কৃষি বিতান

কৃষি বিতান

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কৃষি বিতান, Education, Panchagarh.

31/03/2026

🌾 ধানে শীষ বের হওয়ার সময় পাতা পোড়া রোগের সমাধান 🌾

​ধানের শীষ বের হওয়া বা ফ্লাওয়ারিং স্টেজ অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। এই সময়ে ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট (পাতা পোড়া) রোগ দেখা দিলে ফলন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই দ্রুত ও সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

​✅ ১. রোগের মূল চিকিৎসা (ব্যাকটেরিয়ানাশক) 🛡️
​পাতার পোড়া ভাব থামাতে এবং শীষ রক্ষায় নিচের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন:
​বিসমার্থিওজল (Bismerthiazol): প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম (যেমন: স্টপ বা ব্যাকট্রো) মিশিয়ে স্প্রে করুন।
​মিশ্রণ: প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম কপার অক্সিক্লোরাইড (যেমন: কুপ্রাভিট বা ডিটক্স) এবং ২ গ্রাম
স্ট্রেপ্টোমাইসিন (যেমন- ব্যাট্রোবান মিশিয়ে স্প্রে করুন।
অথবা কাসুগামাইসিন+ ট্রাইসাক্লাজল (কাইসিন)

✅ ২. শীষের সুরক্ষা ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি (ছত্রাকনাশক) 💎
​শীষ যাতে কালচে না হয় এবং দানা যেন পুষ্ট ও ঝকঝকে হয়, সেজন্য উপরের ওষুধের সাথে নিচের যেকোনো একটি মেশাতে পারেন:
​ফিলিয়া বা ট্রুপ: প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি (ট্রাইসাইক্লাজল + প্রোপিকোনাজল)।
​এমিস্টার টপ বা নাটিভো: প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি (এজোক্সিস্ট্রবিন + ডিফেনোকোনাজল)। এটি দানার মান ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
​⚠️ বিশেষ সতর্কতা (অবশ্যই পালনীয়):
​⏰ সঠিক সময়: সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ধানের ফুল ফোটে। এই সময়ে কখনো স্প্রে করবেন না; এতে পরাগায়ণ ব্যাহত হয়ে দানা চিটা হতে পারে। সবসময় বিকেল বেলা রোদ পড়ে গেলে স্প্রে করুন।
​🚫 ইউরিয়া বন্ধ: এই মুহূর্তে জমিতে ইউরিয়া সার দেওয়া একদম বন্ধ রাখুন।
​💎 পটাশ সার: প্রতি শতাংশে ২৫০-৩০০ গ্রাম এমওপি (পটাশ) সার উপরিপ্রয়োগ করলে গাছ রোগ দ্রুত কাটিয়ে উঠবে।
​💧 পানির অভাব: জমিতে পর্যাপ্ত রস বা পানি ধরে রাখুন যাতে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।

30/03/2026

🌾 ধানের মাজরা পোকা ও "সাদা শিষ" দমন 🌾
​ধানের কাইচথোড় বা থোড় অবস্থায় মাজরা পোকার আক্রমণ হলে "সাদা শিষ" দেখা দেয়। এটি প্রতিরোধে অবশ্যই মানসম্মত কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। 🛠️

​🚀 সেরা ১০টি কীটনাশক ও প্রয়োগমাত্রা (প্রতি লিটার পানিতে):
​💥 ইনসিপিয়ো: ০.৫ মিলি
💥 বেল্ট এক্সপার্ট: ১ মিলি
💥 ভায়াগো: ১ মিলি
💥 রেডকার্ড: ১.৫ গ্রাম
💥 লড়াকু: ১.৫ গ্রাম
💥 লজিক্যাল: ১ গ্রাম
💥 গ্রিপ: ২ গ্রাম
💥 সানটাপ: ২.৪ গ্রাম
💥 বাতি: ০.৫ গ্রাম
💥 একুশে: ১.৫ মিলি

​📌 পরামর্শ: সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করে আপনার ফসল রক্ষা করুন। 🛡️


🤵‍♂️পরামর্শে
👨‍🌾 কৃষ্ণপদ দেবনাথ
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।

​ #মাজরাপোকা #সাদা_শিষ #ধানের_যত্ন #কীটনাশক #কৃষি_পরামর্শ #বাংলাদেশ #সুনামগঞ্জ #সিলেট

29/03/2026

⛔⛔ভুল সময়ে স্প্রে করে ফসলের উৎপাদন হ্রাস করছেন নাতো?? শীষ বের হওয়ার পর ফুল ঝরে না পরা পর্যন্ত স্প্রে করলে ধানে চিটা পাতান বৃদ্ধি পায়।

স্প্রের সঠিক সময়ঃ কাচ থোর অবস্থায় সবথেকে অধিক কার্যকর, এ সময় স্প্রে করলে ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
অথবা
ফুল ঝরে পরার পর স্প্রে করতে হবে।

বিঃদ্রঃ বিশেষ প্রয়োজনে যে কোন সময় স্প্রে করতে হবে,
যেমন, কারেন্ট পোকার আক্রমণ হলে।
শীর্ষ ব্লাষ্ট এর প্রভাব দেখা দিলে।

20/03/2026

🌾 কীটনাশক কিনতে গিয়ে এখনও দ্বিধায়?
দোকানদার যা দেয় তাই নিচ্ছেন… কিন্তু ফলন কমছে, খরচ বাড়ছে? 🤔

সময় এসেছে স্মার্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার! 💡
মাত্র ৫টি বিষয় বুঝলেই আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন—কোন কীটনাশক আপনার ফসলের জন্য সঠিক 👇

🔹 ১. কন্টাক্ট কীটনাশক
পোকা গায়ে লাগলেই কাজ শুরু করে। পাতার উপর থাকা পোকা দমনে দারুণ কার্যকর।

🔹 ২. সিস্টেমিক কীটনাশক
গাছের ভেতরে ঢুকে রসের সাথে ছড়িয়ে পড়ে। লুকিয়ে থাকা বা ভেতরের পোকা মারতে সবচেয়ে শক্তিশালী।

🔹 ৩. স্টোমাক পয়জন
পোকা খেলে তবেই কাজ করে। পাতা খেকো পোকাদের জন্য একদম পারফেক্ট।

🔹 ৪. ফিউমিগেন্ট
গ্যাসের মতো কাজ করে। গুদাম বা সংরক্ষিত ফসলের পোকা দমনে ব্যবহার হয়।

🔹 ৫. রিপেলেন্ট
পোকাকে দূরে রাখে। আক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

ভুল নয়—
পোকা দেখুন ➝ ধরন বুঝুন ➝ সঠিক কীটনাশক নির্বাচন করুন

🌱 স্মার্ট কৃষক হতে চাইলে জ্ঞানই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি

📢 এই পোস্টটি শেয়ার করুন—
আপনার একটি শেয়ারই অন্য একজন কৃষককে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে 🙌

10/03/2026

🌾 বোরো ধানের শীষ বের হওয়ার সময় সেচ ব্যবস্থাপনা

বোরো ধানের শীষ বের হওয়ার সময় (Heading/Panicle emergence stage) ধানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায়। এই সময়ে সঠিক সেচ ব্যবস্থাপনা না হলে ধানের শীষে ধান কম ধরতে পারে এবং ফলন কমে যায়।

💧 সেচ ব্যবস্থাপনার নিয়ম

১. জমিতে পাতলা পানির স্তর রাখা

শীষ বের হওয়ার সময় জমিতে প্রায় ৫–৭ সেমি পানি রাখা ভালো।

জমি কখনোই শুকিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।

২. নিয়মিত পানি পর্যবেক্ষণ

২–৩ দিন পরপর জমির পানির অবস্থা দেখা উচিত।

পানি কমে গেলে দ্রুত সেচ দিতে হবে।

৩. ফুল আসার সময় বিশেষ যত্ন

শীষ বের হওয়ার পর ফুল আসার সময় পানি খুবই দরকার।

এই সময় পানির অভাব হলে ধানের দানা অপূর্ণ হতে পারে।

৪. অতিরিক্ত পানি না রাখা

খুব বেশি পানি জমে থাকলে গাছ দুর্বল হতে পারে।

তাই মাঝারি গভীরতার পানি রাখা ভালো।

৫. খাল বা নালা ঠিক রাখা

জমিতে সেচ ও পানি বের হওয়ার জন্য ছোট নালা রাখলে পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

এই সময় জমি শুকিয়ে গেলে ফলন ১৫–২০% পর্যন্ত কমতে পারে।

তাই শীষ বের হওয়া থেকে দুধ আসা পর্যন্ত নিয়মিত সেচ নিশ্চিত করা জরুরি।

✅ সংক্ষেপে:
বোরো ধানের শীষ বের হওয়ার সময় জমিতে ৫–৭ সেমি পানি ধরে রাখা, জমি শুকাতে না দেওয়া এবং নিয়মিত সেচ দেওয়াই ভালো ফলনের প্রধান শর্ত।

09/03/2026

#বোরো_ধান_আবাদে_রোগ_পোকা_দমনে_স্প্রে_সিডিউলঃ

#প্রথম_পর্যায়ে_স্প্রেঃ

ধানের চারা রোপনের ৩০-৩৫ দিনেঃ
#মাজরা পোকা+পাতামোড়ানো পোকা দমনে নিচের যে কোন একটি কীটনাশক
#বেল্ট_এক্সপার্ট৪৮এসসি
#ইনসিপিয়ো
#লড়াকু৮০ডাব্লিউডিজি
#লজিক্যাল৯৩এসপি
#গলফ৬০ডাব্লিউপি
#রেডকার্ড২০ডাব্লিউডিজি
#মাইনেকট্রো_এক্সট্রা যে কোন একটি কীটনাশক অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে পারেন।
অথবা

#ভিরতাকো৪০ডাব্লিউডিজি
#সানসালফন২০ইসি/
#মারর্শাল২০ইসি/
#এডভান্টেজ২০ইসি/ প্রতি লিটারে পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। অথবা

#সানটাপ_প্লাস৫০ডাব্লিউপি/ওয়ান স্টপ/ এইম গোল্ড/ কমরেড/আলটিমা প্লাস অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে পারেন অথবা

#কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক
#ব্রাভো৫০এসপি
#সানটাপ৫০এসপি
#ফরাটাপ৫০এসপি
#কার্টাপ৫০এসপি
#মিমটাপ৫০এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। #সাথে

#খোলপোড়া ও পাতা ব্লাষ্ট দমনের জন্যঃ
স্ট্রবিন জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন-
(এজোক্সিস্ট্রোবিন+সিপ্রোকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন:
#কারিশমা২৮এসসি
#নাভারা২৮এসসি
#তারেদ২৮এসসি
#এসিবিন২৮এসসি
#টিপঅফ২৮এসসি
যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। #অথবা

#এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনাকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন:
#এমিস্টার টপ/৩২.৫ ইসি
এমিকোর৩২.৫ ইসি
এমিস্কোর ৩২.৫ ইসি
সানজক্সি ৩২.৫ ইসি
এজকর ৩২.৫ ইসি
এনডোভার ৩২.৫ ইসি
যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ এমএল হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।

#দ্বিতীয়_পর্যায়ে_স্প্রে:
এছাড়াও ৫০-৯০ দিনের মধ্যে যদি বোরো ধানের পাতার কিনারা হলুদ হয়ে যায়/ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতা পোড়া (বিএলবি) রোগ দেখা যায় তাহলেঃ

#করণীয়:
ক) জমির পানি বের করে দিয়ে জমি ভেদে ৭-১০ দিন শুকনো রাখতে হবে।
খ) রোগাক্রান্ত ক্ষেতে বিঘা প্রতি (৩৩ শতাংশ) ৫-৭ কেজি এমওপি (পটাশ) সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

গ) এ সময় ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা যাবে না।
এবং
প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম সালফার (থিয়োভিট/কুমুলাস/ফসলভিট/সালফেক্স/গেইভেট/হাদিয়াভিট/ম্যাকসালফার/ মাইক্রোথিয়ল স্পেশাল ৮০ ডাব্লিউপি) সাথে+

প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম কুইক পটাশ/ফাষ্ট পটাশ সার এবং +
প্রতি লিটার পানিতে চিলেটেড জিংক ০.২৫ গ্রাম (১০ লিটারে ২.৫ গ্রাম) হারে একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

তাপরও যদি রোগের আক্রমণ না কমে। বরং রোগের আক্রমন বেশি হয় তাহলে করণীয়:

#বিসমাথিওজল গ্রুপের ব্যাকটেরিয়ানাশক -
#ব্যাকট্রোবান২০ডাব্লিউপি
#ব্যাকট্রল২০ডাব্লিউপি
#রাদি ২০ডাব্লিউপি
#অটোব্যাক২০ডাব্লিউপি
#বিসমাজল২০ডাব্লিউপি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। তারপরে

#তৃতীয়_পর্যায়ে_স্প্রে:
ধানের চারা রোপনের ৭০-৮০ দিনের মধ্যেঃ

#মাজরা পোকা+গান্ধী+লেদা পোকা+পাতা মোড়ানো পোকা৷ আক্রমন করলে দমনের জন্যঃ

#সানটাপ প্লাস ৫০ ডাব্লিউ পি প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন অথবা
(এসিটামিপ্রিড ৩%+কারটাপ ৯২%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন
#কার্টাপ্রিড৯৫এসপি/
#বাতির৯৫এসপি/
#এসিপ্রিড_প্লাস৯৫এসপি/
#ক্যাপ্রিড৯৫এসপি/
প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। #অথবা
( #থায়ামেথাক্সাম+এমামেকটিন বেনজোয়েট) গ্রুপের কীটনাশক
#এন্টিবোরার
#ইরিক্স
#আলটিমা প্লাস
#এম্পেরিয়র ৪০ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। অথবা
#বেল্ট_এক্সপার্ট/
#ইনসিপিয়ো
#রেডকার্ড
#ওয়ান স্টপ
#এইম গোল্ড
#মাইনেকট্রো এক্সট্রা যে কোন একটি কীটনাশক অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে পারেন।
#সাথে

#নেক ব্লাষ্ট+লক্ষির গু/খোল পঁচা রোগের আক্রমণ হলে বা আগাম প্রতিষেধক হিসেবে
#স্ট্রমিন৭৫ডাব্লিউপি
#নাটিভো৭৫ডাব্লিউপি
#টেকোবিন৭৫ডাব্লিউপি
#ম্যাকভো৭৫ ডাব্লিউপি
#ব্লাষ্টিন৭৫ডাব্লিউপি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

#চর্তুথ_পর্যায়ে_স্প্রে:
নেক ব্লাষ্ট (শীষ ব্লাষ্ট) রোগ আক্রমণ করলে তারপরে
#ট্রাইসাইকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন:
#ট্রুপার৭৫ডাব্লিউপি
#দিফা৭৫ডাব্লিউপি
#জিল৭৫ডাব্লিউপি
#ইউমোক৭৫ডাব্লিউপি
#তেরাজোল৭৫ডাব্লিউপি
াইক্লোজোল৭৫ডাব্লিউপি
#সায়ানোজল৭৫ডাব্লিউপি
#স্টেনজা৭৫ডাব্লিউপি
#সামার৭৫ডাব্লিউপি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৮ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।

#এছাড়া
উল্কা/সিলেক্ট প্লাস/ ফিলিয়া/সানজোল/বীর/নীলাজল/সেলটিমা/ ফলিকুর/টপসিন এম/হেডলাইনটিম/সানফাইটার/সাজোলী/কেমোজল অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে পারেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
১/ প্রতি শতক জমিতে ২ লিটার পানি স্প্রে করতে হবে।
২/ স্প্রে শেষ বিকেলে করতে হবে।
৩/ সঠিক মাত্রায় মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
#দুপুর বেলা বা ৩৫°+ তাপমাত্রায় বালাইনাশক স্প্রে করা যাবে না।

06/03/2026

লিটোসেন (Litosen) সাধারণত একটি কৃষি স্প্রে পণ্য, যা ফসলে বৃদ্ধি উদ্দীপক (growth promoter) ও পুষ্টি সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এতে সি-উইড এক্সট্রাক্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট থাকে (কোম্পানি ভেদে উপাদান ভিন্ন হতে পারে)।
🌾 লিটোসেন এর কাজ:
গাছের বৃদ্ধি বাড়ায় – পাতা, কান্ড ও শিকড়ের বৃদ্ধি উন্নত করে।
ফুল ও ফল ধরা বাড়ায় – ফল ঝরা কমাতে সাহায্য করে।
গাছের স্ট্রেস কমায় – খরা, ঠান্ডা, অতিরিক্ত গরম বা স্প্রে শকের পর গাছ দ্রুত রিকভারি পায়।
পাতা সবুজ ও সতেজ রাখে – ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে।
ফলন ও গুণগত মান উন্নত করে।
🌽 ধান বা ভুট্টায় ব্যবহার:
কাইচ থোড়/মোচা আসার আগে বা ফুল আসার সময় স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
সাধারণত ৮০–১০০ মি.লি. প্রতি ১০ লিটার পানিতে (লেবেল অনুযায়ী ডোজ মানা উচিত)।

02/03/2026

ফসলের জমিতে কম্পোস্ট সার ব্যবহার খুবই উপকারী। এটি জৈব সার, যা পচা গোবর, খড়, আগাছা, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট ইত্যাদি থেকে তৈরি করা হয়।
🌱 কম্পোস্ট সারের উপকারিতা
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে
মাটির গঠন উন্নত করে (ঝুরঝুরে করে)
জমিতে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়
উপকারী জীবাণু বৃদ্ধি করে
দীর্ঘমেয়াদে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন কমায়
📌 প্রয়োগের সময়
জমি চাষের শেষ চাষের সময় মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়।
রোপণের ১০–১৫ দিন আগে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
📏 প্রয়োগের মাত্রা (সাধারণ নিয়ম)
প্রতি শতকে ১৫–২০ কেজি
(মাটির অবস্থা ও ফসল অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে)

01/03/2026

ফসলে বোরণ (Boron) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অণুখাদ্য (Micronutrient)। অল্প পরিমাণে দরকার হলেও এর ঘাটতি হলে ফলন অনেক কমে যেতে পারে।
🌱 ফসলে বোরণের প্রধান কাজ
ফুল ও ফল গঠন ভালো করে
বোরণ ফুল ঝরা কমায় এবং পরাগায়ন (pollination) ও ফল সেটিং ভালো করে।
👉 ভুট্টা, সরিষা, ধান, সবজি ও ফল গাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
দানা/শস্য ভরাটে সাহায্য করে
যেমন ভুট্টার মোচায় দানা ফাঁকা হওয়া কমায়।
কোষ বিভাজন ও নতুন কুঁড়ি গঠনে সহায়তা করে
গাছের আগা ও শিকড়ের বৃদ্ধি ভালো হয়।
চিনি ও খাদ্য পরিবহনে সাহায্য করে
পাতায় তৈরি খাবার গাছের অন্য অংশে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
গাছকে শক্ত ও সবল রাখে।
⚠️ বোরণের ঘাটতির লক্ষণ
ফুল ঝরে যায়
ফল/শস্য ফাঁপা বা বিকৃত হয়
আগা শুকিয়ে যায়
শিকড় দুর্বল হয়
আপনি যেহেতু নিয়মিত ভুট্টা ও ধান চাষ করেন,
👉 ভুট্টায় সাধারণত ১–১.৫ কেজি বোরণ (বোরিক অ্যাসিড বা সলিউবল বোরণ) প্রতি বিঘা যথেষ্ট।
👉 স্প্রে করলে ১ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে দেওয়া যায়।

01/03/2026

🌽 ভুট্টার ফল আর্মিওয়ার্ম (Fall Armyworm) পরিচিতি ও দমন
ভুট্টার সবচেয়ে ক্ষতিকর পোকাগুলোর একটি হলো ফল আর্মিওয়ার্ম —
এর বৈজ্ঞানিক নাম: Spodoptera frugiperda
🔎 পরিচিতি
এটি এক ধরনের শুঁয়োপোকা (লার্ভা)
মাথায় উল্টানো “Y” চিহ্ন থাকে
গায়ের রঙ সবুজ, বাদামি বা কালচে
দ্রুত বংশবিস্তার করে
ডিম পাড়ে পাতার নিচে গুচ্ছ আকারে
⚠️ ক্ষতির লক্ষণ
কচি পাতায় ছিদ্র ও কাটা দাগ
পাতার ভেতরের অংশ খেয়ে ফেলে
গাছের মাঝের মোড় (whorl) অংশে লুকিয়ে থাকে
মোচা ও দানায় আক্রমণ করলে ফলন মারাত্মক কমে যায়
👉 আক্রমণ বেশি হলে পুরো জমি নষ্ট হতে পারে।
✅ কার্যকর দমন পদ্ধতি
১️⃣ আগাম সতর্কতা
নিয়মিত জমি পরিদর্শন করুন (৩–৪ দিন পরপর)
প্রতি ১০০ গাছে ৫–১০টির বেশি আক্রান্ত হলে ব্যবস্থা নিন
২️⃣ যান্ত্রিক দমন
ডিমের গুচ্ছ হাত দিয়ে নষ্ট করুন
আক্রান্ত গাছের মোড়ের ভেতর বালি বা ছাই দিন (কচি অবস্থায় কার্যকর)
৩️⃣ জৈব দমন
নিম তেল (৫ মি.লি./লিটার পানি) স্প্রে
Bt (Bacillus thuringiensis) ভিত্তিক বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহার
৪️⃣ রাসায়নিক দমন (প্রয়োজনে)
নিম্নের যেকোনো একটি ব্যবহার করা যায়—
Chlorantraniliprole
Emamectin benzoate
Spinetoram
📌 স্প্রে করার নিয়ম:
সকাল বা বিকালে স্প্রে করুন
গাছের মোড়ের ভেতরে ও পাতার নিচে ভালোভাবে দিন
একই ওষুধ বারবার ব্যবহার করবেন না (রেজিস্ট্যান্স এড়াতে)।

01/03/2026

#ধানের কাইচ থোড় পর্যায়ে করণীয় বিষয়ে ব্রি’র পরামর্শ

ধানের সম্ভাব্য বৃদ্ধির পর্যায়, কাইচ থোড় অবস্থায় চাষিদের কী করতে হবে সে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ সময়ে কোনো সারের প্রয়োজন নেই। শামা ও ফুল্কা ঘাসে এসময় ফুল বের হয়। তাই শামা ও ফুল্কা ঘাস থাকলে পরিষ্কার করতে হবে।

💧সেচ ব্যবস্থাপনা: গাছ বৃদ্ধির এ পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে ভেজা ও শুকানো পদ্ধতিতে সেচ দেওয়া যাবে না। ফুল ফোটার আগ পর্যন্ত এসময় জমিতে ৫ সেন্টিমিটার দাঁড়ানো পানি রাখতে হবে। পানির ঘাটতি হলে ধানের ফলন কমে যেতে পারে।

🦗কীটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা: কাইচ থোড় পর্যায়ে ধানে মাজরা, বাদামি গাছফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা, পামরী ও ইঁদুরের আক্রমণ হতে পারে। জমিতে আলোক ফাঁদ (পামরী ব্যতীত) ব্যবহার করা, নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করা, ডালপালা পুঁতে দেওয়া, হাত জাল দিয়ে পোকা ধরা, ডিম ও কীড়া ধ্বংস করা অব্যাহত রাখতে হবে।

সর্বোচ্চ কুশি থেকে কাইচ থোড় পর্যায়ে মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক কার্টাপ প্লাস, ভিরতাকো, ডায়াজিনন, কার্বোফুরান, মেলাথিয়ন, ডার্সবার্ন ইত্যাদি পরিমিত মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্রি বলছে, পামরী পোকার আক্রমণে শতকরা ৩৫ ভাগ পাতা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মার্শাল ২০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ (দেড়) মিলিলিটার কীটনাশক মিশিয়ে জমিতে প্রয়োগ করুন। এ সময়ে জমির শতকরা ৫০ ভাগ গোছায় ২-৪ টি ডিম ওয়ালা স্ত্রী বাদামি গাছফড়িং বা ১০-১৫টা বাচ্চা পোকা বা উভয়ই দেখা গেলে এবামেক্টিন, সফসিন, মিপসিন ইত্যাদি কীটনাশক পরিমিত মাত্রায় স্প্রে মেশিনের সাহায্যে গাছের গোড়ায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
ইঁদুরের গর্ত খুঁড়ে, বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ, বিষটোপ ও বিভিন্ন ধরনের জৈবিক পদ্ধতির সহযোগিতায় ইঁদুর দমন করা যেতে পারে।

✅রোগবালাই ব্যবস্থাপনা: ধান গাছের এ পর্যায়ে আবহাওয়ার বর্তমান এ অবস্থায় পাতাব্লাস্ট রোগ দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগ দেখা দেওয়ার পর ট্রুপার আট গ্রাম ওষুধ ১০ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে পাঁচ শতাংশ জমিতে সাতদিন ব্যবধানে পড়ন্ত বিকেলে দুইবার স্প্রে করতে হবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Panchagarh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Panchagarh
5020