04/07/2023
রুপ্পুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী ইউরেনিয়াম কি ফর্মেটে থাকে?
আমরা জানি বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ প্রকল্প হলো রুপ্পুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় এখন আপাতত দুইটি পারমাণবিক চুল্লি/রিয়েক্টর থাকবে প্লান্টে। আমারা অনেকেই জানি এই রিয়েক্টরের জ্বালানী ইউরেনিয়াম কিন্তু তা কিভাবে কোথায় থাকবে এটা হয়ত অনেকে জানিনা।
নিচের চিত্রে তার একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি।
প্রকল্প সাইটে বা প্লান্টে দুইটি রিয়েক্টর বিল্ডিং থাকবে যাদের মধ্যে থাকবে দুইটি রিয়েক্টর। প্রতিটি রিয়েক্টরের মধ্যে থাকবে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফুয়েল আসেম্বলি। আবার প্রতিটি ফুয়েল আসেম্বলিতে থাকবে কতোগুলো ফুয়েল রড। এই ফুয়েল রডের মধ্যে থাকবে কতোগুলো সিলিন্ডার আকৃতির ছোট ছোট ফুয়েল প্যালেট। আর এই ফুয়েল প্যালেট গুলো তৈরি ইউরেনিয়াম অক্সাইড পাউডার দিয়ে। চিত্রের সাথে মিলালে আশা করি বুঝা যাবে।
আরও কিছু জানতে চাইলে কমেন্ট করুন............
27/04/2023
গ্যাস পদার্থের এমন একটি গঠন যা যে কোন পাত্রের সম্পূর্ণ অংশ দখল করে।
এখন এক ঘন মিটার পাত্রের কার্বনডাই অক্সাইড গ্যাসকে দুই ঘন মিটার পাত্রে স্থানান্তর করলে গ্যাসের কি পরিবর্তিত হবে?
ক) অনুর সংখ্যা
খ) পরমানুর সংখ্যা
গ) মোল সংখ্যা
ঘ) ঘনত্ব
14/03/2023
Soul Nebula (আত্মা নীহারিকা)
৬৫০০ আলোক বর্ষ দূরে অবস্থিত যার বিস্তার ১০০ আলোক বর্ষ জুড়ে। Cassiopeia constellation (ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রপুঞ্জ) এর দিকে এই বিশাল নক্ষত্র তৈরির অঞ্চল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ওয়েস্টারহাউট ৫ (Westerhout 5 ) এর মতো এখানেও রয়েছে কতিপয় মুক্ত স্টার ক্লাস্টার (কয়েক দশক থেকে কয়েকশ তাঁরার কয়েকটি গ্রুপ যারা আলগাভাবে আবদ্ধ), কসমিক ডাস্টের পিলার ও রিজ, নতুন ভারী তাঁরার বায়ু নির্মিত বিশাল বাবল।
মজার বিষয় হল Soul Nebula হার্ট নেবুলার প্রতিবেশী।
বর্ণ বিশ্লেষণ করে বুঝা যায় যে কি কি উপাদান নিহারিকায় রয়েছে। যেমন, লাল, হলুদ ও নীল বর্ণ যথাক্রমে হাইড্রোজেন, সালফার ও অক্সিজেনকে বুঝায়।
13/03/2023
রংধনুর শেষে কী আছে?
প্রত্যেকের জন্য ভিন্ন কিছু। উদাহরণ স্বরূপ, এই ছবির ফটোগ্রাফারের (Eric Houck) জন্য রংধনুর এক প্রান্ত শেষ হয়েছে একটি গাছে। নিকটবর্তী অন্যরা হয়ত দেখবে অন্য কোথাও এর শেষ প্রান্ত।
এর কারণ হল, রংধনুর অবস্থান নির্ভর করে পর্যবেক্ষকের উপর। রংধনুর কেন্দ্র সর্বদা সূর্যের বিপরীত দিকে অবস্থান করে, কিন্তু এই দিক পর্যবেক্ষকের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে দিগন্ত বরাবর স্থানান্তরিত হয়। এই রংধনুর বক্র অনুসারে এর কেন্দ্র পর্যবেক্ষকের ৪০ ডিগ্রী বামে দিগন্তের কিছুটা নিচে যেখানে সূর্য ঠিক ক্যামেরার পেছনে দিগন্তের কিছুটা উপরে। বৃষ্টি ফোঁটা থেকে ভিন্ন ভিন্ন কোণে সূর্যরশ্মির প্রতিফলন ও পরতিসরণের কারণে আলোর রঙ্গিন ব্যান্ড দেখা যায় যাকে রংধনু নামে সবাই চিনে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ফটোগ্রাফার এই ছবিটি তুলেছেন।
18/04/2021
কি পরিমাণ DNA আমরা আমাদের দেহে ধারণ করি?
মানব জিনোমে (প্রতিটি মানব কোষের জিনগত কোড) ২৩ টি ডিএনএ অণু (ক্রোমোসোম নামে পরিচিত) ধারণ করে, যার প্রতিটিতে ৫ লক্ষ থেকে ২.৫ মিলিয়ন নিউক্লিওটাইড জোড় রয়েছে। প্যাঁচানো না হলে এ পরিমাণ DNA অণুগুলি ১.৭ থেকে ৮.৫ সেন্টিমিটার লম্বা হয় - যা গড়ে প্রায় ৫ সেন্টিমিটার। মানবদেহে প্রায় ৩৭ ট্রিলিয়ন (১ ট্রিলিয়ন = ১০০০ বিলিয়ন) কোষ রয়েছে, সুতরাং আপনি যদি প্রতিটি কোষে আবদ্ধ সমস্ত DNA খুলে ফেলেন এবং অণুগুলি হেড - টেইল অবস্থায় রাখেন তবে মোট দৈর্ঘ্য হবে ২০ বিলিয়ন কিলোমিটার - যা সূর্য থেকে Pluto গ্রহের দূরত্বের প্রায় ৩৪ গুণ।
একটি মজার বিষয় হলো আমাদের DNA এর 99% অন্য প্রতিটি মানুষের সাথে মিল রয়েছে - কেবল এটি দেখানোর জন্য যে আমরা সবাই ভিন্নতার চেয়ে অভিন্নতাই বেশি বহন করি।
07/04/2021
পরমাণু কতোটা ক্ষুদ্র?
আমরা জানি সকল পদার্থই পরমাণু দ্বারা গঠিত। যদিও আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা এখন জানি কিছু মহাজাগতিক বস্তু পরমাণুর বাইরে আয়ন ও ইলেকট্রন দ্বারাও গঠিত যেখানে আয়ন আর ইলেকট্রনের অবস্থান একত্রে থাকে (প্লাজমা অবস্থা), উদাহরণস্বরূপ আমদের সূর্য। আবার কিছু বস্তু নিউট্রন দ্বারা গঠিত (যেমন নিউট্রন স্টার।
ইলেকট্রন, নিউট্রন, আয়ন বা পরমাণু কতোটা অকল্পনীয়ভাবে ছোট তা কি আমরা জানি? যেমন আমরা বলতে পারি যে একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ব্যাস ১.১ অ্যাংস্ট্রম অর্থাৎ ১ মিলিমিটারের দশ কোটি ভাগের ১১ ভাগ !! মানব মস্তিস্কের দ্বারা এতো ক্ষুদ্র পরিমাপ কল্পনা করা সম্ভব না। তবে হ্যাঁ আমরা কল্পনা করতে পারি অন্য কোনও বস্তুর সাপেক্ষে অর্থাৎ তুলনা করে।
একটি হাইড্রোজেন পরমানুকে একটি ১ সেন্টিমিটার ব্যাসের মারবেল এর সাথে তুলনা করে দেখতে পারি। একটি ১ সেন্টিমিটার ব্যাসের মারবেল একটি হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে ৯ কোটি ১০ লক্ষ গুন বড়!
এখন যদি আমরা হাইড্রোজেন পরমাণুকে ১ সেন্টিমিটার ব্যাসের মারবেল মনে করি তবে ১ সেন্টিমিটার ব্যাসের আগের মারবেলটি কত বড় হবে?! তখন আগের মারবেলের ব্যাস হবে ৯১০ কিলোমিটার যা আমাদের দেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ার দূরত্বের (৯২৩ কিলোমিটার) প্রায় সমান!!
এর থেকে অনুমান করা যায় আমরা কত ক্ষুদ্র পরমাণু দ্বারা গঠিত!!
04/04/2021
আমাদের পেইজে পোস্ট করা দুটি ভিদিওতে দুটি প্রবলেম দেয়া আছে। এই দুটি প্রবলেম সল্ভ করে সঠিক উত্তর দিয়ে আপনারা জিতে নিতে পারেন যথাক্রমে ১ম পুরস্কার ১০০০ টাকা, ২য় পুরস্কার ৫০০ টাকা আর ৩য় পুরস্কার ২০০ টাকা। বিকাশে এ পুরস্কার পাঠানো হবে। ধন্যবাদ। Updated থাকতে পেইজটিতে like দিন।
30/03/2021
আজকের প্রবলেমটি খুব সহজ আশা করি। সবাই চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
Solve this problem and get rewards! Part 2
এই ভিডিওটি মূলত একটি প্রবলেম ধারণ করে যেখানে মূল উদ্দেশ্য আমাদের দেশের তরুন সমাজ যাতে প্রবলেম সমাধানে আগ্রহী হয় .....
30/03/2021
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান ও ডপলার ইফেক্ট
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম বিষয় বা আশ্চর্যজনক থিয়োরি হলো আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব। আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে এ তত্ত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেন। কেননা তখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা জানতেন না যে, ভর বা দৈর্ঘ্য বা সময় কনোটাই ধ্রুব নয়। এক ফ্রেমের স্বাপেক্ষে অন্য ফ্রেমে ঘটিত কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে এই তিনটিই পরিবর্তিত হয় যা ফ্রেম দুটির বেগের উপর নির্ভরশীল।
আইনস্টাইনের দুটি স্বীকার্যের মধ্যে একটি হলো আলোর গতি শূন্য স্থানে যে কোনো জড় ফ্রেমের স্বাপেক্ষে ধ্রুব অর্থাৎ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার আর এ গতি আলোর উৎসের গতির উপর ও নির্ভর করে না। আর একটি হলো পদার্থ বিজ্ঞানের সকল নিয়ম নীতি সকল জড় ফ্রেমে একই। অর্থাৎ সকল জড় ফ্রেমে পদার্থ বিজ্ঞানের সকল সূত্র একই ফর্মে থাকবে। আরও সহজ করে বলতে গেলে, পৃথিবীতে F=ma হলে মঙ্গল গ্রহে এর ফর্ম হবে F'=ma' যা একই।
কাল দীর্ঘায়ন একটি মজার বিষয়! দুই জন ২০ বয়সী বন্ধুর কেউ একজন যদি আলোর গতির ৮৭% এ অর্থাৎ সেকেন্ডে প্রায় ২.৬১ লক্ষ কিলোমিটার গতির স্পেসশিপ নিয়ে মহাকাশে ২০ বছর কাটিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে তবে সে এসে অপর বন্ধুর বয়স দেখবে ৬০ বছর।
আবার স্পেসশিপ এর দৈর্ঘ্য যদি ২০ মিটার হয় তবে পৃথিবীতে অবস্থিত বন্ধু দেখবে স্পেস শিপের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ মিটার। একে বলা হয় দৈর্ঘ্য সংকোচন।
আইনস্টাইনের দ্বিতীয় স্বীকার্য হতে দেখা যায় আলোর গতি তার উৎসের গতির উপর নির্ভর করেনা কিন্তু আলোর কম্পাঙ্ক বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অবশ্যই উৎসের গতির উপর নির্ভর করে যাকে ডপলার ইফেক্ট বলে। আলো কণা ধর্ম ও তরঙ্গ ধর্ম দুইই মেনে চলে । আলো যেমন ফোটন নামক ক্ষুদ্র কণার সমন্বয় তেমনি আলো একটি তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ। ডপলার ইফেক্ট সকল তরঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো মহাজাগতিক বস্তু যেমন কোনো গ্যালাক্সী যদি আমাদের পৃথিবী হতে দূরে সরে যায় তবে আমরা ঐ গ্যালাক্সী হতে আগত আলোর ব্যান্ড কে ক্রমান্বয়ে লাল আলোর দিকে যেতে দেখবো। কেননা এক্ষেত্রে আলোর কম্পাঙ্ক কমে লাল আলোর কম্পাঙ্কের দিকে সরে আসে। আর এর উলটো হলে বেগুনির দিকে সরে যেতে দেখবো। বিজ্ঞানীরা ডপলার ইফেক্টের সহায়তায় এটা নিশ্চিত হয়েছেন যে আমাদের মহাজগত ক্রমান্বয়ে বিস্তৃত হচ্ছে।
22/03/2021
Dear guests!
Welcome to my page!
This is my first initiatives that will help you to find a great way to get rewards by solving easy problems. To participate in solving first problem, please click the following link to se the problem
Solve this problem and get reward!
This video contain a problem about a simple mathematics. The main object of this video is to inspire viewers, most specially students to solve different type...