07/01/2021
#গুরুত্বপূর্ণ_নোটিস
দীর্ঘ প্রায় এক বছর যাবত করোনা ভাইরাস এর জন্য বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধু আছে। এতে প্রায় সকল শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হচভহে প্রতিনিয়ত। অবশেষে সে ক্ষতি কমানো অথবা কিছুটা উপক্রিত করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার, শিক্ষামন্ত্রী বা উপর মহলের লোকেরা।
▶ অবশেষে খোলা হচ্ছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে তে। কিন্তু এখানে কথা হচ্ছে সবাই কি প্রতিষ্ঠান এ আসতে পারবে রেগুলার পাঠগ্রহণ করার জন্য?
উত্তরঃ আমি বলবো না, সবাই সিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ আসতে পারবেনা।
বিস্তারিতঃ আমরা জানি যে যেকোন পাবলিক পরিক্ষাই সকল শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন এই পরিক্ষার উপরই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ডিপেন্ড করে।
▶আর সে দিক বিবেচনা করে শুধু মাত্র এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি পরিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে।
▶এখন প্রশ্ন থাকতে পারে বাকিদের কি খোলা হবেনা?
উত্তরঃ আমি বলবো হ্যাঁ অবশ্যই খোলা হবে বা আপাতত এখন নাও খোলা হতে পারে। সেটা ডিপেন্ড করছে যাদের ফেব্রুয়ারিতে খোলা হচভহে তাদের ফলাফল এর মাধ্যমে। এক মাস ক্লাস করে যদি দেখা যায় কেও নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেনা তাহলে খোলা হবে অন্যথায় বন্ধই থাকবে।
▶সবাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ আসলে করোনার হার যদি আরো বারে বা কিভাবে ক্লাস নিবে?
উত্তরঃ আমি যেটা যানি বা দেখেছি বা শুনেছি যে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান এ তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা থাকবে এবং ছাত্র-ছাত্রীর শারিরীক অবস্থা ভিবেচনায় তাকে প্রতিষ্ঠান এ ডুকানো হবে। আর ক্লাস যেভাবে হবে➖ একটা ক্লাস এ আমি মনে করি ৬০-৭০/৮০ জন শিক্ষার্থী আছে কিন্তু একটা প্রতিষ্ঠান এ ক্লাস আছে ৬ষ্ঠ, ৭ম,৮ম,৯ম,১০ম পাচটি ক্লাস রুম এখানে আবার যদি শাখা থাকে তাহলে মিনিমাম ১০ টা ক্লাসরুম আছে। যে ৬০-৮০ জন শিক্ষার্থী আছে তাদের সবাইকে এই ১০টা ক্লাসরুমে ভাগ করে দেওয়া হবে এবং সবাইকে নিরাপদে ক্লাস করবে এমনটাই এডুকেশন বোর্ড এ কথা চলছে।
বি.দ্রঃ এ লেখা টা সম্পুর্ন আমার লেখা কিন্তু তথ্য বোর্ড এ কর্মরত মানুষদের কাছ থেকে কালেক্ট করা। তাই বলছি যারা পরিক্ষার্থী ছোট ভাই বোনরা আছো তোমরা পড়াশোনায় মনোযোগী হও। এবং মানসিক এবং শারীরিক ভাবে প্রস্তুত এবং প্রিপারেশন নিতে থাকো।
05/11/2020