11/06/2025
R M Academy, Pabna
Radhanagar Majumdar Academy, Pabna Radhanagar Majumdar Academy, Pabna
Good better best, Never let it rest. If your good is better then your better best.
11/06/2025
অনবরত রিল বা শর্টস দেখার কারণে আপনার মস্তিষ্কে কী ঘটছে, জানেন
শেষ কবে এমন একটা দিন কাটিয়েছেন, যেদিন ফেসবুক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে একটিও রিল বা শর্টস দেখেননি?
প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা কঠিনই হওয়ার কথা। কারণ, স্বল্পদৈর্ঘ্যের এসব ভিডিও আমাদের জীবনযাপনের অংশ হয়ে গেছে। মজা করে অনেকে এমনও বলেন, ‘রাত ১১টায় ইউটিউবে একটা শর্টস দেখতে শুরু করেছিলাম। “একটু পর” দেখি রাত ৩টা বাজে!’
ফেসবুকে একটি রিলের দৈর্ঘ্য হতে পারে সর্বোচ্চ তিন মিনিট। ইনস্টাগ্রামে ৯০ সেকেন্ড। ইউটিউবের একেকটি শর্টস অবশ্য এক মিনিটের বেশি নয়। এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিওগুলোই আমাদের একরকম নেশায় ফেলে দেয়। একবার দেখা শুরু করলে আমরা দেখতেই থাকি। কিন্তু অনবরত রিল বা শর্টস দেখার কারণে আপনার মস্তিষ্কে কী ঘটছে, সেটা কি জানেন?
সম্প্রতি চীনের গবেষকেরা একটি বিশ্লেষণে জানিয়েছেন, এই অভ্যাস আমাদের মস্তিষ্কে, মানসিক স্বাস্থ্যে ও আচরণে কী কী প্রভাব ফেলে।
শিক্ষাবিষয়ক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম সাইয়ের (PSY) মনোবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রি রাইজিক বলছেন, ছোট ছোট ভিডিও দেখার অভ্যাস মানুষের মস্তিষ্কে নানা রকম পরিবর্তন আনতে পারে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে একটি হলো, আরও বেশি হিংসাত্মক বা পরশ্রীকাতর হয়ে পড়া। অন্যের সাফল্য বা জীবনযাত্রা দেখে হিংসা অনুভব করা।
২০২৪ সালে চীনের ইন্টারনেট উন্নয়নের ৫৪তম পরিসংখ্যান প্রতিবেদন অনুসারে, শুধু চীনেই শর্টস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে, যা চীনের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৯৫ শতাংশের বেশি। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ কিশোর–কিশোরী ও বয়স্ক ব্যক্তি।
চীনের তিয়ানজিন নরমাল ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা ১১২ কলেজশিক্ষার্থীর ওপর একটি গবেষণা করেছিলেন। রিল বা শর্টস আমাদের মস্তিষ্কে কী প্রভাব ফেলে, তা-ই উঠে এসেছে এ গবেষণায়—
১. ঈর্ষা ও আসক্তি
ঈর্ষাকাতর মানুষের রিল বা শর্টসে আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। অনেক সময় তাঁরা নেতিবাচক আবেগ থেকে মনকে ভুলিয়ে রাখতে কিংবা অন্যের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করতে বারবার শর্টসের কাছে ফিরে যান।
২. মস্তিষ্কের পরিবর্তন
শর্টসে আসক্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে মস্তিষ্কের যে অংশগুলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, সেই অংশে। তার মানে এই নয় যে শর্টস বা রিল আমাদের মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে; বরং এই অভ্যাস মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে।
৩. জিনের ভূমিকা
গবেষণায় এমন কিছু জিন পাওয়া গেছে, যেগুলোর কার্যকারিতা ছোট ছোট ভিডিওর আসক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এতে বোঝা যায়, এ ধরনের আসক্তির প্রবণতা আংশিকভাবে জন্মগতও হতে পারে।
৪. কিশোর-কিশোরীরা বেশি ঝুঁকিতে
কিছু নির্দিষ্ট জিন বয়ঃসন্ধিকালে বেশি সক্রিয় থাকে, এর ফলে কিশোর–কিশোরীদের শর্টস বা রিলসে আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
শর্টস বা রিল মস্তিষ্কের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে?
১. বদলে যেতে পারে পুরস্কার গ্রহণের অভ্যাস
যেসব রিল বা শর্টসে দৃশ্য দ্রুত পরিবর্তন হয় বা যা আমাদের আবেগকে নাড়া দেয়, সেগুলো মস্তিষ্ককে একরকম ‘পুরস্কৃত’ করে। একে বলা যেতে পারে মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড সিস্টেম’। মস্তিষ্ক যদি এ ধরনের উদ্দীপনায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তাহলে সে এ রকম ‘পুরস্কার’ আরও চাইতে শুরু করে। ফলে ভিডিও দেখার আসক্তি বাড়ে।
২. মনোযোগ হ্রাস
আমাদের মস্তিষ্কের ‘প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স’ অংশটি পরিকল্পনা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ছোট ভিডিও বেশি দেখলে এই অংশের কার্যক্ষমতা কমতে পারে, ফলে ভিডিও দেখা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়। ফলে পরিকল্পনা করা কঠিন বলে মনে হয়।
৩. তথ্য গ্রহণের ধরন বদলে যেতে পারে
মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ছোট ভিডিও ও খণ্ডিত তথ্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে। এর ফলে দীর্ঘ ও জটিল বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে এবং ধীরগতির তথ্য প্রক্রিয়াকরণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৪. আবেগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা হতে পারে
অনেকে নেতিবাচক আবেগ, যেমন দুঃখ বা ঈর্ষা থেকে বাঁচতে শর্টস বা রিল দেখে, যা স্বল্প মেয়াদে কাজ করলেও দীর্ঘ মেয়াদে নেতিবাচক আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয়।
সব মিলিয়ে গবেষণা বলছে, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিওর কিছু ইতিবাচক দিক থাকতে পারে, তবে অতিরিক্ত দেখলে অভ্যাসগত পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। আবার এ ধরনের অভ্যাস সবার ওপর একই রকম প্রভাব ফেলবে, তা-ও নয়। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ফল আলাদা হতে পারে।
এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবে সচেতন থাকাটা জরুরি, বিশেষ করে কিশোর–কিশোরীদের জন্য।
পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ থেকেই মেডিকেলে চান্স পেল ৪১ শিক্ষার্থী
https://www.facebook.com/news24bd.tv/videos/926468602802964
21/12/2024
প্রিয় বিদ্যাপঠে যা হয়েছে কোন ভাবেই কাম্য নয়। https://www.facebook.com/photo?fbid=1117963733668753&set=a.456372336494566
সম্প্রতি পাবনার সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরএম একাডেমির বিদায় অনুষ্ঠানে সামাজিক অবক্ষয়ের একটা চিত্র এখন ভাইরাল!
15/11/2023
একটি শোক সংবাদ আমাদের আর এম একাডেমি স্কুলের সবার প্রিয় মুসা স্যার, গতকাল সকাল ১১ টার সময় কানাডাতে মৃত্যুবরণ করেন । ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহতালা যেন মুসা স্যার কে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন আমিন।
22/03/2023
প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেটে পাবনা জেলার চ্যাম্পিয়ন " রাধানগর মজুমদার একাডেমী"
এই স্কুলের ছাত্র। পাবনার কৃতি সন্তান হচ্ছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি
পাবনার কৃতি সন্তান সাবেক সিনিয়র জেলা জজ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক উপ কমিটির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে মহামান্য রাষ্ট্রপ্রতি হিসেবে মনোনয়ন দানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রতি আমরা পাবনাবাসীসহ পুরো দেশের মানুষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার ৫টি সহজ ধাপ
এতো দিন যত ঈর্ষা করেছেন, অন্যের সাথে নিজের যত তুলনা করেছেন, সব মন থেকে ধুয়ে মুছে ফেলুন। আপনার কি নেই সেটা ভাবার আগে ভাবুন আপনার কি আছে। অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবনকে তুলনা করবেন না। প্রথমে একটু কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে এই অভ্যাসটা গড়ে উঠবে যা আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। আমরা চাইলেই আমাদের অতীত বদলাতে পারবো না, তাই অহেতুক দুশ্চিন্তা না করে বর্তমানকে মন থেকে উপভোগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
বর্তমান সময়ে নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তষ্ট থাকার অভ্যাসটা মনে হয়ে চলেই গিয়েছে মানুষের মধ্যে থেকে। যার যত বেশি আছে তার তত বেশি চাহিদা। ‘যত পাই আরো চাই’ এর গন্ডি থেকে বের হয়ে আসতে পারছেনা কেউ। যার ফলাফল হলো মানসিক অশান্তি এবং অন্যকে দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়া। আপনার যা আছে কিংবা আপনি যেই পরিস্থিতিতে আছেন সেই অবস্থায় সন্তুষ্টি অর্জন করার চেষ্টা করুন। ব্যাপারটা কিন্তু খুব কঠিন কিছু না। বেশ সহজেই নিজের প্রচেষ্টায় সারাক্ষণ অসন্তুষ্টির ও অপূর্নতায় ভোগার মানসিক কষ্ট থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব। তাহলে জেনে নিন সহজেই আত্মসন্তুষ্টি অর্জন করার ৫টি পদ্ধতি।
১. মন পরিষ্কার করে ফেলুনঃ
এতো দিন যত ঈর্ষা করেছেন, অন্যের সাথে নিজের যত তুলনা করেছেন, সব মন থেকে ধুয়ে মুছে ফেলুন। একদিন সকালে হঠাৎ করেই ভাবা শুরু করে দিন আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষদের মধ্যে একজন। একবার নিজেকে সুখী ও সম্পূর্ণ ভাবা শুরু করলে এরপর মনে কোনো নেতিবাচক চিন্তা ঢুকতে দিবেন না। প্রথমে একটু কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে এই অভ্যাসটা গড়ে উঠবে যা আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অত্যন্ত জরুরী।
২. তুলনা করা বন্ধ করুনঃ
আপনার কি নেই সেটা ভাবার আগে ভাবুন আপনার কি আছে। অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবনকে তুলনা করবেন না। অন্যের কি আছে, আপনার কি নেই- এটা নিয়ে ভাবা বন্ধ করাই আত্নসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালো উপায়। প্রথমেই এই অভ্যাস রপ্ত করতে না পারলেই নিয়মিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে।
৩. বর্তমান কে উপভোগ করুনঃ
বেশিরভাগ মানুষই অতীতে কি হয়েছে কিংবা ভবিষ্যতে কি হতে পারে এটা নিয়ে ভেবে ভেবে সুন্দর বর্তমানটাকে ভুলে যায়। আমরা চাইলেই আমাদের অতীত বদলাতে পারবো না। আবার ভবিষ্যতে কি হবে তাও আমরা জানিনা। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হলো বর্তমানকে মন থেকে উপভোগ করা। প্রতিদিন একবার করে নিজেকে সুখী ভাবুন। ধীরে ধীরে মন থেকেই নিজেকে সুখী ও পরিপূর্ন একজন মানুষ মনে হবে।
৪. আনন্দ খুঁজে বের করুনঃ
প্রতিদিনই ছোট ছোট বিষয়ে আনন্দ নেয়ার চেষ্টা করুন। নিজের পরিবারের কাছ থেকে, বন্ধুদের কাছ থেকে এমন কি বাগানে ফোটা ছোট্ট একটি গোলাপ ফুল থেকে আনন্দ খুঁজে নিন। নিজের যা আছে তাতেই আনন্দ খুঁজে নিতে পারলে অন্যের কি আছে সেটা নিয়ে ভাবার সময়ই পাবেন না। ফলে মানসিক সন্তুষ্টি অর্জন হবে এবং আপনি নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ন ভাবা শুরু করবেন মনের অজান্তেই।
৫. আত্মবিশ্বাস বাড়ানঃ
আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো আত্মবিশ্বাস। আপনার যদি নিজের উপর এবং নিজের জীবনের উপর আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে অন্যের সুখ বা সম্পদ দেখে আপনার মনে হিংসা জন্মাতে পারে। কারো তুচ্ছ-তাছিল্যেও মন খারাপ হয়ে যেতে পারে যে কোনো সময়ে। আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকলে নিজের না পাওয়ার গ্লানি পেয়ে বসতে পারে আপনাকে। তাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলুন। নিজের মনকে নিজেই বোঝান যে আপনার যা আছে তাই নিয়ে আপনি অনেক সুখী।
পাবনা জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: রাধানগর মজুমদার একাডেমী,পাবনা।
রাধানগর মজুমদার একাডেমী স্কুল ও কলেজ উপমহাদেশের খ্যাতনামা পাবনার এডওয়ার্ড কলেজের আঙ্গিনায় অবস্থিত। রাধানগরের তৎকালীন জমিদার মজুমদার পরিবারের আর্থিক অনুদানে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পাবনা জেলার অন্যতম বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
১. প্রতিষ্ঠাতা(গণ): জমিদার মজুমদার পরিবার।
২. প্রতিষ্ঠিতঃ ১ জানুয়ারী ১৮৯৯
৩. প্রধান ব্যক্তিঃ বারীন মজুমদার
৪. অবস্থানঃ রাধানগর পাবনা,বাংলাদেশ।
১৯৭২ সালে ফেব্রুয়ারি মার্চে আর,এম, একাডেমীর ইতিহাসে প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন হলো। দলীয় ব্যানারে ভোট হলো। ছাত্রলীগ এবং ছাত্র ইউনিয়ন ( মতিয়া) সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ছাত্রলীগের প্যানেলে বাদশা ভিপি এবং মাহাতাব উদ্দিন নিশু জিএস নির্বাচিত হয়।
মতিয়া গ্রুপ ছাত্র ইউনিয়নের মালিগাছার আব্দুল জব্বার ভিপি প্রার্থী ছিল। জিএস প্রার্থীর নাম অজানা। স্বাধীনতার পরের ইতিহাস হলো করুন। ১৯৭২ সালের মধ্যে দুই ব্যাচের এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। প্রথমে ৭১ এর ব্যাচ এরপর ৭২ এর ব্যাচ।
👉কৃতি শিক্ষার্থীঃ
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দেশ সেরার অনেক কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
কবি বন্দে আলী মিয়া,
ওস্তাদ বারীন মজুমদার,
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ,
এমিরেটাস অধ্যাপক অরুন কুমার বসাক,
কমরেড প্রসাদ রায়দের মত ব্যক্তিরা এই স্কুলের ছাত্র ছিলেন।
দুদকের সাবেক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এএসএম নজরুল ইসলাম, সাবেক আইজি রুহুল আমিন, প্রকৌশলী জাহাঙ্গীরদের মত শত শত গুণীরা এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
রাধানগর মজুমদার একাডেমী ১২২ বছরের পুরাতন স্কুল। বছরখানিক হলো এই স্কুলটিতে কলেজ ও চালু করা হয়েছে। পাবনা শহর এবং শহরের বাইরের সকল জেলার মানুষ এখানে পড়াশোনা করতো সেই সময়ে। ছেলেদের পড়াশোনা করার জন্য এই স্কুলটি ছিলো সবার ভরসার একমাত্র জায়গা।
রাধানগর মজুমদার একাডেমীতে মর্নিং এবং ডে সিফ্টে পাঠদান করানো হয়। এই স্কুলটির শিক্ষার মান অনেক ভালো এবং সবদিক থেকেই এই স্কুলটি এগিয়ে আছে। আমার বাবাও এই স্কুলের ছাএ ছিলেন। বাবার মুখে অনেক গল্প শুনেছি এই স্কুলের,আমাদের বাসার পাশেই এই স্কুলটি অবস্থিত তাই আমিও বহুবার এই স্কুলে ঘুরতে গিয়েছি।
আমি ফারজিয়া আক্তার,
ডিজিটাল স্কিল ফর বাংলাদেশ গ্রুপের একজন ক্ষুদে শিক্ষার্থী,
চেহারা নয়, ভদ্রতার গুণে মানুষ আপনজনদের মাঝে প্রিয় হয়ে ওঠে।
Copypaste.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
R M Academy School & College, Lombapara Road
Pabna
6600