30/03/2026
Ulat Siddiqea Fazil Madrasah
It is official page of Ulat Siddiqea Fazil Madrasah. I love My Madrasah. It is glorious Oldest madrasah in Pabna district. It establish in 1915.
30/03/2026
29/10/2025
শোক সংবাদ!
আমাদের প্রিয় শিক্ষক, নাঈম আল কুদ্দুস "রিংকু" সহকারী শিক্ষক (আইসিটি), উলাট সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, পাবনা।
আজ ২৯.১০.২০২৫ সকাল ৬.৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছে, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করুন। তিনি অনেক কষ্টের মাঝেও সদা হাস্যোজ্জ্বল একজন মানুষ। তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি আলাদা যত্ন নিতেন এবং জ্ঞান বিতরণের অনুগত ব্যক্তি ছিলেন।
04/10/2025
মানিকহাট কেন্দ্রীয় কবরস্থান, স্থাপিত ১৯৩৪।
হাজারো মানুষের স্মৃতি নিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে। আমার আপনার সবারই অবধারিত শেষ ঠিকানা।
06/04/2025
ই-স-রা-য়ে-লে-র জ-ম পা-ব-না-র স-ন্তা-ন!
গভীর শ্রদ্ধা ও গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি পাবনার কৃতি সন্তান, কিংবদন্তি টপ গান পাইলট সাইফুল আজমকে। তিনি শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বের ইতিহাসে একজন অনন্য বৈমানিক হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন।
একটু পেছনের গল্প:
১৯৪১ সালের ২০ জুন পাবনা জেলার শংকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সাইফুল আজম। ছোটবেলা থেকেই আকাশের প্রতি ছিল তাঁর দুর্দান্ত আকর্ষণ। তিনি ১৯৬০ সালে পাকিস্তান এয়ারফোর্সে যোগ দেন এবং দ্রুতই একজন দক্ষ ও সাহসী পাইলট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
বিশেষত ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেন। তখন তিনি জর্ডান, ইরাক এবং মিশরের হয়ে যুদ্ধরত অবস্থায় মোট ৪টি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেন। এই অবিস্মরণীয় কৃতিত্বের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের একমাত্র পাইলট, যিনি তিনটি ভিন্ন দেশের বিমানবাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করে শত্রু বিমান ধ্বংস করেছেন।
05/11/2024
প্রিয় মাদ্রাসা! আপনারা এখনো কে কে মাদ্রাসা মাঠে যান মাঝে মাঝে?
06/07/2024
বন্ধন -University & Medical Students Association of Manikhat Union কর্তৃক ২০২৪ সালের ট্যালেন্ট হান্ট এক্সামের রেজাল্ট। সবার কাছে পৌছিয়ে দিন।
09/06/2024
ইংরেজিতে কথা বলা শিখুন!!
02/06/2024
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। এটা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।
আমরা অনেকেই একটি ভুল করি। নবিজির নাম লিখার পর পরিপূর্ণভাবে ‘সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ (দরুদ) না লিখে সংক্ষেপে (সা.) লিখে থাকি। এটি করা উচিত নয়।
ইমাম হামযাহ আল কাত্তানি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের পর দরুদ ও সালাম লিখার পরিবর্তে শুধু صلاة সলাত (শব্দটি) লিখে রাখতাম। একদিন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখি—তিনি আমাকে বলছেন, ‘‘তোমার কী হলো যে, তুমি আমার প্রতি দরুদ পূর্ণ করছো না?’’ [ইমাম সুয়ুতি, তাদরিবুর রাবি: ২/৭৭]
ইমাম নববি (রাহ.) ও সুয়ুতি (রাহ.)-সহ অনেক আলিম নবিজির উপর দরুদের বাক্য সংক্ষেপে লেখা ‘মাকরুহ’ বলেছেন। [আত-তাকরিব মা‘আত তাদরিব ও তাদরিবুর রাবি]
কেউ যদি নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম লিখে, তবে তার উচিত পরিপূর্ণভাবে দরুদ পেশ করা। তবে, কোনো কোনো আলিম থেকে জানা যায়, তাঁরা মনে করতেন, কেউ যদি নবিজির নাম লিখার পর দরুদ না লিখে বরং মুখে দরুদ পড়ে নেয়, তাহলেও তা যথেষ্ট হবে। এমন কাজ ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে প্রমাণিত রয়েছে। কিন্তু প্রাচীন আলিমগণ এমনটি করতেন না। বরং তাঁরা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম লিখলে, সাথে দরুদও লিখতেন (মুখ দিয়ে উচ্চারণও করতেন)। [ইমাম খতিব আল-বাগদাদি, আল-জামি’ লি-আখলাকির রাবি: ১/২৭১]
অতএব, আমরা অবশ্যই নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনলে সাথে সাথে তাঁর উপর দরুদ পড়বো। পাশাপাশি তাঁর নাম লিখলেও দরুদ লিখবো এবং মুখে উচ্চারণ করবো। আর তাঁর নাম লিখার সময় কৃপণতা না করে পূর্ণরূপে লিখবো।
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবির প্রতি সালাত (দরুদ) প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি প্রচুর পরিমাণে সালাত (দরুদ) ও সালাম প্রেরণ করো।’’ [সুরা আহযাব, আয়াত: ৫৬]
নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশ কঠিন ভাষায় বলেছেন, ‘‘ওই ব্যক্তির নাক ধূলি-ধুসরিত হোক (অপদস্থ হোক), যার সামনে আমার আলোচনা করা হলো, অথচ সে আমার জন্য দরুদ পাঠ করলো না।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৫; হাদিসটি হাসান সহিহ]
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ্ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, তার থেকে ১০ টি গুনাহ মুছে দেওয়া হবে এবং তার জন্য ১০ টি স্তর উন্নীত করা হবে।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; হাদিসটি সহিহ]
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-কিরমানি (রাহ.) বর্ণনা করেন, একদিন আমরা আবু আলি ইবনু শাযানের দরসে উপস্থিত ছিলাম। এ সময় অপরিচিত একটি ছেলে এসে ঢুকলো। সালাম দিয়ে সে বললো,
‘আপনাদের মধ্যে আবু আলি ইবনু শাযান কে?’ আমরা ইশারায় দেখিয়ে দিলাম আবু আলিকে।
ছেলেটা বললো, ‘শায়খ! আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি আমাকে বলেছেন, ‘‘আবু আলি ইবনু শাযানের খোঁজ করবে। তাকে খুঁজে পেলে আমার সালাম জানাবে।’’
এতটুকু বলে ছেলেটা চলে গেলো।
এটা শুনে আবু আলি তৎক্ষণাৎ কেঁদে দিলেন। তিনি বললেন, ‘আমি জানি না আমার এমন কোনো আমল আছে কি না, যার কারণে আমি এমন প্রতিদান পেতে পারি। তবে হ্যাঁ, হাদিস পড়ার ব্যাপারে আমি যে ধৈর্য ধরি আর বারবার নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম আসলেই তাঁর প্রতি দরুদ পড়ি, তার বদৌলতেই হয়তো।’
কিরমানি (রাহ.) বলেন, এই ঘটনার দুই বা তিন মাসের মাথায় আবু আলি ইবনু শাযান (রাহিমাহুল্লাহ) ইন্তিকাল করেন। [ইমাম খতিব আল বাগদাদি, তারিখু বাগদাদ: ৭/২৭৯-২৮০]
#দরুদ_সমাধানের_বারুদ (সপ্তম পর্ব)
আগের ৬ টি পর্বের লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো। আগামী পর্বে সমাপ্ত হবে, ইনশাআল্লাহ। শেষ পর্বটিও মিস করবেন না। আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মু‘হাম্মাদ ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদ।
Nusus
31/08/2022
একে একে বিদায় নিচ্ছে মাদ্রাসার নক্ষত্রগুলি।।
আমরা যারা এবতেদায়ী তে পড়েছি,অথবা যারা প্রাক্তন হয়ে গেছি তারাই জানি স্যার কিভাবে আমাদের গাইডলাইন করেছেন।।এখন তো সব আধুনিকতার নামে শিক্ষক কে শিক্ষকই মনে করা হয় না।।শিক্ষকদের আবদ্ধ করে রাখা হইছে সীমাবদ্ধতার শিকলে।।যার ফলে স্যারদের নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে গেছে।।মিছ করি স্যারদের সেই শাসন,সেই বারন।।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (বড় স্যার) এবং আব্দুল হালিম স্যারকেও মিছ করছি।।
আল্লাহ তাদের ভালো রাখুন,নেক হায়াত দান করুন।।
উলাট সিদ্দিকীয়া ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা
স্থাপিত ১৯১৫ ইং।
উলাট সিদ্দিকিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্যতম সুপ্রাচীন ইসলামী বিদ্যাপীঠ। এমনকি ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসা পাবনা জেলার শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্যানিকেতন।
অবস্থানঃ
উলাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসাটি ঢাকা পাবনা মহাসড়কের চিনাখড়া বাস স্টেশন হতে আট কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সুজানগর উপজেলা সদর হতে ১২ কিলোমিটার পূর্বে গাজনার বিলের পশ্চিম ও দক্ষিনে অবস্থিত। গ্রাম- উলাট, ইউনিয়ন- মানিকহাট, উপজেলা- সুজানগর, জেলা- পাবনা।
প্রতিষ্ঠাকালীন ইতিহাস ও নামকরণঃ
পাবনা জেলার মধ্যে সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার নাম উলাট সিদ্দিকিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা। ১৯১২ সালে প্রথমে মক্তব আকারে উলাট মাদ্রাসার গোড়াপত্তন হয়।
উলাট গ্রামের হাজী তমিজউদদীন ও বদিউজ্জামান প্রথমে মাদ্রাসার জন্য জমি দান করেন। তাদেরই পরিচিত খালইভাড়ার মহর আলী প্রাং ও আব্দুস সাত্তার প্রাং এর বাঁশ ঝাড়ের বাঁশ এবং তেবিলা গ্রামের হাজী আছির উদ্দিনের জমির ছোন দিয়ে মাদ্রাসার জন্য একটি ঘর বানানো হয়।
পরবর্তীতে ১৯১৫ সালে মাদ্রাসাটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভারতের ফুরফুরা শরীফের বড় পীর হযরত মাওঃ আবু বকর সিদ্দিক (রহঃ)। তাঁরই নাম অনুসারে মাদ্রাসাটির নামকরণ করা হয় উলাট সিদ্দিকীয়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা।
পরিচালনা কমিটিঃ
এতদ অঞ্চলের মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা-দীক্ষা ও আত্ম উন্নয়নের সুতিকাগার হিসেবে পরিচিত উলাট মাদ্রাসায়
আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য মুরব্বিদের দ্বারা প্রথমেই একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ হলেন উলাটে গ্রামের হাজী তমিজ উদদীন, ওলি মোল্লা, আবেদ আলী মোল্লা, তেলেম মৃধা, ইরাদ সেখ ও গোড়ান সেখ। মানিকহাটের নিফাজ উদ্দিন মিয়া, বনকোলার নওজেস আলী মিয়া, খযরান গ্রামের ইয়াদ আলী খান, হাজী ময়েজদ্দিন বিশ্বাস ও মহির উদ্দিন তালুকদার, রাইপুরের হাজী মোহাম্মদ আলী (সাবেক সাংসদ মকবুল হোসেন সন্টুর দাদা), তেবিলার হাজী আছির উদ্দিন এবং খালইভাড়ার মহর আলী প্রামানিক ও আব্দুস সাত্তার প্রামানিক। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষার ছিলেন যশোর জেলার মাওলানা আব্দুল মালেক।
শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনঃ
মাদ্রাসাটির দাখিল অনুমোদন হয় ১৯৪২ সালে তখন
মাদ্রাসাটির নাম হয় উলাট সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসা।
এবং প্রধানের পদবি হয় স
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Ulat, Sujanagar
Pabna
RAJSHAHI