12/12/2017
১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এটি একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ। এই কলেজ প্রতিষ্ঠাকালে জনাব মোঃ মনিমুল হককে অস্থায়ী অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাস থেকে হরিমোহন ইন্সটিটিউশনে প্রাতঃকালীন শিফটে কলেজের ক্লাস শুরু হয়। অল্প দিনেই পাওয়া যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েশন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক মহকুমা শহরের কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে নবাবগঞ্জ কলেজ জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর নবাবগঞ্জ কলেজের নাম হয় “নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ ”। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে ৩টি বিষয়ে অনার্স খোলার মধ্য দিয়ে উন্মোচন ঘটে নতুন দিগন্তের। বর্তমানে ১৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু এবং ৪টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।
ইতিহাস ও পটভূমি[২] সম্পাদনা
কলেজ প্রতিষ্ঠার এই মহৎ চিন্তা মাথায় নিয়ে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের এক শুভদিনে এলাকার বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গ তৎকালীন হরিমোহন ইন্সটিটিউশন মাঠে এক সাধারণ সভায় মিলিত হন। মহকুমা প্রশাসক জনাব মোঃ আতিকুর রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেই সভাতেই নবাবগঞ্জ শহরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং শতাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি ওয়ার্কিং কমিটি।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট মোঃ নজমুল হক (প্রয়াত), (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট মির্জা মোঃ কাইউম, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট মোঃ তোবারক হোসেন, নগেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী, (প্রয়াত) বিমলরঞ্জন সিংহ, এ্যাডভোকেট বাবু অনিলেশ চন্দ্র মৌলিক ওরফে নিতু বাবু, (প্রয়াত) আব্দুল গফুর বিশ্বাস, (প্রয়াত) আব্দুল লতিফ হোসেন, (প্রয়াত) আবুল ফজল খাঁ, (প্রয়াত) রমেশ চন্দ্র বাগচী, (প্রয়াত) যোবদুল মোক্তার, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট সোলায়মান, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট রইসুদ্দীন আহম্মেদ, (প্রয়াত) কবিরাজ আলফাজ উদ্দীন, (প্রয়াত) মোঃ ফিরোজ কবির, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট তাহের উদ্দীন, (প্রয়াত) ডা. তারাপদ সাহা, (প্রয়াত) ডা. আইয়ুব আলী, (প্রয়াত) হাজী আব্দুর রাজ্জাক, (প্রয়াত) মোঃ আলতাফ হোসেন, (প্রয়াত) সাদমানী মণ্ডল, এ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, সাতকড়ি বাবু এবং আরো অনেকে।
ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক নামোশংকরবাটী গ্রামের জনাব মোঃ মনিমুল হককে অস্থায়ী অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাস থেকে হরিমোহন ইন্সটিটিউশনে প্রাতঃকালীন শিফ্টে কলেজের ক্লাস শুরু হয়। ইংরেজি, বাংলা, যুক্তিবিদ্যা, পৌরনীতি, ইসলামের ইতিহাস ও আরবি বিষয়সহ কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। অল্প দিনেই পাওয়া যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েশন।
জাতীয়করণ স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক মহকুমা শহরের কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে নবাবগঞ্জ কলেজ জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর নবাবগঞ্জ কলেজের নাম হয় “নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ ”।
অনার্স কোর্স ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে ৩টি বিষয়ে অনার্স খোলার মধ্য দিয়ে উন্মোচন ঘটে নতুন দিগন্তের। বর্তমানে ১৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু এবং ৪টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে, যা কলেজের সার্বিক অগ্রগতির সাক্ষর বহন করে ।