23/05/2021
১০০% ফরমালিন মুক্ত টাটকা ও সতেজ
আমার মূল লক্ষোই আপনাদের জানা অজানা কিছু তথ্য দেয়া ।
23/05/2021
১০০% ফরমালিন মুক্ত টাটকা ও সতেজ
ইমরান রহমান একজন স্কুল শিক্ষক। ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং শিক্ষাদানের অভিনব কৌশলের জন্য তিনি ছাত্রমহলে বেশ জনপ্রিয়। একদিন ক্লাশে এসে ছাত্রদের বললেন, “আমি তোমাদের সাথে একটা গেম খেলতে চাই, খেলবে তোমরা গেম?”
ছাত্ররা তো মহাখুশি। গেম কে না খেলতে চায়! সবাই এক বাক্যে রাজী। গেম খেলবে তারা।
– “ঠিক আছে। আগামীকাল একটা ব্যাগে করে কিছু টমেটো নিয়ে আসবে তোমরা। ওকে?”
ছাত্ররা ব্যাগ ভর্তি টমেটো নিয়ে এলো। “এখন কি করবো স্যার?” ছাত্রদের উৎসুক জিজ্ঞাসা।
– “তোমরা যাকে/যাদের সহ্য করতে পারনা বা ঘৃণা কর তাদের নাম একটা একটা করে টমেটোগুলোর গায়ে লেখ”।
ছাত্ররা ব্যাপক উৎসাহে টমেটোর গায়ে নাম লিখতে থাকলো। কেউ ১ টা, কেউ ২ টা, কেউবা ৫ টা পর্যন্তু টমেটোর গায়ে নাম লিখলো।
“যে যতগুলো টমেটোর গায়ে নাম লিখেছো সেগুলো আবার নিজ নিজ ব্যাগে রাখ। এই টমেটোগুলো আগামী ১ সপ্তাহের জন্য সবসময় তোমাদের সাথেই রাখবে। ঘুম, খাওয়া, পড়া যা-ই কর না কেন সবসময়ই এই টমেটোগুলো যেন তোমাদের পাশেই থাকে।”
এভাবে কয়েকদিন যাবার পর টমেটোগুলো থেকে প্রচণ্ড দূর্গন্ধ আসছে বলে অভিযোগ করলো ছাত্ররা। উপরন্তু যাদের ব্যাগে ৫ টা টমেটো ছিল তারা বেশ ঝামেলায় পড়ে গেল। ৫ টা টমেটোর ওজন একেবারেই কম না। ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য সেটা বহন করা বেশ কষ্টকর হয়ে গেল। কাজেই যে উৎসাহ নিয়ে ছাত্ররা গেমটা আরম্ভ করেছিল তা বিরক্তিতে পরিণত হলো দিনেদিনে।
অবশেষে ১ সপ্তাহ শেষ হলো। ছাত্ররা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচল এই গেমের অবসানে।
স্যার জিজ্ঞেস করলেন, “এই এক সপ্তাহ কেমন কাটলো তোমাদের?”
ছাত্ররা তাদের হতাশা ও অসুবিধার কথা খুলে বললো স্যারকে। টমেটোর দূর্গন্ধ ও ওজন তাদের যে ভোগান্তিতে ভুগিয়েছে তা বিস্তারিত জানালো।
স্যার তাদের গেমটার গোপন অর্থ খুলে বললেন। এই ঘটনাটা অনেকটা হৃদয়ে কারও প্রতি রাগ বা ঘৃণা বয়ে বেড়ানোর ঘটনার মতো। ঘৃণা বা রাগ ধীরে ধীরে তোমাদের হৃদয়কে দূষিত ও কলুষিত করে তোলে, যেটা তোমাদের সবসময়ই বয়ে বেড়াতে হয়। মাত্র ১ সপ্তাহ পঁচা টমেটো তোমাদের সাথে বয়ে নিয়ে বেড়ানোতেই তা তোমাদের জন্য অসহ্য হয়ে উঠেছে। পঁচা টমেটোর দূর্গন্ধ ও ওজন তোমাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে। কাউকে যদি তোমরা ঘৃণা কর, অনেকদিন তার প্রতি রাগ পুষে রাখ, তাহলে তোমাদের হৃদয়ের কি অবস্থা হবে কল্পনা করতে পার?
Moral ♥ : হৃদয় থেকে অন্যের প্রতি ঘৃণা বা রাগ মুছে ফেল যাতে সারা জীবন কোন পাপ বয়ে নিয়ে বেড়াতে না হয়। ক্ষমা করার গুন মানুষকে সুখী হতে সাহায্য করে।
১০ টি কাজের ১০ টি গুন।
••••••▶ (১) তাওবায়- গুনাহ নষ্ট হয়।
••••••▶ (২) ধোকায়- রিজিক নষ্ট হয়।
••••••▶ (৩) গীবতে- আমল নষ্ট হয়।
••••••▶ (৪) বদ চিন্তায়- হায়াত নষ্ট হয়।
••••••▶ (৫) ছদ্কায়- বিপদ-আপদ দূর হয়।
••••••▶ (৬) গোস্বায়- আকল নষ্ট হয়।
••••••▶ (৭) দুর্বল ঈমানে -দান- খয়রাত বন্ধ
হয়।
••••••▶ (৮) অহংকার- জ্ঞান নষ্ট করে।
••••••▶ (৯) নেকী- পাপ নষ্ট করে।
••••••▶ (১০) ন্যায় বিচার- জুলুম নষ্ট করে
বিভিন্ন বিষয়ের জনক :::
০১. জীববিজ্ঞানের জনক :
এরিস্টটল
০২. প্রাণীবিজ্ঞানের জনক :
এরিস্টটল
০৩. রসায়নবিজ্ঞানের জনক : জাবির
ইবনে হাইয়্যান
০৪. পদার্থবিজ্ঞানের জনক :
আইজ্যাক নিউটন
০৫. সমাজবিজ্ঞানের জনক : অগাষ্ট
কোঁৎ
০৬. হিসাববিজ্ঞানের জনক :
লুকাপ্যাসিওলি
০৭. চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক :
ইবনে সিনা
০৮. দর্শনশাস্ত্রের জনক :
সক্রেটিস
০৯. ইতিহাসশাস্ত্রের জনক :
হেরোডোটাস
১০. ভূগোলশাস্ত্রের জনক : ইরাটস
থেনি
১১. রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক :
এরিস্টটল
১২. অর্থনীতিবিদ্যার জনক : এডাম
স্মিথ
১৩. গণিতবিদ্যার জনক :
আর্কিমিডিস
১৪. বিজ্ঞানশাস্ত্রের জনক :
থ্যালিস
১৫. ঔষুধশাস্ত্রের জনক :
হিপোক্রটিস
১৬. জ্যামিতিবিদ্যার জনক :
ইউক্লিড
১৭. বীজগণিতবিদ্যার জনক : আল-
খাওয়াজমী
১৮. জীবাণুবিদ্যার জনক :
লুই পাস্তুর
১৯. বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক :
চার্লস ডারউইন
২০. সনেটশাস্ত্রের জনক : পের্ত্রাক
মৃত্যু শয্যায় মহাবীর
আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের
ডেকে বলেছিলেন,'আমার মৃত্যুর পর
আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ
করবে।
আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,শুধু আমার
চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন
করবেন।
আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার
কফিন
যে পথ
দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই
পথে আমার অর্জিত সোনা ও
রুপা ছড়িয়ে থাকবে আর শেষ
অভিপ্রায়
হচ্ছে, কফিন বহনের সময় আমার দুইহাত
কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে থাকবে।'
তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই
বিচিত্র
অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন।
দীর্ঘ শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার
বললেন, 'আমি দুনিয়ার
সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।
• আমার চিকিত্সকদের কফিন বহন
করতে এই
কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন
করতে পারে যে চিকিত্সকেরা কোন
মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না।
তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর
থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।'
• 'গোরস্হানের পথে সোনা-
দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বো সোনা-
দানার একটা কণাও আমার
সঙ্গে যাবে না। এগুলো পাওয়ার জন্য
সারাটা জীবন ব্যয় করেছি কিন্তু
নিজের
সঙ্গে কিছুই
নিয়ে যেতে পারছি না।
মানুষ বুঝুক এসবের
পেছনে ছোটা সময়ের
অপচয়।'
• 'কফিনের বাইরে আমার হাত
ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে পৃথিবীতে এসেছিলাম,
আবার খালি হাতেই
পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি. . . . .l
14/08/2014
হুমায়ূন আহমেদ এর সকল উপন্যাস এর জন্য এই লিন্ক এ যান
http://www.blog.banglabash.com/ebooks/%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%87-%E0%A6%A1%E0%A6%BE/
হুমায়ুন আহমেদের যত বই ( ডাউনলোড লিংক ) | একুশে ব্লগ হুমায়ুন আহমেদের যত বই ( ডাউনলোড লিংক ) 1) ১৯৭১ (৭ mb)2) বহুব্রীহি (১৪ mb)3) হিমুর আছে জল (১ mb)4) মেঘের ওপর বাড়ি (১ mb)5) নীল অপরাজিতা (৭ mb)6) উড়ালপঙ্খি (৯ mb)7) পাখি আমার একলা পাখি (৭ mb)8) সে আসে ধীরে (৭ mb)9) দেয়াল (২ mb)10) নন্দিত নরকে (৮ mb)…
09/08/2014
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন-
সুমহান
আল্লাহ বলেছেন, “হে আদম
সন্তান! যতক্ষন
পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকতে থাক
এবং আমার আশা পোষণ
করতে থাক
সে পর্যন্ত
আমি তোমাকে মার্জনা করতে থাকি,
তোমার যত পাপই হোক
না কেনআর
আমি কোন ভয় করি নাহে আদম
সন্তান!
যদি তোমার পাপরাশি আসমান
পর্যন্তও
পৌছে, তারপর তুমি আমার
কাছে মাফ
চাও, আমি তোমাকে মাফ করে দিই
এবং আমি কাউকে গ্রাহ্য করি না”
“হে আদম সন্তান!
যদি তুমি আমার
কাছে পৃথিবী পরিমাণ পাপ
নিয়ে আস,
আর আমার কোন অংশী স্থির
না করে (অর্থাৎ শিরক না করে)
আমার সাথে সাক্ষাত কর,
নিশ্চয়ই
আমি সে পরিমাণ
ক্ষমা নিয়ে তোমার
কাছে আসব”
(তিরমিযী, তিবরানী ও বায়হাকী)
বাগদাদ শহরের এক মসজিদের ইমামের স্ত্রী ছিল অত্যন্ত সুন্দরী , রূপসী এবং সুনয়না ।
স্থানীয় এক মাস্তান যুবক হঠাত্
একদিন ইমাম সাহেবের
স্ত্রী কে দেখে তার প্রতি ভীষণ
আসক্ত হয়ে পড়ে এবং এরপর রীতিমত
তাকে বিরক্ত করতে থাকে একদিন
ইমাম সাহেবের বাড়িতে প্রবেশ
করে যুবক বলল , হে সুন্দরী মহিলা,
আমি ইতিমধ্যে তোমার প্রতি খুবই
দুর্বল হয়ে পড়েছি ।
তাই আমার কামনা চরিতার্থ করার জন্য প্রস্তাব দিচ্ছি । তুমি কি আমার
প্রস্তাবে রাজি ?
মাস্তান যুবকের প্রস্তাব শুনে মহিলা ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে গেলেন । রাতে ইমাম সাহেব ঘরে ফিরলে তিনি তার কাছে যুবকের কথা বর্ণনা করলেন ।
ইমাম সাহেব বললেন, তুমি রাজি হয়ে যাও, তবে একটা শর্তে : শর্তটা হল
"যদি যুবক একটানা চল্লিশ দিন প্রথম
তাকবীরের সহিত জামাতের
সাথে আমার মসজিদে সালাত আদায়
করতে পারে তবেই তুমি রাজি হবে" ।
পরের দিন যুবক এসে মহিলাকে জিজ্ঞেস করল, আমার প্রস্তাবের ব্যাপারে তোমার মত কি ?
মহিলা বললেন একটি শর্ত আছে-
যদি তুমি শর্ত পূরণ করতে পার
তবে আমি রাজি । তখন যুবক বলল
কি শর্ত ? মহিলা বলল শর্তটি হচ্ছে 'বিরতি না দিয়ে একটানা চল্লিশ দিন প্রথম তাকবীরের সহিত জামাতে সালাত আদায় করতে হবে' ।
যুবক বলল এটা তো সহজ শর্ত এর
চেয়ে কঠিন শর্ত দিলেও আমি রাজি হতাম ।
যুবক পরদিন ওযু করে সুন্দর পোশাক পড়ে সালাত আদায় করতে আসলো । ইমাম সাহেব
সালাতের পর মুনাজাত করে বললেন ,
" হে আল্লাহ এক
পথহারা যুবকে তোমার
দরবারে এনেছি, এখন পথ প্রদর্শনের
মালিক তুমি "।
যুবক শর্ত মোতাবেক জামাতের
সাথে সালাত আদায় করে যাচ্ছে ,
ফজরের পর জোহরের জন্য
অপেক্ষা করে , জোহরের পর আছর ,
এরপর মাগরিব ,এরপর এশা । কোন
বিরতি নেই ।
অতঃপর এভাবে যেদিন
একটানা চল্লিশ দিন পার
হলো সেদিন যুবক ইমাম সাহেব
কে জড়িয়ে হু হু
করে কেঁদে ওঠলো এবং বলল ;
আমাকে ক্ষমা করে দিন ।
আমি অন্ধকারে ছিলাম আল্লাহপাক
আমাকে আলোর পথ দান করেছেন,
আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দান
করেছেন । আমার ভুল
হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন ।
তখন ইমাম সাহেব
যুবককে সাথে নিয়ে আল্লাহর
কাছে হাত তুলে দোয়া করলেন ,
" হে আমাদের পালনকর্তা , সরল পথ
প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের
অন্তরকে আর কঠিন করে দিও না ।
এবং তুমি আমাদের করুনা দান কর ,
তুমিই মহাদাতা অসীম করুনার আধাঁর
। সূরা আল ইমরান , আয়াত ৮" ।¤ "যথাযথ ভাবে সালাত আদায় কর,
নিশ্চয় সালাত অশ্লীল ও খারাপ
কাজ থেকে বিরত রাখে । আল্লাহর
স্মরনই সর্বশেষ্ঠ । তোমরা যা কর
তা আল্লাহ অবগত ।
সূরা আনকাবুত
আয়াত ৪৫"
হাসপাতালে ২জন
রোগী পাশাপাশি বিছানায় থাকেন।
২জনেই
মৃত্যু শয্যায়। একজন
রোগী থাকতো জানালার
কাছে।
বিছানা থেকে উঠে বসার
মতো শক্তি ছিল
না কারোরই। তবুও জানালার
কাছে থাকা রোগীটি নার্স
কে ডেকে প্রতিদিন বিকেলে এক
ঘণ্টার জন্য
জানালার পাশে উঠে বসতেন।
অপলক
চেয়ে থাকেন তিনি বাইরের দিকে...
১ ঘণ্টা পরে পাশের বিছানায়
শুয়ে থাকা রোগীর
কাছে বাইরে কি কি দেখল
তাঁর বর্ণনা করতেন।
তিনি প্রতিদিন
বলতেন--"বাইরে অনেক
পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে।
ছোট ছোট
শিশুরা মাঠে খেলা করছে।
বাচ্চারা কাগজের
নৌকা বানিয়ে ভাসিয়ে দিচ্ছে পানিতে..."
পাশের বিছানায়
শুয়ে শুয়ে রোগীটি এইসব
কল্পনা করতো। আর মনের
আকাশে উড়ে বেড়াতো মেঘেদের
সাথে। অন্যরকম
ভালো লাগা কাজ করতো এসব
বর্ণনা শুনে।
হঠাৎ একদিন জানালার
পাশে থাকা রোগীটি মারা গেলেন।
পাশের বিছানার রোগীটি তখন
নার্স
কে অনুরুধ করলো তাকে যেন
জানালার পাশের
বেড এ থাকতে দেওয়া হয়।
বিকেল হলো। সে আজ
প্রকৃতি নিজ
চোখে দেখবে। অনেক
আশা নিয়ে কনুই এ ভর
করে চোখ রাখলেন জানালায়...
কিন্তু হায়!!
সেখানে তো সাদা দেয়াল
ছাড়া আর কিছুই নেই!!!!
নার্স কে ডাকলেন,জিজ্ঞেস
করলেন--"এখানে তো দেয়াল
ছাড়া কিছুই নেই!
তাহলে প্রতিদিন
সে আমাকে কিভাবে সুন্দর
ফুল,প্রকৃতির,পাখির
বর্ণনা করতো?!!"
নার্স হাসিমুখে উত্তর
দিলো--"আসলে উনি ছিলেন অন্ধ।
আপনাকে বেঁচে থাকার উৎসাহ
দিতেই এসব
গল্প শুনাতেন..."
নিজের দুঃখ কারো সাথে শেয়ার
করুন,তাহলে দুঃখটা অর্ধেক
হয়ে যাবে। আর
নিজের সুখটা
কারো সাথে শেয়ার করে দেখুন,
দেখবেন
একজন মহিলার
একটি পোষা বেঁজি ছিল ।
বেঁজিটি খুব বিশ্বস্ত ছিলো ।
একদিন মহিলাটি তার
শিশুকে বেঁজিটির
তত্বাবধানে রেখে বাইরে গেল ।
মহিলাটি বাসা থেকে বের
হওয়ার কিছুক্ষন পর
একটি কিং কোবরা শাপ
বাসায় ঢুকলো ।শিশুটি সাপ
দেখে ভয়ে কাঁদতে লাগলো ।
বেঁজিটি সাপটির উপর
ঝাপিয়ে পড়লো ।অনেকক্ষন
লড়াই
করার পর সাপটি মারা গেল ।
বেঁজিটি রক্তাক্ত মুখ
নিয়ে বাসার
গেটের সামনে মহিলাটির জন্য
অপেক্ষা করতে লাগলো ।যখন
মহিলাটি বাসায় আসলো তখন
বেজিটিকে রক্তাক্ত অবস্হায়
দেখতে পেল ।
মহিলাটি ভাবলো বেঁজিটি হয়তো তার
শিশুকে কামড়িয়েছে ।
তিনি একটি পানির পাত্র
দিয়ে আঘাত
করে বেঁজিটিকে মেরে ফেললো ।
কিন্তু তিনি যখন ভিতরে প্রবেশ
করলেন তখন
দেখতে পেলেন ,শিশুটির
পাঁশে একটি মৃত কিং কোবরা সাপ
পড়ে আছে ।
তখন তিনি ভূল বুঝতে পারলেন ।
কিন্তু
এতোক্ষনে যা হবার হয়ে গেছে ।
মৃত
বেঁজিটির জন্য চোখের
পানি ফেলা ছাড়া তার কিছুই
করার
ছিল না ।
মোরাল:: যেকোন কিছু করার
আগে একবার
ভেবে নিন,আপনি যা করছেন
তা কি সঠিক? নচেৎ
পরবর্তীতে অনুশোচনা ছাড়া আপনার
আর কিছুই করার থাকবেনা।