Interaction Academy

Interaction Academy Interaction Academy is an Online learning platform in Chittagong, Bangladesh. You can easily learn m

We have virtual classes that students can take from home or a library or a coffee shop or anywhere else that has an Internet connection. The teachers work remotely and have a structured curriculum for their online students to follow.

26/04/2022

আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। স্যার আমাদের একটা প্যারাগ্রাফ লিখতে বললেন। টপিক ছিল বেস্ট ফ্রেন্ড। আমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড এর দিকে তাকিয়ে হাসি দিয়ে লেখা শুরু করলাম।

সবার লেখা শেষ। স্যার সবাইকে তাদের খাতা নিয়ে দাড়িয়ে পড়তে বললেন। প্রথমেই ছিল আমার পালা। আমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড সম্পর্কে যতটুকু জানি সব লিখেছি। ক্লাশে সবাই হাত তালি দিল। স্যার বললেন, "খুব ভাল হয়েছে। তাহলে এবার তোমার বেস্ট ফ্রেন্ডকেই ডাকি, তারটা শুনি।" আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তারটা পড়ে শেষ করলো। তার প্যারাগ্রাফে আমি ছিলাম না। ক্লাশের সবাই আবার হাত তালি দিল। স্যারও বললেন খুব ভাল হয়েছে।

তবে সবার হাত তালির মাঝে একজনের হাত তালি যে মিস হয়ে গিয়েছিল সেদিন তা হয়তো কেউ খেয়াল করেনি। একটা চাপা কান্না নিয়ে সেদিন আমার বাড়ি ফেরা। জীবনটাই অর্থহীন মনে হচ্ছিল। বেস্ট ফ্রেন্ড এর বেস্ট ফ্রেন্ড হতে না পারার কষ্টটা অনেক দিন ছিল। তখন ভাবতাম সত্যিকারের ভাগ্যবান তো তারাই যারা তাদের বেস্ট ফ্রেন্ডদের বেস্ট ফ্রেন্ড। সময়ের সাথে সাথে ভাবনার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন বুঝি কেউ আসলে বেস্ট না। আমিই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।

সংগৃহীত

User Experience Design বা সংক্ষেপে UX Design. এই ইউ এক্স ডিজাইন টা আসলে কি? এর কাজ কি? অনেকেই হয়তো জানেন, অনেকেই হয়তো জা...
15/04/2022

User Experience Design বা সংক্ষেপে UX Design. এই ইউ এক্স ডিজাইন টা আসলে কি? এর কাজ কি? অনেকেই হয়তো জানেন, অনেকেই হয়তো জানেন না। এই আর্টিকেল এ আমি যথা সম্ভব চেষ্টা করবো ইউ এক্স নিয়ে বিস্তারিতো আলোচনা করার জন্যে। নেহাত আপনি বুঝতে চান না বা শিখবেন ই না এমন প্রতিজ্ঞা করে আসা ছাড়া ইউ এক্স ডিজাইন কি জিনিস, ইহার কাজ কি, তা এই আর্টিকেল পড়া শেষে আপনি অবশ্যই বুঝে যাওয়ার কথা!

আচ্ছা ধরুন মিঃ অমুক ধানমন্ডি থেকে গুলিস্তান যাবেন। ধরে নিন সে হয়তো লোকাল বাস , রিক্সা কিংবা নিজস্ব প্রাইভেট কার এ করে গুলিস্তান যাবেন। এখন যদি সে লোকাল বাস এ করে যান, তাহলে হয়তো তার অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হবে, এদিক ওদিক কনুইর গুতা খেতে হতে পারে। যদি রিক্সায় যান তাহলে হয়তো একটু আরামে যেতে পারবেন, আর যদি নিজের প্রাইভেট কার এ যান তাহলে হয়তো এসির বাতাস খেতে খেতে আরো বেশি আরামে বসে যেতে পারবেন।

এখন মনে করেন আপনি একজন ইউ এক্স ডিজাইনার। মিঃ অমুক হচ্ছেন ব্যাবহারকারী বা ইউজার (User), ধানমন্ডি থেকে গুলিস্তান যাওয়া হচ্ছে ইউজার এর গন্তব্য বা গোল (Goal), বাস, রিক্সা বা প্রাইভেট কার এ করে যাওয়া হচ্ছে সেই ইউজার এর অভিজ্ঞতা বা এক্সপেরিয়েন্স (Experience) এবং ইউজার তার লক্ষ্য বা গোল এ পৌছানোর জন্য অর্থাৎ গুলিস্তান যাওয়ার সময় যেইসব ছোট ছোট কাজ গুলো করলো যেমন বাস কে থামার ইশারা দিলো, বাস থামলো , বাস এ উঠলো, ভাড়া দিলো ইত্যাদি হচ্ছে তার কাজ বা টাস্ক (Task)।

একজন ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হচ্ছে সেই ইউজার কে তার গোল বা গন্তব্যে কত সহজে ও সুন্দর ভাবে পৌছে দেয়া যায় সেটা ডিজাইন বা নকশা করা।

তাহলে ইউ এক্স (UX) ডিজাইন কি?
ইউ এক্স ডিজাইন হচ্ছে কোনো প্রোডাক্ট, সার্ভিস বা সিস্টেম কে এমন ভাবে সাজানো যেন তার ব্যাবহারকারী বা ইউজার তার গোল বা গন্তব্যে সবচেয়ে সহজ ও সুন্দর ভাবে কোনো দ্বিধাদন্দে না ভুগেই পৌছাতে পারে। বা এক কথায় বললে, ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন হচ্ছে কোনো প্রোডাক্ট, সার্ভিস বা সিস্টেম ব্যবহার এ ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার নকশা।

অনেকেই মনে করতে পারেন যে, শুধুমাত্র ফটোশপ , ইলাস্ট্রেটর বা যেকোনো ইডিটিং টুল এ ইউ আই (User Interface — UI) বা ভিজুয়াল (Visual) ডিজাইন কেই ইউ এক্স ডিজাইন বলা হয়। ধারনা টি আসলে সম্পুর্ণ ভুল! শুধু মাত্র বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে UI বা ভিজুয়াল ডিজাইন কেই ইউ এক্স ডিজাইন বলা হয়না। UI হচ্ছে UX এর একটি অংশ মাত্র। আবার অনেকে নিজেকে UI/UX Designer ও বলে থাকেন। এই কথা টিও ভুল! যদি UI অংশটি ইউএক্স এর একটি পার্ট হয়ে থাকে তাহলে UI/UX ডিজাইনার কিভাবে হয়? বলা উচিত শুধু UX Designer. অন্যদিকে বর্তমানে শুধু UI নিয়েও কাজ করেন অনেকে, তাদের কে UI Designer বলা হয়ে থাকে।

18/05/2021

ফেসবুক নিউজফিডে হ্যাসট্যাগ নিয়ে যে যুদ্ধ(অনলাইন প্রতিবাদ) চলছে, ব্যাপারটি সত্যি মুসলিম ঐক্যের প্রতিক। তবে এই হ্যাসট্যাগের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের কোন উপকার হবে না এবং হ্যাসট্যাগে ইসরায়েলের কিছু যায় আসে না, বরং ইসরাইল যে মিশন নিয়েছে সেটা অবশ্যই বাস্তবায়ন করে ছাড়বে। কেননা ইসরাইল জানে তাদের সাথে ট্যক্কা দেওয়ার মতো কোন মুসলিম দেশ নেই। আমরা হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে শুধু মনকে সান্তনা দেওয়া ছাড়া আর কোন বেনিফিট নেই।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লিখলে সেটা খুজে পাওয়া যায় না বা রিমুভ করে দিচ্ছে কতৃপক্ষ কারণ এগুলো সব ইসরায়েলের সমর্থকরা পরিচালনা করছে।
আমাদের এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করার চেয়ে প্রোডাক্টিভ কিছু করাটাই মুসলমানদের জন্য বেশি কল্যানকর হবে। ধরুণ, আজকের সময়কে কাজে লাগিয়ে আপনি যদি একদিন টুইটারের মতো কিছু ডেভলপ করতে পারেন, তখন এমন ক্রাইসিসে আপনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে যত স্ট্যাটাস থাকবে সবগুলো সরিয়ে দিতে পারবেন অথবা মুসলমানদের পক্ষে কথা বলার মতো প্লাটফর্ম তৈরী করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ০.২ শতাংশ ইহুদি হওয়ার পরেও পৃথিবীর অনেক কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে। অথচ মুসলিমরা মোট পৃথিবীর জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ হওয়ার পরেও পৃথিবীর অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণে রাখবে দূরে থাক, নিজেদের নিরাপত্তাও নিজেরা দিতে পারে না। যোগ্যরাই নিয়ন্ত্রক হবে সবকিছুর- এটাই তো চিরন্তন সত্য।


09/01/2021

রাতের অন্ধকারে সিগারেটের ধোঁয়া উড়িয়ে বেকার ছেলেটি যখন ভাগ্যকে অভিশাপ দিয়ে দেশ-ব্যবস্থাকে গালি দেয়! ঠিক তখনই দেশের কোনো প্রান্তে আরেকটি ছেলে সিগারেটের সেলসম্যান হয়ে ঘাম ঝরাচ্ছে! প্রশ্নের বিপরীতে তার জবাব- পরিশ্রমই আমাকে বেকারত্ব থেকে মুক্তি দিয়েছে!

পতিতালয়ের মেয়েটি যখন খদ্দের থেকে হাজার টাকার নোট নিয়ে ঘৃণার চোখে বলে- এই সমাজ আমাকে পতিতা বানিয়েছে! ঠিক তখনই দেশের কোনো প্রান্তে আরেকটি মেয়ে পরিশ্রম করে ১০০টাকার তিনটা নোট নিয়ে বলে- ধন্যবাদ সমাজকে! এই সমাজ আমাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে।

কোন নিষ্ঠুর সকালে কোটিপতি সন্তান যখন বৃদ্ধা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে যায়! ঠিক তখনই একই শহরের অন্য প্রান্তে গরীব ছেলেটি অসুস্থ মায়ের মুখে একটা রুটি তুলে দিতে ঘুরছে দ্বারে দ্বারে এবং মায়ের চিকিৎসার জন্য সবার কাছে হাত পাতছে! প্রশ্নের বিপরীতে তার জবাব- "মা পাশে না থাকলে আমি বাঁচব কীভাবে"?

এই জায়গায় এসে মনীষীদের দুটি উক্তি লিখতে আমার বড্ড ইচ্ছে হয়-

সত্যিকার অর্থে জীবনে কিছু করতে চাইলে; একটা রাস্তা খুঁজে পাবে, আর না করতে চাইলে পাবে শুধুই অজুহাত!পৃথিবীটা ঠিক তেমনি; যেভাবে আমরা দেখি!

সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য রাস্তার অভাব নাই, কিন্তু আমরা সে রাস্তাটা খুঁজে নিতে আগ্রহী নই বরং সব সময় ভাগ্যকে দোষারোপ করি!

কোটিপতি সন্তানটার কাছে মা হয়ত বোঝা! কিন্তু গরীব ছেলেটির কাছে 'মা'ই সব। আর এখানে এসে দ্বিতীয় উক্তিটি একদম মিলে যায়!

ঐ যে, পৃথিবী। ঠিক তেমনি; যেভাবে আমরা দেখি!
উদ্যোক্তা হন। পরিশ্রম করুন। ভাগ্যকে-দোষারোপ করে নয়; বরং কর্মের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন করুন। আবার বিজয় হোক কর্মের মাধ্যমে।

সংগৃহীত

22/10/2020

হতাশ হবেন না...
বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর।
ঢাকায় যখন সকাল ৫ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১১ টা।
সময়ের হিসেবে লন্ডন, ঢাকার থেকে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে..
এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন ঢাকার থেকে স্লো (slow)!
পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে।
কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে..
কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়।
আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান!
অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে।
আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে।
কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল,
আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন!
মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন,
আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে।
কিন্তু আপনার ধারনা ভুল..
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।
আগে থাকাদের হিংসা না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে,
সব সময় শান্ত থাকুন।
আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই!
আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের।
শুধু সময়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিশ্রম করে যান..
একদিন সফল হবেন,ইনশাআল্লাহ।
collected

06/07/2020

কিছু উপদেশ, যা সবার জেনে রাখা উচিত-
১. যার ইগো বেশি,তাকে ভালোবেসে ফেললেও দূরে সরে যান । সে আপনাকে কখনো শান্তিতে রাখবেনা ।
২. অধিক ভালোবাসা দেখানো কাউকে ভালোবাসতে যাবেন না । যে অধিক ভালোবাসা দেখাতে পারে, সে অধিক নিষ্ঠুর হওয়ার ক্ষমতা রাখে ।
৩. অন্যের কথা শুনে কাউকে ‘খারাপ’ ট্যাগ দিয়ে ফেলবেন না । মানুষটা আপনার সাথে কেমন আচরণ করছে সেটা মাথায় রাখুন । একজন মানুষ সবার সাথে ভালো হতে পারেনা,সবার সাথে খারাপ হতে পারেনা ।
৪. সুন্দরী রা সাবধান! তুমুল আলোয় অসংখ্য পোকামাকড় আসে । সেখানে জোনাকির আলো খুব কম ই দেখা যায়!
৫. ভালোবাসার পরেও যাকে বিশ্বাস করতে পারবেন না, নিজের উপর বিশ্বাস রেখে তার থেকে দূরে সরে আসুন ।
৬. যে প্রাক্তন হয়ে গেছে,তাকে নিয়ে ভাবাভাবি কম করুন । সে কিন্তু আপনাকে অতো ভাবে না!
৭. কাছের যে মানুষটা আনফ্রেন্ড করে দিয়েছে তাকে ব্লক দিন,আর যে ব্লক করে দিয়েছে তার উপর নজরদারি করা অফ করে দিন । ভালো থাকবেন ।
৮. কারো ‘ক্রাশ’ হয়ে গর্বে গর্ভবতী হবেন না । ক্রাশ পরিবর্তনশীল আর ক্রাশ রা কখনো ভালোবাসার মানুষ হতে পারেনা ।
৯. যে অবহেলা করছে তার কাছে বেহায়ার মতো বারবার যাবেন না । এতে আপনার দাম ও বাড়বে আর সে বুঝে যাবে আপনি সস্তা না ।
১০. স্মার্ট ছেলেদের থেকে সাবধান! তাদের প্রচুর ‘অপশন’ থাকে ।
১১.যে আপনাকে ভালোবাসে তাকেই আপনার ভালোবাসা উচিৎ

04/07/2020

সন্তানের জন্য একজন আদর্শ পিতার উপদেশ তুলে ধরা হলোঃ
১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।
২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।

৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।

৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।

৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।

৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।

৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।

৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।

৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।

১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।

১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।

১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।

১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।

১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।

১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।

If you want to be an author, don’t start writing (and other strangely useful career advice)October, 2015 | Comments | Sh...
10/05/2020

If you want to be an author, don’t start writing (and other strangely useful career advice)
October, 2015 | Comments | Share
I don’t know anything about cars.

Exhibit A: My friend picks me up in his car, which I’ve ridden in over a dozen times. We go out, and when we head back to the parking lot, I tried opening the passenger door. Except it wasn’t his car. It wasn’t the same make or model. It wasn’t even the same color…

Luckily not being an expert about cars hasn’t impacted my life much. I may have trouble recognizing car brands on the street, and my driving skills are hardly Formula 1, but the inconvenience to my life has been almost unnoticeable. I’m okay with not being a car expert.

But there are other areas of life where not being an expert can be incredibly costly.

Your career is a perfect example. Not just being an expert in your career, but being an expert about your career. Do you deeply know the answers to the following questions?

What’s the next step you need to take to reach the next level in your career?
Which metrics actually matter for success and which ones don’t?
If you only had time to master one skill, which one would allow you to advance?
Not deeply understanding your own career costs more than embarrassingly trying to open the wrong car door. It can cost you millions of dollars and years of dead-end, wasted effort.

Even if you did have some answers to the above questions, how sure are you that they were correct? Sometimes the truth about how careers actually work can be very different from how most people pursue them.

What Does it Actually Take to Be a Successful, Published Author?
Listen to this article
Take wanting to become a published author for instance. I spoke with Cal Newport, who has had four books published including the bestseller, So Good They Can’t Ignore You.

He told me that most new authors make a fatal mistake. That mistake? They start writing the book.

Aspiring authors know that getting a book published is hard. Naturally they look at the problem and break it down in the most logical way possible: if you want to publish a great book, you first have to write a great book.

So this person sets the task of writing five pages each day, squirreling away time to tap out a manuscript on a keyboard. This person may even join an event like National Novel Writing Month to force themselves to stick to a writing schedule and actually produce a finished book.

This kind of plan is what Cal and I call a feel-productive project. It’s a plan that makes you do some work that feels productive. This helps you reduce the stress that maybe you aren’t doing enough to advance your career. But often feel-productive projects aren’t the actual steps that will take you to the next level.

In this example, writing every day is not a good project. Why? Because, according to Cal Newport, that’s not how the business works.

The more effective strategy is to find an agent and start working together to pitch a book to publishers. Only once that has happened do you actually start writing the manuscript. Writing the book beforehand is largely a waste of time.

Why Do We Fall into the Trap of Feel-Productive Projects?
Why do people end up spending tons of time on career plans that are horribly ineffective?

My guess is that it is a combination of two reasons: first, they don’t truly understand how their career works. If you truly understood how the business of getting a non-fiction book published actually worked, you wouldn’t make a project of writing a chapter each day of the manuscript.

Second, the real work that needs to be done is often challenging and scary. Writing every day is strenuous, but comfortable. It feels productive, but it doesn’t actually take you outside your comfort zone. Finding an agent and trying to create a pitch for a new book idea is scary, so even if you had the inkling that this was important, you might skip it in favor of simply writing a lot.

What’s the solution to avoiding this problem?

Deeply researching and understanding how success in your field actually works.

If you do the research properly, you can quickly eliminate low-impact, feel-productive projects from your future plans. You know they won’t work and aren’t recommended, so you won’t even get started on them.

Second, by doing research properly, you’ll figure out how to break down and tackle the actual steps you need to improve your career. You can take those scary and challenging steps like “finding an agent” and “pitching to a publisher” and transform them into something you can follow step-by-step.

Deep Research Case Study: Chris the Database Designer
The results of knowing how to do research correctly can be dramatic.

Chris was one of Cal and my students in our pilot course for career mastery. He was a database programmer for an airline company who was satisfied with this job. But deep down, he wanted more.

Chris wanted to work with the best people in his field, sit on the cutting edge and be the kind of person who gets invited to give conference keynotes or writes authoritative books on the programming language he specializes in.

But Chris didn’t know how he could get from where he was to being a top performer.

Through the course, Chris learned how to better understand how the people he admired got to where they are, what steps he could take to follow their path, and also which things he was doing now which weren’t very effective.

One lesson Chris learned was that something he had been doing a lot of, answering programming questions on Stack Exchange, wasn’t a very effective way to advance. Instead, he adopted an activity, writing programming quizzes for a popular website specific to the language he specialized in.

This new project had two advantages. First, it forced him to deeply understand the language he worked in. Second, it introduced him to the people who ran the website, which put him in touch with the network of the best people in the world for his field.

Chris told me that after only putting in a few hours per week, for several months, he was offered a job. This job involved working directly with many of the conference speakers and authors Chris admired. Even though Chris says he would have jumped at this opportunity even without any financial incentive, this new position also garnered him a 20% raise over his previous base salary.

12/04/2020

প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ’লা আশরাফিল আম্বিয়ায়ী ওয়া আসহাবিহি আজমাইন।
সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী, সম্মানিত ডীন, প্রিয় যুবক বন্ধুগণ, সম্মানিত উপস্থিতি আসসালামু আলাইকুম।
আমি আমার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এবং আমাদের দেশের যুবকদের আহবানে সাড়া দিয়ে তাদের আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনার সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করি। মালেশিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, বসনিয়া সহ আরও অনেক দেশে যুবক ভাইদের সাথে মেশার চেষ্টা করেছি। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করেছি এবং তাদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে তাদের কিছু কিছু প্রশ্ন আমার কাছে কঠিন মনে হয়েছে।
আমরা আমাদের মসজিদ, মাদ্রাসায়, বিশ্ববিদ্যালয়, সেমিনার ও কনফারেন্সে ইসলামকে বুঝানোর জন্য যে ভাষা ব্যবহার করি তার সাথে যুবকদের এবং শিক্ষার্থীদের সম্পর্কহীনতাকে বুঝতে চেষ্টা করেছি। আমরা লক্ষ্য করেছি যে, একই বাড়িতে বসবাস কারী ২ ভাইয়ের মধ্যে যদি বয়সের ক্ষেত্রে ১ বছরেরও পার্থক্য থাকে কিন্তু তাদের দেখে মনে হয় তাদের মধ্যে যেন প্রজন্মের পার্থক্য আছে। এর কারণ হল দুনিয়ার দ্রুত পরিবর্তনশীলতা। আজ দুনিয়া খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। দুনিয়া আজ এমন অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, যে কোন ধরণের তথ্য আজ খুব সহজেই এবং দ্রুত পাওয়া যায়। এমন একটি দুনিয়ায় যুবকদের দুনিয়ার সাথে আমার দুনিয়ার মধ্যে কিংবা পূর্বের প্রজন্মের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের দুনিয়ার মধ্যে সম্পর্ককে বুঝতে চেষ্টা করেছি।
এই জন্য আমি আজকের এই কনফারেন্সের বিষয় নির্ধারণ করেছি, ‘যুবকদের দুনিয়া এবং ইসলাম’। তাই আমাদের ভবিষ্যৎকে বিনির্মাণ করার জন্য ‘যুবকদের দুনিয়া এবং এই দুনিয়ায় ইসলামের অবস্থান নির্ধারণ করা’ আজ আমাদের সবচেয়ে গুরত্ত্বপূর্ণ দায়িত্ত্ব।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরা,
এই জন্য আজ আমি তোমাদের দুনিয়া নিয়ে কথা বলার জন্য এখানে এসেছি। আমি তোমাদেরকে উপদেশ কিংবা নসিহত করার জন্য আসিনি। আজ আমি তোমাদের সাথে আমার অন্তরকে মিলিয়ে একত্রে তোমাদের দুনিয়া নিয়ে কথা বলতে চাই।
প্রথমত যুবকদের দুনিয়াকে বুঝার জন্য মানুষকে বুঝা জরুরী। মানুষ সৃষ্টির কারণ, এই পৃথিবীতে তার দায়িত্ত্ব এবং কর্তব্য কি এটা সঠিক ভাবে জানতে হবে। যে সকল মূল্যবোধ সমূহ মানুষকে মানুষ বানিয়েছে এবং সে সকল মূল্যবোধ সমূহ থেকে দূরে সরে গেলে কোন ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এই সকল বিষয় সমূহকে খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে।
যুবকদের দুনিয়াকে বুঝার জন্য, এই পৃথিবীতে মানুষের দায়িত্ত্ব, মহান আল্লাহ কতৃক তাদেরকে খলিফা হিসেবে নির্বাচিত করণ, বিশ্ব জাহান এবং সমগ্র সৃষ্টিকুলকে তার কাছে আমানত রাখা, মানুষ এবং আল্লাহর মধ্যকার সম্পর্ক (মিসাক), মানুষ এবং আল্লাহর মধ্যেকার চুক্তি আমাদেরকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। এই সকল বিষয় নিয়ে চিন্তা গবেষণা করে বুঝা ব্যতিত যুবকদের দুনিয়াকে বুঝা সম্ভব নয়।
আজ আমরা যে দুনিয়ার বসবাস করছি এই দুনিয়া যুবকদের প্রতিষ্ঠিত কোন দুনিয়া নয়। প্রিয় যুবক ভাইয়েরা, আজ তোমরা আমাদের প্রতিষ্ঠিত দুনিয়ায় বসবাস করছ। তোমাদের পূর্বের প্রজন্মের প্রতিষ্ঠিত দুনিয়ায় বসবাস করছ।
আজকের দুনিয়ার যে অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার ও যুলুম নির্যাতন বিরাজ করছে এটা তোমাদের কর্মের ফলাফল নয়।কারণ এই দুনিয়াকে তোমরা প্রতিষ্ঠিত করনি। এই দুনিয়াকে তোমরা তোমাদের সামনে প্রস্তুত অবস্থায় পেয়েছ। তোমাদের জন্য এই দুনিয়াকে আমরা প্রতিষ্ঠিত করেছি। আজকের দুনিয়ায় যে যুদ্ধ-বিগ্রহ, শোষণ যে শোষণ চলছে এটা তোমাদের অপরাধ নয়। আজ ক্ষুধার কারণে মৃত্যুবরণকারী মানুষের চেয়ে মেদবহুলতার (Obesity) কারণে মৃত্যুবরণকারীর সংখ্যা বেশী। এর জন্য তোমাদের কোন জবাবদিহিতা নেই। কারণে এই দুনিয়াকে তোমরা প্রতিষ্ঠিত করনি। এই দুনিয়াকে তোমরা তোমাদের মীরাস (উত্তরাধিকার) স্বরূপ পেয়েছ।
আজকের এই দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে কামনা, বাসনা এবং স্বার্থপরতা ও স্বার্থন্ধতা। আজকের এই দুনিয়ায় যুলুম ও নির্যাতনকারীরা কতৃত্বশালী। এটা তোমাদের অপরাধ নয় কারণ এই দুনিয়াকে তোমরা প্রতিষ্ঠা করনি।
তবে একটি বিষয় গুরত্ত্বপূর্ণ, এটা তোমাদেরকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। তোমাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য এই দুনিয়াকে তোমাদের প্রস্তুত করতে হবে। আজকে যেমন আমরা তোমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মকে নিয়ে পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কথা বলছি, তোমাদের পরবর্তী বংশধরেরাও তোমাদেরকে নিয়ে আলোচনা করবে। তোমাদের পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলবে। তোমরা কি তাদের জন্য ভালো একটি দুনিয়া মিরাস হিসেবে রেখে যাচ্ছ নাকি খারাপ একটি দুনিয়া রেখে যাচ্ছ? এটা নিয়ে তারা আলাপ আলোচনা করবে। এই জন্য আজ তোমাদের সবচেয়ে গুরত্ত্বপূর্ণ দায়িত্ত্ব হল, তোমাদের কাছে যে দুনিয়া আছে সেটাকে খুব ভালোভেব মূল্যায়ন করা এবং আমাদের কাজের সমালোচনা করা। তবে তোমাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য সুন্দর একটি দুনিয়া রেখে যাওয়ার জন্য প্রানান্তকর প্রচেষ্টা চালানো। আমরা যে ভুল করেছি, যে ভুলের কারণে আমরা আজ যে তোমাদের সামনে সমালোচিত হচ্ছি, তোমারাও যদি আমাদের মত ভুক্তভোগী না হতে চাও তাহলে তোমাদের সুন্দর একটি দুনিয়া প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরা,
প্রত্যেক মানুষই দুনিয়াতে একবার আসে। আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত সময়সীমাকে আমরা বয়স বলে থাকি। মহান আল্লাহ কতৃক প্রদত্ত্ব সময়কে যদি আমরা এই পৃথিবীকে বিনির্মাণ করার জন্য কাজে লাগাতে পারি তাহলে সেই জীবনই হবে কেবলমাত্র অর্থবহ একটি জীবন। অন্যথায় আল্লাহ প্রদত্ত্ব সময়কে আমরা অপচয়কারী বলে গণ্য হব। বয়সের আরবী হল عمر এই عمر এবং اعمار একই উৎস (মাসদার) থেকে উৎসারিত। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
هُوَ أَنشَأَكُم مِّنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا
অর্থাৎঃ তিনি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি চান তোমরা যেন পৃথিবীকে বিনির্মাণ (اعمار ) কর।
একজন মানুষ পৃথিবীকে বিনির্মাণ করার জন্য যতটুকু বয়স (عمر) ব্যয় করে, সে মূলত ততটুকু সময়ই সঠিক ভাবে ব্যয় করে। তাছাড়া সে কেবলমাত্র বয়স (عمر) অপব্যয়কারী হিসেবে পরিগণিত হবে। একজন মানুষ পৃথিবীকে সভ্যতাকে বিনির্মাণ করার জন্য যতটুকু অবদান রাখে সে মূলত তার জীবনের ততটুকু সময়ই বেঁচে থাকে।
বয়স (عمر) বা জীবনের তিনটি পর্যায় রয়েছেঃ
১। শিশুকাল,
২। যৌবনকাল,
৩। বার্ধক্য।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার মহাগ্রন্থে প্রথম দুর্বল সময়, শক্তিশালী সময় এবং দ্বিতীয় দুর্বল সময় বলে আখ্যায়িত করেছেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন,
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن ضَعْفٍ
অর্থঃ আল্লাহই দুর্বল অবস্থা থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেন। (রুম-৫৪)
মানুষের সন্তান যে পরিমাণে দুর্বল হয়ে জন্ম গ্রহণ করে অন্য কোন কিছুর বাচ্চা এত দুর্বল হয়ে জন্ম নেয় না। অন্য যে কোন পশু কিংবা পাখির বাচ্চাকে একা একা রেখে দিলে সে বেঁচে থাকতে পারে কিন্তু মানুষের নবজাতক সন্তানকে অল্প সময়ের জন্যও একা রেখে দিলে সে ক্ষুধা এবং পিপাসায় মৃত্যুবরণ করবে। এই জন্য শিশুকাল হল দুর্বল সময়কাল।
ثُمَّ جَعَلَ مِن بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً
তাঁরপর এ দুর্বলতাঁর পরে তোমাদের শক্তি দান করেন।
আয়াতে বর্ণিত এই শক্তি, আজ তোমরা যুবক হিসেবে যে শক্তির অধিকারী এই শক্তি।
ثُمَّ جَعَلَ مِن بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً ۚ
এ শক্তির পরে তোমাদেরকে আবার দুর্বল ও বৃদ্ধ করে দেন।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরা,
শিশুকাল হল ‘ তাকলিদের সময়’ বা অনুকরণের সময়। যৌবনকাল হল ‘তাহকীকের সময়’ বা কোন কিছুকে জেনে বুঝে চিন্তা করে শেখা। আর বৃদ্ধকাল হল ভোগ করার বা ব্যয় করার সময়। তোমরা যৌবনকালে যা অর্জন করবে বৃদ্ধ বয়সে এসে তা ব্যয় করবে। তোমরা যৌবনকালে যা শিখবে বৃদ্ধ বয়সে এসে তা শিক্ষা দিবে। এই জন্য জীবন নামক পূঁজি গুরুত্ত্বপূর্ণ। আর এই জীবন নামক পূঁজির মধ্যে যৌবনকাল হল সবচেয়ে বেশী গুরুত্ত্বপূর্ণ। এই জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সকল নবীগণকে যুবকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত করেছেন।
এমন কোন নবী নেই যাকে বৃদ্ধ বয়সে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবী বলে ঘোষণা করেছেন। সকল নবীগণই যুবক ছিলেন। আল্লাহ তাদেরকে যুবক বয়সে এই জন্য নির্বাচিত করেছিলেন যে, যেন তারা সুন্দর একটি দুনিয়া বিনির্মাণ করতে পারে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন,
ما بعث الله عز وجل نبيا إلا وهو شاب
আল্লাহ তার সকল নবীকে যুবকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত করেছেন।
এই কথা বলে যুবকদেরকে তিনি বার্তা দিয়েছেন।
ولا أوتي عالم علما إلا وهو شاب
এবং এমন কোন আলেম নাই যাকে যুবক বয়সে জ্ঞান দান করা হয়নি।
এখানে একটি বিষয় আমি তুলে ধরতে চাই, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ইসলামের ইতিহাস বিষয়ক বিভিন্ন ধরণের ছবি ও ডকুমেন্টারী দেখানো হয়ে থাকে। সেই সকল চ্যানেলে যে সকল আলেমকে দেখানো হয় তাদের সকলের বয়সই ষাট কিংবা তার ঊর্ধ্বে। এর মাধ্যমে তারা আমাদেরকে একটি বার্তা দেয়, সেই বার্তাটি কি? সেই বার্তাটি হল, ইসলাম হল ষাট ঊর্ধ্ব বৃদ্ধদের জন্য আর বৃদ্ধ হওয়া ছাড়া আলেম হওয়া যায় না! এই দ্বীন যুবকদের জন্য নয়। এই দ্বীন যুবকদেরকে উদ্দেশ্য করে কথা বলে না। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি? আমি এটা নিয়ে আপনাদের সামনে কয়েকটি উপমা তুলে ধরতে চাই।
আমাদের সকলের পরিচিত একটি হাদিস গ্রন্থের নাম হল রিয়াদুস সালিহীন। পৃথিবীর সকল প্রান্তের মুসলমানগনই এই গ্রন্থটি পাঠ করে থাকে। এই কিতাবের লেখক ইমাম নববী মাত্র ২২ বছর বয়সে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। এবং তিনি মাত্র ৩৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। যুবক বয়সেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ইমাম গাজালী, মানতিক ও উসূলের গ্রন্থ ২১ বছর বয়সে রচনা করেন। যা আজ ইসলামী জ্ঞানের অন্যতম গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ রূপে আমাদের সামনে রয়েছে। তিনি ৫১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। অথচ তোমাদের মনমস্তিষ্কে ও কল্পনায় ইমাম গাজালীকে ১০০ বছর বয়সী বৃদ্ধ একজন মানুষ বলে অঙ্কিত করা হয়েছে। তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইহইয়াহু উলুমুদ্দীন’ যখন তিনি লেখা শুরু করেছেন তখন তার বয়স ছিল তিরিশের কোটায়। গাজালীর সমগ্র গ্রন্থ সমূহকে যদি হিসাব করা হয় তাহলে দেখা যায় যে, তিনি দিনে গড়ে ৮০ পৃষ্ঠা করে লিখতেন। ‘মুয়াল্লাফাতুল গাজালী’ বা গাজালীর রচিত গ্রন্থ সমূহ নিয়ে আমাদের কাছে একটি গ্রন্থ রয়েছে। এটি মূলত একটি পিএইচডি থিসিস। গবেষক এখানে গবেষণা করে বের করেছেন যে, ইমাম গাজালীর লিখিত বইয়ের সংখ্যা ৫০৭ টি। শুধুমাত্র তার লিখিত বই সমূহ দিয়েই একটি লাইব্রেরী ভর্তি করা সম্ভব। তার লিখিত গ্রন্থ সমূহ সাধারণ মানের কোন গ্রন্থ নয়। ফিলোসফি বা দর্শন শাস্রের সর্বোচ্চ মান সম্পন্ন গ্রন্থ সমূহও লিখেছেন আবার উসূলে ফিকহের উপরেও সর্বোচ্চ মানের গ্রন্থ রচনা করেছেন। কেবলমাত্র ইমাম গাজালীর বই সমূহের নামের উপর ভিত্তি করেই একটি সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তাকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল, এত কম সময়ের জীবনে এত বেশী কাজ কিভাবে করেছেন?
তিনি তাদেরকে জবাবে বলেন যে, ‘আমি আল্লাহর কাছে সময়ের মধ্যে সময় চেয়েছিলাম’। আমি আমার প্রত্যেকটি দোয়াতেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে বলেছি যে, হে আল্লাহ আমাদের জীবন খুবই অল্প সময়ের জন্য, কিন্তু কাজ অনেক বেশী। তুমি আমার প্রতি অনুগ্রহ করে আমাকে সময়ের মধ্যে সময় দান কর। আমি যেন কম সময়ের মধ্যে অনেক ভালো কাজ করতে পারি’। এইভাবে ইমাম গাজালী, গাজালীতে পরিণত হন।
আজ আমাদের তুরস্কে ১০০ র বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামীক থিওলজি ডিপার্টমেন্ট রয়েছে। গাজালী একাই ইসলামী সভ্যতা বিনির্মাণে যে অবদান রেখেছেন, আমাদের এই সকল ডিপার্টমেন্ট সমূহ কি সেই ভূমিকা পালন করতে পারবে? ১০০ বছর বা ২০০ বছর পরে মুসলিম উম্মাহ আমাদেরকে কিভাবে মূল্যায়ন করবে? আজ আমাদের নিজেদেরকে এই প্রশ্ন করা উচিত।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরা,
মুসলিম উম্মাহ আজ ইমাম গাজ্জালীদের অপেক্ষায়। মুসলিম উম্মাহ আজ ইবনে সিনাদের অপেক্ষায়। মুসলিম উম্মাহ আজ ফখরুদ্দীন রাজীদের অপেক্ষায়। আমাদের নিকট অতীতের আলেম ও দার্শনিক হলেন আল্লামা ইকবাল, আলিয়া ইজ্জেত বেগভিচ। আজ তোমাদেরকে তাদের শুন্যস্থানকে পূরণ করতে হবে।
সকল নবীগণই ছিলেন যুবকদের মধ্য থেকে। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) যখন নমরুদের প্রতিষ্ঠিত মেসোপটেমিয়ায় ‘তাওহীদের সংগ্রাম’ পরিচালনা করেন তখন তিনি একজন যুবক ছিলেন। কোরআনের দিকে যদি তাকাই তাহলে দেখতে পাই যে কোরআন বলেছে,
قَالُوا سَمِعْنَا فَتًى يَذْكُرُهُمْ يُقَالُ لَهُ إِبْرَاهِيمُ
(কেউ কেউ) বললো, “আমরা এক যুবককে এদের কথা বলতে শুনেছিলাম, তার নাম ইবরাহীম৷” (আম্বিয়া – ৬০)
এই যুবক ইব্রাহীম পৃথিবীকে শিরকের নাগপাশ থেকে মুক্ত করার জন্য একাই তাওহীদের এক মহাসংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। হাজার হাজার বছর পরে এসে মুহাম্মাদ রাসূলূল্লাহ (সঃ) বলেছিলেন, আমি আমার পিতা ইব্রাহীমের দোয়ার ফল।
হযরত ইসমাইল যখন তার পিতার সাথে এই সংগ্রামে শামিল হোন, তিনিও তখন একজন যুবক ছিলেন।
হযরত ইউসুফ পূর্বে কূপে নিক্ষিপ্ত হোন এবং যুবক বয়সে এসে মিশরের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হোন।
হযরত ঈসা, হযরত মূসা সহ সকল নবীগণ যুবক বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হয়ে আল্লাহ প্রদত্ত্ব দায়িত্ত্বকে বাস্তবায়ন করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।
যুবকগণ যখন আমাদেরকে প্রশ্ন করেন যে, উস্তাজ আমরা কাকে দেখব? আমাদের সামনে তো কোন রোল মডেল নাই। আমি মনে করি এই প্রশ্ন করার অধিকার তাদের রয়েছে।
আমি তাদেরকে এই প্রশ্নের জবাবে বলি, কোরআন খুলে দেখ, সেখানে উল্লেখিত নবীগনের সকলেই যুবকদের জন্য রাহবার (অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ত্ব)। আল্লাহর নবীদের চেয়ে কী আর কোন বড় রোল মডেল বা অনুকরনীয় আদর্শ হতে পারে?
মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে বলা হয়েছে,
فَبِهُدَاهُمُ اقْتَدِهْ
তুমিও তাদের পথে চল, তাদের অনুসরণ কর। (সূরা আনআম-৯০)
নবীগণই শুধুমাত্র যুবক ছিলেন না, তারা তাদের সংগ্রামের জন্য, তাদের সঙ্গীদেরকেও যুবকদেরকে মধ্য থেকে নির্বাচিত করেছিলেন। সকল নবীদের প্রথম সারির সঙ্গী সাথী গণ ছিলেন যুবকদের মধ্য থেকে।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরা,
বড় বড় সাহাবীদেরও সকলেই ছিলেন যুবকদের মধ্য থেকে। কিন্তু আজ বই-পুস্তক, উপন্যাস, গল্প এবং সিনেমার মাধ্যমে তাদেরকে বৃদ্ধ বলে আমাদের সামনে উপস্থাপণ করা হয়েছে। মক্কায় রাসূলে আকরাম (সঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হল দারুল আরকাম। আপনারা কি জানেন কে এই আরকাম? যে তার ঘরকে আল্লাহর রাসূলের সাহাবীদের জন্য উম্মুক্ত করে দিয়েছিলেন? যেখানে বসে রাসূল (সঃ) তার সংগ্রামকে পরিচালনা করতেন। এই আরকাম তখন ছিলেন মাত্র ১৯ বছর বয়সী একজন যুবক।
রাসূলে আকরাম (সঃ) এর প্রথম প্রজন্মের সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী বয়স্ক কে ছিলেন? হযরত আবু বকর (রাঃ)। হযরত আবু বকর (রাঃ) যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তিনি কত বছর বয়স্ক ছিলেন? তখন তার বয়স ছিল ৩৭ বছর! হযরত উমর (রাঃ) যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তার বয়স ছিল ৩০ বছর। হযরত উসমান (রাঃ) ৩৩ বছর বয়সী ছিলেন। হযরত আলী (রাঃ) মাত্র ৯ বছর বয়সী ছিলেন এবং তিনি যখন ইসলামের পতাকা হাতে নিয়ে জিহাদের ময়দানে এগিয়ে যান তখন তিনি ছিলেন ২০ বছর বয়সী।
হিজরতও সর্বপ্রথম শুরু করেন যুবকরা। হাবেশিস্তান এবং মদিনায় সর্বপ্রথম হিজরত করেন যুবকগণ। রাসূলে আকরাম (সঃ) বিভিন্ন অঞ্চলে গভর্নর প্রেরণ করেন, এই সকল গভর্নরদের সকলেই ছিলেন যুবক। ইসলামী সভ্যতার মৌলিক বিষয়সমূহকে শিক্ষাদানকারী হাদীস সমূহের রাবী হযরত মুয়াজ ইবনে জাবালকে যখন ইয়েমেনের গভর্নর হিসেবে পাঠানো হয় তখন তার বয়স ছিল ২১ বছর।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরা,
এই জন্য তোমাদের জন্য সবচেয়ে বড় আদর্শ (রোল মডেল) হলেন নবীগণ, তাদের সাহাবীগণ এবং ইসলামী সভ্যতার মহান আলেমগণ।
যুবকদেরকে জীবনকে ধ্বংসকারী ৩ বিষয় রয়েছে,
১। অবসর সময়,
২। অবসর মস্তিষ্ক
৩। অবসর অন্তর।
তোমরা যদি এই ৩ টি জিনিসকে ভালোভাবে পরিপূর্ণ করতে পার তাহলে তোমরা আজকে যে অভিযোগে আমাদেরকে অভিযুক্ত করছ, তোমাদের পরবর্তীগণ তোমাদেরকে এই সকল অভিযোগে অভিযুক্ত করতে পারবে না। এই তিনটি বিষয়কে যদি ভালোভাবে পূর্ণ করতে পার, তাহলে তোমরা তোমাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য অনেক সুন্দর একটি দুনিয়া রেখে যেতে পারবে।
যুবক ভাইয়েরা আমাদের জীবনে যেন অবসর সময় বলতে কোন বিষয় যেন না থাকে। কেননা কিয়ামতের দিন যে সকল প্রশ্ন করা হবে তার মধ্যে গুরত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল, عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ , وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلاهُ অর্থাৎ তার জীবন সম্পর্কে সে কোথায় তা ব্যয় করেছে, এবং তার যৌবনকাল সম্পর্কে সে কোথায় তা ব্যয় করেছে।
এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, সমগ্র জীবনকালের মধ্যে যৌবনকালের ব্যাপারে আলাদা ভাবে হিসাব নেওয়া হবে। তোমরা এমন যুব সমাজ যারা হক্বের পথে চলছ। হক্বের পথের পথিক যুবকরা তাদের জীবনকে ভার্চুয়াল জগতের অধিনস্ত করে রাখতে পারে না। জীবনকে ভার্চুয়াল জগতের কাছে সমর্পণ করে দিয়ে হাকীকত থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং সময় ব্যয় করা একটি জাতির বিকাশের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায়। এই জন্য আমাদের জীবন পরিকল্পিত হওয়া উচিত। যদিও আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমে পরিকল্পনা মাফিক করে দিয়েছেন। কিন্তু তোমাদের উচিত হবে নিজের জীবনকে সাজিয়ে নেওয়া যেন এক মুহূর্ত সময়ও নষ্ট না হয়।
দ্বিতীয় যে বিষয়টি যুবকদের জন্য বিপদজনক তা হল, ফাঁকা (অলস) মস্তিষ্ক। এই ফাঁকা মস্তিষ্ককে যে মূল্যবান জিনিস দিয়ে পূর্ণ করতে হবে তা হল, ইলিম, হিকমাহ এবং মারিফাত। এই বিষয় সমূহই কেবলমাত্র আমাদের মস্তিষ্ককে পরিপূর্ণভাবে পূর্ণ করতে পারবে। অন্য কোন কিছু নয়। তোমাদের উচিত হবে সর্বদায় উপকারী জ্ঞানের পেছনে দৌড়ানো। তোমরা তোমাদের মস্তিস্ককে ভর্তি করবে এবং পূর্ণ করবে।
তবে এই বিষয়টির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, মস্তিষ্ককে কেবলমাত্র তথ্য দ্বারা ভর্তি করে রাখার নাম মস্তিষ্ককে পূর্ণ করা নয়। আজ আমাদের এই যুগে হান্দাসাতুল জাহলিয়া বা মূর্খতার ইঞ্জিনিয়ারিং সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই পদ্ধতি মানুষকে শিক্ষা দিয়ে মূর্খ বানায়। হান্দাসাতুল জাহলিয়া বা মূর্খতার ইঞ্জিনিয়ারিং যুবকদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দিয়ে তাদেরকে মূর্খ বানিয়ে রাখে। সবচেয়ে খারাপ মূর্খতা হল, শিক্ষিত জাহিল বা মূর্খ। সবচেয়ে বিপজনক মূর্খতা (জাহেলিয়াত) হল শিক্ষা দানের মাধ্যমে যে মূর্খতা (জাহেলিয়াত) শিক্ষা দেওয়া হয়। এই জন্য তোমাদের নির্বাচক হতে হবে। তোমাদের মস্তিষ্ক ও মেধা অপ্রয়োজনীয় তথ্যভাণ্ডারের ডাস্টবিনে যেন পরিণত না হয়।
তোমাদের মস্তিষ্ক সমূহ যেন কেবলমাত্র হাকীকত, সুন্দর, সঠিক এবং উপকারী জ্ঞানের ভাণ্ডারে পরিণত হয়।
প্রিয় যুবক ভাইয়েরাঃ
আজকে আমরা এমন এক দুনিয়ায় বসবাস করছি যে দুনিয়ায় সবচেয়ে সহজ বিষয় হল তথ্য আহরণ করা। যে কোন মুহূর্তে যে কোন তথ্য খুঁজে পাওয়া আজ অনেক সহজ সাধ্য হয়েছে। দীর্ঘ ২০ বছর বিরতীর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ক্লাস নেওয়া শুরু করেছি। ২০ বছর আগে যখন ক্লাস নিতাম তখন আগে ক্লাসে প্রবেশ করে চক দিয়ে প্রথম ১৫ মিনিটে হাদীস সমূহ এক এক করে লিখতাম। এর পর লাইন ধরে ধরে ওই সকল হাদীস শিক্ষার্থীদেরকে বুঝাতাম।
পঠিত : ২৯২৩ বার

Address

Chittagong, Division
Nazir Hat
4353

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Interaction Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Interaction Academy:

Shortcuts

Share