Child Care Kindergarten

Child Care Kindergarten

Share

Owner Founder:
Md. Abu Seeyd

Photos from Child Care Kindergarten's post 10/12/2015

The need for early childhood education is being undervalued.
LAST week desperate parents blew the whistle on Victoria's kindergarten secret: there aren't enough places to go around and children are missing out.
Many reasons for the crisis have been offered, including a baby boom and past government funding policies. But there's a bigger reason no one wants to mention: kindergartens are being squeezed out by childcare.
The fact is, kindergarten is considered to be out of fashion by policymakers who think it is attended by the children of either elite yummy-mummy types who spend all day on the tennis court, lazy unmotivated parents who aren't willing to get a real job, or hippy drop-outs.
''Who else could possibly take their child to a session that runs for fewer hours than an adult's working day?'' is a question I hear regularly. And yet we can see from the article ''Kindergartens bursting at the seams'' (Age, 13/10) that not only do many everyday parents think they can manage this near impossible feat, but more parents are demanding kindergarten places for their children than there are government-funded places available.
The policymakers' solution is to get kindergarten teachers into the childcare room for a specified number of hours per week. This way, they argue, all children will receive a ''quality early childhood education''.
Childcare is rapidly becoming the government-sanctioned provider of all early childhood services, and kindergarten is slowly being swallowed up.
This involves an enormous risk, because childcare centres find it difficult to attract the best kindergarten teachers, which means many children will potentially be getting their early education from institutions whose main purpose is to care for 0-to-5-year-olds whose parents want to outsource their care, not provide education. It's a cheap, lowest-common-denominator solution that will fail our children.
Parents manage their children's care in different ways and it's time that policymakers realised that not all working parents are dual-full-time professional power couples. At my children's kindergarten, children are picked up and dropped off by mothers, fathers, grandparents and friends. Some work from home, many part time, and others are taking a career break during their children's precious preschool years. We also know that some parents work full time or are sole parents and that some children are ready to attend for longer hours, so we offer a long-day kindergarten program with full-time hours.
Policymakers are out of touch with what parents want for their children. The demand for places in stand-alone kindergartens is high because many parents want their 3 and 4-year-olds educated in institutions whose sole purpose is education. Kindergarten teachers understand the unique needs of children who are no longer babies or toddlers but who are not yet ready for school.
A child's kindergarten year is one they uniquely enjoy for the freedom it provides as they follow their own interests and explore their creativity under the guidance of tertiary-educated professionals.
Early childhood education is what kindergartens do best but sadly ''early childhood education'' has become a euphemism for something else. At the 85-year-old Lady Forster Kindergarten in Port Melbourne, we are paying the price for poor public policy implemented in its most clumsy form. We are a thriving kindergarten with a healthy bank balance and active parents, but earlier this year our land was compulsorily acquired by the City of Port Phillip with the assistance of the Victorian Government to ''integrate'' us with a local childcare centre against our will.
The extra money is going into new buildings but not new teachers, and new childcare places but not new kindergarten places. The potential for our kindergarten to grow has been taken away to expand childcare. Government officials tell us ''it's for the good of the majority'', but it's really about providing a cheaper, diminished service.
This year I've heard so many kindergarten parents, teachers and academics speak with great fondness, nostalgia, sadness and resignation about what's happening to kindergartens. We know it's the best form of early childhood education available but we feel powerless to stop its decline. It's heartening to hear parents finding their voice - but this must only be the beginning not the end of the fight.
Politicians, public servants and journalists have swallowed the insatiable childcare lobby's spin without question. No one is asking for evidence of the supposed limitless unmet demand for childcare places we hear so much about. Why is it, for instance, that after many years compiling a centralised childcare waiting list, the City of Port Phillip now refuses to release the final data? Could it be because it doesn't bear out the inflated claims being made about the lack of places?
By all means give more money to childcare, but huge sums of public money are at stake and there must be proper accountability.
By contrast, kindergartens have suffered from a weaker staff union and a less politically motivated lobby group. This has allowed a new form of group-think to dominate public debate and place childcare at the centre of early childhood education.
It's time policymakers listened to all parents and took another look at kindergarten.
Fiona Hehir is president of Lady Forster Kindergarten in Port Melbourne.
Geoff Strong's column will appear tomorrow.

Photos 17/07/2015
Photos 01/07/2015

চোখ ওঠার চিকিৎসাঃ
Responsive image

সাধারণত অ্যালার্জির কারণে বা চোখের ভেতর পাপড়ি বা এরকম কিছু ঢুকে গেলে অথবা সংক্রমণের কারণে চোখ ওঠে। চোখ ওঠার চিকিৎসা কেমন হবে তা নির্ভর করে কি কারনে চোখ উঠেছে তার উপর।

সংক্রমণের কারনে চোখ উঠলে:
এ ধরণের চোখ ওঠার আলাদা কোন চিকিৎসা নেই; সাধারণত এটি ২/১ সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়।
নিজের যত্ন
আপনি নিজে থেকেই নানা ভাবে সংক্রামনের কারনে চোখ ওঠার চিকিৎসা করতে পারেন।যেমনঃ

আপনার কনট্যাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন এবং পুরোপুরি সুস্থ হবার আগ পর্যন্ত লেন্স ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সুস্থ হবার পর পুরনো লেন্স ব্যাবহার না করাই ভাল কারন এর থেকে আবার সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। এক দফা ট্রিটমেন্ট শেষ করার পরবর্তি ২৪ ঘণ্টা লেন্স ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
লুব্রিকেন্ট চোখের ড্রপ ব্যাবহার করুন। এগুলো আপনি যেকোনো ফার্মেসিতে পাবেন। এ ধরণের ড্রপ আপনার চোখের চটচটে ভাব এবং অস্বস্তি প্রশমিত করে। সবসময় প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাবহার করুন। আপনি প্রেস্কিপশন ছাড়াও এই ড্রপ কিনতে পারবেন।
যত্ন সহকারে সুতি কাপড় বা তুলা পানিতে ভিজিয়ে চোখের পাতা এবং পাপড়ি থেকে পিঁচুটির মত চটচটে পদার্থ পরিষ্কার করুন।
সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত হাত ধোয়া উচিত; বিশেষ করে আক্রান্ত চোখে হাত দেয়ার পর। এতে করে অন্যদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে যায়।

অ্যান্টিবায়োটিক
সংক্রমণের কারনে চোখ উঠলে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। কারন এটি অধিকাংশ সময় নিজে থেকেই সেরে যায় এবং চিকিৎসা না করালেও তেমন কোন ঝুঁকি থাকে না। তবে সংক্রমণের মাত্রা যদি অনেক বেশি হয় বা ২ সপ্তাহের বেশি সময় আক্রান্ত থাকেন তাহলে আপনার ডাক্তার আপনাকে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন। কিছু স্কুল এবং কিন্ডারগার্টেন আক্রান্ত শিশু কেবল অ্যান্টিবায়োটিক নেয়ার পরই ওকে স্কুলে আসতে দেয়, তবে এর প্রয়োজনীয়তা নেই বললেই চলে।
সাধারণত এই ২ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়ঃ
ক্লোরাফেনিকল(chloramphenicol)
ফিউসিডিক অ্যাসিড(fusidic acid)
ক্লোরাফেনিকল(Chloramphenicol)
অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হলে সাধারণত চোখের ড্রপের মাধ্যমে ক্লোরাফেনিকলই দেয়া হয়। তবে আপনার চোখের ড্রপ ব্যাবহার করতে সমস্যা হলে এর পরিবর্তে আপনাকে চোখের মলম দেয়া হতে পারে। চোখের ড্রপ ব্যাবহারের আগে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন অথবা ওষুধের সাথে দেয়া লিখিত ব্যাবহারবিধি ভালভাবে পড়ে নিন।

ফিউসিডিক অ্যাসিড(Fusidic acid)
আপনার জন্য ক্লোরাফেনিকল উপযুক্ত না হলে আপনাকে ফিউসিডিক অ্যাসিড দেয়া হতে পারে। সাধারণত শিশু, গর্ভবতী নারী এবং বয়স্ক ব্যাক্তিদের ক্ষেত্রে ফিউসিডিক অ্যাসিড ব্যাবহার করা হয়। ক্লোরাফেনিকলের মত এটিও একটি চোখের ড্রপ।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
চোখের ড্রপ ব্যাবহারের ফলে সাময়িকভাবে দৃষ্টি ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে; তাই ড্রপ দেয়ার সাথে সাথে গাড়ি চালানো বা কোন প্রকার ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্র ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ক্লোরাফেনিকল এবং ফিউসিডিক অ্যাসিড ব্যাবহারের ফলে অল্প সময়ের জন্য চোখে সামান্য জ্বালাপোড়া হতে পারে।

অতিরিক্ত চিকিৎসা
২ সপ্তাহের বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকলে বা নিচের উপসর্গগুলোর কোনটি দেখা দিলে অনতিবিলম্বে আপনার চোখের ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন;

চোখে ব্যাথা
আলোর প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা (ফটোফোবিয়া)
দৃষ্টিশক্তি লোপ পাওয়া
এক বা দুই চোখই অতিরিক্ত লাল হয়ে গেলে

আপনার ডাক্তার আপনাকে যৌনবাহিত সংক্রমণের (STI) পরিক্ষা করাতে বলতে পারেন। ক্ল্যামিডিয়ার মত কিছু STI-এর কারনে চোখ উঠতে পারে; সেক্ষেত্রে আপনাকে বেশ কয়েক মাস ভুগতে হতে পারে।
অ্যালার্জির কারনে চোখ ওঠা
আপনার কিসের প্রতি অ্যালার্জির কারনে চোখ উঠেছে তার ওপর নির্ভর করে আপনার চিকিৎসা কেমন হবে। সাধারনত এই চার ধরনের অ্যালারজির কারনে চোখ ওঠে;
পরাগ রেণুতে অ্যালার্জির কারনে (সিযোনাল কঞ্জাঙ্কটিভাইটিস)
ধুলা বা পোষা প্রাণীর প্রতি অ্যালার্জির কারনে (পেরেনিয়াল কঞ্জাঙ্কটিভাইটিস)
চোখের ড্রপ বা প্রসাধনীর অ্যালার্জির কারনে (কন্ট্যাক্ট কঞ্জাঙ্কটিভাইটিস)
কন্ট্যাক্ট লেন্স এ অ্যালার্জির কারনে (জায়ান্ট প্যাপিলারি কঞ্জাঙ্কটিভাইটিস)

নিজের যত্ন
অ্যালার্জির কারনে চোখ উঠলে আপনি ঘরে বসেই নিম্নলিখিত পরামর্শগুলো মেনে নিজের যত্ন নিতে পারবেন;
আপনার কনট্যাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন এবং পুরোপুরি সুস্থ হবার আগ পর্যন্ত লেন্স ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
চোখ চুলকালেও চেষ্টা করুন চোখে হাত না দিতে। কারন চোখ চুলকালে আপনার চোখের অবস্থার আরও অবনতি হবে।
ঠাণ্ডা কিছু দিয়ে চোখ ঢেকে রাখুন।
ফ্লানেলের কাপড় ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে চোখে চেপে রাখলে আরাম পাবেন।
অ্যালার্জির উৎস এড়িয়ে চলুন।

সিজোনাল কঞ্জাঙ্কটিভাইটিস
পরাগ রেনু, ধুলা ও পোষা প্রাণীতে অ্যালার্জির কারনে চোখ ওঠা(Seasonal and perennial conjunctivitis)
আপনার এসব অ্যালার্জির কারনে চোখ উঠলে আপাকে নিম্নলিখিত ওষুধগুলো দেয়া হতে পারে;

অ্যান্টিহিস্টামিন(antihistamines)
ম্যাস্ট সেল স্ট্যাবিলাইযার (mast cell stabilisers)
করটিকোস্টেরয়েড(corticosteroids)

অ্যান্টিহিস্টামিন
দ্রুত আরোগ্যের প্রয়োজন হলে সাধারণত ডাক্তার অ্যান্টিহিস্টামিন খেতে দেন। অ্যান্টিহিস্টামিন অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া প্রতিহত করে। আপনি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিহিস্টামিন চোখের ড্রপ হিসেবে দিতে পারেন বা ওষুধ হিসেবে খেতে পারেন। সাধারণত দিনে একবার অ্যান্টিহিস্টামিন নিলেই চলে। আপনি গর্ভবতী হলে বা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে থাকলে আপনার অ্যান্টিহিস্টামিন না খাওয়াই ভাল। এ বিষয়ে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
যদিও এখনকার অ্যান্টিহিস্টামিন খেলে ঘুম আসার কথা না তবুও ঘুমঘুম লাগতে পারে। বেশি অ্যান্টিহিস্টামিন খেলে বা খাওয়ার পর মদ্যপান করলে আরও বেশি ঘুম আসবে।
ম্যাস্ট সেল স্ট্যাবিলাইযার
ম্যাস্ট সেল স্ট্যাবিলাইযার অ্যান্টিহিস্টামিনের মত দ্রুত স্বস্তি না দিলেও এটি লম্বা সময় ধরে কার্যকরভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কাজ করতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে; সেক্ষেত্রে এর সাথে আপনাকে অ্যান্টিহিস্টামিনও দেওয়া হতে পারে।

করটিকোস্টেরয়ড
আপনার অ্যালার্জির মাত্রা অনেক বেশি বেড়ে গেলে আপনাকে অল্প সময় বাহ্যিক ব্যাবহারের জন্য করটিকোস্টেরয়ড(ক্রিম,জেল বা অয়েন্টমেন্ট) দেয়া হতে পারে। তবে একেবারেই প্রয়োজন না হলে এগুলো দেয়া হ্য় না।
কন্ট্যাক্ট লেন্সে অ্যালার্জির কারনে চোখ ওঠা(Giant papillary conjunctivitis)
যেহেতু এটি কন্ট্যাক্ট লেন্সের কারনে হয় তাই লেন্স পরা বন্ধ করে দিলে অনেক সময় এটি ঠিক হয়ে যায়। তবে চোখের উপরের পাতায় যে দাগগুলো হয় সেগুলো কিছুদিন থাকতে পারে। চোখে সার্জারির কিছুদিনের মধ্যে চোখ উঠলে অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন যাতে তিনি আপনার চোখের অবস্থা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং কার্যকর চিকিৎসা দিতে পারেন।
কোন প্রকার উত্তেজকের কারনে চোখ উঠলে (Irritant conjunctivitis)
এরকম চোখ ওঠার ক্ষেত্রে সাধারণত কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না কারন উত্তেজক পদার্থটি বের করে ফেলতে পারলেই অধিকাংশ সময় চোখ পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে চোখে অ্যাসিড বা ব্লিচের মত অত্যন্ত ক্ষতিকর কিছু লাগলে স্যালাইন দ্রবণ দিয়ে আপনার চোখ পরিষ্কার করানোর জন্য আপনাকে সাথে সাথে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

Photos from Child Care Kindergarten's post 01/07/2015

একটি শিশু বাড়াতে খরচ কি..???

পালন শিশু অমূল্য হতে পারে এবং কিছু একটি পিতা বা মাতা চিরকালের লালন করা. সেই স্মৃতি খরচ হয়, তবে, ডায়াপার পরিবর্তন, খেলনা কুড়ান, সময় অতিবাহিত তুলনায় অনেক বেশি হয় এবং কান্দা. (আরো দেখুন: বিবেচনা 7 থিংস একটি স্টে-এ-হোম মূল হওয়ার আগে)

কোনো পিতা বা মাতা হিসাবে আপনাকে বলতে হবে তারা সম্ভবত ঘনিষ্ঠভাবে তাদের ট্র্যাক না যদিও, উত্থাপন শিশুদের আর্থিক খরচ, সেখানে
হয়. ফেডারেল সরকার, আছে.
কিড প্রতি গড় বার্ষিক খরচ
কৃষি [পিডিএফ] মার্কিন ডিপার্টমেন্ট থেকে সর্বশেষ পরিসংখ্যান একটি দুই সন্তানের মধ্যে $ 14.320 থেকে $ 12.290 থেকে, দম্পতি, মধ্যম আয়ের পরিবারের একটি শিশু উত্থাপন বার্ষিক খরচ করা.

শিশু পালন বয়স 17 মাধ্যমে খরচ পরিবারের আয় স্তর অনুযায়ী আলাদা আলাদা. মোট খরচ গড় মধ্যম আয়ের পরিবারের কলেজ অন্তর্ভুক্ত করবেন না বয়স 17 এই খরচ মাধ্যমে একটি শিশুর বাড়াতে $ 295.560 খরচ সঙ্গে, $ 212.370 যাও $ 490.830 থেকে শুরু করে.

ইউএসডিএ এছাড়াও কয়েক সেকেন্ডের অনলাইন অনাবশ্যক আছে যারা বাবা-হতে হবে জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ একটি মজার ফর্ম হতে পারে, যা একটি শিশুর খরচ ক্যালকুলেটর, উপলব্ধ করা হয়. ক্যালকুলেটর যেখানে আপনি বাস পরিবারের বাস, কিভাবে অনেক বাবা সংখ্যা এবং শিশুদের বয়স, জন্য অনুরোধ করবে, এবং আগে ট্যাক্স বার্ষিক পরিবারের আয়.
কোড>

Photos from Child Care Kindergarten's post 01/07/2015

শিশুর বিকাশ ও পরিবেশের ভূমিকাঃ
লিখেছেন মোঃ আবু ছায়েদ

আসলে একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে বর্ণিত জীবগতসহ, বস্তু ও অবস্তুগত উপাদনের মধ্যদিয়ে বেড়ে উঠতে থাকে। কতগুলো সরাসরি জীবনের ঊষালগ্ন থেকেই আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো মা-বাবা। এই দু'জন ব্যক্তিত্ব শিশুর এমনই আপনজন, যাঁদের সাথে রক্তের বাঁধনে বাঁধা। তাই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রতিমুহূর্তে তাঁদের ক্রিয়াকলাপ অনুসৃত হয়ে থাকে। এ অবনীতে শিশু প্রথম যে মানুষটিকে চেনে, তিনিই গর্ভধারিণী মা এবং তত্পর বাবা। শিশু প্রথম যে গন্ধ ও শব্দের সাথে পরিচিত হয়, সেটা হলো মায়ের গায়ের গন্ধ ও তাঁর মধুর ডাক।

উল্লেখ্য যে, শিশুর জীবনের প্রথম আট বছর পরিবারের লোকজন বিশেষ করে মায়ের সরাসরি বিভিন্ন আঙ্গিকে হূদয় নিংড়ানো যত্ন, আদর ও ব্যবহার শিশুর ভবিষ্যত্ জীবনের বীজ হিসেবে পুষ্টি লাভ করে কিশলয় হয়ে শাখা-প্রশাখা ছেড়ে বাড়তে থাকে। শিশুর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব সুগঠিত হয় মূলত তিনটি স্বভাবজ ও কৌশলগত সম্পর্কের (Co-herent & strategic relations) উপর ভিত্তি করে। যেমন- (ক) পিতা-মাতার মধ্য সম্পর্ক (খ) পিতা-মাতা ও শিশুর মধ্যে সম্পর্ক এবং (গ) পরিবারের অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন, খেলা ও স্কুলসাথীসহ অন্য শিশুদের মধ্যে সম্পর্কের উপর। এদিকে জীবগত, বস্তুগত ও অবস্তুগত উপাদান প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মিথস্ক্রিয়ার সূত্র ধরে শিশুর জ্ঞান, নৈতিকতা ও বাস্তবতা প্রসূত রূপ-রসে ভরে দিতে থাকে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলে জীবনের মান রক্ষা তো দূরে থাক, জীবন পর্যন্ত সংকটাপন্ন হতে পারে। এরকম অনেক উদাহরণ আছে। তার মধ্যে অধুনা সংঘটিত ঐশীর ঘটনা কে না জানে? এক্ষেত্রে যতদূর প্রতিভাত হয়, তাতে মনে হয় ঐ মেয়েটির পারিবারিক পরিবেশসহ বন্ধু-বান্ধবীরা দায়ী।

সেহেতু পারিপার্শ্বিকতাসহ অতি আদর বা অনাদর উভয়ই খারাপ। ইংরেজিতে একটি কথা আছে: "Spare the rod, spoil the child". কিন্তু এই কথাটি খুব একটা কার্যকরি নয় বলে প্রতীয়মান হয়। কেননা শিশুকে শাস্তি দিলে বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, আবার একেবারেই ছেড়ে দিলে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তবে এক্ষেত্রে ম্যাকগ্রেগরের X এবং Y তত্ত্ব সমধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। যদিও বর্তমানে প্রাইমারী শিক্ষা ব্যবস্থায় পাশ্চাত্য রীতিতে জার্মানী শিক্ষাবিদ ফ্রেডারিক ফ্রোবেলের তত্ত্ব অনুযায়ী কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতি শহরাঞ্চলসহ রাজধানীতে গড়ে উঠেছে। তথাপিও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সার্বজনীন হিসেবে কতখানি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ আছে? কেননা এক্ষেত্রে অভিভাবকের সচ্ছলতা, সময় ও মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে উল্লেখ্য যে, শুধু আর্থ-সামাজিক কারণে আমাদের দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু প্রাইমারী স্কুল থেকে ঝরে পড়ে থাকে এবং শিশুশ্রমে ঢুকে পড়ে।

এদিকে এখনও আমাদের দেশে শতকরা পঞ্চাশ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার (Proverty level) নিচে বসবাস করে। তাই সংসারের সব খরচ মিটিয়ে বাচ্চাদের মানসম্মত শিক্ষা দেয়ার মতো তেমন অর্থ হাতে থাকে না। যদিও মৌলিক চাহিদার মধ্যে শিক্ষা অন্যতম। তথাপিও সর্বদিকে খরচ কমিয়ে তথাকথিত মৌলিকত্বহীন কোচিংয়ের টাকা যোগাতে অনেক পরিবারকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। আর বর্তমান যে সিলেবাস আছে, তাতে নৈতিকতার তেমন প্রাধান্য নেই। কোন ধরনের শিক্ষা গ্রহণ করলে সহজে চাকরি পাওয়া যাবে এবং উপরি নামক ঘুষ পাওয়ার পথ সুগম হবে, সেটাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

দিকে শিশুদের জন্য কাম্য চিত্ত-বিনোদনমূলক ব্যবস্থা অপরিহার্য। এজন্যে খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সঙ্গীত ও নানাবিধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজন। কেননা এগুলোর অভাবে অনেক শিশুকে যত্রতত্র রাস্তাঘাটে ঘুরতে-ফিরতে এবং ছুটাছুটি করতে দেখা যায়। এ ধরনের বিশৃঙ্খলভাবে ঘোরাফেরা সাময়িক আনন্দ দেয় ঠিকই, তা প্রকারান্তরে অপরাধপ্রবণতার দিকে ঠেলে দেয়। এ ধরনের অনেক ঘটনা পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়। শহরের মহল্লায় বা স্কুল বা কলেজে খেলার মাঠ না থাকায় শিশুর মতিগতি অন্যদিকে প্রবাহিত হয় বিধায় উচ্ছৃঙ্খল জীবনে পা বাড়ানোর বিষয়টি খাটো করে দেখার অবকাশ নেই।

Photos 01/07/2015

শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে মা-বাবার জন্য ৬ পরামর্শ:

পৃথিবী নিয়ে শিশুদের কৌতূহল অসীম। তাদের কোমল হৃদয় যা দেখে, তা-ই বিশ্বাস করে; যেভাবে শেখে, সেভাবেই কল্পনা সাজায়। শৈশবকাল রঙিন করে তুলতে মা-বাবার ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। শৈশবের স্মৃতিটুকু পরোক্ষভাবে হলেও তার সমস্ত জীবনকে প্রভাবিত করে। আবেগ, সামাজিকতা এবং বুদ্ধিদীপ্ত মনোভাব—এই তিন ক্ষেত্রে শিশুর দক্ষতা বাড়াতে পারলে মা-বাবা নিশ্চিত হতে পারবেন, তাঁদের শিশুটি সঠিকভাবে বেড়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে লিখেছেন....


সন্তানকে সময় দিন, কথা বলুন
জন্মের পর থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত শিশু প্রায় ৮৮-৯৮ শতাংশ শব্দ ব্যবহার করে, যেগুলো মা-বাবার কাছ থেকে শুনে শুনে শেখা। শিশুর সঙ্গে যত বেশি কথা বলা হবে, ওর শব্দভান্ডার ও কাজের পরিধি তত বেশি বাড়বে। মা-বাবা এবং সন্তানের কথোপকথন, শিশুর বুদ্ধিমত্তা ও বই পড়ার সামর্থ্যকে মজবুত করে।

সন্তানের সঙ্গে পড়ে নিয়ে সময় কাটান
গবেষণায় দেখা যায়, মা-বাবা তাঁদের শিশুসন্তানের সঙ্গে পড়াশোনা নিয়ে প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট কাটালে সেই শিশুরা বিদ্যালয়ের পড়াশোনায় অন্যান্য শিশুদের তুলনায় এগিয়ে থাকে। অল্প বয়স থেকেই শিশুকে বাসায় পড়াতে পারলে বিদ্যালয়ে সে খুব দ্রুত পড়ে আত্মস্থ করতে পারবে।

দৌড়-ঝাঁপের খেলাধুলার সুযোগ দিন
খেলাধুলা মানেই সময়ের অপচয় নয়। বড় মাঠ কিংবা খোলা জায়গায় সমবয়সীদের সঙ্গে নিয়মিত খেলাধুলায় শিশুর বিভিন্ন ধরনের বিকাশ ঘটে, যা পরে তাকে অনেক কাজ সহজে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। যেমন: সিদ্ধান্ত গ্রহণ, স্মৃতিশক্তি কাজে লাগানো, যুক্তি প্রদর্শন, সমস্যা সমাধান, আত্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।


টিভি দেখার সময় নিয়ন্ত্রণে রাখুন
যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত টিভি দেখার কারণে শিশুর মস্তিষ্কের যে অংশটি দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে চাপের সৃষ্টি হয় এবং তারা সৃজনশীল কল্পনা থেকে দূরে সরে যায়। দিনে এক ঘণ্টা বা এর কিছু বেশি সময় টিভি দেখলে শিশুদের মস্তিষ্ক সঠিক মাত্রায় সচল থাকে। দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের টিভি দেখা উচিত নয়।


শিশু-শিল্পীটার যত্ন নিন
কিন্ডারগার্টেন বা শিশুবিদ্যালয়ে যদি ক্লাসে জিজ্ঞেস করা হয়, তোমরা কে কে শিল্পী? তখন সবাই হাত তুলে জানায়, তারা প্রত্যেকে শিল্পী! তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণিতে কিছুটা দ্বিধায় হাত ওঠার সংখ্যা কমে, ষষ্ঠ বা এর ওপরের শ্রেণিতে মাত্র তিন-চারটি হাত হয়তো ওপরে ওঠে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রত্যেক মানুষই সৃষ্টিশীল। তবে অনেকেই নিজের উপযুক্ত ক্ষেত্রটি খুঁজে পায় না। সৃজনশীলতা শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। মা-বাবার উচিত, শিশুর জন্য সেই উপযুক্ত জায়গাটি খুঁজে পেতে সাহায্য করা।


শিশুকে আদুরে স্পর্শ দিন
স্পর্শ, হাসি, গান শোনানো, গল্প বলা ইত্যাদি অনুভূতি বিনিময় বা ছোট ছোট আচরণ একটি শিশুর জন্য খুব দরকারি। মস্তিষ্কের উন্নতি এবং জীবনে চলার জন্য মজবুত ভিত্তি তৈরি করতে আপনার আদর তাকে অনেকখানি এগিয়ে দিতে পারে।

Photos 01/07/2015

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা আরম্ভের পূর্বে ৬ বছরের কম বয়সের শিশুদের জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা। ৩ থেকে ৫/৬ বছর বয়সী শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক অবস্থান অনুযায়ী তাদের যত্ন, বেড়ে উঠা এবং শিশু অধিকার নিশ্চিত করা, খেলাধুলা, আনন্দ, অক্ষরজ্ঞান এবং গণনার হাতেখড়ির মাধ্যমে তাদের উন্নয়ন এবং শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার সময় এটি।

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে সাধারণত দুটি ধাপে বিভক্ত করা হয় ৩-৫ বছরের শিশুদের জন্য নার্সারি/প্লে গ্রুপ বা প্রাক-কিন্ডার গার্টেন এবং ৫-৬ বছরের শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক বা কিন্ডারগার্টেন। অবশ্য, কোন কোন স্কুলে ৩-৪ বছরের শিশুদের জন্য প্লে-গ্রুপ, ৪-৫ বছরের শিশুদের জন্য নার্সারি, ৫-৬ বছরের শিশুদের জন্য কেজি-১ এবং ৬-৭ বছরের শিশুদের জন্য কেজি-২ শ্রেণীতে শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।

স্কুল এবং প্রতিদিনকার জীবন-যাপনে সফলতা আনার জন্য শিশুকাল থেকেই দক্ষতা, জ্ঞান এবং আচরণ শেখানোর জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা। এটি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার উপযোগী এবং সকল ধরনের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। এর কয়েকটি লক্ষ্য হলো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি ঝোঁক তৈরির জন্য শিশুদের মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রস্ত্তত করানো, শিশুদের উপযোগী খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুর সামাজিকীকরণ শিক্ষা, শিশুদের গান, নাচ, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন. গল্প বলা, গণনা এবং বর্ণমালা শিক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি করা।

স্বাধীনতার পর থেকে, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব এবং ছোট শিশুদের উপযুক্ত যত্ন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে ক্রমবর্ধমান সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ দিবাযত্নকেন্দ্র এবং নার্সারি স্কুলের আদলে ছোট শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কুদরাত-ই-খুদা (১৯৭৪) এবং মফিজউদ্দিন আহমেদ (১৯৮৮)-এর নেতৃত্বাধীন শিক্ষা কমিশন শিশুদের শিক্ষার গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং দেশে এর প্রচলনের জোর সুপারিশ করেছে। এই শিক্ষা কমিশন শহর ও শিল্প এলাকায়, বিশেষত যাদের অভিভাবকগণ বাইরে কাজ করেন, সে সকল শিশুদের জন্য নার্সারি ও কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে। মফিজউদ্দিন কমিশন যেখানে বেসরকারি উদ্যোগ নেই এরূপ সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুশ্রেণী খোলার সুপারিশ করেছে। ১৯৯৫ সালে গঠিত সবার জন্য শিক্ষা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি ‘সবার জন্য শিক্ষা’ লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে ছোট শিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব স্বীকার করে এবং প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি সুপারিশ পেশ করে। জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য ১৯৯৭ সালে গঠিত কমিটিও সুপারিশ করে যে, ১ম শ্রেণির প্রথম ছয়মাস প্রস্ত্ততিমূলক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ব্যয় করা যায়। কমিটি শিশুদের শিক্ষা দানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলা শিক্ষকদের নিয়োগ করারও পরামর্শ দেয়।

সকল শিক্ষা কমিশনই প্রতিটি ছোট শিশুকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের সুপারিশ করলেও আজ অবধি সে লক্ষ্যে তেমন কিছু করা হয় নি। অবশ্য, বাংলাদেশ সরকার স্বীকার করেছে যে, পাঁচ বছর বয়সের ঊর্ধ্বের শিশুদের জন্য একটি পৃথক প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থাকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে শিশুশ্রেণি খোলার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এ কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংগঠন/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নার্সারি বিদ্যালয়সমূহের মাধ্যমে করা হচ্ছে। শুরুতে চাহিদা পূরণের জন্য বেসরকারিভাবে কয়েক হাজার প্রিস্কুল চালু করা হয়, কিন্তু এগুলি চাহিদানুযায়ী যথেষ্ট নয়। তাই, শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাড়িতে অভিভাবক ও বড়দের কাছ থেকেই তাদের শিশুকালীন শিক্ষা লাভ করে থাকে। যে সকল শিশুর অভিভাবক ও অন্যান্য সদস্য শিক্ষিত নয়, তারা থেকে যায় অবহেলিত। তবে পাঁচ বছরের উপরের বেশিরভাগ শিশুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে প্রাক-প্রাথমিক ক্লাসে যোগদান করে আসছে।

দেশে কতগুলি নার্সারি বিদ্যালয় আছে, তা বলা কঠিন। কতিপয় তথ্য অনুযায়ী, কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সংখ্যা ২,৫০০, কিন্ডারগার্টেন সমিতি এ সংখ্যাকে প্রায় ৫,০০০ বলে থাকে। এগুলির অধিকাংশই শহর এলাকায় অবস্থিত। সাধারণত বিশেষ কোন সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই এ সকল স্কুল কিন্ডারগার্টেন এবং প্রাথমিক উভয় ধরনের শিক্ষার জন্যই চালু করা হয়েছে। পরবর্তীকালে এগুলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে কলেজে রূপান্তরিত হয়। কিছু কিছু এনজিও বিশেষত দরিদ্রদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছে। এগুলি সাধারণত বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করে থাকে। প্রায় ৩৮,০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সমসংখ্যক বেসরকারি স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা হয়। যথাযথ প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও সহায়ক সামগ্রী ব্যতিরেকেই এ সকল ক্লাস পরিচালিত হয়। অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রাক-প্রাথমিক স্কুলে ভৌত সুবিধাদি অত্যন্ত অপ্রতুল।

এলাকা ও স্কুলের পরিসম্পদ ভেদে স্কুলের বেতনের তারতম্য ঘটে থাকে। থানা বা ইউনিট পর্যায়ে স্কুলের বেতন খুবই কম। সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলিতে সাধারণত বিনা বেতনে পড়ানো হয়। এনজিও কর্তৃক পরিচালিত কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে বিনামূল্যে পড়ায় অথবা নামমাত্র বেতন নেওয়া হয়। ঢাকা এবং অন্যান্য বড় শহরের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রবেতন অতি উচ্চ। উপরন্তু, প্রতি শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে এককালীন মোটা অঙ্কের ফিস বা উন্নয়ন চার্জ নেওয়া হয়। বেসরকারি স্কুলগুলিতে এত বিপুল পরিমাণ ফিসগ্রহণ রোধকল্পে কোন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান নেই।

বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধীকরণ সফলভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ার কারণে কিন্ডারগার্টেনে অধ্যয়নের উপযুক্ত শিশুর সঠিক সংখ্যা নিরূপণও সম্ভব নয়। তথাপি, বিশ্বব্যাংক কর্তৃক ১৯৯৫ সালে প্রদত্ত সম্ভাব্য জনসংখ্যার পূর্বানুমান থেকে প্রাক্কলন করা হয়েছে যে, দেশে প্রাক-প্রাথমিক (৩-৫ বছর) শ্রেণিভুক্ত ৯.১২ মিলিয়ন শিশু রয়েছে।

দেশব্যাপী কোন জরিপ পরিচালিত না হওয়ায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা গ্রহণকারী শিশুদের প্রকৃত সংখ্যা জানাও কঠিন। ৩৮,০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গড়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী ধরে নিলে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১.৯ মিলিয়ন। যদি দেশে প্রায় ৫,০০০ কিন্ডারগার্টেন স্কুল থাকে এবং প্রাক-প্রাথমিক ১ম শ্রেণিতে গড়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকে, তবে এ সকল স্কুলে প্রায় ০.২৫ মিলিয়ন শিক্ষার্থী থাকবে। ঐ দুটো সংখ্যা মিলিয়ে হিসাব দাঁড়ায় ২.১৫ মিলিয়ন। এটা ঐ বয়স গ্রুপের মোট জনসংখ্যার ২৪%। অবশ্য একটা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী এনজিওদের স্কুলেও যোগ দিয়ে থাকে।

কিন্ডারগার্টেন স্কুলসমূহের জন্য কোন একক বা সাধারণ পাঠ্যক্রম নেই। সম্প্রতি (১৯৯৮) জাতীয় পাঠ্যক্রম বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীর জন্য একটি পাঠ্যপুস্তক (যার নাম দেখাশুনা) প্রণয়ন করেছে। সকল স্কুলে বেসরকারিভাবে প্রচলিত সকল কিন্ডারগার্টেন নিজস্ব কিছু শিক্ষার দিক নির্দেশনা (পাঠ্যক্রম পাঠ্যসূচি) অনুসরণ করে থাকে। ১৯৯৮ সালে কারিতাস এডুকেশনাল প্রোগ্রামের সহযোগিতায় ঢাকায় ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ডহুড এডুকেশন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা কে.জি স্কুলসমূহের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রণয়নসহ বিষয়বস্ত্ত চিহ্নিত করে এবং শিক্ষকদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করে।

বর্তমানে দেশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য কোন দিক-নির্দেশনামূলক নীতিমালা নেই। অধিকাংশ স্কুলে শিশুদের আনুষ্ঠানিক ১ম ও ২য় শ্রেণির মতো আনুষ্ঠানিক পড়া, লেখা, গণনা, যোগ, বিয়োগ শিক্ষা দেওয়া হয়। অধিকন্তু, শিশুদের সাফল্যের পর্যায় পরিমাপের জন্য নিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। কিছু স্কুলে শিক্ষার মাধ্যম হচ্ছে ইংরেজি। কোন কোন স্কুলে শিশুদের বাংলা, ইংরেজি, ভাষা, পরিবেশ, গণিত-এর পুস্তকাদি পড়তে এবং দশ পর্যন্ত নামতা ইত্যাদি মুখস্থ করতে বলা হয়। কিছু স্কুলে ছোট শিশুদের আরবি অক্ষর পড়তে ও লিখতে শিখানো হয়।

যদি শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৫০ হয়, তবে এ পর্যায়ে শিশুদের পরিচালনাকারীর আনুমানিক সংখ্যা হচ্ছে ৪৮,০০০। তাদের অধিকাংশই ছোট শিশুদের পাঠদানে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত নয়। কিভাবে পড়াতে হয়, এটা না জেনেই সাধারণত পাঠ দান করে থাকে। প্রাকস্নাতক, স্নাতক এবং কখনও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ব্যক্তিগণকে এ সকল শিশুদের শিক্ষা দানে নিয়োগ করা হয়। এদের অধিকাংশই মহিলা।

২০০০ সালের শিক্ষা নীতিতে বিশেষ কিছু স্কুলে ১ বছর ব্যাপী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা হলেও এখন প্রায় সকল স্কুলে করা হচ্ছে। এর বিকল্প হিসেবে ভাবা হয়েছিল যে ক্লাস ওয়ানের আগে ৬ মাস প্রিপেটরি শিক্ষা এবং ২০০৫ সাল নাগাদ এটিকে ১ বছর মেয়াদি করা হবে বলে সেই সময় বলা হয়েছিলো। এর পরে বলা হয়েছিলো যে এই প্রিপ্রাইমারিতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য এলাকার লোকেরাই এটির ব্যয়ভার বহন করবে।

জাতীয় শিক্ষা কমিশন ২০০৩ এ বলা হয়েছে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ৫ বছর বয়সী সকল শিশুদের স্কুলে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করবেন এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাবেন। এই উদ্দেশ্যে সরকারিভাবে প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়টি করে নতুন শ্রেণীকক্ষ তৈরি এবং বাড়তি ছয়জন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০০৯ এ ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ২ বছরের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার সুপারিশ করা হয়। যদিও সকল শিক্ষা কমিশন, নীতি এবং কমিটি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলেছেন কিন্তু এখনও পর্যন্ত এটি পুরোপুরি অর্জন করা সম্ভব হয় নি। বেসরকারিভাবে নার্সারি স্কুলগুলি এটি করছে যদিও তা পর্যাপ্ত নয়। [কামরুন্নেসা বেগম এবং সারা সুলতানা]

Want your school to be the top-listed School/college in Noakhali Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Pesker Hat Companygonj
Noakhali Sadar Upazila
3850

Opening Hours

Monday 07:00 - 03:00
Tuesday 07:00 - 03:00
Wednesday 07:00 - 03:00
Thursday 07:00 - 03:00
Saturday 07:00 - 03:00
Sunday 07:00 - 03:00