NEXT Classroom

NEXT Classroom

Share

Introducing difficult topics to students in an easy way so that anyone can delve deeper into a topic and broaden their horizons.

Our main objective is to build an intellectual society and state with these thinking people. To make understand critical topics easy for the student

03/11/2023

এই পার্থক্যটা কি আমরা সবাই জানি?

19/09/2020

The goal of Life is to make our heartbeat match the frequency of the Universe, to match our nature with the Universal Nature..!!

14/09/2020

আসতেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আলোচনা। আসা করি আপনারা সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

14/09/2020

একাদশ শ্রেনীর ভর্তির সম্পূর্ণ গাইডলাইন.......প্রয়োজনে স্যারদের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

10/09/2020

আমি চাচ্ছিলাম যে কিছু বিখ্যাত বেস্টসেলার বইয়ের টপিকগুলো নিয়ে আলোচনা করতে। এতে আমাদের কি লাভ হবে? আসলে এতে আমাদের অনাগত ভবিষ্যত জীবনের আগত সমস্যা গুলোর সমাধানের পথটা অনেকটা সহজ হবে এবং একটি ভালো অভ্যাস গড়ে উঠবে। আর আমরা তো জানি.......

"একটি ভালো বই হলো বর্তমান ও চিরকালের জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট বন্ধু"

------------------------- (টুপার)

আপনাদের মতামত আসা করি কমেন্টে জানাবেন। ধন্যবাদ

09/09/2020

এর জন্য আমাদের সবার প্রথমে একটি সুন্দর মন তৈরি করতে হবে। আর সুন্দর মন তৈরির অন্যতম ও প্রধান শর্ত হলো সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া।

28/08/2020

সবাই কেমন আছো? তোমাদের পরীক্ষার প্রিপারেশন কেমন? যদি কোনো সমস্যা থাকে( পর্দাথ+গনিতে ) তাহলে ভাইয়ার সাথে ইনবক্সে যোগাযোগ করিও। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো তোমাদেরকে সাহায্য করার।তোমাদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা থাকলো
Fahim

23/04/2020

Miss You Everyone ❤ Miss You Next Classroom ❤

01/08/2019

একজন সদ্য ধনী হওয়া লোক সকালে ঘুম থেকে ওঠে নিজের বাড়ির বারান্দায় বসে বউয়ের সাথে খোশগল্প করছেন।বউ বলছেন- দেখো , তোমারতো এখন মেলা টাকা পয়সা হয়েছে। এখন আর অতো কিপটামি না করে,পোলাপানদের পুষ্টির জন্য কিছু টাকা পয়সা খরচ করো। লটকা'র স্বাস্থ্য দেখছো। কি নাজুক অবস্থা। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন গোয়ালা দুধ নিয়ে যায়।অন্তত ১ লিটার দুধতো ওর কাছ থেকে প্রতিদিন কিনতে পারো। পিছন থেকে লটকা বলে ওঠলো- মা, দুধ খামু।
বউয়ের কথা কর্তার মনে ধরলো। বললেন- গোয়ালা দেখলেই ডাক দিবা।

পরেরদিন সকালে গোয়ালা হাজির। কর্তা বললেন- ১লিটার দুধের দাম কতো? ৪০ টাকা। ঠিক আছে। কাল সকাল থেকে প্রতিদিন ১ লিটার করে দুধ দিয়ে যাবা। আচ্ছা - বলেই গোয়ালা রওয়ানা দিলো।

কর্তা চিন্তা করলেন। ৪০ টাকায় ১ লিটার বলার সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেলো। দেখিনা ৪০ টাকায় ২ লিটার দুধ দেয় কিনা।
গোয়ালাকে আবার ডেকে বললেন- আচ্ছা, ৪০ টাকায় তুমি কি ২ লিটার দিতে পারবা?
জ্বি, তা পারবো।
দুধ খেয়ে লটকা'র পুষ্টি বেশ যষ্টি হতে শুরু করেছে। লটকা পুষ্টিতে পরিপুষ্ট, কর্তা কত্রী দুজনেই বেশ তুষ্ট।

কিছুদিন পর কর্তা চিন্তা করলেন-৪০ টাকায় ২লিটারে রাজি হয়ে গেলো। তাহলে ৩ লিটার দেয় কিনা চেষ্টা করে দেখি।
গোয়ালাকে বললেন- এই তুমি কি ৪০ টাকায় ৩ লিটার দিতে পারবা?
জ্বি বাবু তাও পারবো। কিন্তু দুধ খেয়ে লটকা'র পুষ্টি এবার আর তেমন বাড়েনা। খেলার মাঠে সামান্য ল্যাং খেলেই লটকা চ্যাং হয়ে ছিটকে পড়ে। কর্তা চিন্তা করলেন- দুধের পরিমাণ আরেকটু বাড়াতে হবে। গোয়ালাকে বললেন- ৪০ টাকায় ৪ লিটার দিতে পারবা?
জ্বি পারবো। তবে দুধে পুষ্টিতো দূরের কথা দুধের রঙই আর খুঁজে পাবেন না। সব জলরঙ হয়ে যাবে। এক লিটার দুধে আর কত জল মিশানো যায় বলেন?

আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার অবস্থাও এরকম। শিক্ষকদের ওপর নির্দেশ আসলো পাশের হার ৬০ হবে। উনারা বললেন- নো প্রবলেম।
শিক্ষাকর্তা ৬০ এ সন্তুষ্ট না।আরো বাড়াতে হবে।
অসুবিধা নাই। কত চান? ৭০,৮০,৯০,৯৫,৯৯%। চিন্তার কোনো কারণ নাই। A+কত চান? শত, হাজার, দশহাজার, ২০ হাজার, লাখ। নো প্রবলেম।হচ্ছে, হবে, হয়ে যাবে। যা চান , তাই সাপ্লাই দেয়া হবে।
শিক্ষাকর্তা বেজায় খুশী। পাশ আর পাশ। প্লাস আর A প্লাস।

এবার এই A প্লাস খাওয়া বাস্তব একটা পুষ্টির নমুনা দেই।
আমার কাজিন-খুশীতে গদগদ হয়ে নাচতে নাচতে ফোন করলো- ভাইয়া শুধু A+ না একেবারে গোল্ডেন A+ পেয়েছি।
গোল্ডেন এ প্লাস নামক এই অদ্ভূত জিনিস পৃথিবীর আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই। বললাম, ভালোইতো হলো। আমরা আগে পরীক্ষা দিলে মার্কস পেতাম। তোরা সোনা পাওয়া শুরু করেছিস। জমিয়ে রাখ, বিয়ের সময় কাজে লাগবে।

মনে হয় একটু রেগে গেলো। বললো- তুমি না শুধু ঢং করো।
আচ্ছা আর ঢং করবোনা। এবার বললাম- ইংরেজিতে কত মার্কস পেয়েছিস।
তুমি না কিছুই বুঝোনা।বললাম না গোল্ডেন A প্লাস পেয়েছি। এর মানে বোঝ?
মানে বোঝারইতো চেষ্টা করছি। দেখি তোর Golden A + এর নমুনা।
বলতো-"আমার একটা পোষা বিড়াল আছে এবং আমি আমার বিড়ালটিকে খাওয়াই"-এর ইংরেজি কি?

খিলখিল করে হেসে বললো- এইটাতো একেবারে সোজা। এর চেয়ে কত কঠিন সৃজনশীল প্রশ্নের জবাব দিলাম।
এটার ইংরেজি হবে-I am a cat and I eat my cat. গ্রামার ঠিক হয়েছে ভাইয়া?
বললাম, গ্রামারের আর দরকার কি? তোর নিজের গ্ল্যামার ঠিক রাখলেই হবে।তোকে কর্তার ছেলে লটকা'র সাথে বিয়ে দিবো। একটা জল মিশ্রিত দুধ খেয়ে খেলার মাঠে লটকে থাকে আর একটা শিক্ষার মাঠে নিজেই বিড়াল হয়ে বিড়াল খেতে থাকে।

কিছুদিন আগের ঘটনা। মফস্বলের এক অনুষ্ঠানে জনৈক মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় একটি ঘরোয়া বৈঠকে বলছেন-
আপনারা আমাকে যেভাবে হসপিটালাইজড করেছেন তাতে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি।
মন্ত্রী'র কথা শুনে এ ওর দিকে তাকায়। ঘটনা কি? মন্ত্রী আবার এখানে হাসপাতালে কবে ছিলেন?
আসলে উনি বলতে চেয়েছিলেন- যেভাবে হসপিটালিটি করেছেন।

বড়ই নাজুক। দুধ মনে করে পানি খাওয়ানো শিক্ষা ব্যবস্থাও নাজুক। আসলে দুধের পরিবর্তে বেড়েছে শুধুই জল, আর শিক্ষার মানের পরিবর্তে বেড়েছে শুধু পাশের ফল।

তারপরও যারা ভালো রেজাল্ট করে পাশ করেছো তোমাদের জন্য অনেক শুভকামনা। আর যারা এ অথবা গোল্ডেন এ পেলেনা বলে মনে দুঃখ পাচ্ছো। তারা কোনো দুঃখ পেয়োনা। জীবনটা অনেক বড়। একটা সার্টিফিকেটই জীবনের সবকিছু না। Collected from the wall of Colonel prof dr. Nurul Azim Retd.

16/07/2019

Math 2nd Paper || All Chapter Review
©মিনহাজ ভাইয়া!!

Classroom : আগামীকাল থেকে কোর্স শুরু হবে..
©অধ্যায়ঃ (১) বাস্তব সংখ্যা।
©সকালঃ৮টা
: https://youtu.be/MvRiml5EBr4

15/07/2019

।। সাধারণ শিক্ষার্থী বনাম তুখোড় মেধাবী শিক্ষার্থী ।।

চলো জেনে নেওয়া যাক একজন তুখোড় মেধাবীর বিশেষত্বগুলো সম্পর্কে!
১) লেকচার কী নিয়ে সে সম্পর্কে ধারণা রাখে আগে থেকেই –
একজন তুখোড় মেধাবী ক্লাস বা লেকচারে কী নিয়ে কথা বলা হবে সেটা নিয়ে বিস্তারিত ধারণা রাখে ক্লাসের আগে থেকেই। এবং তার পাশাপাশি ওই টপিক নিয়ে তার যাবতীয় কনফিউশন আর সমস্যাগুলোকে মার্ক করে নোট ডাউন করে রাখে। এবং সেগুলো ক্লাসেই সমাধান করিয়ে নেয়। ওরা ফ্লিপড ক্লাসরুম মডেল অনুসরণ করে। ক্লাসে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা ওদের অভ্যাস।
যারা সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী হতে ইচ্ছুক তাদের বলছি, এখন থেকেই প্রতিটি ক্লাস বা লেকচারে অংশ নেওয়ার আগে সেখানে কী নিয়ে কথা বলা বা আলোচনা করা হবে সেটা নিয়ে আগে থেকে ধারণা নাও। প্রবলেম আর কনফিউশনগুলোকে মার্ক করে রাখো আগেভাগেই।

২) আত্মবিশ্বাসী, উদ্যমী আর প্রত্যয়ী মনোভাববিশিষ্ট –
একজন সাধারণ আর একজন তুখোড় মেধাবীর আত্মবিশ্বাসের তফাত একদম আকাশ-পাতাল। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী নিজের যোগ্যতা আর অবস্থান নিয়ে সংশয়ে ভোগে। সবসময় শর্টকাট বা কম পরিশ্রমে সফলতা অর্জনের রাস্তা খোঁজে। তবে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তার অবস্থান নিয়ে সচেষ্ট এবং তার আত্মবিশ্বাস দৃঢ়। তারা সব সময় নতুন কিছু জানা আর শেখার জন্যে আগ্রহী। ওদের লক্ষ্য পূর্ব নির্ধারিত এবং ওরা এই লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিনিয়ত উদ্যমের সাথে কাজ করে যায়।
৩) জেদ থাকাটা জরুরি –
বেশ সাধারণ একটা অভিযোগের মধ্যে একটা হলো পড়াশোনা নিয়ে বাবা – মায়ের শাসন। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ার যে জার্নি, সেখানে বাবা – মা কিন্তু কাউকে ঠেলে বা টেনে বেশি দূর নিয়ে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে নিজের জেদ, ইচ্ছা, আগ্রহ আর প্রচেষ্টার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।
আর যারা বাবা – মায়ের শাসন নিয়ে কিঞ্চিত বিরক্ত তাদের জন্য বলি, বাবা – মা আর অভিভাবকেরা আমাদের ভালোই চান আর তাই তারা আমাদের ভুলগুলো শুধরে দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করেন। সন্তান হিসেবে আমাদেরও কর্তব্য তাদেরকে এই নিশ্চয়তাটুকু দেওয়া যে আমরাও আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক।
৪) Be stronger than your strongest excuse –
কথায় বলে বাঙ্গালীর তিন হাত। ডান হাত, বাম হাত আর অজুহাত। অজুহাত দেখানোর সুযোগ পেলে সেটাকে হাতছাড়া করার মতো ভুল সচরাচর আমরা বাঙ্গালীরা সাধারণত করি না। এখানেও সাধারণ আর মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে তফাত। সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেকোনো অজুহাত পাওয়া মাত্রই সেটার সদ্ব্যবহার করে ফেলে। অন্য দিকে অজুহাত তুখোড় মেধাবীদের কাছে তেমন একটা পাত্তা দেয় না।
হাজারটা অজুহাত থাকা সত্ত্বেও দিনশেষে পড়াটা শেষ করেই ফেলে ওরা। ওদের জেদ আর উদ্যমের কাছে হেরে যায় সব ধরণের অজুহাত। তাই তুখোড় মেধাবী হওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো অজুহাতকে এড়িয়ে চলার ক্ষমতা রাখা।
৫) Be Proactive. Don’t be Reactive –
Proactive হলো সেসব শিক্ষার্থীরা যারা সকল কিছু নিয়েই আগে থেকেই ধারণা রাখে। তুখোড় মেধাবীরাই হলো proactive। পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য অনেক কিছু নিয়ে ধারণা রাখে তারা। পড়াশোনার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমেও ওদের সরব উপস্থিতি। এবং শেষ পর্যন্ত সফলতার সাক্ষাত পায় ওরাই।
অন্যদিকে Reactive হলো সেসব শিক্ষার্থীরা যাদেরকে তাড়া দিয়ে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়। বার বার মনে করিয়ে দিতে হয়। তাই,

Be Proactive. Don’t be Reactive.
আর Proactive হওয়ার পাশাপাশি অভ্যাস করো ফলো আপের। কোনো ফেস্টে অ্যাপ্লাই করেই থেমে যেও না। খোঁজ করো নতুন কোনো তথ্য এলো কিনা। একটা নতুন কিছু পড়লে বা শিখেই রেখে দিলে চলবে না। আমরা অনেকেই ভোকাবুলারি শিখি, রেখে দেই আর তারপর ভুলে যাই। এটা অনুচিত। নিয়ম করে ফলো আপ করো অর্থাৎ রিভিশন দাও।
৬) লক্ষ্য থাকা চাই পূর্ব নির্ধারিত –
“যদি লক্ষ্য থাকে অটুট
বিশ্বাস হৃদয়ে
হবেই হবে দেখা
দেখা হবে বিজয়ে।”
প্রথমত লক্ষ্য থাকা চাই পূর্ব নির্ধারিত এবং স্থির। তুখোড় মেধাবীরা এই লক্ষ্য সংক্রান্ত ব্যাপারে সবসময়ই সতর্ক থাকে। এরা এদের স্থির করা লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিনিয়ত কাজ করে যায়। অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই এই লক্ষ্যের ব্যাপারে কিছুটা উদাসীন
৭) শিক্ষককে সাহায্য করার মানসিকতাটাও থাকা চাই –
একজন শিক্ষক হিসেবে আমার অভিধানে খারাপ শিক্ষার্থী বলে কোনো শব্দ নেই। কোনো শিক্ষার্থী আমার পড়ানো বুঝতে না পারলে সেটা একান্তই আমার ব্যর্থতা। এই একই অনুভূতিটা শিক্ষার্থীদের মাঝেও জাগ্রত হওয়া উচিত। আর তাহলেই সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া যাবে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ থেকেই শুরু করে দাও এই অভ্যাসগুলোর অনুশীলন, আশা করি আমাদের সবার সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী হওয়ার রাস্তা আরও সহজ হয়ে যাবে! আর তুখোড় মেধাবীরা চালিয়ে যাও এই সুন্দরের চর্চা! সবার জন্য শুভকামনা রইল!

09/07/2019

join us!!

ভর্তিঃ ১জুলাই - ৩০ জুলাই
ক্লাস শুরুঃ ১ আগস্ট থেকে।

বিস্তারিত জানতে অফিসে এসে যোগাযোগ করুন।
01783888369

Want your school to be the top-listed School/college in Noakhali Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Kabirhat
Noakhali Sadar Upazila

Opening Hours

Monday 08:00 - 11:00
Tuesday 08:00 - 11:00
Wednesday 08:00 - 11:00
Thursday 08:00 - 11:00
Saturday 08:00 - 11:00
Sunday 08:00 - 11:00