15/06/2026
Noadia Khaishakhali High School
জগতের শ্রেষ্ঠ জ্ঞান হলো, নিজেকে জানা...
15/06/2026
26/05/2026
ঈদুল আজহার ফজিলত
শাহ মাহমুদ হাসান
এক. ঈদের রাতের ফজিলত ও আমল : দুই ঈদের রাত অত্যন্ত গুরুত্ব¡পূর্ণ এবং মর্যাদাপূর্ণ। ঈদ যেমন আনন্দের বারতা নিয়ে আসে, তেমন নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। ঈদের রাত যেমন আনন্দ-খুশির, ঠিক দুনিয়ার যাবতীয় কল্যাণ ও মঙ্গলপ্রাপ্তির রাত; জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতলাভের মহাসুযোগপ্রাপ্তির রাত। তাই ঈদের রাত জেগে ইবাদত করার ফজিলত ও গুরুত্ব অনেক। ঈদের রাতের ফজিলতের কথা বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
যেমন ইবনে মাজার মধ্যে দুই ঈদের রাতের ফজিলতের ব্যাপারে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাতে জাগ্রত থাকবে, সে ব্যক্তির হৃদয় ওই দিন মৃত্যুবরণ করবে না যেদিন অন্য হৃদয়গুলো মৃত্যুবরণ করবে।’ ইবনে মাজাহ।
অর্থাৎ কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থার সময় প্রতিটি মানুষের অন্তর যখন ভীতসন্ত্রস্ত থাকবে এবং মানুষের হিতাহিত জ্ঞান বলতে কিছুই থাকবে না তখনো ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর থাকবে নিশ্চিন্ত ও প্রফুল্ল। কারণ, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে জান্নাতের অধিবাসী হবে। কানজুল উম্মালের মধ্যে চার রাতের ফজিলতের ব্যাপারে রসুলুল্লাহ ব্যাপারে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি চারটি রাত ইবাদতের উদ্দেশ্যে জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। রাতগুলো হলো-জিলহাজ মাসের ৮ তারিখের রাত, আরাফার রাত, ঈদুল আজহার রাত এবং ঈদুল ফিতরের রাত।’ কানজুল উম্মাল।
সুতরাং মুমিনের জীবনে উভয় ঈদের রাতের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য হলো, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাতে জাগ্রত থেকে নামাজ, তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জন করা। দোয়া-ইসতিগফারের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে কবরের আজাব ও জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাওয়া। এবং উভয় রাতে আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদানলাভের শ্রেষ্ঠ সুযোগ হাতছাড়া না করা।
দুই. ঈদুল আজহার দিনের ফজিলত ও আমল : ঈদুল আজহার দিনে সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ আমল হচ্ছে কোরবানি করা। রসুলুল্লাহ ব্যাপারে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘কোরবানির দিনে কোনো আদমসন্তানের কোরবানির পশুর রক্ত প্রবাহিত করা থেকে আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় কোনো আমল নেই। কিয়ামতের দিন কোরবানির পশু শিং, ক্ষুর, লোম প্রভৃতি নিয়ে উপস্থিত হবে। এবং তার রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহর নির্ধারিত মর্যাদার স্থানে পতিত হয়। অতএব, তোমরা প্রফুল্ল চিত্তে কোরবানি কর।’ ইবনে মাজাহ।
ঈদুল আজহার নামাজের উদ্দেশ্যে গোসল করা, যথাসাধ্য পরিষ্কার ও সুন্দর পোশাক পরিধান করা, সুগন্ধি ব্যবহার করে ঈদগহে উচ্চৈঃস্বরে তাকবির পাঠ করতে করতে এক রাস্তা দিয়ে যাওয়া, অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা সুন্নত। ঈদুল আজহার দিন না খেয়ে খালি পেটে ঈদের নামাজ আদায় করতে যাওয়া সুন্নত। সম্ভব হলে ঈদের নামাজের পর দ্রুত কোরবানি সম্পন্ন করে কোরবানির গোশত দিয়েই ঈদের দিনের আহার শুরু করা মুস্তাহাব। কোরবানির গোস্ত তিন ভাগ করে এক ভাগ আত্মীয়স্বজন ও এক ভাগ গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বণ্টন করা মুস্তাহাব।
লেখক : ইসলাম বিষয়ক গবেষক।
25/05/2026
সাবাইকে অগ্রীম ঈদ শুভেচ্ছা...
20/04/2026
এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের করণীয়:
============================
(১) পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী তোমাদের সকল বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে।
(২) তোমাদেরকে প্রথম পরীক্ষায় সকাল ৯.০০ টায় পরবর্তী পরীক্ষা থেকে ৯.৩০ টায় অবশ্যই পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।
(৩) এসএসসি পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড এর কয়েকটি ফটোকপি করে বাসায় সংরক্ষণ করবে। কোন কারণবশতঃ মূলকপি হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে গেলে ফটোকপি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত করে পরীক্ষা চালিয়ে নেওয়া যাবে।
(৪) পড়ার টেবিলের সামনে এসএসসি পরীক্ষার রুটিনের এককপি টানিয়ে রাখবে। শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইড থেকে পরীক্ষার রুটিন সংগ্রহ করবে। কোন ক্রমেই সোস্যাল মিডিয়া থেকে পরীক্ষার রুটিন সংগ্রহ করা যাবে না।
(৫) পরীক্ষার একটি বিষয় শেষ হওয়ার পর ঐদিনই পরবর্তী পরীক্ষার বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হয়েই প্রস্তুতি শুরু করবে।
(৬) শরীর সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত এবং সময়মতো স্বাস্থসম্মত খাবার খেতে হবে। বাহিরের খাবার পরিহার করতে হবে।
(৭) পরীক্ষার পূর্ব রাতে কখনই রাত জাগবে না। যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়বে।
(৮) পরীক্ষার আগের রাতেই প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, স্কেল, কলম, পেন্সিল, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফাইল করে রাখবে।
(৯) হালকা ব্যবহারকৃত কিছু কালো কালির বলপয়েন্ট কলম রাখবে, তাতে হাতের লেখার গতি পাবে।
(১০) নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরিধান করে পরীক্ষার কেন্দ্রে যাবে।
(১১) পরীক্ষার হলের প্রত্যবেক্ষক/পর্যবেক্ষক ও সহপাঠীদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করবে ও সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।
(১২) প্রথম পরীক্ষার দিন পরীক্ষার খাতা হাতে পাওয়ার পর প্রথমেই খাতার শেষ পৃষ্ঠার নিয়মাবলি মনোযোগ দিয়ে পড়বে এবং সেগুলো সব বিষয়ের পরীক্ষায় অনুসরণ করবে।
(১৩) পরীক্ষার খাতার OMR অংশ ও নৈর্ব্যত্তিক উত্তরপত্রে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর অবশ্যই ইংরেজিতে লিখবে এবং খুবই সতর্কতার সাথে বৃত্ত ভরাট করবে। এক্ষেত্রে কালো কালির বল পয়েন্ট কলম ব্যবহার করবে। কোন অবস্থাতেই নীল কালি, পেন্সিল বা কালো কালির জেল পেন দিয়ে বৃত্ত ভরাট করবে না।
(১৪) সতর্কতার সাথে বৃত্ত ভরাট করতে গিয়ে যদি ভুল হয়ে যায় তবে টেনশন না করে পরীক্ষার হলের দায়িত্বরত কক্ষ প্রত্যবেক্ষকে অবশ্যই জানাবে। কক্ষ প্রত্যবেক্ষক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আর ভুল হওয়ার পরেও সঠিক নম্বরটি অবশ্যই বৃত্ত ভরাট করে দিবে।
(১৫) OMR শিটে যে অংশটুকু শিক্ষার্থীদের জন্য সেখানেই শুধু লিখতে হবে, বাকি অংশে কোন চিহ্ন বা কোন কিছু লেখা বা বৃত্ত ভরাট করা যাবে না।
(১৬) নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন পাওয়ার পর প্রথমেই উত্তরপত্রে (OMR) সেট কোড লিখে তা সঠিকভাবে বৃত্ত ভরাট করবে। সেট কোডের ভুল সংশোধন করা যায় না।
(১৭) OMR শিট কোনভাবেই ভাঁজ করা যাবেনা, তাহলে মেশিনে সেটা কাজ (Read) করবে না।
(১৮) পরীক্ষার পূর্বে ও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এমন সব কার্য থেকে দূরে থাকবে যাতে অসুস্থ হয়ে যাওয়া, হাত, হাতের আঙ্গুল, চোখে আঘাত বা অন্য যে কোন দূর্ঘটনা সম্মুখীন হতে হয়।
(১৯) পরীক্ষার চলাকালীন তোমার সিটের আশেপাশে অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র পড়ে থাকলে তা প্রত্যবেক্ষকের দৃষ্টিতে আনবে।
(২০) পরীক্ষার কেন্দ্রে যাতায়াতের সময় সতর্কতার সহিত এবং সময়মত আসা যাওয়া করবে।
(২১) অধিক নম্বর প্রাপ্তির জন্য প্রশ্ন নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে প্রশ্নগুলোর উত্তর তুমি নির্ভুলভাবে দিতে পারবে প্রথমেই সেই প্রশ্নগুলো নির্বাচন করবে। এরপর যে প্রশ্নের উত্তরটি সবচেয়ে ভালো জানো সেটি দিয়ে পরীক্ষার খাতায় লেখা শুরু করবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রশ্নের উত্তর লিখবে।
(২২) পরীক্ষার খাতায় একটি উত্তর লেখা শেষ হওয়ার পর যথেষ্ট গ্যাপ দিয়ে আরেকটি উত্তর লেখা শুরু করবে। শেষ পৃষ্ঠায় খসড়া করবে এবং ক্রস দিয়ে শেষ পৃষ্ঠাটি আগেই কেটে রাখবে।
(২৩) পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য প্রশ্নে যা চাইবে তাই যথাযথভাবে লিখতে হবে।
(২৪) হাতের সুন্দর লেখা পরীক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তাই প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট ও সুন্দর হস্তাক্ষরে লেখার চেষ্টা করবে।
(২৫) অশুদ্ধ বানান খাতার প্রতি পরীক্ষকের অসন্তুষ্টি ও বিরক্তিবোধ সৃষ্টি করে। তাই শুদ্ধ বানান রীতির প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
(২৬) সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় বাক্য গঠন করবে। জটিল ও যৌগিক বাক্য যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে।
(২৭) অতিরিক্ত খাতার (Extra Page) প্রয়োজন হলে কমপক্ষে ৫ মিনিট পূর্বে খাতা চাইবে, যাতে সময় নষ্ট না হয়।
(২৮) প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় অবশ্যই তোমরা প্রশ্নের মানবণ্টন ও সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখবে।
(২৯) পরীক্ষাকে ভয় না করে নিজের অর্জিত জ্ঞান আনন্দের সাথে বহিঃপ্রকাশের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করবে।
(৩০) সর্বোপরি পরীক্ষার হলে তোমরা আত্নবিশ্বাস রাখবে।
পরিশেষে তোমাদের সকলের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো।
20/04/2026
আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভীতি দূর করতে এবং একটি সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সম্মানিত সহকর্মীদের প্রতি নিম্নলিখিত অনুরোধগুলো রাখা হলো:
১. উষ্ণ অভ্যর্থনা: শিক্ষার্থীদের সাথে হাসিমুখে ও স্নেহপূর্ণ আচরণ করুন। পরীক্ষার হলে ঢুকেই তারা যেন কোনো মানসিক চাপ অনুভব না করে, বরং প্রশান্তি পায়।
২. সহমর্মিতা: প্রথম দিন আসন খোঁজা নিয়ে কিছুটা বিশৃঙ্খলা হতে পারে। ধমক না দিয়ে সহানুভূতির সাথে তাদের সহযোগিতা করুন।
৩. গেইটে সতর্কতা, হলে ধৈর্য: প্রয়োজনে গেইটে তল্লাশি জোরদার করুন, কিন্তু হলের ভেতরে কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের ধমকাবেন না। আপনার একটি কটু কথা তাদের পুরো পরীক্ষার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৪. ইতিবাচক সূচনা: পরীক্ষা শুরুর আগে ভয় না দেখিয়ে বরং এটি যে একটি আনন্দের বিষয়, তেমন দু-একটি আশ্বস্তকারী কথা বলে তাদের মনোবল বৃদ্ধি করুন।
৫. কঠোর বনাম আন্তরিক: নকল বন্ধে কঠোর হোন, কিন্তু মানবিক সেবায় হোন আন্তরিক। কলম বা পানির প্রয়োজন হলে বা বেঞ্চের সমস্যা থাকলে দ্রুত সহায়তা করুন।
৬. প্রশাসনিক নমনীয়তা: কেউ ভুলে প্রবেশপত্র (Admit Card) না আনলে দুর্ব্যবহার না করে দাপ্তরিক নথির মাধ্যমে যাচাই করে তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিন।
৭. মনোযোগে বিঘ্ন ঘটাবেন না: কোনো পরীক্ষার্থীর ঘাড়ের কাছে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন না বা সহকর্মীদের সাথে ব্যক্তিগত গল্প করবেন না। এতে শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা নষ্ট হয়।
৮. পেশাদার আচরণ: শিক্ষার্থীদের সাথে সর্বদাই 'আপনি'/তুমি সম্বোধন করুন। কোনো নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রতি পূর্ব কোনো বিরূপ ধারণা থেকে খারাপ আচরণ করবেন না।
৯. অসুস্থতায় পাশে থাকা: কোনো শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে তাকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করুন।
আমরা শিক্ষক। আমাদের মহানুভবতা ও মানবিক বোধ যেন প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। আসুন, শিক্ষার্থীদের কাছে আমরা ভীতিকর না হয়ে সহায়ক ও ভরসার স্থল হয়ে উঠি।
Copy Post
Admin
এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ:
এসএসসি পরীক্ষার আগের দিনটি প্রস্তুতির চেয়েও বেশি মানসিক স্থিরতার দিন। এই সময়ে নতুন কিছু পড়ার চেয়ে নিজেকে শান্ত রাখা এবং প্রয়োজনীয় গুছিয়ে রাখা সবচেয়ে জরুরি।
নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. রিভিশন ও পড়াশোনা
নতুন কিছু না পড়া: একদম নতুন কোনো টপিক বা কঠিন অধ্যায় আজ না ধরাই ভালো। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে।
সংক্ষিপ্ত রিভিশন: শুধু নোটবুক, সূত্র, মানচিত্র বা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো এক নজর দেখে নাও।
সময়মতো পড়া শেষ করা: রাত ১০টার মধ্যে পড়াশোনা শেষ করে বই বন্ধ করে দাও। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো মস্তিষ্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
২. প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখা
পরীক্ষার দিন সকালে যেন কোনো কিছুর জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে না হয়, তাই আগের রাতেই নিচের জিনিসগুলো একটি ফাইলে গুছিয়ে রাখো:
প্রবেশপত্র (Admit Card) ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড।
অন্তত ২-৩টি কালো বলপয়েন্ট কলম।
পেন্সিল, ইরেজার, শার্পনার, স্কেল ও জ্যামিতি বক্স।
ক্যালকুলেটর (ব্যাটারি চেক করে নিও)।
একটি স্বচ্ছ পানির বোতল।
৩. স্বাস্থ্য ও ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম: মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি সচল রাখতে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম খুব জরুরি। রাত জেগে পড়া পরীক্ষার হলে ক্লান্তির কারণ হতে পারে।
হালকা খাবার: অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত বা বাইরের খাবার এড়িয়ে চলো। পেট খারাপ বা অসুস্থতা এড়াতে ঘরে তৈরি হালকা খাবার খাও।
পর্যাপ্ত পানি: শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করো।
৪. মানসিক প্রস্তুতি
ইতিবাচক চিন্তা: "আমি যা পড়েছি তা থেকেই আসবে" — এই আত্মবিশ্বাস রাখো। দুশ্চিন্তা তোমার জানা উত্তরগুলোও ভুলিয়ে দিতে পারে।
কেন্দ্রের অবস্থান নিশ্চিত করা: তোমার পরীক্ষা কেন্দ্র কোথায় এবং সেখানে পৌঁছাতে কত সময় লাগতে পারে, তা আগে থেকেই জেনে নাও। যানজটের কথা মাথায় রেখে হাতে অন্তত ১ ঘণ্টা সময় নিয়ে বের হওয়ার পরিকল্পনা করো।
৫. পরীক্ষার দিন সকালের টিপস
√ তাড়াহুড়ো না করে হাতে সময় নিয়ে ঘুম থেকে উঠবে।
√ হালকা কিছু নাস্তা করো, খালি পেটে পরীক্ষা দিতে যাবে না।
√ বের হওয়ার আগে সব কাগজপত্র আরও একবার চেক করে নিও।
মনে রাখবে: পরীক্ষা কেবল তোমার খাতার লড়াই নয়, এটি তোমার ধৈর্যেরও পরীক্ষা। মাথা ঠান্ডা রাখলে তুমি তোমার সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে আসতে পারবে।
Copy Post
Admin
20/04/2026
এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ:
এসএসসি পরীক্ষার আগের দিনটি প্রস্তুতির চেয়েও বেশি মানসিক স্থিরতার দিন। এই সময়ে নতুন কিছু পড়ার চেয়ে নিজেকে শান্ত রাখা এবং প্রয়োজনীয় গুছিয়ে রাখা সবচেয়ে জরুরি।
নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. রিভিশন ও পড়াশোনা
নতুন কিছু না পড়া: একদম নতুন কোনো টপিক বা কঠিন অধ্যায় আজ না ধরাই ভালো। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে।
সংক্ষিপ্ত রিভিশন: শুধু নোটবুক, সূত্র, মানচিত্র বা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো এক নজর দেখে নাও।
সময়মতো পড়া শেষ করা: রাত ১০টার মধ্যে পড়াশোনা শেষ করে বই বন্ধ করে দাও। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো মস্তিষ্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
২. প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখা
পরীক্ষার দিন সকালে যেন কোনো কিছুর জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে না হয়, তাই আগের রাতেই নিচের জিনিসগুলো একটি ফাইলে গুছিয়ে রাখো:
প্রবেশপত্র (Admit Card) ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড।
অন্তত ২-৩টি কালো বলপয়েন্ট কলম।
পেন্সিল, ইরেজার, শার্পনার, স্কেল ও জ্যামিতি বক্স।
ক্যালকুলেটর (ব্যাটারি চেক করে নিও)।
একটি স্বচ্ছ পানির বোতল।
৩. স্বাস্থ্য ও ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম: মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি সচল রাখতে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম খুব জরুরি। রাত জেগে পড়া পরীক্ষার হলে ক্লান্তির কারণ হতে পারে।
হালকা খাবার: অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত বা বাইরের খাবার এড়িয়ে চলো। পেট খারাপ বা অসুস্থতা এড়াতে ঘরে তৈরি হালকা খাবার খাও।
পর্যাপ্ত পানি: শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করো।
৪. মানসিক প্রস্তুতি
ইতিবাচক চিন্তা: "আমি যা পড়েছি তা থেকেই আসবে" — এই আত্মবিশ্বাস রাখো। দুশ্চিন্তা তোমার জানা উত্তরগুলোও ভুলিয়ে দিতে পারে।
কেন্দ্রের অবস্থান নিশ্চিত করা: তোমার পরীক্ষা কেন্দ্র কোথায় এবং সেখানে পৌঁছাতে কত সময় লাগতে পারে, তা আগে থেকেই জেনে নাও। যানজটের কথা মাথায় রেখে হাতে অন্তত ১ ঘণ্টা সময় নিয়ে বের হওয়ার পরিকল্পনা করো।
৫. পরীক্ষার দিন সকালের টিপস
√ তাড়াহুড়ো না করে হাতে সময় নিয়ে ঘুম থেকে উঠবে।
√ হালকা কিছু নাস্তা করো, খালি পেটে পরীক্ষা দিতে যাবে না।
√ বের হওয়ার আগে সব কাগজপত্র আরও একবার চেক করে নিও।
মনে রাখবে: পরীক্ষা কেবল তোমার খাতার লড়াই নয়, এটি তোমার ধৈর্যেরও পরীক্ষা। মাথা ঠান্ডা রাখলে তুমি তোমার সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে আসতে পারবে।
copy post
Admin
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
High School Noadia
Narsingdi
1600