Saifur's Narsingdi Branch

Saifur's Narsingdi Branch This is the facebook page of S@ifur's Narsingdi Branch. Our main objective is to convey information.

02/09/2026

সব্বাই আমন্ত্রিত!

বাংলাদেশের প্রতিটা সেক্টরের বেশিরভাগ মানুষ টাকার জন্য আসলে এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পশুর অবস্থানও ত...
27/09/2025

বাংলাদেশের প্রতিটা সেক্টরের বেশিরভাগ মানুষ টাকার জন্য আসলে এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পশুর অবস্থানও তাদের চেয়ে একটু উপরে। এত নিকৃষ্ট একটা জাতির ন্যূনতম কোন উন্নতির সম্ভাবনা আছে বলে আমার আর বিশ্বাস হয় না।

তিনদিন আগে ইউটিউবে আসা ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের তালাশ টিমের "ব্লাড সিন্ডিকেট চক্র" নিয়ে করা পর্বটা দেখে আমি অসুস্থ হয়ে গেছি মানসিকভাবে।

ঢাকা মেডিকেল ও তার আশেপাশে যত ব্লাড ব্যাংক আছে তারা প্রায় সবাই এক ব্যাগ রক্তকে দুইটা প্যাকেটে ভাগ করে রক্তের পরিবর্তে স্যালাইন/লাল রঙ মিশ্রিত করে সেই প্যাকেট ভর্তি করে এবং সে রক্তগুলো আপনার আর আমার কাছে চড়া দামে বিক্রি করে।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনার সময় ছোট বাচ্চাগুলোকে বাঁচানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবীসহ হাজার হাজার মানুষ যে রক্ত দান করেছিলেন, সেই রক্ত দিয়ে বাচ্চাদের জীবন না বাঁচিয়ে অন্য জায়গায় বিক্রি করা হয়েছে।

যাদের কাজ রক্ত দিয়ে রোগীকে বাঁচানো, তারা যদি স্যালাইন আর লাল রঙ মেশানো রক্ত রোগীর শরীরে প্রবেশ করায়- সেক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা কী হবে?

আপনি, আমি হয়তো রক্তের সন্ধান মিলেছে বলে খুশি হয়ে যাবো এই ভেবে- এবার রোগীকে বাঁচানো যাবে। বাই চান্স বাঁচাতে না পারলে কান্নাকাটি করে বলবো- হায়াত ছিল না হয়তো।

অথচ হায়াত ছিল। রোগীকে ঠিকঠাক রক্ত দেয়া গেলে তিনি ঠিকই বাঁচতে পারতেন। কিন্তু যার শরীরে রক্তের পরিবর্তে স্যালাইন বা লাল রঙ ঢুকছে- সেই রোগী কীভাবে বাঁচবে?

বাংলাদেশের প্রতিটা সেক্টরের বেশিরভাগ মানুষ টাকার জন্য আসলে এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পশুর অবস্থানও তাদের চেয়ে একটু উপরে। এত নিকৃষ্ট একটা জাতির ন্যূনতম কোন উন্নতির সম্ভাবনা আছে বলে আমার আর বিশ্বাস হয় না।

আচ্ছা বলেন তো, খাচার ভেতরে বন্দি প্রাণীটার আশেপাশে এত ইটের- সুরকি এলো কোথা থেকে?কারন প্রতিটি ইটের সুরকি হচ্ছে একেকজন মান...
18/08/2025

আচ্ছা বলেন তো, খাচার ভেতরে বন্দি প্রাণীটার আশেপাশে এত ইটের- সুরকি এলো কোথা থেকে?

কারন প্রতিটি ইটের সুরকি হচ্ছে একেকজন মানুষের বিনোদন চাহিদার চিহ্ন। টাকা খরচ করে এই অপরিচিত প্রাণীটা দেখতে এসে তাকে বিশ্রাম করতে দেখলে হিউম্যান সাইকোলজিতে ইরিটেশন ট্রিগার করে তখন, আর তারা সবাই মিলে ইট মা-রে । এক টুকরো ইট গায়ে লাগাতে পারলে যদি সে ব্যথা পেয়ে একটা দৌড় দেয় বা দাঁত খিঁচিয়ে ডিফেন্সিভ রিঅ্যাকশন দেখায় তবেই পয়সা উসুল হয়ে যাবে :-) সাথে বাচ্চা থাকলে তারাও এন্টারটেইনড হয়ে হাততালি দিতে থাকে । বিজয়ীর বেশে ইট মারা মানুষটা পরের খাঁচার দিকে চলে যায় হেটে । তার স্থানে চলে আসে আরেকটা মানুষ সিরিয়াল করে,এভাবেই চলতে থাকে বিনোদন তাদের 🙂

আজ বাবা-মার কাছ থেকে প্রাণীদের প্রতি এই আচরণ দেখে কোলের বাচ্চাটা একই আচরণ শেখে এবং বড় হয়ে সেও এদের সাথে একই আচরণ করবে । এর মাঝে কোনো রিগ্রেট ফিল হয় না তাতে । কারণ এভাবেই চলে আসছে যুগের পর যুগ।।

সব কিছু বাদ দিয়ে প্রথমে ছবির খাঁচায় আটকানো এই ছোট্ট প্রাণীটার দিকে একবার ভালোভাবে চেয়ে দেখেন তো । তারপর তার পাশের ইটের সুরকিগুলো গোনা শুরু করেন একবার । নিশ্চিতভাবে একটা পর্যায়ে আপনি ধৈর্য হারিয়ে গণনা করা বাদ দিয়ে দিবেন।

অথচ চিন্তা করতে পারবেন ? এই ছোট্ট প্রাণীটাকে এখানেই এই প্রতিটা ইটের আঘাত সহ্য করতে হয়েছে দিনের পর দিন । এবং এটা চলবে যতদিন সে জীবিত থাকবে আল্লাহ মাফ করুক, ততদিন। কিন্তু তার অপরাধটা কি আসলে বলতে পারবেন ?

চিড়িয়াখানাই একমাত্র জেলখানা, যেখানে নিশ্চিতভাবে প্রতিটি বন্দিই নিরপরাধ 🥲।

স্থান: এটা মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, বান্দরবান।

© from তালাশ শাহনেওয়াজ।।

゚viralfbreelsfypシ゚viral

18/05/2025
18/05/2025
Absulately true👏👌👍❤️🌹❤️
01/11/2024

Absulately true👏👌👍❤️🌹❤️

30/10/2024

জাহাঙ্গীরনগর
"মুসলিম"
বিশ্ববিদ্যালয়

16/09/2024

লিখেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি Saleh Hasan Naqib স্যার

“আরবিতে বছরটিকে বলা হয় আ’মুল ফিল, বাংলায় হাতির বছর, ইংরেজিতে The year of elephant। সূরা আল ফিলে ইয়েমেনের শাসক আবরাহার হাতি নিয়ে মক্কা আক্রমণের বিবরণ আছে। ঐতিহাসিক এই ঘটনা মক্কার মর্যাদা অনেক বাড়িয়ে দেয়।

একই বছর শিশুটি জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের আগেই পিতাকে হারিয়েছেন। জন্মের পর শৈশবের কিছুটা সময় কেটেছে আরব বেদুঈনদের সাথে। ছয় বছর বয়েসে হারান মা কে। এরপর কিছুটা সময় কেটেছে দাদার তত্ত্বাবধানে। দাদার মৃত্যুর পর চাচার তত্ত্বাবধানে।

তিনি ছিলেন আর সবার থেকে আলাদা। তারুন্যে পৌঁছানোর আগেই তিনি মক্কার সকলের কাছে ‘আস-সাদিক (সত্যবাদি)’ এবং ‘আল-আমিন (বিশ্বাসী)’। তাঁর বয়স যখন চল্লিশ তাঁর কাছে নবুয়াতের পয়গাম প্রথম পৌঁছায়। এর পর থেকে যে ইতিহাস তা অবর্ণনীয় ত্যাগ, তিতিক্ষা আর সংগ্রামের ইতিহাস। জুলুম, নির্যাতন আর অভাব, দারিদ্রের ভেতর শ্রেষ্ঠতম মানবিক গুণাবলী নিয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি অবিচল থাকার অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)। তাঁর শৈশব, কৈশোর কেটেছে মেষ চরিয়ে। নিরক্ষর আরব বেদুঈনদের মাঝে। কেউ তাঁর শিক্ষক ছিলেন না। তিনি নিরক্ষর, উম্মি নবী। আজ বিশ্ব জুড়ে প্রায় ১৮০ কোটি মুসলিম। কারণ এবং অকারণে ইসলাম আজ সবচেয়ে আলোচিত এবং সমালোচিত ধর্ম। হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) একই সাথে সবচেয়ে প্রশংসিত, আলোচিত এবং সমালোচিত। আলোচিত এবং সমালোচিত এই কারণে যে তাঁকে এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। দেড় হাজার বছর পরেও তিনি সমান contextual, সমান প্রাসঙ্গিক। শতকোটি মানুষের দিনের শুরু থেকে দিনের শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বাস ও কাজে তিনি উপস্থিত। তাঁর প্রভাব ও শিক্ষা রুখে দিতে প্রচেষ্টার কোন কমতি নেই। সকল বাঁধা, বিপত্তি, সন্ত্রাস, উগ্রবাদ কোন কিছুই যেন এখানে কোন কাজে আসে না। তিনি আছেন, তাঁর শিক্ষা আছে, শত প্রতিকূলতার ভেতরও তা প্রতিদিন বিশ্বের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে। কিছুতেই একে রোখা যায় না। রোখা যায় নি। এক অনিশ্চিত বিশ্ব, আলো আঁধারের টানাপোড়ন, ভালো আর মন্দের সংঘাত, প্রলোভন আর পরিত্রাণের দ্বন্দ্ব – এর ভেতর শতকোটি মানুষকে তিনি আলোর পথ দেখিয়ে চলেছেন।

শৈশবে মেষ পালক, নিরক্ষর, এতিম, দারিদ্র আর ত্যাগ তিতিক্ষা তাঁর জীবনের ইতিহাস। সমস্ত জীবন শুধু চ্যালেঞ্জ নেওয়ার ইতিহাস। তিনি বলেছেন, তিনি করেছেন, শ্রেষ্ঠতম উপায়ে।

নবী (সাঃ) বিশ্বাসীদের কাছে এক তীব্র আবেগের জায়গা। এই আবেগের উৎস আমি বুঝি। কিন্তু এটাও দেখতে পাই, আবেগের সাথে সাথে তাঁর জীবনকে জানা ও বোঝার যে দাবী তা অনেকটাই উপেক্ষিত। আমরা যদি তা বুঝতাম, তাহলে আজ দেশে, সমাজে যে অস্থিরতা, অসহিষ্ণুতা এবং উগ্রতা, তা থাকত না। প্রতিটি দিন নবী (সাঃ)কে বোঝার দিন, প্রতিটি দিন তাঁর জীবন থেকে শেখার দিন।

প্রায় দেড় হাজার বছর আগে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি আজও মানব ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্ববহ। ইতিহাস বলে, তিনি সামনের দিনগুলিতেও তাই থাকবেন। কল্পনা করা যায়! আমরা মিরাকলের কথা বলি। নবী (সাঃ) হচ্ছেন সবচেয়ে বড় মিরাকল!!”
Copied from DU Professor Saiful Alam Sir❤️

22/03/2024

তুমি কি ২০২৪ সালের 𝐒𝐒𝐂/দাখিল পরীক্ষার্থীদের একজন? তাহলে তোমাকেই বলছি...

তোমরা যারা SSC/দাখিল পরীক্ষার পর পরই নিজেকে ক্যারিয়ারে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখতে চাও, তারা চলে আসো S@ifur's -এ।

তোমাদের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে আমরা আয়োজন করেছি এসএসসি/দাখিল পরীক্ষার পর ৩ মাসের 𝐄𝐧𝐠𝐥𝐢𝐬𝐡 𝐁𝐮𝐥𝐥𝐞𝐭 𝐅𝐨𝐮𝐧𝐝𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞 𝐂𝐨𝐮𝐫𝐬𝐞 কোর্সটি। তোমাকে নিয়ে তোমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন আকাশছোঁয়া, তা আমরা জানি। আর তুমিও নিশ্চয়ই হতে চাও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার কিংবা বিসিএস ক্যাডার অথবা পারি জমাতে চাও USA/UK/CANADA/ইউরোপের কোন এক উন্নত দেশে। SSC পরীক্ষার পর নিজেকে ক্যারিয়ারে এগিয়ে রাখতে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষার পর ঘুরে ফিরে সময় নষ্ট না করে 𝗦@𝗶𝗳𝘂𝗿'𝘀 𝗡𝗮𝗿𝘀𝗶𝗻𝗴𝗱𝗶 𝗕𝗿𝗮𝗻𝗰𝗵 এ ৩ মাসের 𝐄𝐧𝐠𝐥𝐢𝐬𝐡 𝐁𝐮𝐥𝐥𝐞𝐭 𝐅𝐨𝐮𝐧𝐝𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞 𝐂𝐨𝐮𝐫𝐬𝐞-এ ভর্তি হয়ে নিজেকে প্রস্তুত করো ভবিষ্যতের জন্য।

✔ 𝐄𝐧𝐠𝐥𝐢𝐬𝐡 𝐁𝐮𝐥𝐥𝐞𝐭 𝐅𝐨𝐮𝐧𝐝𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞 𝐂𝐨𝐮𝐫𝐬𝐞-এ যা যা থাকছে👇
📍𝙎𝙥𝙤𝙠𝙚𝙣 𝙀𝙣𝙜𝙡𝙞𝙨𝙝
📍 𝙂𝙧𝙖𝙢𝙢𝙖𝙧
📍𝙒𝙧𝙞𝙩𝙞𝙣𝙜
📍 𝙎𝙢𝙖𝙧𝙩 𝙋𝙧𝙚𝙨𝙚𝙣𝙩𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣
📍 𝙃𝙎𝘾 𝘼𝙘𝙖𝙙𝙚𝙢𝙞𝙘 𝙀𝙣𝙜𝙡𝙞𝙨𝙝
📍𝘽𝙖𝙨𝙞𝙘 𝙐𝙣𝙞𝙫𝙚𝙧𝙨𝙞𝙩𝙮 𝘼𝙙𝙢𝙞𝙨𝙨𝙞𝙤𝙣 𝙀𝙣𝙜𝙡𝙞𝙨𝙝

সুতরাং, ইংলিশের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের জন্য ইংলিশের ভীতি দূর করে একাডেমিক ইংলিশের পাশাপাশি ভার্সিটির ইংলিশে নিজেকে এক ধাপ এগিয়ে রাখার পূর্ণাঙ্গ ফাউন্ডেশন কোর্স এটি।

◆ ক্লাস শুরু: ২৬ শে মার্চ ২০২৪, মঙ্গলবার (সকাল ১০:০০ টায়।)

Admission going on...
প্রথম ব্যাচে আর কয়েকটি আসন বাকি আছে। দ্বিতীয় ব্যাচে ভর্তি চলছে।

☎ বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে অথবা কল করুন: 01942525301/ 01916043456



This is the facebook page of S@ifur's Narsingdi Branch. Our main objective is to convey information.

Address

203, West Brahmondi, Just North To Govt. College & Close To Boys' School
Narsingdi
1600

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Friday 09:00 - 18:00
Saturday 06:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801942525301

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saifur's Narsingdi Branch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Saifur's Narsingdi Branch:

Shortcuts

Share

Category