24/10/2019
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রকৌশল অনুষদের ডিন নিয়োগে অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতি। একটা অনুষদের ডিন নিয়োগে সরকারি বিধিতে যে যে Criteria আছে তার কোনটাই মানা হয়নি ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন শেখ রাসেল আহমেদকে নিয়োগ দেওয়ার সময়।শেখ রাসেল আহমেদ স্যারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ICE ডিপার্টমেন্টের পল্লব পোদ্দার স্যার। ডিন নিয়োগে প্রথমেই দেখা হয় কে আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছে,এই ক্ষেত্রে তারা দুজনেই একদিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছিল।তারপর দেখা হয় তাদের পড়াশোনার সেশন, যার সেশন আগে হবে সে অগ্রাধিকার পাবে।এই ক্ষেত্রে দুজনের সেশন একই ছিল।সেশন যদি এক হয়, তখন দেখা হয় জন্ম তারিখ।যে বয়সে বড় সে অগ্রাধিকার পাবে।পল্লব স্যার এখানেএগিয়ে ছিল, মানে বয়সে তিনি রাসেল স্যারের বড়।এই Criteria বিবেচনা করেই সাধারণত ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়। সকল Criteria অমান্য করে, ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় একজন নন ইঞ্জিনিয়ারিং টিচারকে।এই অবৈধ নিয়োগের পরপরই বেশ কিছু শিক্ষক এটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে চেয়েছিল।কিন্তু পল্লব স্যারের অনুরোধে সেই আন্দোলন স্থগিত করা হয়।যারা পল্লব স্যারকে চেনে, তাদের জানা থাকার কথা মানুষ টা কি পরিমাণ নম্র ভদ্র এবং অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী। তার ক্ষমতার প্রতি কোন লোভ ছিলনা, তাই অন্য শিক্ষকরা তার জন্য আন্দোলন করতে চাইলেও সে তাতে বাধা দেয়।আর অবৈধ ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত ডিন সাহেব,তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেই চলেছে।বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ২ টা ডিপার্টমেন্টে অচল অবস্থা বিরাজ করছে, যার জন্য এই অবৈধ ডিন সাহেব দায়ী। এই অবৈধ ডিনের জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় মিডিয়াতে নেগেটিভ ভাবে খবরে আসছে।এতে ভার্সিটির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।তাই এই অবৈধ এবং নির্লজ্জ ডিনের পদত্যাগ দাবি করছি।আশা করি আমাদের প্রশাসন অবৈধ ডিন কে অপসারণ করে, একজন যোগ্য ডিন নিয়োগ দিয়ে ফ্যাকাল্টির স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে।