13/10/2025
২০% বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা বৃদ্ধির দাবীতে কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলমান থাকবে।
Educational services
13/10/2025
২০% বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা বৃদ্ধির দাবীতে কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলমান থাকবে।
30/07/2025
আলহামদুলিল্লাহ।।।
মো: আক্তারুজ্জামান সোহান, শিক্ষাবর্ষ: ২০২৩-২৪
এইচএসসি ফাইনাল : ২০২৪
ফলাফল : GPA-5
সে অত্র চিনাখড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে সুজানগর উপজেলার মধ্যে মেধা তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হয়েছে এবং বৃত্তি পেয়েছে।
29/07/2025
08/10/2024
যেতে নাহি দিবো হায় তবুও যেতে দিতে হয় তবুও চলে যায়... বিদায়...
শ্রদ্ধেয় আহসান হাবীব স্যার,
সিনিয়র সহকারী শিক্ষক,
চিনাখড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ, সুজানগর, পাবনা।
২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য সকল ছাত্র-ছাত্রীদের চিনাখড়া হাইস্কুল এন্ড কলেজ এর পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। যে কয়জন A+ পাওয়া ছাত্র-ছাত্রী চিনাখড়া কলেজে ভর্তি হবে তাদের সকল কে বিনামূল্যে বই দেওয়া হবে এবং সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে। আরো উল্লেখ্য যে, A+ প্রাপ্ত বিজ্ঞান বিভাগের হলে তাদের প্রাইভেট ত্রকদম ফ্রি পড়ানো হবে।
★★★চিকিৎসা দাতা (ডাক্তার ও স্টাফ) এবং চিকিৎসা গ্রহীতা (রুগী ও রুগীর লোক) দের জন্য জরুরী নিবেদন: ( আশাকরি আমার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা সবাই পড়বেন)
* কিছুদিন আগে আমার পরিচিত একজনের বাবা স্ট্রোক করেন। তাকে দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সিটিস্ক্যান সহ অন্যান্য রিপোর্ট দেখে ডাক্তার জানান মাইনোর স্ট্রোক। ভয়ের কারণ নাই, ঠিক হয়ে যাবে। দুইদিন পর রুগীর অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ার পর সদর হাসপাতাল থেকে অপারগতা জানায়। ৩য় দিনে রুগীকে ঢাকায় নিউরো হাসাপাতালে ভর্তি করানো হয়। সিটিস্ক্যান সহ অন্যান্য রিপোর্ট দেখে ডাক্তার জানান রুগী বড় ধরনের স্ট্রোক হয়েছে। অবস্থা খুবই খারাপ। রুগীকে আরও দুইদিন আগে নিয়ে আসলে বাচানো সম্ভব হতো! আরও ৩/৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুগী মারা যায়! এখন প্রশ্ন, এখানে দোষী কে? হায়াত নেই রুগী মারা গেছেন বা যাবেন মেনে নিলাম। কিন্তু জেলা হাসপাতালের ডাক্তাররা কেন বললেন মাইনোর স্ট্রোক? জেলা হাসপাতালে কি স্ট্রোক রুগীর সঠিক চিকিৎসা হয়? কেন তারা ১ম দিনেই নিউরো হাসাপাতালে রেফার করলেন না? রুগীকে রেফার করতে বাংলাদেশের ডাক্তারের কি লজ্জা লাগে??? পাশ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়াতে সাধারণ চিকিৎসার জন্যও স্পেশালিষ্ট ডাক্তাররা বোর্ড মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেন। রুগীকে একটু ভালো চিকিৎসা দেওয়ার জন্য স্পেশালিষ্ট ডাক্তারের কাছে রেফার করেন তারা। অথচ বাংলাদেশের ডাক্তার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তারা কোনভাবেই রেফার করতে চান না। কিন্তু কেন কেন কেন???
এখানে অনেকেই বলবেন রুগীর লোক কেন নিউরো হাসাপাতালে আগে নিয়ে গেলেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। ভাই, আপনজন যখন রুগী হয় তখন কারো সঠিক হুশ থাকে না। কি করতে হবে, কার কাছে, কোন হাসপাতালে, কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতা ও জ্ঞান থাকেনা যার বাস্তব প্রমাণ আমি নিজেই। আমার প্রানপ্রিয় স্ত্রী যখন সিরিয়াস পেটের যন্ত্রণা নিয়ে কাতরাচ্ছিল তখন আমার নিজের স্বাভাবিক জ্ঞান ছিলো না।
* সুন্নাতে খৎনার মতো অতি সাধারণ একটা অপারেশন বাংলাদেশের ডাক্তাররা করতে পারেন না। অলরেডি দুটো নিস্পাপ শিশু মারা গেছে। এর দায়ভার কার? যেখানে গ্রামের অশিক্ষিত ওস্তাদরা শতশত সুন্নাতে খৎনা করতেছেন। এখন পর্যন্ত একটা শিশু মারা গেছে এরকম কোনো রেকর্ড নাই। তাহলে বাংলাদেশের ডাক্তাররা কি শিখে ডাক্তারি করতেছেন???
★ ডাক্তার ও স্টাফদের প্রতি আমার অনুরোধ, দয়া করে সেবার উদ্দেশ্যে চিকিৎসা প্রদান করুন। অর্থলোভে একজনের জীবনের ঝুঁকি নিবেন না। রুগীর অবস্থা একটু খারাপ বুঝতে পারলেই স্পেশালিষ্ট ডাক্তার এবং ভালো চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে রেফার করুন প্লিজ।
★ রুগী ও রুগীর লোকের প্রতি অনুরোধ, মাথা ঠান্ডা রাখুন, একটু ধীরেসুস্থে সিদ্ধান্ত নিন, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে রুগীর ক্ষতি করবেন না প্লিজ। প্রয়োজনে অধিকসংখ্যক স্বজনদের সাহায্য নিন, পরামর্শ নিন, সর্বোচ্চ ভালো চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ভালো ডাক্তার এবং স্পেশালিষ্ট ডাক্তার দেখানোর চেষ্টা করুন। চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে অবশ্যই নিজেকে কন্ট্রোল করুন, উত্তেজিত হবেন না, অতিরিক্ত পেরেশানি করা থেকে বিরত থাকুন। ডাক্তার ও স্টাফদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। যতটা সম্ভব বিনয়ের সাথে কথা বলুন তাদের সাথে। আশেপাশে অনেক ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি থাকে। অবশ্যই চেষ্টা করবেন তাদের হেল্প নেওয়ার। দালালদের খপ্পরে পড়বেন না। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ভাইয়েরা খুবই আন্তরিক। আমার বিশ্বাস তারা আপনাকে সঠিক চিকিৎসা নিতে সাহায্য করবেন।
সবশেষে একটা কথা, আপনজন হারানোর বেদনা যে কতোটা কঠিন তা যার আপনজন হারিয়ে গেছে সে জানে। ডাক্তার ও স্টাফদের প্রতি অনুরোধ, একজন মানুষ হয়তো আপনার কাছে শুধুমাত্র একটা রুগী। কিন্তু মনে রাখবেন ঐ মানুষটি কারোও না কারো আপনজন। ঠিক আপনার বাবা-মা, ভাই-বোন কিংবা স্ত্রী- সন্তানের মতো।
আশাকরি সবাই বুঝতে পেরেছেন আমি কি বোঝাতে চেয়েছি। ভালো থাকুক সবার প্রিয় মানুষগুলো, আপজন গুলো। সেই দোয়া ও প্রত্যাশায় শেষ করলাম। আল্লাহ হাফেজ।
21/02/2024
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ /২০২৪ ইং।
চিনাখড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ, সুজানগর, পাবনা।
04/02/2024
বিজ্ঞান মেলা/২০২৪ ইং।
13/01/2024
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাবার্তা ডট কম দৈনিক শিক্ষা- Dainik Shiksha Mohibul Hassan Chowdhoury
আসসালামু আলাইকুম।
১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে আমার লেখাটি আমার টাইমলাইন সহ বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে পোস্ট করেছিলাম। লেখাটি অনেক আলোচনায় এসেছিলো। বর্তমান সরকার এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শিক্ষামন্ত্রীর নিকটে আবেদন আমার লেখাটির মূল উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়ন করার জন্য। লেখাটিতে আমার দেওয়া ৩ নং পরামর্শটিকে কিভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব তার রূপরেখা তৈরি করেছি আমি। নিচে আমার সেই লেখাটি সংযুক্ত করলাম।
ফ্যাক্টঃ (নতুন কারিকুলাম)। অতীব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
★★★পরীক্ষায় ছাড় পাওয়া, দেখাদেখি কিংবা নকল, খাতা মূল্যায়নে ছাড় দেওয়া, ভুল বা আধা সঠিক, আধা ভুল লিখলেই পুরো মার্ক দেওয়া, পাশের হার বাড়ানোর জন্য বিভিন্নভাবে ছাড় দিয়ে পাশের হার বাড়ানো, সুযোগ বুঝে মেধাবীদের পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদেরও গোল্ডেন এ প্লাস বা শুধু এ প্লাস এর ছড়াছড়ি। রেজাল্টের পর অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্টুডেন্টদের আনন্দ-উল্লাস, মাতামাতি, নাচা-নাচির ছড়াছড়ি।।। এবার বলুনতো এভাবে কি সম্ভব একটা দেশকে, একটা জাতিকে সফলতার শীর্ষে নিয়ে যাওয়া? অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে টক্কর দেওয়া??? বাদ দেন বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে টক্কর, আমি আপনি আপনার সন্তান আমরা কেউ কি এই ধরনের শিক্ষা আর রেজাল্ট দিয়ে আদৌও কি পারবো ভালো কোনো অবস্থানে যেতে??? অথচ এই ধরনের শিক্ষা এবং তার মূল্যায়ন ও ফলাফলের কারণে দেশে আজ লক্ষ লক্ষ বেকারের সৃষ্টি হয়েছে। উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করে একটা চাকুরির আশায় অনেকের বয়স শেষ হয়ে যাচ্ছে তবুও বিয়ে করতে পারতেছেনা। আবার উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার কারণে অনেকেই ছোট চাকুরি / ব্যবসা / কৃষিকাজ কোনকিছুই করতে পারতেছেনা বা করতেও অনেক হীনমন্যতায় ভুগতেছেন।।। বাস্তবিকপক্ষে এইধরনের শিক্ষার মাধ্যমে কখনোই একটা দেশকে / জাতিকে / এমনকি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব নয়।।।
★★★বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ এইজন্য যে, অনেক দেরিতে হলেও বাস্তবমুখী, কর্মমুখী এবং আত্মনির্ভরশীল শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার জন্য। যারা নতুন কারিকুলাম এর বিপক্ষে কথা বলতেছেন তারা হয় না বুঝে মন্তব্য করতেছেন কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য বলতেছেন। এই ধরনের মন্তব্যকারীদের বলবো অপেক্ষাকরুন আর দেখুন। আগামীতে আমাদের প্রজন্ম সঠিক দিশা পাবে ইনশাআল্লাহ এবং আপনিও লাভবান হবেন।।।
★ নতুন কারিকুলাম এর সংযোজন বিয়োজন হয়তো হবে। তারজন্য আমরা সবাই গঠনমূলক পরামর্শ দিতে পারি। নেগেটিভ সমালোচনা করে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে আসুন সবাই গঠনমূলক পরামর্শ দিই।।।
★ একজন শিক্ষক (প্রভাষক -পদার্থবিদ্যা) এবং সাধারণ মানুষ হিসেবে আমিও কিছু পরামর্শ দিবো ইনশাআল্লাহ।।।
১। নতুন কারিকুলাম কে বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং প্রয়োজন অনুপাতে শিক্ষক সরবরাহ করতে হবে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিকভাবে স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে।।।
২। যেহেতু নতুন কারিকুলাম এর শিক্ষাপদ্ধতিতে শিক্ষকদের অনেক পরিশ্রম দিতে হবে এবং টিউশন করে আয়ও করার সুযোগ নাই যেটা পূর্বের শিক্ষাপদ্ধতিতে ছিলো সেহেতু শিক্ষকদের মানানসই এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা প্রদান করতে হবে।
৩। শিক্ষার্থীদেরকে বয়স ও শ্রেণী অনুযায়ী প্রতিটি শ্রেণীতে কমপক্ষে ৩-৫ টি বাস্তব ধর্মী কাজ শেখাতে হবে। যেমন: গার্ডেনিং, কৃষিকাজ, ব্যবসা, প্রকল্প, সেলসম্যান, টেকনিক্যাল ওয়ার্ক ( রঙ, টাইলস, রাজমিস্ত্রী, হাউজ ওয়ারিং, লেদ, বিভিন্নধরনের ওয়ার্কশপ, বিদেশে যেসমস্ত কাজের চাহিদা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি কাজের যেকোনো ২/৩/৫ টি কাজ স্টুডেন্টদের পছন্দ অনুযায়ী শ্রেণী ভিত্তিক করানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে আমার কিছু পরিকল্পনা আছে যা বাস্তবায়ন করতে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।
৪। যেসমস্ত দেশে বিভিন্ন কাজের জন্য জনশক্তি নিচ্ছে সেসমস্ত দেশের সাথে রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক স্থাপন করে এবং আমাদের দেশের যুবকদের সেসমস্ত দেশের প্রয়োজনীয় কাজের ট্রেনিং করিয়ে সরকারিভাবে লোকবল বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই কোনো দালালদের মাধ্যমে বিদেশে লোকবল পাঠানো যাবেনা। প্রয়োজনে এই দায়িত্ব বাংলাদেশ আর্মিকে দেওয়া যেতে পারে।।।
আপাতত এই চারটি পরামর্শ আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে দিলাম। আপনারাও আপনাদের মূল্যবান জ্ঞান দিয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করুন। অহেতুক নেগেটিভ সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন।।।
ধন্যবাদ।।।
এস, এম, জাহাঙ্গীর হোসেন
প্রভাষক (পদার্থবিদ্যা)
দ্বিতীয় মেধাতালিকা অনুযায়ী এন টি আর সি এ কর্তৃক সুপারিশকৃত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত।।।
ফ্যাক্টঃ (নতুন কারিকুলাম)। অতীব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
★★★পরীক্ষায় ছাড় পাওয়া, দেখাদেখি কিংবা নকল, খাতা মূল্যায়নে ছাড় দেওয়া, ভুল বা আধা সঠিক, আধা ভুল লিখলেই পুরো মার্ক দেওয়া, পাশের হার বাড়ানোর জন্য বিভিন্নভাবে ছাড় দিয়ে পাশের হার বাড়ানো, সুযোগ বুঝে মেধাবীদের পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদেরও গোল্ডেন এ প্লাস বা শুধু এ প্লাস এর ছড়াছড়ি। রেজাল্টের পর অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্টুডেন্টদের আনন্দ-উল্লাস, মাতামাতি, নাচা-নাচির ছড়াছড়ি।।। এবার বলুনতো এভাবে কি সম্ভব একটা দেশকে, একটা জাতিকে সফলতার শীর্ষে নিয়ে যাওয়া? অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে টক্কর দেওয়া??? বাদ দেন বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে টক্কর, আমি আপনি আপনার সন্তান আমরা কেউ কি এই ধরনের শিক্ষা আর রেজাল্ট দিয়ে আদৌও কি পারবো ভালো কোনো অবস্থানে যেতে??? অথচ এই ধরনের শিক্ষা এবং তার মূল্যায়ন ও ফলাফলের কারণে দেশে আজ লক্ষ লক্ষ বেকারের সৃষ্টি হয়েছে। উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করে একটা চাকুরির আশায় অনেকের বয়স শেষ হয়ে যাচ্ছে তবুও বিয়ে করতে পারতেছেনা। আবার উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার কারণে অনেকেই ছোট চাকুরি / ব্যবসা / কৃষিকাজ কোনকিছুই করতে পারতেছেনা বা করতেও অনেক হীনমন্যতায় ভুগতেছেন।।। বাস্তবিকপক্ষে এইধরনের শিক্ষার মাধ্যমে কখনোই একটা দেশকে / জাতিকে / এমনকি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব নয়।।।
★★★বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ এইজন্য যে, অনেক দেরিতে হলেও বাস্তবমুখী, কর্মমুখী এবং আত্মনির্ভরশীল শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার জন্য। যারা নতুন কারিকুলাম এর বিপক্ষে কথা বলতেছেন তারা হয় না বুঝে মন্তব্য করতেছেন কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য বলতেছেন। এই ধরনের মন্তব্যকারীদের বলবো অপেক্ষাকরুন আর দেখুন। আগামীতে আমাদের প্রজন্ম সঠিক দিশা পাবে ইনশাআল্লাহ এবং আপনিও লাভবান হবেন।।।
★ নতুন কারিকুলাম এর সংযোজন বিয়োজন হয়তো হবে। তারজন্য আমরা সবাই গঠনমূলক পরামর্শ দিতে পারি। নেগেটিভ সমালোচনা করে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে আসুন সবাই গঠনমূলক পরামর্শ দিই।।।
★ একজন শিক্ষক (প্রভাষক -পদার্থবিদ্যা) এবং সাধারণ মানুষ হিসেবে আমিও কিছু পরামর্শ দিবো ইনশাআল্লাহ।।।
১। নতুন কারিকুলাম কে বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং প্রয়োজন অনুপাতে শিক্ষক সরবরাহ করতে হবে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিকভাবে স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে।।।
২। যেহেতু নতুন কারিকুলাম এর শিক্ষাপদ্ধতিতে শিক্ষকদের অনেক পরিশ্রম দিতে হবে এবং টিউশন করে আয়ও করার সুযোগ নাই যেটা পূর্বের শিক্ষাপদ্ধতিতে ছিলো সেহেতু শিক্ষকদের মানানসই এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা প্রদান করতে হবে।
৩। শিক্ষার্থীদেরকে বয়স ও শ্রেণী অনুযায়ী প্রতিটি শ্রেণীতে কমপক্ষে ৩-৫ টি বাস্তব ধর্মী কাজ শেখাতে হবে। যেমন: গার্ডেনিং, কৃষিকাজ, ব্যবসা, প্রকল্প, সেলসম্যান, টেকনিক্যাল ওয়ার্ক ( রঙ, টাইলস, রাজমিস্ত্রী, হাউজ ওয়ারিং, লেদ, বিভিন্নধরনের ওয়ার্কশপ, বিদেশে যেসমস্ত কাজের চাহিদা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি কাজের যেকোনো ২/৩/৫ টি কাজ স্টুডেন্টদের পছন্দ অনুযায়ী শ্রেণী ভিত্তিক করানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে আমার কিছু পরিকল্পনা আছে যা বাস্তবায়ন করতে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।
৪। যেসমস্ত দেশে বিভিন্ন কাজের জন্য জনশক্তি নিচ্ছে সেসমস্ত দেশের সাথে রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক স্থাপন করে এবং আমাদের দেশের যুবকদের সেসমস্ত দেশের প্রয়োজনীয় কাজের ট্রেনিং করিয়ে সরকারিভাবে লোকবল বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই কোনো দালালদের মাধ্যমে বিদেশে লোকবল পাঠানো যাবেনা। প্রয়োজনে এই দায়িত্ব বাংলাদেশ আর্মিকে দেওয়া যেতে পারে।।।
আপাতত এই চারটি পরামর্শ আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে দিলাম। আপনারাও আপনাদের মূল্যবান জ্ঞান দিয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করুন। অহেতুক নেগেটিভ সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন।।।
ধন্যবাদ।।।
এস, এম, জাহাঙ্গীর হোসেন
প্রভাষক (পদার্থবিদ্যা)
দ্বিতীয় মেধাতালিকা অনুযায়ী এন টি আর সি এ কর্তৃক সুপারিশকৃত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত।।।
18/10/2023
নবীন বরণ অনুষ্ঠান
এবং শেখ রাসেল দিবস উদযাপন-২০২৩।
চিনাখড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ।