পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । Pabna Govt. Girls' High School

পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । Pabna Govt. Girls' High School

Share

It's a teachers & students centered page. Anyone can observe the school notice, on line class & cultural activity etc.

13/12/2025

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

02/12/2025

আগামীকাল ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ বুধবার নির্বাচনি/বার্ষিক পরীক্ষা রুটিন অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আর স্থগিত পরীক্ষার সময় পরে জানানো হবে। প্রশি,পাসবাউবি

20/11/2025

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে - ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদনের সুযোগ আর মাত্র ২ দিন আছে ।

03/11/2025
23/10/2025
21/10/2025

📢 পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পাবনা
অনলাইনে বেতন পরিশোধ সংক্রান্ত

11/10/2025

জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ ও চাকুরিজীবীর চাওয়া
বিগত ২০১৫ সালে বাংলাদেশে সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ ৮ম পে স্কেল ঘোষিত হয়। এরপর ১০ বছর পার হলেও দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতিতে নাভিশ্বাস উঠা নিম্ন বেতনের চা চাকুরিজীবীদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে শিক্ষকদের ৯ম পে স্কেল সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে আমার মতামত
সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষকদের প্রারম্ভিক বেতনের তুলনামূলক তালিকা
দেশ স্তর বেতনের ধরন প্রারম্ভিক মাসিক বেতন (BDT-তে আনুমানিক) বেতনের গ্রেড ও মন্তব্য
বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সর্বসাকুল্যে ≈ ১৭,৯৫০ - ১৯,৫০০ টাকা ১৩তম গ্রেড (মূল বেতন ≈ ১১,০০০ টাকা)। দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন বেতনের মধ্যে একটি।
বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সর্বসাকুল্যে ≈ ২৬,০০০ টাকা দশম গ্রেড।
বাংলাদেশ এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সর্বসাকুল্যে ≈ ১৭,৫০০ - ২০,০০০ টাকা ১১তম গ্রেড (মূল বেতন ≈ ১২,৫০০ টাকা + ভাতা)। শুধুমাত্র মূল বেতন সরকারি স্কেল অনুযায়ী।
ভারত প্রাথমিক শিক্ষক (পশ্চিমবঙ্গ) সর্বসাকুল্যে ≈ ৩৫,০০০ টাকা রাজ্য ও পদভেদে ভিন্নতা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।
ভারত মাধ্যমিক শিক্ষক (পশ্চিমবঙ্গ) সর্বসাকুল্যে ≈ ৪০,০০০ টাকা বা তার বেশি রাজ্য ও পদভেদে ভিন্নতা রয়েছে।
মালদ্বীপ প্রাথমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৬৩,০০০ টাকা (≈ ৯৫৩ USD) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেশি।
মালদ্বীপ মাধ্যমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৯০,০০০ টাকা
নেপাল প্রাথমিক/মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৩৫,০০০ টাকা (≈ ৪৬৭ USD)
ভুটান প্রাথমিক/মাধ্যমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৩৩,০০০ - ৩৯,০০০ টাকা (≈ ৩৪৩ - ৪৬৭ USD) ভুটানে চিকিৎসক ও শিক্ষকদের বেতনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
শ্রীলঙ্কা প্রাথমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ২৭,০০০ টাকা (≈ ২৫০ USD)
শ্রীলঙ্কা মাধ্যমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৩২,০০০ টাকা
পাকিস্তান প্রাথমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৩০,০০০ টাকা (≈ ২০৬ USD)
পাকিস্তান মাধ্যমিক শিক্ষক মাসিক গড় ≈ ৩০,০০০ টাকা


বেতন কাঠামোর বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ণ
তালিকাটি থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, বেতন-ভাতা ও মর্যাদার দিক থেকে বাংলাদেশের শিক্ষকরা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছেন।
বৈষম্য: প্রাথমিক শিক্ষকের বেতনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। মালদ্বীপের শিক্ষকদের মাসিক গড় বেতন বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনের প্রায় চার থেকে পাঁচ গুণ। এমনকি ভারত, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তানেও বাংলাদেশের তুলনায় বেতন অনেক বেশি।
মর্যাদার ঘাটতি: বাংলাদেশে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা এখনো ১৩তম গ্রেডে (তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর মর্যাদা) বেতন পান, যেখানে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা এই পদে নিয়োগ পান। অন্যদিকে, অনেক দেশে শিক্ষকদের পদকে উচ্চতর গ্রেডে রাখা হয়।
এমপিওভুক্তির সমস্যা: বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্তরের বেশিরভাগ শিক্ষকই (এমপিওভুক্ত) শুধু মূল বেতন পান। বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা অপ্রতুল। সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের সাথে তাদের বেতনে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে।
এই পরিস্থিতি বিবেচনায়, ৯ম পে স্কেলে কেবল দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নয়, বরং শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা ও আঞ্চলিক বেতনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি যৌক্তিক ও উচ্চতর বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা জরুরি।
(দ্রষ্টব্য: এই পরিসংখ্যানগুলি শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে, যা প্রায়শই সরকারি কর্মচারীদের সামগ্রিক বেতন কাঠামোর নিম্ন স্তরের একটি ইঙ্গিত বহন করে। )
৯ম পে স্কেল কেমন হওয়া উচিত
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক তুলনার ভিত্তিতে নবম পে স্কেল নির্ধারণে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত:
১. সর্বনিম্ন বেতনের যৌক্তিকতা:
প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন বেসিক: বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় সর্বনিম্ন গ্রেডের (গ্রেড-২০) মূল বেতন কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা থেকে ২৫,০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা উচিত।
যুক্তিসঙ্গত কারণ: ২০১৫ সাল থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় শহরের ক্ষেত্রে (বিশেষ করে খাদ্য, বাসা ভাড়া ও পরিবহন) প্রায় ১৫৩% এবং গ্রামের ক্ষেত্রে ১৪২% পর্যন্ত বেড়েছে বলে বিশ্লেষণে দেখা যায়। নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনধারণের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটাতে বর্তমানের সর্বনিম্ন বেতন খুবই অপ্রতুল। তাই কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা বা তার কাছাকাছি একটি অঙ্ক থেকে সর্বনিম্ন মূল বেতন শুরু করা উচিত।
২. সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত (Ratio):
বর্তমান: ২০১৫ সালের বেতন স্কেলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ছিল প্রায় ১০:১।
প্রস্তাবিত: পে-কমিশনের পর্যালোচনায় প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই অনুপাতটি ৮:১ থেকে ১০:১-এর মধ্যে রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কম অনুপাত (যেমন ৮:১ বা ৯:১) নির্ধারণ করা উচিত, যাতে বেতন বৈষম্য হ্রাস পায় এবং নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পান।
৩. বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) এবং অন্যান্য ভাতা:
বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: বর্তমানে বছরে ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়। দ্রব্যমূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে এর হার বাড়ানো অথবা নির্দিষ্ট সময় পরপর উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা উচিত।
চিকিৎসা ভাতা: বর্তমানে কর্মচারীরা চাকরির শুরু থেকে অবসর পর্যন্ত মাসে ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। এই ভাতাটি কয়েক গুণ বাড়ানো এবং অবসরোত্তর সময়ে আরও বেশি সুবিধা রাখার সুপারিশ করা হচ্ছে।
শিক্ষা ভাতা: কর্মচারীদের সন্তানদের শিক্ষা ভাতাও বাড়ানোর সুপারিশ করা যেতে পারে।
বাড়ি ভাড়া: বাড়ি ভাড়া মূল বেতনের একটি যৌক্তিক অংশ (যেমন ৬০%) নির্ধারণ করা উচিত, যাতে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য দূর হয় এবং কর্মচারীরা সব স্থানে সম্মানের সাথে বসবাস করতে পারে।
৪. মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance - DA):
মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেলে কর্মচারীদের সাময়িক সুবিধা দিতে মহার্ঘ ভাতা বা বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার প্রচলন আছে। ৯ম পে স্কেল চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা এর কার্যকারিতার পরেও মূল্যস্ফীতি যদি উচ্চ থাকে, তবে নিয়মিত বিরতিতে মহার্ঘ ভাতা বা বিশেষ সুবিধা চালু রাখা উচিত।
উপসংহার:
নতুন পে স্কেল এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত যাতে তা কেবল মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়ে, নিম্ন বেতনের কর্মচারীদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন নিশ্চিত করতে পারে। একই সাথে, সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর তুলনায় যেন বাংলাদেশের অবস্থান উন্নত হয় এবং দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, সেদিকে নজর দিয়ে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ একটি যোক্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ করবে এ আশাবাদ কামনা করছি।

মোঃ রফিকুল ইসলাম
সিনিয়র শিক্ষক
পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পাবনা।

09/10/2025

*লিপিড প্রোফাইল কী?*
একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইল ব্যাখ্যা করেছেন এবং একটি অনন্য উপায়ে এটি ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর গল্প শেয়ার করেছেন।
কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর।
এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল - *কোলেস্টেরল* খারাপ চর্বি।
তার কিছু সঙ্গীও আছে।
অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল - *ট্রাইগ্লিসারাইড* ডায়াবেটিস।
তাদের কাজ হল রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।
*হৃদয়* এই শহরের কেন্দ্রস্থল।
সব রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।
যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে।
তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে - *HDL* (উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন - ভালো পুলিশ)
ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে রাখে *(লিভার)* কলিজা।
তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে। ঘাম, প্রস্রাব ও পায়খানা।
কিন্তু
একজন খারাপ পুলিশও আছে - *LDL* যে ক্ষমতার জন্য লোভী।
LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে রাস্তায় ফিরিয়ে আনে।
যখন ভালো পুলিশ *HDL* পড়ে যায়, তখন পুরো শহরটা স্তব্ধ হয়ে যায়।
এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?
তুমি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চাও?
*হাঁটা* শুরু করো!
প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে *HDL* বাড়বে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতীরা কমবে।
তোমার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
তোমার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের *(হার্ট ব্লক)* থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
আর যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন তুমিও সুস্থ থাকবে।
তাই যখনই সুযোগ পাবে - হাঁটা শুরু করো!
*সুস্থ থাকুন...*
এবং *আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি*
*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায় সম্পর্কে বলবে
অর্থাৎ হাঁটা।*
প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে। তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং চলতে থাকুন।*
এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-
১. লবণ
২. চিনি
৩. ব্লিচ করা রিফাইন্ড ময়দা
৪. দুগ্ধজাত দ্রব্য
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার
*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*
১. শাকসবজি
২. ডাল
৩. মটরশুটি
৪. বাদাম
৫. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল
৬. ফল
*তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:*
১. আপনার বয়স
২. আপনার অতীত
৩. আপনার অভিযোগ
*চারটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. আপনার পরিবার
২. আপনার বন্ধুবান্ধব
৩. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা
৪. পরিষ্কার এবং স্বাগতপূর্ণ বাড়ি
*তিনটি মৌলিক জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. সর্বদা হাসুন
২. আপনার নিজস্ব গতিতে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করুন
৩. আপনার ওজন পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণ করুন
*ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ জীবনযাত্রার অভ্যাস আপনার গ্রহণ করা উচিত:*
১. পানি পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
২. বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৩. চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো না।
৪. অলৌকিক ঘটনার জন্য অপেক্ষা করো না, আল্লাহর উপর আস্থা রাখো।
৫. নিজের উপর কখনো বিশ্বাস হারাবে না।
৬. ইতিবাচক থাকুন এবং সর্বদা একটি ভালো আগামীর আশা করুন।

12/09/2025

একটি শোক সংবাদ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গুনতে গুনতে হঠাৎ অসুস্থ পড়েন চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস (৩১)। এরপর হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ইন্নালিল্লাহি অয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।

তিনি পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী এবং পাবনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে ইত্তেফাকের পাবনা জেলা প্রতিনিধি রুমি খন্দকারের একমাত্র মেয়ে। জান্নাতুল ফেরদৌস জাকসু ও প্রীতিলতা হল সংসদ নির্বাচনে পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
জান্নাতুল ফেরদৌসর সহকর্মীরা জানান, শুক্রবার ভোট গণনা করতে আসার পর সকাল পৌনে ৯টার দিকে জাকসু নির্বাচন অফিসে বসে কাজ করছিলেন তিনি। এসময় হঠাৎ পড়ে যান শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস। এ সময় সহকর্মীরা স্ট্রেচারে করে তিনতলা থেকে নিচ তলায় নামিয়ে আসেন। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে জরুরি চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যুর ঘটনায় আমরা পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ শোকাবহ। আমি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আপনাদের সবার কাছে অনুরোধ, ওনার (জান্নাতুল) জন্য দোয়া করবেন।সেই সাথে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন ওনার নিকট জন ও গুণগ্রাহীদের ধৈর্যধারণের শক্তি দান করেন। আমিন

07/09/2025

৮ম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থী নির্বাচনের যৌক্তিকতা: কেন অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা: বৃত্তি পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এবং উচ্চতর শিক্ষায় উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৭ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা ২০২২ সালের নতুন কারিকুলামের আলোকে যা পরীক্ষা ভিত্তিক নয়। তবে, আমরা মনে করি, ৮ম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থী নির্বাচনের জন্য অষ্টম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে মানদণ্ড হিসেবে নেওয়া সবচেয়ে বেশি যৌক্তিক এবং সঠিক।
৮ম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচনের পক্ষে যৌক্তিকতা
১. বর্তমান যোগ্যতার প্রতিফলন: বৃত্তি পরীক্ষাটি যেহেতু ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য, তাই তাদের বর্তমান মেধা এবং প্রস্তুতির মূল্যায়ন করা জরুরি। অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের সেই মুহূর্তে থাকা জ্ঞান, দক্ষতা এবং অর্জিত শিক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। ৭ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল এক বছর আগের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তৈরি হয়। এই সময়ের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর মেধা ও শিক্ষাগত মানের পরিবর্তন হতে পারে। তাই, বর্তমান প্রস্তুতির মূল্যায়ন করা অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক।
২. শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে উৎসাহ: অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হলে শিক্ষার্থীরা ৮ম শ্রেণির শুরু থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী হয়। তারা জানে যে, এই পরীক্ষার ফলাফলই তাদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হয় এবং তারা নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত হয়।
৩. সুষম ও ন্যায্য মূল্যায়ন: ৮ম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষাটি একটি নির্দিষ্ট সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়, যা সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে। ৭ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করলে, তা ২০২২ সালের নতুন কারিকুলামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নাও হতে পারে। তাছাড়া, নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা-নিরপেক্ষ মূল্যায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যেখানে লিখিত পরীক্ষা একটিমাত্র দিক। অন্যদিকে, অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা একটি সুষম ও ন্যায্য মূল্যায়ন নিশ্চিত করে।
৪. শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: অর্ধবার্ষিক পরীক্ষাটি শিক্ষার্থীদের তাদের বর্তমান দুর্বলতা এবং সক্ষমতা সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা দেয়। এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে যদি তাদের নির্বাচন করা হয়, তবে তারা বৃত্তি পরীক্ষার আগে তাদের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর ওপর কাজ করার সুযোগ পায়। এর ফলে তারা বৃত্তি পরীক্ষার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে।
সুপারিশ ও উপসংহার
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুধুমাত্র মেধার একটি প্রতিফলন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। ৭ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের পরিবর্তে ৮ম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হলে, এটি শিক্ষার্থীদের বর্তমান মেধা, প্রস্তুতি এবং যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন করবে। এটি একটি ন্যায্য, সুষম এবং যৌক্তিক পদ্ধতি, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়াবে এবং তাদের ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে। তাই, ৮ম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে মানদণ্ড হিসেবে নেওয়া উচিত।
৪০ % প্রাথিমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী বাছাই করা হয় অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে, এস. এস. সি পরীক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। অতএব, ৮ম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনায় নেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করছি।

প্রতিবেদক: মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক, পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পাবনা।

Want your school to be the top-listed School/college in Pabna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Haji Muhammad Mohshin Road
Pabna
6600