ইসলামি গল্প কথা

ইসলামি গল্প কথা আসসালামু আলাইকুম ইসলামি সম্পকে জানা অজানা তথ্য জানতে চাইলে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

রিজিক বৃদ্ধির জন্য পরিক্ষিত ২২ টি দোয়া,( নিজে আমল করুন এবং অন্যকে আমল করার সুযোগ করে দিন, এতে আপনিও  একটি সওয়াবের অংশীদ...
07/08/2026

রিজিক বৃদ্ধির জন্য পরিক্ষিত ২২ টি দোয়া,( নিজে আমল করুন এবং অন্যকে আমল করার সুযোগ করে দিন, এতে আপনিও একটি সওয়াবের অংশীদার হবেন ইনশাল্লাহ অন্য কেউও উপকৃত হবেন।

চোখের পানির শক্তিচোখের পানির অনেক শক্তি রয়েছে। আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম কে বলেন, 'হে ইবরাহীম! জাহান্নামের...
05/08/2026

চোখের পানির শক্তি

চোখের পানির অনেক শক্তি রয়েছে। আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম কে বলেন, 'হে ইবরাহীম! জাহান্নামের আগুনকে নেভানোর শক্তি কোনো পানির নেই, একটা পানি ছাড়া। তা হলো বান্দার চোখের পানি। এ পানি আমার জন্য দিলে জাহান্নামের আগুনও নিভে যায়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসে বলেছেন,
لَا يَلِجُ النَّارَ رَجُلٌ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ حَتَّى يَعُودَ اللَّبَنُ فِي الضَّرْعِ
যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। দুধ স্তনে ফিরে যাওয়া যেমন অসম্ভব, তেমনি তার জাহান্নামে প্রবেশ করাও অসম্ভব।

গুনাহের কারণে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। আর আল্লাহর অসন্তুষ্টির চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের নামই হল জাহান্নাম। আর সেই জাহান্নাম থেকে চোখের পানির উসিলায় যদি বেঁচে যেতে পারেন, এর অর্থ হলো আল্লাহ তাআলা আপনাকে হয় গুনাহটি থেকে বিশেষ রহমতে বাঁচিয়ে নিবেন কিংবা মউতের আগে হলেও এর থেকে তাওবার তাওফিক দিয়ে দিবেন।

-খুতুবাত

সিজদা হলো বান্দার জন্য আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মাধ্যম। এই অবস্থায় ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) পাঠ করার ফজিলত অত্...
05/08/2026

সিজদা হলো বান্দার জন্য আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মাধ্যম। এই অবস্থায় ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) পাঠ করার ফজিলত অত্যন্ত গভীর। নিচে হাদিসের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

​১//-আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ
​রাসূলুল্লাহ (সা.) সিজদাবস্থায় দুআ ও ইস্তিগফারের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে বলেছেন যে, এটিই আল্লাহর কাছে চাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়।

​হাদিস: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"বান্দা যখন সিজদারত থাকে, তখন সে তার রবের (প্রতিপালকের) সবচেয়ে কাছে থাকে। সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি দুআ করো।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৪৮২)

​২//-রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিজস্ব আমল—
​রাসূল (সা.) নিজে সিজদায় গিয়ে ব্যাপক ও গভীর অর্থবহ ইস্তিগফার পাঠ করতেন। তিনি ছোট-বড় সকল গুনাহ থেকে পানাহ চাইতেন।

​রাসূল (সা.)-এর সিজদাহর ইস্তিগফার:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ وَعَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ
(আল্লাহুম্মাগফিরলী জাম্বী কুল্লাহু, দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউয়ালাহু ওয়া আখিরাহু, ওয়া আলানিয়াতাহু ওয়া সিররাহু)

​অনুবাদ: "হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন—ছোট গুনাহ, বড় গুনাহ, পূর্বের গুনাহ, পরের গুনাহ, প্রকাশ্যে করা গুনাহ এবং গোপনে করা গুনাহ।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৪৮৩)

​৩//-দুআ কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়—
​ইস্তিগফার নিজেই একটি দুআ। সিজদায় দুআ করলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।

​সহিহ মুসলিমের অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে: রাসূল (সা.) বলেছেন, "সিজদায় তোমরা দুআ করার জন্য খুব বেশি চেষ্টা করো, কারণ সিজদাবস্থায় তোমাদের দুআ কবুল হওয়ার উপযোগী।"

​৪//-গুনাহ মোচনের মাধ্যম—
​সিজদাহ্ হচ্ছে বিনয়ের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। একজন মুমিন যখন ধুলোয় মাথা ঠেকিয়ে নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয় এবং ইস্তিগফার করে, তখন আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং গুনাহ মিটিয়ে দেন।

​হাদিস: "তুমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি সিজদাও করবে না এমন, যার বিনিময়ে আল্লাহ তোমার মর্যাদা এক ধাপ বাড়িয়ে দেবেন না এবং তোমার একটি গুনাহ ক্ষমা করবেন না।" (সহিহ মুসলিম)

​৫//-সিজদায় ইস্তিগফারের বিশেষ তাৎপর্য—
​সিজদাহ হলো মানুষের অহংকার বিসর্জন দেওয়ার চূড়ান্ত মুহূর্ত। শরীরের সবচেয়ে সম্মানিত অঙ্গ 'কপাল' যখন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, তখন মানুষের হৃদয় বিনয়ে পূর্ণ থাকে। এই বিনয়াবনত অবস্থায় যখন কেউ বলে "হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করো", তখন আল্লাহর রহমত দরিয়ায় জোয়ার আসে।

​কুরআন ও সুন্নাহর সমন্বয়:
​কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, "তুমি তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠ করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করো।" (সূরা আন-নাসর: ৩)। রাসূল (সা.) এই আয়াতের আমল সবচেয়ে বেশি সিজদাতেই করতেন।

​৬//-সিজদায় পড়ার জন্য আরও কিছু মাসনুন দোয়া—
​আপনি যদি সিজদায় ইস্তিগফার করতে চান, তবে সুন্নাহ সমর্থিত এই ছোট কিন্তু শক্তিশালী দোয়াগুলো পড়তে পারেন:

সহজ ও ছোট দোয়া:
​سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
(সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা, আল্লাহুম্মাগফিরলী)

অর্থ: "হে আমাদের রব আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি আপনার প্রশংসাসহ। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।" (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)

ফজিলত: মা আয়েশা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) রুকু ও সিজদায় এই দোয়াটি প্রচুর পরিমাণে পাঠ করতেন।

গুনাহ মাপের গভীর আবেদন:
​رَبِّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ
(রাব্বিগফিরলী মা আসরারতু ওয়া মা আ’লানতু)

অর্থ: "হে আমার রব! আমার গোপন ও প্রকাশ্য সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন।" (নাসায়ি)

​৭//-কেন সিজদাহ ইস্তিগফারের জন্য সেরা সময়?
​হাদিস বিশারদগণ সিজদায় ইস্তিগফারের তিনটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন:

◆পর্দা উঠে যায়: বান্দা ও আল্লাহর মাঝখানে সিজদাবস্থায় কোনো আড়াল থাকে না।

◆শয়তানের পরাজয়: মানুষ যখন সিজদা করে, তখন শয়তান দূরে গিয়ে কাঁদে এবং বলে, "আফসোস! আদম সন্তান সিজদার নির্দেশ পেয়ে সিজদা করল এবং জান্নাত লাভ করল, আর আমি আদেশ অমান্য করে জাহান্নামী হলাম।"এমতাবস্থায় ইস্তিগফার করলে তা দ্রুত কবুল হয়।

◆বিনয়ের পরাকাষ্ঠা: শরীরের নিম্নতম অবস্থানে থেকে মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা (সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা) করার পর ক্ষমা চাইলে আল্লাহ তা ফিরিয়ে দেন না।

​৮//-নফল নামাজে দীর্ঘ সিজদার ফজিলত—
​বিশেষ করে তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ বা নফল নামাজে দীর্ঘ সিজদাহ করে কান্নাকাটি করা এবং ইস্তিগফার করা পূর্ববর্তী নেককার বান্দাদের (সালাফে সালেহীন) নিয়মিত অভ্যাস ছিল। অনেক সাহাবী সিজদাবস্থায় এত বেশি ইস্তিগফার করতেন যে, আশপাশের মানুষ মনে করত তারা হয়তো দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন।

✅ ​কিছু জরুরি মাসয়ালা—
নফল বা সুন্নাত নামাজে: নফল ও তাহাজ্জুদ নামাজে সিজদাহ্ দীর্ঘ করে রাসূল (সা.)-এর শেখানো উপরের ইস্তিগফারটি পাঠ করা অনেক সওয়াব ও বরকতের কাজ।
#সায়্যিদুল_ইস্তিগফার_তথা_সবচেয়ে_উত্তম_তওবার_দোয়া #ইসলামিক

তওবা ও ইস্তিগফারের প্রধান ও সেরা দোয়াগুলো হলো সায়্যিদুল ইস্তিগফার। খাঁটি মনে ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হয়...
02/08/2026

তওবা ও ইস্তিগফারের প্রধান ও সেরা দোয়াগুলো হলো সায়্যিদুল ইস্তিগফার। খাঁটি মনে ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হয়।
#সায়্যিদুল_ইস্তিগফার_তথা_সবচেয়ে_উত্তম_তওবার_দোয়া
#আরবিঃ
▪️أَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ -

#উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আন্তা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু। আউজুবিকা মিন শার্রি মা সানাতু, আবূ লাকা বিনিআমতিকা আলাইয়া, ওয়া আবূ বিযাম্বী ফাগফিরলী, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয জুনুবা ইল্লা আন্তা।
#অর্থঃ হে আল্লাহ, তুমি আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ এবং আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমতো তোমার সাথে করা ওয়াদা ও প্রতিশ্রুতির ওপর আছি। আমি আমার সব খারাপ কাজের ক্ষতি থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমাকে যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। কারণ, তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।
👉 ছোট তওবা ও ইস্তিগফারের দোয়াঃ
``````````````````````````````````````````````
#আরবিঃ
▪️أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ القَيّوُمُ وَأَتُوبُ إِلَيهِ

#উচ্চারণঃ আসতাগফিরুল্লাহা ল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।

#অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া ইবাদতের আর কোনো যোগ্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী এবং আমি তাঁর কাছেই তওবা করছি।
👉 ইস্তিগফারের দোয়ার সংক্ষিপ্ত রূপঃ
``````````````````````````````````````````````
#আরবিঃ
▪️أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

#উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি ।
#অর্থঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসছি।
আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন

১ দিনে কিভাবে বেশি পরিমাণ দরুদে ইবরাহীম পড়া সহজ হতে পারে?শুরুতেই একটা কথা বলা দরকার— কেউ যদি বলে, “আমি একদিনে অনেকবার দর...
01/08/2026

১ দিনে কিভাবে বেশি পরিমাণ দরুদে ইবরাহীম পড়া সহজ হতে পারে?

শুরুতেই একটা কথা বলা দরকার— কেউ যদি বলে, “আমি একদিনে অনেকবার দরুদে ইবরাহীম পড়েছি”, তখন সেটাকে সাথে সাথে অসম্ভব ভেবে নেওয়া ঠিক না। কারণ কোনো বান্দা যখন একটি আমলের সাথে নিজেকে অভ্যস্ত করে ফেলে, তখন আল্লাহ তাআলা ধীরে ধীরে সেই আমল তার জন্য সহজ করে দেন।

জবান হালকা হয়ে যায়, সময়েও বারাকাহ আসে, আর যে আমল একসময় কঠিন লাগত, সেটাই পরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

তবে এর মানে এই না যে, যেকোনো সংখ্যাই বাস্তবতার বাইরে গিয়েও সহজে সম্ভব। ইসলাম আমাদের বাড়াবাড়ি বা অবাস্তব কথা বলতে শেখায় না। তাই কোনো আমলের ব্যাপারে কথা বলার সময় বাস্তবতা, সময় এবং নিজের সামর্থ্যের দিকটাও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

শুরুর দিকে বেশি দরুদ পড়া কষ্টকর মনে হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ধীরে ধীরে নিয়মিত পড়তে থাকলে আল্লাহ জবানকে সহজ করে দেন। একসময় এমন হয় যে, দরুদ নিজে থেকেই জবানে চলে আসে।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— আল্লাহ যখন কোনো বান্দার আমল কবুল করতে চান, তখন সময়েও বরকত দান করেন। অল্প সময়েও অনেক আমল করার তাওফীক পাওয়া যায়।

আমরা অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল স্ক্রল করতে পারি, গল্প করতে পারি বা অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় ব্যয় করতে পারি। অথচ যিকির বা দরুদের কথা এলেই “এত বেশি সম্ভব না” বলে ফেলি। অথচ একটু সচেতনভাবে সময় ব্যবহার করলেও অনেক বেশি দরুদ পড়া সম্ভব।

আমি এখানে ১০ হাজার দরুদকে উদাহরণ হিসেবে বলছি। এটা অবশ্যই সহজ কোনো বিষয় না, সবাই প্রতিদিন নাও পারতে পারেন। তবে আল্লাহর তাওফীক, অভ্যাস এবং ইস্তিকামাত থাকলে অনেক মানুষই নিয়মিত বড় টার্গেট পূরণ করতে সক্ষম হন।

✅ বেশি দরুদ পড়ার জন্য কিছু উপকারী উপায়!

🌿 একসাথে অনেক পড়ার চিন্তা না করে ভাগ করে নিন। যেমন— প্রতি ওয়াক্ত সালাতের পরে কিছু, বাকি সময় ফাঁকে ফাঁকে কিছু। এতে চাপ কম লাগবে।

🌿 খুব ধীরে বা অতিরিক্ত দ্রুত না পড়ে স্বাভাবিকভাবে পড়ুন। যেন উচ্চারণ ঠিক থাকে এবং ক্লান্তিও না আসে।

🌿 হাঁটার সময়, রান্নার সময় বা হালকা কাজের সময় জবানকে দরুদে ব্যস্ত রাখুন। এতে অল্প অল্প করেও অনেক পড়ে ফেলা যায়।

🌿 মোবাইলের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে সেই সময়টা দরুদের জন্য রাখুন। শুধু স্ক্রলিং কমালেও প্রতিদিন অনেক যিকির করা সম্ভব।

🌿 শুরুতেই বড় টার্গেট না নিয়ে ধীরে ধীরে জবানকে অভ্যস্ত করুন। কয়েকদিন নিয়মিত পড়লে আগের তুলনায় অনেক সহজ লাগবে।

🌿 চাইলে একদিন দরুদ, আরেকদিন ইস্তিগফারের টার্গেট রাখতে পারেন। এতে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

🌿 শুধু সংখ্যা পূরণের জন্য না পড়ে এই নিয়ত রাখুন— “আমি আমার প্রিয় নবী ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছি।” এই অনুভূতি আমলকে আরও সুন্দর করে তোলে।

🌿 ফজরের পর, আসরের পর এবং ঘুমানোর আগের সময় সাধারণত শান্ত থাকে। এই সময়গুলো কাজে লাগানো যেতে পারে।

🌿 কাউন্টার ব্যবহার করলে হিসাব রাখতে সুবিধা হয়। তবে শুধুমাত্র সংখ্যার পেছনে না ছুটে মনোযোগ ও সহীহ উচ্চারণের দিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।

🌿 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— আল্লাহর কাছে সহজ করে দেওয়ার জন্য দুআ করা। মানুষ নিজের শক্তিতে সব করতে পারে না; আল্লাহ তাওফীক দিলে কঠিন কাজও সহজ হয়ে যায়।

আল্লাহ আমাদের জবানকে দরুদে সজীব রাখুন, আমাদের জন্য নেক আমল সহজ করে দিন এবং প্রিয় নবী ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন। আমিন।🤲

ভাঙা হৃদয়ের নীরব হাসি... 🌿কখনো কখনো মানুষ এতটাই ভেঙে যায় যে কান্না করতেও ক্লান্ত লাগে।তখন সে হাসে—অভিনয় করে নয়, নিজের ভা...
01/08/2026

ভাঙা হৃদয়ের নীরব হাসি... 🌿

কখনো কখনো মানুষ এতটাই ভেঙে যায় যে কান্না করতেও ক্লান্ত লাগে।
তখন সে হাসে—অভিনয় করে নয়, নিজের ভাঙা হৃদয়টা আড়াল করার জন্য।

মানুষ দেখে শুধু মুখের হাসি,
কিন্তু আল্লাহ দেখেন বুকের গভীরে জমে থাকা প্রতিটি কষ্ট, প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস, প্রতিটি নীরব অশ্রু।

জীবনের সব যুদ্ধ মানুষের কাছে বলা যায় না।
কিছু যুদ্ধ শুধু সিজদায় বলা যায়, কিছু কান্না শুধু রাতের নির্জনতায় আল্লাহর কাছেই ঝরে।

তাই যদি আজ বুক ভরা কষ্ট নিয়েও হাসতে হয়, তবুও আশা হারিয়ো না।
কারণ অন্ধকার রাতের পর যেমন ভোর আসে, তেমনি আল্লাহর রহমতের পর দুঃখও একদিন শেষ হবে, ইনশাআল্লাহ।

"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।"
— সূরা আশ-শারহ (৯৪:৫–৬)

🤲 হে আল্লাহ, আমাদের অন্তরের সব কষ্ট দূর করে দিন, ধৈর্য দান করুন এবং আপনার রহমতে আমাদের হৃদয়কে প্রশান্তি দিন। আমীন।

প্রতিটি প্রাণ একদিন ফিরে যাবে…﴿كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ﴾মৃত্যু কোনো সম্ভাবনা নয়—এটি নিশ্চিত বাস্তবতা।মানুষ দুনি...
01/08/2026

প্রতিটি প্রাণ একদিন ফিরে যাবে…

﴿كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ﴾

মৃত্যু কোনো সম্ভাবনা নয়—এটি নিশ্চিত বাস্তবতা।

মানুষ দুনিয়ায় ঘর বানায়, সম্পদ জমায়, পরিকল্পনা করে, পরিচয় গড়ে তোলে। কিন্তু একটি মুহূর্ত আসে, যখন সবকিছু পেছনে রেখে একাই রবের সামনে উপস্থিত হতে হয়।

কুরআন স্মরণ করিয়ে দেয়—

﴿فَمَن زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ﴾

জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো—এটাই প্রকৃত সফলতা।

মৃত্যু ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল, শাসক-শাসিত—কাউকে ছাড় দেয় না।

﴿أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِككُّمُ الْمَوْتُ﴾

যেখানেই অবস্থান করা হোক, মৃত্যু ঠিকই এসে পৌঁছাবে।

সেদিন সম্পদ, পদমর্যাদা কিংবা অনুসারীর সংখ্যা কোনো উপকার করবে না।

﴿إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ﴾

উপকারে আসবে কেবল সেই হৃদয়, যা ঈমান, ইখলাস, তাকওয়া ও তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে বিশুদ্ধ হয়েছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«أَكْثِرُوا ذِكْرَ هَاذِمِ اللَّذَّاتِ»

মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করো; কারণ তা দুনিয়ার মোহ ভেঙে দেয় এবং আখিরাতের প্রস্তুতির কথা মনে করিয়ে দেয়।

দুনিয়া চিরস্থায়ী আবাস নয়; এটি কেবল পথচলার একটি সংক্ষিপ্ত পর্ব।

আজও সুযোগ আছে—
একটি আন্তরিক তাওবা,
একটি বিশুদ্ধ নিয়ত,
একটি গোপন সদকা,
একটি ক্ষমা,
একটি সিজদা,
একটি কুরআনের আয়াত,
একটি সত্য কথা—
হয়তো এগুলোর কোনো একটি আল্লাহর রহমতে নাজাতের কারণ হয়ে যাবে।

হে আল্লাহ!

اللَّهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ أَعْمَارِنَا آخِرَهَا، وَخَيْرَ أَعْمَالِنَا خَوَاتِمَهَا، وَخَيْرَ أَيَّامِنَا يَوْمَ نَلْقَاكَ، وَأَعِذْنَا مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ.

হে আল্লাহ! আমাদের জীবনের শেষ অংশকে সর্বোত্তম অংশ বানিয়ে দিন, শেষ আমলকে সর্বোত্তম আমল বানিয়ে দিন, আপনার সাক্ষাতের দিনকে আমাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন বানিয়ে দিন এবং কবর ও জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করুন।

آمين يا رب العالمين

Address

Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামি গল্প কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to ইসলামি গল্প কথা:

Shortcuts

Share