MACS School and College

MACS School and College

Share

MACS School and College is situated Beside Pabna Cadet College, Goyeshpur Union, Jalalpur Bazar, Pab

10/12/2024

২০২৫ সেশনে-
প্লে-৯ম শ্রেণির ভর্তি ফরম বিতরণ চলছে-
প্লে শ্রেণিতে ভর্তি চলছে।
ভর্তি পরীক্ষা : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি. সময়:১০.০০ মিনিট (নার্সারি-৯ম শ্রেণির )
ফল ঘোষণা : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪(নার্সারি-৯ম শ্রেণির )
ভর্তি শুরু : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি. (ফল ঘোষণার পর থেকে)
ক্লাস শুরু : ৫ জানুয়ারি খ্রি.

আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
💐 দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত।
💐 একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম।
💐 পিছিয়েপরা ও মেধাবীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ।
💐 নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
💐 সিসি ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।
💐 পাঞ্চিং কার্ডের মাধ্যমে উপস্থিত/অনুপস্থিত নিশ্চিত করা হয়।
💐 ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক নিয়মিত সমন্বয় করা হয়।
💐 প্রেষণা দেওয়ার জন্য কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার এর ব্যবস্থা করা হয়।

14/03/2024

'দেখতে দেখতে...' এ শব্দটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত।
দেখতে দেখতে বছর শেষ হয়ে গেল, দেখতে দেখতে মাসটা চলে গেল, দেখতে দেখতে রমজান মাসটাই চলে গেল! প্রতিবারই মনে হয় রমজান মাসটা এত তাড়াতাড়ি চলে গেল যে কিছুই করতে পারলামনা। ছোটবেলায় রমজান মাসটা খুব অদ্ভুতভাবে পার করতাম। রমজান মাস আসা মানে ছিল কোনমতে ত্রিশটা দিন পার করে ঈদের দিনটা পাওয়া। ত্রিশ দিন স্কুল বন্ধ কিন্তু চাট্টিখানি কথা না, সময় তো যেতে হবে!!
বান্ধবীদের কাছ থেকে গোয়েন্দা গল্প সংগ্রহ করার কাজ হয়ে যেত স্কুল বন্ধের আগেই, মাস শেষে চিন্তাহীনভাবে ঈদের দিনটা আনন্দের সাথে কাটাতাম। আরেকটু বড় ক্লাসে উঠার পর বুঝলাম রোজার একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। সারাদিন কোনমতে পার করে সে উদ্দেশ্য হাসিল হয়না কখনোই। তাই আমরা বান্ধবীরা মিলে রমজানে পরিকল্পনা নিতাম -এবারের রমজানে জীবনের কোন কোন বিষয়গুলো ঠিক করে নিব।
আধুনিক লাইফ হ্যাকসের টু ডু লিস্টের ধারণার সাথে আমরা পরিচিত ছিলাম না। পেইজে ছক কেটে প্রতিদিনের পরিকল্পনা নিতাম, আর অন্য একটা পেইজে আজকের দিনের পরিকল্পনা কতটুকু বাস্তবায়ন হল তা লিখে রাখতাম। ছোটবেলার এই অভ্যাস জীবনকে খুব আহামরি কিছুতে উত্তীর্ণ না করলেও অনেক ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে বলা যায়।
আপনিও রমজানে কি কি করবেন তার একটা পরিকল্পনা খাতায় ছক করে নিতে পারেন। একপাশে থাকবে দিনের পরিকল্পনা, আরেকপাশে থাকবে বাস্তবায়ন হলো কিনা তার প্রতিদিনের আপডেট।

প্রথম পরিকল্পনাঃ এটাকে আমি প্রধান পরিকল্পনা বলব.. কুরআন পাঠ করা।

আপনি যদি সহীহ,শুদ্ধ,তারতীলের সাথে কুরআন পাঠ করতে না পারেন তাহলে তা শিখে নিতে পারেন। বর্তমান সময়ে কোন কিছু শেখার রিসোর্সের অভাব নেই। যেকোন সময় নির্দিষ্ট করে বের করেই কিন্তু কুরআন সহীহ তিলাওয়াত শিখে নেয়া যায়।
তিলাওয়াতের সাথে সাথে বুঝে বুঝে কুরআন পড়ার অভ্যাস রমাদান পরবর্তী সময়ে আপনার জন্য অনেক কার্যকর একটা ওষুধে পরিণত হবে।
এক্ষেত্রে তাফসীর গ্রন্থগুলো সহায়ক হবে।
লিস্টে যে যে তাফসীরগুলো রাখতে পারেন-

১.মা'য়ারিফুল কোরআন
২.তাফসীর ইবনে কাসীর
৩.তাফহীমুল কোরআন
৪.তাফসীর ফি যিলালিল কোরআন

এ তাফসীরগুলো বাংলাভাষীদের জন্য সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল করে প্রকাশিত আছে। আপনার বিক্ষিপ্ত চিন্তাকে গুছিয়ে দিতে তাফসীর গ্রন্থগুলো অন্যতম সহায়ক হতে পারে। ফজরের পর অল্প হলেও খানিকটা সময় তিলাওয়াত করুন, কারণ আল্লাহ বলেন-
নিশ্চয়ই ফজরের পর তিলাওয়াতকারীর তিলাওয়াত পরিলক্ষিত হয়। (সূরা বনী ইসরাইল)

আপনার দিনকে তিনটি ভাগে ভাগ করে তিলাওয়াত করতে পারেন। সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, মাঝখানে নামাজ ও পবিত্র হওয়ার জন্য বিরতি, আবার দুপুর থেকে আসরের আগে পর্যন্ত। আর ফজর পরের সময় তো আছেই।আসরের পরের সময়গুলো দোয়া ও যিকির এবং পারিবারিক কিছু সময় দেয়ার জন্য ব্যয় করা যায়। এ সময়টাতে কাজের ফাঁকে তিলাওয়াত শুনতে পারেন।

দ্বিতীয় পরিকল্পনাঃ মুখস্থ পরিকল্পনা।

এক্ষেত্রে আপনি কুরআন এবং হাদীস এ দুটো ভাগে ভাগ করতে পারেন। মুখস্থের ক্ষেত্রে আমপারার সূরাগুলো সহজেই মুখস্থ করা যায়। এখানে ৩৭ টি সূরা রয়েছে যার অনেকটাই হয়তো আপনার মুখস্থ আছে। তবে অর্থসহ মুখস্থ করলে এ সূরাগুলোকে জীবনে ইমপ্লিমেন্ট করা আপনার জন্য সহজ হবে।এছাড়াও কিছু আয়াত যেগুলো অনেক ফযীলতপূর্ণ সেগুলো লিস্টে রাখতে পারেন। যেমন-
১.সূরা বাকারার শেষ রুকু
২.হাশর শেষ রুকু
৩.সূরা কাহাফ
৪.সূরা মুলক
৫.সূরা ইয়াসীন
৬.সূরা বনী ইসরাইল ৯ম রুকু
৭.সূরা আর রহমান
৮.সূরা ওয়াকিয়া
৯.সূরা তাওবা ১১২ নং আয়াত
১০.মুমিনুন ১ম রুকু
১১.সূরা ক্বিয়ামাহ
এছাড়া আপনি আপনার পছন্দের অংশ লিস্টে এড করতে পারেন।
চল্লিশ টা হাদীস মুখস্থ করলে জান্নাতে যাওয়ার টিকেট করে নিচ্ছেন সহজেই!
আপনার লিস্টে বিষয় ধরে কিংবা ছোট ছোট হাদীসও মুখস্থ পরিকল্পনা লিখে নিন। এভাবে দেখুন ৩০ দিনে ৩০ টা হাদীস, আর অন্তত ৩০ টা আয়াত মুখস্থ কিন্তু হয়েই গেল!

তৃতীয় পরিকল্পনাঃ জ্ঞানার্জন করুন।

নিজের জন্য একটা সিলেবাস ঠিক করুন। আর অবশ্যই সময় ঠিক করুন। আমার কাছে জ্ঞানার্জনের জন্য ফজর থেকে সকাল ৯-১০ টার আগের সময়টাকে বেশি উপযোগী মনে হয়। প্রকৃতির শান্ত পরিবেশের সাথে এ সময়টা আপনিও চিন্তা করার উপযুক্ত পরিবেশ পাবেন। এই একমাসে আপনি কোন কোন বিষয় জানতে চান তার একটা তালিকা করে ফেলতে পারেন। আপনার সিলেবাস হাদীসশাস্ত্র, ফিকহ শাস্ত্র আর অন্যান্য এরকম ভাগে ভাগ করতে পারেন। বলতে পারেন একটা কম্প্লিট এক বা দুই মাসের কোর্স যা রমজান মাসে শুরু হয়ে পরের মাসে শেষ হবে। সিলেবাসের যৌক্তিকতা অনেকে বুঝতে পারেননা, সেটাকে জ্ঞানের একটা গন্ডিতে সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়া ভাবেন। একটা উদাহরণ চিন্তা করুন- আপনি স্কুল,কলেজ,ইউনিভার্সিটি কিংবা মেডিকেল যেখানেই পড়ুন না কেন আপনার জন্য একটা নির্দিষ্ট কোর্স প্লান ধরিয়ে দেয়া থাকে। এ প্লানের বাইরে আপনি নিজ গরজে, কিংবা টীচারদের কাউন্সেলিংয়ে আরো অতিরিক্ত কিছু জেনে নিতে পারেন। কিন্তু আপনার জ্ঞানের বেইজমেন্ট গড়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসই শেষ করতে হবে, এর বাইরে যা অর্জন করে নিচ্ছেন তা বোনাস!
ঠিক তেমনি একটা সুন্দর ও যৌক্তিকতা পরিপূর্ণ সিলেবাস আপনার রমজানের দিনগুলোকে আরো ইফেক্টিভ করে তুলবে।

চতুর্থ পরিকল্পনাঃ ইবাদাতসমূহের পরিকল্পনা।

ফরজ ইবাদাতগুলো সময় নিয়ে করুন। আর অনুভূতি নিয়ে করার চেষ্টা করুন। নামাজের সময়ে যে সূরাগুলো পাঠ করছেন তার কথাগুলো শুধু আওড়ানোই না বরঞ্চ অনুভব করার চেষ্টা করুন।
যেহেতু এ সময়টা এমনই যে একটা নফল ইবাদাত একটা ফরজের সমান কেন আপনি এ সুযোগ হাতছাড়া করবেন?
আসরের পর সূর্য ডোবার আগে পর্যন্ত আর ফজর নামাজের পর সূর্য ওঠার আগে পর্যন্ত নফল নামাজ পড়া নিষেধ। এ দুটো সময় ছাড়া নফল ইবাদাতের জন্য আপনার হাতে অঢেল সময় রয়েছে। যখনই সুযোগ পাচ্ছেন দু রাকাত নফল আদায় করে নিন। চাইলে এরকম পরিকল্পনা রাখতে পারেন প্রত্যেক কাজের শুরুতে নফল নামাজ পড়ে শুরু করা, শেষে নফল নামাজ পড়া কিংবা কুরআনের একটা পারা শেষে অথবা কোন একটা ইসলামী বই পড়া শেষে নফল নামাজ আদায় করতে পারেন।ফরজ নামাজের পরেও দু রাকাত নফল আদায় করা যায়।
আর সুন্নাহ হিসেবে তারাবীহ নামাজ তো আছেই, যার জন্য রমজান মাসটা একটা ইবাদাতের উৎসবে পরিণত হয়ে যায়!
রমজানে তাহাজ্জুদ নামাজটা যেন প্রতিদিন পড়া হয় তা গুরুত্ব সহকারে খাতায় লিখে রাখুন।প্রতিদিন তাহাজ্জুদের এ অভ্যাস আপনার ঈমানকে আরো তীক্ষ্ণ করে তুলবে। আর নফল নামাজ হিসেবে তাহাজ্জুদের স্থান তো সবার উপরেই।

পঞ্চম পরিকল্পনাঃদাওয়াত ও তাবলীগের কাজ।

আপনি একজন উত্তম মুসলিম হতে চাইলে এ কাজকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারবেননা। কারণ কোরআনে এ কাজকে উম্মতে মুহাম্মদীর দায়িত্ব হিসেবেই বলা হয়েছে। প্রতিদিনের জ্ঞান অর্জনের সাথে যে বোধ তৈরী হচ্ছে তা কাউকে না জানিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবেন তা কেন হবে? তাই যখনই সুযোগ পাচ্ছেন আল্লাহর পথে নিজের আশেপাশের ব্যক্তিদের দাওয়াত দানের কাজ জারি রাখুন। দিনে অন্তত এক ঘন্টা দা'য়ী ইলাল্লাহ হিসেবে কাটান। তবে খেয়াল রাখবেন এ দাওয়াত শুধু মানুষের প্রতিই না, নিজের প্রতিও নিজের দাওয়াত দান হতে হবে।

ষষ্ঠ পরিকল্পনাঃ প্রতিদিন নূন্যতম একটা ভালো গুণ অর্জন ও একটা দোষ বর্জন।

আগের রাতেই ঠিক করে নিন পরের দিন কোন গুণটা অর্জন করবেন এবং কোন খারাপ অভ্যাস বা দোষ বর্জন করবেন। অনেক ছোট ছোট নেকীর কাজ রয়েছে যা আমরা অবহেলা করি, সেগুলোর একটা লিস্ট তৈরী করে একটু একটু করে অর্জন করে নেয়া যায়। আবার ছোট ছোট অনেক ভুল রয়েছে যা জীবন থেকে কেটে দিতে পারলে অনেক উত্তম কিছু অর্জন করে নেয়া যায়।

আমাদের প্ল্যানারে এরকম একটা পেইজ এড করে নিতে পারি যেখানে আমার দূর্বলতার উপরে এই রমাদানে আমার ঈমানকে জয়ী করার ভিত্তি তৈরী হতে পারে!!

যারা স্টুডেন্ট আছেন তাদের পরিকল্পনায় একাডেমিক পড়াশুনা যুক্ত হবে স্বাভাবিকভাবেই। অনেকে হয়তো ভাবছেন সেই সময় তো হাতে নেই। এক্ষেত্রে আমাদের -

সপ্তম পরিকল্পনাঃ পড়াশুনা।

পড়াশুনার জন্য কোন সময় বাছাই করবেন তাহলে?একটা হিসাব করুন। আপনার তারাবীহ নামাজসহ আরো কিছু অতিরিক্ত ইবাদাতে যদি তিন ঘন্টা সময় ব্যয় হয় তাহলে রাত সাড়ে দশটার মধ্যে আপনি আপনার ইবাদাতের কাজগুলো গুছিয়ে নিতে পারছেন। এবার আপনি আপনার সময়গুলোকে যোগ-বিয়োগ করে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার সময় নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয় প্রতিদিন অন্তত একটা নির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত সময় ঠিক করুন একাডেমিক পড়াশুনার জন্য।

আপনি এই পরিকল্পনা করার পর হয়তো ভাবছেন সব ঠিকঠাক হয়ে গেল…!
হ্যাঁ পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন তারমানে আপনি অর্ধেক কাজই করে ফেললেন। এখন বাকি অর্ধেকের উপর নির্ভর করছে আপনার এতক্ষণ সময় নিয়ে এ পরিকল্পনা গ্রহণের সার্থকতা। আপনাকে যে কাজগুলো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে টেনে ধরবে আসুন তার লিস্টটা করে ফেলি-

১.অধিক ঘুম।
একদিন অনেক পরিশ্রম করে ইবাদাত করার পর যদি পরদিন রোযা রেখে বেলা করে ঘুম থেকে উঠেন তাহলে সে রোজা হালকা হয়ে গেল। অধিক ঘুম আপনার ইবাদাতের রূহ নষ্ট করে ফেলবে।

২.অতিরিক্ত অনলাইনে ব্যস্ত থাকা।
ধরুন আপনি ভালো কাজেই ব্যস্ত আছেন। সারারাত ভালো ভালো লিখা পড়লেন, কিংবা চ্যাটে সময় ব্যয় করলেন, অথবা সারাদিনই কোন না কোন দ্বীনি প্রশ্নের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে ব্যস্ত থাকলেন, এটাও আপনার ইবাদাতের অনুভূতিকে শিথিল করে দিবে। বরং এ কাজগুলোকে ছকে বেঁধে ফেলুন। সময় নির্দিষ্ট করে রাখুন।
অতিরিক্ত যেকোন কিছুই যা আপনার ইবাদতের অনুভূতি নষ্ট করছে বুঝতে পারবেন তা থেকে একশো হাত দূরত্ব বজায় রাখুন।

৩.অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের সময় ভারী কিছু খেলে পরবর্তী ইবাদাত করার জন্য তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। স্বাস্থ্যকর এবং হালকা খাবার গ্রহণ করুন। ভুঁড়ি ভোজ করবেন না।

৪.অহেতুক কাজ করা। যেমন অহেতুক গল্প কিংবা চ্যাটে ব্যস্ত থাকা। কয়েকদিন এভাবে চললে দেখবেন একজন রোজাদার হিসেবে আপনি কোন অনুভূতিই পাচ্ছেন না।

৫.হতাশ হয়ে যাওয়া। ধরুন আপনার কয়েকদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হল না। আপনি হতাশ হয়ে ভাবলেন পরিকল্পনা নিয়ে কি হবে, শুধু শুধুই সময় নষ্ট। তাহলে আপনি শয়তানকে সুযোগ করে দিলেন। বরং বারবার পরিকল্পনা পড়ুন, আর তা করতে কোন জিনিসটা বাধা দিচ্ছে সেটা খুঁজে বের করুন।

৬.’ভাল্লাগেনা’- বলে স্থির হয়ে যাওয়া। ভাল্লাগেনা কথাটাকে বাক্সবন্দী করে রাখুন। এটা নফসের একটা দাসবৃত্তি করা মাত্র। রমজান মাসই আপনার জন্য সুযোগ, ‘ভাল্লাগেনা' কথাটাকে মাটিচাপা দেয়ার। তাই এটা হাতছাড়া করবেন না।

৭.কিছু অসদগুণ বাদ দিন। যেমন-
কারো দোষ খুঁজে বেড়ানো, গীবত করা, মিথ্যা বলা, বিদ্বেষ ছড়ানো, কু ধারণ পোষণ করা, কথা বা আচরণ দিয়ে কাউকে কষ্ট দেয়া ইত্যাদি। এ কাজগুলো একজন রোজাদারের ভাবমূর্তির সাথেই যায় না।

রাসূল সঃ বলেন-
যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ত্যাগ করতে পারলনা তার না খেয়ে থাকায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।

৮. আপনার ভালো কাজের প্রচার করবেন না। সৎকাজের আসল উদ্দেশ্য নষ্ট হয়ে যায় তা প্রচার করলে। এখন স্যোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছুই প্রচার করে ফেলি, এমনকি তাহাজ্জুদ আদায় করছি তাও প্রচার হয়ে যাচ্ছে! গোপন ইবাদাতগুলোকে গোপন রাখুন।

৯.হারাম কাজ করবেন না।
সেটা গোপন কিংবা প্রকাশ্যে যেভাবেই হোক। হারাম গান শোনা, মুভি দেখা সময় কাটানোর জন্য অনেকেই এগুলো করে থাকেন। কিন্তু রোজাদার হিসেবে এ বদঅভ্যেস গুলো ত্যাগ করুন, যেন জীবনের আর কোন পর্যায়েও তা ফিরে না আসে।

আপনি চাইলে আপনার লিস্টে আরো ইফেক্টিভ কিছু বিষয় যুক্ত করে নিতে পারেন। আর দিন শেষে পরিকল্পনা কতটুকু বাস্তবায়ন হল তা যাচাই করে নিন। আর হ্যাঁ, আত্মসমালোচনা নামে একটা ছক যোগ করে নিন আপনার লিস্টে। একটা আত্মসমালোচনাকারী অন্তর তো তার নিজের কাজের জবাবদিহিতা নিজেই করতে পারবে, তাইনা?

“(তাকে বলা হবে) পাঠ কর তোমার আমলনামা, আজ তোমার হিসাব নেয়ার জন্য তুমিই যথেষ্ট।“
(বনী ইসরাইল-১৪)

আসুন দুনিয়াতেই নিজের প্রতিদিনের আমলনামা ঘেটে নিজেই নিজের হিসাব রক্ষক হয়ে যাই। এই রমজানেই হোক তার সূচনা...
আল্লাহ আমাদের রমজানের প্রতিটি দিনগুলোকে কবুল করুন।আমীন।

রোযাদারের_কর্মসূচিঃ কী করবেন আর কী করবেন না।
-মেরিত আহতারান

#রিপোস্ট

03/03/2024

ম্যাকস স্কুল এন্ড কলেজ এর উদ্যোগে শিক্ষা সফর ২০২৪ ইং
বিস্তারিত ফুল ভিডিওতে দেখুন প্লিজ

17/12/2023
07/11/2023
06/11/2023

ম্যাকস পিঠা উৎসব-২০২৩
শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।

Want your school to be the top-listed School/college in Pabna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Jalalpur
Pabna
6603

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00