Arif's Math & chemistry Solution

Arif's Math & chemistry Solution

Share

Provide better education to the students with extra care.

17/07/2022

ব্রেকিং🙂

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বা ১৫ সেপ্টেম্বরের পর অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা।এসএসসির ৪৫ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।পরীক্ষার্থীদের সমস্যায় না ফেলে কম সময়ের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করা হবে এবং আগের সিলেবাস ও আগের বিষয়ে (৯টি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে💔🙂

🗣️ ব্রিফিংয়েঃ- শিক্ষামন্ত্রী

13/07/2022

"বার" বের করার কৌশল ( সংশোধিত ও স্পষ্ট) :-
-
বার কোড:
শনিবার =১, রবিবার =২, সোমবার =৩, মঙ্গলবার=৪,
বুধ=৫ , বৃহস্পতিবার=৬, শুক্র= ০
-
⭕ সুত্র = (A+B+C) ÷ 7
👉A=সালটির শেষের দুই ডিজিট
👉B= আপনি যে দিন বের করবেন সেদিন পর্যন্ত ঐ
শতাব্দিতে যে কয়টা লিপ ইয়ার ছিল।
👉C=যে দিন বের করবেন সেদিন পর্যন্ত
অই বছরে মোট যত দিন
-
উদাহরণ : ২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল কি বার ছিলো❔
➡সমাধান
এখন
👉A = ১৬
👉B = ৪ ( ২০০০, ২০০৪, ২০০৮, ২০১২)
*উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের পূর্বে যতগুলো লিপ ইয়ার ছিলো সেগুলো ধরতে হবে। ২০১৬ কেও ধরা যাবেনা।
👉C= ( ৩১+২৯+৩১+১৬) = ১০৭
সুতরাং ( ১৬+৪+১০৭) ÷ ৭ = ১২৭÷৭
যার ভাগশেষ ১
অতএব দিনটি ছিলো শনিবার ✌

02/07/2022

আইনস্টাইন এর কিছু বিখ্যাত উক্তি 🥰

[●] স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে তা-ই হলো শিক্ষা। ~ আইনস্টাইন

[●] এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না, যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে। ~ আইনস্টাইন

[●] আমাদের রহস্যময়তার পরীক্ষণে প্রাপ্ত সবচেয়ে সৌন্দর্যময় জিনিসগুলো হলো শিল্প, বিজ্ঞান এবং বন্ধুত্ব। ~ আইনস্টাইন

[●] যে কখনও ভুল করেনা,সে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে না। ~ আইনস্টাইন

[●] একজন সুন্দর, আকর্ষণীয় রমণীর পাশে ২ ঘণ্টা বসে থাকুন, দেখবেন সময় উড়ে চলে গেছে!! এবার গ্রীষ্মের গরমের মাঝে রাস্তায় ২ মিনিট হাঁটুন, মনে হবে আপনি অনন্তকাল ধরে হাঁটছেন! ~ আইনস্টাইন

[●] বোকামি আর প্রতিভার মধ্যে পার্থক্য হল- প্রতিভার সীমা আছে, বোকামির কোন সীমা নেই। ~ আইনস্টাইন

[●] যারা আমাকে সাহায্য করে নাই,আমি তাদের প্রতি কৃতঙ্গ। কারন তারা সাহায্য না করার কারনে আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি। ~ আইনস্টাইন

[●] আপনি যদি অন্যদের অনুসরন করে তাদের সাহায্য নিয়ে চলতে থাকেন তবে হয়তো একদিন তার জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি নিজের পথটা নিজেই তৈরী করে চলেন তাহলে হয়তো এমন এক সাফল্যমন্ডিত যায়গায় পৌঁছাবেন যেখানে আজ পর্যন্ত কেউই পৌঁছাতে পারেন নি ~ আইনস্টাইন

- ধন্যবাদ

19/06/2022

বাংলা ব্যাকরণ
১। ভাষার রীতি – ২ টি (সাধু ও চলিত)
২। সারা পৃথিবীতে ভাষা প্রচলিত আছে – ৩৫০০ (প্রায়)
৩। ভাষার মৌলিক অংশ – ৪ টি
৪। ভাষার আলোচ্য বিষয় – ৪টি
৫। বাংলা ভাষায় ধ্বনি – ২ প্রকার (স্বর ধ্বনি ও ব্যঞ্জণ ধ্বনি)
৬। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে – ৫০টি
৭। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ – ১১ টি
৮। বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ – ৩৯টি
৯। বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ – ৭টি
১০। বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা বিহীন বর্ণ – ১০ টি
১১। বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রাযুক্ত বর্ণ – ৮টি
১২। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণ – ৩২ টি
১৩। বাংলা ধ্বনির মতো বর্ণ – দুই প্রকার। ১. স্বরবর্ণ, ২. ব্যঞ্জনবর্ণ।
১৪। স্বরবর্ণের ‘কার’ চিহ্ন – ১০টি
১৫। কার চিহ্ন নেই এমন স্বরবর্ণ – ১ টি (অ)
১৬। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বজ্ঞাপক বর্ণ–২ টি (ঐ এবং ঔ)
১৭। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা- ২৫ টি
১৮। মাত্রাহীন স্বরবর্ণ – ৪ টি (এ, ঐ, ও, ঔ)
১৯। মাত্রাহীন ব্যঞ্জণবর্ণ – ৬ টি
২০। অর্ধমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ – ১ টি (ঋ)
২১। অর্ধমাত্রাযুক্ত ব্যঞ্জণবর্ণ – ৭টি
২২। শিশ ধ্বনি বা উষ্ণ ধ্বনি – ৪টি
২৩। স্পর্শ ধ্বনি – ২৫ টি
২৪। কন্ঠ ধ্বনি বা জিহবামূলীয় ধ্বনি– ৫ টি (ক, খ, গ, ঘ, ঙ)
২৫। তালব্য ধ্বনি – ৫ টি (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ)
২৬। মূর্ধন্য ধ্বনি – ৫ টি (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ)
২৭। দন্ত ধ্বনি – ৫ টি (ত, থ, দ, ধ, ন)
২৮। পার্শ্বিক ধ্বনি – ১ টি (ল)
২৯। নাসিক্য ধ্বনি – ৫ টি (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম)
৩০। অন্তঃস্থ ধ্বনি – ৪ টি (য, র, ল, ব)
৩১। তাড়নজাত ধ্বনি – ২টি (ড়, ঢ়)
৩২। কম্পনজাত ধ্বনি – ১ টি (র)
৩৩। পরাশ্রায়ী ব্যঞ্জণবর্ণ – ৩ টি
৩৪। বাংলা সন্ধি প্রধানত – ২ প্রকার স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জন সন্ধি
৩৫। তৎসম সন্ধি/সংস্কৃত সন্ধি – ৩ প্রকার । যথা: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জন সন্ধি, বিসর্গ সন্ধি।
৩৬। ক্রমবাচক সংখ্যা – ৪ প্রকার
৩৭। কারক কত প্রকার? = ৬ প্রকার । কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণ, অপাদান, সম্প্রদান, অধিকরণ
৩৮। সমাস সাধারণত কত প্রকার? = ৬ প্রকার । দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, অব্যয়ীভাব, দ্বিগু, বহুব্রিহি ।

19/06/2022

১। গুণফল = গুণ্য × গুণক
২। গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য
৩। গুণ্য = গুণফল ÷ গুণক
নিংশেষে বিভাজ্য হলে
৪। ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক
৫। ভাজক =ভাজ্য ÷ ভাগফল।
৬। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
নিংশেষে বিভাজ্য না হলে
৭। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
৮। ভাজক = (ভাজ্য – ভাগশেষ) ÷
ভাগফল।
৯। ভাগফল = ( ভাজ্য – ভাগশেষ)
÷ ভাজক।
১০। গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷
রাশিগুলোর সংখ্যা।
১১। লাভ = বিক্রয়মূল্য – ক্রয়মূল্য।
১২। ক্ষতি = ক্রয়মূল্য – বিক্রয়মূল্য।
১৬। ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
১৭। ১ কুইন্টাল ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)
১৮। ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৯। ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার।
২০। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গ মিটার।
২১। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
২২। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভুমি × উচ্চতা।
২৩। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (ভুমি × উচ্চতা) ÷ ২
২৪। দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ।
২৫। প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য।
২৬। ভুমি = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা।
২৭। উচ্চতা = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ ভুমি।
২৮। পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
২৯। জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩০। আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব।
৩১। ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩২। জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন।
৩৩। ভাগ কী?
উঃ ভাগ হলো পুনঃ পুনঃ বিয়োগ।
৩৪। খোলা বাক্য কাকে বলে?
উঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য, মিথ্যা যাচাই করা যায় না, তাকে খোলা বাক্য বলে।
৩৫। গাণিতিক বাক্য কাকে বলে?
উঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায়, তাকে গাণিতিক বাক্য বলে?
৩৬। অক্ষর প্রতীক কী?
উঃ অজানা সংখ্যা নির্দেশ করতে যে বিশেষ প্রতীক বা অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
৩৭। গাণিতিক প্রতিক কী?
উঃ গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
৩৮। সংখ্যা প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ সংখ্যা প্রতীক ১০ টি। যথা – ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯।
৩৯। প্রক্রিয়া প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ ৪টি যথাঃ ➕, ➖, ✖, ➗
৪০। সম্পর্ক প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ সম্পর্ক প্রতীক অনেক আছে। তবে প্রাথমিকে ব্যবহৃত সম্পর্ক প্রতীক ৪ টি যথাঃ >, ≥ = ≠
৪১। গুণিতক কাকে বলে?
উঃ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
৪২। ল.সা.গু. কাকে বলে?
উঃ দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতককে বলে ল.সা.গু.।
৪৩। গ.সা.গু. কাকে বলে?
উঃ একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গ.সা.গু.।
৪৪। গুণনীয়ক কাকে বলে?
উঃ কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল সংখ্যাকে গুণনীয়ক বলে।
৪৫। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?
উঃ কোনো সংখ্যার গুণনীয়ক যদি ১ এবং ঐ সংখ্যা (শুধু দুইটি) হয় তাহলে সংখ্যাটিকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
৪৬। সংখ্যা রাশি কী?
উঃ কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রাশি তৈরি হয়।
যেমনঃ (৩৬ ÷৪) × ৫ -৭
৪৭। ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ কোনো বস্তু বা পরিমানের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
৪৮। প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশের লব ছোট এবং হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৪৯। অপ্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশের লব বড় এবং হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৫০। সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ কাকে বলে?
যেসব ভগ্নাংশের হর একই তাকে সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৫১। মিশ্র ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে।
৫২। গড় কাকে বলে?
উঃ রাশিগুলোর যোগফলকে রাশিগুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
৫৩। শতকরা কী?
উঃ শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রুপে প্রকাশ করা হয়।
৫৪। আসল কী?
উঃ বিনিয়োগকৃত টাকাকে আসল বলে।
৫৫। বৃত্ত কী?
উঃ বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দুরে থাকে।
৫৬। পরিধি কী?
উঃ যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে বলে পরিধি।
৫৭। জ্যা কী?
উঃ জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্ত বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
৫৮। ব্যাসার্ধ কী?
উঃ কেন্দ্র থেকে পরিধির দুরুত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
৫৯। কর্ন কাকে বলে?
উঃ বিপরীত শীর্ষ বিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
৬০। রম্বস কাকে বলে?
উঃ যে চতুর্ভূজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
৬১। আয়ত কাকে বলে?
উঃ যে চতুর্ভূজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
৬২। বর্গ কাকে বলে?
যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোনগুলো সমান তাকে বর্গ বলে।
৬৩। চতুর্ভূজ কাকে বলে?
উঃ চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চুতুর্ভূজ বলে।
৬৪। অধিবর্ষ কী?
উঃ চার দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে।
৬৫। ১ শতাব্দি কী?
উঃ ধারাবাহিক ১০০ বছর সময় কালকে ১ শতাব্দি বলে।
৬৬। যুগ কী?
উঃ ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময় কালকে ১ যুগ বলে।
৬৭। ১ দশক কী?
উঃ ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময় কাল হয় ১দশক।
৬৮। উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ প্রাপ্ত তথ্য সমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে।
৬৯। উপাত্ত কত প্রকার ও কী কী?
উঃ উপাত্ত ২ প্রকার। বিন্যস্ত উপাত্ত ও অবিন্যস্ত উপাত্ত।
৭০। বিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭১। অবিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে না তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭২। লেখ চিত্র কাকে বলে?
উঃ চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকাচিত্র হলো লেখচিত্র।
৭৩। শ্রেনি ব্যবধান কী?
উঃ শ্রেণির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
৭৪। ঘটন সংখ্যার অপর নাম কী?
উঃ গণসংখ্যা
৭৫। জনসংখ্যার ঘনত্ব কী?
উঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসরত লোক সংখ্য হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
৭৬। ক্যালকুলেটর কী?
উঃ ক্যালকুলেটর হলো একটি সাধারণ গণনার জন্য হস্তচালিত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা একটি বৈদুতিক ব্যটারি দ্বারা চলে।
৭৭। মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কী ক্যালকুলেটর ব্যবহৃত হয়?
উঃ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর।
৭৮। কম্পিউটার কী?
উঃ কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ক্যালকুলেটর অপেক্ষা বড় গণনা করতে পারে।
৭৯। রাশিগুলোর যোগফল = গড় × রাশিগুলোর সংখ্যা।
৮০। যৌগিক সংখ্যা কাকে বলে?ৎ
উঃ যে সংখ্যার গুণনীয়ক ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়াও অন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়, তাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।
৮১। পরিসর = (সর্ব্বোচ্চ -সর্বনিম্ন ) + ১
৮২। গুণ্য কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য বলে।
৮৩। গুণক কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয় তাকে গুণক বলে।
৮৪। গুণফল কাকে বলে?
উঃ গুণ্যকে গুণক দ্বারা গুন করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে গুণফল বলে।
৮৫। ভাজ্য কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয় তাকে ভাজ্য বলে।
৮৬। ভাজক কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা হয় তাকে ভাজক বলে।
৮৭। ভাগশেষ কাকে বলে?
উঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করে যদি কোনো অবশেষ সংখ্যা থেকে যায় তবে তাকে ভাগশেষ বলে।
জেএসসির ১০০% কমন সাজেশন
৮৮। ভাগফল কাকে বলে?
উঃ ভাগফল কাকে বলে?
উঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে ভাগফল বলে।
৮৯। সমলব ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশগুলোর লব সমান তাদেরকে সমলব বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৯০। ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?
উঃ হিসাবের সুবিধার্তে প্রথমে একটির দাম বের করে সমস্য সমাধানের পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ক বলে।
৯১। ১ জোড়া = ২টি।
৯২। ১ হালি = ৪টি।
৯৩। ১ ডজন = ১২ টি।
৯৪। ১ কুড়ি = ২০ টি।
৯৫। ১ দিস্তা = ২৪ তা।
৯৬। ১ রীম = ২০ দিস্তা।
৯৭। ১ সপ্তাহ = ৭ দিন।
৯৮। ১ মাস = ৩০ দিন।
৯৯। ১ বছর = ১২ মাস = ৩৬৫ দিন।
১০০। মৌলিক সংখ্যার অপর নাম কী?
উঃ উৎপাদাক
১০১। দশমিক ভগ্নাংশ কী?
উঃ ভগ্নাংশ প্রকাশের একটি বিশেষ পদ্ধতি হলো দশমিক ভগ্নাংশ।
১০২। বিপরীত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ কোনো ভগ্নাংশের লবকে হর এবং হরকে লব করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তাকে বিপরীত ভগ্নাংশ বলে।
১০৩। শতকরাকে কী বলা হয়?
উঃ শতকারাকে শতাংশ বলা হয়।
১০৪। ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
১০৫। ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি।
১০৬। ১ লিটার = ১০০০ মিলিলিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার।
১০৭। ১ ঘনমিটার = ১০০০০ লিটার।
১০৮। ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি।
১০৯। ১০০০ গ্রাম = ১ কেজি।
১১০। ১ পক্ষ = ১৫দিন।

মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
ভালো লাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন 👍
টাইমলাইনে রাখতে পারেন।
❤ধন্যবাদ❤

13/06/2022

🎯 চাকরির পরীক্ষার এবং ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন:

⚫পাকা কমলায় থাকে ➟ অকটাইল এসিটেট।
⚫টমেটোতে থাকে ➟ ম্যালিক এসিড।
⚫ লেবুর রসে থাকে ➟ সাইট্রিক এসিড।
⚫আপেলে থাকে ➟ ম্যালিক এসিড।
⚫তেঁতুলে থাকে ➟ টারটারিক এসিড।
⚫আমলকিতে থাকে ➟ অক্সালিক এসিড।
⚫আঙ্গুরে থাকে ➟ টারটারিক এসিড।
⚫কমলালেবুতে থাকে ➟ এসকরবিক এসিড।
⚫ দুধে থাকে ➟ ল্যাকটিক এসিড।
⚫পাকা কলায় থাকে ➟ এমাইল এসিটেট।
⚫পাকা আনারসে থাকে ➟ ইথাইল এসিটেট।
⚫ কচু খেলে গলা চুলকায় ➟ কারণ কচুতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকে।
⚫পৃথিবীর আকার গোল এই ধারণা ➟ পিথাগোরাসের।
⚫ডিডিটির পূর্ণরূপ ➟ ডাই ক্লোরো-ডাই-ফিনাইল-ট্রাই-ক্লোরো- ইথেন।
⚫ টিএনটির পূর্ণরুপ ➟ ট্রাই নাইট্রো টলুইন।
⚫সাবানের রাসায়নিক নাম➟ সোডিয়াম স্টিয়ারেট।
⚫পেট্রোলের অপর নাম➟ গ্যাসোলিন।
⚫সিরকায় থাকে ➟ এসিটিক এসিড।
⚫লাফিং গ্যাস হচ্ছে➟ নাইট্রাস অক্সাইড।
⚫দার্শনিকের উল কি ➟ জিঙ্ক অক্সাইড দার্শনিকের উল নামে পরিচিত ।
⚫ সাপের বিষে কোন ধাতুর অন থাকে ➟ জিংক।

11/06/2022

মনে রাখার সহজ কৌশল>>>
:::::জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা::::
● জাতিসংঘের যে সকল সংস্থার
প্রথমে W ও শেষে O আছে,
ওই গুলোর সদর দপ্তর 'জেনেভা'।
যেমনঃ-
●WTO => জেনেভা ।
●WHO => জেনেভা ।
●WMO => জেনেভা ।
●WIPO => জেনেভা ।
-------------------
extra:-
●ILO=> জেনেভা।
●FAO=> রোম।
●IMCO=> লন্ডন।
●IMO=> লন্ডন।
●ICAO=> মন্ট্রিল।
●UNESCO=> প্যারিস।
●NATO=> ব্রাসেলস।
●UNIDO=> ভিয়েনা।
-----------------
● অর্থ ও টাকা সংক্রান্ত সকল সংস্থার সদর দপ্তর 'ওয়াশিংটন ডিসি'।
● খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর'রোম'। (WFP, FAO)

collected

10/06/2022

বিসিএস থেকে শুরু করে যেকোনো সরকারি জবের জন্য ৯ম-১০ম শ্রেনীর সাধারণ বিজ্ঞান বই হতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন একনজরে

♦♦১ম অধ্যায়ঃ
১।প্রাণীদেহে শুষ্ক ওজনের কতভাগ প্রোটিন - ৫০%।
২।খাদ্যের উপাদান - ৬টি।
৩।আমিষের গঠনের একক - অ্যামাইনো এসিড।
৪।মানবদেহে কয়ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে - ২০ ধরনের♦
৫।মানুষের প্রধান খাদ্য - শর্করা।
৬।পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন - B,C♦
৭।ঢেকি ছাটা চাল ও আটার ভিটামিন থাকে - থায়ামিন।
৮।দৈনিক পানি পান করা উচিত - ২-৩ লিটার♦
৯।ব্রাইন বলা হয় - লবনের দ্রবনকে।
১০।পুষ্টির ইংরেজী শব্দ - Nutrition।
১১।কোষ গঠনে সাহায্য ও নিয়ন্ত্রন করে - ভিটামিন ই ও লাইসিন।
১২।কার্বোহাইড্রেট C:H:O এর অনুপাত - ১:২:১♥
১৩।খাদ্যের কোন উপাদানটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত - শর্করা।
১৪।FRUIT SUGAR বলা হয় - ফ্রুকটোজকে।
১৫।অামিষের শতকরা নাইট্রোজেন পরিমান - ১৬%
১৬।অামিষের মৌলিক উপাদান কয়টি - ৪টি♦
১৭।ইলিশের প্রোটিন অাছে - ২০
১৮।মাছ থেকে কতভাগ প্রোটিন অাসে - ৮০ ভাগ।
১৯।অামিষের অভাবে হয় - ম্যারাসমাস রোগ।
২০।মহিষের দুধে শক্তির পরিমান - ১১৭ ক্যালরী।
২১।শক্তি উৎপাদক খাদ্য - শর্করা।
২২।ভিটামিন এভাবে রোগ - রাতকানা, জেরপথ্যালমিয়া ♦
২৩।খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০ ধরনের♦
২৪।ভিটামিন বি - ২০ প্রকার।
২৫।প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের লৌহের প্রয়োজন - ৯গ্রাম♥
২৬।খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তির একক - কিলোক্যালরী।
২৭।Quetelet Index বলা হয় - BMI
২৮।BMI- Body Mass index
২৯।দেহের চর্বি পরিমান নিদের্শক - BMI
৩০।BMI- ওজন/(উচ্চতা)^২
৩১।BMIএর অপর নাম - QLI ♦
৩২।বোরহানিতে পাওয়া যায় - ল্যাকটিক এসিড♦
৩৩।ভিনেগার কী - অ্যাসেটিক এসিডের ৫% দ্রবন।
৩৪।তামাকে কোন পদার্থ থাকে - নিকোটিন, ক্যাফেইন।
৩৫।ধূমপান করার উপাদানটি নাম - Nicotina♦
৩৬।সর্বপ্রথম এইডস চিহ্নিত হয় - আফ্রিকায়।
৩৭।পরিপোষক ইংরেজী শব্দ - Nurtrients।
৩৮।উৎপত্তিগত আমিষ - ২ প্রকার
৩৯।মানবদেহে ওজনের মোট ক্যালসিয়াম - ২ভাগ
৪০।মানবদেহে ওজনের মোট পানি - ৬০ থেকে ৭৫ভাগ।
৪১।মানবদেহে ফসফরাসের প্রয়োজন - ৫গ্রাম
৪২।এসিডোমিস হয় - পানির অভাবে
৪৩।মানুষের মৃত্যু হয় - ১০% পানির অভাবে
৪৪।মানবদেহের বৃদ্ধির সময়সীমা - ২০ থেকে ২৪ বছর।
৪৫।পুষ্টি - ৪ প্রকার।
৪৬।এইডসের ভাইরাসের নাম - HIV♦
৪৭।এ পযর্ন্ত অ্যামোইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে - ২০ ধরনের♥
৪৮।খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০
৪৯।স্নেহ - ২ প্রকার।
৫০।বিজ্ঞান শব্দের অর্থ - বিশেষ জ্
৫১।স্নেহে দ্রবনীয় - ভিটামিন A,D,E,K♦♥♦
৫২।ফল পাকানোর জন্য দায়ী - ক্যালসিয়াম কার্বোইড।
৫৩।HIV অাক্রমন করে - রক্তে শ্বেতকনিকায় লিম্ফোসাইটকে।
৫৪।আমাশয় - ২ প্রকার।এমিবিক ও ব্যাসিলারি।
৫৫।ভাইরাস - প্রকৃত পরজীবী।
৫৬।ভাইরাসকে বলা হয় - অকোষীয় জীব।
৫৭।ছত্রাকে বলা হয় - মৃতজীবী জীব।
৫৮।অনুজীবকে বলা হয় -আদিজীব।
৫৯।প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান - বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক♦
৬০।ধূমপানের উপাদানটির বিজ্ঞানিক নাম - Nicotiana Tabacum।
♦♦২য় অধ্যায়ঃ
১।পানির ঘনত্ব নির্ভরশীল - তাপমাত্রা উপর।
২।ভূ-পৃষ্টের মোট পানির শতকরা মিঠাপানি - ১ ভাগ।
৩।পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি - ৪ ডিগ্রী সে:♦♥
৪।বিশুদ্ধ পানির ধর্ম - স্বাদহীন,বর্ণহীন,গন্ধহীন।
৫।কোন জলীয় দ্রবণ এসিডীয় হলে এর pH - ৬.৫।
৬।বিশুদ্ধ পানির pH - ৭♦
৭।শুধু পানিতে জন্মায় - সিংগারা।
৮।ওষুধ তৈরিতে পানি বিশুদ্ধ করা হয় - পাতন প্রক্রিয়ায়।
৯।এসিডের পরিমান বাড়লে pH এর মান - কমে।
১০।ব্লিচিং পাউডারের সংকেত - Ca(OC1)C1♦
১১।আমেরিকায় উত্তর ওহাইও অঙ্গরাজ্যের মরা হ্রদটি নাম - এরি।
১২।রামসার চুক্তি হয় - ১৯৭১ সালে♦
১৩।রামসায় কনভেনশন সংশোধন হয় - ১৯৮২ সালে।
১৪।গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি হয় - ১৯৭৭ সালে।
১৫।বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে তুলনা করা হয় - এরি হ্রদের সাথে।
১৬।পানির স্ফুটনাঙ্ক - ৯৯.৯৮ ডিগ্রী সে:।
১৭।সমুদ্রের পানিকে বলে - Marine Water♦
১৮।পানির অনুতে আছে - ২টি হাইড্রোজেন।
১৯।পৃথিবীর পানির মধ্যে শতকরা সমুদ্রের পানি - ৯০ ভাগ।
২০।পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন মাত্রা ঠিক থাকে - সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে।
২১।নদনদীর পানি - ক্ষারীয়।
২২।একলিটার বিশুদ্ধ পানির pH - ৭
২৩।ত্বক ও ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে - পারদ/U।
২৪।রক্ত শূন্যতা হয় - সীসার অভাবে♦
২৫।রামসায় চুক্তিতে বাংলাদেশ সম্মতি জ্ঞাপন ও স্বাক্ষর করে - ১৯৭৩ সালে♦
২৬।লোনা পানির ইংরেজী শব্দ - Saline Water।
২৭।নাব্যতা হ্রাসকালে ভূমিকা আছে - তেল।
২৮।pH কমলে প্রাণীদেহে হতে নিগৃত হয় - Ca।
২৯।ইলিশ মিঠা পানিতে আসে - প্রজনেন জন্য♦
৩০।ইলিশ ডিম নষ্ট করে - লবণাক্ত পানিতে।
৩১।ভূ-গর্ভস্থ শতকরা লবণাক্ত পানির পরিমান - ৯৭ ভাগ।
৩২।বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধকরন করার জন্য ব্যবহার করা হয় - সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড।
৩৩।পানির মধ্যে ধূলিকনা পৃথক করার প্রক্রিয়া - পরিস্রাবন।
৩৪।খাওয়ার পানির জন্য সহজলভ্য প্রক্রিয়া - স্ফুটন।
৩৫।কঠিন বর্জ্য পঁচতে সময় লাগে - ১ থেকে ২ দিন।
৩৬।সম্প্রতি তেজস্ক্রিয়া ঘটেছে - জাপানের ফুকুশিমা।
৩৭।মানুষ বিকলাঙ্গ হয় - পারদের অভাবে।
৩৮।এরি হ্রদকে মরা হ্রদ ঘোষণা করা হয় - ১৯৬০ সালে।
৩৯।প্রাণীশূন্য নদীকে বলে - Dead Lake♦
৪০।ETP - Effluent Treatment Plant♦
৪১।ঢাকা শহরে প্রতিনিয়ত কঠিন পদার্থ উৎপন্ন হয় - ৫০০ মে: টন।
৪২।বাংলাদেশ ভারত হতে গঙ্গা পানির ন্যায্য হিসাবে পাওয়ার চুক্তি হয় - ১৯৯৬ সালে♦
৪৩।ভারত সরকার গঙ্গা পানির গতিপথ পরিবর্তন করে - ১৯৭৫ সালে।
৪৪।মানুষের মৌলিক অধিকার - ৫টি।(আমরা জানি, মৌলিক অধিকার ৬টি।কিন্তু ৯ম শ্রেনীর বইয়ে ৫ টি।আবার ৩য় শ্রেনীর বইয়ে ৬টি)♦
৪৫।রামসার কনভেনশন সংশোধন হয় - ২ বার♦
৪৬।অম্লীয় পানির pH - ৪♦
৪৭।বরফের গলনাঙ্ক - ০ ডিগ্রী সে:।
৪৮।১ কিউসেক পানির ভর - ১০০০ কেজি♦
৪৯।পানির অনুর আকৃতি - কৌণিক।
৫০।পানি একটি - উভধর্মী পদার্থ।
#৩য় অধ্যায়ঃ
১।রক্তে লোহিত কণিকা সঞ্চিত থাকে - প্লীহাতে♦
২।অনুচক্রিকার গড় আয়ু - ৫ থেকে ১০ দিন।
লোহিত রক্ত কণিকায় গড় আয়ু - ১২০ দিন♦
শ্বেতকণিকার গড় আয়ু - ১-১৫ দিন♦
৩।লোহিত কণিকার আকৃতি - চ্যাপ্টা।
৪।সর্বজন দাতা গ্রুপ - O+ গ্রুপ।
৫।রক্তে অ্যান্টিজেন নেই - O+ গ্রুপে।
৬।হৃৎপিন্ডের আকৃতি - ত্রিকোণাকার।
৭।রক্তে কিসের পরিমান বেশি থাকা শরীরে জন্য উপকারি - HDL♦
৮।রক্তে কোলেস্টেরল স্বাভাবিক পরিমান - ১০০-২০০mg/dl।
৯।মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ -১২০/৮০ mmHg♦
১০।মানুষের মোট ওজন শতকরা - ৮% রক্ত।
১১।ধমনির রক্তের pH - ৭.৪।
১২।পূর্ণবয়স্ক মানুষের রক্তের পরিমান - ৫-৬ লিটার♦
১৩।রক্ত গঠিত - যোজক টিস্যু।
১৪।রক্তের প্রধান উপাদান - লৌহ।
১৫।রক্তের প্রধান উপাদান - ২টি।
১৬।রক্তে রেচন পদার্থ - ইউরিয়া♦
১৭।রক্ত লাল দেখায় - হিমোগ্লোবিন থাকায়।
১৮।দেহের প্রহরী - শ্বেতকণা।
১৯।রক্তে লিম্ফোসাইটের পরিমান - ২০-৪৫%
২০।হিমোগ্লোবিন থাকে না - শ্বেতকণিকায়♦
২১।রক্তে অ্যান্টিজেন থাকে - ২টি।
২২।AB গ্রুপে রক্তের মানুষ - ৩%।
২৩।হৃৎপিন্ড বেষ্টনকারী পদার্থের নাম - পেরিকার্ডিয়াম (২ স্তর)।
২৪।নিলয়ের অপর নাম - ভেন্টিকল♦
২৫।একটি হৃৎস্পন্দনের সময় লাগে ০.৮ সেকেন্ড।
২৬।হৃৎপিন্ড প্রসারণকে বলা হয় - ডায়াস্টোল♦
২৭।প্রতিমিনিটে হার্টবিটকে বলে - ডাব।
২৮।কার্ডিয়াক চক্রের ধাপ - ৪টি♦
২৯।LDL এর পূর্ণরুপ -Low Density Lipoprotein।
৩০।সমগ্র রক্তে -৫৫% রক্তরস, ৪৫% রক্তকণিকা।
৩১।রক্তের তরল অংশকে বলে - প্লাজমা।
৩২।রক্ত কণিকা - ৩ প্রকার♦
৩৩।রক্ত রসের -১০% জৈব ও অজৈব।
৩৪।রক্তরস আলাদা করলে রক্তের রং হবে - হালকা হলুদ।
৩৫।প্লেটলেট অর্থ - অণুচক্রিকা♦
৩৬।ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে কোন অবস্থার সৃষ্টি হয় - পারপুরা।
৩৭।মানুষের রক্তের A গ্রুপ শতকরা - ৪২%।
৩৮।মানুষের রক্তের B গ্রুপ শতকরা - ৯%।
৩৯।মানুষের রক্তের AB গ্রুপ শতকরা - ৩%।
৪০।মানুষের রক্তের O+ গ্রুপ শতকরা - ৪৬%।
৪১।RBC - Red Blood cell।
৪২।রেসাস ফ্যাক্টরের সংকেত - Rh♦
৪৩।রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে - ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার (১৯০০ সালে)♦
৪৪।Rh ফ্যাক্টরের নামকরন করা হয় - বানর দ্বারা।
৪৫।হৃৎপিন্ডের অবস্থান - দুই ফুসফুসের মাঝে।
৪৬।হৃৎপিন্ডের ওজন - ৩০০ গ্রাম♦
৪৭।হৃৎপিন্ডের সংকোচনকে বলা হয় - সিস্টোল।
৪৮।মানুষের হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠ - ৪ ভাগে♦
৪৯।রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা - ৮০ থেকে ১২০ গ্রাম/ডেসি.লিটার।
৫০।HDL এর পূর্ণরুপ -High Density Lipoprotein♦
♦♦৪র্থ অধ্যায়ঃ
১।বয়:সন্ধিকালের সময়কাল - ১১ হতে ১৯ বছর।
২।টেস্টটিউবের প্রথম সফলতা পায় -ড.প্যাট্রিক♦ স্টেপটো ও ড. রবার্ট এডওয়ার্ডের, ইংল্যান্ড।
১৯৭৮ সালে ২৫ জুলাই ১১.৫৭ মিনিটে লুইস জয় ব্রাউন নামের এক বেবি।
৩।শৈশবকাল বলা হয় - ৫ বছর পর্যন্ত♦
৪।মানুষের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী - ২টি।
৫।ছেলেদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য দায়ী - টেস্টোস্টেরন♦
#মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য দায়ী - ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন♦
৬।প্রথম টেস্টিটিউব বেবি উদ্ভাবন করন - পেট্রুসি(১৯৫৯ সালে,ইটালিতে)।
৭।লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম সংখ্যা - ১ জোড়া♦
৮।স্ত্রী লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম সংখ্যা - XX♦
পুরুষের লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম সংখ্যা -XY♦
৯।মানব কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা - ২৩ জোড়া♦
১০।পৃথিবীর উৎপত্তি ও জীনের উৎপত্তি ঘটনা প্রবাহকে বলে - রাসায়নিক বিবর্তন♦
১১।সর্বপ্রথম জীনের উৎপত্তি - সমুদ্রের পানিতে♦
১২।সংযোগকারী জীব বলা হয় - প্লাটিপাস (সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণির মধ্যে)।
১৩।বয়:সন্ধিকালে কোন হরমোন প্রভাব নেই
ইনসুলিন♦
১৪।বয়:সন্ধিকালে পরিবর্তনের জন্য দায়ী - হরমোন।
১৫।বয়:সন্ধিকালে পরিবর্তন প্রধানত - ৩ প্রকার।
১৬।সর্বপ্রথম জন্ম নেয়া টেস্টিটিউব বেবি বাঁচে - ২৯ দিন।(জন্ম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ইটালির বিজ্ঞানী ড.পেট্রুসি,১৯৫৯ সালে।)
১৭।বাংলাদেশের জন্ম নেয়া প্রথম ৩টি টেস্টিটিউব বেবির নাম - হিরা,মনি ও মুক্তা (২০০১ সালে)।
১৮।মানুষের অটোসোম - ৪৪ টি♦
১৯।জীবাশ্ম আবিষ্কার করে - জেনোফেন♦
২০।নিউক্লিক এসিড সৃষ্টিতে ভূমিকা রয়েছে - অতি বেগুনি রশ্মি♦
২১।পৃথিবী একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড ছিল - ৪৫০ কোটি বছর।
২২।সর্বপ্রথম কে "ইভোলিউশন" শব্দটি ব্যবহার করেন - হার্বাট স্পেনসার♦
২৩।প্রাণ সৃষ্টিতে শুরুতে সর্বপ্রথম যৌগটি তৈরি হয় - অ্যামাইনো এসিড।
২৪।সময়ের সাথে নতুন প্রজাতির সৃষ্টিকে বলে - জৈব বিবর্তন।
২৫।অসম্পূর্ণ বিভক্ত নিলয় থাকে - সরীসৃপের।
২৬।উভচরের (ব্যাঙ) হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠের সংখ্যা - ৩।
পাখির হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠের সংখ্যা - ৪♦
২৭।মানবদেহে লুপ্তপ্রায় অঙ্গটি - ককসিস।
২৮।"বায়োলজি" শব্দের প্রতিষ্ঠাতা" - ল্যামার্ক♦
২৯।বংশগতির মতবাদ দেন - মেন্ডেল♦
বংশগতির বিদ্যার জনক - গ্রেগর জোহান মেন্ডেল।
৩০।মানবদেহে নিষ্কিয় অঙ্গটি - অ্যাপেন্ডিক্স।
৩১।"Origin of species by meanse of natural selection" বইটির লেখক - চালর্স ডারউইন (১৮৫৯ সালে)♦
(জন্ম -১৮০৯ সালে, ইংল্যান্ড সাসবেরি এবং
মৃত্যু-১৮৮২ সালে)।
৩২।স্যামন মাছ প্রজননের ঋতুতে ডিম পাড়ে - ৩ কোটি।
৩৩।"ফিলোসোফিক জুওলজিক" বইটির লেখক - ল্যামার্ক (১৮০৯ সালে)♦
৩৪।"প্রাকৃতিক নির্বাচনে দায় প্রজাতির উদ্ভব" - গ্রন্থেরটি লেখক - চালর্স ডারউইন♦
৩৫।ভাইরাস সৃষ্টি হয় - প্রোটোজোয়া থেকে♦
৩৬।জৈব বিবর্তনের জনক - চার্লস ডারউইন।
৩৭।পৃথিবীর উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা - প্রায় ৪ লাখ।
৩৮।তিমি সাতাঁরে জন্য ব্যবহার করে - ফ্লিপার।
৩৯।"অনটোজেনি রিপিটস ফাইলোজেনি" কার ভাষ্য - হেকেল।
৪০।একটি সরিষা গাছ হতে বছরে বীজ জন্মায় - ৭,৩০,০০০।
এক জোড়া হাতির থেকে উদ্ভূত সবগুলো হাতি বেঁচে থাকলে ৭৫০ বছরে হাতির সংখ্যা হবে ১ কোটি ৯০ লাখ।
♦♦৫ম অধ্যায়ঃ
১।গাড়ির দুইপাশে ও পিছনে হতে কয়টি দর্পণ ব্যবহার হয় - ৩টি।
২।চাঁদ দিগন্তে দিকে লাল দেখায় কেন - বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের জন্য।
৩।+2D লেন্সটির ফোকাস দূরত্ব - ০.৫ মি।
-2D লেন্সটির ফোকাস দূরত্ব - ৫০ সে.মি।
৪।লেন্সের ক্ষমতা এস. আই একক -
রেডিয়ান/মিটার♦
৫।শিশুর স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব - ৫ সেমি♦
৬।চোখের কোন অংশে উল্টো প্রতিবিম্ব গঠিত হয় - রেটিনা।
৭।বয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব - ২৫ সেমি।
৮।অাবছা আলোয় সংবেদনশীল হয় - রড♦
৯।রড অনুভূতি ও রঙের পার্থক্য নির্ধারণে সাহায্য করে - কোণ।
১০।আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যবর্তী কোণকে বলে - আপতন কোণ♦
১১।সংকট কোনের ক্ষেত্রে প্রতিসরণ কোণ - ৯০ ডিগ্রী।
১২।ঘন মাধ্যমে আলোর বেগ - কমে যায়।
১৩।উভয় লেন্সের বক্রতার ব্যাসার্ধ ও কেন্দ্র - ২টি।
১৪।উভয় লেন্সের আলোক কেন্দ্র - ১টি।
১৫।অবতল লেন্সের অপর নাম - অপসারী লেন্স♦
১৬।আলো এক প্রকার - শক্তি।
১৭।লেন্স প্রধানত - ২ প্রকার।
১৮।চোখ কাজ করে - অভিসারী লেন্সের মতো।
১৯।চোখের ত্রুটি - ৪ ধরনের।
২০।চোখ ভালো রাখার জন্য বেশি প্রয়োজন - প্রোটিন যুক্ত খাবার♦
২১।যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে - দর্পণ বলে।
২২।নিরাপদ ড্রাইভিং এর শর্ত - নিজ গাড়ির আশে পাশে সর্বদা খেয়াল রাখা♦
২৩।পাহাড়ি রাস্তার বিপদজনক বাঁকে সমতল দর্পণ ব্যবহার হয় - ৯০ ডিগ্রী।
২৪।আলোর প্রতিসরণের সূত্র - ২ টি♦
২৫।মানুষের দর্শনানুভুতির স্থায়িত্বকাল - ০.১ সেকেন্ড।
২৬।চোখের আলোক সংবেদন আবরণ - রেটিনা।
২৭।দর্পণ বিশেষভাবে ব্যবহার হয় - নিরাপদ ড্রাইভিং এ।
২৮।আলোর প্রতিসরণ ব্যবহার হয় - এক্স-রে তে♦
২৯।চোখের রেটিনার রং - গোলাপি।
৩০।চোখের উপাদান নয় - আইভ্রু।
৩১।পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারন - আলোর প্রতিসরণের কারনে।
৩২।স্বাভাবিক চোখের দূরবিন্দুর দূরত্ব - অসীম।
৩৩।+1D ক্ষমতা লেন্সের ফোকাস দূরত্ব -100cm উত্তল।
৩৪।বায়ু সাপেক্ষ কাচের প্রতিসরণাঙ্ক - ১.৫♦
৩৫।রাস্তার বাতিতে ব্যবহার হয় - উত্তল দর্পণ♦
♦♦♥৬ষ্ঠ অধ্যায়ঃ
১।প্রাকৃতিক পলিমার - রাবার♦
২।ভিনাইল ক্লোরাইড নামক মনোমার থেকে তৈরি হয় -পি ভি সি পাইপ♦
৩।কৃত্রিম পলিমার - পলিথিন♦
৪।প্যারাসুটের কাপড় তৈরিতে ব্যবহার - নাইলন♦
৫।আলফা কী - পশম।
৬।প্লাষ্টিক শব্দের অর্থ - সহজে ছাঁচযোগ্য।
৭।পলিথিনের সংকেত -
৮।পলিমারের ক্ষুদ্র অনুকে বলে - মনোমার♦
৯।পলিমার শব্দটি - গ্রীক।
১০।গ্রীক শব্দ "মেরোস" এর অর্থ - অংশ।
১১।মানুষের চুলে আর নখে থাকে - কেরাটিন প্রোটিন।
১২।তন্তুর রানী - রেশম।
১৩।চেল্লার অপর নাম - পিল♦
১৪।জন্মদিনে ব্যবহারিত বেলুনে দ্রবীভূত হয় - বেনজিন।
১৫।রাবার সাধারণত কোন ধরনের হয় - হালকা বাদামি।
১৬।"পলি" অর্থ - অনেক♦
১৭।উৎস অনুযায়ী পলিমার - ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
১৮।আমরা যে পলিথিন ব্যবহার করি তা - "ইথিলিন" নামক মনোমার হতে তৈরি পলিমার।
১৯।তন্তু - ২ প্রকার♦
২০।প্রায় ৪০ জাতের মেষ হতে পশম তৈরি হয় - ২০০ প্রকার।
♥♦♥৭ অধ্যায়ঃ
১।ভিনেগারের সংকেত - (CH3COOH)♦
২।শক্তিশালী এসিড - সালফিউরিক এসিড,নাইট্রিক এসিড,হাইড্রোক্লোরিক এসিড♦
৩।এসিড নীল লিটমাসকে কোন রং এ পরিবর্তন করে - লাল♦
৪।লাল লিটমাস কাগজকে ক্ষারের মধ্যে ডুবালে কোন রং হবে - নীল।
৫।হিস্টামিনকে অকার্যকর করে - ভিনেগার♦
৬।ভিনেগারের অপর নাম - এসিটিক এসিড,সিরকা♦
৭।টেস্টিংসল্ট যে নামে পরিচিতি - মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট♦♦♦♦
৮।জৈব এসিড - (CH3COOH)♦
৯।অম্লীয় দ্রবণের জন্য সঠিক - pH

Want your school to be the top-listed School/college in Pabna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Near Telephone Office, Mati Road
Pabna

Opening Hours

Monday 08:00 - 21:00
Tuesday 08:00 - 21:00
Wednesday 08:00 - 21:00
Thursday 08:00 - 21:00
Saturday 08:00 - 21:00
Sunday 08:00 - 21:00