27/04/2024
রক্ত দিন, জীবন বাচাঁন।
জরুরী ভিত্তিতে ৬ব্যাগ AB+ রক্ত লাগবে। উত্তরা উই কেয়ার হাসপাতাল এ। রক্তদানে সমর্থদের 01729802790 নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্যে সবিনয় অনুরোধ করছি।
Ashraf Zindani High School was established in 1972. The school was named after Hazrat Shah Ashraf Zi
প্রাচীন জনপদ সমাজের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীট হল আশরাফ জিন্দানী উচ্চ বিদ্যালয়। বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়ন-এর সমাজ গ্রামে অবস্তিত। মুক্তিযুদ্ধকালীন পাবনা - ৩ এলাকার সংসদ সদস্য মরহুম অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক সমাজী সাহেব ১৯৭২ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং হযরত শাহ্ আশরাফ জিন্দানী (রহঃ)-এর নামানুসারে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়।
এখানে মুলত ষষ্ঠ শ্রেনী হতে দ্বাদশ শ্রেণী পর
27/04/2024
রক্ত দিন, জীবন বাচাঁন।
জরুরী ভিত্তিতে ৬ব্যাগ AB+ রক্ত লাগবে। উত্তরা উই কেয়ার হাসপাতাল এ। রক্তদানে সমর্থদের 01729802790 নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্যে সবিনয় অনুরোধ করছি।
30/08/2017
আশরাফ জিন্দানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সৌহার্ধ্য-সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল ব্যাচের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজন করা হয়েছে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের।
অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করতে রেজিশট্রেশন করার জন্যে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ ভাবে আহ্ববান করা হচ্ছে,
রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য ও রেজিস্ট্রেশনের জন্যে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে https://goo.gl/aT7bJM
অনুষ্ঠান সংক্রান্ত আপনার যে কোন মতামত সাদরে গ্রহণযোগ্য। মতামত দিন।
আর, অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই পোস্টটি আপনার ওয়ালে শেয়ার করুন।
ধন্যবাদ।
09/01/2016
অনুষ্ঠান মঞ্চে অসাবধানতায় নিচে পরে গেলেন উপস্থাপক উপস্থাপিকা
অনুষ্ঠান মঞ্চে অসাবধানতায় নিচে পরে গেলেন উপস্থাপক উপস্থাপিকা
03/10/2015
ঘৃণা।
শিক্ষনীয় ছোট গল্প - ৪
==============
একদিন এক শিক্ষক ক্লাসে তার ছাত্রদের বললেন, তারা সবাই যেন সামনের দিন তাদের সাথে প্লাস্টিকের ব্যাগে করে আলু নিয়ে আসে। ঠিক করা হল প্রতিটা আলুকে তারা ঘৃণা করে এমন একজন মানুষের নাম দেয়া হবে। তো এভাবে আলুর সংখ্যা হবে তারা ঘৃণা করে এমন মানুষের সংখ্যার সমান। পরের দিন সবাই নাম দেয়া আলু নিয়ে ক্লাসে আসলো।
দেখা গেল, কেউ নিয়ে এসেছে দুইটা আলু, কেউ তিনটা, এমনকি কেউ কেউ পাঁচটা পর্যন্ত আলু নিয়ে এসেছে। এরপর শিক্ষক তার ছাত্রদের বললেন, তাদের সবার কাজ হচ্ছে আগামী এক সপ্তাহ তারা যেখানে যাবে সেখানেই আলুগুলোকে তাদের সাথে করে নিয়ে যেতে হবে। দুই-একদিন পর দেখা গেল ছাত্ররা আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাওয়া আলুর গন্ধ নিয়ে অভিযোগ করছে। আর যেসব ছাত্রদের কাছে অনেকগুলো করে আলু ছিল, তারা বলতে লাগলো সবসময় এত ভারী আলু সাথে রাখা অনেক কষ্টকর।
অবশেষে এক সপ্তাহ পার হওয়ার পর সবাই আলু সাথে রাখা থেকে মুক্তি পেল।
এবার শিক্ষক তার ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমাদের এই এক সপ্তাহ কেমন কাটলো?” সবাই সাথে সাথে আলুর পঁচা গন্ধ আর ভার নিয়ে অভিযোগ করা শুরু করল। তখন শিক্ষক বললেন, “ব্যাপারটিকে তোমরা যাদেরকে ঘৃণা কর বা পছন্দ কর না তার সাথে তুলনা কর। এই ঘৃণা তোমাদের হৃদয়ের জন্যে ক্ষতিকর এবং এই ঘৃণা তোমরা যেখানেই যাও তোমাদের সাথে করে সবজায়গায় নিয়ে যাও। তোমরা মাত্র এক সপ্তাহের জন্যে পঁচা আলুর গন্ধ সহ্য করতে পার নি, তাহলে চিন্তা করে দেখ তোমাদের ঘৃণা, যেটা তোমরা সারাজীবন বহন কর, তা তোমাদের হৃদয়ের উপর কি প্রভাব ফেলে?”
উপদেশঃ আমাদের হৃদয় অনেক সুন্দর একটা বাগান, এখান থেকে নিয়মিত আগাছা উপড়ে ফেলা উচিত। নয়তো সেই আগাছা আপনার বাগানের সৌন্দর্য্য নষ্ট করবে।
20/09/2015
এক হাজার আয়নার ঘর
(শিক্ষনীয় ছোট গল্প - ৩)
=================
(ভাল লাগলে লাইক দিন, কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে জানিয়ে দিন আপনার পৃথিবীকে)
রূপকথার এক গ্রামের নদীর ধারে একটি ঘর ছিল যার নাম ছিল "এক হাজার আয়নার ঘর"।
সেই গ্রামে সুন্দর হাসি মাখা মুখের একটি ছোট্ট মেয়ে ছিল।মেয়েটি একদিন তার বাবা মা'র মুখে শুনতে পায়, তাদের গ্রামের "আয়না ঘর" এর কথা। এর আগে মেয়েটি কোন দিন ঘর থেকে বের হয় নি। সে প্রকৃতি দেখেনি,দেখেনি কোনও বাস্তবতা। তো সে একদিন চিন্তা করলো যে সে ঐ আয়নার ঘর দেখতে যাবে। কিন্তূ একা একা যেতে সাহস না হওয়াই সে তার সমবয়সী আরেকটি মেয়েকে সাথে নিয়ে গেলো। আয়নার ঘরের সামনে হাজির হয়ে প্রথম মেয়েটি ভাবলো যে আগে সে ঐ ঘরে ঢুকবে আর সব কিছু দেখে এসে বাইরে এলে তবেই ঐ দ্বিতীয় মেয়েটি ঢুকবে।
কথামতো প্রথম মেয়েটি ঐ ঘরের ভেতর ঢুকলো। ঘরে ঢোকার সাথে সাথে আশ্চর্য সব রঙ্গিন কারুকাজ দেখে মেয়েটির মুখ আনন্দে ভরে উঠলো। সে আস্তে আস্তে এগোতে এগোতে সেই একহাজার আয়নার ঘরে প্রবেশ করলো। ঘরে ঢুকেই তার চোখ ছানাবড়া। মেয়েটি দেখলো সেখানে ঠিক তারই মতো দেখতে আরও একহাজার মেয়ে হাস্যোজ্জল মুখে তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সে যা করছে বাকিরাও ঠিক তাই তাই করছে।
মেয়েটি এবারে সব কিছু দেখে অনেক মজা পেয়ে বাইরে চলে এল এবং তার সাথীকে সব ব্যাপারে খুলে বলল এবং বলল যে "এমন সুন্দর জায়গা আমি আগে কখনো দেখেনি।সুযোগ পেলেই এবার থেকে আমি এই জায়গায় চলে আসবো।"
সব কথা শুনে এবারে দ্বিতীয় মেয়েটি কিছুটা ভয় ভয় মন নিয়ে ঘরের ভেতর ঢুকলো। ঘুরতে ঘুরতে আতংকিত মনে সেও এবারে সেই "এক হাজার আয়নার" ঘরে প্রবেশ করলো। ঘরে ঢোকার সাথে সাথে মেয়েটি ভয় পেয়ে উঠলো। ভয়ে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেলো, আতঙ্কিত হয়ে উঠলো চোখ। সে খেয়াল করলো ঠিক তারই মতো দেখতে আরও এক হাজার মেয়ে আতঙ্কিত আর ভয়ার্ত চোখ তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। মেয়েটি যেই ভয়েতে দুই হাত তুলে বলছে -তোমারা কারা- সাথে সাথে বাকী এক হাজার মেয়েও দুই হাত তুলে ওর দিকে নজর দিচ্ছে। এবারে মেয়েটি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে এল এবং প্রথম মেয়েটিকে বলল,"শীগগিরই বাড়ি চল,এটা খুব বাজে জায়গা। আমি আর কোনওদিন এই জায়গায় আসব না"
শিক্ষাঃ জীবনটাও একটা আয়না স্বরূপ। আপনি যেভাবে জীবনকে দেখবেন, সেও ঠিক সে ভাবেই আপনার কাছে ধরা দিবে। যারা সাহসিকতা, ভালোবাসা, উৎসাহ, জয় করার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়, জীবন তাদের কাছে অনেক সহজ ও আনন্দ ময় হয়ে ধরা দেয়। কিন্তু যারা, হতাশা, ভয়, মানসিক অবসাদ নিয়ে সামনে এগুতে চায়, তাদের চোখে সাফল্য যেন মরীচিকা । জীবন হয়ে উঠে ক্লান্তিকর, বিষণ্ণময়। বাস্তবতাকে আপনি যেভাবে দেখবেন, আপনার সামনে তা সেভাবেই ধরা দিবে।
13/09/2015
শিক্ষনীয় ছোট গল্প - ২
===============
বিশাল এক পাহাড়ের উপরে এক ঈগল বাসা বানিয়েছিলো। ঈগলের বাসায় ছিলো তার চার চারটি ডিম। প্রতিদিন সকালে সে এগুলো রেখে খাবারের খোঁজে উড়ে যেত।
একদিন ঈগল যখন বাসার বাইরে ছিলো তখন ভূমিকম্পে গোটা পাহাড় নড়ে উঠলো। এতে ঈগলের একটি ডিম বাসা থেকে ছিটকে পরে গেল। গড়াতে গড়াতে সেই ডিম এসে পড়লো পাহাড়ের নিচের এক মুরগীর বাসার উঠোনে ।
মুরগী সেই ডিমটিকে নিজের বাসায় নিয়ে এলো। অন্যান্য ডিমের সাথে রাখলো। যত্ন করে তা দিতে থাকলো। একদিন সেই ডিম ফুটে ঈগলের একটি সুন্দর বাচ্চাও বের হলো। মুরগীর বাচ্চাদের সাথেই ঈগলের বাচ্চাটি বড় হয়ে উঠতে লাগলো।
কিন্তু, সে ভেতর থেকে যে সবসময় অন্য কিছু অনুভব করতো। আকাশে একদিন ঈগলের একটা ঝাঁককে উড়ে বেড়াতে দেখে সে মুরগীকে বললো, ইস, যদি আমিও তাদের মত উড়ে বেড়াতে পারতাম। মুরগী হেসে উত্তর দিলো, তুমি কিভাবে উড়বে? তুমি তো মুরগী এবং মুরগী কখনো উড়ে না।
ঈগল মাঝে মাঝেই তার স্বগোত্রীয়দের উড়ে বেড়াতে দেখতো এবং স্বপ্ন দেখতো সেও তাদের মতই উড়ে বেড়াবে।
কিন্তু প্রতিবার সে তার স্বপ্নের কথা জানালে মুরগী বলতো যে এটা একেবারেই অসম্ভব।
মুরগীর এই কথাটিই ঈগল বিশ্বাস করতে শিখলো এবং তার জীবনটা বাকী মুরগীদের মতই কাটিয়ে দিলো।
অনেক দিন এভাবে কাটানোর পর একদিন সে মারাও গেল।
মোড়াল অব দ্যা ষ্টোরিঃ খোয়ারে বসবাসকারী মুরগীর কথা শুনলে তোমাকে মুরগী হয়েই জীবন কাটাতে হবে।
10/09/2015
শুরু হল শিক্ষনীয় ছোট গল্প পোস্ট। আজ প্রথম গল্পটি পোস্ট করা হলঃ
শিক্ষনীয় ছোট গল্প - ১
==============
সমুদ্রের মাঝখানে এক জাহাজ প্রচন্ড ঝড়ের মধ্যে পরে লন্ডভন্ড হয়ে গেল। সেই জাহাজের বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী ভাসতে ভাসতে এক নির্জন দ্বীপে এসে পৌছালো।
জ্ঞান ফেরার পর প্রথমেই সে আল্লাহর কাছে প্রানখুলে কৃতজ্ঞতা জানালো তার জীবন বাঁচানোর জন্যে।
প্রতিদিন সে দ্বীপের তীরে এসে বসে থাকতো যদি কোনো জাহাজ সেদিকে আসে এই আশায়।কিন্তু প্রতিদিনই তাকে হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হতো।
এরই মধ্যে সে সমুদ্রতীরে তার জন্যে একটা ছোট ঘর তৈরী করে ফেললো। সমুদ্রের মাছ ধরে এবং বন থেকে ফলমূল শিকার সে বেঁচে থাকলো।
সে একদিন খাবারের খোঁজে বনের মধ্যে গেল। বন থেকে সে যখন ফিরে এলো তখন দেখলো যে তার রান্না করার চুলা থেকে আগুন লেগে পুরো ঘরটিই ছাই হয়ে গিয়েছে এবং তার কালো ধোঁয়ায় আকাশ ভরে গিয়েছে।লোকটি চিৎকার করে উঠলো,
‘হায় আল্লাহ,তুমি আমার ভাগ্যে এটাও রেখেছিলে!’
পরদিন সকালে এক জাহাজের আওয়াজে তার ঘুম ভাঙলো।জাহাজটি সেই দ্বীপের দিকে তাকে উদ্ধার করার জন্যই আসছিলো। সে অবাক হয়ে বললো,
‘তোমরা কিভাবে জানলে যে আমি এখানে আটকা পরে আছি!’
জাহাজের ক্যাপ্টেন জানালো,‘তোমার জ্বালানো ধোঁয়ার সংকেত দেখে।'
শিক্ষাঃ অনেক সময় ছোট ছোট বিপদের মধ্যে অনেক বড় বিপদের সমাধান লুকিয়ে থাকে। তাই, ধৈর্যের সাথে বিপদ মোকাবেলা করতে হবে।
** গল্পটি আপনার কাছে শিক্ষনীয় মনে হলে লাইক দিন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং আপনার মতামত (কমেন্ট) জানান।
ধন্যবাদ।
09/09/2015
এক অন্ধ বালক একটি বড় ব্যাংকের সামনে বসে ছিলো।তার সামনে ছিলো একটি থালা আর হাতে ছিলো একটি কাগজ,যাতে লেখাঃ ‘আমি অন্ধ,অনুগ্রহ করে সাহায্য করুন’।
সারাটা সকাল তার থালায় মাত্র কয়েকটি পয়সাই জমেছিলো। ব্যাংকের এক চাকুরিজীবী ব্যাংকে ঢোকার সময় অন্ধটিকে দেখলো। সে তার মানিব্যাগ বের করে তাকে কিছু পয়সা দিলো, তার হাতের কাগজটি নিল এবং এর পেছনে কিছু লিখলো। এরপর ছেলেটির হাতে তা ধরিয়ে দিল যাতে সবাই নতুন লেখাটি দেখতে পায়।
এরপর আশ্চর্যজনক ভাবে সবার সাহায্যের পরিমান বেড়ে গেল।অনেক বেশি লোক ছেলেটিকে সাহায্য করতে থাকলো,তার থালাও ভরে উঠলো।বিকেলে সেই ব্যাংকার তার অফিস থেকে বেড়িয়ে ছেলেটিকে দেখতে এলো। তার গলা চিনতে পেরে ছেলেটি তাকে জিজ্ঞেস করলো,‘তুমিই কি সেই লোক যে আমার কাগজের লেখাটি বদলে দিয়েছিলে? কি লিখেছিলে তুমি?’
লোকটি বললো,‘আমিও সত্যটাই লিখেছিলাম তবে একটি ভিন্ন ভাবে।লিখেছিলাম,‘‘আজ খুব সুন্দর একটি দিন কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য আমি দেখতে পাই না।’’
দুটো লেখাই মানুষকে বলে যে ছেলেটি অন্ধ।কিন্তু প্রথমটি শুধু বলে যে সে অন্ধ।কিন্তু দ্বিতীয় লেখাটি মানুষকে বলে তারা অনেক ভাগ্যবান যে তারা অন্ধ নয়।
তোমার যা আছে তারজন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ থাকো। নতুন ভাবে চিন্তা করতে শিখো, সবার চেয়ে একটু ভিন্নভাবে কিন্তু পজিটিভ ভাবে ভাবতে শেখো। জীবন যখন তোমাকে কষ্ট পাওয়ার একশটা কারন দেয়,জীবনকে দেখিয়ে দাও যে তোমারও সুখী হওয়ার হাজারটা কারন আছে।
যদি ভাল লেগে থাকেঃ লাইক দিয়ে হাত ধরুন, কমেন্ট করে কাছে আসুন, শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, আপনার ভাললাগা
একটা বিষয় লক্ষনীয়, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুপ্ত একটা প্রতিভা তৈরী হয়, যা আশেপাশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে সম্পুর্ন ভিন্ন।
তবে মজার বিষয় হচ্ছে এখানে কেউ সেই বিষয় নিয়ে মাথা ঘামায় না।যারা প্রতিষ্ঠানের সত্যিই উন্নয়ন চাই তারা খুব কম এগিয়ে আসার সুযোগ পায়।
প্রতিষ্ঠানের ভালো একটা পাঠাগার থেকে শুরু করে, বিজ্ঞান চর্চা , লিটারেচার চর্চা, বিভিন্ন টেক চর্চা, ফিকশন, উচ্চ শিক্ষার চর্চা, এসব প্রতিভা বিকাশের হাতিয়ার গুলো আজো সত্যি ভালো করে কোন যায়গা করে নিতে পারছে না।
এই সকল শিক্ষার্থীরা সত্যিই যদি এই সকল চর্চায় নিবন্ধিত হতে পারে আমরা বিশ্বাস করি এখান থেকে বড় সাহিত্তিক, প্রাবন্ধিক, দর্শনবিদ, বিজ্ঞানী বেড়িয়ে আসবে।
আর আমাদেরই সমাজের উন্নয়নে বৃহত্তর ভুমিকা পালন করবে। ।
তবে আমরা প্রত্যাশী আপনাদের কাছে, যারা এখনো ভুলে যেতে পারে না তাদের শেকড় থেকে শিখরে ।