Education Club

Education Club Local service

'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মান...
22/06/2022

'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মানব সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা।
এই 'ইউনিভার্স ২৫' এর চিন্তাটি আসে মার্কিন বিজ্ঞানী জন ক্যালহোনের কাছ থেকে। তিনি একটি 'আদর্শ দুনিয়া' নির্মাণ করেন যেখানে ইঁদুরেরা থাকবে এবং বংশবৃদ্ধি করবে। আরও ভালোভাবে বলতে, ক্যালহোন ইদুরের স্বর্গ নামের একটা বিশেষ পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে অঢেল খাবার, পানি ও থাকার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জায়গা ছিলো। শুরুতে সেখানে তিনি চার জোড়া ইঁদুর রাখেন, যেগুলা উপযুক্ত পরিবেশে অল্প সময়ের মধ্যে বংশবৃদ্ধি শুরু করে এবং সেটাও বেশ দ্রুত গতিতে।
অবাক করা ব্যাপার হল, ইঁদুরদের সেই স্বর্গে রাখার মাত্র ৩১৫ দিন পরেই বংশবৃদ্ধির হার কমে যায়। যখন ইঁদুরের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছালো তখন সেখানে দুটি জাত তৈরি হয় ভালো ও 'বিকৃত' ইঁদুরের। এর পর থেকে দূর্বল ইঁদুর গুলো আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেক পুরুষ ইঁদুর 'মানষিকভাবে ভেঙে পড়ে'।
ইঁদুরের স্বর্গে থাকার ফল নারীদের ভেতরে পড়েছিল অন্যভাবে। নারীরা নিজেদের আত্মরক্ষা থেকে সরে আসে এবং তাদের সন্তানদের প্রতি আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। নারী ইদুরদের মাঝে এই আক্রমনাত্মক মনোভাব ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শিশু জন্মহার ক্রমেই কমতে শুরু করে এবং বিপরীতে শিশু মৃত্যুহার বেড়ে যায়।
পুরুষদের মাঝে একটি নতুন জাতের ইঁদুরের উৎপত্তি হয় যারা কিনা 'সুন্দরী ইঁদুর'। তারা নারীদের সাথে বংশবৃদ্ধি ও জায়গার জন্য 'লড়াই' কর‍তে অস্বীকৃতি জানায়। তারা স্রেফ খাদ্য ও ঘুম নিয়ে চিন্তিত হয়। একসময় যেয়ে সুন্দরী পুরুষ ও আক্রমণাত্মক নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
ক্যালহোনের মতে, মৃত্যুর দুটি ধাপ ছিলো। 'প্রথম মৃত্যু' ও 'দ্বিতীয় মৃত্যু'। শেষটি হচ্ছে জীবনের অর্থহীন হয়ে পড়া! অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির ইচ্ছার অভাব তৈরি, সন্তান জন্মদান ও সন্তান প্রতিপালনের প্রতি অনিহা এবং সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করতে এগিয়ে না যাওয়া। সময়ের সাথে সাথে শিশু ইঁদুরদের মাঝে মৃত্যুর হার ১০০% ছুয়ে যায় এবং বংশবৃদ্ধি শূণ্যতে গিয়ে ঠেকে।
ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ইঁদুর গুলোর মাঝে সমকামী তৈরি হয়, এবং তারা নিজেরাই নিজেদের খেতে শুরু করে (Homosexuality, Cannibalism)। এই বিকৃত মস্তিষ্কদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে, যদিও সেখানে খাবারের কোনো অভাব ছিলো না, ছিল না বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীদের অভাব।
এই গবেষণা শুরুর দুই বছর পর শেষ ইঁদুরটি জন্ম নেয়৷ ১৯৭৩ সালের মধ্যে 'ইউনিভার্স ২৫' প্রজেক্টের শেষ ইঁদুরটি মারা যায়।
জন ক্যালহোন এই পরীক্ষাটি আরো পঁচিশবার করেন, এবং সবগুলো পরীক্ষাতেই একই ফলাফল আসে৷ ক্যালহোনের এই বৈজ্ঞানিক কাজের মাধ্যমে নাগরিক সমাজ ও সভ্যতার অবক্ষয় টের পাওয়া যায় এবং শহুরে জীবন সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
আমরা আজকের দুনিয়ায় এই একই জিনিসটা দেখছি...।
❝একদিকে দূর্বল, মেয়েলী পুরুষের ছড়াছড়ি– যাদের কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত দক্ষতা কিংবা আত্মরক্ষার সামর্থ্য নেই; আর অন্যদিকে আক্রমনাত্মক পুরুষালী নারী– যারা অতিরিক্ত বদ মেজাজি এবং প্রাকৃতিক মাতৃত্ব-নারীত্ব থেকে দূরে।❞ ❝একদিকে বিশ্বব্যাপী এলজিবিটি, ফ্রি-সেক্স মুভমেন্ট, ভোগবাদের তীব্র উত্থান; অন্যদিকে বিয়ে-পরিবারগঠন, জন্মদান ও সন্তান প্রতিপালনে অনাগ্রহী মানুষের বৃদ্ধি।❞
অর্থাৎ, পৃথিবীব্যাপী Antinatalism, LGBTQ Movement, Free S*x Movement, Feminism, Liberalism, Gender Fluidity Concept ইত্যাদি ওয়েস্টার্ন আইডিওলজি বা পশ্চিমা দর্শনের উত্থান যে বর্তমান ভগ্নপ্রায় বিশ্বব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক— সেটা বুঝতে আর সুস্থ মস্তিস্কের কারো বেগ পাওয়ার কথা নয়।
~•~
Reference : Universe 25: The Mouse "Utopia" Experiment That Turned Into An Apocalypse, iflscience.
মূল মৌলিক অনুবাদ : Fardeen Hassan
মূল আর্টিকেল : Wren Barnes

30/05/2022

একজন ভাল অফিসার বা কর্মচারী হতে হলে-
# নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে অফিসে
প্রবেশ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে
অফিস থেকে বের হতে হবে।
নিয়মানুবর্তিতা ব্যতীত ভাল অফিসার
হওয়া সম্ভব নয়।
# নিজের দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে
হবে। নিজের কাজ কখনও অন্যের উপর
চাপানো যাবে না।
# কথা বলবেন কম, কাজ করবেন বেশি।
নিজের কথা কম বলবেন, অন্যের কথা
বেশি শুনবেন।
# অধঃনস্তদের তাদের ভাল কাজের জন্য
উৎসাহিত করবেন। ভাল কাজের প্রশংসা
করবেন।
# অন্যেরা যদি কাজে ফাঁকি দেয় বা কাজে
গড়িমসি করে তবে তাদের দেখাদেখি
আপনিও স্থবির হয়ে যাবেন না। বরং
"কেউ না করুক আমি করব কাজ" এই
নীতিতে চলবেন।
# নিজের কাজের স্বীকৃতি কখনও অন্যের
কাছে চাইবেন না। বেশি ভাল কাজ করে
পুরষ্কারের আশা করবেন না। নিজের
মার্কিং নিজেই করবেন।
# বাড়ির সমস্যা কখনও অফিসে টেনে
আনবেন না। পারিবারিক অশান্তি বা
ঝামেলার কথা অফিসে থাকাবস্থায়
অফিসের কলিগদের সাথে আলোচনা
করবেন না।
# অফিসের সব কথা বাড়ির লোকদের
সাথে আলোচনা করবেন না। অফিসের
কথা অফিসে, বাড়ির কথা বাড়িতে।
# নিজের বড় পদের অফিসারের সাথে নম্র
ভাবে, বিনীত স্বরে কথা বলতে হবে।
তাদের সন্মান ও মন মেজাজের দিকে
লক্ষ্য রেখে কথা বলতে হবে।
# অধীনস্থদের সাথে কোমল ব্যবহার করতে
হবে। শাসন আর বকাঝকা করে কাজ
আদায় করা যায় না। প্রয়োজনে শাসন বা
শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন হলে তার
প্রয়োগের প্রক্রিয়াটি হবে ভদ্রোচিত।
# বেশিরভাগ কর্মস্থলের পরিবেশ নষ্ট হয়
কানাকানি, ফিসফিসানি আর পরনিন্দার
কারণে। যার সমস্যা তাকে বলাটাই
সবচেয়ে ভদ্রোচিত আচরণ। একজনের
দুর্বল দিক অন্যজনকে বলা অনুচিত।
এতে অন্যের সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরী
হয়।
# অনেকে নিজেকে নির্ভুল মনে করে। যা
আত্নবিধ্বংশী একটি বিষয়। নিজের
আয়নায় কখনও নিজের ভুল ধরা পড়ে
না। অন্যের আয়নায় নিজের ভুল ধরা
পড়ে। একারণে অন্যের দেওয়া পরামর্শ
আর উপদেশ ঠান্ডা মাথায় শুনতে হয়।
নিজের সংশোধনের চেষ্টা করতে হয়।
# নিজের কর্মস্থলের অনেক সমস্যা থাকবে।
সমস্যাগুলো নিজেই সমাধান করার চেষ্টা
করতে হবে। একান্তই সমাধান না হলে
উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।
# ছোটখাট সমস্যার জন্য কখনও ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তার নিকট শরণাপন্ন হওয়া ঠিক না।
অন্য কর্মচারীর বিরুদ্ধে নালিশ করাও
ঠিক নয়। একজন ভাল অফিসার সমস্যার
কথা কম বলবেন। বরং সমস্যা সমাধানের
জন্য চেষ্টা করবেন।
# একজন ভাল অফিসার তার ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাকে চাপ মুক্ত রাখার চেষ্টা
করবেন।
# একজন ভাল অফিসার ঠান্ডা মস্তিষ্কের
হবেন। কখনও মেজাজের ভারসাম্য
হারাবেন না। উত্তেজিত হয়ে কোন কথা
বলবেন না। কারণ উত্তেজিত অবস্থার
বেশিরভাগ কথাবার্তায় অসংলগ্ন হয়। যা
অন্যের মনে কষ্টের কারণ হয়।
# একজন ভাল অফিসার অফিসের
সকলকে সঠিক সম্বোধনে ডাকবেন। পদে
বড় কাউকে "স্যার" বলে সম্বোধন
করবেন। পদে ছোট কাউকে "সাহেব" বা
অন্য কোন নির্দিষ্ট সম্বোধনে ডাকবেন।
# প্রতিটি মানুষের মনে কষ্ট থাকে। প্রতিটি
মানুষের না পাওয়ার বেদনা আছে।
প্রতিটি মানুষের কারণে-অকারণে মন
খারাপ হয়। তারপরও অফিসে মন খারাপ
করে গোমড়ামুখে বসে থাকা যাবে না।
একজন অফিসার মানেই সদা হাস্যজ্জ্বল,
সদা প্রানবন্ত।
প্রতিটি চাকুরীজীবি মানুষের অফিস হল সেকেন্ড হোম। পরিবারের লোকদের মত এখানেও কিছু মানুষ থাকে। নিজের অজান্তেই এই মানুষেরাও একটা সময় আত্মার আত্মীয় হয়ে যায়। এদের কিছু দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সকলেই স্ব স্ব দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করলে অফিসের পরিবেশ সুন্দর হবে।
একটা সময় আমরা আমাদের কর্মস্থল ছেড়ে চলে যাই। আমি -আপনি চলে গেলেও আমাদের কথাগুলো থেকে যায়, কাজগুলো থেকে যায়। সেই কথা ও কাজ যেন সুন্দর হয়, সাবলীল হয়।

05/11/2021
26/05/2021

ছোট ভাই রাজুর সুন্দর বক্তব্য। দোয়া করি ছোট তার বক্তব্যের চাইতেও বেশি বড় হোক।

Eid celebration-2021
21/05/2021

Eid celebration-2021

09/12/2019

বাংলা টাইপিং এ যারা দুর্বল তাদের কাজে লাগবে।

১. ক্ষ = ক+ষ
২. ষ্ণ = ষ+ণ
৩. জ্ঞ = জ+ঞ
৪. ঞ্জ = ঞ+জ
৫. হ্ম = হ+ম
৬. ঞ্চ = ঞ+চ
৭. ঙ্গ = ঙ+গ
৮. ঙ্ক = ঙ+ক
৯. ট্ট = ট + ট
১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম
১১. হ্ন = হ + ন
১২. হ্ণ = হ + ণ
১৩. ব্ধ = ব + ধ
১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)
১৫. গ্ধ = গ + ধ
১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)
১৭. ক্ত = ক + ত
১৮. ক্স = ক + স
১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান,
উত্থাপন)
২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর,
সত্তর)
২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য)
নিচের যুক্তবর্ণের
তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে ল
িখতে সহায়ক হতে পারে।
এখানে বাংলায় ব্যবহৃত
২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর
বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়
প্রচলিত নয়।
ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ
গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,
অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য,
গ্র্যাজুয়েট
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ,
ব্যঙ্গ্যোক্তি
ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম
(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ
ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য:
অত্যন্ত বিরল)
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
দ্দ্ব

স্ত্রী = n g k z Shift+d
বউ = n g+s
হৃদয় = i a l Shift+w
সর্ব = n h Shift+a
পর্ব = r h Shift+A
ঋতু = g+a k s
বর্ষা = h Shift+N Shift+A f
র‍্যাব = v Shift+z f h
কৃষক = j a Shift+n j
চাক = y f j g
সুগন্ধা = n s o b+g Shift+L f
পর্যন্ত = r w Shift+A b g k
বন্ধু = h b g Shift+L s
কম্পিউটার = j d m g r g s t f v
পৃথিবী = r a d Shift+K h Shift+D
চন্দ্রবিন্দু = y b g l z d h b g l s
সমৃদ্ধশালী = n m a l Shift+L Shift+m f Shift+v Shift+D
জ্ঞান = u g Shift+i f b
কৃষ্ণ = j a Shift+N g Shift+B
স্বপ্ন = n g h r g b

15/10/2018
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ...
31/07/2018

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ব্যতীত এ দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

আবেদনের যোগ্যতা
সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য পুরুষ প্রার্থীদের কমপক্ষে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে। নারী প্রার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের শিক্ষাজীবনে সব পরীক্ষায় কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা বিভাগ বা সমমানের জিপিএ থাকতে হবে। ৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর। পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ব্যতীত বাংলাদেশী নাগরিকরা পদগুলোতে আবেদন করতে পারবেন।

বেতন:
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১০,২০০/- ২৪,৬৮০/ টাকা, প্রশিক্ষণবিহীন প্রার্থীদের ৯,৭০০/- ২৩,৪৯০/ টাকা স্কেলে বেতন দেয়া হবে।

আবেদনের নিয়ম:
প্রার্থীরা অনলাইনে dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ আগস্ট সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

05/06/2018

I plan to go
আমি যাওয়ার কথা ভাবছি।
I plan to visit
আমি বেড়াতে যাওয়ার কথা ভাবছি।
I plan to come
আমি আসার কথা ভাবছি।
I plan to read
আমি পড়ার কথা ভাবছি
I plan to learn
আমি শিখার কথা ভাবছি
I plan to shopping
আমি কেনাকাটা করার কথা ভাবছি
I plan to get a job
আমি চাকরি পাওয়ার কথা ভাবছি
Let's start making sentence more

31/05/2018

✪ It’s my turn to learn everything. - এবার আমার সবকিছু শিখে নেওয়ার পালা।
✪ It’s my turn to help him. - এবার আমার তাকে সাহায্য করার পালা।
✪ It’s my turn to complete the work. - এবার আমার কাজটি শেষ করার পালা।
✪ It’s my turn to choose a dress. - এবার আমার পালা একটা ড্রেস পছন্দ করার।
✪ It’s my turn to sing a song. - এবার আমার পালা একটা গান গাওয়ার।
✪ It’s my turn to pay for lunch. - এবার আমার পালা দুপুরের খাবারের বিল পরিশোধের।
✪ It’s my turn to tell you a secret. - এবার আমার পালা তোমাকে একটি গোপন কথা বলার।
✪ It’s my turn to give her a gift. - এবার আমার তাকে একটা গিফট দেওয়ার পালা।
✪ It’s my turn to find out a restaurant. - এবার আমার একটা রেস্টুরেন্ট খুজে বের করার পালা।

Address

Main Road, Bengdom
Nazipur
6540

Telephone

01534927136

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Education Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Education Club:

Shortcuts

Share