Morning Glory Kindergarten

Morning Glory Kindergarten To provide “A happy, caring, creative learning environment.” We seek to achieve this through nurturing broad education along with ethical values, citizenship.

Morning Golry Kindergarten is a place with a difference. We provide high quality standards of education in a friendly learning environment, based on the Bangladesh Curriculum, Our educational programmes provide opportunities for children to reach their full potential through well planned academic programme along with a variety of extra-curricular activities. Our kindergarten offers a unique intern

ational experience for the children through a multinational mix. Our teaching staff consists of qualified and experienced teachers. We ensure that students are taught in a caring, and nurturing manner. We also implement an ongoing programme of workshops to help teaching staff to become familiar with the latest developments in education. Our educational programmes place an emphasis on:
Providing a safe, nurturing and motivational learning environment. An understanding of moral and ethical values. Offer a range of activities to promote success, confidence and self-esteem. Encourage the personal, social, physical and academic strengths in our children
and achieve their full potential. Morning Golry Kindergarten, Barhatta is founded on the guiding principle of providing an education based upon the assurance of high quality teaching and learning.

মানুষের পাশে থাকুন...
25/02/2026

মানুষের পাশে থাকুন...

বিশেষ অতিথি আসিফ রহমান বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো মানবিক কর্মকা...

01/02/2026

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

01/02/2026

"একজন সন্ন্যাসী নির্জনে ধ্যান করতে চাইলেন। মনাস্ট্রি থেকে দূরে একটা হ্রদের একদম মাঝখানে চলে গেলেন তিনি একটা নৌকা করে, যেখান থেকে উপকূল আর ভালো করে দেখাও যায় না। অতঃপর, এই নির্জন স্থানে ধ্যানস্থ হলেন সন্ন্যাসী।

কয়েক ঘণ্টা শান্ত নিস্তরঙ্গ শান্তিপূর্ণ ধ্যানের পর, তিনি হঠাৎ একটা প্রবল ঝাঁকুনি অনুভব করলেন। বুঝতে পারলেন অন্য আরেকটা নৌকা ধাক্কা মেরেছে তাঁর নৌকায়। সন্ন্যাসী ভয়ানক ক্রুদ্ধ হলেন মনে মনে। তিনি যখন ধ্যানে বসেছেন, কে তাঁকে এভাবে ধাক্কা মারতে সাহস করে! নৌকাটির আরোহীকে চিৎকার করে ভর্ৎসনা করতে যাবেন, এইসময় চোখ মেলে দেখলেন, নৌকাটিতে কেউ নেই। চালকহীন নৌকাটি ভাসতে ভাসতে হ্রদের মাঝখানে এসে তাঁর নৌকাকে ধাক্কা মেরেছে।

সেই মুহূর্তেই ওই সন্ন্যাসীর আত্মোপলব্ধি হল, "ক্রোধ বাইরে নয়, আমার ভিতরেই ছিল। দরকার ছিল বাইরে থেকে শুধু একটা আঘাতের, একটা উত্তেজনার!"

এর পর থেকে যখনই কেউ তাকে বিরক্ত করত, উত্তেজিত করত, তিনি শুধু একটা কথাই নিজেকে বলতেন, "ক্রোধ রয়েছে আমার ভিতরে; সামনের মানুষটা শুধুই একটা চালকবিহীন নৌকা।"

থিক নাট হান

31/12/2025

Happy new Year 2026

ফলাফল প্রকাশ করার সময়...
28/12/2025

ফলাফল প্রকাশ করার সময়...

*ভর্তি চলছে  ভর্তি চলছে  ভর্তি চলছে *ভর্তির জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন মর্নিং গ্লোরি কিন্ডারগার্টেনগোপালপুর বাজার (গরুহাট্...
08/12/2025

*ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে *

ভর্তির জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন
মর্নিং গ্লোরি কিন্ডারগার্টেন
গোপালপুর বাজার (গরুহাট্টা সংলগ্ন)
বারহাট্টা, নেত্রকোনা।
মুঠোফোন নম্বর : ০১৬৩৩৫৫৭৭১১

14/10/2025

শুভ সকাল

13/10/2025

শুভ রাত্রি

30/08/2025

ফ্রিজিয়ার রাজা মাইডাস সম্পদের প্রতি অত্যন্ত লোভী ছিলেন এবং তার ধনভাণ্ডারকে সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। তিনি দিনরাত শুধু কীভাবে আরও সোনা সংগ্রহ করা যায় সেই চিন্তাই করতেন।
​একদিন ডায়োনিস, একজন গ্রিক দেবতা, তাকে তার দয়ার প্রতিদান হিসেবে একটি বর দিতে চাইলেন। মাইডাস এই সুযোগে একটি অদ্ভুত বর চাইলেন: তিনি যা কিছু স্পর্শ করবেন, তা যেন সোনায় পরিণত হয়। ডায়োনিস তার ইচ্ছা পূরণ করলেন।
​শুরুতে মাইডাস খুব খুশি হলেন। তিনি একটি ওক গাছের ডাল, একটি পাথর এবং একটি আপেল ছুঁয়ে দেখলেন—সবই মুহূর্তে উজ্জ্বল হলদে সোনায় রূপান্তরিত হলো। তিনি ভাবলেন, তার চেয়ে ভাগ্যবান আর কেউ নেই।
​কিন্তু শীঘ্রই তার বরের ভয়াবহ পরিণতি দেখা গেল। যখন তিনি খেতে বসলেন, খাবার বা জল স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো কঠিন সোনায় পরিণত হলো, যা তিনি খেতে পারলেন না। সবচেয়ে করুণ ঘটনা ঘটলো যখন তার আদরের মেয়ে তাকে আলিঙ্গন করতে এলো, আর মাইডাসের স্পর্শে সেও সোনার মূর্তিতে পরিণত হলো।
​এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় মাইডাস বুঝতে পারলেন, সম্পদই জীবনের সবকিছু নয়। সোনা তাকে ক্ষুধার্ত ও নিঃসঙ্গ করে দিয়েছে। অনুশোচনায় ভেঙে পড়ে তিনি ডায়োনিসের কাছে গেলেন এবং তাকে এই অভিশাপ ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন।
​ডায়োনিস তাকে ক্ষমা করলেন এবং প্যাক্টোলাস নদীর ঝর্ণায় স্নান করতে বললেন। মাইডাস সেই ঝর্ণায় স্নান করে তার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেলেন। তবে তার 'সোনার স্পর্শ' সেই নদীর জলে মিশে গেল। আজও সেই নদীর বালি সোনার মতো ঝলমল করে।

​এই গল্প আমাদের শেখায় যে, অতিমাত্রায় লোভের পরিণতি ভালো হয় না, এবং সত্যিকারের মূল্যবান জিনিস হলো ভালোবাসা ও জীবন—অর্থ বা সম্পদ নয়।

11/07/2025

আজ পর্যন্ত আমি কোনো ছেলে বা মেয়েকে নিজের বাবা-মায়ের সাথে অন্য কারো বাবা-মায়ের তুলনা করতে দেখিনি।

কখনও শুনিনি কেউ বলছে:
"অমুকের বাবা তো ওকে আইফোন কিনে দিয়েছেন, তুমি দাও না কেন?"
"অমুক আন্টির রান্না তো অনেক ভালো, তুমি তেমন পারো না কেন?"

বরং বেশিরভাগ সন্তানই নিজেদের বাবা-মা নিয়ে গর্ব করে। ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে।

কিন্তু, আশ্চর্যের বিষয় হলো—আজ পর্যন্ত যত অভিভাবককে দেখেছি, প্রায় সবাই কোনো না কোনো সময় নিজের সন্তানকে অন্য কারো সন্তানের সাথে তুলনা করে খোঁটা দিয়েছেন।
"অমুকের ছেলে ম্যাথে এত ভালো করে, তুই পারিস না কেন?"
এই কথা জীবনে একবারও শোনেনি—এমন ছেলে-মেয়ে বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যাবে কি?

আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে—সন্তানদের মনে তখন যে কষ্ট, যে হীনম্মন্যতা তৈরি হয়, সেই অনুভূতিটা কি বাবা-মায়েরা কখনও বোঝার চেষ্টা করেন?
সম্ভবত না।

বাবা-মায়েরা হয়তো এটা বোঝেন না—যেমন সব পরিবার ধনী হতে পারে না, তেমনি সব সন্তানও মেধাবী বা “টপ” স্টুডেন্ট হতে পারে না।

কিন্তু তারপরও, যেমন বিল গেটস না হয়েও সেরা বাবা-মা হওয়া যায়,
তেমনি প্রথম না হয়েও একজন সন্তান হতে পারে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সন্তান।

একজন মধ্যবিত্ত বা সংগ্রামী বাবাকে নিয়ে যেমন গর্ব করা যায়,
তেমনি একজন “মিডিওকার” সন্তানের ছোট ছোট সাফল্য নিয়েও গর্ব করা যায়।

প্রয়োজন শুধু একটু সহানুভূতির। একটু সমর্থনের। একটু ভালোবাসার।

যেখানে মায়া, মমতা আর ভালোবাসা থাকে,
সেখানে তুলনার জন্য কোনো জায়গা থাকা উচিত না।

সবশেষে অভিভাবকদের বলতে চাই—
আপনার সন্তান একজন মানুষ, স্কুইড গেমের প্রতিযোগী না।
তাকে শুধু পারফরম্যান্সে মাপবেন না।
ভালোবাসা দিন, বোঝার চেষ্টা করুন।
নতুন করে চিন্তা করুন।

এই লেখাটি একটি চমৎকার সামাজিক বার্তা বহন করে। আপনি চাইলে এটি পোস্ট আকারে শেয়ার করতে পারেন, এবং চাইলে এর জন্য আমি একটি সুন্দর পোস্টার ডিজাইন বা সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশনও তৈরি করে দিতে পারি। চাইবেন কি? 😊

You said:
আরো সংক্ষিপ্ত করে সম্পাদনা করুন

ChatGPT said:
অবশ্যই! নিচে আপনার লেখাটির সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল সংস্করণ দেওয়া হলো:

আজ পর্যন্ত কোনো সন্তানকে শুনিনি বলতে,
“অমুকের বাবা আইফোন কিনে দেয়, তুমি দাও না কেন?”
বা “অমুক আন্টির রান্না তোমার চেয়ে ভালো!”

বরং সন্তানেরা সবসময় নিজেদের বাবা-মা নিয়ে গর্বই করে।

অথচ বেশিরভাগ বাবা-মা নিজের সন্তানকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করতেই পছন্দ করেন—
“অমুকের ছেলে ম্যাথে এত ভালো, তুই কেন না?”

তুলনার এই কষ্টটা কি কখনও অনুভব করার চেষ্টা করেছেন?

যেমন সব পরিবার ধনী হতে পারে না,
তেমনি সব সন্তান টপ স্টুডেন্ট হতে পারে না।
তবুও, গর্ব করা যায়—চেষ্টার ওপর, ভালোবাসার ওপর।

প্রয়োজন শুধু একটু সহানুভূতি, একটু সমর্থন।

সন্তান মানুষ—স্কুইড গেমের প্রতিযোগী নয়।
তুলনার নয়, ভালোবাসার অধিকারী।

আপনি চাইলে এটিকে আরও ছোট করে এক বা দুই লাইনের সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন হিসেবেও বানিয়ে দিতে পারি। বলবেন?

ChatGPT can ma

30/06/2025

জাপান বর্তমানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। এর পেছনে রয়েছে উন্নত গবেষণা সুযোগ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়, নিরাপদ ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ পরিবেশ। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটি নানা ধরনের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। তেমনি একটি হলো জাপান স্টাডি সাপোর্ট স্কলারশিপ।

Address

Gupalpurbazar, Barhatta
Netrokona
2440

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801712693064

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Morning Glory Kindergarten posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Morning Glory Kindergarten:

Shortcuts

Share

Category