সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna

সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna, santhia, pabna, Pabna.

16/03/2023

ঢাকা থেকে কুইক সার্ভিসে পাবনা ফেরার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খুইয়ে পাটুরিয়া ঘাটে কোন মতে প্রাণটা নিয়ে বেঁচে আছেন। ঠিকানা বলছেন-

নাম- আসাদুল
পিতা- দুলাল
গ্রাম- ভুলবাড়িয়া
ইউনিয়ন- ভুলবাড়িয়া/আতাইকুলা
থানা- আতাইকুলা
উপজেলা- সাঁথিয়া
জেলা- পাবনা
তার ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নাম বলছে মাসুদ।

06/05/2018

দৃষ্টি আকর্ষণঃ
যারা নির্মাণাধীন মসজিদে অর্থ/নির্মাণ সামগ্রী দান করে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত অসীম সাওয়াবের ভাগী হতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন,
চোমরপুর পূর্ব পাড়া হামেদিয়া জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ চলছে।
মসজিদের ছাঁদ নির্মাণের জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন।
যদি কেউ ছাঁদ নির্মাণের জন্য টাকা দান,বালি দান,রড দান,সিমেন্ট দান,ইট দান,খোঁয়া দান করতেন তাহলে আপনাদের প্রচেষ্টায় এবং সার্বিক সহযোগীতায় মসজিদের ছাঁদ নির্মাণের কাজটি সফল হত।
আছেন কি কোনো সেই ব্যক্তি যে বা যারা নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী দান করতে ইচ্ছুক।

তারা প্লিজ:
সাঁথিয়া হেল্প লাইন এর ফোন নম্বরে
(01739-413288)
যোগাযোগ করুন।
অথবা,
বিস্তারিত জানতে :০১৭৫৬৯১০৮৩৫/ ০১৯৬৯০০২৫৭৮ এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
চোমরপুর, সাঁথিয়া, পাবনা।

পোস্ট:
মোঃ তানভীর হাসান ইমরান
এডমিন- স্বপ্নময় সাঁথিয়া, ও
প্রতিষ্ঠাতা: সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna

06/05/2018

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হালিমার
কি চিকিৎসা হবে না?
হোক মানবতার জয়, বেঁচে থাক বোন হালিমা
আপনার, আমার একটু এগিয়ে আসায়।

সাঁথিয়ার কোনাবাড়িয়ার এক হতভাগ্য মেয়ে হালিমা! বয়স বড়জোর ১৪/১৫!! অভাগা এই মেয়েটি তার বাবা হাফিজ মৃধাকে হারিয়েছে ৫ বছর আগে!! বাবা মারা যাওয়ার সময় রেখে গেল ৩ ছেলে ২ মেয়ে!!
স্বামীহারা স্ত্রী ছোট ছোট এই ৫ সন্তানকে নিয়ে যখন মাথা গোঁজার ঠাঁই খুজে বেড়াচ্ছিল আর প্রচন্ড মানসিক চাপে ভুগছিল! তাই সেও টিকল না! স্বামী মারা যাওয়ার ২ বছর পর সে ও মারা গেল!

৩ বছর পুর্বে যখন হালিমা বাবা মা দুজনকেই হারাল, সেই সংসারের দায়িত্ব অবধারিতভাবেই তার বড় ভাইয়ের উপর পড়ল!! যার বয়স কি না এখন মাত্র ১৭!! ছোট একটি ছেলে কিভাবে ভ্যান চালিয়ে ৫ ভাইবোনের সংসার চালাবে তা মাথায় আসে না!

তার উপরে তার একটি বোন হালিমা! সে থ্যালাসেমিয়াতে আক্রান্ত! অনেক কষ্ট করে সে কয়েকবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে এসে চিকিৎসা করিয়েছে!!

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তস্বল্পতা জনিত রোগ। রক্তে অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিনে ক্রুটি থাকায় একদিকে যেমন রক্তস্বল্পতায় ভোগে, পাশাপাশি রক্ত খুব দ্রুত ভেঙ্গে যায়, প্লীহা এই রক্ত গুলো খেয়ে ফেলে বলে প্লীহাও বড় হয়ে যায়! এজন্য এই রোগীকে বার বার রক্ত দিতে হয়! বার বার রক্ত দেওয়ায় আবার বিভিন্ন অসুখ হয়, যেমন রক্তবাহিত হেপাটাইটিস বি / সি ভাইরাস, লিভার সহ বিভিন্ন অঙ্গে আয়রন জমা হয়, অস্থিমজ্জা দ্রুত প্রসারিত হয়, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায়! রক্ত কণিকা কম থাকায় দ্রুত বিভিন্ন ইনফেকশন হতে পারে!
হালিমাও আজ ইনফেকশনে ভুগছে! সাঁথিয়া হাসপাতালে আজ সে ভর্তি!! প্রচণ্ড জ্বর তার!! সম্ভবত Neutropanic Sepsis!!! তাই তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে কিন্তু অর্থাভাবে সে আজ সঠিক চিকিৎসা নিতে পারছে না, পারছে না ঢাকা যেতে!

ইহার সাধারণ চিকিৎসা তাই ২-৪ সপ্তাহ পরপর রক্ত দেওয়া! কারণ ইহাই সহজ লভ্য! এছাড়া অস্থিমজ্জার প্রতিস্থাপন (Bone marrow transplantation) বা জীন থেরাপিও করা যায়!!

কিন্তু হালিমার রক্তের গ্রুপ O(-)ve!!!! দুর্লভ এই রক্ত এত ঘন ঘন কোথায় পাওয়া যাবে!!
তাই বলা যায় হালিমার জীবন প্রদীপ বেশি দিনের নয়!!
একমাত্র চিকিৎসা Bone marrow transplantation যেটা ভারত/ সিঙ্গাপুর ছাড়া সম্ভব নয়! আর সম্ভাব্য ব্যয় ২৫/৩০ লক্ষ!!!

এত টাকা কোথায় পাওয়া যাবে??? এত টাকা!!!
২৫/৩০ লক্ষ!!
হুম পাওয়া যেতে পারে, যদি এলাকার স্থানীয় এমপি মহোদয়, মেয়র সহ সকল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন, সকল সমাজ সেবক, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিল্পপতি, সকল প্রবাসী সহ আপামর জন সাধারণ তাদের এ বছরের যাকাতের এক বিশাল অংশ শুধুই হালিমার জন্য বরাদ্দ করে তবে এই টাকা যোগাড় করা খুব কি কঠিন!!!

সবার কাছে এই প্রশ্নটি রেখে গেলাম!!
আমরা কি পারি এই মহান উদ্দ্যেগ নিয়ে হালিমার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসতে!!!
লেখা ও আবেদনেঃ
ডাঃ আব্দুস শুকুর
এডমিন- স্বপ্নময় সাঁথিয়া
সহঃ- মোঃ তানভীর হাসান ইমরান
এডমিনঃ স্বপ্নময় সাঁথিয়া,
প্রতিষ্ঠাতা : সাঁথিয়া হেল্প লাইন।

Photos from সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna's post 26/04/2018

আজ সকাল ১০ ঘটিকার সময় সাঁথিয়া উপজেলার হলুদঘর গ্রামের বৃদ্ধ ইমান আলী মারা গেছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহী রাজিউন।
আমরা সাঁথিয়া হেল্প লাইনের পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা করেছিলাম আর্থিক সহায়তার জন্য।
তার অসহায় পরিবারকে শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন এবং তিনি বেহেস্ত নসীব হওন এই দোয়া রইলো।

Santhia Help Line 21/04/2018

একটি বিশেষ ঘোষনা:
মোহাম্মাদ আলী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে কিছু সংখ্যক সিলিং ফ্যান বিতরণ করা হবে | এতিমখানা অগ্রাধিকার পাবে |
সাঁথিয়া হেল্প লাইন যে কোন ভাল কাজে পাশে থাকায় অঙ্গীকারবদ্ধ।
সেই লক্ষ্যে ব্যারিস্টার মোস্তাক ভাইয়ের এই দান কাজে সহায়তার জন্য আমরা কাজ করছি।নিজ নিজ এলাকার মসজিদ,মাদ্রাসা এতিমখানা যেখানে ফ্যান অতি প্রয়োজন, তাদের নিচের লিংকে উল্লেখিত ডাটা ফরম সঠিকভাবে পূরণের জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তীতে তথ্য অনুযায়ী সরেজমিনে দেখে ফ্যান বিতরণ করা হবে।

উদ্যোক্তা : ব্যারিস্টার মোস্তাক আহমেদ।
প্রতিষ্ঠাতা: মোহাম্মাদ আলী ফাউন্ডেশন।
টেকনিক্যাল সাপোর্ট : সাঁথিয়া হেল্প লাইন।
বি: দ্র: ফরম পূরনের জন্য Playstore হতে Sheet এপ্স ডাউনলোড দিয়ে নিন।

Santhia Help Line Santhia Help Line Santhia Help Line, 2018 প্ রতি ষ্ ঠা তা: মো: তা নভী র হা সা ন ইমরা ন। ফো ন: 01739413288 বি ষয়: মো হা ম্ মা দ আলী ফা উন্ ডে শনে র উদ্ যো গে কি .....

17/04/2018

সাঁথিয়ার অদম্য প্রতিভা-২:
আজকের সাঁথিয়া হেল্প লাইনের প্রতিবেদন সাঁথিয়ার একজন দেশ সেরা ক্ষুদে ফুটবলারকে নিয়ে।
সাঁথিয়ার আলোকদিয়ার গ্রামের ছেলে সিহাব,
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৮ এর ফাইনালে পাবনা ২-১ গোলে রানার্স আপ হলেও ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হইতে পুরুষ্কার গ্রহণ করে সাঁথিয়া সহ সমগ্র পাবনাকেই সম্মানিত করে এই ছোট ছেলে।
দারিদ্রতার সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাওয়া, মা হারা এই এতিম ছেলেটিই হারিয়ে দিয়েছে সারা দেশের ক্ষুদে ফুটবল প্লেয়ার দের। অর্জন করে নিয়েছে দেশ সেরা ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট পুরষ্কার।
দরিদ্র এই প্রতিভাবান ছেলের দরকার ভাল পৃষ্ঠপোষকতা, হয় তো এই ছেলেই একদিন দেশের হয়ে, রিয়েল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার, বার্সার মাঠ কাঁপাবে....
হতেও তো পারে আমরা সেদিন বুক ফুলিয়ে বলবো বিশ্ববাসীকে এই সিহাব আমাদের সাঁথিয়ার ছেলে...!
স্বপ্ন দেখতে দোষ নেই,
স্বপ্নই পোঁছে দেয় সুন্দর সম্ভাবনাময় বাস্তবে।
সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি, যেন অযত্ন অবহেলায় হারিয়ে না ফেলি এই অমূল্য প্রতিভাকে...!!

লেখাঃ মোঃ তানভীর হাসান ইমরান
প্রতিষ্ঠাতা : সাঁথিয়া হেল্প লাইন।
এবং এডমিন স্বপ্নময় সাঁথিয়া

15/04/2018

মানুষ মানুষেরই জন্য....
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ এবং সেই সাথে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, যারা সাঁথিয়া হেল্প লাইনের আবেদনে সাড়া দিয়ে হলুদঘর গ্রামের অসুস্থতা ঈমান আলীর পাশে দাঁড়িয়েছেন।
মানবতার জয় হোক বারবার।
Live:
https://docs.google.com/spreadsheets/d/1A7HlrSdCoKKrpEp8yllDlGGbr09D6uAOXdjCOchm6uw/edit?usp=drivesdk

Photos from সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna's post 11/04/2018

সাঁথিয়ার অদম্য প্রতিভা -১:
" আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন নিয়ে,
সাঁথিয়ার এই ক্ষুদে বিজ্ঞানী "
প্রতিবেদক : মোঃ তানভীর হাসান ইমরান।
সাঁথিয়া হেল্প লাইনের আজকের প্রতিবেদন সাঁথিয়ার এক অদম্য প্রতিভাধর ক্ষুদে বিজ্ঞানী নিয়ে। নাম মো : হবিবুল বাশার, সাঁথিয়ার শশোদিয়া গ্রামের এই ছেলে এবার ক্লাস নাইনে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র, সাঁথিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।
ইতিমধ্যেই গ্রামের আকাশে নিজ হাতে তৈরি করা প্লেন উড়িয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গ্রামবাসীদের। এছাড়াও তৈরি করে দেখিয়েছেন আরো কিছু ব্যতিক্রমী নৌকা ও ইলেকট্রনিকস যন্ত্রের মডেল। একটি দেশ তখনই এগিয়ে যায় যখন তারা প্রচলিত সনাতন শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রসারে নানা ধরনের গবেষণাদির সুযোগ করে দেয়া হয়।
আমাদের দেশে সেই সুযোগ নেই বলেলেই চলে, গ্রাম পর্যায়ে তো নেই ই। আমাদের বাশার সেই কাজটিই করে দেখিয়েছে এই শিক্ষা ব্যবস্থার গণ্ডি পেরিয়ে, শুধুমাত্র নিজ প্রচেষ্টায়। নানা যন্ত্রাংশ নিয়ে ঘাটাঘাটি ছিল তার নেশা, এটাও স্বীকার করে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দেশে খুব কঠিন, আর গ্রামে আরো দুর্লভ।
প্রশ্ন করেছিলাম বড় হয়ে কি হতে চাও, বড় হয়ে হতে চায় ও ভাল মানুষ এবং ভাল ইঞ্জিনিয়ার। তার আবিষ্কারের নেশা ছোট বেলা থেকেই, সেই নেশাই আজ এই বয়সে এতটা সফলতার দিক নিয়ে এসেছে। ৬ মাস অবিরাম লেগে থাকার পর ১০ হাজার টাকা খরচ করার পর যখন তারই হাতের তৈরি বিমান অভিকর্ষ বলকে তোয়াক্কা না করে আকাশে চক্কর দিল, সেদিন তার কি যে আনন্দ চোখে মুখে ভেসে উঠেছিল, সেটা সে ভাষায় প্রকাশ করতে পারছিল না। তার প্লেনের রেঞ্জ ঘন্টায় ৮০ কি.মি আর কন্ট্রোল হবে ১ কি.মি পর্যন্ত দূর হতে।
তার আবিষ্কৃত নৌকা কোন চালক ছাড়াই চলবে, এপার ওপারে চালনার জন্য আলাদা মানুষ, চালক হিসাবে প্রয়োজন নেই। তার তৈরি বালির মেশিনের মডেল সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে ২০ জন লেবারের কাজ ২ জন শ্রমিকেই সম্ভব, খুব স্বল্প ব্যয়ে বলে জানায় সে।
কে জানে একদিন হতেও তো পারে ভারতের নৌকা মিস্ত্রির ছেলে এ.পি.জে আব্দুল কালাম এর মত আমাদের বাশারও একদিন সারা পৃথিবীতে আবিষ্কারের নেশায় দাপিয়ে বাড়াবে। আর সাঁথিয়ার ছেলে বয়ে আনবে দেশের সুনাম।
সেটা হতেই পারে, তবে তারও সুযোগ প্রয়োজন। সে সহায়তা চায়, তার মেধা ও মনোবল কে সঠিক পথে ব্যবহারের সুযোগ করে দিলে অনেক কিছু করে দেখিয়ে দিবে এটাই আমার বিশ্বাস।
তার প্রতিভা বিকশিত করার জন্য তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য Santhia Help Line এবং স্বপ্নময় সাঁথিয়ার পক্ষ হতে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করছি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের।
আশা করি মেনশন ও শেয়ার করে তাদের নজরে আনতে সহায়তা করবেন।
বাশারের জন্য শুভ কামনা। তার সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়।
মোঃ তানভীর হাসান ইমরান।
প্রতিষ্ঠাতা : সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna (সবার পাশে) ও
এডমিনঃ স্বপ্নময় সাঁথিয়া

09/04/2018

সাঁথিয়ার ইউ এন ও স্যারে উন্নয়ন ও ছাতার গল্প এবং স্বাধিন দেশের পিছিয়ে পড়ার একাংশের ইতিহাস! গল্প, তবু সত্যঃ

ঘটনাস্থল ধোপাদহ ইউনিয়নের পাচধোপাদহ ক্যানেলের রাস্তা। ৪০ দিনের কর্মসূচি পরিদর্শনে গেলেন ইউএনও। প্রায় ১ কিমি. রাস্তা হেটে যেতে হলো রাস্তার দুরবস্থার জন্য। গিয়ে দেখেন শ্রমিকদের কেউ ছাতার নিচে কেউ নাড়া দিয়ে বানানো ঘরের মধ্যে বসে আছেন। কারন জিজ্ঞেস করতেই উত্তর এইমাত্র দম নিতে বসেছিলাম। যাই হোক হাজিরা নেওয়ার জন্য ডাকতেই ছাতার মালিকগন ছাতা নিয়েই আসলেন। এভাবে দুটি প্রকল্প পরিদর্শন করে ৫৩ জনের মধ্যে ২১ জন এবং ৬৬ জনে ৩৯ জন উপস্থিত পাওয়া গেল। যারা প্রকল্পস্থলে আসার কষ্টটুকু পর্যন্ত করেননি, আমি কষ্ট করে তাদের পুরো সপ্তাহের বিল কর্তন করে দিয়ে ফিরে এলাম।

সকল ইউনিয়ন পর্যায়ক্রমে দেখা হবে এবং একই ব্যাবস্থা নেয়া হবে। - ইউএনও মহোদয়, সাঁথিয়া।

সমগ্র সাঁথিয়াবাসীর পক্ষ হতে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই ইউ এন ও মহোদয়কে, এভাবে মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ এবং ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
সাঁথিয়া হেল্প লাইনে কিছুদিন আগেও আমি একটি লেখা দেই, আর তা হলো হাজার বছরের গ্রাম গুলোকে সরকারি সহায়তা লুটপাট করে শত বছর পিছিয়ে দেয়ার গল্প।
আমরা সত্যি ভাগ্যবান বর্তমান ইউ এন ও স্যারের মত একজন মানুষ কে অভিভাবক হিসাবে পেয়েছি। তাই কিছু সত্য তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছি। দূর্নীতি দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছেয়ে গেছে। সচিবলায়ের উঁচু বিল্ডিং থেকে শুরু ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দা পর্যন্ত দূর্নীতি।
সত্যটা হলো, টি আর এর গম, চাল, ৪০ দিনের কর্মসূচি, কা বি খার প্রোজেক্ট যে সমস্ত বাজেট গ্রামের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার দারা করা হয় তার ২৫% ও কাজে আসে না।খোদ স্যারের উল্লেখিত ধোপাদহ ইউনিয়নের ইতিহাস আমি জানি, আমার বাড়ি এখানেই, ৬-৭ বছর আগে (৮ নং ওয়ার্ড) চোখের সামনে ২-২.৫ লক্ষ টাকার রাস্তার কাজ কিভাবে ৪০ -৫০ হাজার টাকায় করা হয় তা নিজের চোখে দেখেছি। এভাবেই চলেছে বছরের পর বছর তথাকথিত উন্নয়ন। প্রতিবাদ করে লাভ হয় নি। আপনার অভিজ্ঞতার মতই খাতায় ৫০ জন হাজিরা দিয়ে কর্মদক্ষতা হীন ১৫-২০ জন মহিলা কর্মী দিয়ে রাস্তার মাটিই রাস্তায় কোদাল দিয়ে উল্টিয়ে দেখানো হয়েছে কাজ শেষ। গরীবের জন্য বরাদ্ধ কৃত গম -চাল কাছের মানুষদের নাম দিয়ে শত শত মন নিয়ে এসে নিজের গোডাউন ভরা হয়েছে। এখনো তার ব্যতিক্রম নয়।
যারা মহাদূর্নীতির রথে চরে, সেবার স্বপ্ন দেখিয়ে ভোট নিয়ে গরীবের হক মেরে খেয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে তাদের বিচার কেন দূর্নীতি দমন কমিশনে হবে না। একটি ৪৮ বছরের স্বাধীন রাষ্ট্রকে ১০০ বছর পিছিয়ে দেয়া মানুষগুলোর অবৈধ কর্মকান্ড কেন ক্ষতিয়ে দেখা হবে না, সে প্রশ্ন আমরা সাধারণ মানুষ আপনাদের মত সৎ, দূর্নীতিবিরোধী নতুন প্রজন্মের অভিভাবকদের কাছে রাখতেই পারি।
বর্তমান ও সাবেক সমস্ত ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিনিধি ও সদস্যদের কাজ গুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্তা নেয়ার অনুরোধ রইলো।
অন্তত আপনার মাধ্যমে সাঁথিয়ার গ্রামগুলো তাদের ন্যায্য সুনিধা পেয়ে নতুন যুগের শুভ আরম্ভন হোক এই কামনা।
এগিয়ে যাক সাঁথিয়া।☺

লেখাঃ মোঃ তানভীর হাসান ইমরান
প্রতিষ্ঠাতা : সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna
এডমিনঃ স্বপ্নময় সাঁথিয়া ও santhia.bd

Photos from সাঁথিয়া হেল্প লাইন- Santhia Help Line,pabna's post 05/04/2018

এভাবেই,
বিপদে সবার পাশে
Santhia Help Line

Want your school to be the top-listed School/college in Pabna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Santhia, Pabna
Pabna
6600