان میں پڑھائی جائیں تاکہ طالب علم عربی زبان کے بنیادی قواعد کو سمجھ سکے اور اردو فارسی سیکھنے میں اپنا وقت ضائع نہ کرے۔"
"এখন সময় এসেছে যে, প্রাথমিক আরবীর কিতাবগুলো স্থানীয় ভাষায় (মাতৃভাষায়) পড়ানো হোক, যাতে ছাত্র আরবী ভাষার মৌলিক নিয়মাবলি সহজে বুঝতে পারে এবং উর্দু-ফার্সি শিখতে গিয়ে নিজের (মূল আরবী শেখার) মূল্যবান সময় নষ্ট না করে।"
আমরা দরসে নিজামীর বিদ্বেষী নই। সেই নেসাবের অবদান ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত। কিন্তু বর্তমানে প্রাথমিক এই ৩ /৪ বছরে যে সংকট আমরা দেখতে পাচ্ছি, তার বিকল্প এবং বাস্তবমুখী সমাধান কেবলই মাদানি নেসাব। ছাত্রদের সময়ের মূল্যায়ন এবং তাদের ইলমি গভীরতা নিশ্চিত করতে আমাদের এই পদ্ধতিতে ফিরে আসাটা সময়ের দাবী।
আপনার দোয়া ও পরামর্শের অপেক্ষায়,
মুখতার হানিফী-
পরিচালক, মাদরাসাতুল মাদীনাহ পঞ্চগড়।