21/11/2025
সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজ, পাবনা ।
জ্ঞানার্জনে উন্নতি
21/11/2025
আজকে পাবনার জন্মদিন। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জেলার বেশির ভাগ অংশ রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখনকার দিনে এসব এলাকায় সরকারের দায়িত্বপূর্ণ কর্মচারীদের খুব অভাব ছিল। পুলিশের অযোগ্যতা এবং জমিদারদের পক্ষ থেকে ডাকাতি ঘটনার তথ্য গোপন রাখা বা এড়িয়ে যাওয়া হতো। গ্রামাঞ্চলে ডাকাতেরা দলে দলে ঘুরে বেড়াত। চলনবিল এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এদের প্রতিরোধ করতে ও শাসনতান্ত্রিক সুবন্দোবস্তের জন্যে কোম্পানি সরকারের মন্তব্য অনুসারে পাবনায় সামগ্রিক ভাবে ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। ১৮৩২ খ্রিষ্টাব্দে তা স্থায়ী রূপ লাভ করে এবং তাকে স্বতন্ত্র ডিপুটি কালেক্টর রুপে নিয়োগ করা হয়।
রাজশাহী জেলার ৫টি থানা ও যশোর জেলার ৩টি থানা নিয়ে সর্ব প্রথম পাবনা জেলা গঠিত হয়। সময় সময় এর এলাকা ও সীমানার পরিবর্তন ঘটেছে। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ২১ নভেম্বর যশোরের খোকসা থানা পাবনা ভুক্ত করা হয়। অন্যান্য থানা গুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহীর খেতুপাড়া, মথুরা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ ও পাবনা। ‘যশোরের চারটি থানা ধরমপুর, মধুপুর, কুষ্টিয়া ও পাংশা’। তখন পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ ডব্লিউ মিলস জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন পাবনায়। ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সেশন জজের পদ সৃষ্টি হলে এ জেলা রাজশাহীর দায়রা জজের অধীনে যায়। ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর জেলার পূর্ব সীমা নির্দিস্ট করা হয় যমুনা নদী। ১২ জানুয়ারি ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জ থানাকে মোমেনশাহী জেলা থেকে কেটে নিয়ে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমায় উন্নীত করে পাবনা ভুক্ত করা হয়। নিযুক্ত করা হয় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। এর ২০ বছর পর রায়গঞ্জ থানা এ জেলায় সামিল হয়।
01/07/2023
https://youtube.com/shorts/4otxyr35bLM?feature=share4
Create Sequence Number Automatically in 30 Seconds! 🤯 #youtubeshorts #shorts #short #excel In this video you can learn How to Create Sequential Numbers Automatically in Microsoft Excel easily. Anyone who has basic excel knowledge does this easily b...
স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জনাব Fakhrul Islam Hemel ছাত্রছাত্রীদের প্রতি একটি খোলা চিঠি লিখেছেন।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------
"প্রিয় ছাত্রছাত্রী,
আমার সালাম নিবেন। শিক্ষক হিসেবে বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় আপনাদের প্রতি কিছু কথা না লিখলেই নয়,তাই দায়িত্ববোধ থেকেই এই চিঠিটি লিখছি। দয়া করে তা পড়বেন ও অনুধাবন করতে চেষ্টা করবেন।ইতিমধ্যেই সরকার সারাদেশের সব পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা দিয়েছে। এই বন্ধটা আট-দশটা সাধারণ বন্ধের মত নয়।আপনারা সবাই জানেন, কভিড ১৯ (করোনা) একটা ভয়াবহ সংক্রমণ রোগ। আপনারা এই পরিস্থিতিটা হাল্কাভাবে নিবেন না।শুধুমাত্র ইমার্জেন্সি কারন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না। নিজে তো নয়ই, আপনার বন্ধুবান্ধব,আত্মীয়-স্বজন,প্রতিবেশী, ঘরের অন্যান্যদেরও আপনারাই নজরদারিতে রাখুন। আমাদের দেশ ঘনবসতিপূর্ণ, তাই এখানে সংক্রমণের আশংকা অনেক বেশি।সবাইকে ঘর হতে বের হতে নিরুৎসাহিত করুন।
সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীরা,
সমগ্র পৃথিবী জুড়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, মানুষ মারা যাচ্ছে। পৃথিবীতে এই সংক্রমণের মৃত্যুহার বা সংখ্যা একটা ফাঁদ। আমরা জানি পশ্চিমা দেশগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা কত উন্নত! তথাপিও তারা মৃত্যুর মিছিল থামায়ে পারছে না!
আপনারা আমরা আমাদের দেশের সীমাবদ্ধতা জানি।সরকারের সক্ষমতা, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা, প্রযুক্তি, এমনকি আমাদের সাধারণ মানুষের সক্ষমতা সম্পর্কে আমাদের সম্মক ধারণা রয়েছে।তাই,এই সময়টা দোষারোপ করবার নয়।আপনারা আমাদের সমাজের সবচেয়ে তরুণ, চিন্তায়,শক্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে। তাই আপনাদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করা অন্যায় হবে না।
আমাদের দেশের অনেকেই অশিক্ষিত ও অসচেতন। অনেকরই প্রযুক্তি ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা নাই। আপনারা তো ইউটিউব, ফেইসবুকের মাধ্যমে অনেক তথ্য পাচ্ছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন। তা সবাইকে ছড়িয়ে দিন।অনেকেই হয়তো একটা হটলাইনের নাম্বারও পাবে না, জানলে সাহায্য করুন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, মোবাইলে সবার খোঁজ খবর নেন।
প্রিয় অনুজরা,
ইতালিতে একজন চিকিৎসকের লেখা মারফৎ জানতে পারলাম, ইতালির অনেকেই শুধু একটু অক্সিজেন পাবার জন্য তারা বাধ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এই রোগের বিরুদ্ধে খুব সামান্য কিছু ওষুধ কাজ করে।তারা সাহায্য করার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কিন্তু সবকিছুই নির্ভর করছে রোগীর অবস্থার উপর। বৃদ্ধ রোগীরা এই রোগের সঙ্গে যুদ্ধে পেরে উঠছেননা। তারাই বেশিরভাগ মারা যাচ্ছেন।
প্রায় সবাই ইনটেনসিভ কেয়ারে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কেউ কেউ অক্সিজেন মাস্কের নিচেও শ্বাস নিতে পারছেননা। অক্সিজেন মেশিন এখন সোনার চাইতেও দামি ওখানে।এও যদি ইতালির অবস্থা হয়, আমাদের অবস্থা কি এতদিন কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারছেন! একটা স্ট্যাট দেই,আমাদের সারাদেশে মাত্র ৫০০ আইসিইউ আছে যার আশিরভাগই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দখলে! ইতালি পৃথিবীর অন্যতম সেরা চিকিৎসা ব্যবস্থা, তাদের যদি সার্জারি বিভাগও ICU করতে হয়,আমরা কি করবো? সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার, একটা প্রতিষ্ঠান বাদে আর কোথাও এটা টেস্টও করা যায় না।সংক্রমণ যখন ছড়িয়ে পড়বে,আমি হল্ফ করে বলতে পারি,চিকিৎসা তো দূরে থাক, অনেকেই রোগ নির্ধারন করারও সুযোগ পাবেন না।
তাই,প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবেন না,সাধারন সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। দয়া করে আপনার পরিবার পরিজনের কথা ও অবস্থা বুঝার চেষ্টা করুন। তাদের জীবন আপনাদের হাতে। এবং আপনারা আমাদের চাইতে বেশি মানুষের জীবন বাঁচাতে সক্ষম। আপনিই তাদের রক্ষা করতে পারেন।মনে রাখবেন, সবাই সুরক্ষিত থাকলেই আপনি সুরক্ষিত থাকবেন।
প্রিয় আগামীর অগ্রদূতরা,
ইতিমধ্যেই সবাই দেখেছেন, মানুষ মত অসহায় এই পরিস্থিতিতে। ৫ টাকার মাস্ক ১০০ টাকা হয়ে গেছে।সামনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসে বেলাতেপ এমন হবে।আপনারা চোখ কান খেলা রাখুন।এরুপ পরিস্থিতি জানলে স্থানীয় পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করুন।আর, যেহেতু মানুষের সচেতনতা বাদে কম কিছুই করার আছে বেশি বেশি স্রষ্টাকে স্মরণ করুন।
Remain vigilant, act sensibly and help yourself and others. Remember, You will die once in life anyway that is certain. Don't die every moment you live.
ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।
ইতি-
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম হিমেল
সহকারী অধ্যাপক
স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ,ঢাকা।
বিঃদ্রঃ সবাই(ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা) লেখাটি শেয়ার বেশি শেয়ার করুন।আমি এটা দেশের সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যেই লিখেছি।আমি চাই সকল শিক্ষার্থীরা এই জীবন যুদ্ধে অগ্রনায়ক হিসেবে কাজ করুক।"
26/04/2018
what an idea!!
20/01/2018
education system
অতি দু:খের সাথে জানাচ্ছি যে শ্রদ্ধেয় গোলাম রহমান স্যার আজ বিকাল ৬টায় ইন্তেকাল করেছেন।।
আমার দেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মানুষ টি আজ দুনিয়া ছেড়ে বিদায় নিয়েছেন।।এত দ্রুত আপনি চলে যাবেন ভাবি নি স্যার।।কেন ভাল মানুষ গুলা এভাবে চলে যায়!!!। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন।
স্যার যেখানেই থাকুন ভাল থাকবেন।
সূত্রঃ মেহরাব শহরিয়ার মারুফ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Ataikula Road Pabna
Pabna
6600
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 14:00 |
| Tuesday | 09:00 - 14:00 |
| Wednesday | 09:00 - 14:00 |
| Thursday | 09:00 - 14:00 |
| Saturday | 09:00 - 14:00 |
| Sunday | 09:00 - 14:00 |