বাংলাদেশ আহলেহাদীস যুবসংঘ নরসিংদী

বাংলাদেশ আহলেহাদীস যুবসংঘ নরসিংদী

Share

Islamic page

28/04/2018

#প্রশ্নঃ- শবে বরাত কি?

#উত্তরঃ- 'শব' একটি ফার্সি শব্দ, যার অর্থ রাত বা রজনী৷ আর 'বারাআত'-কে যদি আরবী শব্দ ধরা হয়, তাহলে এর অর্থ হচ্ছে সম্পর্কচ্ছেদ, পরোক্ষ অর্থে মুক্তি৷ যেমন, পবিত্র কুরআন মাজীদে সুরা বারাআত নামক সুরা রয়েছে যা তাওবা নামেও পরিচিত৷ যেমন, এরশাদ হয়েছে, بَرَاءَةٌ مِّنْ اللّٰهِ وَرَسُسْ لِهِ 'আল্লাহ ও তার রাসুলের পক্ষ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা'৷ (সুরা আত্-তাওবা ৯/১)৷ এখানে 'বারাআত' শব্দের অর্থ হল- সম্পর্ক ছিন্ন করা৷ 'বারাআত' শব্দটি মুক্তি অর্থেও পবিত্র কুরআন মাজীদে এসেছে৷ যেমন,
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌمِّنْ أُلٰئِكَمْ أَمْ لَكُمْ بَرَاءَةٌ فِى الزُّبُرِ
'তোমাদের মধ্যেকার কাফিররা কি তাদের চেয়ে শ্রেষ্ট? নাকি তোমাদের মুক্তির সনদ/দলীল রয়েছে কিতাবসমূহে?' (সুরা কামার ৫৪/৪৩)৷

আর 'বারাআত' শব্দকে যদি ফার্সি শব্দ ধরা হয়, তাহলে এর অর্থ হবে সৌভাগ্য৷ অতএব শবে+বরাত শব্দের অর্থ দাঁড়ায় সৌভাগ্যের রাত৷ শবে+বরাত শব্দটাকে যদি আরবিতে তরজুমা করতে চান, তাহলে বলতে হবে 'লাইলাতুল বারাআত'৷ অর্থাৎ সম্পর্ক ছিন্ন করার রাত বা রজনী৷ এখানে বলে রাখা ভাল যে, এমন অনেক শব্দ আছে যার রুপ বা উচ্চারণ আরবি ও ফার্সি ভাষায় একই রকম, কিন্তু অর্থ ভিন্ন৷ যেমন, 'গোলাম' শব্দটি আরবি ও ফার্সি উভয় ভাষায় একই রকম লেখা হয় এবং একইভাবে উচ্চারণ করা হয়৷ কিন্তু আরবিতে 'গোলাম' শব্দের অর্থ হল- কিশোর৷ আর ফার্সিতে 'গোলাম' শব্দের অর্থ হল- দাস৷ সারকথা হল, 'বারাআত' শব্দটিকে আরবি শব্দ ধরা হলে এর অর্থ সম্পর্কচ্ছেদ বা মুক্তি৷ আর ফার্সি শব্দ ধরা হলে এর অর্থ সৌভাগ্য৷

#শবে বরাত-কে না বলতে হবে কেন?

'শবে বরাত' সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও হাদীছের যে সমস্ত ব্যাখ্যা বা বর্ণনা পেশ করা হয়ে থাকে, সেগুলো বিদ'আতী পন্থীদের ব্যক্তিগত মনগড়া ব্যাখ্যা বা বর্ণনা মাত্র৷ মূলত 'লাইলাতুল বারাআত' কিংবা 'শবে বরাত' নামের কোন রাতের নাম কুরআন ও হাদীছের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়না৷ যে সকল হাদীছে এই রাতের কথা বলা হয়েছে তার ভাষা হল- 'লাইলাতুননিস্ফ মিং শাবান' لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ অর্থাৎ মধ্য শাবানের রাত্রি৷ 'লাইলাতুল বারাআত' কিংবা 'শবে বরাত' শব্দ পবিত্র কুরআনেও নেই হাদীছেও নেই৷ এটা মানুষের বানানো একটা শব্দ৷ ভাবতে অবাক লাগে যে, একটি প্রথা ইসলামের নামে শত শত বছর ধরে পালন করা হচ্ছে অথচ এর আলোচনা পবিত্র কুরআনেও নেই হাদীছেও নেই ৷ অথচ আমরা দেখতে পায় যে, সামান্য নফল ইবাদতের ব্যাপারেও হাদীছের কিতাবে এক একটি অধ্যায় বা শিরোনাম রচনা করা হয়েছে৷

#শবে বরাত সর্বপ্রথম কোথায় কীভাবে আবিস্কার হয়?

শায়খ বিন বায রাহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেন, এই রাতে (অর্থাৎ মধ্য শাবান বা ১৫ই শাবানের রাতে) মসজিদে গিয়ে একাকী কিংবা জাম'আতবদ্ধভাবে ছালাত (নামায) আদায় করা, যিকির্-আযকারে লিপ্ত হওয়া সম্পর্কে জানা যায় যে, শামের কিছু বিদ্বান এটা প্রথম শুরু করেন৷ তাঁরা এই রাতে সুন্দর পোষাক পরে আতর-সুরমা লাগিয়ে মসজিদে গিয়ে রাত্রি জাগরণ করতে থাকেন৷ পরে বিষয়টি লোকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷ মক্কা-মদীনার আলেমগণ এর তীব্র বিরোধিতা করেন৷ কিন্তু শামের বিদ্বানদের দেখাদেখি কিছু লোক এগুলো করতে শুরু করে৷ এইভাবে এটি জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷[1]

বুঝা গেল শবে বরাত উপলক্ষে বিশেষ কোন ছালাত-ছিয়াম, যিকির-আযকার, দোআ-দরূদ বা যেকোন ধরণের ইবাদত-বন্দেগী সম্পূর্ণরুপে বিদ'আত বা নব্যসৃষ্ট৷ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বা ছাহাবায়ে কেরামের সুন্নাতের কোন সম্পর্ক নেই৷ আর যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ করেনা তার সম্পর্কে কী নির্দেশ এসেছে দেখুন! হযরত আবু হুরায়রাহ রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হ'তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার সকল উম্মাতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কেবল ঐ ব্যক্তি ছাড়া যে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করে। ছাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, জান্নাতে যেতে কে অস্বীকার করে হে আল্লাহর রাসূল? জবাবে রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যে আমার (সুন্নাতের) অনুসরণ করল সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার (সুন্নাতের) অবাধ্যতা করল সে অস্বীকার করল।[2]

কোন একটি নির্দিষ্ট রাত্রি বা দিবসকে শুভ ও অশুভ গণ্য করা ইসলামী নীতির বিরোধী৷ রাত্রি ও দিবসের সৃষ্টা হচ্ছেন আল্লাহ৷ তাই কোন একটি রাত বা দিনকে অধিক মঙ্গলময় হিসাবে গণ্য করতে গেলে সেখানে আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যয়ই যরূরী৷ 'অহী' ব্যতিত মানুষ এ ব্যাপারে নিজে থেকে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেনা৷ যেমন, পবিত্র কুরআন ও হাদীছের মাধ্যমে আমরা 'লাইলাতুল ক্বদর' ও মাহে রামাযানের বিশেষ মর্যাদা এবং ঐ সময়ের ইবাদত-বন্দেগীর বিশেষ ফযীলত সম্পর্কে জানতে পেরেছি৷ এক্ষণে যদি শবেবরাত, শবেমে'রাজ, জুম'আতুল বিদা ইত্যাদির বিশেষ কোন ফযীলত এবং বিশেষ ইবাদত সম্পর্কে কিছু থাকত, তাহলে তা রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যয়ই তাঁর ছাহাবীদেরকে জানিয়ে যেতেন৷ তিনি নিজে করতেন এবং তাঁর ছাহাবীগণও তার উপরে আমল করতেন৷ শুধু নিজেরা আমল করতেন না, বরং মুসলিম উম্মাহর নিকটে তা প্রচার করে যেতেন এবং তা কখনোই গোপন রাখতেন না৷ কারণ তাঁরাই হচ্ছেন ইসলামের প্রথম কাতারের বাস্তব রূপকার৷ তাঁরাই দ্বীনকে এই দুনিয়ায় সর্বাধিক ত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন৷ আল্লাহ্ তাঁদের উপর রহম করুন--আমীন! কিন্তু তাঁদের মধ্যে এবং পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে এ সবের কিছুই পাওয়া যায়না৷ বরং এ কথাই পাওয়া যায় যে, জুম'আর দিন ও রাত হল সবচেয়ে সম্মানিত৷ অথচ জুম'আর রাতকে ইবদত-বন্দেগীর জন্য এবং দিনকে ছিয়ামের (রোযার) জন্য খাছ করা নিষিদ্ধ৷[3] অতএব ছহীহ দলীল ব্যতিত কোন একটি রাত বা দিনকে ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট করা কিভাবে জায়েয হতে পারে? বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্ন ও সু-চিন্তাশিল ব্যক্তিগণ ভেবে দেখবেন আশা করি৷

উল্লেখ্য যে, বাজারে পুর্ণাঙ্গো নামায শিক্ষা সহ অন্যান্য বাংলা বই সমূহতে শবে বরাত সম্পর্কে বহুত ফায়দা বা ফযীলতের ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে৷ তার মধ্যে অন্যতম ও বহুল প্রচারিত বাংলা বই 'মোকছুদুল মো'মিনীন' (১৯৮৫) ২৩৫-২৪২ পৃষ্টা এবং 'মোকছুদুল মোমিন' (১৯৮৫) ৪০২-৪০৮ পৃষ্টায় শবে বরাতের ফযীলত বলতে গিয়ে হাদীছের নামে যে ১৬টি বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে তার সবই বানোয়াট ও ভিক্তিহীন৷

সারকথা হল- শবে বরাত কোন ইসলামী পর্ব নয়৷ ঐ নিয়তে ছালাত-ছিয়াম (নামায-রোযা), দান-ছাদাক্বা কিছুই আল্লাহর দরবারে কবূল হবেনা৷ বরং আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের বিরোধী হওয়ার কারণে এবং ঐ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানাদিতে অর্থ ও সময়ের অপচয়ের কারণে আখেরাতে গ্রেফতার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে৷ সুতরাং আমাদেরকে সকল প্রকারের বিদ'আত এবং বিদ'আতী সব ইবাদত-বন্দেগী হ'তে বেঁচে থাকতে হবে৷ নিম্নের হাদীছটি লক্ষ্য করুন!

হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাদের এই দ্বীনে যে ব্যক্তি বিদ'আত উদ্ভাবণ করবে কিংবা কোন বিদ‘আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা‘আলা, ফেরেশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার কোন ফরজ কিংবা নফল ‘ইবাদাত কবূল হবে না।[4] ছহীহ মুসলিমে এসেছে, যে ব্যক্তি এমন আমল করবে যে আমলের ব্যপারে আমাদের নির্দেশনা নেই, তা প্রত্যাখ্যাত/বাতীল' ‏ مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ‏‏৷[5] নাসাইয়ে এসেছে, দ্বীনের মধ্যে সকল প্রকার নব উদ্ভাবিত বিষয় সমূহ বিদ'আত এবং প্রত্যেক বিদ'আতই গোরাহী/ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক গোমরাহীর/ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম' وَكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ، وَكُلُّ ضَلَالَةٍ فِي النَّارِ ৷[6]

#কেউ যদি বিদ'আত ও বিদ'আতী আমল করে জাহান্নামে যেতে চাই তাতে আপনার আমার সমস্য কি? নিম্নের হাদীছটি লক্ষ্য করুন!

হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যয়ই তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে এবং অন্যায় কাজের প্রতিরোধ করবে। তা না হলে আল্লাহ তা'আলা শীঘ্রই তোমাদের উপর আযাব অবতীর্ণ করবেন। তোমরা তখন তার নিকট দুআ করলেও তিনি তোমাদের সেই দু'আ কবূল করবেন না।[7] আর যখন আল্লাহ্ তা'আলা কোন জাতির উপর আযাব অবতীর্ণ করেন তখন সেখানে বসবাসরত সকলের উপরই সেই আযাব পতিত হয়। অবশ্য পরে (হাশরের মাঠে) প্রত্যেককে তার আমল অনুযায়ী উঠানো হবে।[8] সুতরাং তোমাদের মধ্যে কোন লোক কোন অন্যায় সংঘটিত হতে দেখলে, সে যেন তার হাত দ্বারা (ক্ষমতা প্রয়োগে) তা প্রতিহত করে। যদি এই যোগ্যতা তার না থাকে তাহলে সে যেন তার মুখ দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি এই যোগ্যতাও তার না থাকে তাহলে সে যেন তার অন্তর দ্বারা তা প্রতিহত করে (অন্যায়কে ঘৃণা করে)। আর এটা হলো ঈমানের নিম্নতম স্তর।[9] আর যে ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে নিজ হাত (শক্তি প্রয়োগ) দ্বারা জিহাদ করবে, সে মু'মিন। যে ব্যাক্তি জিহ্বা (মুখ) দ্বারা জিহাদ করবে সে মু'মিন এবং যে ব্যাক্তি অন্তর দ্বারা জিহাদ করবে (অন্যায়কে ঘৃণা করবে) সেও মু'মিন৷ এরপর আর সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান নেই।[10]

আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে নিজ নিজ আমল সমূহকে পরিশুদ্ধ করে নেয়ার তাওফিক দান করূন এবং রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের যথাযথভাবে অনুসরণের তাওফিক দান করুন--আমীন!

[1]. সৌদী আরবের গ্রান্ড মুফতী শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (১৩৩০-১৪২০/১৯১২-১৯৯৯) 'আত-তাহযীরু মিনাল বিদা' (মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : ১৩৯৬ হিজরী) ১২-১৩ পৃষ্টা, অনুবাদ (হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৪৩২/২০১১) ২২ পৃষ্টা৷

[2]. ছহীহ বুখারী হা/৭২৮০, মিশকাত হা/১৪৩, 'কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা' অধ্যায়; 'রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ' অনুচ্ছেদ;৷

[3]. ছহীহ মুসলিম হা/২৫৭৪, 'ছওম' অধ্যায়, মিশকাতুল মাছাবিহ্ হা/২০৫২, 'ছওম' অধ্যায়; 'নফল ছিয়াম প্রসঙ্গে' অনুচ্ছেদ৷

[4]. ছহীহ বুখারী হা/৩১৭৯, 'জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন' অধ্যায়, 'যারা অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করে তাদের গুনাহ' অনুচ্ছেদ।

[5]. ছহীহ মুসলিম হা/৪৩৮৫, 'বিচার সংক্রান্ত' অধ্যায়; 'বাতিল সিদ্ধান্ত খণ্ডন এবং বিদ'আতী কার্যকলাপ প্রত্যাখ্যান' অনুচ্ছেদ৷

[6]. সুনানুল আন্-নাসাই হা/১৫৭৮, ১৫৮১, 'উভয় ঈদের ছালাত' অধ্যায়, 'খুৎবা কীরূপ?' অনুচ্ছেদ; ইরওয়া আল-গালীল, আলবানী, হা/৬০৮৷

[7]. সুনানুল আত্-তিরমীযি হা/২১৬৯, 'ফিতনা' অধ্যায়, 'সৎকাজের আদেশ এবং অন্যায়ের প্রতিরোধ' অনুচ্ছেদ৷

[8]. ছহীহ বুখারী হা/৭১০৮, 'ফিতনা' অধ্যায়, 'যখন আল্লাহ্ কোনো জাতির উপর আযাব অবতীর্ণ করেন' অনুচ্ছেদ।

[9]. ছহীহ মুসলিম হা/৮৩, 'ঈমান' অধ্যায়,
'মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা ঈমানের অঙ্গ, ঈমান হ্রাস-বৃদ্ধি হয়, সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ওয়াজিব' অনুচ্ছেদ৷

[10]. ছহীহ মুসলিম হা/৮১, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ ঐ, সুনানুল আত্-তিরমীযী হা/২১৭২, 'ফিতনা' অধ্যায়, 'হাতের শক্তি অথবা ভাষা অথবা অন্তর দ্বারা হলেও অন্যায় প্রতিহত করতে হবে' অনুচ্ছেদ৷

Photos 29/05/2017

পবিত্র রমযান উপলক্ষ্যে শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ পরিচালিত আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ-এর জন্য আবেদন:

'শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ' বাংলাদেশের মাটিতে কুরআন ও ছহীহ হাদীছের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে গত ২৪ আগস্ট ২০১৩ সালে রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে এবং গত ২০১৬ সালের ফেব্রয়ারী মাসে রাজশাহীতে 'আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়্যাহ' নামে দু‘টি যুগোপযোগী মানসম্মত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন । ফালিল্লাহিল হামদ ।

প্রতিষ্ঠান দু‘টির আপডেট:
#আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ, রুপগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ-এ ছাত্রদের বিল্ডিং ৫ তলা সম্পন্ন হয়ে গেছে আল হামদুলিল্লাহ। এখন একটি ছাত্রীদের আবাসিক বিল্ডিং-এর জন্য জায়গা ক্রয় ও বিল্ডিং নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে। ছাত্রীরা ভাড়া বিল্ডিং-এ অবস্থান করছে।অন্যদিকে ছাত্র সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নতুন মসজিদের অতি প্রয়োজন ।

#আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গীপাড়া, রাজশাহীতে ছাত্রদের আবাসিক ভবন দু‘তলা সম্পন্ন হয়ে গেছে আল-হামদুলিল্লাহ। প্রায় ৬০০ ছাত্রের জন্য যা অতি সংকীর্ণ। আরো তিন তলা তৈরী করতে হবে। ছাত্রদের জন্য কোন মসজিদ নাই। অস্থায়ী ভাবে মাঠে চাটাই দিয়ে ঘিরে ছাত্ররা ছালাত আদায় করছে। ক্লাস রুমের সংকট। মহিলা শাখার জন্য ১০ রুম বিশিষ্ট আবাসিক ভবন এক তলা সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ছাত্রীদের জন্যও মসজিদ নাই। অস্থায়ী ভাবে বেড়া দিয়ে ঘিরে তারা ছালাত আদায় করছে। তাদের ক্লাস রুমও বেড়া দিয়ে ঘেরা।

ছবি সহ বিস্তারিত দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন:
http://jamiahsalafiyah.com/school-introduction/

*কাজগুলো করতে কত খরচ পড়বেঃ আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জের মসজিদ ও মহিলাদের আবাসিক জমি ক্রয় ও ভবন বাবদ প্রায় ৫/৬ কোটি টাকা খরচ পড়বে। অন্যদিকে আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ, রাজশাহীতে ছাত্রদের আবাসিক ভবন ৫ তলা, মসজিদ ও ক্লাস রুম, ছাত্রীদের আবাসিক ভবন , ক্লাস রুম ও মসজিদ করতে প্রায় ৭/৮ কোটি খরচ হবে।

*উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বেতনঃ
সম্মানিত সূধী! রাজশাহী ও ঢাকার উভয় প্রতিষ্ঠানে শুধু শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন বাবদ মাসিক ৭ লক্ষ ৩০ হাযার টাকা খরচ হয়।
উ ৎসঃ আমরা কাজ করি আল্লাহর উপর ভরসা করে। মহান আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে তার ব্যবস্থা করেন। উপরে উল্লেখিত যাবতীয় খরচের একমাত্র মাধ্যম আপনাদের দান। আল্লাহর রহমত ও বরকতে প্রতিষ্ঠান আপনাদের সহযোগিতায় সুন্দরভাবে চলছে। রমযানের এই পবিত্র মাসে আপনাদের যাকাত, ফিতরা ও সাধারণ দানের সবচেয়ে বেশী হক্বদার আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ।

প্রতিষ্ঠানে দান করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী
বিকাশ নাম্বার : ০১৭১৭-০৮৮৯৬৭, ০১৭৭৩৯২৫২৩৫, ০১৭৮৪২১৩১৭৮,০১৮৩৫৯৮৪৬৪৮
ডাচ বাংলা (রকেট)০১৭৮৪২১৩১৭৮-৫, ০১৮৩৫৯৮৪৬৪৮-৭
ব্যাংক একাউন্ট:
আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, রাজশাহী : Abdur razzak.a/c ০০৭১১২০০০৪০২৭
। সার্বিক যোগাযোগ :মোবাইল ০১৭১৭০৮৮৯৬৭।

Photos 27/05/2017
Photos 25/05/2017

ইনশাল্লাহ, আগামী ২৬শে মে ২০১৭ ইং তারিখে আল-আমিন জামে মসজিদে জুম্মআর খুৎবা দিবেন .আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ

Want your school to be the top-listed School/college in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Narsingdi