Nawabgonj govt college bncc - cadet team

Nawabgonj govt college bncc - cadet team Bangladesh nation cadet crops...

https://youtu.be/QV947I0qSuE?si=aZeA3Gfv8QmWZNLT
06/11/2023

https://youtu.be/QV947I0qSuE?si=aZeA3Gfv8QmWZNLT

একটি কুরুন কাহীনি যা শুনে আপনার চোখের মধ্য পানি জমে যাবে। সাহাবীর ঘটনা শুনে কাদলেন হযরত মহাম্মদ (সঃ) - মাওলানা মোঃ ই...

29/04/2021
12/12/2017

১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এটি একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ। এই কলেজ প্রতিষ্ঠাকালে জনাব মোঃ মনিমুল হককে অস্থায়ী অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাস থেকে হরিমোহন ইন্সটিটিউশনে প্রাতঃকালীন শিফটে কলেজের ক্লাস শুরু হয়। অল্প দিনেই পাওয়া যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েশন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক মহকুমা শহরের কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে নবাবগঞ্জ কলেজ জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর নবাবগঞ্জ কলেজের নাম হয় “নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ ”। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে ৩টি বিষয়ে অনার্স খোলার মধ্য দিয়ে উন্মোচন ঘটে নতুন দিগন্তের। বর্তমানে ১৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু এবং ৪টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।

ইতিহাস ও পটভূমি[২] সম্পাদনা

কলেজ প্রতিষ্ঠার এই মহৎ চিন্তা মাথায় নিয়ে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের এক শুভদিনে এলাকার বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গ তৎকালীন হরিমোহন ইন্সটিটিউশন মাঠে এক সাধারণ সভায় মিলিত হন। মহকুমা প্রশাসক জনাব মোঃ আতিকুর রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেই সভাতেই নবাবগঞ্জ শহরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং শতাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি ওয়ার্কিং কমিটি।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট মোঃ নজমুল হক (প্রয়াত), (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট মির্জা মোঃ কাইউম, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট মোঃ তোবারক হোসেন, নগেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী, (প্রয়াত) বিমলরঞ্জন সিংহ, এ্যাডভোকেট বাবু অনিলেশ চন্দ্র মৌলিক ওরফে নিতু বাবু, (প্রয়াত) আব্দুল গফুর বিশ্বাস, (প্রয়াত) আব্দুল লতিফ হোসেন, (প্রয়াত) আবুল ফজল খাঁ, (প্রয়াত) রমেশ চন্দ্র বাগচী, (প্রয়াত) যোবদুল মোক্তার, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট সোলায়মান, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট রইসুদ্দীন আহম্মেদ, (প্রয়াত) কবিরাজ আলফাজ উদ্দীন, (প্রয়াত) মোঃ ফিরোজ কবির, (প্রয়াত) এ্যাডভোকেট তাহের উদ্দীন, (প্রয়াত) ডা. তারাপদ সাহা, (প্রয়াত) ডা. আইয়ুব আলী, (প্রয়াত) হাজী আব্দুর রাজ্জাক, (প্রয়াত) মোঃ আলতাফ হোসেন, (প্রয়াত) সাদমানী মণ্ডল, এ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, সাতকড়ি বাবু এবং আরো অনেকে।

ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক নামোশংকরবাটী গ্রামের জনাব মোঃ মনিমুল হককে অস্থায়ী অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাস থেকে হরিমোহন ইন্সটিটিউশনে প্রাতঃকালীন শিফ্‌টে কলেজের ক্লাস শুরু হয়। ইংরেজি, বাংলা, যুক্তিবিদ্যা, পৌরনীতি, ইসলামের ইতিহাস ও আরবি বিষয়সহ কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। অল্প দিনেই পাওয়া যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েশন।

জাতীয়করণ স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক মহকুমা শহরের কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে নবাবগঞ্জ কলেজ জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর নবাবগঞ্জ কলেজের নাম হয় “নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ ”।

অনার্স কোর্স ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে ৩টি বিষয়ে অনার্স খোলার মধ্য দিয়ে উন্মোচন ঘটে নতুন দিগন্তের। বর্তমানে ১৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু এবং ৪টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে, যা কলেজের সার্বিক অগ্রগতির সাক্ষর বহন করে ।

07/09/2017

বাস্তবতা বড়ই কঠিন

06/07/2017

amader new cadet neya hobe kichu diner moddei

26/01/2017
23/10/2016

আলবার্ট আইনস্টাইন কোন বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক লাভ করে?
ক) জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়
খ) অক্সফোড বিশ্ববিদ্যালয়
গ) ক্যালিফোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ঘ) কোনটি নয়।
ঙ) জানি না।
।
।
।
oli ahmed as

14/04/2016

BNCC....... army wing parson... দেশ ও দেশের মাটিকে ভালবাসো।।

21/09/2015

। ইয়াহইয়া ইবনুূু বুকায়র (রহঃ) আনাস ইবনুূু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবূ যার (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমার ঘরের ছাদ খুলে দেয়া হল। তখন আমি মক্কায় ছিলাম। তারপর জিবরাঈল (‘আ) এসে আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন। আর তা যমযমের পানি দিয়ে ধুইলেন। এরপর হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি সোনার পাত্র নিয়ে আসলেন এবং তা আমার বক্ষে ঢেলে দিয়ে বন্ধ করে দিলেন। তারপর হাত ধরে আমাকে দুনিয়ার আসমানের দিকে নিয়ে চললেন। যখন দুনিয়ার আসমানে পৌঁছালাম, তখন জিবরাঈল (‘আ) আসমানের রক্ষক কে বললেনঃ দরযা খোল। তিনি বললেনঃ কে? উত্তর দিলেনঃ আমি জিবরাঈল, আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ আপনার সঙ্গে আর কেউ আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমার সঙ্গে মুহাম্মদ। তিনি আবার বললেনঃ তাঁকে কি আহবান করা হয়েছে? তিনি উত্তরে বললেনঃ হাঁ। তারপর আসমান খোলা হলে আমরা প্রথম আসমানে উঠলাম। সেখানে দেখলাম, এক লোক বসে আছেন এবং অনেকগুলো মানুষের আকৃতি তাঁর ডান পাশে রয়েছে এবং অনেকগুলো মানুষের আকৃতি বাম পাশেও রয়েছে। যখন তিনি ডান দিকে তাকাচ্ছেন, হাসছেন আর যখন তিনি বাম দিকে তাকাচ্ছেন, কাঁদছেন। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ, হে পুণ্যবান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! হে নেক সন্তান! আমি জিবরাঈল (‘আ) কে জিজ্ঞাসা করলামঃ ইনি কে? তিনি বললেনঃ ইনি আদম (‘আ)। আর তাঁর ডানে ও বায়ে তাঁর সন্তানদের রুহ। ডান দিকের লোকেরা জান্নাতী আর বা দিকের লোকেরা জাহান্নামী। এজন্য তিনি ডান দিকে তাকালে হাসেন আর বাঁ দিকে তাকালে কাঁধেন। তারপর জিবরাঈল (‘আ) আমাকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় আকাশে উঠলেন। সেখানে উঠে রক্ষক কে বললেনঃ দরযা খোল। তখন রক্ষক প্রথম আসমানের রক্ষকের অনুরুপ প্রশ্ন করলেন। তারপর দরযা খুলে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ এরপর আবূ যার বলেনঃ তিনি (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম )আসমানসমূহে আদম (‘আ), ঈদরীস (‘আ), মূসা (‘আ), ‘ঈসা (‘আ), ও ইবরাহীম (‘আ)-কে পেলেন। আবূ যার (রাঃ) তাঁদের অবস্থান নির্দিষ্ট ভাবে বলেন নি। কেবল এতটুকু বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদম (‘আ)-কে প্রথম আসমানে এবং ইবরাহীম (‘আ)-কে ষষ্ট আসমানে পেয়েছেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ যখন জিবরাঈল (‘আ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে ইদরীস (‘আ) এর পাশ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন ঈদরীস (‘আ) বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক ভাই! আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল (‘আ) বললেনঃ ইনি ঈদরীস (‘আ)। তারপর আমি মূসা (‘আ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক ভাই। আমি বললাম ইনি কে? জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ মূসা (‘আ)। তারপর আমি ঈসা (‘আ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক ভাই। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইনি ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তারপর ইবরাহীম (‘আ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক সন্তান। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইনি ইবরাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ইবনুূু শিহাব (রহঃ) বলেন যে, ইবনুূু হাযম আমাকে খবর দিয়েছেন ইবনুূু আব্বাস ও আবূ হাব্বা আনসারী (রহঃ) উভয়ে বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারপর আমাকে আরো উপরে উঠানো হল, আমি এমন এক সমতল স্থানে উপনীত হলাম, যেখান থেকে কলমের লেখার শব্দ শুনতে পেলাম। ইবনুূু হাযম (রহঃ) ও আনাস ইবনুূু মালিক (রাঃ) বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারপর আল্লাহ তা’আলা আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ) ফরয করে দিলেন। আমি এ নিয়ে প্রত্যাবর্তনকালে যখন মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আপনার উম্মতের উপর আল্লাহ কি ফরয করেছেন? আমি বল্লামঃ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ) ফরয করেছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আপনার রবের কাছে ফিরে যান। কারণ আপনার উম্মত তা আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমি ফিরে গেলাম। আল্লাহ পাক কিছু অংশ কমিয়ে দিলেন। আমি মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আবার গেলাম আর বল্লামঃ কিছু অংশ কমিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আবার আপনার রবের কাছে যান। কারণ আপনার উম্মত এও আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমি ফিরে গেলাম। তখন আরো কিছু অংশ কমিয়ে দেওয়া হল। আবার মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে গেলাম, এবারো তিনি বললেনঃ আপনি আবার আপনার রবের কাছে যান। কারণ আপনার উম্মত এও আদায় করতে সক্ষম হবে না। তখন আমি আবার গেলাম, তখন আল্লাহ বললেনঃ এই পাঁচই (সওয়াবের দিক দিয়ে) পঞ্চাশ (গণ্য হবে)। আমার কথার কোন পরিবর্তন নেই। আমি আবার মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর কাছে আসলে তিনি আমাকে আবারো বলললেনঃ আপনার রবের কাছে আবার যান। আমি বললামঃ আবার আমার রবের কাছে যেতে আমি লজ্জাবোধ করছি। তারপর জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। আর তখন তা বিভিন্ন রঙে ঢাকা ছিল, যার তাৎপর্য আমার জানাছিল না। তারপর আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হল। আমি দেখলাম তাতে মুক্তার হার রয়েছে আর তাঁর মাটি কস্তুরি।

Address

Chapai Nawabganj, Bangladesh
Nawabganj
6300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nawabgonj govt college bncc - cadet team posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share