স্বপ্ন দেখতে হবে বড় করে, পার্থক্যটা স্বপ্নে -
ভারতের ছেলেমেয়েরা যখন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির সিইও হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, এবং হচ্ছে;
Sundar Pichai, CEO of Google
Satya Nadella, CEO of Microsoft
Shantanu Narayen, CEO of Adobe
Francisco D’Souza, CEO of Cognizant
Rajeev Suri, CEO of Nokia
lots more.......
তখন আমাদের লাখ লাখ ছেলেমেয়েরা ভাবছে,
সরকারি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হতে পারলেও জীবন ধন্য (যদিও জানে না ব্যাংকিং তার আসলেই ভালো লাগবে কি লাগবে না)।
স্বপ্ন দেখানোর মানুষের যেমন বড্ড অভাব, স্বপ্ন দেখার মানুষেরও অভাব পড়েছে দেশটাতে।
ফলাফল?
১। সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ৫৪ হাজার কোটি টাকা (২০১৬ সালে ছিলো ২৪ হাজার কোটি টাকা)। আর ৮-১০ লাখ বিদেশিদের ব্যবসায়ীরা বেতন দিচ্ছে ৭০ হাজার কোটি টাকা!
২। দেশের কয়েকশত প্রতিষ্ঠানের সিইও ভারতীয়! আর আমরা সেখানে তাদের অধীনে দৌড়াদৌড়ি করি।
৩। ভারতীয়দের ১০০ সিইও সারা দুনিয়া থেকে যা আয় করে, আমরা লাখ লাখ শ্রমিক পাঠিয়েও সেই টাকা পাই না।
আমরা কবে বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইও তৈরি করবো? অন্তত দেশে সিইও মানে হাজার ১০ উঁচু বেতনে বসে থাকা বিদেশিদের জায়গাটা নিতে পারবো?
কবে পারবো?
(Collected)
আমরা পারবো, আমাদের তরুণরা পারবে, সেদিন বেশী দূরে নয়।
Chatar Paiya I.K Dakhil Madrasha.
ছাতার পাইয়া ইসলামীয়া কারামতিয়া দাখিল মাদ্রাসা.
ছাতার পাইয়া বাজার.
সেনবাগ,নোায়াখালী
19/08/2017
দেখুন ভিডিও সহ...মায়ের ভালবাসা..🎁💜
MA KE NIYE VIDEO ভিডিওটি দেখুন, চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না। MA AKTI OMULLO JINIS....
17/08/2017
সোনাইমুড়ীতে মাজারের খাদেমকে গলাকেটে হত্যা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীতে মাজার খাদেমের গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ব্যক্তির নাম সোনামিয়া (৬৫)। বুধবার রাত ৯টায় নদনা ইউপির হাটগাঁও...
16/07/2017
মুখ দিয়ে কলম ধরে দিব্যি লিখতে পারেন ইয়ানিস ম্যাকডেভিড
ইয়ানিস ম্যাকডেভিডের সঙ্গে প্রথম দেখাতেই তাঁর বিশেষত্বটা আপনার চোখে পড়বে। হাত নেই, পা নেই, একটা অত্যাধুনিক হুইলচেয়ারে তিনি চলাফেরা করেন। তাঁর সঙ্গে আপনার আলাপ জমে উঠবে দ্রুত। ইয়ানিস নিশ্চয়ই খুব আগ্রহ নিয়ে নিজের গল্প বলবেন, আপনার গল্প শুনবেন এবং টুকটাক রসিকতাও করবেন। আমাদের সঙ্গে আলাপের এক ফাঁকে যেমন বলছিলেন, ‘কীভাবে যে আপনারা দুই পায়ের ওপর হাঁটেন, সেটা আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়!’
ইউনিসেফ (জাতিসংঘ শিশু তহবিল) বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ইয়ানিস ম্যাকডেভিড ঢাকায় এসেছিলেন ৭ জুলাই। ঢাকা ও সাভারের কয়েকটি জায়গা ঘুরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও তরুণদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। ইউনিসেফের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে আমাদের দেখা হলো ৯ জুলাই। বাংলাদেশে এসেছেন এবারই প্রথম। তবে ভ্রমণপ্রিয় এই তরুণ এরই মধ্যে ইউরোপ ও এশিয়ার বহু দেশ ঘুরেছেন। ঘুরে বেড়ানো তাঁর নেশা। ইয়ানিসের ভাষায়, ‘চার সপ্তাহের বেশি আমি এক জায়গায় থাকতে পারি না। এটাই সম্ভবত আমার সত্যিকার অক্ষমতা। হা হা হা!’ জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব উইটেন হার্ডেকের ইকোনমিকসের এই ছাত্র একজন অনুপ্রেরণাদায়ী বক্তা (মোটিভেশনাল স্পিকার)। গত এক বছরের মধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রায় ষাটটি বক্তৃতা করেছেন তিনি।
তাঁর বক্তব্যের মূল কথা খুব সহজ (খুব কঠিনও বলা যায়)। ‘যা তুমি পরিবর্তন করতে পারবে না, সেটা মেনে নাও। তোমার কী নেই, সে হিসাব না করে বরং দেখো, কী আছে।’ অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তবেই জীবন থেকে এই শিক্ষা পেয়েছেন ইয়ানিস ম্যাকডেভিড। হাত-পা ছাড়া তিনি জন্মেছেন। খুব ছোটবেলায় অতশত বুঝতেন না। মোটরসাইকেলে বসা একটা খেলনা পুলিশ অফিসার নিয়ে খেলতেন আর স্বপ্ন দেখতেন, ‘বড় হয়ে আমিও ওর মতো হব, মোটরসাইকেলে চড়ে গুন্ডা–বদমাশদের তাড়া করব!’
ভাবুন তো, বাচ্চা একটা ছেলে জীবনে প্রথম একটা কঠিন সত্যের মুখোমুখি হলো আট বছর বয়সে। আয়নায় নিজের পূর্ণ অবয়ব দেখে আবিষ্কার করল, সে আর দশটা মানুষের মতো নয়। যে স্বপ্নটা সে এত দিন দেখে এসেছে, সেই স্বপ্নপূরণের পথ তার নেই। হ্যাঁ, আট বছর বয়সেই প্রথম ধাক্কাটা খেয়েছিলেন ইয়ানিস ম্যাকডেভিড। এরপর থেকে পারিবারিক, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানগুলো এড়িয়ে চলতেন। সিঁড়ি ভাঙার ভয় কিংবা হুইলচেয়ারে চলাফেরা করার লজ্জায় কোথাও যেতে চাইতেন না। কোথাও গেলে সবাই তাকিয়ে থাকে—এই ব্যাপারটাও তাঁকে পীড়া দিত।
আর এখন? ইয়ানিস বলেন, ‘মানুষের মনোযোগ কেড়ে নেওয়া একটা দারুণ উপভোগ্য বিষয়। কোথাও গেলে সবাই ফিরে ফিরে তাকায়, নিজেকে সুপারস্টার মনে হয়!’ দৃষ্টিভঙ্গির এই বড় পরিবর্তন আনার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন তাঁর মা। ইয়ানিস বলছিলেন, ‘মা আমাকে কখনোই বুঝতে দিতে চাননি, আমি আলাদা।’ ছেলেকে বিশেষায়িত স্কুলে দিতে রাজি হননি তিনি, আর দশটা ছেলেমেয়ের মতো সাধারণ স্কুলে পাঠিয়েছেন। এমনকি স্কুলে শিক্ষক যখন বলেছেন, ‘নাচের ক্লাসটা ওর না করলে হয় না?’ মা পাল্টা প্রশ্ন করেছেন, ‘কেন নয়?’ ইয়ানিসকেও জোর দিয়ে বলেছেন, ‘নাচের ক্লাসে তোমাকে যেতেই হবে।’ এখন সে সময়ের কথা মনে করে জার্মান তরুণটি হাসেন। বলেন, ‘অন্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আমিও নাচতে চেষ্টা করতাম।’
এই হুইলচেয়ার তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ছবি: খালেদ সরকার
মা ছাড়া আরও অনেকের কাছে কৃতজ্ঞ ২৫ বছর বয়সী এই যুবক। ছোটবেলার আরেকটা ঘটনা বললেন তিনি। ‘পাঁচ বছর বয়সে একজন পুলিশ অফিসারের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। আমার স্বপ্নের সেই মোটরসাইকেলওয়ালা পুলিশ! তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমার মতো হতে চাইলে আমাকে কী করতে হবে? এখন বুঝি, প্রশ্নটা তাঁর জন্য খুব কঠিন ছিল। তবে তিনি কিন্তু একটা দারুণ উত্তর দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, “আগে পড়ালেখা শেষ করো, তারপর দেখা যাবে।”’ মোটরসাইকেল চালানো বা পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন তাঁর পূরণ হয়নি। তবে ইয়ানিস ম্যাকডেভিডের একটা বিশেষায়িত গাড়ি আছে। জয়স্টিকের সাহায্যে নিজের গাড়ি তিনি নিজেই ড্রাইভ করেন।
ইয়ানিস বিশ্বাস করেন, হাত-পায়ের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো সৃজনশীলতা। চিন্তার শক্তি। বলছিলেন, ‘আমার মতো বিশেষভাবে সক্ষম যাঁরা, তাঁদের সবার আমার মতো আর্থিক সচ্ছলতা নেই। পরিবার বা সমাজের কাছ থেকে সহায়তা অনেকে পায় না। তবু আমি বলব, মনের জোরটাই সবচেয়ে বড়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলেন স্টিফেন হকিং। শুধু চিন্তার ক্ষমতা দিয়েই একটা মানুষ কীভাবে নতুন নতুন আবিষ্কার করে আমাদের চমকে দিচ্ছেন, ভাবুন একবার!’
কেবল স্টিফেন হকিংই নন, নানান দেশ ঘুরে ঘুরে ইয়ানিস অনুপ্রেরণা পান খুব সাধারণ মানুষদের কাছ থেকেও। ইউনিসেফের আয়োজনে ঢাকার মিরপুরে একদল সুবিধাবঞ্চিত শিশুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। এই ছেলেমেয়েরা কীভাবে তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে, সে গল্পও বললেন। ‘গান গেয়ে ওরা আমাকে স্বাগত জানিয়েছে। আপনার হাত-পা আছে কি নেই, ছোট ছেলে–মেয়েদের কাছে কিন্তু এসব গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি মুখে কলম ধরে লিখতে পারি দেখে যেমন একটা ছোট মেয়ে খুব অবাক হলো। বলল, তুমি মুখ দিয়ে লিখতে পারো! আমি তো এখনো হাত দিয়েও লেখা শিখিনি।’
এভাবেই নানা দেশ ঘুরে অনুপ্রাণিত হন, মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন এই তরুণ। কথা দিয়ে মুগ্ধ করার জাদু তিনি জানেন। হ্যাঁ, ইয়ানিস ম্যাকডেভিড এমন একজন মানুষ, যাঁর সঙ্গে প্রথম দেখাতেই তাঁর বিশেষত্বটা আপনার চোখে পড়বে। তিনি ভীষণ আত্মবিশ্বাসী, আমুদে। খুব ভালো বক্তা। আর তাঁর চোখ দুটো ভীষণ উজ্জ্বল!
আরও সংবাদ
বিষয়:
16/07/2017
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী স্যারের সঙ্গে কথা হলে টের পাই স্যার কেমন পড়েন। শুধু যে বই বা রিপোর্ট পড়েন তা নয়, দিনে একাধিক খবরের কাগজ পড়েন। প্রতিদিনই ডেইলি স্টার-এরক্রসওয়ার্ড আর প্রথম আলোর সুডোকু মিলিয়ে ফেলেন, সকালে। কখনো বাসায়, কখনো গাড়িতে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে। পড়ার এই অভ্যাস তিনি নিজেই তৈরি করেছেন। সেই মধ্য পঞ্চাশে এসএসসি পরীক্ষার পর প্রতিদিনই তিনি সদ্য চালু হওয়া পাবলিক লাইব্রেরিতে (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার) সকালে চলে যেতেন, দুপুরে বাসায় খেয়ে এসে আবার লাইব্রেরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত চলত তাঁর বইপড়া। ছোটবেলা থেকে যেকোনো বিষয়ের বই পড়তেন, কোনো বাছবিচার ছিল না। সেই সময়ে পাঠ্যবইয়ের বাইরে ‘আউট বই’ পড়ার ব্যাপারে অনেক পরিবারে আপত্তি থাকলেও স্যারের বাবা তাঁকে অনেক বই এনে দিতেন। দুনিয়ার আজব কাহিনি দিয়ে স্যারের আউট বই পড়া শুরু। ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় পড়ে ফেলেছেন ‘দস্যু মোহন’ সিরিজের এক শ বই। বুয়েটে পড়ার সময় প্রতিদিন ক্লাস থেকে চলে যেতেন ব্রিটিশ কাউন্সিলে, কোনো কোনো দিন ইউএসআইএস লাইব্রেরিতে। নিউমার্কেটে সন্ধ্যায় গিয়ে নলেজ হোমে পড়ে ফেলতেন কোনো না কোনো বই! সব সময় বই পড়ার জগতে থাকার এই অভ্যাস স্যারের এখনো রয়েছে। স্যারের আপ্তবাক্য: ‘পড়ার সময় এখনই। বিষয় নিয়ে ভাবার দরকার নেই। শুধু পড়তে থাকো।’
এ শুধু জামিলুর রেজা স্যারের গল্প নয়। মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিলগেটসের কথা ভাবুন। কেমন করে তিনি জানলেন সফটওয়্যারেরই রয়েছে ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ? উত্তর দিচ্ছেন, আমি পড়েছি। কেবল পড়েছি। এবং এখনো পড়ছি। বিল গেটস কেবল পড়েন না। তাঁর ভালো লাগার বইগুলো সম্পর্কে তাঁর পাঠক-অনুসারীকে জানিয়ে দেন। তাঁর নিজের লেখালেখির ব্লগ গেটসনোটের বড় অংশই কিন্তু বই, বই আর বই। পড়ো, পড়ো এবং পড়ো।
তো, কেবল ভবিষ্যৎ জানা, জ্ঞানের আকর কিংবা সম্পদশালী হওয়ার জন্য নয়। নির্মল আনন্দ পাওয়া বা বিনোদিত হওয়ার এমন আশ্চর্য মাধ্যম আর কীই বা আছে?
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, ব্যায়াম যেমন শরীর ভালো রাখার জন্য দরকার, তেমনি বই পড়াটা হলো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অতি দরকারি। গবেষকেরা বই পড়ার গোটা বিশেক সুফল তুলে ধরেন। এর মধ্যে কয়েকটা তো খুবই দরকারি।
বই পড়ার সময় আমাদের চোখ আর মন যে কেবল কাজ করে, তা নয়; বরং কল্পনাশক্তিরও একটি চর্চা হয়। মস্তিষ্ক থাকে সচল। ফলে বই পড়া হয়ে পড়ে মানসিক উদ্দীপনার একটি নিয়ামক। গবেষণা বলছে, মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার একটা বড় উপায় হচ্ছে বইয়ের মধ্যে ডুবে যাওয়া। ঔপন্যাসিক আদ্রে জিদ যেমন বলতেন, বই দিয়ে নিজের একটা জগৎ গড়ে তুললে দরকারমতো সেখানে ডুব দেওয়া যায়। জ্ঞান কিংবা শব্দভান্ডারের বৃদ্ধি, নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানা, এসব সুফলের কথা তো আমরা সবাই জানি। তবে বই পড়লে সবচেয়ে বেশি বাড়ে বিশ্লেষণী শক্তি। বেড়ে যায় সমস্যা সমাধানের দক্ষতা। বেড়ে যায় স্বপ্ন দেখার শক্তিও।
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে অন্যতম আলোচিত উদ্যোক্তা টেসলা ও স্পেসএক্স কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্কের কথাই ধরা যাক। এলনের বয়স যখন নয়, তখন তিনি এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা (বিশ্বকোষ) সম্পূর্ণ পড়ে ফেলেছিলেন। সে সময় তিনি বিজ্ঞান কল্পকাহিনি পড়তেন দিনে গড়ে ১০ ঘণ্টা!!! কাজে যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো এত্ত এত্ত স্বপ্ন আর সেটি পূরণের শক্তি কোথা থেকে আসে? তিনি নিজে বলেন, আমি পড়ি। যখনই সুযোগ পায় তখনই পড়ি।
যত পড়া হয় তত লেখার দক্ষতা বাড়ে, নিজেকে মেলে ধরার ক্ষমতা বিকশিত হয়। বই পড়তে হয় মনোযোগ দিয়ে, কখনো কখনো কল্পনাকে ছেড়ে দিলে ফোকাস হওয়ার এক আশ্চর্য ক্ষমতা তৈরি হয় নিজের মধ্যে।
এই যে পড়ার এক জাদুকরি সুফল, সেটি কেমন করে পাওয়া যাবে? সহজ উত্তর: পড়ো, পড়ো, পড়ো।
অনেকেই বলেন, পড়ার সময় পাই না। কাজের মধ্যে ডুবে থাকি, তাই পড়তে পারি না।
আসলে এটি একটি অজুহাত। ১৬-১৮ ঘণ্টা কাজের জগতে ডুবে থাকেন এমন মানুষেরা কিন্তু পড়তে থাকেন ফাঁক পেলে। কারণ পড়াটা হয়ে পড়েছে তাঁদের প্রাত্যহিকতার অংশ।
আপনি যদি ভালো পড়ুয়া হতে চান, তাহলে ‘পড়া’কে আপনার জীবনের অংশ করে ফেলতে হবে। ঢাকাবাসীর একটা বড় অংশ কেটে যায় রাস্তায়, যানজটে। সেই সময়টা বই পড়ায় দিয়ে দিন (বুক, ফেসবুক নয়!)। এখন অনেক বই আপনি পড়তে পারবেন আপনার স্মার্টফোনে। বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ল্যাসিক এখন পাবলিক ডোমেইনে এবং এগুলোর ই-বুক পাওয়া যায় বিনা মূল্যে। ইন্টারনেট থেকে সহজে সেগুলো সংগ্রহ করা যায়। বাসায় যখন থাকবেন, তখনো কিছু কিছু পড়তে হবে। প্রতিদিন পড়ার অভ্যাস জিইয়ে রাখার একটা ভালো বুদ্ধি হলো প্রতিদিন কমপক্ষে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকা পড়া।
সব সময় একটা বই হাতের কাছেই রাখতে পারেন। বিল গেটসের মতো অনেকেই একসঙ্গে দু-তিনটি বই পড়তে পারেন। অনেকেই একটার পর একটা পড়েন। নতুন করে বইয়ের প্রেমে পড়তে চাইলে অবশ্য সমান্তরালে কয়েকটা বই পড়া ভালো।
বই পড়াটাকে আপনি আপনার অভ্যাসে পরিণত করার আরেকটা উপায় হলো পড়া বই নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা। একসময় এ দেশে অনেক পাঠচক্র সচল ছিল। এখন সেটি নেই বললেই চলে। বন্ধুদের সঙ্গে কিংবা পারিবারিক আড্ডায় নতুন পড়া বই নিয়ে আলাপ করতে পারেন। যে বই পড়ছেন সেটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখাও যেতে পারে। আপনার দেখাদেখি অনেকেই আপনার সঙ্গে এই আলোচনায় যুক্ত হয়ে যাবেন।
চেষ্টা করলেই বই পড়াকে আপনি আপনার প্রাত্যহিকতার একটি অংশ করে ফেলতে পারবেন। বিভিন্ন গবেষণা বলে, বই পড়ার অভ্যাস করতে সারাক্ষণ একটা বই সঙ্গে রাখতে পারেন। প্রথম দিকে দিনে দুইটা সময় বের করে রাখেন। ১০ মিনিট হলেও ওই সময় কেবল পড়ুন। সময় নিয়ে একটা তালিকা করে ফেলতে হবে যে বইগুলো আপনি পড়তে চান। এই তালিকা কখনো ফুরাবে না। কারণ, নতুন নতুন বই এই তালিকায় যুক্ত করবেন আপনি। ছোট সন্তানদের বই পড়ে শোনান। একদম নিয়মিত। সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন ওদের গল্প পড়ে শোনাবেন। ওদের মধ্যে যেমন পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে, তেমনি আপনি হয়ে উঠবেন একজন ভালো পড়ুয়া। হালকা মেজাজের, কৌতুক কিংবা মজার বইও পড়ুন। সম্ভব হলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আজ কী পড়লেন, তার একটা সারাংশ লিখে ফেলুন নোটখাতায় কিংবা ফেসবুকের পাতায়।
বিশ্বাস করুন, ঠিক ঠিক তিন মাস যদি এ নিয়ম মেনে চলেন, তাহলেই আপনি হয়ে যাবেন একজন সর্বভুক পড়ুয়া। আপনার বই পড়ার জগৎ আনন্দময় হোক।
বই পড়ার কত যে উপায়
কাগজে ছাপা বই হাতে নিয়ে পড়ার আনন্দই আলাদা। আবার যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় হাতের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ কম্পিউটারেও ই-বুক বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বই পড়ার সুযোগ রয়েছে। ইন্টারনেটে থাকা তথ্যের মহাসাগরে আছে অসংখ্য বই।
বই পড়তে পারেন এমন কিছু ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া হলো—
বিল গেটসের বই ভাবনা: www.gatesnotes.com/Books
চারমিনিটের বই: http://fourminutebooks.com
বইয়ের দুনিয়া গুডরিডস: www.goodreads.com
উদ্যোক্তা ও আগ্রহীদের জন্য ওয়াইকম্বিনেটর: www.ycombinator.com/resources
গডিন ও কাওয়াসাকির বইপত্র: www.sethgodin.com ও www.guykawasaki.com
মনন বিকাশের জন্য ফারনাম স্ট্রিট: www.farnamstreetblog.com
এ সময়ের বই নিয়ে পেইজ টার্নার: www.newyorker.com/books/page-turner
মুঠোফোনে
মুঠোফোনে বই পড়ার জন্য ব্লিঙ্কিস্ট, অডিবল, কিন্ডল অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটে ই-বুক অ্যাপ দেওয়াই থাকে। সেসবেও অনেক ই-বুক পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিশ্বসাহিত্যের চিরায়ত বইগুলো।
collected.
28/05/2017
01/02/2017
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নোয়াখালীতে সুপার লাঞ্চিত - আলোকিত বাংলাদেশ ছাত্রীকে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া আই.কে দাখিল মাদরাসার ওই মাদরাসা সুপার সফিকুর রহমানকে বখাটেরা লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে ও তাদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা। উপজেলা ছাতারপাইয়া বাজারের আজ মঙ্গলবার...
16/12/2016
১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ছাতার পাইয়া ইসলামিয়া কারামতিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান পালিত হয়
26/09/2016
Our..Madrasha...Teachers and Students..:-) :-)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Chatar Paiya, Senbag, Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
B289