রমাদ্বানের শেষ দশ রাত্রি। যার জন্য আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেছেন, "কসম দশ রাত্রির" (আল-ফজর: ২)। আরো বিশেষত্ব হল এই দশ রাত্রির মধ্যকার যে কোন বিজোড় রাত্রিতেই লুকায়িত আছে 'লাইলাতুল কদ্বর'। আজ থেকেই শুরু হোক 'লাইলাতুল কদ্বরের ' অন্বেষণ।
নোট- ২৭ রমাদ্বানের রাত্রিতেই লাইলাতুল কদ্বর এমন কোন বর্ণনা নাই।
The Believer's Path - বিশ্বাসীদের পথ
কুরআন ও সুন্নাহ এর আলোকে একটি সুন্দর, ?
30/03/2025
আল-কুদসের মুক্তি কোন পথে | Al Kudser Mukti Kon Pothe | Asif Adnan | SEAN Seminar- 4 আল-কুদসের মুক্তি কোন পথে? আমরা না এক উম্মাহ? ইয়া আল্লাহ, আপনি আমাদের কাছ থেকে নেন, ততক্ষণ পর্যন্ত নেন যতক্ষণ না আপনি ....
26/03/2025
কাদের শরীর মৃত্যুর পরেও সুন্দর সতেজ রয়ে যায়, বলুন তো?
হঠাৎ করে ছবিটা দেখলে মাথায় আসবে, ধ্বংসস্তুপের মাঝে একটা হাত দেখা যাচ্ছে। হাতের মাঝ থেকে গাছ বের হয়ে আসছে। কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবলে এই ছবির পিছনের গল্পটা মাথায় আসবে।
এই হাতটায় একটা খেজুর ধরা ছিলো। হয়তো খাওয়ার জন্য তুলে ছিলেন। কিন্তু খাওয়া হয়নি। খেজুরের বীজ থেকে জার্মিনেট হয়ে এমন চারার পর্যায়ে আসতে ৩মাসের মত লাগে। তিন মাসে এই বীজ থেকে চারা রূপান্তরিত হয়ে গেলো। এতে অবাক করার কি আছে?
অবাক করার বিষয় হচ্ছে হাতটা। আঙুলগুলো স্পষ্ট, চামড়ার রং ঠিক জীবন্ত মানুষের মত। এতদিনে হাত, হাতের আঙুল পচে গলে যাওয়ার কথা। কাদের শরীর মৃত্যুর পরেও সুন্দর সতেজ রয়ে যায়, বলুন তো?
আজ দিবাগত রাতেও হতে পারে লাইলাতুল কদর
শবে কদর মানে কেবলই ২৭ রমযান নয়
"আজ রমাদানের শেষ দশকের একটি বিজোড় রাত। হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী আজও হতে পারে মহিমান্বিত লাইলাতুল ক্বদর। ক্বদরের ইবাদত হোক সুন্নাহের আলোয় উদ্ভাসিত ও বিদআত থেকে মুক্ত। শুধু ২৭ রমাদানই শবে ক্বদর হিসাবে ইবাদত নয়, বরং রমাদানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই শবে ক্বদরের জন্য বাড়তি নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতে সময় দেয়া উচিত।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,
ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কি দুআ’ পড়বো?
তিনি (রাসূল [সাঃ]) বলেনঃ তুমি বলবে,
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫০
জামে আত-তিরমিযির একটি হাদীস থেকে উক্ত দুআটি একটি বাড়তি শব্দ সহকারে পাওয়া যায়। দুআটি হচ্ছেঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি মাফ করতেই পছন্দ কর, অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও
তিরমিযি ৩৫১৩
রমাদানে গুনাহ মাফ করানোর গুরুত্বের ব্যাপারে নিচের হাদীসটি আমরা সকলেই জানি।
জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাঃ) মিম্বারে উঠলেন। তিনি প্রথম সিঁড়িতে উঠে বলেনঃ আমীন। তিনি দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা আপনাকে তিনবার আমীন বলতে শুনলাম।
তিনি বলেনঃ আমি প্রথম সিঁড়িতে উঠতেই জিবরাঈল (আবু দাউদ) এসে বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে রমযান মাস পেলো এবং তা শেষ হয়ে যাওয়া সত্বেও তার গুনাহর ক্ষমা হলো না। আমি বললামঃ আমীন।অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে নিজ পিতা-মাতা উভয়কে অথবা তাদের একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেলো, অথচ তারা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করালো না। আমি বললামঃ আমীন।
অতঃপর তৃতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যার নিকট আপনার উল্লেখ হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়েনি। আমি বললামঃ আমীন।
আদাবুল মুফরাদ ৬৪৮, হাদীসের মানঃ সহীহ
অর্থাৎ আমরা যদি রমাদান পেয়েও আল্লাহর থেকে ক্ষমা লাভ করতে না পরি তাহলে আমাদের দুর্ভাগ্যের জন্য স্বয়ং রাসূল (সা) সমর্থন দিয়ে \\\"আমীন\\\" বলে গেছেন। আমরা কি এর মর্মার্থ অনুধাবন করতে পারি? এলাকার একজন এমপি সাহেব বা সংসদের একজন মন্ত্রী যদি আমাদেরকে দুর্ভাগা বলেন বা আমাদের দুর্ভাগ্যের জন্য সমর্থন দেন আমরা কতই না পেরেশান হয়ে পড়ব! কিন্তু এখানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি যেই লোকদেরকে দুর্ভাগা বলেছেন আমরা সেই দলে পড়ে যাচ্ছি না তো? আমরা কি আমাদের গুনাহ মাফ করাতে পেরেছি?
রমাদানের ২০ দিন চলেই গেল। আমরা কেউই জানি না আগামী রমাদান পর্যন্ত আমরা বেঁচে থাকব কিনা। আবার আরেকটি রমাদানে আমাদের গুনাহগুলোকে মাফ করাতে পারব কিনা। তাই এই রমাদানকেই জীবনের শেষ রমাদান হিসাবে চিন্তা করি। গুনাহ মাফ করানোর জন্য রমাদানের শেষ ১০ দিনকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করি। যারা প্রথম দিকে তারাবীহ সালাত পড়তে অলসতা করেছি অন্তত এই ১০ দিন পড়ি। এই ১০ দিন আগের চেয়ে একটু বেশি কুরআন তিলাওয়াত ও দান সাদাকা করি। আল্লাহর রাসূল (সা) যেই দুআ শিখিয়ে দিয়েছেন সেই দুআ বারবার পড়ি। দুআর অর্থ বুঝি। অন্তর থেকে উপলব্ধি করে দুআ করি। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করবেনই!
এই পবিত্র সময়গুলো আমরা ফেসবুক বা ইউটিউবে অযথা ঘুরে না বেড়াই। আমাদের প্রোডাক্টিভিটি নষ্ট করার জন্য ফেসবুক-মেসেঞ্জার আর ইউটিউব বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আমাদের ফোকাস নষ্ট করে সব কাজে ডেস্ট্রাকশন তৈরি করার জন্য এগুলোর জুড়ি নেই। ফেসবুকে আপনি হয়ত আপনার জন্য কাজের বা মূল্যবান ৫% জিনিস পাচ্ছেন। বাকি ৯৫% সময় নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছু না। নিজেকে ফ্রেন্ডলিস্টের শত শত হাজার হাজার মানুষের কাছে এমন cheap বা সস্তা বানিয়ে না ফেলি যে, কেউ চাইলেই যে কোনো মুহূর্তে আমাকে reach করতে পারে! চাহিবা মাত্রই যেন আমি আমার কাজ ফেলে ফেসবুকে-মেসেঞ্জারে চলে না যাই। প্রতি দিন কত ঘন্টা মেসেঞ্জার বা ফেসবুকে ব্যয় করছি আর সেগুলো আসলে কতটুকু আমাদের ইহলৌকিক বা পরলৌকিক কাজে আসছে তা চিন্তা করার সময় এসেছে। আমরা একটা কাগজে লিখে রাখতে পারি দৈনিক আনুমানিক ফেসবুক ব্যবহারের সময়। সপ্তাহ শেষে দেখতে পারি পুরো সপ্তাহে কয় ঘন্টা ফেসবুক ইউজ করলাম, কয় ঘন্টা কুরআন পড়লাম আর কয় ঘন্টা ইসলামকে জানার জন্য বই পুস্তক পড়লাম।
তাই আসুন, আমরা রমাদানের এই শেষ ১০টা দিন অন্তত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকে সীমিত করি। প্রতি বিজোড় রাতে শবে ক্বদরের উদ্দেশ্যে সাধ্যমত তাহাজ্জুদ পড়ি, কুরআন পড়ি, গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করি। সাধ্য মত ইতিকাফ করি। শেষ দশকে আমাদের টার্গেট হোক একটাই! আমাদের সকল গুনাহ থেকে মুক্তি!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে গুনাহ থেকে মুক্ত করে দিন। আমীন।"
রমজান মাস, ইবাদতের মাস। দোয়া কবুলের মাস। আপনার সমস্যা, অসুখ, বিপদ আপদ, সবকিছু আপনার রব আল্লাহর কাছে বলুন।
রমজান মাসে প্রতিদিন প্রতিরাতে আপনার প্রয়োজনীয় বিষয় চাইতে থাকুন। আপনার কাছে যেটা অসম্ভব মনে হচ্ছে, আল্লাহর হুকুমের কাছে সেটা খুবই সামান্য ব্যাপার। তাই চাইতে থাকুন।
শেষ দশ দিনে চেষ্টা করুন ইতেকাফ করতে, রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে, বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার করে দোয়া করতে। জোড় বেজোড় সব রাতেই দোয়া করতে থাকুন।
হাদীসে আছে, প্রতি রাতেই দোয়া কবুলের একটা মুহূর্ত আছে, ওই সময় মানুষ দোয়া করলে আল্লাহ দিয়ে দেয়।
নিজের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি অন্য মুসলিম ভাইদের জন্য, এই জমিনে ইসলাম দায়েম-কায়েম হওয়ার জন্যও দোয়া করুন। দোয়ার আগে পরে দরুদ, ইস্তেগফার, হামদ ও সানা পড়ুন (কমেন্টে দোয়ার আদবের বিস্তারিত থাকবে।)
দোয়া কবুল হয় তিনভাবে, কিছু বিষয়ে চাওয়ার পর আল্লাহ তায়াল নগদে দিয়ে দেন, কিছু বিষয়ে দেরিতে দেন (এমনকি কয়েক বছর পরও দিতে পারে আরও উত্তমভাবে), আর কিছু বিষয় আল্লাহ দুনিয়াতে দেন না বরং আখিরাতে এর বদলে অনেক অনেক বেশি প্রতিদান দেন, গুনাহ মাফ করেন বা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই দোয়া করলে লস নাই।
--
এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদতের পাশাপাশি দোয়া করেছে, আর আল্লাহ তাআলা সারাবছর তাদেরকে একেরপর এক নিয়ামত দিয়ে ভরে রেখেছেন, একেরপর এক প্রয়োজন পুরা করে দিয়েছেন। এত সহজে যা পূরণ হওয়া তাদের চিন্তারও অতীত ছিল...
- আবদুল্লাহ আল-মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ
দুনিয়ার সবকিছু অর্জন করে ফেললাম কিন্তু আমার দ্বীন আর নবী মুহাম্মাদের ﷺ দ্বীনের অধিকাংশই অমিল থাকল।
আমি কী হারালাম, আর কী পেলাম?
আজ অত্যাচারী, খুনি, পিশাচ, কুফফার, বিশ্ব দাম্ভিকের দম্ভ্য চূর্ণ বিচূর্ণের দিন। আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা এভাবে আরো অনেক দিনকে কবুল করুন, তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে কঠিন সাজা দিন। মাজলুমের ফরিয়াদ ও আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার মধ্যে যেমন কোন পর্দা থাকে না, ঠিক সেভাবেই আপনি(সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা) মাজলুমের জন্য রহমতস্বরূপ ঢাল হয়ে যান।
কুরআন সহিহ করুন
আমাদের সমাজে অনেকের কুরআন শরীফ পড়া শুদ্ধ নয়। এটা খুবই খারাপ কথা। ইরান-তুরান সবকিছু বুঝতে সময় দেন, আল্লাহর কুরআন পড়তে শিখবেন না, এটা কেমন কথা? আল্লাহর কালামের ক্ষমতা অনন্য, ‘আল্লাহর জিকিরেই মনে প্রশান্তি আসে।’
কুরআন তিলাওয়াত স্বতন্ত্র ইবাদত ও আমল। সুফিরা মুরিদদেরকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ তিলাওয়াত করতে বলতেন, তাতে মানসিক স্থিরতা অর্জিত হত। যদি কখনো মন ভেঙ্গে যায়, সামনে শুধু অন্ধকার দেখেন, মনে করেন আপনার অন্তরে মরিচা পড়ে গেছে, তবে কুরআন পড়ুন ; পড়তে না পারলে তিলাওয়াত শুনুন। শান্তি পাবেন।
আল্লাহ আপনাকে পৃথিবীতে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন। সেই দায়িত্বের বিবরণ দিয়েছেন কুরআনে পাকের মধ্যে। আপনি যদি মুসলমান হয়েও সেই কালাম পড়তে না শিখেন, বুঝতে না শিখেন তার মধ্যে কী আছে, তাহলে এটা কি দুর্ভাগ্য নয়?
* এখন অনলাইনেও অনেকে কুরআন ও কুরআনিক আরবি শিক্ষা দেন। একটু খোঁজ নিলেই কাউকে পেয়ে যাবেন।
10/09/2024
গোনাহ মাফের একটা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল গোপনে দান করা। এজন্য ওলামায়ে কেরাম তাওবার সময় কিছু দান-সাদাকাও করতে বলেন।
মাজার কারা ভাংচুর করেছে সেটা পরিষ্কার না, সম্ভবত স্থানীয় লোকজন। এখানে আওয়ামীলীগের ইন্ধন থাকাও অস্বাভাবিক না কেননা পলাতক হাসিনার পতনের পর তারা ক্রমাগত নৈরাজ্যের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু দোষ দেওয়ার সময় বলা হয় 'তৌহিদি জনতা'র। কেন?
হাসিনাকে খেদানোর সময় সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমেছিল, এরা মুসলিম না? তৌহিদি জনতা না? এরা এই মোটিভেশনে রাস্তায় নেমেছে যে জুলুমের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করলে শহীদের মর্যাদা পাবে আল্লাহর কাছে। রাস্তায় নামা মানুষদের মধ্যে একটা সিগনিফিক্যান্ট অংশ ছিল ক্যাটাগরিকালি হুজুর।
তখন কেন তৌহিদি জনতাকে ক্রেডিট দেওয়া হয় না?
ক্রেডিট দেওয়া হয় 'জনগণ'কে, 'তৌহিদি জনতা'কে দেওয়া হয় ব্লেইম।
এই শব্দের অপব্যবহার মানুষকে এমন আড়ষ্ট করে রেখেছে যে খোদ ইসলামপন্থী লোকজনও 'তৌহিদি জনতা' শব্দযুগের সাথে জড়িত নেগেটিভ কোনোটেশন ছাড়া কথা বলতে পারে না। অথচ কোনো আলিম, কোনো ইসলামী সংগঠন এ ধরণের কাজে উৎসাহ বা বৈধতা দেয় নাই। মাদ্রাসার ছেলেরা এই কাজ করে নি। কিন্তু কী একটা দায়ভার অনুভূত হচ্ছে ঠিকই।
গত ১৫ বছর ধরে যে গোষ্ঠীটা পতিত স্বৈরাচারকে সমস্ত প্রকারের লেজিটিমেসি দিয়েছে তারা প্রাণপণে আদর্শগতভাবে সেকুলার একটা গোষ্ঠী, কিন্তু স্বৈরাচার সংশ্লিষ্টতা ও সম্পৃক্ততার ব্লেইমিং করার সময়ে অতি সযত্নে সেকুলার শব্দটা এড়িয়ে যাওয়া হয়৷
কখনো বলা হয় না এই নারকীয় শাসনের ইন্ধন ও ন্যায্যতা যুগিয়েছে রবীন্দ্রপ্রেমী সেকুলার গোষ্ঠী।
শব্দের চতুর ব্যবহারের মাধ্যমে মুসলিম এবং মুসলিমনেসকে ক্রমাগত ভিলিফাই করা এবং সেকুলার গোষ্ঠীকে অপকর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন করে দায়মুক্তি দেওয়া -- এটা হলো ভারত আলো এবং দিল্লী স্টারের শব্দসন্ত্রাস।
আওয়ামীলীগ ভেগেছে।
কিন্তু শব্দসন্ত্রাসীরা রয়ে গেছে।
-ZT
১.
মাজারপন্থীরা 'তরীকত ফেডারেশন' গঠন করে খুনী হাসিনা সরকারের জোটে ছিল। হাসিনার জুলুম-অত্যাচারকে নৈতিক ও ধর্মীয় সমর্থন দিয়ে গেছে সরাসরি।
২.
মিরপুর শাহআলী মাজারে প্রতিদিন কোটি টাকার উপর কালেকশন হয়, যা আওয়ামী নেতা, এমপি, মন্ত্রী পর্যায়ে বাটেয়ারা হতো। সামনে যে সরকারই আসবে তাদেরই অপকর্মের যোগান ও বিনিয়োগ সরবরাহ করবে বড় বড় মাজারগুলো।
৩.
মাজারগুলোয় মাদকসেবন, মাদকব্যবসা, পতিতাবৃত্তির রমরমা আখড়া। লালনের মাজারে পুলিশ প্রহরায় মিনিট্রাক ভরে ভরে গাঁজা ঢোকে। পুলিশ পাহারায় নিরাপদে সবাই গাঁজা খায়। অন্যান্য বস্তুও দেদারসে চলে।
ধর্ম কী বলল, পছন্দ না হলে বাদ দেন। পিওর সেক্যুলার জনস্বার্থেও তো মাজারকেন্দ্রিক এই অপরাধবাণিজ্য বন্ধ হওয়া দরকার। সকল বড় বড় মাজারের একই অবস্থা।
একদিকে লালসালু লালসালু বলে ধর্মীয় কর্তৃপক্ষকে ট্রল করবেন, আবার আরেকদিকে সত্যিকারের লালসালুগুলো যত্ন করে টিকিয়ে রাখবেন। সেক্যুলিবারেলিজম যে একটা ভণ্ডামি, তা আবারও প্রকাশ করার জব্য ধন্যবাদ।
যারা ভেঙেছে, তারা স্থানীয় মানুষরাই। মাদরাসা থেকে বাহিনী পাঠিয়ে কোন মস্টরমইন্ড ভাঙেনি। একেকটা মাজার লোকাল পরিবেশকে কতটা ইরিটেটেড করে রাখে তা এই আর্বান সমাজ বুঝবে না। 'নবিজি কবর সমান করতে বলেছে' এটা না জেনেও কেবল পরিবার-সমাজকে এই নষ্টামির হাত থেকে বাঁচাতে গ্রামবাসীরা পিওর নন-রিলিজিয়াস কারণেও ভাঙতে পারে। সবখানে ইসলামকে দায়ী করার এই ফ্যাশিবাদী শাহবাগিয়তাকে পরিহার করুন মাননীয় মেটা-উপদেষ্টা (আইমিন উপদেষ্টার উপদেষ্টা)। কিছু হইলেই জমাত-হেফাজত-খেলাফত জুজু জুজু বইলা চিক্কুর পাড়া অপরিপক্কতার পরিচয়।
আমি এই অপরিপক্ক মেটা-উপদেষ্টার পদত্যাগ চাই। এর হাত ধরেই ফ্যাশিবাদ আবার ইসলামপন্থীদের আয়নাঘরে পাঠাবে আবার।
~ শক্তি ভাই
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Noakhali Sadar Upazila