07/10/2015
আপনারা যারা SEO & Outsourcing এর কাজ করছেন বা কাজ করার ইচ্ছা আছে তাদের জন্ন নলাইনে আয় করার জন্ন আমি কিছু টিপস্ দিব যদি আপনারা এই টিপস্ চান তাহলে অবস্সই Comment করে আমাকে জানাবেন, ধন্নবাদ সবাইকে।
It is a help to peoples for learning, what is seo? seo best tips, idea of seo tools and etc.
07/10/2015
আপনারা যারা SEO & Outsourcing এর কাজ করছেন বা কাজ করার ইচ্ছা আছে তাদের জন্ন নলাইনে আয় করার জন্ন আমি কিছু টিপস্ দিব যদি আপনারা এই টিপস্ চান তাহলে অবস্সই Comment করে আমাকে জানাবেন, ধন্নবাদ সবাইকে।
18/09/2015
আজকে অপনাদেরকে কিছু Online Money Earning Method জানাবো এবং সেগুলো হলঃ
1. Affiliate Marketing
2. Blogging
3. SEO
4. Web Development
5. PTC
6. Article Righting
ইত্যাদি
এবঙ পরবর্তিতে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জানানো হবে
ধন্যবাদ সবাইকে
17/09/2015
অনলাইনে টাকা ইনকাম কি ভাবে করবেন ?
অনেকেই মনে করেন অনালাইনে টাকা কি আসলেই ইনকাম করা সম্ভব কিনা ?
যাদের মনের মাঝে এই ধরনের প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই অনালাইনে টাকা ইনকাম করা আসলেই সম্ভব
এখন এটা প্রশ্ন জাগতে পারে
কি ভাবে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা সম্ভব ?
উঃ অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য বিভিন্ন প্রকার ওয়ে আছে এ ওয়ে গুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে জানেন তাহলেই আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারেন এবং এই কাজ করেতে গেলে সর্ব প্রথম আপনাকে ধর্য প্রদর্সন করতে হবে এটি যদি আপনি করতে পারেন তাহলেই আপনার মাধ্যমে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা সম্ভব
16/05/2015
ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেট চাহিদা মেটাতে দেশে দ্বিতীয় সাবমেরিন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত করতে ‘আঞ্চলিক সাবমেরিন টেলিযোগাযোগ’ নামে একটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক সাবমেরিন যোগাযোগ ব্যবস্থার বহুমুখীকরণ, দেশের অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ (ডাটা ও ভয়েসের ক্ষেত্রে) চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সফটওয়্যার রপ্তানি, ডাটা এন্ট্রি ও ফ্রি-ল্যান্সিংসহ সার্বিক তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উন্নত সেবা নিশ্চিত হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ৬৬০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পসহ দুই হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
এসব প্রকল্পে ব্যয়ের এক হাজার ৫৩১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আসবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং ৬৮১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা প্রকল্প সাহায্য থেকে। বাদবাকি ১৫২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযোগ প্রকল্পের এর ফলে ক্রমবর্ধমান ব্যান্ডউইডথ চাহিদা মিটিয়ে কেবল সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখা যাবে।
মন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থিত প্রথম সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তির মহাসড়কে রয়েছে। প্রথম কেবলটি কোন কারণে কাটা পড়লে তা ঠিক করতে ৭ থেকে ১০দিন পর্য়ন্ত লেগে যেতে পারে। ওই কদিন পুরো দেশ তথ্য প্রযুক্তির বাইরে থাকবে। তাই এর বিকল্প হিসেবে দ্বিতীয় সাবমেরিন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হলো।”
তিনি জানান, নতুন সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আরও ১৩০০ জিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। প্রথম সাবমেরিন কেবলের চেয়ে নতুন কেবলটি দশগুণ বেশি শক্তিশালী। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটায় এ সাবমেরিন কেবল সংযোগের গ্রাউন্ড লোকেশন ঠিক করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও বলেন, এ প্রকল্পের ফলে ডাটা ও ভয়েসের ক্ষেত্রে দেশের ব্যান্ডউইথ চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সরবরাহ বাড়বে। ফলে দেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া যাবে।
সভায় অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, ২৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বিসিক শিল্প নগরী, মিরসরাই’ প্রকল্প।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৮৮টি শিল্প প্লট উন্নয়ন করে উদ্যোক্তাদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এতে ১০ শতাংশ প্লট মহিলা উদ্যোক্তার জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
এছাড়া ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে ২৫২ কোটি টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘অন্তবর্তীকালীন পানি সরবরাহ প্রকল্প’।
প্রায় ৪১৪ কোটি টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘পানি সরবরাহ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যশিক্ষা’ প্রকল্প। এতে ইউনিসেফ ৩২৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অনুদান দেবে। ২৮ জেলার ৪০ উপজেলা ও ১৫টি সিটি করপোরেশনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সভায় প্রায় ৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘দিনাজপুর- বিরল-পাকুরা- রাধিকাপুর-(বিরল স্থল বন্দর)’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
এছাড়া ৩৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিদ্যালয়ে কৃষি অর্থনীতি ও পল্লী উন্নয়ন অনুষদের ভৌত ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি প্রকল্প’ অনুমোদন পেয়েছে।
এর বাইরে অনুমোদন পাওয়া ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক গাজীপুর’ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ২৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘জাতীয় জুনিং প্রকল্প (২য় পর্যায়)’ প্রকল্প, ২৩১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বিএডিসির বিদ্যমান বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ এবং উন্নয়ন’ প্রকল্প।
পর্ব-০২ চলুন ফ্রীল্যান্সিং করি, এবং নিজেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ি
(ফ্রীল্যান্সিং এবং অন্যান্য কাজ)
কেমন আছেন সবাই? গত পর্বে ফ্রীল্যান্সিং এর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেছিলাম। তো আমার মনে হয় ফ্রীল্যান্সিং এবং অন্যান্য আয়ের যে বিষয় গুলো নিয়ে আমি গত পর্বে আলোচনা করেছিলাম সেটা আরও একটু ক্লিয়ার হলে ভাল হয়।
আমার গত টিউনটি যারা পড়েছেন তাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে- এই বললাম অনলাইনে আয়ের কথা যেমন- গুগল অ্যাডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আবার এই বললাম ফ্রীল্যান্সিং এর কথা, তাহলে ফ্রীল্যান্সিং ই বা কি আবার অনলাইনে আয়ের অন্যান্য মাধ্যম গুলোই বা কি?
যাদের মনে এই ধরনের দ্বিধার জন্ম হয়েছে তাদের জন্যই আজকের টিউন।
প্রথমেই চলুন জানি ফ্রীল্যান্সিং জিনিসটা আসলেই কি?
ফ্রীল্যান্সিং কিন্তু কোন কাজের নাম নয়। এটা হচ্ছে কাজ করার একটা স্বাধীন প্রসেস। অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন সিস্টেম গুলো একসাথে এক জায়গায় রাখা হয়েছে, যেটাকে বলা হয় ফ্রীল্যান্স মার্কেট। এই সকল মার্কেটে আপনি অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরি এর কাজ পাবেন যেমন- লোগো ডিজাইন, এসইও, ওয়েব ডিজাইন, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পার্সোনাল হেল্প ইত্যাদি। এখান আপনি যে কোন এক বা একাধিক সেক্টরেই কাজ শিখে কাজ করতে পারবেন। এটাই হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং। এখানে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে আপনার ক্লাইন্টের আন্ডারে কাজ করতে পারবেন।
আর অন্যদিকে অনলাইনে আয়ের অন্যান্য মাধ্যম সমূহের মধ্যে যেগুলো আছে সেগুলো করেও আপনি আয় করতে পারেন কিন্তু সেগুলো আপনি করবেন আপনার নিজের জন্য। ফ্রীল্যান্সিং এ যেমন আপনি আপনার ক্লাইন্টের জন্য কাজ করে দিবেন বিনিময়ে ক্লাইন্ট আপনাকে টাকা দিবে, কিন্তু ফ্রীল্যান্সিং ব্যতীত অন্যান্য সেক্টরে আপনি কাজ করবেন নিজের জন্য। এখানে মালিকও আপনি আবার ওয়ার্কার ও আপনি। যেমন আপনার যদি একটি ব্লগ থাকে তাহলে আপনি সেখানে পোস্ট করবেন। আর সেই ব্লগ থেকে আসা অর্থ সম্পূর্ণই আপনার। আপনি চাইলে নিজে পোস্ট না করে কোন ওয়ার্কার হায়ার করে তাকে দিয়েও আপনার ব্লগে পোস্ট করাতে পারবেন। এক্ষেত্রে সেটা হবে ওই ওয়ার্কার এর জন্য ফীল্যান্সিং আর এই ক্ষেত্রে আপনি হবে ক্লাইন্ট।
তাহলে কেন ফ্রীল্যান্সিং বেছে নিবেন?
সাধারণত আমরা চাই কম সময়ে আয় করতে এবং রিক্স ফ্রী ভাবে আয় করতে। সেই দিক দিয়ে বিবেচনা করলে দেখা যাবে অনলাইনে আয়ের অন্যান্য ক্যাটাগরির মধ্যে ফ্রীল্যান্সিং টাই সেরা। কারন এখানে আপনাকে কোন ইনভেস্ট করতে হয় না। সঠিক ভাবে কাজ শিখে চেস্টা করলে অপেক্ষাকৃত দ্রুত কাজ পাওয়া যায়। পেমেন্ট গ্যারান্টিড।
আজ এই পর্যন্তই। গত পর্বের সাথে আজকের পর্বের কিছুটা মিল আছে, তবুও ব্যাপারটা আরও ক্লিয়ার হওয়ার জন্যই লিখলাম। পরের পর্বে কথা বলব ফ্রীল্যান্সিং এর বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস নিয়ে। কোন মার্কেটে কি কাজ পাবেন, কোনটা কোন কাজের জন্য সেরা। আশা করি সাথেই থাকবেন।
ওডেস্ক এর নতুন (আপওয়ার্ক)
মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্য ইন্টারনেটে কাজ দেওয়া-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ওডেস্ক-ইল্যান্সের নাম বদলে গেছে।
এখন এর নাম হয়েছে আপওয়ার্ক (www.upwork.com)।
শুধু নামই নয়, সম্পূর্ণ নতুন ধরন নিয়ে এসেছে আপওয়ার্ক। ব্যাপক পরিবর্তনও আনা হয়েছে নতুন এ নেটওয়ার্কে। 5/5/15 আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইল্যান্স-ওডেস্ক কর্তৃপক্ষ। আপওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান কারসিয়েল জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সিং জগতে নতুন একটি অধ্যায় সূচনা করতেই নতুনভাবে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে আপওয়ার্ক। নতুন নানা ধরনের সুবিধা যুক্ত হয়েছে এতে, যাতে মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আরও সহজে কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোও দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে পারবে।
ইতিমধ্যে ইল্যান্স-ওডেস্ক থেকে বছরে ১০০ কোটি ডলারের বেশি উপার্জন করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। আগামী ছয় বছরের মধ্যে আপওয়ার্কের মাধ্যমে এই আয় এক হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দেশের কাজদাতারা ইতিমধ্যেই ইল্যান্স-ওডেস্ক ব্যবহার করে বছরে প্রায় ৩০ লাখের বেশি কাজের ফরমায়েশ দিয়েছেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগের জন্য এই ওয়েবসাইটে কর্মী খুঁজেছেন ১০ কোটি বারেরও বেশি।
নতুন নামকরণকে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন স্টেফান। তাঁর মতে, এখন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নতুন কাজের সুযোগ বাড়বে। আপওয়ার্কের মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবন ও নতুনত্ব আনার মাধ্যমে অনলাইনে কাজের বাজার আরও প্রসারিত করার ব্যাপারে কাজ করে যাবে আপওয়ার্ক।
আপওয়ার্কে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতিটি সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত যোগাযোগ-সুবিধা ও আপওয়ার্কের নতুন ‘রিয়াল-টাইম কমিউনিকেশন’ বৈশিষ্ট্য নির্দিষ্ট কাজকে দ্রুত সম্পন্ন করার সুযোগও দিচ্ছে।
এ ছাড়া আপওয়ার্কের নতুন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সাইটের অনেক কাজ খুব সহজেই করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। থাকছে সরাসরি গ্রুপভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। আপওয়ার্ক ব্যবহারকারী না হলেও যোগাযোগের জন্য বিশেষ ‘চ্যাট টুলটি’ সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।
ওডেস্কে যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়
অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়ার-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে অনেক সময় কাজদাতাদের কাছে স্প্যাম ও কপি-পেস্ট করা কভার লেটার চলে যায়। এগুলোর হাত থেকে বাঁচতে এবং মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) দক্ষতা যাচাই করতে কাজ দেওয়ার সময় কিছু প্রশ্ন রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর দেখেই কাজদাতা বা ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে কাজটি কারা করতে পারবে। নতুন ফ্রিল্যান্সাররা অনেক সময় প্রশ্নগুলো বুঝতে পারেন না। তাই তাঁরা প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারেন না, ফলে কাজ পান না। ওডেস্ক জব পোস্টে সাধারণত যে ধরনের প্রশ্ন থাকে—
১. প্রজেক্টটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আপনার কোনো সাজেশন আছে কি?
২. এই কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ওডেস্ক টেস্ট কি দিয়েছেন এবং সেগুলোতে কি ভালো করেছেন?
৩. এই কাজের কোন অংশটুকু আপনার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে?
৪. ঠিক এ রকম কোনো প্রজেক্টে কি আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে, যদি থাকে তবে কেন কাজটি করেছিলেন?
৫. প্রজেক্টের কোন অংশটি সম্পন্ন করতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে বলে আপনার মনে হয়?
৬. এই প্রজেক্ট নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে কি?
এখানে এমন কোনো প্রশ্ন নেই যা সহজে বোঝা যায় না। যারা কাজটি ভালোভাবে বুঝবেন এবং করতে পারবেন তাঁরা অবশ্যই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন। যাঁরা কাজটি ভালোভাবে বুঝতে পারেননি বা করতে পারবেন না তাঁরা হয়তো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন না। তাই আপনার যদি কাজ জানা থাকে তাহলে কভার লেটার লিখতে এবং কাজ পেতে কোনো সমস্যা হবে না।
15/05/2015
আউটসোর্সিং শেখাতে বিসিসির উদ্যোগ
আপডেট: ১২:৪৫, মে ১৪, ২০১৫
আউটসোর্সিং কাজ ও অনলাইন থেকে আয় করার পদ্ধতি শেখাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিসিসির শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার গ্রাফিক ডিজাইন এবং এসইওর উপর পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এ জন্য আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ আইটির সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে বিবিসি। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সচিব মিজানুর রহমান এবং ক্রিয়েটিভ আইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন। বিসিসির ওয়েবসাইট থেকে এই আউটসোর্সিং কোর্স করার জন্য নিবন্ধন করা যাবে।
বিষয়: ফ্রিলান্সিং
পর্ব-০১ চলুন ফ্রীল্যান্সিং করি, এবং নিজেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ি (গোঁড়ার কথা)
চলুন ফ্রীল্যান্সিং করি এর প্রথম পর্বে সবাইকে স্বাগতম। ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে মানুষের মাঝে উৎকণ্ঠার শেষ নেই। দিন দিন যেন এর চাহিদা বেড়েই চলছে। কিন্তু নতুন অবস্থায় যারা আছেন সঠিক গাইডলাইন না পেলে হয়ত ফ্রীল্যান্সার হওয়ার স্বপ্ন শুরুতেই ভেঙ্গে যেতে পারে। আর আপনাদের এই অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে দেশে চলছে প্রতারণার রমরমা ব্যাবসা। সঠিক তথ্য জানা না থাকলে আপনিও পা দিতে পারেন এই ফাদে। তাই চলুন ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানি এবং এরপর ফ্রীল্যান্সিং করার সিদ্ধান্ত নেই।
আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায় নিয়ে এবং কেন আপনি সেগুলোর মধ্য থেকে ফ্রীল্যান্সিংকে বেছে নিবেন সেটার উপর
প্রথমেই চলুন জেনে নিই অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায়ঃ
ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোরসিংঃ ফ্রীল্যান্সিং হচ্ছে একটি স্বাধীন পেশা। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ। ডাটা এন্ট্রি এর মত সহজ কাজ থেকে শুরু করে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট এর মত বড় ধরনের কাজ রয়েছে এখানে। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানে কাজ করতে গেলে আপনাকে কোন টাকা ইনভেস্ট করতে হবে না। সম্পূর্ণ ফ্রীতেই আপনি আয় করতে পারবেন। শুধু আপনাকে জানতে হবে কাজ। কাজ জানা থাকলে আর ভাল দক্ষতা থাকলে আপনিও ফ্রীল্যান্সিং করে আয় করতে পারেন। এটা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ২য় পর্বে।
ব্লগিং করে আয়ঃ ব্লগিং করে আয়ের কথা অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু হয়ত অনেকেই জানেন না কিভাবে আয় করা যায়। ব্লগিং হচ্ছে আপনার মতামত/আইডিয়া/নলেজ শেয়ারের অন্যতম মাধ্যম। একটি ব্লগ খুলে আপনি যদি বেশ ভাল সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে আপনি ব্লগিং করেও বেশ ভাল অর্থ আয় করতে পারেন। এখানে, ভিজিটর হচ্ছে যারা আপনার ব্লগ পড়বে অর্থাৎ আপনার ব্লগের পাঠক। যখন আপনার ব্লগের পাঠক সংখ্যা বেশ ভাল হবে তখন আপনি গুগল এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করবেন। যদি অ্যাকাউন্ট পেয়ে যান তাহলে তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে প্রদর্শন করাতে পারবেন। এবং যখন আপনার কোন পাঠক এই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে তখন আপনি টাকা পাবেন। এটাই হচ্ছে অ্যাডসেন্স এর সিস্টেম।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অনেক সময় দেখে থাকবেন যে, আপনার ডাক্তার আপনাকে কোন টেস্ট করতে দিলে বলে দেয় অমুক যায়গা থেকে টেস্ট করাবেন। কিন্তু কেন এমন বলে? কারন অমুক যায়গা থেকে টেস্ট করালে ওই ডাক্তার ওই টেস্ট করাতে যত টাকা খরচ হয়েছে তার কিছু কমিশন পাবে। এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও ঠিক একই রকম। আপনি যদি অনলাইন থেকে কারো পন্য বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে আপনিও সেই পন্য থেকে কিছু টাকা কমিশন পাবেন। এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে একজন দক্ষ মার্কেটার হতে হবে।
এই গুলোই হচ্ছে মোটামুটি আমাদের সবার চেনাজানা অনলাইন আরনিং সিস্টেম।
তবে এখন দেখুন, ফ্রীল্যান্সিং কেন করবেন?
যদি আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন অনলাইনে থেকে আয় করবেন তাহলে ফ্রীল্যান্সিং ই হবে সেরা উপায়। কেন? হ্যাঁ, ফ্রীল্যান্সিং হচ্ছে কাজ করার একটি উন্মুক্ত প্লাটফর্ম। এখানে রয়েছে ২০০টিরও বেশি ক্যাটাগরির কাজ। এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবেন।
ফেসবুক এ অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়া থেকে শুরু করে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর মত কাজ পাবেন এখানে। আপনি অনলাইনের যেই অংশেই দক্ষ হোন না কেন, সকল সেক্টরের কাজই রয়েছে এখানে। তবে এখানকার চেনাজানা কিছু কাজ হচ্ছে- ডাটা এন্ট্রি, এসইও, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, পার্সোনাল হেল্প, গ্রাফিক্স ডিজাইন, গেমস ডেভলপমেন্ট, অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ, আইফোন অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। এই গুলো হচ্ছে কাজ করার মোস্ট কমন ক্যাটাগরি।
তবে এই সকল ক্যাটাগরির মধ্যে সবচেয়ে সহজ হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ। সহজ হওয়ার কারনে সবাই ই চায় ডাটা এন্ট্রি দিয়ে কাজ শুরু করতে। এই জন্য এই সেক্টরে ওয়ার্কার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। যেহেতু এই সেক্টরে ওয়ার্কার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তাই এই সেক্টরে কাজের রেট সবচেয়ে কম।
হ্যাঁ, আপনি যেখানে কাজ করবেন সেখানকার সিস্টেম জানা অবশ্যই জরুরি। তাহলে চলুন প্রথম থেকে শুরু করা যাক-
কিভাবে আপনি টাকা পাবেন এবং কেন কাজ করবেনঃ
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি কাজ করতে পারবেন। এই রকম কিছু সাইট হচ্ছে-
http://odesk.com
http://freelancer.com
http://elance.com
http://guru.com
এই সকল সাইট গুলোকে বলা হয় ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এই সকল সাইটে দুই ধরনের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়:
এক, ক্লাইন্ট বা বায়ার এর অ্যাকাউন্ট
দুই, ফ্রীল্যান্সার বা ওয়ার্কার অ্যাকাউন্ট
বায়ার বা ক্লাইন্ট হচ্ছে ওই সকল ব্যাক্তি যারা আপনাকে কাজ দিবে। এমন অনেক লোক আছেন যারা তাদের কাজ গুলো কাউকে দিয়ে করিয়ে নিতে চান। এরা এই সকল সাইটে বায়ারের অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং জব পোস্ট করেন। এবং আপনি বা আমার মত যারা ওয়ার্কার আছেন তারা ওই সকল জবে বিড করি। এই ভাবে একটি কাজে গড়ে ৩০-৫০ জন বিড করে থাকে। ক্লাইন্ট এই সকল লোকদের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নেন তার কাজটি করানোর জন্য। এবং ওই ওয়ার্কার যখন কাজটি কমপ্লিট করে দেন তখন তাকে পেমেন্ট দিয়ে দেন। এই পেমেন্ট এর ১০% ওই ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস কেটে রেখে দেয়। অর্থাৎ ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে এখানে একটি থার্ডপার্টি। এরা শুধু আপনাকে বায়ার এবং বায়ারকে আপনাকে খুজে পেতে সাহায্য করে। বিনিময়ে যখন কোন কাজ করানো হয় তখন তারা ১০% ফি কেটে নেয়। আশা করি বুঝতে পেরে গেছেন।
তো এখন আপনার কাজ কি?
অনেক কিছুই তো বলে ফেললাম, এখন বলব ফ্রীল্যান্সিং সাইটে কাজ করতে গেলে আপনাকে কি করতে হবে?
উপরে উল্লেখিত কাজের বিভিন্ন ক্যাটাগরি থেকে যে কোন এক বা একাধিক বিষয়ে আপনি কাজ শিখতে পারেন এবং নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। কাজ শেখার পর কাজ করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ফ্রীল্যান্স সাইটগুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এবং অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ণ করতে হবে। প্রোফাইল পূর্ণ করার পর আপনি যে কাজ শিখেছেন সেই সকল কাজে বিড করতে হবে। বিড করার অর্থ হচ্ছে কাজে আবেদন করা। একটা কাজে অনেকেই বিড করে থাকেন এবং সেখানে থেকে একজন বা একের অধিক জনকে সিলেক্ট করা হয় কাজটি করার জন্য এবং সেই ব্যক্তি যদি কাজটি সফলভাবে করে দিতে পারেন তাহলে তাকে টাকা পরিশোধ করেন।
মোট কথা, আপনাকে কাজ শিখতে হবে, ফীল্যান্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে, আপনি যেই কাজ শিখেছেন সেই সকল কাজে বিড করতে হবে, যদি বিড করে কাজটি পেয়ে যান তাহলে কাজটি করতে হবে এবং কাজের ফলাফল জমা দিতে হবে। অবশেষে ক্লাইন্ট কাজটি চেক করবেন এবং আপনাকে পেমেন্ট করবেন। এবং আপনি সেই পেমেন্টের টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তুলতে পারবেন।
এক কথায় শেষ করে দিলাম। এটি হচ্ছে একদমই নতুনদের জন্য ধারনা দেয়ার জন্য। আশা করি নতুনরা একটু একটু বুঝতে পেরেছেন। যদি বুঝে থাকেন তাহলে দ্বিতীয় পর্বের আমন্ত্রণ রইল। দ্বিতীয় পর্বে আপনি কি কাজ শিখবেন সেই বিষয়ে আলোচনা করব।
যদি কোথায় বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।
Shomoy shobar kase dami, tobuo manush jodi issa kore tobe se kisu shomoy invest kore online a income korte pare. And Outsourcing somporke kono bishoi janar thakle amader ai Page a janate paren, amra apnar prosner Ans. deoar cheshta korbo.