সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা

সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা

Share

এটি উত্তরবঙ্গের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।

অবিভক্ত বৃটিশ বাংলায় উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আধুনিক শিক্ষা বিষয়ক ঐতিহাসিক নীতিমালা আশ্রয় করে কলেজ স্তরের শিক্ষা প্রসারের সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। পাবনা জেলাবাসীর প্রতীক্ষার কাল খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি, ঐ শতকেরই শেষে ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে এ জেলা শহরে কলেজ প্রতিষ্ঠার দীপ্তিময় ইতিহাস রচিত হয়। স্বাধীন বাংলার সীমানায় তখনও কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা বোর্ড গড়ে ওঠেনি, উত্তরাঞ্চলের বিশাল এলাকায় রাজশাহী কলেজট

08/05/2026

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (PIB) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) নিশ্চিত করেছে যে, ৭ এবং ৮ মে ওড়িশার উপকূল থেকে তারা 'টারা' (TARA - Tactical Advanced Range Augmentation) নামক একটি দেশীয় গ্লাইড ওয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।

এছাড়াও বঙ্গোপসাগরের বিশাল এলাকা জুড়ে একটি নোটিশ (NOTAM) জারি ছিল, যা মূলত দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা হাইপারসোনিক অস্ত্রের পরীক্ষার ইঙ্গিত দেয়।দৃশ্যমান হওয়ার কারণ: ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন অনেক উচ্চতায় (প্রায় ৮০-১০০ কিমি উপরে) উঠে যায়, তখন সেখানে থাকা বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের সাথে রকেটের জ্বালানি বিক্রিয়া করে এই ধরনের উজ্জ্বল 'জেলিফিশ' আকৃতি তৈরি করে । সন্ধ্যাবেলা ভূপৃষ্ঠে অন্ধকার থাকলেও উচ্চতায় সূর্যের আলো থাকায় এই দৃশ্যটি অনেক দূর থেকে (পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ) স্পষ্ট দেখা যায়।

এই একই দৃশ্য বাংলাদেশের ঢাকা, সাতক্ষীরা এবং খুলনার মতো বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও অনেকে লক্ষ্য করেছেন। এটি কোনো এলিয়েন বা ইউএফও (UFO) নয়, বরং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একটি সামরিক পরীক্ষা।

Collected

05/12/2025

23/11/2025

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ইউনির গবেষকরা ২০১৬ সালে নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক পেপারে বাংলাদেশের প্লেটের বেগ হিসাব করে দেখিয়েছেন। তারা দেখেছেন বাংলাদেশের প্লেট বছরে ১৫ থেকে ৪০ মিলিমিটার করে উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে, বার্মা প্লেটের নিচ দিয়ে। ইন্ডিয়ান প্লেটের বাংলাদেশ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের পলি জমে, যার নিচে আছে একটা ওশানিক প্লেট, এবং এই ওশানিক প্লেট কন্টিনেন্টাল বার্মা প্লেটের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের সক্রিয় অঞ্চলকে বলে সাবডাকশন জোন। আর এসব জোনের যেখানে এক প্লেট আরেক প্লেটের নিচে তলিয়ে যেতে থাকে সেই সীমান্তে তৈরি হয় মেগাথ্রাস্ট ফল্ট। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পগুলি সাধারণত মেগাথ্রাস্ট ফল্টে ঘষাঘষির কারণেই হয়।

ইন্ডিয়া ও বার্মা প্লেটের এই সাবডাকশন জোনের একটা সীমান্ত হচ্ছে ডিফর্মেশন ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের পশ্চিমে পাথর খুব একটা বিকৃত (ডিফর্মড) হয় না, কিন্তু ফ্রন্টের পূর্বের পাথর বিকৃত হয়ে পৃথিবীর পেটের ভিতর যেতে থাকে। আর এই ফ্রন্টের অবস্থান ঢাকার খুব কাছে। ছবিতে একমাত্রিক প্লটের নিচে মানচিত্রে ডিফর্মেশন ফ্রন্ট দেখানো হয়েছে কালো ড্যাশ লাইন দিয়ে। বুঝাই যাচ্ছে লাইনটি ঢাকার উপর দিয়ে যায়। তার মানে এই না যে ঢাকাতেই বড় ভূমিকম্পের এপিসেন্টার হবে। একমাত্রিক ফিগারে দেখানো হয়েছে যে, ডিফর্মেশন ফ্রন্ট থেকে শুরু হয়ে মেগাথ্রাস্ট ফল্ট প্রায় ২৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বিশাল অঞ্চলের অনেক জায়গাই হতে পারে এপিসেন্টার।

আমাদের মেগাথ্রাস্ট ফল্টে গত ৪০০ বছরে কোনো বড় (৮ - ৯ মাত্রা) ভূমিকম্প হয়নি। তার মানে ৪০০ বছর ধরে এখানে প্রেশার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, যে প্রেশার বিমুক্ত হলেই বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়। কোনো বড় ভূমিকম্প ছাড়াই আমরা বার্মার সাথে প্রায় ৫ মিটার কনভার্জ (মিলিত হওয়া) করেছি গত চারশ বছরে। চারশ বছর ধরে জমে থাকা প্রেশার কবে বিমুক্ত হবে বলা সম্ভব না। এখনো হতে পারে, আরো চারশ বছর পরেও হতে পারে। সুতরাং এই পেপারে কোনো ভূমিকম্প প্রেডিক্ট করা হয়নি, তেমন প্রেডিকশন বৈজ্ঞানিক হবে না। কিন্তু খুব ভালো করে একটা কথা বলা হয়েছে: ঢাকা পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর এক মেগাথ্রাস্ট ফল্টের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে। এবং এই ভয়ংকর ফল্টে কোনো একদিন এমন ভূমিকম্প হতে পারে যা জাপানের সবচেয়ে ভয়ানক ভূমিকম্পের সমান। তাই প্রস্তুতি নেয়ার কোনো বিকল্প নাই।

কলাম্বিয়া ম্যাগাজিন আর্টিকেল: https://magazine.columbia.edu/article/beneath-bangladesh-tectonic-time-bomb

পেপার: https://academiccommons.columbia.edu/doi/10.7916/D83J3KSZ

লেখা: Khan Mohammad Bin Asad

21/11/2025
16/10/2025

আজ পাবনার জন্মদিন। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জেলার বেশির ভাগ অংশ রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখনকার দিনে এসব এলাকায় সরকারের দায়িত্বপূর্ণ কর্মচারীদের খুব অভাব ছিল। পুলিশের অযোগ্যতা এবং জমিদারদের পক্ষ থেকে ডাকাতি ঘটনার তথ্য গোপন রাখা বা এড়িয়ে যাওয়া হতো। গ্রামাঞ্চলে ডাকাতেরা দলে দলে ঘুরে বেড়াত। চলনবিল এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এদের প্রতিরোধ করতে ও শাসনতান্ত্রিক সুবন্দোবস্তের জন্যে কোম্পানি সরকারের মন্তব্য অনুসারে পাবনায় সামগ্রিক ভাবে ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। ১৮৩২ খ্রিষ্টাব্দে তা স্থায়ী রূপ লাভ করে এবং তাকে স্বতন্ত্র ডিপুটি কালেক্টর রুপে নিয়োগ করা হয়।

রাজশাহী জেলার ৫টি থানা ও যশোর জেলার ৩টি থানা নিয়ে সর্ব প্রথম পাবনা জেলা গঠিত হয়। সময় সময় এর এলাকা ও সীমানার পরিবর্তন ঘটেছে। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ২১ নভেম্বর যশোরের খোকসা থানা পাবনা ভুক্ত করা হয়। অন্যান্য থানা গুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহীর খেতুপাড়া, মথুরা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ ও পাবনা। ‘যশোরের চারটি থানা ধরমপুর, মধুপুর, কুষ্টিয়া ও পাংশা’। তখন পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ ডব্লিউ মিলস জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন পাবনায়। ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সেশন জজের পদ সৃষ্টি হলে এ জেলা রাজশাহীর দায়রা জজের অধীনে যায়। ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর জেলার পূর্ব সীমা নির্দিস্ট করা হয় যমুনা নদী। ১২ জানুয়ারি ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জ থানাকে মোমেনশাহী জেলা থেকে কেটে নিয়ে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমায় উন্নীত করে পাবনা ভুক্ত করা হয়। নিযুক্ত করা হয় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। এর ২০ বছর পর রায়গঞ্জ থানা এ জেলায় সামিল হয়।

08/01/2025

1880's British India, Dacca. (Now Bangladesh, Dhaka).

Northbrook Hall, Farashganj.

Restored Image.

Picture Credit: Philip Thornton

28/04/2023

☞ পাট গবেষণা বোর্ড→ মানিকগঞ্জ
☞ নদী গবেষণা কেন্দ্র→ ফরিদপুর
☞ রাবার গবেষণা বোর্ড→ কক্সবাজার
☞ তাঁত গবেষণা বোর্ড→ নরসিংদী
☞ চা গবেষণা কেন্দ্র→ শ্রীমঙ্গল, সিলেট
☞ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ ডাল গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ গম গবেষণা কেন্দ্র→ দিনাজপুর
☞ আম গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
☞ মসলা গবেষণা কেন্দ্র→ বগুড়া
☞ রেশম গবেষণা কেন্দ্র→ রাজশাহী
☞ বন গবেষণা কেন্দ্র→ চট্টগ্রাম
☞ পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র→ খাগড়াছড়ি
☞ ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁদপুর
☞ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট→ জয়দেবপুর, গাজীপুর
☞ তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ যশোর
☞ আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রামপাল, বাগেরহাট
☞ চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট→ হাজারীবাগ, ঢাকা
☞ তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ গরু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সাভার
☞ মহিষ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ বাগেরহাট
☞ ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সিলেট
☞ হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট→ নারায়ণগঞ্জ
☞ হরিণ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ শরণখোলা, বাগেরহাট
☞ কুমির (মিঠা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ভালুকা, ময়মনসিংহ
☞ কুমির (লোনা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ দুলহাজারা, কক্সবাজার
☞ মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র→ বাকৃবি, ময়মনসিংহ
☞ পুষ্টি গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

21/04/2023

You will love this

Want your school to be the top-listed School/college in Pabna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


※ সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ পাবনা ※
Pabna
6600

Opening Hours

Monday 09:00 - 02:30