এটি উত্তরবঙ্গের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।
অবিভক্ত বৃটিশ বাংলায় উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আধুনিক শিক্ষা বিষয়ক ঐতিহাসিক নীতিমালা আশ্রয় করে কলেজ স্তরের শিক্ষা প্রসারের সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। পাবনা জেলাবাসীর প্রতীক্ষার কাল খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি, ঐ শতকেরই শেষে ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে এ জেলা শহরে কলেজ প্রতিষ্ঠার দীপ্তিময় ইতিহাস রচিত হয়। স্বাধীন বাংলার সীমানায় তখনও কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা বোর্ড গড়ে ওঠেনি, উত্তরাঞ্চলের বিশাল এলাকায় রাজশাহী কলেজট
ি ছাড়া আর কোনো কলেজ হয়নি। কলেজ প্রতিষ্ঠার এই প্রোজ্জ্বল প্রেক্ষাপটে একজন মানুষের নাম উচ্চারণ করতেই হয়, যে মানুষটির উৎসাহে ও দৃঢ় প্রত্যয়ে পাবনার নতুন প্রজন্মের সাথে আধুনিক শিক্ষার সময়োচিত সংযোগ স্থাপন সম্ভব হয়েছিল- তিনি হলেন শ্রী গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী।
পদ্মা-যমুনার বিধৌত পলিমাটিতে ইতোমধ্যে (১৮২৮ খ্রিঃ) জেলার ভৌগোলিক সীমানা চিহ্নিত হয়ে যাওয়া পাবনা নামের ভূখণ্ডের জেলা শহরে ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে শ্রী গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী তাঁরই প্রতিষ্ঠিত ‘পাবনা ইনস্টিটিউশন (১৮৯৪ খ্রিঃ)’ বিদ্যালয়ের (বর্তমানের গোপাল চন্দ্র ইনস্টিটিউট) একটি কক্ষে একটি নতুন কলেজের দ্বারোদঘাটন করলেন এবং প্রধান শিক্ষকতার সাথে অধ্যক্ষের দায়িত্বেও সমাসীন হলেন। সে বছরেরই ডিসেম্বরে এফ.এ স্ট্যান্ডার্ড কলেজ হিসেবে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি লাভের মধ্য দিয়ে তাঁর স্বপ্নের বাস্তবায়ন হলো। তিনি ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ খ্রিস্টাব্দে কলেজটির নামকরণ হয় ‘পাবনা কলেজ’। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে প্রয়াত সম্রাট ৭ম এডওয়ার্ডের স্মৃতি রক্ষার্থে কলেজটির নামকরণ হলো ‘এডওয়ার্ড কলেজ’। প্রতিষ্ঠাতার অধ্যক্ষতাকালীন সময়ের সুযোগ্য সহকর্মী শ্রী গোপাল চন্দ্র মৈত্র, শ্রী আশুতোষ রায়, পণ্ডিত হরি নারায়ন কাব্যতীর্থ বিদ্যাবিনোদ, মোলভী সিরাজ-উল-হক অসাধারণ সুনামের সাথে অধ্যাপনার দায়িত্ব পালন করেছেন। পাঠদানের বিষয়গুলো ছিল- ইংরেজি, ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, বিজ্ঞান, সংস্কৃত, আরবী ও ফারসী। কলেজটিকে আশ্রয় করে নতুন শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠে, শিক্ষার প্রসার হয়, সংস্কৃতির বাহু বিস্তার ঘটে, জিজ্ঞাসার অসীমতা সৃষ্টি হয়। কলেজটিকে কেন্দ্র করে বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতির দীপ্ত অঙ্গনে পাবনা জেলার স্থান স্বর্ণময় হয়।
এডওয়ার্ড কলেজের নিজস্ব ভবন ও জায়গা-জমি হতে প্রায় ১৭/১৮ বছর লেগেছে। তবে ২৫ বছর পূর্তির আগেই নিজস্ব জায়গা-জমি অট্টালিকা আর পাঠদানের সুনাম দ্বারা বৃটিশ বাংলার একটি আদর্শ কলেজে উন্নীত হয়ে যায়। অসাধ্য সাধনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কিছু প্রোজ্জ্বল স্মারক হিসেবে স্মর্তব্য যে,- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দের আগস্টে তাড়াশের জমিদার রায় বাহাদুর বনমালী রায় কলেজকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দানের ঘোষণাসহ কলেজ পরিদর্শনে আসা বাংলার গভর্নর লর্ড টমাস ডেভিড ব্যারন কারমাইকেলকে স্বাগত সম্ভাষণ জানান। এ অনুষ্ঠানেই গভর্নরও সমপরিমান টাকা দানের প্রতিশ্রুতি দেন। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার আমলা সদরপুরের জমিদার প্যারীসুন্দরী দাসীর উত্তরাধিকারী গোপী সুন্দরী দাসী ও দেবেন্দ্র নারায়ণ সিংহ সাড়ে ৪৬ বিঘা জমি দান করেন। এ সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন এলাকার বিদ্যানুরাগী জমিদারগণ কলেজের জন্য উদার হস্তে অর্থ দান করেন।
১৯১৫-১৬ সালের মাধ্যেই লক্ষাধিক টাকায় কলেজের অট্টালিকা নির্মাণের প্রাথমিক কাজ হয়ে যায়। ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে আপ টু ইন্টারমিডিয়েট সাইন্স স্ট্যান্ডার্ড কলেজ হিসেবে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি ও ৫টি বিষয়ে পাঠদানের অনুমতি পাওয়া যায়। আগে থেকেই ইন্টারমিডিয়েট আর্টস পড়ার জন্য ১০টি বিষয়ে পাঠদানের অনুমতি পেয়ে পাঠদান চলছিল।
১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে বি,এস-সি কোর্স চালু হয়। এর আগের বছরে বি,এস-সি ভবন নির্মিত হয়। ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলেজে সহ-শিক্ষা চালু হয়। ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে বি, এ কোর্স খোলা হয়। লক্ষ্যণীয় যে, ডিগ্রী পর্যায়ে আর্টস চালুর ১৫ বছর আগে সাইন্স চালু হয়। বিষয়টি পাবনার নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার সময়োচিত সিদ্ধান্ত হিসেবে দীর্ঘদিন আলোচিত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যেই কলা ভবন, ছাত্রাবাস, জিমনেসিয়াম নির্মানসহ বহু উন্নয়ন কাজ হয়ে যায়। ১৯৪৬ সালে কলেজে বায়োলজি বিভাগ খোলা হয়।
১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় ও পরের বছর অর্থনীতিতে অনার্স চালু হয়। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে কলেজ সংলগ্ন জমি অধিগ্রহণের ফলে মোট জমির পরিমাণ হয় ৪৯ একর। এ বছরই পৃথক ডিগ্রী ভবনসহ ভৌত অবকাঠামো নির্মান কাজের ভিত্তি স্থাপিত হয় নতুন জমিতে। ১৯৬৮ সালের ১ মার্চ থেকে কলেজটিকে প্রাদেশিকীকরণের ফলে সরকারি হয়ে যায়। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে পদার্থ বিজ্ঞান, গণিত ও ব্যবস্থাপনায় অনার্স কোর্স চালু হয়। পরের বছর বাংলা ও অর্থনীতিতে এম, এ কোর্স শুরু হয়।
১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে এ কলেজ ৩৫টি সরকারি কলেজ উন্নয়ন প্রকল্পভুক্ত হয়। এ প্রকল্পাধীনে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে কলেজটি ‘আটটি বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়। এ প্রকল্পের ২৯৮.৮৪ লক্ষ টাকায় ১৯৮৭-৯০ সালের মধ্যে কলেজের ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজি, রসায়ন, উদ্ভিদবিদ্যা, হিসাববিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন ও ইতিহাস বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়। এতে অনার্স কোর্স চালু বিষয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২টিতে। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে এই ১২টি বিষয়েই মাস্টার্স কোর্স চালু হয়। ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণী বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সে পাঠদান শুরু হয়। এর পরের বছর প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স শুরু হয়। ২০১১ সালে ফিন্যান্স ও মার্কেটিং বিষয়ে অনার্স কোর্সে পাঠদান শুরু হয়েছে। বর্তমানে এ কলেজে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার।
বিশ শতকের গোধুলি বেলায় এডওয়ার্ড কলেজ শতবর্ষের গৌরবদীপ্ত পথ পরিক্রমা সম্পন্ন করে। বিগত ৬ মার্চ থেকে ১০ মার্চ ১৯৯৯ তারিখব্যাপী এডওয়ার্ড কলেজের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়। একুশ শতকের সুপ্রভাত কলেজটির জন্য জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে পুরস্কৃত হওয়ার শুভ বার্তা বয়ে এনেছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শিক্ষা উন্নয়নের লক্ষ্যে সারাদেশের সরকারি কলেজগুলোকে ৬টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ এএ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়েছে এডওয়ার্ড কলেজ। ২০১০-১১ অর্থ বছরে জেলা শহরে অবস্থিত ৬৯টি সরকারি কলেজ উন্নয়ন প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ১২ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আরো একাডেমিক ভবন নির্মাণ সহ ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। ইতোমধ্যে কলেজের বিভিন্ন বিভাগে সর্বমোট ১৬০টি পদ সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিসংখ্যান, ভূগোল ও মনোবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স প্রবর্তনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অনুমতিসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্তির জন্য যথানিয়মে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
08/05/2026
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (PIB) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) নিশ্চিত করেছে যে, ৭ এবং ৮ মে ওড়িশার উপকূল থেকে তারা 'টারা' (TARA - Tactical Advanced Range Augmentation) নামক একটি দেশীয় গ্লাইড ওয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।
এছাড়াও বঙ্গোপসাগরের বিশাল এলাকা জুড়ে একটি নোটিশ (NOTAM) জারি ছিল, যা মূলত দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা হাইপারসোনিক অস্ত্রের পরীক্ষার ইঙ্গিত দেয়।দৃশ্যমান হওয়ার কারণ: ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন অনেক উচ্চতায় (প্রায় ৮০-১০০ কিমি উপরে) উঠে যায়, তখন সেখানে থাকা বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের সাথে রকেটের জ্বালানি বিক্রিয়া করে এই ধরনের উজ্জ্বল 'জেলিফিশ' আকৃতি তৈরি করে । সন্ধ্যাবেলা ভূপৃষ্ঠে অন্ধকার থাকলেও উচ্চতায় সূর্যের আলো থাকায় এই দৃশ্যটি অনেক দূর থেকে (পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ) স্পষ্ট দেখা যায়।
এই একই দৃশ্য বাংলাদেশের ঢাকা, সাতক্ষীরা এবং খুলনার মতো বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও অনেকে লক্ষ্য করেছেন। এটি কোনো এলিয়েন বা ইউএফও (UFO) নয়, বরং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একটি সামরিক পরীক্ষা।
Collected
05/12/2025
23/11/2025
যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ইউনির গবেষকরা ২০১৬ সালে নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক পেপারে বাংলাদেশের প্লেটের বেগ হিসাব করে দেখিয়েছেন। তারা দেখেছেন বাংলাদেশের প্লেট বছরে ১৫ থেকে ৪০ মিলিমিটার করে উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে, বার্মা প্লেটের নিচ দিয়ে। ইন্ডিয়ান প্লেটের বাংলাদেশ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের পলি জমে, যার নিচে আছে একটা ওশানিক প্লেট, এবং এই ওশানিক প্লেট কন্টিনেন্টাল বার্মা প্লেটের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের সক্রিয় অঞ্চলকে বলে সাবডাকশন জোন। আর এসব জোনের যেখানে এক প্লেট আরেক প্লেটের নিচে তলিয়ে যেতে থাকে সেই সীমান্তে তৈরি হয় মেগাথ্রাস্ট ফল্ট। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পগুলি সাধারণত মেগাথ্রাস্ট ফল্টে ঘষাঘষির কারণেই হয়।
ইন্ডিয়া ও বার্মা প্লেটের এই সাবডাকশন জোনের একটা সীমান্ত হচ্ছে ডিফর্মেশন ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের পশ্চিমে পাথর খুব একটা বিকৃত (ডিফর্মড) হয় না, কিন্তু ফ্রন্টের পূর্বের পাথর বিকৃত হয়ে পৃথিবীর পেটের ভিতর যেতে থাকে। আর এই ফ্রন্টের অবস্থান ঢাকার খুব কাছে। ছবিতে একমাত্রিক প্লটের নিচে মানচিত্রে ডিফর্মেশন ফ্রন্ট দেখানো হয়েছে কালো ড্যাশ লাইন দিয়ে। বুঝাই যাচ্ছে লাইনটি ঢাকার উপর দিয়ে যায়। তার মানে এই না যে ঢাকাতেই বড় ভূমিকম্পের এপিসেন্টার হবে। একমাত্রিক ফিগারে দেখানো হয়েছে যে, ডিফর্মেশন ফ্রন্ট থেকে শুরু হয়ে মেগাথ্রাস্ট ফল্ট প্রায় ২৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বিশাল অঞ্চলের অনেক জায়গাই হতে পারে এপিসেন্টার।
আমাদের মেগাথ্রাস্ট ফল্টে গত ৪০০ বছরে কোনো বড় (৮ - ৯ মাত্রা) ভূমিকম্প হয়নি। তার মানে ৪০০ বছর ধরে এখানে প্রেশার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, যে প্রেশার বিমুক্ত হলেই বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়। কোনো বড় ভূমিকম্প ছাড়াই আমরা বার্মার সাথে প্রায় ৫ মিটার কনভার্জ (মিলিত হওয়া) করেছি গত চারশ বছরে। চারশ বছর ধরে জমে থাকা প্রেশার কবে বিমুক্ত হবে বলা সম্ভব না। এখনো হতে পারে, আরো চারশ বছর পরেও হতে পারে। সুতরাং এই পেপারে কোনো ভূমিকম্প প্রেডিক্ট করা হয়নি, তেমন প্রেডিকশন বৈজ্ঞানিক হবে না। কিন্তু খুব ভালো করে একটা কথা বলা হয়েছে: ঢাকা পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর এক মেগাথ্রাস্ট ফল্টের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে। এবং এই ভয়ংকর ফল্টে কোনো একদিন এমন ভূমিকম্প হতে পারে যা জাপানের সবচেয়ে ভয়ানক ভূমিকম্পের সমান। তাই প্রস্তুতি নেয়ার কোনো বিকল্প নাই।
আজ পাবনার জন্মদিন। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জেলার বেশির ভাগ অংশ রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখনকার দিনে এসব এলাকায় সরকারের দায়িত্বপূর্ণ কর্মচারীদের খুব অভাব ছিল। পুলিশের অযোগ্যতা এবং জমিদারদের পক্ষ থেকে ডাকাতি ঘটনার তথ্য গোপন রাখা বা এড়িয়ে যাওয়া হতো। গ্রামাঞ্চলে ডাকাতেরা দলে দলে ঘুরে বেড়াত। চলনবিল এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এদের প্রতিরোধ করতে ও শাসনতান্ত্রিক সুবন্দোবস্তের জন্যে কোম্পানি সরকারের মন্তব্য অনুসারে পাবনায় সামগ্রিক ভাবে ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। ১৮৩২ খ্রিষ্টাব্দে তা স্থায়ী রূপ লাভ করে এবং তাকে স্বতন্ত্র ডিপুটি কালেক্টর রুপে নিয়োগ করা হয়।
রাজশাহী জেলার ৫টি থানা ও যশোর জেলার ৩টি থানা নিয়ে সর্ব প্রথম পাবনা জেলা গঠিত হয়। সময় সময় এর এলাকা ও সীমানার পরিবর্তন ঘটেছে। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ২১ নভেম্বর যশোরের খোকসা থানা পাবনা ভুক্ত করা হয়। অন্যান্য থানা গুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহীর খেতুপাড়া, মথুরা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ ও পাবনা। ‘যশোরের চারটি থানা ধরমপুর, মধুপুর, কুষ্টিয়া ও পাংশা’। তখন পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ ডব্লিউ মিলস জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন পাবনায়। ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সেশন জজের পদ সৃষ্টি হলে এ জেলা রাজশাহীর দায়রা জজের অধীনে যায়। ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর জেলার পূর্ব সীমা নির্দিস্ট করা হয় যমুনা নদী। ১২ জানুয়ারি ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জ থানাকে মোমেনশাহী জেলা থেকে কেটে নিয়ে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমায় উন্নীত করে পাবনা ভুক্ত করা হয়। নিযুক্ত করা হয় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। এর ২০ বছর পর রায়গঞ্জ থানা এ জেলায় সামিল হয়।
08/01/2025
1880's British India, Dacca. (Now Bangladesh, Dhaka).
☞ পাট গবেষণা বোর্ড→ মানিকগঞ্জ
☞ নদী গবেষণা কেন্দ্র→ ফরিদপুর
☞ রাবার গবেষণা বোর্ড→ কক্সবাজার
☞ তাঁত গবেষণা বোর্ড→ নরসিংদী
☞ চা গবেষণা কেন্দ্র→ শ্রীমঙ্গল, সিলেট
☞ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ ডাল গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ গম গবেষণা কেন্দ্র→ দিনাজপুর
☞ আম গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
☞ মসলা গবেষণা কেন্দ্র→ বগুড়া
☞ রেশম গবেষণা কেন্দ্র→ রাজশাহী
☞ বন গবেষণা কেন্দ্র→ চট্টগ্রাম
☞ পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র→ খাগড়াছড়ি
☞ ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁদপুর
☞ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট→ জয়দেবপুর, গাজীপুর
☞ তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ যশোর
☞ আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রামপাল, বাগেরহাট
☞ চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট→ হাজারীবাগ, ঢাকা
☞ তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ গরু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সাভার
☞ মহিষ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ বাগেরহাট
☞ ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সিলেট
☞ হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট→ নারায়ণগঞ্জ
☞ হরিণ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ শরণখোলা, বাগেরহাট
☞ কুমির (মিঠা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ভালুকা, ময়মনসিংহ
☞ কুমির (লোনা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ দুলহাজারা, কক্সবাজার
☞ মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র→ বাকৃবি, ময়মনসিংহ
☞ পুষ্টি গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।