12/08/2026
সত্যের সৌন্দর্য ফলাফলে, আর মর্যাদার পরিচয় সত্য প্রকাশে!
নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস-এর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যক্তি বা বিশেষ মহল কর্তৃক বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করা হচ্ছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য কোনো ব্যক্তিবিশেষের দাবি বা প্রচারণার বিষয় নয়; এটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত পরিশ্রমের প্রতিফলন। তাই ফলাফল সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করার আগে বিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নৈতিক দায়িত্ব। এটি প্রতিটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকবৃন্দই অনুসরণ করেন।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—সত্যকে আড়াল করে, আংশিক তথ্য উপস্থাপন করে কিংবা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের অর্জনকে খাটো করা যায় না। সাময়িক প্রচারণা হয়তো বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, কিন্তু প্রকৃত সত্য শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয় তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই।
নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস-এর অর্জন নিয়ে কারও ভিন্নমত থাকতেই পারে। কিন্তু ভিন্নমত প্রকাশের ক্ষেত্রেও শালীনতা, দায়িত্বশীলতা ও তথ্যের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা জরুরি। আমরা কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে চাই না। বরং সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করছি—গুজব নয়, যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে কথা বলুন।
আমাদের বিশ্বাস, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার চেয়ে শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে সম্মান করা অনেক বেশি মহৎ।
প্রতিযোগিতা হোক মেধায়, প্রচেষ্টা হোক অর্জনে—অপপ্রচার নয়।
সত্যের পক্ষে আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট।
ফলাফলই কথা বলুক, তথ্যই সত্যের সাক্ষী হোক।
পরিশেষে, চমৎকার ফলাফল অর্জন এর জন্য আমরা নবম ও দশম শ্রেণিতে রেগুলার কাজের পাশাপাশি যে সকল ইউনিক কাজ করা হয়ে থাকে তার কিছু অংশ তুলে ধরছি -
১. ০১লা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস ও প্রতিটি অধ্যায় শেষ হলে মডেল টেস্ট নেওয়া হয়ে থাকে।
২. প্রতি শনিবার দিন রিকভারি ক্লাস হয়ে থাকে।
৩. প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন আদায় করা হয়ে থাকে। কোন শিক্ষার্থী ক্লাসে পড়া দিতে ব্যর্থ হলে আফটার স্কুল পড়া আদায় হলে ছুটি হয়।
৪. প্রতি ১২জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন নিবেদিত গাইড টিচার নিয়োজিত থাকেন। যিনি নিয়মিত সার্বিক খোঁজ-খবর নিয়ে সমাধান করে থাকেন।
৫. অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বাসায় নিয়মিত হোম ভিজিট করা হয়ে থাকে।
৬. প্রতি পার্বিক পরীক্ষার পর ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। যেখানে ফলাফল পর্যালোচনা ও পরবর্তী কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
৭. পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পরামর্শ অনুযায়ী সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকদের তত্ত্ববধানে স্কুলে বসিয়ে পড়া বুঝিয়ে দেওয়া এবং আদায় করা হয়।
৮. আমাদের বাৎসরিক ছুটি মাত্র ৩০ দিন।
৯. তারপরেও, যারা পরীক্ষায় অপেক্ষাকৃত কম নম্বর পায় তাদের হোস্টেল ফ্যাসিলিটি দেওয়া হয়।
১০. প্রতি মাসে সকল অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে ফলোআপ করা হয় ।
বাস্তবতা হলো, সবার মেধা একই রকম নয় কেউ হয়তো ভালো ছবি আঁকে , কেউ ভালো ফুটবল বা ক্রিকেট খেলে। আবার কেউ নতুন কিছু আবিষ্কারে বিভোর, অনেকে একাডেমিক পড়াশোনায় ভালো করে। তারপরেও, কিছু শিক্ষার্থী টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে অর্থাৎ ৩৩% এর কম পেলে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ফরম ফিল আপ করার সুযোগ নেই। এই বিষয়ে সকল সচেতন মানুষ নিশ্চয়ই স্পষ্ট ধারণা রাখেন।
এসএসসি-২০২৬ এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিষয়ে সঠিক তথ্য :
টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা মোট পরীক্ষার্থী: ৪৮৩ জন
টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য :১০১ জন
এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী: ৩৮২
এসএসসিতে GPA 5 প্রাপ্ত শিক্ষার্থী : ৩৮২ জন ।
ধন্যবাদ।