সবুজ ক্যাম্পাস
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - নোবিপ্রবি
This page is publishing the official notices and orders of Noakhali Science and Technology University. Most important feature of this library is online library.
The natural setting along with its human habitations of the Southern regions of Bangladesh has been endowed with the vast and immense potentials that can fully be harnessed only through creation of a band of skilled manpower equipped with the latest knowledge of science and technology. In the beginning of its age and expanding its activities to spread the light of modern education of Science and T
03/09/2020
All campus view.
Video by Shimul
Noakhali Science and Technology University| full campus view| drone view Noakhali Science and Technology University is a public university in the coastal terrain Noakhali of Bangladesh. It is the 27th public university and fifth s...
নোবিপ্রবি এর পুরো ক্যাম্পাস ভিউ ।
ভিডিও করেছেন আশরাফুল ইসলাম শিমুল
ভালো ভিউ দেখতে চাইলে ইউটিউব দেখতে পারেন https://youtu.be/eDB4TVGQEGU
আরো ভিডিও দেখতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইভ করতে পারেন ।
12/07/2020
মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে মেধাবী সাইফের প্রাণ
মোঃ সাইফ উদ্দিন একটি পরিবারের একরাশ স্বপ্নের নাম। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন সাইন্সের ‘ইনফরমেশন সাইন্স ও লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট’ বিভাগের ৩য় বর্ষের বর্তমান শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়ন শেষে পরিবারের হাল ধরার স্বপ্নে বিভোর সাইফ করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রথম দিকে শারীরিক যন্ত্রনা অনুভব করলে গ্রাম্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। কিন্তু ১/২ মাসের মধ্যেই অবস্থা জটিলতর হতে থাকে। পরবর্তীতে ঢাকায় ডাক্তার দেখান হয়। জুলাইয়ের শুরুতেই জানা যায় যে, তার দু’টো কিডনিই ইতোমধ্যে অকেজো হয়ে গিয়েছে। সাইফ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালের দায়িত্বরত ডাক্তার বলেছেন যে, সাইফের কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে, তা না হলে সাইফকে বাঁচানো সম্ভব নয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, সাইফের পরিবারের কারো সাথেই তাঁর রক্তের গ্রুপ ম্যাচ না করায় পরিবারের ইচ্ছে সত্ত্বেও কেউ কিডনি দিয়ে সাইফকে সুস্থ করতে পারছেন না। এমতাবস্থায়, সাইফকে বাঁচাতে হলে অন্য কোথাও থেকে কিডনির ব্যবস্থা করেই তা প্রতিস্থাপন করতে হবে। সাইফের বাবা জানান, ছেলেকে বাচাঁতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা লাগবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন। সাইফের পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে সাইফের সহপাঠী, শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানসহ সমাজের দয়ালু বিত্তবানদের প্রতি সহযোগিতার আবেদন করেছেন।
এখন একটি সম্ভাবনাময় প্রদীপকে বাঁচানোর দায়িত্ব সমাজের। আমাদের। সকলের। আমরা সবাই এগিয়ে আসলে সাইফের চিকিৎসা সম্ভব। আসুন সকলে আন্তরিকতার সাথে সাইফের জন্য আর্থিক সহায়তা করি। বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা করি অকালে ঝরে যাওয়ার আশঙ্কায় থাকা আমাদের সাইফকে। সাইফকে সাহায্য পাঠানোর জন্য নিম্নোক্ত ব্যাংক হিসাব আর বিকাশ/নগদ/রকেট নম্বর ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
ব্যাংকঃ (অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধাসহ)
Bank A/C no.12112100040673
Joint Account Name: Kamal Uddin; N I Azad; FA Mitu
Exim Bank Limited, Sonapur Branch.Noakhali (এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, সোনাপুর শাখা, নোয়াখালী)
Routing no. 100752261 (if necessary)
বিকাশ নম্বরঃ (+88) 01879 373407;
(+88) 01620 965672;
(+88) 01834 447801
নগদ নম্বরঃ (+88) 01830 016100
রকেট নম্বরঃ (+88) 01742 268670
12/06/2019
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমোদনক্রমে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভাইরনমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলম স্যারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
01/12/2018
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) নতুন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ‘NSTUinfo Dairy’ প্লে স্টোরে ছাড়া হয়েছে। আজ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপটি ছাড়া হয়। এর আগে গত বুধবার সকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) সাইবার সেন্টারে নতুন এই এন্ড্রয়েড অ্যাপস এর উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান।
এই অ্যাপটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও বিভাগে কর্মরত শিক্ষকবৃন্দের সর্বশেষ তথ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অফিস, শাখা, সেলে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনী তথ্য সন্নিবেশ রয়েছে।
তাছাড়া এ অ্যাপসে আরো থাকছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অথরিটি যেমন- রিজেন্ট বোর্ড, একাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটির তালিকা । থাকছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক অরিয়েন্টেড জরুরি অফিসসমূহ যেমন- ভিসি অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস, প্রক্টর অফিস, ট্রান্সপোর্ট সেকশন, হলসমূহের অফিস, মেডিকেল সেন্টার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর এর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের টেলিফোন ও মোবাইল নম্বর । অ্যাপটি ২০১৮ এর ডায়রীর উপর ভিত্তি করে করা। ২০১৯ সালের ডায়রী আসলে আবার আপডেট করে দেয়া হবে।
এছাড়া এতে নোয়াখালী জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির তথ্য হালনাগাদ থাকবে। যে কোনো এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে এটি ইনস্টল করা যাবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় সাইবার সেন্টারের অধীনে ২০১৮ সালে অ্যাপটি বর্তমান চতুর্থ ভার্সন ডেভেলাপ করেছেন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসটিই) বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল হক হৃদয় । এর আগে ২০১৪-২০১৭ পর্যন্ত প্রথম তিনটি ভার্সন নিজ উদ্যোগে ডেভেলাপ করেছিলেন সিএসটিই বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এখন থেকে অ্যাপ সংক্রান্ত সকল আপডেট এবং মেইন্টেন্স বিশ্ববিদ্যালয় সাইবার সেন্টারের অধীনে হবে।
অ্যাপ লিংকঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.nstuinfo
[পূর্বে NSTUinfo এর কোন ভার্সন ইন্সটল করা থাকলে আগেরটা আনইন্সটল করে নতুনটা ইন্সটল করবেন।]
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী,২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে:
যারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে:মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/মাদ্রাসা/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে বিভিন্ন বিভাগে SSC বা সমমান এবং ২০১৬ অথবা ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত HSC বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী।
♦ইউনিট পরিচিতি:
৪টি ইউনিটে ২৫ টি বিভাগ মিলে আসন সংখ্যা নিম্নরূপ:
A ইউনিট:
১.কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০
২.এপ্লায়েড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০
৩.এপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্স-৫০
৪.ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০
৫.ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং-৩০
৬.স্ট্যাটিস্টিক্স-৫০
৭.সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং-৩০
B ইউনিট:
১. ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স-৫০
২ ফার্মেসী-৫০
৩.মাইক্রোবায়োলজী-৩০
৪.ফুড টেকনোলজি এন্ড নিউট্রিশন সায়েন্স-৩০ ৫.এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট-৫০
৬.বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-২৫
৭.এগ্রিকালচার-৫০
৮.ওশানোগ্রাফি-৪০
৯.বায়োকেমিস্ট্রি-৩০
C ইউনিট:
১.ইংরেজি-৬০
২.বাংলাদেশ এন্ড লিবারেশন ওয়ার স্টাডিজ-৬০ ৩.ইনফরমেশন সায়েন্স এন্ড লাইব্রেরী ম্যানেজমেন্ট-৫০
৪.সমাজবিজ্ঞান-৫০
D ইউনিট:
১. বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন-২৭(বিজ্ঞান)+৩৬(ব্যবসায় শিক্ষা)+৭(মানবিক)=৭০
২.ইকোনোমিক্স-৩৫(বিজ্ঞান)+২০(ব্যবসায় শিক্ষা)+০৫(মানবিক)=৬০
৩. ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস-ম্যানেজমেন্ট-২০+বিজ্ঞান)+২৫(ব্যবসায় শিক্ষা)+০৫(মানবিক)=৫০
৪. ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট-২০+বিজ্ঞান)+২৫(ব্যবসায় সহিহিক্ষা)+০৫(মানবিক)=৫০
৫.ব্যাচেলর অব এডুকেশন (অনার্স)-৩০(বিজ্ঞান)+১০(ব্যবসায় শিক্ষা)+১০(মানবিক)=৫০
♦ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা:
A ইউনিট এবং B ইউনিট : A ও B ইউনিটে আবেদন করার জন্য বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণদের SSC বা সমমান এবং HSC বা সমমান উভয় পরীক্ষায় নূন্যতম GPA ৩.০ সহ মোট GPA ৬.৫ থাকতে হবে। O লেভেল পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞানসহ পাঁচটি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞান এর মধ্যে যে কোনো দুইটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে O এবং A লেভেলের কোনো বিষয়ে C গ্রেড এর নীচে থাকলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবেনা।
C ইউনিট এবং D ইউনিট: C ও D ইউনিটে আবেদন করার জন্য মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষা/বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণদের SSC বা সমমান এবং HSC বা সমমান উভয় পরীক্ষায় নূন্যতম GPA ৩.০ সহ মোট GPA ৬.০ থাকতে হবে। O এবং A লেভেল পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের C ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজিতে কমপক্ষে B গ্রেড থাকতে হবে। তবে O এবং A লেভেলের কোনো বিষয়ে C গ্রেড এর নীচে থাকলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবেনা।
♦ভর্তি পরীক্ষার বিষয়:
A ইউনিটের জন্য: ‘বাংলা ও ইংরেজি’, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত এবং জীববিজ্ঞান বিষয়ের উপর প্রত্যেকটি থেকে ২৫ করে মোট ১২৫টি প্রশ্ন থাকবে। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক। ‘বাংলা ও ইংরেজি’ এবং জীববিজ্ঞান হতে যে কোনো একটির উত্তর দিতে হবে।
B ইউনিটের জন্য: ‘বাংলা ও ইংরেজি’, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ের উপর প্রত্যেকটি থেকে ২৫ করে মোট ১২৫টি প্রশ্ন থাকবে। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক। ‘বাংলা ও ইংরেজি’ এবং ‘গণিত’ হতে যে কোনো একটির উত্তর দিতে হবে, তবে ফার্মেসী ও ওশানোগ্রাফি বিভাগে ভর্তিচ্ছুদের জীববিজ্ঞান ও গণিত উভয় বিষয়ে উত্তর দিতে হবে।
C ইউনিটের জন্য: বাংলা, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ) বিষয়ে পরীক্ষা হবে। ইংরেজি বিষয়ে ৫০, বাC ইউনিটের জন্য: বাংলা, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ) বিষয়ে পরীক্ষা হবে। ইংরেজি বিষয়ে ৫০, বাংলা বিষয়ে ২৫ এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ) বিষয়ে ২৫ নম্বর থাকবে। ইংরেজি বিভাগে ভর্তির জন্য ইংরেজিতে ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে, বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের প্রত্যেকটিতে পাশ নম্বর ০৬। বাংলাদেশ এন্ড লিবারেশন ওয়ার স্টাডিজ, ইনফরমেশন সায়েন্স এন্ড লাইব্রেরী ম্যানেজমেন্ট, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির জন্য বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ) পাশ নম্বর ১০ এবং ইংরেজিতে পাশ নম্বর ১৬ ।
D ইউনিটের জন্য: বাংলা ২৫, ইংরেজি ২৫, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ) ২৫ সবার জন্য বাধ্যতামূলক। মানবিক বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণ গণিত (মাধ্যমিক পর্যায়ের) ২৫, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ এবং হিসাব বিজ্ঞান ২৫, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণ বিজ্ঞান ২৫।
♦ বিজ্ঞান শাখা থেকে HSC/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সকল ইউনিটে (A, B, C এবং D) আবেদন করতে পারবে। অন্যরা শুধু C ও D ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।
♦ D ইউনিটের বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষার জন্য আলাদা মেধা তালিকা তৈরি করা হবে।
♦ভর্তি পরীক্ষা: (পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে)।
♦পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০; পরীক্ষার পাশ নম্বর: ৪০
♦A, B ও D ইউনিটের পরীক্ষায় প্রত্যেক বিষয়ে ন্যূনতম পাশ নম্বর ০৮।
♦মেধাস্কোর ও মেধাক্রম:
♦মেধা তালিকা তৈরি করা হবে ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে।
১. মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত বা হিসাবকৃত, ৪র্থ বিষয়সহ, GPA এর ৮ গুণ।
২. উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত বা হিসাবকৃত, ৪র্থ বিষয়সহ, GPA এর ১২ গুণ, এবং ৩. ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর।
♦একাধিক প্রার্থীর মেধাস্কোর সমান হলে পর্যায়ক্রমে ভর্তি পরীক্ষার নম্বর, HSC ও SSC গ্রেড প্রাধান্য পাবে।
08/07/2018
মনের মাঝে আদিম নৃত্য, ত্রয়োদশীর সলাজ বিচরণ
এমন বরিষও দিনে হৃদয় দুয়ার খুলে তোমারে করিব বরণ।।
বিতর্ক হচ্ছে একটি শিল্প, একটি বুদ্ধিবৃত্তিক এবং জ্ঞানভিত্তিক সৃজনশীল শিল্পকর্ম। যার মাধ্যমে নিজের উপস্থাপনা ও যুক্তি প্রদানের যোগ্যতাকে শাণিত করে নেয়ার একটি সুযোগ থাকে। আবহমানকাল থেকেই মানুষ বিতর্কে লিপ্ত হয়ে এসেছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সে তার নিজস্ব দর্শন ও মতকে যুক্তি-উপস্থাপনা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে।
বিতর্কের একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তর জ্ঞান থাকা লাগে এই কাজে। বিতর্ক একজন মানুষকে বিস্তর জটিল বিষয়াদি নিয়ে কথা বলতে শেখায়, আর কেবল তাই নয় – শেখায় কীভাবে উপস্থিত সবাইকে – বিচারক ও প্রতিপক্ষ সহ – নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝিয়ে দিতে হয়। যেকোন কাজেই এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, যেকোন জায়গায় নিজেকে এগিয়ে রাখতে জুড়ি নেই বিতর্কের।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিতর্ক চর্চাকে সমুন্নত ও গতিশীল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি। আর এর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সোসাইটির পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে সদস্য সংগ্রহ ও বিতার্কিক অনুসন্ধান ২০১৮ এর।
বিতর্কের প্রতি এই ১০১ একরের আগ্রহীদের তাই আহ্বান জানাই নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির পথচলায় নিজেদের সম্মিলিত করবার। যদি আপনি নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির পথচলায় নিজেকে সম্মিলিত করতে চান তবেঃ
১। আপনাকে নোবিপ্রবির শিক্ষার্থী হতে হবে।
২। সহ শিক্ষামূলক কার্যক্রমের প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে।
৩। সমসাময়িক ঘটনাবলী নিয়ে জানার এবং তা বিশ্লেষন করবার আগ্রহ থাকা লাগবে।
৪। বিতর্কের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকুক বা না থাকুক, বিতর্কের প্রতি আগ্রহ থাকা লাগবে অবশ্যই।
৫। সাপ্তাহিক বিতর্ক আড্ডায় নিয়মিত অংশ নেয়ার মানসিকতা থাকা লাগবে।
৬। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিতর্কে অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা থাকা লাগবে।
* প্রাক নিবন্ধন লিংকঃ https://goo.gl/rVzpGn
* প্রাক নিবন্ধনের জন্য কোন রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হবে না।
* প্রাক নিবন্ধনের শেষ সময় ১২ জুলাই রাত ১০টা
সদস্য নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত এনএসটিইউডিএস কর্তৃপক্ষ সংরক্ষন করবে।
যে কোন ধরণের তথ্য অনুসন্ধানের জন্য নিম্নের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
01521326064 (সাংগঠনিক সম্পাদক , এনএসটিইউডিএস)
08/06/2018
নিজ নিজ অনুষদে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল করে ২০১৭ সালের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তিন শিক্ষার্থী।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পদকের জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
২০১৭ সালের প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকের জন্য সারাদেশব্যপী মনোনীত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে নোবিপ্রবি'র মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন- প্রকৌশল অনুষদভূক্ত কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মোঃ ইব্রাহিম খলিল, বিজ্ঞান অনুষদভূক্ত মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টের ফারজানা চৈতী এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভূক্ত বিবিএ ডিপার্টমেন্টের তাসনিমা ফারজানা।
প্রসঙ্গত, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশে উৎসাহিত করতেই ইউজিসি ২০০৬ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই স্বর্ণপদক দিয়ে আসছে।
ফ্রেন্ডলিস্টে অনেক ছোট ভাই-বোন আছে যারা আমারে মেসেজ দেয় ভার্সিটি ভর্তির টিপস নিতে।ভাই,আমার কাছে এই বিষয়ে টিপস চাওয়া আর ফকিরের কাছে ভিক্ষা চাওয়া সমান কথা।😂
কারণ আমার নিজের মাথা ই ঠোলা!তরে আমি কি দিমু?কিন্তু তবুও দেবার আছে অনেক কিছু।যেমন গতবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে বা হসচের পরের ৩ মাস কেমনে কাটাইসি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করা যেতে পারে।আমি অবসর,তাই অবসর কাটানোর জন্য এটা লেখছি।কেউ এটা পড়ে কারো মূল্যবান সময় নষ্ট করবেননা!
➜ প্রশ্ন-১:
ভাই আমি সায়েন্সের।কোন কোচিং করুম? ইঞ্জিনিয়ার,মেডিকেল না ক-ইউনিটের?
➤ উত্তর: HSC এর পরে তোদের জন্য ছয়টা রাস্তা খোলা আছে।
রাস্তা-১: ইঞ্জিনিয়ারিং
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলে তোকে ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি এবং ম্যাথে ভালো হতে হবে।এই সাবজেক্টগুলার পুরা বই না হলেও বইয়ের বেশিরভাগ অধ্যায় সম্পর্কে ভালো আইডিয়া থাকতে হবে।বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলে তোর ফার্স্ট এবং একমাত্র টার্গেট হবে বুয়েট।সেটা না হলে কুয়েট, রুয়েট, চুয়েট,সাস্ট কিংবা বুটেক্সের কথা পরে চিন্তা করা যাবে।আর যদি তোর বাপ-মায়ের কাড়ি কাড়ি টাকা না থাকে,শুরুতেই প্রাইভেট ভার্সিটির কথা মাথায় আনার দরকার নাই।অবশ্য এর জন্য রেজাল্ট এ প্লাস থাকা লাগলে মাস্ট!নাইলে আমার মতো ঘাড় ঘুরিয়ে শুধু অন্যের ললিপপ চোষা দেখতে হবে!
➤ রাস্তা-২:
মেডিকেল:- মেডিকেল বা ডাক্তারি পড়তে গেলে তোকে বায়োলজিতে অনেক ভালো হতে হবে এবং ভালো লাগতে হবে।মস্তানি করছিনা,বায়োলজি আমি অনেক ভালো পারতাম এবং ভালো লাগতো।কিন্তু আমি মেবি উলটা সৃষ্ট জীব।কারণ মেডিকেল আমি দুচক্ষে দেখতে পারতাম না,এখনো পারিনা!তাই পরীক্ষাও দেইনি মেডিকেলে!
সরকারী মেডিকেলে কম্পিটিশন অনেক বেশি।সেই কম্পিটিশনে টিকে থাকলে হলে,পরিশ্রমের পরিমাণ বাড়াতে হবে।আর বাপের জমি,মায়ের গহনা বিক্রি করে প্রাইভেট মেডিকেলের কথা চিন্তা করার আগে সুযোগ থাকতে চেষ্টা করে দেখ।
➤ রাস্তা-৩: সায়েন্সের সাবজেক্টে অনার্স-মাস্টার্স:-
অনেকের স্পেশাল টার্গেট থাকে- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি,এপ্লাইড কেমিস্ট্রি।(আমার নিজেরই টার্গেট ছিলো এই তিনটা।অবশ্য জেনেটিক্সের প্যারা সহ্য না করতে পেরে আমি নিজেই মারা খাইতাসি।সাক্ষী তোরা নিজেই)....
সেক্ষেত্রে তোকে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ক-ইউনিট এর জন্য প্রিপারেশন নিতে হবে।তবে এসব ছাড়াও ঢাবিতে সায়েন্সের আরো অনেক সাবজেক্ট আছে সেগুলারও ভালো ডিমান্ড আছে।ঢাকা ইউনিভার্সিটির ক-ইউনিট এর জন্য প্রিপারেশন নিলে সেই একই প্রিপারেশন নিয়ে জবি,রাবি,চবি,জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে দিতে পারবি। তবে টার্গেট করতে হবে-যে করেই হোক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবোই পাবো।
আর এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগুলাতে পোলাপানের ঝোকটা একটু বেশি।কারণ সেশন জট নাই+উন্নত সুযোগ সুবিধা+ভালো সাব্জেক্ট!আমি নিজেই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভর্তি হয়েছি।কেউ আবার এটাকে বিভাগ চাই বলিয়া স্লোগান দিসনা ভাই!
➤ রাস্তা-৪:
আর্টস-কমার্সে ট্রান্সফার হয়ে তাদের ভাত মারা:-
ঘ-ইউনিট বলে একটা জিনিস আছে।সায়েন্সের পোলাপান অন্যদের থেকে একটু বেশিই সুবিধা পায়।এখানে তারা অন্যদের বাঁশ দিয়ে জায়গা হাতিয়ে নেয়।
তবে ঘ ইউনিটে সাম্নের দিকের সিরিয়ালে না থাকলে ভালো সাব্জেক্ট পাবার সম্ভাবনা কম!
➤ রাস্তা- ৫: ফেল করে আবার HSC পরীক্ষা:
এরকম চচিন্তা ভাবনা পোষণকারীদের জন্য রয়েছে কেয়া কসমেটিক্সের সৌজনে এক বালতি সাবান ও পরিবেশ বন্ধু গাছ!
➤ রাস্তা-৬: BMA লং কোর্স বা ISSB দিয়ে সেনাবাহিনী:
ফিজিক্যাল ফিটনেস আর টার্গেট থাকলে চান্স নিয়ে দেখ।অনেক ধামড়া জুনিয়র দেখলাম এলাকায়!
তবে কোন রাস্তায় গেলে ভালো হবে সেটা জিজ্ঞেস করার আগে নিজেকে প্রশ্ন কর-“কোন লাইনে যাওয়ার চেষ্টা করার ইচ্ছা এবং চান্স পাওয়ার যোগ্যতা তৈরি করার ক্ষমতা আমার আছে?”।যোগ্যতা নিয়ে চেষ্টা না করলে কিন্তু তোর যোগ্যতার চার আনা পয়সা দাম থাকবে না। এমন অনেক ট্যালেন্টেড পোলাপান দেখছি- একটুর জন্য অনেক পিছনে চলে গেছে।আর HSC পরীক্ষার পরেই বেশিরভাগ পোলাপান ফ্যামিলি থেকে ফ্রিডম পায়। অনেকেই ঢাকায় প্রথম আসে।এই সময়গুলাতে নিজেকে কন্ট্রোল করা খুবই টাফরে ভাই।সুন্দরী মাইয়া দেখে,এইটা অইটা খায়,নানান জায়গায় ঘোরার ব্যারামের ধরে!
তাছাড়া দুইটা ঈদ,রেজাল্টের বন্ধে টেরও পাবি না কেমনে টাইম শেষ হয়ে ভর্তি পরীক্ষার ডেট দিয়ে দিছে।
আমি নিজেও এই সমস্যার ভুক্তিভুগি ছিলামরে ভাই!
➜ প্রশ্ন-২: প্রতিদিন কয় ঘন্টা করে পড়া উচিত?
➤উত্তর: আমি বলি ১৮-২০ ঘন্টা।(হাসিস না)
তারমানে যতক্ষণ ঘুমাবি না ততক্ষণ পড়বি।তবে কোন ভাবেই ১২-১৪ ঘন্টার কম পড়লে হবে না।ল্যাপটপ, ফেইসবুক,ফ্রেন্ডশিপ,বার্থডে,মোবাইল ফোনের কল রিসিভ,প্রেম পিরিত সব বন্ধ!ভাই অন্তত তিনটা মাস গার্লফ্রেন্ডরে ছুটিতে পাঠা।আর যদি চান্স পাস তাইলে হয় গফ থাকবেনা আর থাকলেও তুই যেহেতু চান্স পাস নাই তোর মনে হবে প্রেমের কারণে তোর জীবনটা ধ্বংস হইসে।ছোট ভাইরাও অহরহ উদাহরণ দেখাবে;অমুক ভাই চুটিয়ে প্রেম করতো তাই আজ ভার্সিটিতে চান্স পায় নায়!
আর চান্স না পেলে পাশের বাসার আন্টি আত্মীয় স্বজন সব কাটাপ্পা হয়ে যাবে আর তুই হবি বাহুবালি!আরাম টারাম এই তিনমাস বাদ।মেধার ঘাটতি পরিশ্রম দিয়ে পুষিয়ে দেয়া যায়।মনে রাখিস,আজকের একটু আরাম বাকি জীবনের জন্য ব্যারাম হয়ে দাঁড়াবে।
➜ প্রশ্ন-৩: কোন কোচিং সেন্টারে ভর্তি হলে ভালো হবে?
➤উত্তর: শুন,ভালো কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারলেই যে তুই চান্স পেয়ে যাবা তা কিন্তু না।কোচিং সেন্টার তোরে ভার্সিটিতে ঢুকায় দিবে না,তোর ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে দিবে না।তোর পরীক্ষা তোকেই দিতে হবে।কোচিং সেন্টারের কাজ হচ্ছে তোকে রুটিনের মধ্যে রাখা, চ্যাপ্টার বাই চ্যাপ্টার পরীক্ষা নিয়ে তোকে পড়ার জন্য তাগাদা দেয়া। আরো কিছু ভালো স্টুডেন্ট একসাথে করে তোর ভিতরে কম্পিটিটিভনেস তৈরি করতে সাহায্য করা,কিছু টিপস দেয়া। তাই অন্য ভালো স্টুডেন্টরা যেখানে ভর্তি হয় তুইও সেখানে ভর্তি হও।সেখানে ভালো করার চেষ্টা কর।তাতে কনফিডেন্স বাড়বে।তবে কোচিং সেন্টারে খারাপ করলেও প্রিপারেশন চালিয়ে যেতে হবে।কারণ ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার সময়, ভার্সিটির লোকজন কোচিং সেন্টারে এসে খোজ নিবে না, কোচিং এ কে ভালো কে খারাপ ছিলো।আমি উদ্ভাসে ইঞ্জিনিয়ারিং+বায়োলজি কোচিং করেছিলাম।এটা করলে মোটামুটি ইঞ্জিনিয়ারিং+ভার্সিটি ক+জীববিজ্ঞান অনুষদ সব কভার হবে।
তাই আমার সাজেশন:-ইঞ্জিনিয়ারিং হলে উদ্ভাস আর রেটিনা হলো মেডিকেল!
আর ধর তুই উদ্ভাসের ইঞ্জি কোর্সে ভর্তি হলি কিন্তু A+ পাইলিনা।চিন্তা নাই।তোকে ওরা ভার্সিটি ক হতে শিটফ রে দেবে!
➜ প্রশ্ন-৪: মোট কয়টা বই থেকে পড়া উচিত?
➤উত্তর:যে বইটা দুইবছর পড়ে এসেছিস অইটাই ভালোভাবে পড়।এর পাশাপাশি, আরেকটা বইয়ের উদাহরণ সমস্যাগুলা দেখ।
আর ভার্সিটিতে চান্স পেতে হলে বিগত বছরের প্রশ্ন সলভ করার কোনো বিকল্প নাই!ঢাবিতেও ১০০ টার মধ্যে ১২-১৫ টা বিগত বছরের প্রশ্ন আসে!
➜ প্রশ্ন-৬: কোচিং এর লেকচার শিট অনেক কঠিন।এগুলা আবার অনেকসময় ভর্তি পরীক্ষাতেও আসছে।আমি এগুলার কিচ্ছু বুঝি না।আমার কি হবে রনি ভাই?
➤ উত্তর: শুনো,যে ফার্স্ট হয় সেও ১০০ তে ১০০ পায় না।তুই ও পাবি না।আর ভালো সাবজেক্টে চান্স পাওয়ার জন্য তোকে সব পারা লাগবে না।সো, কোচিং এর লেকচার শিটের ৭০-৮০% বুঝলেই হবে।ওদের গাইড বই দেখেও মাথার তার ছেড়ার কোনো কারণ নাই।বরং বইয়ের উপর জোর দে।ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন বই থেকে আসবে,কোচিং এর লেকচার শিট বা গাইড থেকে নয়।
➜ প্রশ্ন-৭: কোচিং এর টেস্টে নম্বর তেমন পাই না। মেরিট লিষ্টে আমার নাম উঠে না। আমার কি ছেড়ে দেয়া উচিত?
➤ উত্তর: কোচিং এর মেরিট লিষ্টের অনেক পোলাপান আছে যারা শেষ পর্যন্ত চান্সই পাবে না।সো, সেখানে নম্বর না পাইলেও,চেষ্টা চালাতে থাকবি।পরীক্ষা দিতে থাকবি। আসল প্রিপারেশন হচ্ছে তোর বাসায়।
আর যদি আমার মতো ফাঁকিবাজ হোস তাইলে কোচিংয়ের এক্সামগুলাতে OMR শিটে রুল ভুল ভরাট করে দিয়ে আসিস।তাইলে বাসায় রেজাল্ট যাবেনা।আর নিশ্চিত ম্রা'র হাত থেকে বেঁচে যাবি!
➜ প্রশ্ন-৮: কোচিং এর ভালো ভালো টিচারগুলো সব ঢাকায়। আমার কি যে করেই হোক ঢাকায় কোচিং করতে চলে যাওয়া উচিত?
➤ উত্তর: ঢাকায় যেতে পারলে ভালো।তবে ঢাকায় গিয়ে অনেকেই ছাড়া পেয়ে পড়ালেখা কমিয়ে দেয়। প্রতিবছর শত শত পোলাপান ঢাকার বাইরে কোচিং করে চান্স পায়। আসল কাজ হচ্ছে পড়ালেখা করা।লেখাপড়া না করলে কোচিংয়ে গিয়া লাভ নাই।এর চেয়ে বাপের ব্যাবসা দেখ।বাপের চাপ কমবে!
➜ প্রশ্ন-৯: আমার ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ার সখ। আব্বু জোর করে মেডিকেলের কোচিং এ ভর্তি করায় দিছে। এখন আমি ঠিকমতো পড়ায় মন দিতে পারতেছি না। কি করবো?
➤ উত্তর: শুন ভাই,লাইফটা তোর।মাঝখানে ঝুলে থাকলে তোরই ক্ষতি।তাই আব্বুর সাথে ডাইরেক্ট কথা বলতে না পারলে মেডিকেলের ভর্তি কোচিং সিরিয়াসভাবে কর। আর না হলে,তোর আম্মু বা কাউকে দিয়ে আংকেলকে বুঝিয়ে বল।আমি ফ্যামিলির দিক থেকে আলহামদুলিল্লাহ।কারণ আমার মা-বাবা আর আন্টি আমার উপরে কোনো সময়ই কিছু চাপায় দেয়নি।বলছে "তোমার যে সাব্জেক্ট চয়েজ সেটা নিয়েই পড়ো"....
আমি যদি শখ করে পালি নিয়ে পড়তাম তবুও আমার বিশ্বাস তারা আমায় কিছু বলতোনা।আর দূ:সময়ে ফ্যামিলিকে কাছে পাওয়া যেনো খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়স্থল খুজে পাওয়া।A+ না পেলে অনেক মা-বাবাই বলে "আজ থেকে তোর পড়ালেখা বন্ধ।তুই গাড়ির তলে চাপা পড়ে মর।তোর কারণে আমি আজ মুখ দেখাতে পারছিনা।তোকে হোটেলে/গ্যারেজে দিয়া দিবো।তোর পিছনে শুধু শুধু কাড়ি কাড়ি টাকা ঢাললাম।অনেক ক্ষেত্রে আবার কথা বলাও বন্ধ করে দেয়"...এটার পক্ষে মোটেও আমি নই।কারণ তোর মা বাবা হসচে তোকে শুধু A+ পাবার জন্য জন্ম দেননি।আর A+ না পেলে গ্যাবন যে শেষ তাও একদম ভুল।রেজাল্ট এদিক সেদিক হতেই পারে হওয়াটাই স্বাভাবিক।এই দু:সময়েও মা-বাবাকে প্রেরণা যুগাতে হবে।যেটা আমি আমার মা-বাবার কাছ থেকে ১০০% পেয়েছি।অনেক গোল্ডেন দেক্সি কোনখানে জায়গা না করতে পেরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে গোল্ডেনের সার্টিফিকেট নিয়ে আবার অনেক জায়হায় দেক্সি প্লাস না পেয়েও ঢাকা ভার্সিটিতে ফার্মেসি!মূল কথা হচ্ছে মাল থাকতে হবে তোর ভিতরে।আমি অই মালের কথা বলছিনা।মানে প্রতিযোগিতা করার মতো প্রস্তুতি থাকতে হবে,তাইলেই সাক্সেস!
➜ প্রশ্ন-১১:
মেডি+ইঞ্জি/ক + ঘ একসাথে দুইটার প্রিপারেশন নিই।তুমি কি বলো?
➤ উত্তর: যদিও একটা মাত্র এক্সট্রা সাবজেক্ট,তারপরেও
সেটার ক্লাস বা পরীক্ষা দিতে গেলে তোর চিন্তা ভাবনায় একটু আধটু চেইঞ্জ আসবে।যেটা বেশিরভাগ পোলাপান সঠিকভাবে হ্যান্ডেল না করে,কনফিউজড হয়ে যায়। আবার কোনটাতে প্রায়োরিটি দিবে সেটা নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে সময় নষ্ট করে।তাই আমার পরামর্শ হচ্ছে -দুই নৌকায় পা দেওয়ার দরকার নাই।একটা টার্গেট সেট করো। সেটার জন্য সর্বস্ব নিয়ে ঝাপিয়ে পড়।
➜ প্রশ্ন-১২:
আমিতো গ্রামের কলেজ থেকে পড়েছি।ঢাকায় পড়ালেখা করিনি।তো আমি কি চান্স পাবো?
➤ উত্তর:-লুল লজিক ভাই।ভার্সিটি চান্স মেধা দেখে দেয়।কলেজ দেখে নয়।আর ঢাকার ছাত্ররা গ্রামের ছাত্রদের থেকে তুলনামূলক এগিয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক।তবে প্রচন্ড পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস থাকলে তোকেও কেউ আটকাতে পারবেনা।ঢাকার কোনো ছাত্র মেরিট পজিশনে ১ হলে তুইও ৫০ অন্তত হতে পারবি।আর আমি নিজেই গ্রামের কলেজ থেকে লেখাপড়া করেছি।আর ঢাবিতে খোজ নিয়ে দেখ অধিকাংশ পোলাপানই ঢাকার বাইরে+উপজেলা লেভেল থেকে এসেছে।
লাখ লাখ মেধাবীর সাথে প্রতিযোগীতায় লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে দরকার কঠোর পরিশ্রম,দৃঢ় মনোবল ও আত্মবিশ্বাস।
আমি কখনোই ভালো ছাত্র ছিলাম না,নিজেকে কখনো ভালো ছাত্র বলে দাবি করিনা।পড়ালেখায় আমি যথেষ্ট ফাঁকিবাজ।ইন্টার লাইফে পড়ালেখা বলতে হসচের আগের দুইমাস+পরের তিনমাস=৫ মাস।
আমাকে ফলো করলে কেউ নির্ঘাত মারা খাবি।
আর লেখাগুলু কেন লেখলাম?অনেকে ভাবতে পারিস রনি ভাই নিজেই তো ঢাবি,বুয়েট,চুয়েট,কুয়েট এগুলাতে চান্স পায়নি তো আমাদের উপদেশ দিচ্ছে কেন?
ভাই আমার রেজাল্ট ছিলো ৪.৫০।সব গোল্ডেনের ভিড়ে আমি কোনো জায়গায় এক্সামই দিতে পারিনাই।
তবে আমি যে মারা গুলা খাইসি আমি চাই আমার ছোট ভাই সে মারা না খাক।তোরা একজন ও যদি এইগুলা পড়ে ইন্সপায়ার হোস তাইলেই আমার সার্থকতা।
মনে রাখিস,ভার্সিটিতে চান্স না পেলে তোকে কেউ বাল দিয়াও জিগাবেনা।তখন যত দোষ আছে সবগুলা সামনে আনবে।বলবে অইযে সারাদিন প্রেম করতো/খেলাধুলা করতো/আড্ডা দিতো/মুভি দেখতো/ফেসবুকে থাকতো তাই চান্স পায় নাই ভার্সিটিতে।তখন গর্তে লুকিয়েও শান্তি নাই।হ্যাটার্সরা গর্ত থেকে টেনে বের করে আনবে।আর যদি চান্স পাস তাইলে সাত খুন মাফ।সবাই বলবে ছেলেটা প্রেম করে/খেলাধুলা করে/আড্ডা দিয়ে/মুভি দেখে/সারাদিন ফেসবুকে থেকেও ভার্সিটিতে চান্স পাইসে।অমুকের ছেলেটা আসলে জিনিয়াস।
শেষ কথা:-কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নাই।কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়বি।
সফলতা তোর কাছে আসবেই ইনশাল্লাহ"!
-মোহসিন আলম রনি
-বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ,নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
(পরিমার্জিত)......
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sonapur, Noakhali , Chittagong
Noakhali Sadar Upazila
3800
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 19:30 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 08:00 - 17:00 |
| Thursday | 08:00 - 17:00 |