মানিকপুর পাঠক সমাবেশ

মানিকপুর পাঠক সমাবেশ

Share

It is a library for the people of Manikpur.

Photos from মানিকপুর পাঠক সমাবেশ's post 17/06/2022

আমরা একটু হতাশ৷ কার্যক্রম গুলোতে তেমন একটা গতি নেই তবে আমরা আশাবাদী। ছোটরা অনেক বেশী উৎসাহী এবং পরিশ্রমী!

19/07/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আগামী ২১ জুলাই ২০২১ তারিখ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মানিকপুর পাঠক সমাবেশ এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন ও ঈদ মোবারক ! ঈদ মোবারক ! ঈদ মোবারক!

21/02/2021

আজ "অমর একুশে ফেব্রুয়ারি" মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি!!
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস পর্যালোচনা ঃ-
১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়ে নতুন এক রাষ্ট্র পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়।পাকিস্তান দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান। তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক ছিল বাঙালী (পূর্ব পাকিস্তান) নামে পরিচিত ছিল। যারা মোট নাগরিকের প্রায় ৫৪%। তাদরে মুখের ভাষা এবং লিখার ভাষা ছিল বাংলা। পশ্চিম পাকিস্তান সবসময় দেশের শাসনকর্তা রূপে আবির্ভাব হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যা গরিষ্ঠতাকে সব সময় উপেক্ষা করে তাদেরকে অধিকার বঞ্চিত করে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় তারা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তারা বাংলাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে দেশের ডাকটিকিট, মুদ্রা, মানি-অর্ডার বা টাকা পাঠানোর ফর্ম, ট্রেনের টিকেট, পোস্টকার্ড - এগুলোতে শুধু উর্দু ও ইংরেজি ব্যবহার শুরু করে দিয়েছিল।কিন্তু পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবি এবং ছাত্র সমাজ বরাবরই তার বিরোধিতা করে আসছিলেন। পূর্ব বাংলার বিরোধিতাকে কর্ণপাত না করে ১৯৪৮ সালের ২১ শে মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বক্তৃতায় স্পষ্ট ভাষায় উর্দুকে এক মাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ঘোষণা করেন।উপস্থিত ছাত্র সমাজ ঐ মূহুর্তেই তার বিরোধিতা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৮) শুধুমাত্র উর্দুকে জাতীয় ভাষা হিসেবে ঘোষণার প্রতিবাদে বাঙালী ছাত্ররা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেন ।ছাত্ররা ঐদিন সকালে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বাহির করেন। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘনের জন্য পুলিশ মিছিলে গুলি চালায় এবং তাতে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউর সহ অনেক নাম না জানা ছাত্র এবং নানা পেশাজীবি লোক নিহত হন এবং অনেক ছাত্রকেই পুলিশ গ্রেফতার করে। হত্যাকাণ্ডের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সারা শহর জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।সে সময় বিভিন্ন শহরের দোকানপাট, অফিস ও গনপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ধর্মঘট শুরু হয়।পরবর্তীতে একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হতে থাকে । তার ফলাফল হিসাবে ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করেন এবং ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।ভাষার জন্য জীবন দেওয়া ভাষা শহিদগণদের স্মরণে ১৯৫২ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জাতীয় শহিদ দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছিল।১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দিবসটিকে সরকারি ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করা হয়। প্রতিবছর এই দিনে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী জাতীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সূচনা করেন। এর পর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, ও সর্বস্তরের জনগণ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং খালি পায়ে প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনাই জনগণের মধ্যে পরবর্তীকালে একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায়।আজকের এই মহান দিনে শহীদ আলতাফ মাহমুদের কথায় "মানিকপুর পঠক সমাবেশ" শ্রদ্ধাভরে ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে চায় " আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি!!!"
২১ শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিঃ-
পরবর্তীতে কানাডায় বসবাসরত দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালাম প্রাথমিক উদ্যোক্তা হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিলেন। ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে ২১ শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসঙ্ঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

Photos from মানিকপুর পাঠক সমাবেশ's post 18/07/2016

এ মুহূর্তে পাঠাগারের যে কাজ গুলো শুরু করেছি সেগুলো হল-চালের ১১ টি টিন পরিবর্তন,সামনের দেওয়ালের উচ্চতা ১.৫ ফুট বৃদ্ধি যাতে চালে পানি না জমে।, ফ্লোরের নেট ডালাই। পাঠাগারের পরিবেশ সুন্দর করার জন্য অারো কিছু কাজ বাকী অাছে। তাই সকলের সহযোগীতা কামানা করছি।

12/07/2016

পাঠাগারের চালের টিন পাল্টানোর জন্য সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে পাওয়া অনুদানের পরিমান ৬৩০০টাকা। বর্তমানে অামরা পাঠাগারের উন্নয়নের জন্য যে কাজ গুলো হাতে নিয়েছি তাহল :- চালের নয়টি টিন পাল্টানো,চাদের স্লোপ এক ফুট বৃদ্ধি করা যাতে চালে পানি না জমে। এছাড়া অারো যে কাজ গুলো বাকী তা হল বইয়ের তাকে গ্লাস লাগানো,ফ্লোরের কাজ, ঘরের ভেতর রং করা,জানালায় থাই গ্লাস লাগানো, বসার জন্য কিছু টূল টেবিল, এবং বই।
একাজ গুলো করার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই পাঠাগারের সকল সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অর্থ,বুদ্ধি এবং বই দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। এই কাজ গুলো সম্পন্ন করা গেলে পাঠাগারে বই পড়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হবে।

Photos 21/02/2016
14/05/2015

মানিকপুর পাঠক সমাবেস এর সকল সদস্যবৃন্দদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি আমাদের পাঠক সমাবেস এর মাসিক চাদা পরিশোধ করার জন্য বিশেষ ভাবে আহব্বান করা যাচ্ছে যারা দূরে আছেন বা বাহিরে আছেন তারা পাঠক ক্যাশিয়ারের বিকাশ নাম্বারে দিতে পারেন।বিকাশ নাম্বার ০১৭২৭৭৬১৪২৫)

25/12/2014

মানিকপুর পাঠক সমাবেশের উদ্যোগে বাংলা ব্যাকরণ এবং ইংলিশ স্পোকেনের ক্লাশ চলতেছে!

05/12/2014

যারা আমাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন তারা অন্য সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের পেজে লাইক দেয়ার ইনভাইট করার মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে জানান দেয়ার জন্য আহ্বান করছি ।

Want your school to be the top-listed School/college in Noakhali Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Manikpur, Chatkhil, Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
3874