23/10/2025
সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে।
কুরআন অবমাননা,
মুসলিম নারীদের ওপর সংঘবদ্ধ সহিংসতা,
উগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় খতীব অপহরণ, পুলিশের ভিকটিম-ব্লেইমিং।
একের পর এক অপরাধ ঘটছে, কিন্তু কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষের কারণে রাষ্ট্র নীরব। মিডিয়ায় চলছে ব্ল্যাকআউট।
এই নীরবতা চলতে পারে না।আমাদের বিশ্বাস, পরিচয় এবং সম্মানিত নারীদের ওপর এ ধরনের আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না।
আসুন,
আগামীকাল এই অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে গোটা সমাজের অবস্থান স্পষ্ট করি।
ওদের জানিয়ে দিই — এই অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না ও আমাদের চুপ করানো যাবে না।
রাষ্ট্র যদি অপরাধের সুষ্ঠু বিচার না করে, তাহলে জনগণই রাষ্ট্রকে জবাবদিহিতার আওতায় আনবে।
আগামীকাল বাদ জুমা, নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে শুরু হবে বিক্ষোভ সমাবেশ (ইন শা আল্লাহ)
মুসলিম নোয়াখালীর সর্বস্তরের তাওহীদি জনতার দলে দলে উপস্থিতি আশা করছি!
(পোস্টটি আপনার ফেসবুক আইডি বা বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন)
17/07/2025
ইসলামপ্রিয় নাগরিকদের মিথ্যা জ'ঙ্গি ম|মল|য় ফ|সিয়ে মানহ|নি ও নির|পত্তা-ঝুঁকি তৈরির প্রতিবাদে এবং জনপরিসরে ইসলামের অবস্থান সংকুচিত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।
তারিখ: ১৮ জুলাই, ২০২৫ (শুক্রবার)
সময়: বাদ জুমা
স্থান: নোয়াখালী জেলা মডেল মসজিদ।
নোয়াখালীর সর্বস্তরের ইসলামপ্রিয় ছাত্র, যুবক, আলেমগণ সবান্ধব উপস্থিত থাকবেন ইন শা আল্লাহ
03/06/2025
"ভাগা কুরবানী বা কুরবানীর অংশীদার গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
হারাম উপার্জনকারীর ব্যাপারে তো সতর্কতা অবলম্বন করেন। এর চেয়ে আরো জরুরী হলো, প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার কিনা যাচাই করে দেখা।
সেকুলার ও গণতন্ত্রপন্থী তথা ধর্মহীন রাজনীতিতে বিশ্বাসী কিংবা রাজনীতিতে শরিয়া আইনের বিরোধী, ফেমিনিজম তথা নাদেরা ইয়াসমিনদের মতো নারীবাদে বিশ্বাসী কিনা ভালো করে খবর নিয়ে দেখবেন।
কারণ, এমন ব্যক্তির সাথে কুরবানী করলে আদায় হবে না।"
— মুফতি সাঈদ আহমদ হাফি
সোর্স: ফেসবুক পোষ্ট, ০৩ জুন ২০২৫
20/05/2025
বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম সম্ভাবনাময় শক্তি। জাগতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ এই মেধাবী তরুণরা যদি ইসলামের মৌলিক জ্ঞান ও দাওয়াহর কলাকৌশলে দক্ষ হয়ে ওঠেন, তাহলে তারাই হতে পারেন উম্মাহর ভবিষ্যৎ দিশারী।
আমরা লক্ষ্য করেছি—জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত বহু তরুণ দাওয়াতের মাঠে কাজ করতে দারুণভাবে আগ্রহী। কিন্তু উপযুক্ত শিক্ষা, সঠিক দিক-নির্দেশনা এবং যথাযথ পরিচর্যার অভাবে তাদের মেধা ও আগ্রহে দিনকে দিন মরিচা পড়ে যাচ্ছে।
কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, কাজের ক্ষুধা নিয়ে অপেক্ষমান এই তারুণ্যকে যদি উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে মুখলিস ও প্রজ্ঞাবান দাঈ হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে তাদের হাত ধরে এক নীরব বিপ্লব সাধিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
আর এ লক্ষ্যেই, জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিতদের নিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নতুন আয়োজন ‘সার্টিফিকেট কোর্স অন ইসলামিক দাওয়াহ’।
৮ মাস মেয়াদী এই দাওয়াহ কোর্সের পাঠদানের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন দেশবরেণ্য আলেম, প্রাজ্ঞ দাঈ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং নির্দিষ্ট বিষয়ের দক্ষ প্রশিক্ষকবৃন্দ।
📅 ভর্তি পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ :
📍 স্থান : আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, আলীনগর, সাতারকুল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২
আবেদনের শেষ তারিখ : ১২ জুন ২০২৫
লিখিত পরীক্ষা : ১৪ জুন ২০২৫
লিখিত পরীক্ষার ফলাফল : ১৭ জুন ২০২৫
ভাইভা পরীক্ষা : ২১ জুন ২০২৫
চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা : ২৩ জুন ২০২৫
📝 পরীক্ষার বিষয়সমূহ:
বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান
✅ আবেদনের যোগ্যতা :
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে কোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস, বিএসসি এবং স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা।
সিজিপিএ: ন্যূনতম ৩.০
বয়স: সর্বোচ্চ ২৮ বছর
ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া
ক্লাস কার্যক্রম : ক্যাম্পাসে উপস্থিতি ৩০ জুন, সোমবার
ক্লাস শুরু : ১ জুলাই, মঙ্গলবার (সকাল-১০:০০)
ক্লাস শেষ : ১০ মার্চ, ২০২৬ ইং.
✅ সুবিধাসমূহ :
1. যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম, প্রাজ্ঞ ও মুখলিস দাঈ ইলাল্লাহ গড়ে তোলার ব্যবস্থা
2. প্রশিক্ষণার্থীদের পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত মাসিক শিক্ষাভাতা
3. ৮ মাসের কোর্স শেষে সফলভাবে উত্তীর্ণদের জন্য রয়েছে দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজে দীর্ঘমেয়াদি অধ্যয়নের সুযোগ
4. প্রাজ্ঞ ও বিদগ্ধ স্কলারদের সাথে ফিল্ডওয়ার্ক এবং গবেষণার সুযোগ
5. নিজস্ব পাঠাগার এবং অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব সুবিধা
6. প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য থাকা ও খাবার ব্যবস্থা
7. কোর্স সমাপনকারীদের জন্য রয়েছে সনদপত্র
8. প্রতিভাবানদের জন্য থাকবে দেশে-বিদেশে উচ্চশিক্ষার যাবতীয় ব্যবস্থা
✅ কোর্সের বিবরণ :
ক. কোর্সের ধরন: আবাসিক/অনাবাসিক
খ. কোর্সের মেয়াদ: ৮ মাস (উত্তীর্ণদের জন্য ডিপ্লোমায় ভর্তির সুযোগ থাকবে)
গ. ক্যাটাগরি: শুধুমাত্র পুরুষ
✅ কোর্সের বৈশিষ্ট্য :
১. কোর্সটি শায়খ আহমাদুল্লাহর সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে
২. পাঠদান করবেন দেশবরেণ্য আলেম, দায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকগন
৩. ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্লাস
৪. গ্রুপ ভিত্তিক ডিসকাশন
৫. ক্লাস শিট ও রিডিং ম্যাটেরিয়ালস প্রদান
৬. শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে শেখার সুযোগ
৭. ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন
🔗 আবেদন করুন :
ভর্তির আবেদন করতে লিংকে ক্লিক করুন অথবা ছবিতে থাকা কিউআর কোডটি স্ক্যান করুন
https://forms.gle/mzTRgWApRLVKshL86
☎️ সার্বিক যোগাযোগ :
মোবাইল: +880 1958-277668
ঠিকানা: আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট
আলী নগর গেট, সাতারকুল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২
নিয়মিত আপডেট পেতে চোখ রাখুন Post Graduate Diploma in Islamic Dawah পেজে।
17/02/2025
দ্বীনি ভাইদের সুন্দর এক মিলন মেলা হোক। দলবল নিয়ে চলে আসুন সবাই।
16/02/2025
যদি জানতেন এটা আপনার জীবনের শেষ রমাদান, তাহলে কেমন কাটাতেন?
29/01/2025
বর্তমান মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় সংকটের জায়গাটাকে যদি একবাক্যে প্রকাশ করতে হয় তবে বলতে হবে বুদ্ধি ও মনস্তাত্ত্বিক সংকট। বিগত কয়েক প্রজন্মসহ বর্তমান মুসলিম প্রজন্মের মনস্তত্ত্বকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে অচল করে দেওয়া হয়েছে। তাদের মুসলিম জাতিসত্তা ও দীনি ফিতরাত নষ্ট হয়ে গেছে পশ্চিমা ও অন্যান্য জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক আঘাতে। ফলে আজ রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার সর্বত্র দীনহীনতার সয়লাব।
এছাড়া যুগে যুগে ছড়িয়ে পড়েছে নানা ফিতনা। ফিতনা তার রুপ পাল্টিয়ে ক্রমশ দ্বীন হারা করছে মুসলিম উম্মাহ কে।
তার প্রেক্ষিতে নোয়াখালী দাওয়াহ সার্কেল এর আয়োজনে
"দাওয়াহ সেমিনার"
সমসাময়িক ফিতনা, বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন
সংকট ও সমাধান
সার্বিক সহযোগিতায়:
Lakshmipur Dawah Circle
Muslim Youth Noakhali
23/01/2025
গান! গান আমরা সবাই কম-বেশি শুনেছি বা শুনে থাকি। মুসলিম থেকে অমুসলিম, যুবক থেকে বৃদ্ধ সবাই গানের নেশায় বুদ হয়ে থাকে৷
পছন্দের গান রাস্তায়, বিয়ে বাড়িতে বাজলেই মনের গহীন কোণে নিজেরও নাচতে মনে চায় কিন্তু সামাজিকতার ভয়ে আর নাচা হয়ে উঠে না৷
কিন্ত মুসলিম হিসেবে কি গান শুনা শোভা দেয়? ভালো দেখায়? আমাদের মধ্যে সবাই কম-বেশি জানে গান শোনা হারাম,এটি আল্লাহ অপছন্দ করেন তাও নফসের ধোঁকায় কিংবা শয়তানের ওয়াসওয়াসা তে শোনা হয়ে যায়৷ পরে অনুতপ্ত হয়, খারাপ লাগে কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে যায়;যেহেতু মানুষ অভ্যাসের দাস৷ গান ছাড়তে চাইলেও ছাড়তে পারে না। আসলেই ছাড়া সম্ভব না?
সম্ভব! শুধু নিজে চাইলেই সম্ভব। আর ক-দিন পর রমাদান চলে আসবে, ১ মাসের কিছু বেশি আছে। রজব মাস শুরু হয়ে গেছে। এ মাসকে বলা হয় রমাদানের প্রস্তুতির মাস৷
আমাদেরও তো প্রস্তুতি নিতে হবে, তাই না! অনেকেই আছে যে রোজার মাসে রোজা রাখছে, সাথে গান ও শুনছে, মুভিও দেখছে৷ পুরো দিন এভাবেই কাটিয়ে দিচ্ছে৷ রোজার আসল মাকসাত আর পূর্ণ হচ্ছে না৷ তাহলে করণীয় কি? কীভাবে গানের জগৎ থেকে নিজেকে মুক্ত করবো রমাদান আসার পূর্বেই?
কিছু স্টেপ আমরা ফলো করতে পারি........
১। প্রথম ও প্রধান কাজ হলো নিয়ত করা৷ আগামীকাল না, আজকেই,এখনই নিয়ত করি যে;আমি আল্লাহর জন্য গান শোনা বন্ধ করে দিবো।
২। কিন্তু বাস্তবতা হলো আজকে নিয়ত করলেন,আজকেই গান শোনা একেবারে বন্ধ করতে পারা সম্ভবপর হয়ে উঠে না। তো কি করা যায়?
মনে করি আমার প্লেলিস্টে আছে ৬০ টা গান। এর মধ্যে হয়তোবা ৩০ টা গান প্রতিনিয়ত শুনা হয়। আর বাকিগুলো হয় ভালো লাগে না বা পুরনো দেখে এখন আর শোনা হয় না৷ তো ওই ৩০ টার মধ্যে যেগুলো অনেক অনেক আগে শোনা হয়েছে ওইগুলা ডিলিট করে দেয়া, আশা করি এতে খুব একটা কষ্ট হবে না৷ এখন আমার কাছে মনে হতে পারে,'আরে প্লেলিস্ট তো ফাঁকা হয়ে গেল,কেমন কেমন জানি দেখাচ্ছে '। তাহলে
৩। " Replacement" টেকনিক টা ফলো করতে পারি৷ এটা আবার কি? যে গান গুলো ডিলিট করেছেন, সেগুলোর বদলে কিছু আনা। কি আনা? কুরআন তিলওয়াত, নাশিদ ( অবশ্যই মিউজিকের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে)। গান এর পাশাপাশি তিলওয়াত ও শোনা হলো।
৪। ১০-১২ দিন কেটে গেল৷ যে গানগুলো ভালো লাগতো সেগুলোও এখন বেশি শোনা হয় না৷ এই সুযোগে আস্তে আস্তে করে একটা একটা গান ডিলিট করে দেয়া। হ্যাঁ, অনেক খারাপ লাগবে কিন্তু বিশ্বাস করেন ভাই ডিলিট করার পর অন্যরকম প্রশান্তি পাওয়া যাবে৷
৫। হাতে রইলো টপ পছন্দের ১০ টা গান,যেগুলো না শুনলে দিন ভালোই লাগে না৷ কিন্তু আমি তো দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রমাদানের আগে গান শোনা বন্ধ করে দিবো৷
এবার আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে এক ঝটকায় সব গান ডিলিট করে দিন। এর পর সাথে সাথে অজু করে জায়জানাম বিছিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন যে,
' ইয়া আল্লাহ, আমি আমার নফসের দাস ছিলাম, শয়তানের কথামতো গান শুনতাম কিন্তু আমার ভুল হয়ে গেছে:আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমি তওবা করছি আর জীবনেও গান শুনবো না, গানের ধারের কাছে যাবো না,আমাকে মাফ করে দিন ও কবুল করে নিন'।
কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে এভাবে আকুতি-মিনতি করলে আল্লাহ কি তার ডাক শুনবে না? অবশ্যই শুনবে। আল্লাহ গাফফার, রহিম,রহমান।
৬। নিজেকে ব্যস্ত রাখা, কাজের মধ্যে রাখা। ফ্রি থাকলেই শয়তান জেকে বসবে৷
৭। গানের পরিবেশ ত্যাগ করা। যেমন: ফেসবুকে গানের পেজ ফলো দিয়ে রেখেছিলেন,সেগুলো থেকে লিভ নেয়া। এমন বন্ধুবান্ধব যারা গানের অভ্যস্ত এবং আপনি তার সাথে থাকলে সমূহ সম্ভাবনা আছে আবার ফিরে যাবে সেই পাপের পথে; তাহলে তাকে এড়িয়ে চলা। যেসব ফ্রেন্ড গান জাতীয় কিছু শেয়ার করে, তাদেরকে আনফোলো করা। যত যাই হোক, আপনার কাছে আল্লাহর ভালোবাসাই মূখ্য, আল্লাহর হেদায়েতই দামী।
আশা করা যায়, এই স্টেপ গুলো ফলো করলে রমাদানের আগেই গান থেকে নিজেকে সম্পুর্ন মুক্ত করতে পারবেন।
আর যখনই গান থেকে নিজেকে ফারেগ করে ফেলবেন, দেখবেন অন্যরকম এক ঈমানী শক্তি পাবেন, নামাজে মজা, ইসলামের প্রতিটি বিধান ভালো লাগতে শুরু করবে। আপনি গান শুনা ছেড়ে দেন বিশ্বাস করেন অনেক অনেক গুনাহ থেকে নিজেকে হেফাজত করতে পারবেন। শুরু করুন এক নতুন জীবনের সূচনা, নতুন রমাদানকে বরন করে নিন৷ আর আপনি তো তওবা করেছেন, তওবা কারী সম্পর্কে মহা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কি বলেছেন শুনবেন না?
, " নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা তাঁর কাছে তওবাহ করে এবং তাদেরকেও ভালোবাসেন যারা নিজেদেরকে পবিত্র করে"। [০২:২২২]
রাসুল পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদিস দিয়ে শেষ করছি, আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ মাত্রই গুনাহগার (অপরাধী)। আর গুনাহগারদের মধ্যে তাওবাহকারীরাই উত্তম।( তিরমিজিঃ ২৪৯৯)।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সবাইকে গানের জগৎ থেকে বেড়িয়ে এসে নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করার তাওফিক দান করুক, আমিন!!
— Hasan Mohammad Mehedi
31/12/2024
একজন নেককার বিবি আর চক্ষু শীতলকারী একজন কন্যাসন্তান আপনার জীবনের গতি অনেকটাই বাড়িয়ে দিবে। সব দুঃখ-কষ্ট ছাপিয়ে তারা আপনার জীবনকে আনন্দে ভরপুর করে তুলবে।
ইয়া শাবাব! কোন জিনিস তোমাদেরকে বিয়ে থেকে পিছিয়ে রাখল? যৌবনে বিয়ের চেয়ে বড় নেয়ামত আর কী হতে পারে!
— কথা~ তানজিল আরেফিন আদনান হাফিঃ
02/12/2024
যখন হিজাব করতাম না, গলায় কিংবা একপাশে ওড়না নেওয়া খুব স্বাভাবিক মনে হতো। কতো মেয়েরা তো ওড়নাই নেয় না! আর অতো বেশি ওড়না নিলে নতুন কেনা সুন্দর জামাটার কারুকার্য দেখা যাবে কিভাবে?
এরপর আল্লাহ তা'আলা বোধ দিলেন। নারীদেহের একেকটা অঙ্গ পুরুষের সামনে বের হওয়াটা কত লজ্জার, সেই জ্ঞান দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ্! বুঝলাম, বুঝ থাকা আর না থাকায় কত তফাৎ! এখন সোশ্যাল মিডিয়াতেও যখন বেপর্দা মেয়েদের লাফঝাঁপ দেখি, আমার লজ্জা লাগে।
লজ্জাও একটা নিয়ামত। লজ্জা একবার হারালে, সব করা যায়। তখন সব খারাপ জিনিস সৌন্দর্য আর শিল্পের নামে স্বাভাবিক মনে হয়।
29/11/2024
প্রশ্ন: মাওলানা! অধিকাংশ লোকের ধারণা, জামায়াতে ইসলামী তার আদর্শ প্রচারের জন্য গণমুখী পদ্ধতিতে কাজ করছে না। আমাদের উচিত জনগণের ইচ্ছা ও প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করে এমন কর্মপন্থা অবলম্বন করা, যা যুগের সাথে খাপ খাবে এবং জনগণের মধ্যে আবেদন সৃষ্টি করবে।
জবাব : জামায়াতে ইসলামী তার প্রতিষ্ঠার দিন যে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছিলো আমরা কখনো তা থেকে বিন্দুমাত্র সরে পড়ি নি। কারণ, এই কর্মপন্থা আমরা ইসলামের শিক্ষার আলোকে প্রণয়ন করেছি। আমাদের সম্মুখে ছিলো সেই মনযিল, ইসলামী বিধান অনুযায়ী যা একটি খাঁটি ইসলামী দলের মনযিল হওয়া উচিত। এ কাজের জন্য আমরা সেই পথই নির্বাচন করেছি যা কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটি ইসলামী দলের পথ হওয়া উচিত।
আমাদের মতে, কুরআন সুন্নাহ নির্ধারিত যাবতীয় মূলনীতি সম্পূর্ণ অপরিবর্তনীয়। জনগণের ইচ্ছা ও দাবির প্রেক্ষিতে তা পরিবর্তন করা যায় না। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ইসলামী আকাঙ্ক্ষায় রূপান্তরিত করাই তো হচ্ছে আমাদের কাজ। আমরা কখনো ইসলামকে পরিবেশ এবং জনগণের ইচ্ছানুযায়ী পরিবর্তন করবো না। এরূপ প্রস্তাবতো সেই সকল লোকেরাই করতে পারে যারা নিজেদের মধ্যে সমস্যা মোকাবিলার সাহস রাখে না। আমরা স্থায়ী এবং সুদৃঢ় পরিবর্তন চাই। আর এ জন্য স্থায়ী এবং সুদৃঢ় কর্মসূচিই কার্যকর হতে পারে।
সময়োপযোগী সস্তা শ্লোগান দিয়ে এবং বিভ্রান্তকারী কৃত্রিম বুলি আউড়িয়ে জনগণকে ভ্রান্ত পথে পরিচালিত করা যেতে পারে বটে, কিন্তু কোনো কল্যাণকর এবং গঠনমূলক কাজ করা যেতে পারে না। আমরাও যদি বিজয়ী হবার জন্য শয়তানী ধোঁকা-প্রতারণার পথ গ্রহণ করি, তবে আমার মতে কোনো কাজ না করে চুপ করে বসে থাকাটাই এর চাইতে অনেক ভালো হবে।'
-সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী রহ.
(সাপ্তাহিক এশিয়া, লাহোর; ৭ নভেম্বর, ১৯৬২)
@