11/01/2021
লটারির রেজাল্ট!
Our School create ideas & others follow us. An ideal school.
11/01/2021
লটারির রেজাল্ট!
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য 15/12/2020 খ্রি. সকাল ১০টা হতে 27/12/2020 খ্রি. বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
11/04/2020
বিশ্বব্যাপী করোনা এক ভয়ানক ভাইরাস। একে একে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশেও মৃত্যুহার ও সংক্রমণ ২য় সর্বোচ্চ। ভয় বা আতংক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও সকলের দায়িত্বশীলতা। এরই লক্ষে আমরা নেত্রকোনা জেলার ডাক্তাররা সকলের সাহায্যে এগিয়ে এসেছি। করোনা সংক্রান্ত যে কোন পরামর্শ, স্বাস্থ্যসেবা ও যে কোন সাহায্য প্রয়োজনে উল্লিখিত নাম্বার এ কল করতে পারেন। যে কোন ধরনের শারিরীক সমস্যায় আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আমাদের সাধ্যমত টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে যতটুকু সেবা দেওয়া যায় দিতে চেষ্টা করবো। দেশের অবস্থা স্বাভাবিক হবার আগ পর্যন্ত আমরা এই সেবা অব্যাহত রাখব ইনশাআল্লাহ ।।
বিঃ দ্রঃ -
১। দয়া করে সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা এবং সন্ধ্যা ৬ টা হতে রাত ১০ টা এই সময়ের মাঝে ফোন করুন
২। নিদিষ্ট দিনের জন্য নির্ধারিত ডাক্তারকে ফোন করুন
৩। যারা আপনাকে সেবা দিবেন তাদের মাঝে অনেকে মেডিকেল কলেজ, সদর হাসপাতালসহ, বিভিন্ন ধরনের হাসপাতালে কর্মরত আছেন., তাই উনাদের ফোন ব্যস্ত পেলে কিংবা ফোন কোন কারণে কেটে দিলে আপনি অপেক্ষা করুন, কিছু সময় পর চেষ্টা করুন, কিংবা অন্য নম্বরে যোগাযোগ করুন।
৪। আমরা সবাই নেত্রকোনার সন্তান, আমরা আপনাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছি., আমরা আপনাদের সহযোগিতা এবং দোয়া প্রার্থী ।
৫। ছবিতে ১ মিটার বলা হলেও সাম্প্রতিক গাইডলাইন অনুসারে ২ মিটার পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
আমরা ডাক্তাররা সব সময় আপনাদের পাশে আছি..।
আপনারা ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন ।।
[শেয়ার করে অন্যকে জানতে সাহায্য করুন]
এই পেইজ থেকে এখন নিয়মিত করোনা (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করা হবে। আসুন আমরা সকলে সচেতন হই। নিজ নিজ বাসায় অবস্তান করুন।নিজে এবং নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।
03/04/2020
02/04/2020
মৃত্যুবাহী করোনা, হার না মানা মানুষ আপনাদের নিশ্চয়ই মনে পড়ছে, কিছুদিন ধরে আমরা শিল্পবিপ্লবের যুগ ৪.০ নিয়ে বেশ হৈচৈ শুনছিলাম। এই মুহূর্তে আপাতত কেউই ক....
Yesterday is history, tomorrow is mystery but today is gift....🙂
"★*★একটি উপদেশমূলক গল্প★*★
একদিন এক কৃষকের গাধা গভীর
কুয়ায় পড়ে গেলো।
গাধাটা করুণ
সুরে কেঁদে কৃষকের
দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাতে লাগলো।
কৃষক
ভাবলো যেহেতু
গাধাটা বৃদ্ধ
হয়ে গেছে, কাজেই
একে উদ্ধারের ঝামেলায়
না গিয়ে মাটি ফেলে কুয়ার মাঝেই কবর
দিয়ে ফেললেই
ল্যাঠা চুকে যায়। কাজেই কৃষক শাবল
দিয়ে মাটি ফেলতে লাগলো গাধার
উপর। প্রথমে গাধা ঘটনা আঁচ
করতে পেরে চিৎকার
করে গলা ফাঁটিয়ে কাঁদতে লাগলো। কিন্তু
কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হয়ে গেলো।
কৃষক এই
নিরবতার
কারণ উদ্ঘাটন
করতে গিয়ে কুয়ার ভিতর
উঁকি দিয়ে অবাক হয়ে গেলো। প্রতিবার
যে ই গাধাটার উপর
মাটি ফেলা হয়েছে, সে তা পিঠ
ঝাড়া দিয়ে ফেলে দিয়ে সেই
মাটিকে ধাপ বানিয়ে একধাপ
একধাপ করে বেশ
খানিকটা উপরে উঠে এসেছে।
এটা দেখে কৃষক
আরো মাটি ফেললো এবং পরিশেষে গাধাটা
হয়ে আসলো কুয়া থেকে।
মরালঃ জীবন আপনার উপর
শাবল
ভর্তি মাটি ফেলবে এটাই স্বাভাবিক।
আপনার কাজ হচ্ছে সেই
চাপা দেয়ার
মাটিকেই
কাজে লাগিয়ে উপরে উঠা।
প্রতিটি সমস্যাই
আসলে সমাধানের একটি করে ধাপ,
যদি আপনি তা কাজে লাগানোর
মতো ইতিবাচক হয়ে থাকেন।
যেকোন সুগভীর কুয়া থেকেই
মুক্তিলাভ সম্ভব,
যদি না আপনি হাল ছেড়ে দেন
আজ সত্যি মেয়েদের প্রতি আমার
শ্রদ্ধা বেড়ে গেলো!!
আমার একটা ফ্রেন্ডের
একটা ছাইয়া আইডি আছে, তার
গার্লফ্রেন্ডের জন্য খুলছিলো কিন্তু তার
গার্লফ্রেন্ড ফেসবুক ইউজ করে না।
তো আজ হটাৎ করে আমার ল্যাপটপ
থেকে লগ ইন করলো। ঢুকে দেখি ২২
টা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এবং আর ৪৫
টা আনরিড মেসেজ।
তো আমার ফ্রেন্ড একটা স্ট্যাটাস দিলো,
"আজ আমার মন
খারাপ অনেক"!
১০ মিনিট পর-
১৬০ লাইক।
৯৫ কমেন্ট।
৫ জন আবার এই এক লাইনের স্ট্যাটাস
শেয়ারও দিয়েছেন।আর ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট
চলে গেলো এক লাফে ২০ থেকে ১৪৫।
আর ইনবক্স??
পুরা কাল বৈশাখী ঝড়_ _ _ _
- কেন মন খারাপ?
- হাই?
- আই লাভ ইয়্যু আমি তোমার মন
ভালো করে দিব!
- দোকানে বসা ছবি পাঠালো একজন।
- কয়েজন কবিতা আর গানের কলিও
লিখে পাঠালো!
আমার দোস্ত আমাকে দিলো চ্যাট করতে!
বললো, তুই তো খুব দ্রুত টাইপ করস, আজ
দেখি তোর কত ক্ষমতা!!
আমি চ্যালেঞ্জ একচেপ্ট করলাম! তারপর_
_
প্রথমে ১৫ মিনিট নিজের টাইপিং এর
সর্বোচ্চ
ক্ষমতা দিয়ে চ্যাট করলাম। কিন্তু একটূ
পরেই সবাই
আমাকে ধরাশায়ি করে ফেললো!!
সবাইকে যদি জাস্ট "হাই"ও দেই তাহলেও
আজ রাত পার হয়ে যাবে চ্যাট
করতে করতে!!কয়েকজন আবার ভিড্যু চ্যাট
রিকোয়েস্টও দিলো!
এ থেকে আজ যা শিখলামঃ
১- বাংলাদেশের এখনো ৮০% পুরুষ ফেসবুক
ইউজার
এখনো ছাইয়া আইডি কি জিনিস চিনে না!
২- এই ৮০ পার্সেন্ট পুরুষ ফেবু ইউজার
এখনো ফেসবুকে আসে গার্লফ্রেন্ড খুঁজতে!
৩- মেয়েদের আইডি চালাইতে গেলে চ্যাট
করার সময় নিজেকে মেয়ে মেয়ে লাগে!!
৪- একটা হরিণ যখন একদল হায়নার
সামনে পড়লে যে অবস্থা হয় ছাইয়ার
অবস্থাও সেইরকম
হয়ে যায়! এতো মেন্টাল স্ট্রেস
নেওয়া কোন ছেলের পক্ষেই নেওয়া সম্ভব
না!!
এটাতো গেলো নর্মাল একদম প্রাথমিক
লেভেলের এক ছাইয়া আইডির অবস্থা, আর
সেখানে যে মেয়েরা রিয়েল আইডি চালায়
তাদের কি অবস্থা হয় ভাবতেই শরীর
ঠান্ডা হয়ে আসছে ভয়ে!! হে নারী,
তোমাদের ধৈর্য অনেক। তোমারা অনেক
মহান!!
আর হে অবোধ পুরুষ ফেসবুকারগন, ফেসবুক
ইউজের
আগে ছাইয়া আইডি চিনে নিন!
নয়তো সারাজীবন
চলে যাবে চ্যাট বক্সে হাই
হেলো করতে করতে মাগার রিপ্লাই
আসবে না কোন দিন!
আর সব নেপোলিয়ানেরর সুরে সুর
মিলিয়ে বলতে চাই-
"তোমরা আমাকে একটা ছাইয়া আইডি দাও,
আমি তোমাদের
একজন ফেসবুক সেলিব্রেটি উপহার দিব!"
রাস্তায় পরিচিত এক ছোট ভাইয়ের
সাথে দেখা। বেচারা মেডিকেলে চান্স
না পেয়ে রাস্তায় ঘুরাঘুরি করছে। বাসায়
যাওয়ার সাহস পাচ্ছেনা।
ছোট ভাইকে বললাম,
"আরে ব্যাটা মেডিকেলে চান্স পাস নাই
দেখে কি জীবন শেষ হয়ে গেলো নাকি?" এই
যে ওরে দেখ বলে, পাশের
বন্ধুকে দেখিয়ে বললাম,
পোলা মেডিকেলে চান্স
না পাইয়া ইঞ্জিয়ারিং এ ভর্তি হইছে।
আজকে ভালো চাকরি করে। টেকাটুকাও
ভালো কামাইতেছে। সামনের বছর আবার
পারিবারিকভাবে গার্লফ্রেন্ডরে বিয়াও
করতেছে।
কথা বলতে বলতে একসময় উত্তেজনার
বসে বললাম, আমারেই দেখ।
মেডিকেলে চান্স না পাইয়া কি আমার
জীবন শেষ হইয়া গেছে? প্রাইভেটেই নাহয়
বিবিএ করতেছি। তুই ই বল বিবিএ
পড়া কি খারাপ? যা ব্যাটা বাসায়
যা বাসায় গিয়া ভার্সিটির লাইগা জান
দিয়া ট্রাই কর। ছোট ভাই
কি বুঝলো না বুঝলো হাসিমুখে বাসার
দিকে হাঁটা দিল।
পাশের বন্ধু আমার
পেঁটে খোঁচা দিয়া কইলো, "তুই
শালা সারাজীবন কমার্সে পইড়া ছোট
ভাইরে নিজের মেডিকেলের গল্প শুনাস।
ব্যাটা ফাঁপড় মারবি ভালো কথা। একটু
রইয়া সইয়া মার। তুই তো দেখি লিমিট ক্রস
কইরা ফেলছস।"
বন্ধুর দিকে তাকাইয়া বললাম,
"আরে ব্যাটা উত্তেজনার
বসে নিজেরে কন্ট্রোল করতে পারি নাই।
বাদ দে বিপদের সময় সবই চলে। যাহাই লাউ
তাহাই কদু।"
টেনশনে আছি রাস্তায় বাইর হইলে ছোট
ভাই আবার না জিগাইয়া বসে, ভাই কমার্স
থেইকা আবার
মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যায়
কেমতে?"
একজন ডাক্তার একটি জরুরী সার্জারির জন্য
তাড়াহুড়ো করে আর এক
ডাক্তারকে হাসপাতালে ডেকে পাসে তড়িৎগতিতে হাস
হাসপাতালে ঢুকেই সে নিজেকে দ্রুত প্রস্তুত
করে নিল সার্জারির জন্য।
এরপর সার্জারির ব্লক এগিয়ে সে দেখল রোগীর
( একটি ছোট্ট ছেলে)
বাবা ওখানে পায়চারি করছে দাকার অপেক্ষায় ,
ডাক্তার কে দেখামাত্র লোকটি চেঁচিয়ে উঠল-...
আপনার আসতে এত দেরি লাগে? দায়িত্ববোধ
বলতে কিছু আছে আপনার?
আপনি জানেন আমার ছেলে এখানে কতটা শোচনীয়
অবস্থায় আছে ???? ডাক্তার ছোট্ট
একটা মুচকি হাসি হেসে বলল-"
আমি দুঃখিত,আমি হাসপাতাল এ ছিলাম না,
বাসা থেকে তাড়াহুড়ো করে এলাম, তাই খানিক
দেরি হল,
এখন আপনি যদি একটু শান্ত হন,
তবে আমি আমার কাজ টা শুরু করি ?"
লোকটি এবার যেন আরও রেগে গেলো,
ঝাঁঝাঁলো স্বরে বলল- "
ঠাণ্ডা হব? আপনার সন্তান যদি আজ
এখানে থাকতো?
আপনার সন্তান যদি জীবন মৃত্যুর
মাঝে দাঁড়াইয়া থাকতো,
তবে আপনি কি করতেন?
শান্ত হয়ে বসে থাকতেন ??"
ডাক্তার আবার হাসলেন আর বললেন " আমি বলব
পবিত্র
গ্রন্থে বলা হয়েছে মাটি থেকেই আমাদের সৃষ্টি আর
মাটিতেই আমরা মিসে যাব !
ডাক্তার কাউকে দীর্ঘ জীবন দান করতে পারেন
না আপনি আপনার
সন্তানের জন্য প্রার্থনা করতে থাকুন
আমরা আমাদের সর্বোচ্চ
চেষ্টা টা করব ।"
লোকটি পুনরায় রাগত স্বরে বলল-"যখন আপনার
টেনশন না থাকে তখন উপদেশ দেয়া সহজ ই!!"
এরপর ডাক্তার সাহেব সার্জারির রুম এ চলে গেলো,
২ ঘণ্টার মত লাগলো ,শেষে হাসি মুখে ডাক্তার
হাসি মুখে বের হয়ে এলেন,"আলহামদুলিল্লাহ
অপারেশন সফল"
এরপর লোকটির উত্তরের অপেক্ষা না করেই
ডাক্তার আবার
বলে উঠলেন-"আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে নার্স
কে জিজ্ঞেস করুন ",
বলে তিনি চলে গেলেন ।
এরপর লোকটি নার্স কে বললেন-"ডাক্তার এত ভাব
নেন কেন?
তিনি কি আর কিছুক্ষণ এখানে দাঁড়াতে পারতেন না?
যাতে আমি ওনাকে আমার সন্তানএর ব্যাপারে কিছু
জিজ্ঞেস করতাম ।
" নার্স কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন আর জানালেন-
ডাক্তার এর
ছেলে আজ সকালে মারা গেছেন রোড এক্সিডেন্ট এ,
তিনি আপনার ফোন পেয়ে ওনার ছেলের
জানাজা থেকে উঠে এসেছেন ,
এখন আবার দৌড়ে চলে গেলেন- কবর দিতে ।
নৈতিক শিক্ষা :-
একজন মানুষ কে কখনো তার বাইরের আচরণ
দেখে যাচাই করবেন না, কারণ আপনি কখনই জানেন
না তিনি কিসের মাঝে আছেন।
সংগৃহীত
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |