12/06/2025
১৯০৯ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে গোদাগাড়ী ঘাট - আমনুরা - রহনপুর - সিঙ্গাবাদ - মালদা মিটার গেজ সেকশন চালু করে কাটিহার ব্রাঞ্চ রেলওয়ে আন্ডারে । শিয়ালদা থেকে পদ্মার দক্ষিণ পাড়ের লালগোলা ঘাট ব্রডগেজ ট্রেনে এসে রেল ফেরি কর ঘাট পার হয়ে, পদ্মার উত্তর পাড়ে গোদাগাড়ী ঘাটে অপেক্ষমাণ মিটার গেজ ট্রেনে চড়ে মালদা, কাটিহার, শিলিগুরি তথা উত্তরবঙ্গ যেত এই পথের যাত্রীরা ।
সারাঘাট-সিরাজগঞ্জ লাইন নির্মিত হয়েছিলো ১৯১৬ সালে। এটি নির্মান করেছিলো সারা- সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে কোম্পানি। ১৯৩০ সালে,আব্দুলপুর-আমনুরা ব্রডগেজ লাইনটি সারাঘাট-সিরাজগঞ্জ লাইনের একটি শাখা হিসাবে খোলা হয়েছিলো । সেসময় আব্দুলপুর-আমনুরা শাখা লাইনের সর্বশেষ স্টেশন ছিলো আমনুরা রেলওয়ে জংশন।
১৯৪৭ সালের পর দেশভাগ হলে গোদাগাড়ী ঘাট - আমনুরা - রহনপুর মিটার গেজ সেকশন বিছিন্ন ছোট মিটার গেজ সেকশনে পরিণত হয়েছিলো। । ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে তখন জরুরি ভিত্তিতে আমনুরা - রহনপুর পর্যন্ত মিটার গেজ সেকশন ব্রড গেজে রুপান্তরিত করেছিলো। গোদাগাড়ী ঘাট থেকে আমনুরা জংশন পর্যন্ত মিটার গেজ সেকশন যাত্রী পারপার না হওয়ার কারণে একসময় অলাভজনক হয়ে যায়। তাই বাধ্য হয়ে এই ২৩.৩৩ কিমি মিটার গেজ সেকশন তুলে ফেলেছিলো। ৬০ দশকের শেষের দিকে ভারত সিঙ্গাবাদ পর্যন্ত তাদের মিটার গেজ সেকশন ব্রড গেজে রুপান্তরিত করে ফেলে। আর আশির দশকে বাংলাদেশ রেলওয়ে রহনপুর স্টেশন থেকে বর্ডার হয়ে সিঙ্গাবাদের সাথে যোগাযোগের জন্য চালু করেছিলো।
বর্তমানে অবশ্য এই করিডর দিয়ে ফ্রেট ট্রেন চলাচল করে থাকে ।
সৌজন্যে: আহমাদ ইশতিয়াক/ বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র
23/07/2023
বাড়িতে চোর ঢুকেছে!
গাধা ও কুকুর পাশাপাশি বসে আছে।
গাধা ভাবছে কুকুর হয়তো চোরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
কিন্তু, না। কুকুর চুপচাপ বসে আছে।
কুকুরের নীরবতায় গাধার মনে সন্দেহ দেখা দিলো।
সে কুকুরের কাছে এসে বললো ভাই, একটাকিছু করো,
চোর তো গুদাম ঘরের তালা ভাঙ্গা শুরু করে দিয়েছে।
গাধার কথায় কুকুর কর্ণপাত না করে বসে রইলো।
হঠাৎ গাধা চেয়ে দেখলো কুকুরের সামনে হাড্ডি।
হাড্ডির সাথে মাংসও আছে।
গাধা নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেনা।
এ কি দেখছে সে ?
বাড়ির একমাত্র পাহারাদার তার প্রিয় কুকুর ভাই কি শেষ পর্যন্ত ঘুষ খাওয়া শিখে ফেলেছে ?
তাও আবার চোরের মত বেইমান, বিশ্বাসঘাতক, নিকৃষ্ট প্রাণীর
কাছ থেকে ? ছিঃ! ছিঃ! ছিঃ!
এদিকে চোরেরা তালা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।
গাধা আর চুপ থাকতে পারলোনা,
সে গগনবিদারী চেঁচামেচি শুরু করে দিলো।
তার চিৎকারে বাড়ির মালিকের ঘুম ভেঙ্গে গেলো।
মালিক খুব বিরক্ত হলো। সে ঘর থেকে বের হয়ে
দেখলো কুকুর নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে, আর গাধা
লাফাচ্ছে। মালিক ভাবলো হয়তো গাধাকে জ্বিনে
ধরেছে অথবা পাগল হয়ে গেছে । তাই সে রাগান্বিত হয়ে লাঠি দিয়ে গাধার পিঠে বেশকয়েকটা
আঘাত করল। এতে গাধা খুবই ব্যথিত হলো ।
এখন গাধা কোথায় যাবে? মালিকের সম্পদ রক্ষা
করতে গিয়ে উল্টো মার খেতে হলো। অবশ্য চোর
ধরা যার দায়ীত্ব ছিলো, সে ঘুষ খেয়ে চুপ থেকেছে।
আর গাধা অন্যের দায়ীত্ব মাথায় নিয়ে অপরাধী
হয়েছে।
অগত্যা গাধা মনে মনে ভাবছে- দায়ীত্বশীলরা নষ্ট হয়ে
গেলে করার কিছুই থাকেনা। এ সময় কিছু করতে
যাওয়া বোকামী ছাড়া আর কিছুনা।
(সংগৃহীত)
19/07/2023
১৯৪৭ সালের ১২ই আগষ্ট থেকে ১৭ই আগষ্ট ভারতের মালদহের জনগণ জানতে পারেনি যে জেলাটির ভাগ্য কি! শেষ পর্যন্ত ১৭ই আগষ্ট বেতারে র্যাডক্লিফ কমিশনের ঘোষণা প্রচারিত হয় এবং ওই দিনই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পূর্বের মালদহ জেলার ১৫টি থানার মধ্যে দশটি থানা অর্থাৎ ১. ইংরেজবাজার, ২. মালদা, ৩. রতুয়া, ৪. হরিশ্চন্দ্রপুর, ৫. খরবা, ৬. গাজোল, ৭. হবিবপুর, ৮. বামনগোলা, ৯. মানিকচক, ১০. কালিয়াচক ভারতের এবং পাঁচটি থানা শিবগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাচোল ও গোমস্তাপুর পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। অর্থাৎ ১৭ তারিখ পর্যন্ত পূর্ব-পাকিস্তানের এক ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনেই মালদহ জেলা ছিল এবং ১৮ই মালদহ জেলার শাসনভার ভূতপূর্ব পাবনার এ.ডি.এম মঙ্গলকুমার আচার্যের হস্তে সমর্পিত হয়। তিনি ১৮ই আগষ্ট মালদহের কালেক্টরেটের মাস্তুলে ভারতের জাতীয় পতাকা তোলেন।
13/07/2023
দীর্ঘ ২৭ বছর জেল খাটার সময় , নেলসন ম্যান্ডেলা সূর্য কি জিনিস চোখে দেখেননি । তারপর তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর একদিন তাঁর কয়েকজন সহকর্মীকে বললেন : -
চলো আজ শহর দেখি । চার দেয়ালের ভিতর বন্দি থেকে , জীবনের দীর্ঘ সময় কেটে গেলো । এখন নিজের শহরটি কেমন হয়েছে , নিজের চোখে না দেখলেই নয় ।
সহকর্মীদের সাথে নিয়ে নেলসন ম্যান্ডেলা শহরের অলিতে গলিতে হাঁটলেন । তাঁর খুব ক্ষিদে পেলো । ক্ষিদে লাগার পর ম্যান্ডেলা বললেন : -
চলো , সামনের মোড়ে যদি কোনো রেস্তোরাঁ পাই ,
সেখানেই কিছু খেয়ে নিতে চাই । সহকর্মীরা তো অবাক ! বুঝতে পেরে ম্যান্ডেলা বললেন , অবাক হওয়ার কিছুই নেই , ক্ষিদে পেয়েছে , খাবো । জেলখানার ওই বিভৎস খাবার খেয়েও যেহেতু মরিনি , তাই এতো সহজে মরবো না ।
সবাই মিলে টেবিলে খেতে বসেছেন ।
অল্পদূরে আরেকজন ভদ্রলোক বসে আছেন , বেশ বয়ষ্ক । হোটেলের ওয়েটারকে ডেকে ম্যান্ডেলা বললেন , একটা চেয়ার এনে আমার পাশে রাখো এবং ওনাকে বলো , আমার টেবিলে বসে খেতে ।
ভদ্রলোক আসলেন । এসে তাঁর পাশের চেয়ারটায় বসলেন । খেতে খেতে সবাই গল্প করছেন । কিন্তু পাশে বসা ভদ্রলোকটি কিছুই খেতে পারছেন না । ওনার হাত কাঁপছে । চামচ থেকে খাবার প্লেটে পড়ে যাচ্ছে । ম্যান্ডেলার সহকর্মীদের একজন বললেন ,
আপনি মনে হয় অসুস্থ । ভদ্রলোক চুপচাপ রইলেন । কিছুই বললেন না ।
ম্যান্ডেলা নিজ হাতে ওনাকে খাবার খাইয়ে দিলেন এবং ওয়েটারকে ডেকে বললেন , ওনার খাবার বিলটা আমরা পরিশোধ করবো ।
খাবার শেষে সেই বয়স্ক ভদ্রলোক বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন । কিন্তু সবাই অবাক চোখে দেখলো , লোকটি ভালো করে দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারছেন না । শরীরের কাঁপুনি ক্রমবর্ধমান ।
ম্যান্ডেলা নিজ হাতে ওনাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করলেন এবং সহকর্মীদের একজনকে বললেন , ওনাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতে ।
সহকর্মীদের মধ্যে আরেকজন বললেন , এতো অসুস্থ শরীর নিয়ে উনি বাড়ী পৌঁছাতে পারবেন তো ! এই সময় ম্যান্ডেলা বলতে শুরু করলেন ,
আসলে উনি অসুস্থ না । আমি জেলের যে সেলে বন্দি ছিলাম উনি ছিলেন সেই সেলের গার্ড । প্রচন্ড মার খেয়ে আমার খুব তৃষ্ণা পেতো । পিপাসায় কাতর আমি যতবার জল জল বলে আর্তনাদ করতাম , ততবার উনি আমার সমস্ত শরীরে প্রসাব করে দিতেন । আজ আমি দেশের প্রেসিডেন্ট ।
দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মানুষ হওয়ার পর , আমি ওনাকে আমার টেবিলে একসাথে খাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করেছি ! তাই সেই সব দিনগুলোর কথা মনে করে উনি খুব ভয় পেয়েছেন ।
কিন্তু ক্ষমতাবান হয়েই ক্ষমতাহীন মানুষকে শাস্তি দেয়া তো আমার আদর্শের পরিপন্থী । এটা আমার জীবনের এথিকসের অংশ নয় । তাই শাস্তি পাওয়ার পরিবর্তে উনি ভালোবাসা পেয়েছেন । আমার মুখে আর শরীরে উনি প্রসাব করেছেন । কিন্ত ওনার মুখে আমি খাবার তুলে দিয়েছি । আমি আপনাদের যেমন প্রেসিডেন্ট , তেমনি ওনারও প্রেসিডেন্ট ।
প্রতিটি নাগরিককে সম্মান জানানো আমার নৈতিক দায়িত্ব । শুধুমাত্র প্রতিশোধ নেয়ার মানসিকতা'ই একটি তৈরী রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে ।
আর সহনশীলতার মানসিকতা একটি ধ্বংস হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রকে তৈরী করতে পারে ।
সংগৃহীত
08/05/2023
একটি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত এমডি অবসরের ৫ বছর পর তার শহরের একটি শাখায় এসেছিলেন টাকা তুলতে।কেউ তাকে সালাম দিলো না, এগিয়ে এলো না, কারণ কেউ তাকে চিনতে পারেনি। ব্যাংকটিতে যারা কাজ করছেন সবাই নতুন।
তিনি নিজেকে ঐ ব্যাংকের সাবেক এমডি হিসেবে পরিচয় দেন।পরিচয় পাওয়ার পর একজন অফিসার তাকে চা অফার করেন এবং কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করেন, "অবসরের পর আপনার দিনকাল কেমন যাচ্ছে?”
সাবেক এমডি বলেন,"প্রথম ২/১ বছর খুব খারাপ লেগেছে।নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে।এখন আমি বুঝতে পেরেছি, দাবা খেলা শেষ হওয়ার পরে রাজা এবং সৈনিকদের একই বাক্সে রাখা হয়। পদ, পদবী, উপাধি, শান-শাওকাত সবই অস্থায়ী। মানুষের ভালোবাসাটা স্থায়ী, বিনয় ও সদাচরণ দিয়ে যা অর্জন করতে হয়।”
সময় যার যার জীবনের হিসেব বুঝিয়ে দেয়! এই সত্যটা সময় থাকতে আমরা বুঝতে চাই না!
31/03/2023
ছবিতে দেখা যাচ্ছে- একজন লোক
একটি হাতিকে ধাক্কা দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে তুলছে।
এমন নয় যে, লোকটির ধাক্কায় হাতিটি উপরে উঠে যাবে।
বিষয়টি হলো- লোকটি হাতির পেছনে হাত রাখাতে
হাতিটি বুঝতে পারছে তাকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য কেউ আছে।
এই ভরসায় হাতিটি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে সমর্থ হবে।
এটাই প্রেরণা। জীবনে প্রত্যেক টা সফল মানুষের পিছনে একটা গল্প থাকে।
আমাদের মধ্যে এমন অনেক লোক আছেন যারা ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ তাদের সমর্থন বা উৎসাহ দেওয়ার মতো কেউ ছিলো না; উঠে দাঁড়ানোর জন্যেও কারো হাত লাগে।
আমরা অন্যকে সহযোগিতা করতে সক্ষম নাও থাকতে পারি;
তবে কারো কঠিন সময়ে তার পাশে থেকে উৎসাহ নিশ্চয়ই দিতে পারি।
ভালোবাসা, ইতিবাচক সহযোগিতা এবং ভরসার মাধ্যমে যদি কেউ উঠে দাঁড়াতে পারে, কারো জীবন পরিবর্তন হয়, এর চেয়ে উত্তম কাজ আর কিছু নেই।
23/07/2022
Welcome to our page.
Chowdala Johur Ahmmed Mian College
One of the best rural college. Result also the good one !!!
05/10/2021
শিক্ষক শুধু একটি নামই নয়। এর সাথে জড়িয়ে আছে হাজারো শিক্ষার্থীর অভিভাবকত্ব ও বন্ধুত্বের, খুনসুটি, মান-অভিমানের, কষ্টের, আনন্দের গল্পকথা। আমাদের পথ চলা শেখার শ্রেষ্ঠ কারিগর। জীবনে বড় হওয়ার নামই শিক্ষক।
আজ ৫ই অক্টোবর, " বিশ্ব শিক্ষক দিবস"। আজকের এই দিনটি সারা বিশ্বে শ্রদ্ধার সাথে বিভিন্ন প্রোগাম, অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করা হয়/পালিত হয়।শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম অধিবেশনে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ড. ফ্রেডারিক এম মেয়রের যুগান্তকারী ঘোষণার মাধ্যমে ৫ অক্টোবরকে "বিশ্ব শিক্ষক দিবস" হিসেবে সূচনা শুরু। যাত্রা শুরু হয় শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বন্ধন এক নতুন নামে নতুন পরিচয়ে।
একজন সফল মানুষের পেছনে শিক্ষকের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। সেই শিক্ষক যে পড়াশোনার ক্ষেত্রেই হতে হবে, তা কিন্তু নয়। তিনি থাকতে পারেন জীবনের যে কোন ক্ষেত্রেই।তিনি তাকে জীবনে চলার পথে পরামর্শ দিবেন, ব্যর্থতায় পাশে দাঁড়িয়ে উৎসাহ দিবেন, সাফল্যের দিনে নতুন লক্ষ্য স্থির করে দিবেন। তিনি তাকে শুধু সফল নয়, একজন ভাল মানুষ হতে সাহায্য করবেন।সহজভাবে বলতে গেলে,যিনি আমাদের মনের অজ্ঞতা দূর করে মনের মধ্যে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে দেন তিনিই হলেন গুরু।
‘‘A great teacher is like a candle— it consumes itself to light the way for others.’’
শিক্ষক, বাবা-মার পরে আমাদের দ্বিতীয় অভিভাবক হিসেবে পরিচিত। পিতামাতা আমাদের জীবনদান করেন ঠিকই কিন্তু শিক্ষকরা সেই জীবনকে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন।
শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকদের জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আল্লাহ তা'আলা আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু দান করুক। 🤎