Mohongonj Adarsha High School

Mohongonj Adarsha High School এখানে শিক্ষামূলক পোস্ট করা হবে।

08/12/2025
MAHS-এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশআজ Milestone College-এর একটি মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় শিশু-সহ বহু মানুষের প্রাণহানি এ...
21/07/2025

MAHS-এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ

আজ Milestone College-এর একটি মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় শিশু-সহ বহু মানুষের প্রাণহানি এবং আহত হওয়ার সংবাদে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, Mohangonj Adarsha High School (MAHS) পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি—আল্লাহ্‌ তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করছি।

এই শোকাবহ মুহূর্তে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি আমরা আন্তরিক সমবেদনা ও সহানুভূতি প্রকাশ করছি। আল্লাহ্‌ তাঁদের এই কঠিন সময় সহ্য করার শক্তি দিন।

— MAHS পরিবার
School

Rest in peace little birds 💔পু'ড়ে গেছে এই শহরের ফুল!😭😭😭😭|পু'ড়ে গেছে এই শহরের ফুল!|😢এই ঘটনাগুলো বন্ধ হবে না...শুধু এই বিম...
21/07/2025

Rest in peace little birds 💔
পু'ড়ে গেছে এই শহরের ফুল!😭😭😭😭
|পু'ড়ে গেছে এই শহরের ফুল!|😢

এই ঘটনাগুলো বন্ধ হবে না...

শুধু এই বিমান না, আরও বহু যানবাহন ও ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা আছে, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটলেই ঝরবে প্রাণ।

কারও কোনো মাথাব্যথা নেই,
কারণ যাদের গাফিলতিতে প্রতিটি দুর্ঘটনা ঘটছে, তাদের কোনো শাস্তি হয় না।

মাইলস্টোনের দুর্ঘটনার জন্য যারা দায়ী, যারা জানতো এমনটা ঘটতে পারে, যাদের দায়িত্ব ছিল এমন ঘটনা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার...

তাদের কারও শাস্তি হবে না!

রাষ্ট্রীয় শোক পালন হবে…

নেতারা কিছু ভোটের আশায় দলবল নিয়ে হাসপাতালে পোড়া শিশুগুলো দেখতে যাবেন, ইনফেকশন বাড়িয়ে আরও কিছু মৃত্যু নিশ্চিত করবেন।

আমরা কিছু পোস্টের মাধ্যমে হাউকাউ করব। পোস্ট ভিডিওতে কিছু টাকা উপার্জন করব।

পরের দিন থেকেই এইসব নাকে কান্না শেষ।

আরেকটি দুর্ঘটনার অপেক্ষা...

©️

লন্ডন, ২২শে নভেম্বর ১৭৭৪ সাল। হাড় কাঁপানো এক শীতের রাত। একটি মৃতদেহ নিয়ে এক কবরস্থান থেকে আরেক কবরস্থানে ছুটে বেড়াচ্ছেন ...
28/06/2025

লন্ডন, ২২শে নভেম্বর ১৭৭৪ সাল। হাড় কাঁপানো এক শীতের রাত। একটি মৃতদেহ নিয়ে এক কবরস্থান থেকে আরেক কবরস্থানে ছুটে বেড়াচ্ছেন মৃত মানুষটির আত্মীয়, পরিজন ও বন্ধুরা। কিন্তু কোথাও স্থান হচ্ছিল না সেই মৃতদেহটির। পাদ্রীরা চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন সেই মৃতদেহ থেকে।

কোন চার্চের পবিত্র সমাধিস্থলে সেই মৃতদেহটিকে জায়গা কেউ দিতে চাইছিলেন না। শেষে বাধ্য হয়ে ওই মৃতদেহের সাথে থাকা মানুষেরা সিদ্ধান্ত নিলেন যে তাঁরা মৃতদেহটিকে সমাধিস্থ করবার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নেবেন।

ঘুরতে ঘুরতে তাঁরা হাজির হলেন সেন্ট মার্গারেট চার্চে’। এককালে ওই এলাকারই সন্তান ছিল ওই মৃত মানুষটি। যদিও এলাকার মানুষ মৃত মানুষটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। একসময় তিনি যখন ওই এলাকাটি ছেড়ে চলে গেলেন, তখন সবাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। সেদিন সেই মানুষটি আবার সেখানে ফিরে এসেছেন। তবে মৃত অবস্থায়। চার্চের পাদ্রী মৃতদেহের সাথে থাকা লোকেদের কাছে মানুষটির মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলেন। একজন খুব ধীর কণ্ঠে বলেন, ‘হার্ট এ্যাটাক’। বাকিরা তাঁর কথায় সায় দিয়ে নিজেদের মাথা নাড়েন। যদিও তাঁরা সকলেই জানত তাঁরা মিথ্যে কথায় সাক্ষ্য দিচ্ছে। আসলে ওই মৃত মানুষটি আত্মহত্যা করেছিল। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট তাঁর দুর্নীতির বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিল। মানুষটি যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে হয়ত ওই দুর্নীতি প্রমাণ হলে তাঁকে আরো সমালোচনা এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখি পড়তে হত। ভয়ে এবং লজ্জায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৮ বছর। তিনি ব্রিটেনের পার্লামেন্টের সদস্য হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তার কারণেই ইংরেজদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছিল সুবা বাংলা, বিহার আর উড়িষ্যা। তার কূটচালের কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

একদিন তাঁর সঙ্গী ছিলেন ‘মীরজাফর’, ‘জগৎশেঠ’ আর ‘উমিচাঁদের’ মতো ইতিহাসের চরিত্ররা। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ রাজ প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ইংল্যাণ্ডের জাতীয় নায়কে পরিণত হয়েছিলেন।

১৭৫৭ সালে ভারতে দাঁড়িয়ে তিনি বিজয়ীর হাসি হেসেছিলেন আর ১৭৭৪ সালে নিজের দেশের মাটিতে মৃত্যুর পরেও তিনি ছিলেন চরম অসহায়। তাঁর শেষকৃত্যের জন্য স্বজনদের মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়েছিল। ওই মানুষটির নাম ছিল ‘রবার্ট ক্লাইভ’। নিজের মৃত্যুর আগেই নিজের ভাগ্যের বিপর্যয়টুকু ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন রবার্ট ক্লাইভ। তাই আত্মহত্যাতেই তিনি নিজের জীবনের সমাধান খুঁজে নিয়েছিলেন।

পলাশীর যুদ্ধের সতেরো বছর পরে রবার্ট ক্লাইভ আত্মহত্যা করেন।

আসলে পলাশীর যুদ্ধ জয়ের পরবর্তী মাস থেকেই সাম্রাজ্যের স্বপ্ন নয়, টাকা আদায়ের চিন্তা ইংরেজদের মন জুড়ে বসেছিল। তাই তারা যখন শুনেছিল যে তাদের ও নতুন নবাবের মধ্যে হওয়া গোপন চুক্তির প্রতিশ্রুত টাকার সবটা নতুন নবাব সেই মুহূর্তেই দিতে পারছেন না, তখন তারা ভারি মুষড়ে পড়েছিল। তাই তখন তারা বলেছিল যে, তাহলে জগৎশেঠ লিখিত মুচলেকা দিন যে নতুন নবাব তাদের পাওনা সমস্ত টাকা মিটিয়ে দেবেন।

নবাবী রাষ্ট্রের কাঠামো ও সমাজ ব্যবস্থা তখনো আপাতদৃষ্টিতে অটুট ছিল। কিন্তু ইংরেজদের অপরিসীম বিত্তবাসনা ও লোভ তাতে বাধা দিয়েছিল। তাদের অপরিসীম টাকার দাবি মেটাতে না পারায় ‘মীরজাফর’ মসনদচ্যুত হলেন। তাদের সেই অন্যায্য দাবী রোধ করতে গিয়ে ‘মীরকাশিম’ লড়াই করে পরাজিত হয়ে দেশত্যাগী হতে বাধ্য হলেন।

ইংরেজদের বাকি পড়ে যাওয়া টাকা আদায়ের জন্য ‘দেওয়ানী’ নিজের হাতে নিয়ে ক্লাইভ ‘দ্বৈত শাসনের’ প্রবর্তন করেন। তার পাঁচ বছর পেরোতে না পেরোতেই প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষ ঘটে যাওয়ায় সমগ্র বঙ্গদেশে পুরোপুরিভাবে ইংরেজ শাসনের প্রবর্তন করা হয়। এইভাবে ইংরেজদের অর্থলোভের সূত্র ধরে বাঙালি সমাজের পুরানো রাষ্ট্রীয় ও বৈষয়িক কাঠামো ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

সেই অর্থলোভ ও দস্যুবৃত্তির সঙ্গে সুবা বাংলার প্রজারা অপরিচিত ছিলেন না। পলাশীর ঘটনার দশ-পনেরো বছর আগে বর্গিরা বঙ্গদেশে হানা দিয়েছিল। তখন তাঁদের মুখে একটাই কথা শোনা যেত - “রূপি দেহ, রূপি দেহ”। রূপি না পেলে বর্গিরা নাকের জলে চোখের জলে এক করে ছাড়ত, কিন্তু অর্থ আদায়ের ব্যাপারে ইংরেজরা অনেক বেশি বিচক্ষণ ও পারদর্শী ছিল। বর্গিরা লুটেপুটে যা পেয়েছিল সেটাই নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল।

কিন্তু ইংরেজরা সেই ধরণের কাজ করবার পাত্র ছিল না। তাঁদের বিষয় বাসনা ছিল আকাশের মতো অবারিত।

পলাশীর পনেরো বছর বাদে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ক্লাইভ সদম্ভে ঘোষণা করেছিলেন,

“A great price was dependent on my pleasure, an opulent city lay at my mercy; its richest bankers bid against each other for my smiles; I walked through vaults which were thrown open to me alone, piled on either hand with gold and jewels! Mr. chairman, at this moment I stand astonished at my own moderation!”

বর্গিদের সঙ্গে ক্লাইভ ও তাঁর দলবলের পার্থক্য এইখানেই বড়ো হয়ে দেখা দিয়েছিল। বর্গিরা একবার মুর্শিদাবাদে হানা দিয়ে যা পেয়েছিল সেটাকেই ঘোড়ায় চাপিয়ে ‘নাগপুরে’ নিয়ে চলে গিয়েছিল। ইংরেজরা তার বদলে একটা পাকাপাকি ব্যবস্থা করে বছর বছর ধরে নৌকা নৌকা বোঝাই ধনরত্ন সাজিয়ে নিয়ে মুর্শিদাবাদ থেকে ভাটি বয়ে নিয়ে যেতে শুরু করেছিল।

পলাশীর যুদ্ধের পরে এক মাস যেতে না যেতেই তিনি উৎফুল্ল চিত্তে নিজের বাবার কাছে একটি পত্রে লিখেছিলেন,

“ইংরেজদের কাছ থেকে জাফর আলি খান বাহাদুর যে মস্ত উপকার পেয়েছেন তার বদলে তিনি সরকারী ও বেসরকারী খাতে তিন কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছেন - তার অর্ধেক এর মধ্যেই হাতে এসে গেছে। তাঁর বদান্যতায় আমি স্বদেশে এমন ঠাঁটে থাকতে পারব যা আমার সব আশা আকাঙ্ক্ষার অতীত। … যা নবাবী উপহার পাওয়া গেছে তা সবকিছুর অর্ধেক মাত্র। বাকি টাকাও হাতে এসে যাবে বলে পুরো ভরসা রাখি। বোনেদের জন্য আমি বিশ বিশ হাজার টাকা ধরে দিচ্ছি, যথা সময়ে ভাইদের ব্যবস্থা করে দেবো। ছুঁড়ি দুটোর প্রতি আমার পরামর্শ তাঁরা যত তাড়াতাড়ি পারে বিয়ে করে ফেলুক কারণ তাঁদের আর হাতে সময় নেই। আপনারও আর আইনের ব্যবসা করবার দরকার নেই।”

নবাবী দৌলতখানার টাকায় ‘সিলেক্ট কমিটি’র বড়ো বড়ো সাহেব আর সেনাপতিরা সবাই রাতারাতি ‘নবাব’ হয়ে গেল। শুধুমাত্র ‘অ্যাডমিরাল ওয়াটসন’ ঠকে গেল। পলাশীর যুদ্ধের কয়েক দিন বাদেই তিনি অসুখে ভুগে হঠাৎ মারা গেলেন। ক্লাইভের সঙ্গে তাঁর আধাআধি বখরার কথা ছিল।

কার্যকালে সেই অঙ্গীকার পালনে ক্লাইভের কিছুমাত্র আগ্রহ দেখা যায় নি। অ্যাডমিরালের উত্তরাধিকারীরা তার নামে আদালতে মামলা ঠুকে দিয়েছিলেন। এরপরে ক্লাইভ অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাঁদের এক কিস্তি টাকা পাঠিয়ে দেন। সেই টাকা পেয়ে যথা লাভ বলে মামলাবাজরা মামলা তুলে নিল।

ইংরেজদের সেই বিপুল পরিমাণ অর্থ যোগানের বোঝা বাংলার পুরানো সমাজ ব্যবস্থা বেশি দিন সহ্য করতে পারেনি। তৎকালীন সমাজের উপরতলায় যে তিনটি শ্রেণী অধিষ্ঠিত ছিল - সেই ‘মনসবদার’, ‘জমিদার’ ও ‘সওদাগর’রা সশব্দে ভূপতিত হয়েছিলেন এবং গোটা সমাজের বৈষয়িক কাঠামো পরবর্তী তেরো বছর যেতে না যেতেই ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। © রাজিক হাসান
--------------------------------------------

(চিত্রকর্মটি ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ক্লাইভের বিজয়ের পর রবার্ট ক্লাইভ এবং মীর জাফরের মধ্যে ঐতিহাসিক সাক্ষাতের দলিল। চিত্রকর Francis Hayman)



ব্রেকিং: মেদ'ভেদেভ ঘোষণা করেছেন যে ইরানকে পারমাণবিক অ'স্ত্র দিতে ইচ্ছুক দেশ রয়েছে।আগামীকাল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুতি...
23/06/2025

ব্রেকিং: মেদ'ভেদেভ ঘোষণা করেছেন যে ইরানকে পারমাণবিক অ'স্ত্র দিতে ইচ্ছুক দেশ রয়েছে।

আগামীকাল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুতিনের সাথে দেখা করতে মস্কো যাচ্ছেন। মেদ'ভেদেভ ঘোষণা করেছেন যে ইরানকে পারমাণবিক অ'স্ত্র দিতে ইচ্ছুক দেশ রয়েছে।
Mohongonj Adarsha High School




পড়ে আপনার টাইম লাইনে রেখে দিন----ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।ইবরাহীম(আঃ...
23/06/2025

পড়ে আপনার টাইম লাইনে রেখে দিন----

ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।

হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।

হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।

ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!

৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।

এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।

মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।

তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।

তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।

তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।

কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।

তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।

বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!

ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।

বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।

১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।

যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।

তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।

তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!

জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।

ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!

আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!

আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!







©️©️©️©️

21/06/2025

ইরানের শক্তির জায়গা গুলো
১ তারা ডলার সিস্টেম থেকে মুক্ত,
২ আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ থেকে মুক্ত। ফলে সরকারের উপর তাদের প্রভাব নেই এবং এই সিস্টেম কর্তৃক অযাচিত চাপ নেই।
৩ তাদের নিজস্ব প্রযুক্তি আছে। নিজেরা জাহাজ বানায়, রাডার বানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা, মিসাইল, গাড়ি, ক্রেন, ট্রাক, বিদ্যুৎ, জেনারেটর সব বানায়। ফলে তাদেরকে এক ঘরে করে ফেলবে এই কার্ড খেলা যাবে না। কাউকে তার গুনতে হয় না।
৪ তাদের জাতি গর্দান নামায় না চাপের মুখে। জাতির বৈশিষ্ট্য এমন যে বাহির থেকে আক্রমণ করলে শক্তিশালী ভাবে সবাই এক হয়ে লড়াই করে।
৫ তার যেই ভূগোল তা দুর্ভেদ্য। একপাশে পাহাড় ও মরুভূমি। আরেক পাশে তারা থাকে উঁচুতে আর ইরাক নিচে। ফলে এই দেশ জয় করা ঐতিহাসিকভাবেই বিরল।
বর্তমানে তার সাথে যুক্ত হয়েছে আরেক ট্রাম্প কার্ড। সেইটা হচ্ছে হরমুজ প্রণালী। বলা যায় মধ্যপ্রাচ্যের তেলের চালান এই একটা শীর্ণ অঞ্চল দিয়ে পার হয়। ইরান যদি এইটা রুদ্ধ করতে উদ্যোগ নেয়, কেবল মধ্যপ্রাচ্য না, বিশ্বের বহু বহু শক্তিশালী রাষ্ট্র নিরাপত্তাহীনতার ভুগবে।

৬ তারা নিজেদের শিয়া বিশ্বাসের কেন্দ্রে পরিণত করাতে বিশ্ব জুড়ে ছোট ছোট মিলিশিয়া তৈরি করেছে। আরো তৈরি করেছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এর ফলে সে দুই দিক থেকে সুবিধা নিচ্ছে। এক পারসিক জাতি হিসেবে। দুই বিশ্ব জোড়া শিয়া বিশ্বাসের কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। এর ফলে তার উপর আক্রমণ করলে সারা বিশ্বের আনাচে কানাচে শিয়া বিশ্বাসের সবাই সচেতন হয়ে উঠে।
৭ জ্বালানি নিরাপত্তা আছে। বর্তমানে বিশ্বের বেশির ভাগ রাষ্ট্রের নিরাপত্তার অন্যতম দুর্বলতা হচ্ছে জ্বালানি। আবার জ্বালানির বাজার ডলার ভিত্তিক। আবার সমুদ্র পথ গুলো নিয়ন্ত্রণ করে আমেরিকা। তাই সব রাষ্ট্র ভয়ে থাকে যে এই জায়গায় আটকে দিলে মেশিন পড়ে থাকবে মেশিনের জায়গায় অকেজো- তেল ছাড়া যুদ্ধে জেতা সম্ভব না। চীন যে পাকিস্তান ও মায়ানমারে বিকল্প পাইপলাইন করছে ev তে এত ইনভেস্ট করছে এবং এখন ইরানের পক্ষে কথা বলছে এগুলোর মূল কারণ জ্বালানি। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে খনিজ তেল থেকে প্রায় ৭০% কেমিক্যাল তৈরি হয়। তাই বলা চলে এইটা ছাড়া যুদ্ধ করা একেবারে সম্ভব না। দেশই চলবে না। এই জায়গা থেকে ইরান স্বাধীন।

এই সকল কারণে সে একটি শক্তিশালী দেশ। সেজন্য ইজরাইল একা পরমাণু অস্ত্র ছাড়া পারবে না দেখে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান ও ড্রোন প্রচুর পরিমাণে আসছে।
হয়তো পশ্চিমা বিশ্ব একত্রিত হবে এই শক্তিশালী মধ্যবিত্ত দেশের বিরুদ্ধে।

@মোহাইমিন_পাটোয়ারী

শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহর...
20/06/2025

শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️
❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)

চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহরণ

১. ChuChu TV ❌
অতিরিক্ত রঙ, শব্দ ও দ্রুতগতির ফুটেজ 👉
শিশুদের অস্থির করে তোলে, মনোযোগের সমস্যা তৈরি করে শিশু ঘুমানোর সময় বারবার এই কার্টুন দেখতে চায়, মনোযোগ কমে।

২. Cocomelon❌
অত্যধিক repetitive ও overstimulating; 👉
শব্দ ও সংগীতের মাধ্যমে “screen addiction” হয়ে যয়, বাচ্চা রেগে যায় যদি Cocomelon বন্ধ করা হয়।

৩. Diana and Roma ❌
বাস্তব জীবনের বিলাসীতা, খেলনা, ঘোরাফেরা দেখিয়ে শিশুদের ভোগবাদী মানসিকতা শেখায়👉
শিশু খেলনার জন্য জেদ করে কারণ "Diana" সেটাই করছে

৪. Vlad and Niki❌
নাটকীয়, চিৎকার ও অস্বাভাবিক আচরণ শেখায় 👉
যা শিশুরা অনুকরণ করে শিশু ঘর ভাঙচুর করে বলে “Vlad does it!”

৫. Little Baby Bum ❌
গান ও কার্টুনের মধ্যে বাস্তবতা ও কল্পনার বিভাজন দুর্বল করে, শিশুর চিন্তাশক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে👉
শিশু সবসময় গানেই চিন্তা করে, বাস্তব কথা শুনতে চায় না

৬. Morphle❌
হিংসাত্মক ও অপ্রাসঙ্গিক রূপান্তর ও আচরণ শিশুদের মধ্যে হিংসা ও অলীক চিন্তা তৈরি করে👉
Morphle হয়ে মানুষকে ‘হারিয়ে দেওয়া’ মজার মনে করে

৭. Elsa and Spiderman Parody Videos ❌
সেক্সুয়াল সাবটেক্সট, হিংসাত্মক কনটেন্ট – এগুলো শিশুর চোখে ঝাঁকুনির মতো👉
Elsa-Spiderman ভিডিওতে অশালীন পোশাক ও সংলাপ থাকে

✅ ৭টি শিক্ষনীয় ও মেধা বিকাশমূলক ইউটিউব চ্যানেল (নিরাপদ ও উপকারী)

চ্যানেল নাম -ভালো দিক -উদাহরণ

১. Peep and the Big Wide World- বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও অনুসন্ধান শেখায় 👉
শিশু পিপের মতো প্রশ্ন করে: “পানি কেন শুকায়?”

২. Blippi -রঙিন হলেও বাস্তব অভিজ্ঞতা শেখায় (যেমন: মিউজিয়াম, গাড়ি, কাজ) 👉
“Construction Vehicle” দেখিয়ে শেখায় কাজের প্রতি আগ্রহ

৩. Sesame Street -নৈতিক শিক্ষা, গঠনমূলক ভাষা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখায় 👉
“Elmo says: Sharing is caring” শিশু মনে রাখে

৪. Ms. Rachel (Songs for Littles) -
স্পিচ থেরাপি ও ভাষা শেখাতে সহায়ক, খোলামেলা ও আসল মানব মুখ ব্যবহার করে 👉
দেরিতে কথা বলা শিশুরা Ms. Rachel দেখে শব্দ শেখে

৫. Super Simple Songs -
স্লো, ক্লিয়ার এবং নির্দিষ্ট বয়স উপযোগী গান – শিশুর শব্দভাণ্ডার বাড়ে👉
“If You’re Happy and You Know It” গান শেখায় শরীরচর্চা ও শব্দ

৬. National Geographic Kids প্রাণীজগত, প্রকৃতি, পৃথিবী সম্পর্কে শেখায় “How bees make honey” দেখে শিশুর জিজ্ঞাসা বেড়ে যায়
৭. SciShow Kids বিজ্ঞানভিত্তিক সহজ ব্যাখ্যা ও পর্যবেক্ষণ শেখায় “Why do leaves change color?” দেখে শিশু জানতে চায় প্রকৃতি নিয়ে

🔍 সচেতনতা ও পরামর্শ:

YouTube Kids অ্যাপে Parent Control ব্যবহার করুন

প্রতি ভিডিওর বিষয়বস্তু আগে দেখে দিন

সময় সীমা দিন — দিনে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট (২-৫ বছর বয়সে) প্রতিদিনেম ৬০ মিনিট।

শিশুর পাশে বসে ভিডিও দেখুন ও আলাপ করুন
এই পোস্টের প্রতিটা চ্যানেলের কার্টুন আমি ৫-৮মিনিট করে দেখে দেখে এই চ্যানেলগুলো সিলেক্ট করেছি। তাই বলছি, কি দেখতে দিচ্ছেন তা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

দয়া করে সচেতন হবেন।🙏
©️©️©️©️

Address

Mohongonj
Netrokona
2446

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohongonj Adarsha High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share