Companiganj Al Quran Education Center

Companiganj Al Quran Education Center

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Companiganj Al Quran Education Center, Education, Companiganj, Noakhali Sadar Upazila.

19/11/2025
24/09/2025

যে ভালোবাসা আল্লাহর জন্য হবে না, সে ভালোবাসা প্রকৃতপক্ষে শয়তানের ধোঁকা ছাড়া কিছুই না...

যে ছেলেটা তার রব্বের নির্দেশ অমান্য করে আপনাকে "অনেক বেশিই ভালোবাসি" বলে বেড়াচ্ছে, সে আপনাকে সুখী করতে পারবে না, ওয়াল্লাহি কোনদিন না, সে আপনাকে কখনোই ভালোবাসে নি বরং সে নফসের দাসত্বে নিমজ্জিত আছে.

অন্যদিকে যে ছেলেটা তার রব্বের সিদ্ধান্তের ওপর ভরসা রেখে, তাঁরই নির্দেশিত পন্থা মোতাবেক জীবনসঙ্গীনীর দ্বীনদারিতাকে প্রাধান্য দিয়ে একটা 'অচেনা' মেয়ের হাত ধরতে পারে, আল্লাহ্‌ তার জীবনে একটা ম্যাজিক দিয়ে দেন। সেই ম্যাজিকের বলে নিতান্ত সাধারণ চেহারার মেয়েটি তার চোখে রাজকন্যার চেয়ে লাবণ্যময়ী হয়ে ওঠে, সন্তানেরা চক্ষুর শীতলতা হয়ে ওঠে। দ্বীনের পথে চলা স্বামী-স্ত্রীর জীবনে বিলাস থাকে না, বাহুল্য থাকেনা, কৃত্রিমতা থাকেনা; যেটা থাকে তার নাম শান্তি, শুধুই শান্তি! আর এটাই আল্লাহর জন্য ভালোবাসার দুনিয়াবী পুরস্কার। কতই না উত্তম পুরস্কার!

—সংগৃহীত

20/09/2025

আমরা প্রথমে ক্যারিয়ার প্ল্যান ঠিক করি। বিসিএস ক্যাডার বা সিক্স ডিজিট স্যালারির জব বা ইউরোপ আমেরিকার কোনো নামি ভার্সিটির স্কলারশিপ, দামি ফোন, বাড়ি গাড়ি সুন্দরী বউ, সমাজের মানুষদের কাছে সম্মান। এই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা আমাদের জীবনের রুটিন সাজাই। এরপর যদি ফাঁকে ফোকরে কোনো সময় থাকে অসীম বিনোদন নিতে নিতে ক্লান্ত হয়ে যাবার পরে যদি আমাদের একটু মন চায় সেই সময়ে আমরা দ্বীনের কাজ করার জন্য বরাদ্ম রাখি। দ্বীন আমাদের কাছে পার্টটাইমের কোন কাজ বা অবসর সময়ে করলেই হবে এমন কিছু একটা। অথচ হওয়া উচিত ছিল উলোটোটা।

আমরা দ্বীনকে ১ নম্বরে রাখব। এরপর সেই আলোকেই আমাদের ক্যারিয়ার সাজিয়ে নেব। এই উম্মাহর মেম্বারশিপ কতো সস্তা বানিয়ে ফেলেছি আমরা! অবসর সময়ে ফেইসবুকে ২/১ টা পোস্ট দিয়ে শুক্রবারের মসজিদে ১০/২০ টাকা দান করেই বিশাল দ্বীনদার সেজে ফেলি। দুনিয়া নিইয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবার ফলাফল তো আমরা চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। আমাদের অন্তর অশান্ত, অস্থির, ঘরে ঘরে সমস্যা বিভিন্ন ঝুট ঝামেলা, অসুখ বিসুখ, টাকা পয়সার অভাব না থাকলেও অন্তরে অসীম অভাব। আমরা আল্লাহ্র জন্য কাজ করার সময় পাইনা। অথচ অন্য সবকিছু করার সময় পাই। সপ্তাহে কয় ঘন্টা আল্লাহর কাজে দেই? আর কয় ঘন্টা টাকার পেছনে, বিনোদনের পেছনে দেই?

ড.ইয়াদ কুনাইবী তাঁর বিখ্যাত হুসনুয যন বিল্লাহ গ্রন্থে (বাংলা অনুবাদের নাম- আল্লাহ্র প্রতি সুধারণা, শব্দতরু প্রকাশনী, এক্টিভিস্টদের জন্য পড়া আবশ্যক) লেখেছেন, ‘ ইবনুল কাইয়িম রহিমাহুল্লাহ বলেন, যে কর্মচারী বাদশাহর কাছে নিজের অবস্থান কতোটুকু তা জানতে চায় ,সে যেনো দেখে বাদশাহ তার উপর কী ধরণের কাজের দায়িত্ব অর্পণ করেন। কী রকম কাজে তাকে নিয়োগ দেন’। সুতরাং আপনারও উচিত নিজের দিকে মনোযোগ দেয়া যে, আল্লাহ্ তায়ালা আপনাকে কী কাজে নিয়োজিত করছেন, আপনার দ্বারা কী কাজ নিচ্ছেন? যেনো আপনি বুঝতে পারেন তাঁর কাছে আপনার অবস্থান কতোখানি?’

আমরা যদি দ্বীনের খেদমতের কাজকে জীবনের প্রধান বিষয় বানাতাম, আমাদের জন্য দুনিয়া অনেক সহজ হয়ে যেত, ঝুট ঝামেলা কম থাকত, দুনিয়াবি কাজের ব্যস্ততা থাকত না। আয়রোজগারে বরকত থাকত, একটু চেষ্টা করলেই দেখতেন আয় রোজগারের ব্যবস্থা হয়ে যাচ্ছে। বাকী সময় দ্বীনের খেদমত করার সুযোগ হচ্ছে। বা যে আয়রোজগার হচ্ছে তাতেই আপনি আপনার পরিবার সন্তুষ্ট থাকত। আরামসে সংসারের খরচ চলে যেত। এক ভাইয়ের কথা জানি। এক্টিভিজমে ব্যস্ত থাকতেন অনেক। এরমধ্যেই যতোটুকু পড়ার পড়তেন, ঐ সময়ে ফাঁকিবাজি করতেন না। এবং তিনি যাই পড়তেন তাই পরীক্ষায় আসতো। অন্যরা দ্বীনের কাজকে অবহেলা করে সারাবছর পড়ে যে ফলাফল করত উনি অল্প মেহনতেই তা পেতেন। আবার এক ভাই ছিলেন উনার লক্ষ্য ছিল এমন চাকরিতে যাওয়া যেখানে গেলে আরও ভালোভাবে এক্টিভিজম করা যাবে। এজন্য উনি নতুন চাকরি পাবার আগেই চাকরি ছেড়ে দেন। পরে আল্লাহ্ উনাকে এমন চাকরি মিলিয়ে দিয়েছেন যেখানে এক্টিভিজম করার ভালো সুযোগ আছে। আমাদের শুধু অন্তর থেকে চাইতে হবে আল্লাহ্ আমি চাই তোমার দ্বীনের খেদমত করতে, তুমি ব্যবস্থা করে দাও। এরপর সাধ্যমতো মেহনত করতে হবে, খুঁজতে হবে… দেখবেন আল্লাহ্ আপনার জন্য খুবই চমতকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আল্লাহর কসম। আল্লাহর কসম। এমন হবেই হবে।

আপনার জীবনে আল্লাহ্ কি ১ নম্বর? নাকি ক্যারিয়ার, সম্মান, প্রভাব প্রতিপত্তি, সুন্দরী নারী, দুনিয়া ১ নম্বর? কোনো ফাঁকিবাজি না করে, নিজের কাছে সৎ থেকে আপনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খুজুন

- ৪০ হাদীস: সামাজিক শক্তি অর্জন বই এর টীকা থেকে।

~এনামুল হোসেন

18/09/2025

আপনার চাকুরি দরকার? ব্যবসার মূলধন নেই?
রিযিকের ব্যাপারে পেরেশানিতে ভুগছেন? বিপদ-আপদ,দুঃখ-দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন? বিয়ে হচ্ছেনা? সন্তান দরকার? পার্থিব জীবনে সমৃদ্ধি দরকার? ফসল-ফলাদির ভালো ফলন দরকার?

আপনার সব কিছুর সমাধান একটা আমলের মধ্যে রয়েছে,তা হচ্ছে- ইস্তিগফারের আমল। ইস্তিগফারকে নিজের জীবনে আবশ্যক করে নেন। চলতে,বসতে,ঘুরতে সব সময় ঠোঁটে ইস্তিগফারের আমল জারি রাখুন।

হাদিসে এসেছে যার মূল বক্তব্য মোটামুটি এই রকম," যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে নিজের জন্য আবশ্যক বানিয়ে নিবে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য প্রতিটি সংকীর্ণ অবস্থা থেকে বের হওয়ার পথ খুলে দিবেন,তার প্রতিটি উদ্বেগ-অস্থিরতা দূর করে দিবেন। এবং তাকে কল্পনাতীত উৎস থেকে রিযিক প্রদান করবেন।"

হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লার বিখ্যাত সেই ঘটনা আমরা অনেকেই জানিঃ

"একবার হাসান বসরী রাহ. এর কাছে এক ব্যক্তি জানালো “ আমার ফসলে খরা লেগেছে। আমাকে আমল দিন” হাসান বসরী তাকে বললেন এস্তেগফার করো। কিছুক্ষণ পর আরেক ব্যক্তি এসে অভিযোগ পেশ করল “আমি গরীব। আমাকে রিজক এর আমল দিন” হাসান রহ. তাকেও বলেলন এস্তেগফার করো। এমনিভাবে অপর এক ব্যক্তি এসে সন্তান হও্য়ার আমল চাইলে তিনি বললেন, এস্তেগফার করো।” উপস্থিত ছাত্ররা জিজ্ঞেস করল, “সবাইকে এক পরামর্শই দিলেন যে?” বিখ্যাত তাবেয়ী হাসান বসরী রহ. বললেন “আমি নিজের পক্ষ থেকে কিছুই বলি নি। এটা বরং আল্লাহ তায়ালা তার কুরআনে শিখিয়েছেন । তারপর তিনি সুরা নুহ এর আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন। (তাফসীরে কুরতুবী ১৮/৩০৩)


فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا. يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا. وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا
নুহ আ. বললেন “তোমরা তোমাদের রবের কাছে এস্তেগফার করো। ( ক্ষমা চাও) নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বারিধারা বর্ষণ করবেন। তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধির মাধ্যমে তোমাদের সাহায্য করবেন। তোমাদের জন্যে উদ্যান তৈরি করবেন, তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।” (সুরা নূহ- ১০-১২)"

হাদিসে ইস্তিগফারের বেশ কিছু দু'আ এসেছে আমরা সেখান থেকে ইস্তিগফারের দু'আ উল্লেখ করছিঃ

ইস্তিগফার মানে ক্ষমা চাওয়া, আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া। পাপের জন্য লজ্জিত,অনুতপ্ত হওয়া।

দোয়া-১:
======
মূল আরবীঃ ﺃَﺳﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]

দোয়া-২:
======
মূল আরবীঃ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]

দোয়া-৩:
======
মূল আরবীঃ ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲْ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻲَّ ﺇِﻧَّﻚَ ‏( ﺃﻧْﺖَ ‏) ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢُ ‏( ﺍﻟﻐَﻔُﻮْﺭُ )
উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।
অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন। [আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫২]

দোয়া-৪:
======
মূল আরবীঃ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।

এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]

দোয়া-৫:
ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দু'আঃসাইয়্যিদুল ইস্তিগফার:

======

মূল আরবীঃ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা।

16/09/2025

রাত হলেই পাপের সাগরে ডুব💔

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা বলেনঃ “আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রামের জন্য।” [সুরা আন-নাবা: 9]

আর তিনিই তোমাদের জন্য রাতকে আবরণ ও নিদ্রাকে আরামপ্রদ করেছেন এবং দিনকে করেছেন জাগ্রত থাকার সময়। [সুরা আল-ফুরকান: 47]

রাত আমাদের বিশ্রামের জন্য, ইবাদাতের জন্য। অথচ আজকের বাস্তবতা—সারারাত রিলস, মিউজিক, মুভি, নাটক, সিনেমায় ডুবে থাকা। অবৈধ সম্পর্কের আলাপ, পরকীয়া, যিনা ও ব্যভিচার—যা জঘন্য পাপ।

ফজরের সালাত ও বাস্তবতা-

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন সালাত হলো ফজর ও ইশার সালাত।”[সহিহ বুখারি 657, সহিহ মুসলিম 651]

“ফজরের দুই রাকাত (সুন্নাত) তোমাদের কাছে প্রিয় হোক দুনিয়া ও দুনিয়ার সবকিছুর থেকেও।”[সহিহ মুসলিম 725]

যখন আমরা রাত পাপে কাটাই, তখন ফজরে উঠা কঠিন হয়ে পড়ে। আর ফজরে উঠতে না পারলে তাহাজ্জুদের আশা করব কিভাবে?

রাত জাগার ক্ষতি- শুধু আখিরাত নয়, দুনিয়ার জন্যও রাত জাগা ক্ষতির কারণ: বৈজ্ঞানিকভাবে রাত জাগার ক্ষতি-

এতে মনোযোগ কমে যায়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত রাত জাগা মানুষদের হাইপারটেনশন, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট, প্রজনন সমস্যা (Infertility), ইমিউন সিস্টেম দুর্বলতা, পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বারবার ঠান্ডা, জ্বর, ইনফেকশন হয়।

স্থূলতা ও হজমের সমস্যা- রাত জাগলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয় → স্থূলতা। হজম সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক, এসিডিটি বাড়ে।

মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট- ডিপ্রেশন, এংজাইটি ও অতিরিক্ত স্ট্রেস বাড়ে। সারাক্ষণ বিরক্তি ও টেনশন থাকে।

ইসলাম হচ্ছে পুর্নাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ইসলাম যেমন রাতের ইবাদাতকে প্রশংসা করেছে, তেমনি অকারণে রাত জাগাকে নিরুৎসাহিত করেছে।

রাসূল ﷺ বলেছেন: “ইশার পর অতিরিক্ত আলাপ-আলোচনা অপছন্দনীয়।” [সহিহ বুখারি 568]

রাসূল ﷺ বলেছেনঃ “তোমার শরীরেরও তোমার উপর হক আছে।”📖 [সহিহ বুখারি 5199]

অর্থাৎ শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া ইবাদাতের অংশ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা
বলেনঃ "এই দুনিয়ার জীবন তো কেবল ভোগ-বিলাসের উপকরণ, আর পরকালই উত্তম তাদের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে।” [সুরা আন-নিসা: 77]

তাই দুনিয়ার ধোঁকা ছেড়ে আখিরাতের প্রস্তুতি নিতে হবে।
ঘুম হোক ইবাদাতের নিয়তে।
জাগরণ হোক তাহাজ্জুদের জন্য।
ফজর হোক কুরআনের আলোয় ভরপুর।🌸✨

12/09/2025

🔸️ إِن يَنْصُرْكُمُ اللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمْ 🔸️

“যদি আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেন তবে কেউ তোমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না।” (সূরা আলে ইমরান ৩:১৬০)

🔘বিজয়ের সময় করণীয়

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ . وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا . فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
— সূরা আন-নাসর (১-৩)

অর্থ: “যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসে, এবং তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবে, তখন তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমা কবুলকারী।”

১. বিজয় আল্লাহর পক্ষ থেকে

মুমিন সর্বদা মনে রাখবে, বিজয় তার নিজের শক্তি, পরিকল্পনা বা সেনাশক্তির কারণে নয়; বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে। কুরআনে আল্লাহ বলেন:

وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ
— “বিজয় তো কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই।” (সূরা আল-ইমরান: ১২৬)

২. অহংকার নয়, বিনয়

বিজয়ের সময় মানুষ প্রায়শই অহংকারে ভরে যায়। কিন্তু একজন মুসলমান বিনয়ী হয়। তিনি আল্লাহর সামনে সেজদায় লুটিয়ে পড়েন, শোকর আদায় করেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ মক্কা বিজয়ের দিন মাথা এতটা নিচু করেছিলেন যে, তাঁর কপাল প্রায় উটের কুঁজে লেগে যাচ্ছিল (ইবনু হিশাম, সিরাহ)। এটা ছিল বিজয়ের সময় তাঁর বিনয় ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক।

৩. আল্লাহর প্রশংসা ও ইস্তিগফার

সূরা আন-নাসর স্পষ্ট করে বলে যে বিজয়ের পর আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে এবং ইস্তিগফার করতে হবে। এর মাধ্যমে শেখানো হয়েছে, যত বড় বিজয়ই আসুক, মানুষের কাজের মধ্যে ত্রুটি থাকে, তাই ক্ষমা চাইতে হবে।

৪. মানুষের কল্যাণে ব্যবহার

বিজয়ের পর দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। রাসূল ﷺ মক্কা বিজয়ের সময় তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রুদেরকেও ক্ষমা করেছিলেন এবং বলেছিলেন: “আজ তোমাদের জন্য কোনো ভর্ৎসনা নেই, তোমরা সবাই মুক্ত।” (ইবনে হিশাম)

৫. দুনিয়ার নয়, আখিরাতের চিন্তা

বিজয় দুনিয়ার ক্ষমতা নয়, বরং আখিরাতের সফলতার সিঁড়ি হওয়া উচিত। হাদীসে এসেছে:
“দুনিয়া কারো জন্য জান্নাত, আর কারো জন্য জাহান্নাম।” (মুসলিম, হাদীস ২৯৫১)

তাই মুমিন বিজয়ের পরেও দুনিয়ার মোহে না থেকে আখিরাতের মুক্তির কথা স্মরণ রাখবে ।

উপসংহার

বিজয় মুসলমানকে আরও বেশি আল্লাহমুখী করে তোলে। বিজয়ের সময় অহংকার নয়, বরং বিনয়, শোকর, ইস্তিগফার ও মানুষের প্রতি ক্ষমাশীলতা প্রদর্শন করতে হবে। এভাবেই প্রকৃত মুসলমান আল্লাহর সাহায্যের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

28/07/2025

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

16/09/2023
Want your school to be the top-listed School/college in Noakhali Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Companiganj
Noakhali Sadar Upazila