10/04/2024
https://www.youtube.com/watch?v=rT1ZcwPOpH4&t=84s
Bangladesh Marine Academy, Sylhet BMAS activities
It's a boy's
high school located in the
Maijdee town. It's one of the
oldest school in the country. The school was established in
1850. Again, it was washed away.
Noakhali Zilla School has been a center of excellence for the students of Greater Noakhali districts for the last two centuries. Noakhali Zilla School is providing quality education for the students. It is one of the best ranked high schools in Noakhali. History
In 1850, Mr Jones, an officer from Ireland established the school privately in the old town of Noakhali district. After three years of i
10/04/2024
https://www.youtube.com/watch?v=rT1ZcwPOpH4&t=84s
Bangladesh Marine Academy, Sylhet BMAS activities
06/12/2023
Deadline: 5th January 2024
15/01/2023
Best of luck ❤️
31/05/2020
এস.এস.সি ২০২০
নোয়াখালী জিলা স্কুল
মোট পরীক্ষার্থী ৩১২ জন
মোট পাশের সংখ্যা ৩১১ জন
পাশের হার ৯৯.৬৮%
জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮৭ জন।
নোয়াখালী জিলা স্কুলের সকল এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের প্রাণঢালা অভিনন্দন তোমাদের ভালো ফলাফলের জন্য এবং নোয়াখালী জেলায় সর্বোপরি নিজেদের প্রথম স্থান অর্জন করার জন্য।
সবার আগামীর পথচলা আরোও সুন্দর হোক আলোকিত হোক।
সবাইকে ভালোবাসা♥।
02/02/2020
শুভকামনা ও দোয়া
নোয়াখালী জিলা স্কুল থেকে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য সকল এস এস সি পরীক্ষার্থী
প্রিয় ছোট ভাইদের জন্য
নোয়াখালী জিলা স্কুল প্রাক্তন ছাত্র ফোরামের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক সফলতার জন্য শুভকামনা ও দোয়া রইলো।
নোয়াখালী জিলা স্কুল প্রাক্তন ছাত্র ফোরাম - অতীতের ন্যায় তোমাদের পাশে থেকে পরবর্তীতে সবরকম সহযোগিতা করবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : জিলা স্কুল ছাত্রদের পরীক্ষা কেন্দ্র হরিনারায়নপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় - আসন বিন্যাস সহ যা কিনা এখানে সংযুক্ত করা হলো ।
শুভেচ্ছা সহ
নোয়াখালী জিলা স্কুল প্রাক্তন ছাত্র ফোরামের সকল সদস্যবৃন্দ।
03/01/2020
Warfaze is going to be the finale act of মিলনমেলা ২০২০, নোয়াখালী জিলা স্কুল প্রাক্তন ছাত্র ফোরাম।
"18- 01-2020"
Mark the Date, NZSians! ❤
31/12/2019
Noakhali Zilla School -Praner Spondon (Documentary of NZS) Script And Ideas by Ahamed Emon Directed by Shopnil karmokar Camera and Photography by Nizam Uddin Background Vocal by Hasan Sami Edited By Shopnil Karmokar
28/12/2019
বিকেএসপিতে পড়ার স্বপ্ন যাদের
দুই দশক আগেও বাংলাদেশে হয়তো পেশাদার ক্রীড়াবিদ হওয়ার কথা লোকে ভাবত না। এখন ভাবে। ভালো খেলতে পারলে অর্থকড়ির সঙ্গে মেলে যশ-খ্যাতি! অভিভাবকেরাও চান, সন্তান খেলোয়াড় হোক। কিন্তু সে জন্য চাই খেলোয়াড় তৈরির উপযোগী উন্নত অবকাঠামো, সুন্দর পরিবেশ ও সঠিক গাইডলাইন।
এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। যে প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে এসে বিশ্ব ক্রিকেট মাতাচ্ছেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমদের মতো ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ও বর্তমানে জাতীয় সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়ও ছিলেন বিকেএসপির ছাত্র।
শুধু ক্রিকেট নয়, সব খেলাতেই আছে খেলোয়াড় তৈরির কারখানার ছাত্রছাত্রীদের প্রাধান্য। ফুটবলে উঠে এসেছেন মাসুদ রানা, হাসান আল মামুন, ফিরোজ মাহমুদ, মামুনুল ইসলামের মতো তারকারা; যাঁরা দীর্ঘ সময় দেশের ফুটবলে পতাকা বহন করেছেন। হকিতে আছেন মামুনুর রশিদ, রাসেল মাহমুদরা। এ ছাড়া একক খেলাগুলোতে তৈরি হয়েছেন শুটার আসিফ হোসেন, আবদুল্লাহ হেল বাকি, সাঁতারু মাহফুজার আক্তার শিলার মতো তারকারা।
শুধু পড়ালেখা নয়, শৃঙ্খলার শিক্ষাও দেয় বিকেএসপি। ছবি: স্বপ্ন নিয়েশুধু পড়ালেখা নয়, শৃঙ্খলার শিক্ষাও দেয় বিকেএসপি। ছবি: স্বপ্ন নিয়েদুই দশক আগেও বাংলাদেশে হয়তো পেশাদার ক্রীড়াবিদ হওয়ার কথা লোকে ভাবত না। এখন ভাবে। ভালো খেলতে পারলে অর্থকড়ির সঙ্গে মেলে যশ-খ্যাতি! অভিভাবকেরাও চান, সন্তান খেলোয়াড় হোক। কিন্তু সে জন্য চাই খেলোয়াড় তৈরির উপযোগী উন্নত অবকাঠামো, সুন্দর পরিবেশ ও সঠিক গাইডলাইন।
এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। যে প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে এসে বিশ্ব ক্রিকেট মাতাচ্ছেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমদের মতো ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ও বর্তমানে জাতীয় সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়ও ছিলেন বিকেএসপির ছাত্র।
শুধু ক্রিকেট নয়, সব খেলাতেই আছে খেলোয়াড় তৈরির কারখানার ছাত্রছাত্রীদের প্রাধান্য। ফুটবলে উঠে এসেছেন মাসুদ রানা, হাসান আল মামুন, ফিরোজ মাহমুদ, মামুনুল ইসলামের মতো তারকারা; যাঁরা দীর্ঘ সময় দেশের ফুটবলে পতাকা বহন করেছেন। হকিতে আছেন মামুনুর রশিদ, রাসেল মাহমুদরা। এ ছাড়া একক খেলাগুলোতে তৈরি হয়েছেন শুটার আসিফ হোসেন, আবদুল্লাহ হেল বাকি, সাঁতারু মাহফুজার আক্তার শিলার মতো তারকারা।
বিকেএসপি শুধু খেলোয়াড় তৈরির কারখানা হিসেবে পরিচিত পেলেও এর ব্যাপ্তি এখন অনেক বড়। কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে বেড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির ছাত্র-ছাত্রীরা সামরিক বাহিনীতেও নিজেদের যোগ্যতার ছাপ রাখছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা, আধুনিক কোচ, বৈমানিক, মনোবিদসহ অন্যান্য সম্মানজনক পেশাতেও বিচরণ করছে বিকেএসপির ক্যাডেটরা।
বিশেষ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসার পদে কীভাবে আরও বেশিসংখ্যক ক্যাডেট যোগ দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যে নতুন কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান প্রশাসন।
আছে যেসব খেলার সুযোগ
ক্রিকেট, ফুটবল, অ্যাথলেটিকস, আর্চারি, সাঁতার, কারাতে, বক্সিং, জুডো, উশু, জিমন্যাস্টিকস, বাস্কেটবল, টেনিস, হকি, ভলিবল, তায়কোয়ান্দো, শুটিং ও টেবিল টেনিস—এই ১৭টি খেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে বিকেএসপিতে।
ভর্তি পরীক্ষায় সময়
৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে দেশব্যাপী বাছাইপ্রক্রিয়া। প্রথমবারের মতো বাছাইপ্রক্রিয়ায় এসেছে নতুনত্ব। এত দিন ঢাকার মূল শাখায় উপস্থিত থেকে পরীক্ষা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ভর্তি-ইচ্ছুকদের সুবিধার কথা ভেবে এবারই প্রথম আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র দিনাজপুর, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামে প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া একজন ভর্তি-ইচ্ছুক পরীক্ষার্থী এবার একাধিক খেলার ওপর পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। বাছাইপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানা যাবে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে: bksp.gov.bd
ভর্তির নিয়মকানুন
সাধারণত চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। অনূর্ধ্ব-১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে কয়েকটি বিষয়ে আছে শিথিলতা। ক্রিকেটে পেস বোলারদের ক্ষেত্রে বয়স, অ্যাথলেটিকসে প্রতিভাবানদের ক্ষেত্রে নবম শ্রেণি ও আর্চারিতে মেয়েদের ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
বিকেএসপির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নির্দিষ্ট দিনে প্রশিক্ষণার্থীদের ভর্তি বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ে সাধারণত স্বাস্থ্য ও বয়স দেখা হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে দেখা হয় শারীরিক সক্ষমতা। তৃতীয় পর্বে শিক্ষার্থীকে মাঠে পাঠানো হয়। সেখানে আবেদন অনুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণদের পরবর্তী সময় সাত দিনের বাছাই ক্যাম্পে ডাকা হয়। সপ্তাহব্যাপী সকাল-বিকেল অনুশীলনের পর নেওয়া হয় লিখিত পরীক্ষা। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় খেলা ৭০, লিখিত পরীক্ষায় (বাংলা, ইংরেজি ও গণিত) ২০ ও ক্রীড়াবিজ্ঞানে ১০।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা (প্রথম ধাপ)
প্রথমেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসকেরা নির্ধারণ করে থাকেন আবেদনকারীর বয়স, উচ্চতা, ওজন ও শারীরিক কোনো ত্রুটি আছে কি না। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ‘ইয়েস’ কার্ড পেলেই আবেদনকারী নিজ নিজ খেলার মাঠে গিয়ে শারীরিক সক্ষমতা ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। অর্থাৎ যে ক্রিকেটে আবেদন করেছে, সে যাবে ক্রিকেট মাঠে। যে ফুটবলে, সে যাবে ফুটবল মাঠে।
শারীরিক সক্ষমতা (দ্বিতীয় ধাপ)
আবেদন অনুযায়ী নিজ নিজ মাঠেই হয়ে থাকে শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা। সাধারণত দেখা হয় স্পিড (গতি), স্ট্রেংথ (শক্তি), অ্যান্ডুরেন্স (দম), এজিলিটি (ক্ষিপ্রতা), ব্যালান্স (ভারসাম্য), ফ্লেক্সিবিলিটি (নমনীয়তা)।
ব্যবহারিক পরীক্ষা (তৃতীয় ধাপ)
সাত দিনব্যাপী দ্বিতীয় দফায় চূড়ান্ত লড়াইয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য ব্যবহারিক পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনকারীদের খেলা অনুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। যেমন ক্রিকেটে ভর্তি-ইচ্ছুকদের জন্য ব্যাটিং-বোলিং ড্রিল ও ফুটবলারদের জন্য স্কিল-গেম।
প্রাথমিক বাছাইয়ের জন্য এই তিনটি ধাপই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এক দিনে। এখান থেকে বাছাই করে নেওয়া হয় সাত দিনব্যাপী বাছাই পরীক্ষায়।
সাত দিনব্যাপী বাছাইপর্ব
সপ্তাহব্যাপী বাছাইপর্বের ধাপটি পুরোপুরি আবাসিকভাবে পরিচালনা করা হয়। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বিকেএসপির নিজস্ব হোস্টেলে রেখে আয়োজন করা হয় চূড়ান্ত নির্বাচনী পরীক্ষা। সপ্তাহব্যাপী সকাল-বিকেল অনুশীলনে তাদের মেধা ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গে লক্ষ করা হয় আবেদনকারীর আচার-আচরণ।
সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হতে চাইলে তার জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির সিলেবাসে পরীক্ষা হবে। আবার যে প্রতিযোগী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তার জন্য পঞ্চম শ্রেণির সিলেবাস।
নিয়মকানুন তো সব জানাই হলো। তাহলে এবার ছেলে বা মেয়েকে দাঁড় করিয়ে দিন পরীক্ষার লাইনে—যদি ইচ্ছে থাকে ছেলে বা মেয়েটিকে মুশফিক, আসিফ, এমিলি বা শিলার মতো তারকা হিসেবে দেখার।
10/12/2019
নোয়াখালী জিলা স্কুল
বাংলাদেশের নোয়াখালীর জেলার মাইজদী শহরে অবস্থিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।বিদ্যালয়টি পুরাতন নোয়াখালী শহরে ১৮৫০ সালে জনাব জোনস, আয়ারল্যান্ডের একজন বিটিশ কর্মকর্তা, বেসরকারি ভাবে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে প্রায় তিন বছর পর একটি হাই স্কুল (আরকে হাই স্কুল) রুপে সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে । ১৯২০ সালে বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়, ফলে ১৯২১ সালে মহববতপুর গ্রামের পূর্ব প্রান্তে মন্তিয়ার ঘোনায় বিদ্যালয়টিকে স্থানান্তরিত হয়। বিদ্যালয়টি আবারো নদী ভাঙ্গনের শিকার হলে ১৯২৩ সালের ১ জানুয়ারি আর.কে জুবিলী বিদ্যালয়ে এটিকে স্থানান্তর করা হয় ও বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় আর.কে জিলা স্কুল। ১৯৩১ সালে বিদ্যালয়টি আবার নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে, ফলে বিদ্যালয়কে আহম্মদিয়া মাদ্রাসায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এটির প্রভাতী শাখা চালু হয়। বিদ্যালয়টি আবারও নদী ভাঙ্গনে পড়লে বঙ্গ বিদ্যালয়ে ও ১৯৪৮ সালে তা বঙ্গবিদ্যালয় থেকে কারামতিয়া মাদ্রাসায় আনা হয়। ১৯৫৩ সালে কারামতিয়া মাদ্রাসা থেকে এটি বর্তমান মাইজদী সদরে প্রধান সড়কের পাশে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫৮ ও ১৯৭০ সালে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়, পরে এটিকে পুনঃনির্মাণ করা হয়।
অবকাঠামোঃ
বিদ্যালয়টি ৮ একর ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে এখানে ৩টি বড় ভবন, ছাত্রদের জন্য ২ টি আবাসিক হোস্টেল রয়েছে। বিদ্যালয়ের আঙিনায় একটি বড় মাঠ রয়েছে। বিদ্যালয়ে বড় মিলনায়তন, ক্যান্টিন, শাহীদ মিনার, আধুনিক গ্রন্থাগার রয়েছে। বিদ্যালয়ে সমৃদ্ধ বিজ্ঞান গবেষণাগার রয়েছে। এছাড়াও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সকালে সমাবেশ, বার্ষিক ক্রীড়া এবং গেমস, বার্ষিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
| Monday | 07:00 - 16:40 |
| Tuesday | 07:00 - 16:40 |
| Wednesday | 07:00 - 16:40 |
| Thursday | 07:00 - 14:00 |
| Saturday | 07:00 - 16:40 |
| Sunday | 07:00 - 16:40 |